ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮ ৬:০৮:৫৩

খাশোগি হত্যায় সৌদি আরব জড়িত থাকলে ব্যবস্থা: ট্রাম্প

খাশোগি হত্যায় সৌদি আরব জড়িত থাকলে ব্যবস্থা: ট্রাম্প

যদি প্রমাণ হয় যে, ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে সৌদি আরব হত্যা করেছে তাহলে দেশটিকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুশিয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএসর  ‘সিক্সটি মিনিট’অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ কথা বলেন। তার এ বক্তব্য আজ  রোববার সম্প্রচারিত হওয়ার কথা রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবকে শাস্তি দেওয়ার কথা বললেও জামাল খাশোগির নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে সৌদি সরকারকে দোষারুপ করা থেকে বিরত থাকেন। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা জানি না খশোগিকে হত্যা করা হয়েছে কিনা তবে পরিস্থিতি খুব শক্তভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।’ এর আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, খাশোগির সন্দেহভাজন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে হাজার হাজার কোটি ডলারের অস্ত্র চুক্তি বাতিল করতে চান না। উল্লেখ্য, গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরে সৌদি কন্স্যুলেটে বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন খোশোগি। তুরস্ক সরকার বলেছে, খশোগিকে কন্স্যুলেট ভবনের ভেতরে হত্যা করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে তাদের কাছে রেকর্ড আছে। বলা হচ্ছে- এ হত্যাকাণ্ড সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমানের নির্দেশে সংঘটিত হয়েছে। সূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/
ট্রাম্পের সঙ্গে সুখেই আছি : মেলানিয়া

নিজের বৈবাহিক জটিলতার গুঞ্জনকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, স্বামী ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ভালো আছেন। মেলানিয়া স্পষ্ট করে বলেছেন, ট্রাম্পের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তার ‘উদ্বেগ বা মনোযোগের’ বিষয় নয়, পালন করার মতো আরও অনেক জরুরি দায়িত্ব রয়েছে তাঁর। ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমের ধারণা ‘সুখকর’ নয় বলে মন্তব্য করেছেন মেলানিয়া। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ভালোবাসেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ভালো আছি’। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক থাকার কথাও অস্বীকার করে আসলেও পর্ন তারকা স্টর্মি ড্যানিয়েলস ও সাবেক প্লেবয় মডেল কারেন ম্যাকডোগাল ট্রাম্পের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক থাকার অভিযোগ করে আসছেন। এসব অভিযোগ সামনে আসার পর মেলানিয়ার সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক নিয়ে গণমাধ্যমে নেতিবাচক খবর প্রকাশিত হতে শুরু করে। গুঞ্জন ওঠে, তাদের সম্পর্ক অবনতির দিকে যাচ্ছে। গুঞ্জন উঠে আলাদা থাকছেন ট্রাম্প ও মেলানিয়া। তবে এবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেলানিয়া বলেন, তিনি তার স্বামীকে ভালোবাসেন আর তাদের সম্পর্ক নিয়ে সংবাদমাধ্যমের খবর সব সময় সঠিক নয়। কাটতি বাড়ানোর জন্য এসব আজগুবি খবর। তিনি বলেন, এটা আমার উদ্বেগ বা মনোযোগের বিষয়বস্তু নয়। আমি একজন মা ও একজন ফার্স্টলেডি আর আমার আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা এবং করার মতো কাজ রয়েছে। আমি জানি কোনটা সঠিক এবং কোনটা সত্যি আর কোনটা সত্যি নয়। মেলানিয়া বলেন, যেসব নারী যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনেন, তাঁদের অবশ্যই শক্ত প্রমাণ দেখানো দরকার। প্রসঙ্গত, সাবেক প্লেবয় কারেন ম্যাকডোগাল দাবি করে আসছেন ট্রাম্পের সঙ্গে তার দশ মাস সম্পর্ক ছিল। ২০০৬ সালে এই সম্পর্ক শুরু হয়। সেই সময়ে তিনি মেলানিয়াকে বিয়ে করেছেন আর দ্য অ্যাপরেন্টিস নামে একটি টেলিভিশন শো উপস্থাপনা করতেন।  এই কথা শুধুমাত্র দ্য ন্যাশনাল এনকোয়ারারের কাছে প্রকাশ করতে ম্যাকডোগাল তাদের সঙ্গে দেড় লাখ মার্কিন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর করে। তার সেই স্বাক্ষ্য এখনও প্রকাশ পায়নি। তবে এপ্রিলে ট্যাবলয়েডটির প্রকাশকের সঙ্গে এই গল্প প্রকাশ করার বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছান। স্টর্মি ড্যানিয়েলসের প্রকৃত নাম স্টিফেন ক্লিফোর্ড। তার অভিযোগ ক্যালিফোর্নিয়া ও নেভাদার মধ্যকার এক অবকাশ যাপন কেন্দ্র লেক তাহোয়ের একটি কক্ষে ২০০৬ সালে ট্রাম্পের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন তিনি। ওই ঘটনার পর তাদের সঙ্গে সম্পর্ক চলমান রয়েছে।  ড্যানিয়েলস অভিযোগ করেন ২০১৬ সালের নির্বাচনের আগে আইনজীবী মাইকেল কোহেনের মাধ্যমে তাকে এক লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার দেন ট্রাম্প। বিনিময়ে তাকে চুপ থাকতে বলেছিলেন তিনি। এই দুই নারীর অভিযোগই অস্বীকার করে আসছেন ট্রাম্প। সূত্র: বিবিসি। এ সংক্রান্ত আরো খবর বিশ্বে আমিই সবচেয়ে উত্ত্যক্তের শিকার: মেলানিয়া ট্রাম্প / এআর /

বিশ্বে আমিই সবচেয়ে উত্ত্যক্তের শিকার: মেলানিয়া ট্রাম্প

বিভিন্ন ইস্যুতে বহুবার আলোচনায় এসেছেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। সম্প্রতি এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে আবারও আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন ৪৮ বছর বয়স্ক মার্কিন ফাস্ট লেডি। সম্প্রতি এবিসি চ্যানেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাইবার বুলিং বা অনলাইনে উত্ত্যক্ত করা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সম্ভবত তিনিই বিশ্বের সবচেয়ে বেশি উত্ত্যক্তের শিকার কোনও নারী। গত বৃহস্পতিবার ওই সাক্ষাৎকারের মূল অংশ প্রকাশ করেছে চ্যানেলটি। গত সপ্তাহে মার্কিন ফার্স্ট লেডি হিসেবে আফ্রিকার কয়েকটি দেশে প্রথমবার একক সফরে করেন মেলানিয়া। তার নিজের ‘বি বেস্ট’ ক্যাম্পেইন এবং নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ে কাজ করতেই এ সফর। সেখানে গিয়েই ওই চ্যানেলটিতে তিনি সাক্ষাৎকার দেন। সাক্ষাৎকারে মেলানিয়া বলেন, ‘বিশ্বে আমিই সবচেয়ে বেশি উত্ত্যক্তের শিকার।’ এ সময় মেলানিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয়, ‘সত্যি আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি উত্ত্যক্তের শিকার? তার উত্তরে মেলানিয়া বলেন, ‘যদি আপনি দেখেন লোকজন আমার সম্পর্কে কী বলে, তাহলেই সব বুঝতে পারবেন।’ তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর কিছু বলেননি মেলানিয়া ট্রাম্প। সূত্র: এএফপি একে//

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হবে সিউলকে

উত্তর কোরিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার উত্তর কোরিয়ার ওপর থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সম্পর্কে ট্রাম্প সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাং কায়াং-ওয়া বলেছেন, ২০১০ সালে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে তার দেশের একটি যুদ্ধ জাহাজে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করে নিতে সিউল বিবেচনা করছে। হামলায় ৪৬ জন নাবিক প্রাণ হারায়। এরপরই ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এসব বক্তব্য এলো। নিষেধাজ্ঞার আওতায় দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরে উত্তর কোরিয়ার কোনো জাহাজ প্রবেশ করতে পারবে না। পাশাপাশি পর্যটন, বাণিজ্য এবং মানবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ছিন্ন করা হয়। ট্রাম্প বলেন, সিউল আমাদের অনুমোদন ছাড়া কিছুই করতে পারবে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে বলেছেন, যতদিন পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু কর্মসূচি ত্যাগ না করবে ততদিন পর্যন্ত পিয়ংইয়ংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।  তথ্যসূত্র : পার্সটুডে এমএইচ/  

এক-তৃতীয়াংশ মার্কিনী সেনাবাহিনীতে ভর্তির অযোগ্য

  যুক্তরাষ্ট্রের এক-তৃতীয়াংশ তরুণ-তরুণী স্থুলতায় ভোগার কারণে দেশটির সেনাবাহিনীতে ভর্তি হওয়ার অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। নতুন এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য পেন্টাগনের কর্মকর্তাদেরকে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।বুধবার প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, শতকরা প্রায় ৩১ ভাগ ছেলে ও মেয়ে শারীরিকভাবে স্থূল হওয়ার জন্য সেনাবাহিনীতে তাদের চাকরি করার যোগ্যতা নেই। এ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ১৭ থেকে ২৪ বছর বয়সী শতকরা ৭১ ভাগ ছেলে-মেয়ে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বর্তমান নিয়োগ শর্ত পূরণ করতে অক্ষম। এ কারণে চলতি বছর মার্কিন সেনাবাহিনীতে যে ৭০ হাজার লোক নেওয়ার লক্ষ্য ছিল তা থেকে সাড়ে ছয় হাজার লোক কম নেওয়া হয়েছে। জরিপ পরিচালনাকারী সংস্থার কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্যামুয়েল এবেসেন বলেন, ‘যারা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কাজ করতে চায় তাদেরকে মানসম্মতভাবে প্রস্তুত করাটা খুবই জরুরি।’ এদিকে জরিপে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি স্থুলতায় ভুগছে আমেরিকার মিসিসিপি, লুইজিয়ানা ও কলাম্বিয়া অঙ্গরাজ্যের ছেলে-মেয়েরা।এসব অঙ্গরাজ্যের শতকরা ৭৫ থেকে ৭৮ ভাগ ছেলে-মেয়ে সেনাবাহিনীতে চাকরি করার অযোগ্য।   সূত্র: পার্সটুডে এমএইচ/  

বেশি টাকা কামাতে চলে যাচ্ছেন নিকি হ্যালি: ট্রাম্প

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়া নিকি হ্যালির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে নিকির প্রাইভেট সেক্টরে যোগদানের দিকে খোঁচা দিয়ে বলেছেন, প্রচুর অর্থ উপার্জন করতেই প্রাইভেট সেক্টরে যাচ্ছেন নিকি, যেখানে তিনি এখন কাজ করতে ইচ্ছুক। আর এরজন্যই তিনি মার্কিন রাষ্ট্রদূত থেকে সরছেন। স্থানীয় সময় বুধবার হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ কথা বলেন। এর আগে মঙ্গলবার ৪৬ বছর বয়সী নিকি হ্যালি আকস্মিকভাবে পদত্যাগ করেন। যা ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রহণও করেছেন। তবে এ বছরের শেষ পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকতে পারেন। যদিও এ সময়ের ভেতরে তার স্থলাভিষিক্ত মনোনীত করতে হবে। যা সিনেটের মাধ্যমে আবার নিশ্চিতও করতে হবে। নিকির বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, বছরের শেষ পর্যন্ত থেকে নিকি চলে যাচ্ছেন। তিনি আমাদের বন্ধু ছিলেন। তিনি মহান। নিকি চলে যাওয়ার আগে আমি তার সঙ্গে কিছু সময় কাটাতে চাই। এছাড়া আমি আশা করি তিনি ভালো কিছু করবেন। আর তিনি প্রচুর টাকা কামাতেই এখান থেকে চলে যাচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আমি মনে করি নিকি আবার ফিরে আসবেন। কেননা, তিনি একজন অসাধারণ ব্যক্তি, খুব ভালো মানুষ। নিকির স্থলাভিষিক্তর ব্যাপারে ট্রাম্প বলেন, নিকির স্থলাভিষিক্ত নিয়ে চার-পাঁচজন ভিন্ন এবং পৃথক ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে আছি। এদের মধ্যে দীনা পাওয়েল (৪৫) একজন। যিনি আমার ডেপুটি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। তবে ট্রাম্প নিকির পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে কিছুই স্পষ্ট করলেন না। এক প্রশ্নের জবাবে শুধু বললেন, এটা নিয়ে আর এতো ভাবতে চাই না। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে নিকি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে জাতিসংঘে যোগ দিয়েছিলেন। আর মাত্র এই এক বছরের মধ্যে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তি হয়ে উঠেন। এ থেকে অনেকেই তখন ধারণাও করেছিল, হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতেই তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তার ‘প্রেমের সম্পর্ক’রয়েছে বলেও অনেক সমালোচনায় পড়েছিলেন নিকি। এ নিয়ে অনেক তোলপাড়ও হয়েছিল বিশ্ব গণমাধ্যমে। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস। / এআর /

ফ্লোরিডায় আঘাত হেনেছে হারিকেন ‘মাইকেল’

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী হারিকেন মাইকেল। দেশটির হারিকেন সেন্টার বলছে, এ সময় বাতাসের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ১৫৫ মাইল। এরইমধ্যে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে উপকূলবর্তী মারিয়ানা শহরের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন শহরের প্রায় ৭৮ হাজার বাসিন্দা। ফ্লোরিডার গভর্নর বলেছেন, গত ১শ’ বছরের চেয়ে ভয়াবহ হারিকেন হচ্ছে ‘মাইকেল’। সতর্কতা জারি করা হয়েছে প্যানহ্যান্ডল ও বিগবেন্ড এলাকা, আলাবামার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং জর্জিয়ায়। প্যানহ্যান্ডলের ৬টি বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরইমধ্যে শুরু হয়েছে ভারি বৃষ্টি। ভূমিধ্বস ও সাময়িক বন্যারও আশংকা রয়েছে।সূত্র : বিবিসিএসএ/

নভেম্বরে ফের বৈঠক ট্রাম্প-কিমের

চলতি বছরের ১২ জুন ঐতিহাসিক বৈঠকে হাত মিলিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং উন। এই বৈঠককে এখনও পর্যন্ত বহুল সমালোচিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিদেশনীতির সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ট্রাম্প ঘোষণা করলেন ফের কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন তিনি। আগামী মাসেই ফের বৈঠকে বসবেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। কিমের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনাও হয়ে গেছে। এর আগেই মার্কিন স্বরাষ্ট্র সচিব মাইক পম্পেও কিমের সঙ্গে বৈঠকে নিয়ে বেশ কয়েক ঘণ্টা আলোচনা করেছেন। বৈঠকের জন্য বেশ কয়েকটি নিউট্রাল ভেন্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে দু‘জনের মধ্যে। তবে এখনও চূড়ান্ত হয়নি ভেন্যু। ট্রাম্প জানিয়েছেন, কিমের সঙ্গে বৈঠক হবে আগামী ৬ নভেম্বর। আগামী মিড টার্ম নির্বাচনের পর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এখন আমার পক্ষে দেশের বাইরে যাওয়া সম্ভব নয়, বৈঠক নিয়ে আমরা মিড টার্ম নির্বাচনের পর কথা বলব।’ অন্যদিকে, মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও জানিয়েছেন, এখনও অনেক কাজ বাকি। তবে একটা পথ খুঁজে পেয়েছি যার মাধ্যমে আমরা আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারি। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা করে পরমাণু কার্যকলাপ বন্ধ করাই  আমাদের লক্ষ্য। গত ১২ জুন প্রথম দফার ঐতিহাসিক বৈঠক হয় ট্রাম্প ও কিমের। সেই বৈঠকে পারস্পারিক সহযোগিতার বার্তা দেন দুই রাষ্ট্রপ্রধানই। দুই দেশের প্রধানের মধ্যে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে তার মধ্যে প্রধান ছিল পারমাণবিক শক্তি। বৈঠকের আগে একাধিকবার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করেছিল উত্তর কোরিয়া। এই নিয়ে আমেরিকা ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে একটি চাপা লড়াই চলছিল। তবে বৈঠক শেষে কিম পরমাণু পরীক্ষা বন্ধ করা নিয়ে আলোচনায় রাজি হন। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

জাতিসংঘে মার্কিন দূত হিসেবে ইভানকার চেয়ে যোগ্য কেউ নেই: ট্রাম্প

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূত হিসেবে নিজের মেয়ে ইভানকার চেয়ে যোগ্য কেউ নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তাকে নিয়োগ দিলে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠার আশঙ্কায় এ কাজ করছেন না বলেও জানান তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, তার মেয়ে আদতে ‘ডায়নামাইট’। কিন্তু তাকে মনোনীত করা হলে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠবে তার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার হঠাৎ করেই জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি পদত্যাগ করেন। তারপর থেকেই আলোচনা শুরু হয়েছে কে হবেন হ্যালির উত্তরসূরী। সেই বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়েই ইভানকার কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, আমি ইভানকার নাম শুনছি। সে কেমন হবে? এটাতে স্বজনপ্রীতির কিছু নেই। সেই এই পদের জন্য সেরা পছন্দ। কিন্তু তারপরও আমার বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ আনা হবে। ট্রাম্প পছন্দ করলেও ইভানকা নিজেই তার সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিয়েছেন। এক টুইটবার্তায় তিনি বলেন, তার বাবা হ্যালির জায়গায় যোগ্য উত্তরসূরী খুঁজবেন। আর তিনি সেই উত্তরসূরী নন। নিকি হ্যালি আগে সাউথ ক্যারোলিনার গভর্নর ছিলেন। জাতিসংঘের দূত হিসেবে ৯৬ জন সিনেটর ভোট দিয়েছিলেন তাকে। ট্রাম্প বলেছেন, নিকি হ্যালি ভিন্ন কোনও দায়িত্ব নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনে ফিরে আসবেন। আরকে//

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে সালমান বেপরোয়া: স্যান্ডার্স

যুক্তরাষ্ট্রের একচ্ছত্র সমর্থন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানকে এতটা ধৃষ্ট করে তুলেছে যে, তিনি যেকোনো অপরাধ এমনকি হত্যাকাণ্ড চালাতেও দ্বিধা করছেন না বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। মঙ্গলবার জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া এক বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় তিনি সৌদি সরকারকে ‘স্বৈরাচার’আখ্যায়িত করে দেশটির সরকার বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকারীদের বিচার করার আহ্বান জানিয়েছেন। ভেরমন্ট অঙ্গরাজ্যের এই স্বতন্ত্র সিনেটর বলেন, সৌদি আরবের ক্ষমতায় রয়েছে একটি একনায়কতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী সরকার যে কোনো অবস্থাতেই বিরুদ্ধ মতবাদ সহ্য করে না। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশের প্রেসিডেন্ট হয়ে তিনি সৌদি আরবের স্বৈরশাসককে সমর্থন করে যাচ্ছেন। উল্লেখ্য, সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক ও লেখক জামাল খাশোগি গত মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলস্থ সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করে আর বের হননি। একাধিক তুর্কি সূত্র বলেছে, খাশোগিকে কনস্যুলেটের ভেতর হত্যা করে তার লাশ অন্যত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এদিকে কাতার-ভিত্তিক নিউজ চ্যানেল আল-জাযিরা মঙ্গলবার খবর দিয়েছে, ইস্তাম্বুলের একটি এলাকায় খাশোগির লাশ পাওয়া গেছে। তবে অন্য কোনো সূত্র থেকে এই খবরের সত্যতা যাচাই করা যায়নি। সূত্র:পার্সটুডে এমএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি