ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৮ ৭:০৪:৫৭

বিশেষ কাজের আগে দই খেলে অন্য উপকার

বিশেষ কাজের আগে দই খেলে অন্য উপকার

কোনও শুভ কাজে বেরনোর সময়ে অনেকে দই খান। এর পিছনে কিন্তু একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও রয়েছে। একটি সর্বভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভবত শরীরের জন্য দইয়ের উপকারিতার কথা মাথায় রেখেই প্রাচীনকাল থেকেই এই রীতি চালু হয়েছে। আসলে দইয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। এ ছাড়াও দইয়ে থাকে ক্যালসিয়াম, রাইবোফ্লোবিন, ভিটামিন বি সিক্স, এবং ভিটামিন বি ১২-এর মতো পুষ্টিগুণ। যে কারণে দই খেলে শরীরের এনার্জি লেভেল ঠিকঠাক থাকে। ফলে কেউ যদি কোনও বিশেষ কাজে বেরনোর আগে কিছু না খেয়েও এক বাটি টক দই চিনি দিয়ে মিশিয়ে খেয়ে যান, তাহলে অনেকক্ষণ সতেজ থাকা যায়। দুর্বলতা গ্রাস করে না। এ ছাড়াও দই খেলে হাড় মজবুত হয়, পেটের সমস্যাও হয় না। টক দই চিনি দিয়ে মিশিয়ে খেলে এর উপকারিতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সূত্র: এবেলা একে//
শিশুদের দ্রুত বিকাশে প্রোটিনসমৃদ্ধ ৪ খাবার

শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের বিকল্প নেই। তাই শিশুর পিতা-মাতা বা অভিভাবকদের অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে শিশুদের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার সরবরাহ করা।   প্রেটিন পেশী গঠন ছাড়াও শরীরের হাড় মজবুত এবং শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। তাই আসুন জেনে নেওয়া যাক প্রেটিন সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি শাক-সবজি সম্পর্কে-  ১) ব্রোকলি বাচ্চারা সাধারণত সবুজ শাক-সবজি খেতে পছন্দ করে না। কিন্তু প্রোটিন সমৃদ্ধ এই ব্রোকলি আপনি সহজেই আকর্ষণীয় উপায়ে বাচ্চাদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেন। আপনি ব্রোকলি দিয়ে কাটলেট, চিপস তৈরি করতে পারেন। অথবা সবজি হিসেবে মাছের সাথে রান্না করতে পারেন। ২) সবুজ মটরশুটি সবুজ মটরশুটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি যেমন সুস্বাদু ‍তেমনি স্বাস্থ্যকর।  একা কাপ মটরশুটিতে সাধারণত আট গ্রাম প্রোটিন থাকে। তাই মটরশুটি সুন্দর উপায়ে রান্না করে বাচ্চাদের খাওয়াতে পারেন। এতে বাচ্চাদের দ্রুত শরীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে। ৩) মাশরুম এক কাপ মাশরুমে সাধারণত তিন গ্রাম প্রোটিন থাকে। মাশরুম বিভিন্ন উপায়ে আপনাদের বাচ্চাদের খাওয়াতে পারেন। ভাজী করে বা তরকারি হিসেবেও তা আপনিও রান্না করতে পারেন। এটি বাচ্চাদের শরীরিক ও মানসিক বিকাশে অনেক সাহায্য করে।   ৪) আলু খোঁসাসহ একটি মাঝারি আকারের আলুতে সাধারণত পাঁচ গ্রাম প্রোটিন থাকে। আলু আমরা বিভিন্ন উপায়ে রান্না করে বাচ্চাদেরকে খাওয়াতে পারি। তরকারী হিসেবে বাচ্চাদের আলু খাওয়াতে পারেন।  তবে আলু ভেজে শিশুদের খাওয়ানো উচিত নয়।   তথ্যসূত্র: এনডিটিভি এমএইচ/  

থাইরয়েড সমস্যা দূর করুন ভেষজ উপাদানে

থাইরয়েড শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থি। থাইরয়েডের প্রধান কাজ হলো মেটাবলিজম এবং মস্তিষ্ক পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় হরমোন তৈরি করা। সমস্যার শুরুটা হয় যখন থাইরয়েড গ্রন্থির গোড়ায় ছোট একটি মাংসপিণ্ড বেড়ে ওঠে, যা হরমোনের স্বাভাবিক উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। থাইরয়েডের ভারসাম্যহীন অবস্থা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে কিছু প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান। এই ভেষজগুলো কেউ চাইলে এমনিতেই খেতে পারে অথবা চা তৈরি করে অথবা ক্যাপসুল বা ঔষধ হিসেবে খেতে পারে। তাই থাইরয়েড গ্রন্থির থেকে সবচেয়ে বেশি উপকারিতা পাওয়ার জন্য সঠিক পরিমানে সেসব ভেষজ ঔষধ গ্রহন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। থাইরয়েড স্বাস্থ্যকে উন্নত করতে সবারই উচিত এসব ভেষজ উপাদান গুলো সম্পর্কে জেনে রাখা এবং যে উপাদানটি যার জন্য ভালো কাজ করে তা গ্রহণ করা। ১. আদা: অনন্য ঔষধিগুন সম্পন্ন আদা সাধারণত বমি বমি ভাব ও পেটের সমস্যার জন্য বেশ ভাল কাজ করে আবার এটি থাইরয়েডের জন্যও আদর্শ। এর কারন হচ্ছে আদা তে রয়েছে উচ্চ মাত্রার জিংক, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম যা থাইরয়েডের অবস্থা ভালো রাখতে প্রয়োজন। তবে উপকারিতা বেশি পেতে হলে অবশ্যই তাজা আদা গ্রহণ করতে হবে। ভাল উপকার পেতে আদা কুচি খাওয়া যায় বা আদা দিয়ে চা তৈরি করা খাওয়া যায়। আদা দিয়ে তৈরি করা চা কুসুম গরম অবস্থায় অর্গানিক মধু মিশিয়ে খেলে খুবই উপকার পাওয়া যায়। গরম অবস্থায় মধু কখনো মেশানো যাবে না কারন এতে মধুর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। ২. তিসিবীজ: এটিও সাধারণত হজমতন্ত্রের জন্য বেশ উপকারী কারন হচ্ছে এটি উচ্চখাদ্য আঁশ সমৃদ্ধ। তিসিবীজ থাইরয়েডের জন্যও ঔষধের মত কাজ করে। যাদের ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসরণ কম হয় তাদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ভাবে তিসিবীজ খেলে সেই নিঃসরণের পরিমান বৃদ্ধি পায়।খুব বেশি পরিমান না খেয়ে প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ করে খেলে এর সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া সম্ভব হবে। তিসিবীজ গুড়ো করে যেকোনো পানীয়ের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন নয়তো যেকোনো খাবারের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। ৩. বিছুটি পাতা: এই পাতা অতিরিক্ত কার্যকরী ও কম কার্যকরী দুই ধরনের থাইরয়েডের সমস্যার ক্ষেত্রেই উপকারী। এটি থাইরয়েডের টনিক হিসেবে খেতে বলা হয় কারন এতে থাকে প্রচুর পরিমাণ আয়োডিন যা খেলে এই পুষ্টি উপদানের অভাব পূরণে ঔষধের মত কাজ করে। এই পাতা দিয়ে চা তৈরি করে খাওয়া হচ্ছে সবচেয়ে সহজ ও উপকারী। এগুলো ছাড়াও প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন বাদাম, ডাল, মাছ ও মুরগি খেতে পারেন। শস্য জাতীয় খাবার খেতে হবে আর চিনি, ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার ও টিনজাত খাবার বর্জন করুন। কম কার্যকর থাইরয়েডের সমস্যার জন্য প্রতিরোধক হিসেবে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কাজ করে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিভিন্ন ধরনের সবজি, ফল ও ভেষজ উপাদানে পাওয়া যায় যেমন ব্রকলি, স্কোয়াস, জাম্বুরা, রসুন ইত্যাদি। / এআর

কফিতেই বাড়বে আয়ু: গবেষণা

কফির কাপে চুমুক দিয়ে শুরু করুন সকাল৷ কারণ নিয়ম করে কফি খেলেই বাড়বে আয়ু৷ জানাচ্ছে গবেষণা৷ সম্প্রতি কফি খাওয়া ও দীর্ঘজীবি হওয়ার মধ্যে একটি লিঙ্ক খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষের উপর বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চালানো হয়৷ যেখানে গবেষণা অর্ন্তভুক্ত প্রত্যেককেই দিনে ১-৮ কাপ কফি খাওয়ানো হয়৷ যার ফলাফল জামা ইন্টারনাল মেডিসিন নামে একটি মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত হয়৷ ন্যাশনাল ক্যানসার ইন্সিটিটিউটের এক গবেষক জানাচ্ছেন, ‘যারা প্রতিদিন ২-৩ কাপ করে কফি খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলকভাব কম৷ অন্যদিকে, যারা কফি খাননি তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি কফি খাওয়া ব্যক্তিদের থেকে ১২ শতাংশের বেশি৷’ পুরনো তথ্য ঘেঁটে উঠে এসেছে আরও একটি বিষয়৷ যেখানে বলা হয়, দিনে ৩-৪ কাপ কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের উপর ভাল প্রভাব ফেলতে পারে৷ যেটি আবার গত বছর ব্রিটিশ মেডিকাল জার্নালে প্রকাশিত হয়৷ প্রায় একই তথ্য উঠে এসেছে স্প্যানিশ গবেষকদের হাতে৷ সেখানেও দেখা গেছে, যারা দিনে চার কাপ করে কফি খেয়েছেন তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম৷ তাই নিয়ম করে কপি খান৷ যা আপনার কাজের ক্লান্তিকে দূর করার সঙ্গে সঙ্গে কমাবে মৃত্যুর ঝুঁকিকে৷ তাই সকালটা কফির কাপ হাতে নিয়ে শুরু করুন৷ যেটি আপনার দিনকে করে তুলুক তরতাজা এবং ফ্রেস৷ সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে//

পূজোতে শরীর সুস্থ্য রাখতে যে ১২টি খাবার নিয়মিত খাবেন   

পুজো মানেই জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া। বিশেষ করে দুর্গাপুজোয় থাকে বাহারি সব খাবারের আয়োজন, যা থেকে স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিরাও নিজেকে সরিয়ে নিতে পারেন না। তাই তো জম্পেশ খাওয়া-দাওয়ার মাঝে হারিয়ে যায় সকলেই। যতখুশি খান কিন্তু খেয়াল রাখবেন বেশি খাওয়ার কারণে যেন কোনও রকম স্বাস্থ্য সমস্যায় না পড়তে হয়।     পুজোর আগে নিজের শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার সাথে যে ১২টি খাবার নিয়মিত খাবেন:   ১. টমাটো: জার্মান গবেষকদের করা এক স্টাডিতে দেখা গেছে নিয়মিত একটা করে কাঁচা টমাটো খাওয়া শুরু করলে শরীরের অন্দরে এত মাত্রায় ভিটামনি সি-এর প্রবেশ ঘটে যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। আর ইমিউনিটি একবার চাঙ্গা হয়ে উঠলে কোনও রোগই যে ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না, তা তো বলাই বাহুল্য!    ২. গ্রিন টি: নিয়মিত যদি দুকাপ করে গ্রিন টি খাওয়া শুরু করেন, তাহলে দেহের অন্দরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতি দূর হয়। এই উপাদানটি শরীরের ইতিউতি উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তো কমেই, সেই সঙ্গে সার্বিকভাবে শরীরও চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তাই তো বলি বন্ধু নানাবিধ রোগের খপ্পর থেকে যদি বেঁচে থাকতে চান, তাহলে গ্রিন টির ভক্ত হয়ে উঠতে দেরি করবেন না যেন! ৩. পালং শাক: প্রতিটি বাঙালিই মায়ের পেট থেকেই যে যে খাবারগুলির প্রতি দুর্বলতা নিয়ে জন্মায়, তার মধ্যে অন্যতম হল পালং শাক। তবে এই ভাললাগাটা নানাভাবে আমাদের সুস্থ থাকতে সাহায্য করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং বিটা-ক্যারোটিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটনার পাশাপাশি ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৪. আদা: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে আদায় উপস্থিত জিঞ্জেরল নামে একটি উপাদান শরীরের অন্দরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহ কমাতে দারুন উপকারে লাগে। সেই সঙ্গে যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা উপশমেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৫. জাম: একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! ছোট্ট এই ফলটি বাস্তবিকই নানা রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে জামের শরীরে উপস্থিত ভিটামিন সি, ই এবং বেশ কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নানাভাবে এই কাজে সাহায্য করে থাকে। তাই তো বলি বন্ধু, এমন বিষাক্ত পরিবেশের মাঝে শরীরকে যদি বাঁচাতে হয়, তাহলে প্রতিদিন এক বাটি করে জাম খেতে ভুলবেন না যেন! ৬. রাঙা আলু: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে এই সবজিটিতে উপস্থিত বিটা-ক্যারোটিন এবং নানাবিধ উপকারি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠতে সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয়, তখন যে কোনও রোগই মারণ ছোবল মারতে পারে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! ৭.দই: লাঞ্চের পর নিয়ম করে এক কাপ টক দই খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন কয়েক দিনের মধ্যেই ডাক্তারের নাম ভুলতে বসেছেন। আসলে দুগ্ধজাত এই খাবারটি শরীরে প্রবেশ করার পর শরীরে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দূর করে। ফলে একদিকে যেমন ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তেমনি অন্যদিকে হাড়ও খুব শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে। ফলে বুড়ো বয়সে গিয়ে নানাবিধ হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। ৮. মাশরুম: নানা রোগের মার থেকে বাঁচাতে যে যে রোগগুলি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, তার অন্যতম হল মাশরুম। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত বেশ কিছু উপকারি উপাদান শ্বেত রক্ত কণিকার কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে জটিল হোক কী সাধারণ, কোনও রোগই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ভেঙে দেহের অন্দরে প্রবেশ করতে পারে না। ফলে রোগের মারে শরীর ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা যায় কমে।     ৯. কমলা লেবু এবং পাতি লেবু: পাতি লেবু, মৌসাম্বি লেবু এবং কমলা লেবুকে চিকিৎসা পরিভাষায় সাইট্রাস ফল বলা হয়ে থাকে। এই ফলগুলির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শ্বেত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে রোগ প্রতিরোধ করার জন্য় দেহের অন্দরে যে সৌনিকেরা প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে, তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর এমনটা হওয়া মাত্র দৈহিক ক্ষমতা এতটা বেড়ে যায় যে কোনও রোগই কামড় বসাতে পারে না।  ১০. ব্রকলি: এই সবজিটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ, সি এবং ই। সেই সঙ্গে রয়েছে বেশ কিছু উপকারি খনিজও। এই পুষ্টিকর উপদানগুলি শরীরকে ভিতর থেকে এতটাই শক্তিশালি করে দেয় যে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা একেবারে শূন্যে এসে দাঁড়ায়। প্রসঙ্গত, ব্রকলি যে পরিবারের সদস্য, ফুলকপিও সেই একই পরিবারের একজন। তাই ব্রকলি খেতে ইচ্ছা না হলে কব্জি ডুবিয়ে ফুলকপি দিয়ে বানানো নানা পদও খেতে পারেন। এমনটা করলেও সমান উপকার পাওয়া যায়।  ১১. রসুন: ইমিউন স্টেস্টেটকে শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি হার্টকে সুস্থ রাখতে রসুনের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত নানাবিধ উপকারি উপাদান ব্লাড প্রেসার এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে রসুনের অন্দরে থাকা সালফার, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে জোরদার করে তুলে ভাইরাল ফিবার থেকে সংক্রমণ, কোনও কিছুকেই ধারে কাছে আসতে দেয় না।     ১২. হলুদ: অর্থ্রাইটিস রোগকে আটকানোর পাশাপাশি সার্বিকভাবে শরীরকে চাঙ্গা রাখতে হলুদের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এতে উপস্থিত অ্যান্টি-ইফ্লেমেটরি প্রপাটিজ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, হলুদে কার্কিউমিন নামেও একটি উপাদান থাকে, যা শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।  এসি    

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার চার ঘরোয়া টোটকা

বর্তমান সময়ের একটি পরিচিত রোগ কোষ্ঠকাঠিন্য। কমবেশি সবাই এ রোগে ভোগে থাকেন। এটি বেশ অস্বস্তিকর। দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠকাঠিন্যে ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে কোষ্ঠকাঠিন্য কম হলে এটি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চলতে পারেন। ১.  আদা বা পুদিনা চা আদা অথবা পুদিনার চা বেশ উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এসব চা পান করতে পারেন। ২. স্বাস্থ্যকর চর্বি চর্বি সব সময় শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। সঠিক ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যতালিকায় তেল বা চর্বি রাখা জরুরি। তাই খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর চর্বি রাখুন। জলপাইয়ের তেল, ক্যাস্টর অয়েল এগুলো রাখতে পারেন। এসব তেল কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে। ৩. লেবু পানি সাইট্রাস ফুডের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও পুষ্টি। এগুলো শরীরের ভারসাম্যের জন্য উপকারী। লেবু সাইট্রাস ফুড। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন সি। লেবু পানি পান হজম ভালো করতে কাজ করে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। ৪. আঁশযুক্ত খাবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে আঁশযুক্ত খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। আঁশ রয়েছে সবুজ শাকসবজিতে। এ ছাড়া সিরিয়াল, বাদাম, ওটস ইত্যাদির মধ্যে রয়েছে আঁশ। এগুলোও খেতে পারেন। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া। / এআর /

ওজন কমাতে কার্যকরী ৪ খাবার

অতিরিক্ত ওজন শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি আপনার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যার ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকসহ মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে। তাই নিজেকে বাঁচাতে আজই ওজন নিয়ন্ত্রণে মন দিন। ওজন কমাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ডায়েটে পরিবর্তন আনা। ওজন কামানোর ৪টি কার্যকরী খাবার- ১) পেয়ারা যাদের ওজন অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তারা পেয়ারা খেতে পারেন৷ পেয়ারা খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই ঝড়ানো সম্ভব। এটি যেকোন ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের সমস্যা দূর করতেও বেশ কার্যকরী। প্রায় ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে ২৬০ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। এটিকে ভিটামিন ‘সি’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে অখ্যায়িত করা হয়। এটি শরীর স্কিন ভালো রাখতেও কার্যকর। ২) ব্রকলি ব্রকলির মতো ডায়াটারি ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি বেশি করে খেলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতা এতটা বৃদ্ধি পায় যে শরীরে মেদ জমার সুযোগই পায় না। ৩) পালং শাক এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন কে, সি, ফলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং জিঙ্ক দেহে প্রবেশ করার পর পুষ্টির ঘাটতি তো দূর করেই, সেই সঙ্গে ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, বহুক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ওজন ঝরে যেতে সময় লাগে না। ৪) বাঁধাকপি দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে রোজের ডায়েটে বাঁধাকোপিকে রাখতে ভুলবেন না। এই সবজিটি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে বহুক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা একেবারে কমে যায়। সূত্র : এনডিটিভি এমএইচ/

দ্রুত ওজন কমাতে কার্যকরী ৪ খাবার

অতিরিক্ত ওজন শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি আপনার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যার ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকসহ মারাত্মক রোগ দেখা দিতে পারে। তাই নিজেকে বাঁচাতে আজই ওজন নিয়ন্ত্রণে মন দিন। ওজন কমাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ডায়েটে পরিবর্তন আনা। ওজন কামানোর ৪টি কার্যকরী খাবার- ১) পেয়ারা যাদের ওজন অতিরিক্ত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তারা পেয়ারা খেতে পারেন৷ পেয়ারা খেলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই ঝড়ানো সম্ভব। এটি যেকোন ব্যকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের সমস্যা দূর করতেও বেশ কার্যকরী। প্রায় ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে ২৬০ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। এটিকে ভিটামিন ‘সি’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে অখ্যায়িত করা হয়। এটি শরীর স্কিন ভালো রাখতেও কার্যকর। ২) ব্রকলি ব্রকলির মতো ডায়াটারি ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি বেশি করে খেলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতা এতটা বৃদ্ধি পায় যে শরীরে মেদ জমার সুযোগই পায় না। ৩) পালং শাক এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন কে, সি, ফলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং জিঙ্ক দেহে প্রবেশ করার পর পুষ্টির ঘাটতি তো দূর করেই, সেই সঙ্গে ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, বহুক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ওজন ঝরে যেতে সময় লাগে না। ৪) বাঁধাকপি দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে রোজের ডায়েটে বাঁধাকোপিকে রাখতে ভুলবেন না। এই সবজিটি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে বহুক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা একেবারে কমে যায়। সূত্র : এনডিটিভি এমএইচ/

যে কারণে প্রতিদিন ডিম খাবেন?

মুরগি ও হাঁসের পুষ্টিগুণে ভরপুর ডিম একদিকে খাদ্য উপাদান হিসেবে যেমন সহজলভ্য, অন্যদিকে ডাক্তার ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা ব্যালেন্স ডায়েট হিসেবে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ডিম রাখার পরামর্শ দেন। শারীরিক ও মানসিক গঠনের পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধে ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন ডিম রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তার ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা। মুরগীর ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার। সুস্থভাবে জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম রাখাটা আবশ্যক। ডিমে প্রচুর ভিটামিন এ, ডি এবং ই থাকে। সেই সঙ্গে থাকে বি-১২, রিবোফ্লাভিন এবং ফলেট। এছাড়াও আয়োডিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিংক এবং সেলেনিয়াম থাকে ডিমে। যেগুলো মানব শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যাদের শরীরে এইচডিএল (হাই-ডেনসিটি লিপোপ্রোটিন) কম থাকে, তাদের হৃদপিণ্ডে সমস্যা দেখা দিতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন দুটি ডিম খেলে এইচডিএল বৃদ্ধি পায়। হৃদপিণ্ডে সমস্যার ঝুঁকি কমে যায়। সকালের নাস্তার সবচাইতে মজাদার এবং পুষ্টিকর খাবার হলো ডিম। খুব সহজেই ভেজে বা সেদ্ধ করে খাওয়া যায় বলে অনেকেরই প্রতিদিনের নাস্তায় ডিম থাকে। তবে ডিম খাওয়া নিয়ে অনেকেই দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। বিশেষ করে একটির বেশি দুটি ডিম খাওয়াকে ক্ষতিকর বলে মনে করেন অনেকেই। কিন্তু গবেষণায় জানা গেছে যে দুটি ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তো নয়ই বরং উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, ডিমে যে পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকে তা মানুষের শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। ডিমে উপস্থিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য উপকারী। তবে দুটো ডিম খেলে খেয়াল রাখতে হবে দিনের অন্যান্য খাবারের দিকেও। শিশুর বয়স ছয় মাস অতিবাহিত হলেই তাকে স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন একটি করে ডিম খাওয়ানো যেতে পারে। আর ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সীদের জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় দুটি করে ডিম রাখাটা স্বাভাবিক। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক গঠন মজবুত হয়ে থাকে। মানব শরীরে ডিমের প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতাগুলো নিম্নে তুলে ধরা হলো- ডিম বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাডিমে উপস্থিত সেলেনিয়াম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে দিনে দুটি ডিম খেলে বিভিন্ন ইনফেকশন, ভাইরাস এবং ছোটখাটো অসুস্থতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। স্মৃতিশক্তি বাড়ায়ডিমে আছে অ্যামিনো এসিড কোলিন যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। এছাড়াও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও প্রতিদিন দুটি ডিম উপকারী। ডিম ওজন কমায় বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে সকালের নাস্তায় প্রোটিন বেশি থাকলে দ্রুত ওজন কমে। বিশেষ করে সকালের নাস্তায় দুটি টিম দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকবে এবং সারাদিন অন্যান্য উচ্চ ক্যালরির খাবার খাওয়ার পরিমাণ করবে। চোখের জন্য ভালোডিমে আছে লুটেইন। লুটেইন দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে অন্যান্য পাখির ডিমের তুলনায় মুরগির ডিমে লুটেইনের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই দিনে দুটি মুরগির ডিম খেলে রেটিনা সুরক্ষিত থাকবে। বিষন্নতা দূর করেমনটা খারাপ লাগছে? দুটো ডিম খেয়ে নিন। কারণ ডিমে আছে ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি বিষন্নতা দূর করতে সহায়তা করে। আরকে//

আদার আছে অনেক গুণ

নানা রোগ-ব্যাধিতে মুঠো মুঠো ওষুধ খাচ্ছেন; বিপদ বরং বাড়ছে, কমছে না! আথচ হাতের কাছেই রয়েছে মহৌষধ। সেটি হলো, কাঁচা আদা। একটুকরো কাঁচা আদা হাজারো রোগ-ব্যাধির মুক্তিদাতা। জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি, কাশি, খাওয়ার অনিচ্ছা থেকে শুরু করে `হাত-পায়ে জোড়ায় ব্যথা`- সব কিছু থেকেই মুক্তি দেয় কাঁচা আদা। এক টুকরা কাঁচা আদাই যেন শরীরের রোগজীবাণু বেঁধে ফেলে। আসুন জেনে নেয়া যাক আদার আরও কিছু গুণাগুণ সম্পর্কে- পেটের পীড়ায়পেটের অস্বস্তি বা পীড়ায় আদা একটি আদর্শ পথ্য। হজমে সহায়তার পাশাপাশি খাবারের গুণাগুণ শরীরের বিভিন্ন অংশে পৌঁছে দিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখে আদা। কিছু খাওয়ার পর পেটব্যথায় ভোগার সমস্যা হলে তা দূর করে আদার রস। পেটে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও প্রতিরোধ করে এটি। ফুসফুসের জন্য উপকারীফুসফুসের সাধারণ যে কোন সংক্রমণ বা রোগের ক্ষেত্রে আদা বেশ কার্যকরী। সর্দি- কাশি, শ্বাস- প্রশ্বাসের সাধারণ সমস্যা দূর করে আদা। গলা ও স্বরতন্ত্রী পরিষ্কার রাখে। ১০০ গ্রাম আদায় রয়েছে১০০ গ্রাম আদায় আছে ৮০ ক্যালরি শক্তি, কার্বোহাইড্রেট ১৭ গ্রাম, ফ্যাট ০.৭৫ গ্রাম, পটাশিয়াম ৪১৫ মিলিগ্রাম এবং ৩৪ মিলিগ্রাম ফসফরাস। ব্যথানাশক অসটিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে শরীরের প্রায় প্রতিটি হাড়ের জোড়ায় প্রচুর ব্যথা হয়। এই ব্যাথা দূর করে আদা। তবে রান্না করার চেয়ে কাঁচা আদা এক্ষেত্রে বেশি কার্যকরী, এতে আদার পুষ্টিগুণও বেশি থাকে। শরীরের যেকোন ধরনের ব্যথাতে আদা টনিকের মতো কাজ করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় আদা। এক গবেষণায় দেখা গেছে, আদার রস দাঁতের মাড়িকে শক্ত করে, দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা লুকানো জীবাণুকে ধ্বংস করে। ক্ষত শুকাতেদেহের কোথাও ক্ষত থাকলে তা দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে আদা। এতে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি, যা কাটাছেঁড়া, ক্ষত দ্রুত ভালো করে। হার্ট ভালো রাখেরক্তের অনুচক্রিকা এবং হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম ঠিক রাখতে আদা খুবই কার্যকর। মাইগ্রেন, ডায়াবেটিস ইত্যাদিতেমাইগ্রেনের ব্যথা ও ডায়াবেটিসজনিত কিডনির জটিলতা দূর করে আদা। গর্ভবতী মায়েদের সকাল বেলা, বিশেষ করে গর্ভধারণের প্রথম দিকে শরীর খারাপ লাগে। কাঁচা আদা দূর করে এ সমস্যা। রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখেপরিমিত আদা খাওয়ার অভ্যাসে শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক হয়। আদায় রয়েছে ক্রোমিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিঙ্ক। এসব উপাদান রক্ত প্রবাহের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে। বমিভাব দূর করেযানবাহনে চড়ার সময় কেউ কেউ অস্বস্তিতে ভোগেন বা কিছুক্ষণ গাড়িতে থাকার পর বমি চলে আসে। বমি বমি ভাব দূর করতে আদার ভূমিকা অপরিহার্য। বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এটি তাৎক্ষণিক উপকার মেলে। আর এতে মুখের স্বাদও বাড়ে। ঠাণ্ডা-জ্বরে আদাঠাণ্ডা লাগা ও ভাইরাস জ্বর প্রতিরোধে আদা বিশেষ ভূমিকা রাখে। আদার রস একটু গরম করে সমপরিমান মধুর সাথে মিশিয়ে দিনে কয়েকবার খেলে ঠাণ্ডা লাগা ও ভাইরাস জ্বর সেরে যায়।

প্রাকৃতিকভাবে ওজন কমাতে খান এই পানীয়

শরীরের ওজন কমাতে আমরা অনেক সময়েই ডায়েটের চক্করে পড়ি। খাবার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে কিছু খাবার। এতে শরীরে ভাল হওয়ার বদলে ক্ষতিই বেশি হয়।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা এবং নিউট্রিশনিস্টেরাও সবসময়েই ডায়েটের পাশাপাশি যোগব্যায়ামের কথা বলে থাকেন। সঙ্গে যদি থাকে ওজন কমানোয় সহায়ক পানীয়ও তবে তো কথায় নেই। গ্রিন টি ও মিন্ট: আমরা জানি গ্রিন টি-তে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা আমাদের দিনভর ফোকাসড এবং অ্যাকটিভ রাখে। কিন্তু গ্রিন টি-তে থাকা ক্যাফেন আবার ওজন কমাতেও সাহায্য করে। ক্যাফেন ফ্যাট গলানোর উদ্দীপক হিসাবে কাজ করে বলে বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে। মিন্ট হজমের এনজাইমগুলির ক্ষরণের সহায়ক। ফলে খাবার থেকে নিউট্রিশন ভ্যালু বেশি করে শরীরে প্রবেশ করতে পারে। ভাল হজমশক্তি দ্রুত ওজন কমাতে আপনাকে সাহায্য করবে। মেটাবলিজম বাড়াতে পান করুন গ্রিন টি: দু’টেবিল চামচ গ্রিন টি এর পাতা, ৬-৭টা পুদিনা বা মিন্ট পাতা, ১কাপ গরম জল।একটি পাত্রে এক কাপ জলে পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটতে দিন। ৫ মিনিট পরে ওতে গ্রিন টি এর পাতা দিন। আরও ৫ মিনিট ফুটতে দিন। ঠান্ডা হলে ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে নিন। খাওয়ার আগে পান করুন এই পানীয়। সাইট্রাসি ড্রিঙ্ক: আমেরিকান নিউট্রিশন ও মেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, আঙুরে ওজন হ্রাসের উপাদান রয়েছে। আঙুরের রস অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স ছাড়াও তন্তুও থাকে।৩ থেকে ৪ কাপ আঙুরের রস, ১ থেকে দেড় চা চামচ জৈব মধু, লবন (পরিমাণমতো)মিক্সিতে আঙুর ও বেদানা পিষে রস ছেঁকে বার করে নিন। ওতে মধু ও লবন মেশান। ভাল করে নাড়ুন। কফি ও ডার্ক চকোলেট: কফিতে থাকা ক্যাফেন মেটাবলিজম বাড়িয়ে এনার্জি লেভেল বৃদ্ধি করে। ফলে ক্ষিদে কম পায়। ডার্ক চকোলেটও দীর্ঘক্ষণ পেট ভর্তি রাখতে পারে। ফলে ফ্যাট গলানোর প্রক্রিয়া সুষ্ঠ ভাবে হয়।কফিতে থাকা ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ওজন কমাতে সাহায্য করে ১ চা চামচ কালো কফি, ৩ থেকে ৪ চা চামচ গ্রেট করা ডার্ক চকোলেট, আধ চা চামচ গুঁড়ো করা ফ্ল্যাক্স সীড, ১ কাপ গরম জলএক কাপ গরম জলে কফি মেশা‌ন। ওতে ফ্ল্যাক্সসীডের গুঁড়ো মিশিয়ে নাড়ুন। নামিয়ে উপর থেকে ডার্ক চকেলেটের গুঁড়ো ছড়িয়ে দিন। সূত্র- এনডিটিভি

রোগের প্রতিষেধক হিসেবে আদা

রোগের প্রতিষেধক হিসেবে প্রকৃতির ভান্ডারে যে যে অস্ত্র আছে, তার বেশির ভাগই উপস্থিত রয়েছে আদার মধ্যে।তাই তো শুধু আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরাই নয়, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান নিয়ে যারা চর্চা করেন, তারাও নিয়মিত আদা খাওয়া পরামর্শ দিচ্ছেন। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার, প্রোটিন, সোডিয়াম, আয়রন এবং ভিটামনি সি, সেই সঙ্গে রয়েছে বেশ কিছু অ্যাকটিভ ইনগ্রিডিয়েন্টস, যেমন ধরুন-জিঞ্জোরেল, শোগাওল, জিঞ্জেরন এবং টার্পেনোডিস, যা নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। ১. যে কোনও ধরনের যন্ত্রণা কমায়: একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! বাস্তবিকই ব্যথা কমাতে আদার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির অন্দরে উপস্থিত একাধিক ইনফ্লেমেটরি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে শরীরের মধ্যে ইনফ্লেমেশন হ্রাস পায়। আর এমনটা হলে ব্যথার প্রকোপ কমতেও সময় লাগে না। ২. হেয়ার ফলের মাত্রা কমে: মাত্রারিক্ত চুল পড়ছে নাকি? তাহলে বন্ধু চুলের পরিচর্যায় আজ থেকেই কাজে লাগাতে শুরু করুন আদাকে। দেখবেন হেয়ার ফলের মাত্রা তো কমবেই, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে চোখে পড়ার মতো। আসলে আদার মধ্যে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং আরও নানাবিধ উপকারি উপাদান হেয়ার ফলিকেলের মধ্যে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুল এতটাই শক্তপোক্ত হয়ে ওঠে যে হেয়ার ফলের আশঙ্কা কমে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে ১ চামচ আদার পেস্ট নিয়ে তার সঙ্গে ১ চামচ অলিভ অয়েল বা নারকেল তেল মিশিয়ে সেই মিশ্রনটি স্কাল্পে লাগিয়ে ধীরে ধীরে মাসাজ করতে হবে। এরপর ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে চুলটা। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে দুবার এইভাবে চুলের পরিচর্যা করলেই সুফল মিলবে। ৩. ডায়াবেটিসের মতো মারণ রোগ দূরে থাকে: নিয়মিত অল্প পরিমাণ আদা, পরিমাণ মতো লেবুর রসের সঙ্গে মিশিয়ে পান করার অভ্যাস করলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, তেমনি শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি দূর হতে শুরু করে। এই খনিজটি ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা এত মাত্রায় বাড়িয়ে দেয় যে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। ৪. খুশকির প্রকোপ কমে: আদায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ, যা স্কাল্পে সংক্রমণের মাত্রা কমানের পাশাপাশি হারিয়ে যাওয়া আদ্রতাকেও ফিরিয়ে আনে। ফলে খুশকির সমস্যা কমতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে স্কাল্পে কোনও ধরনের সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। এখন প্রশ্ন হল এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে কাজে লাগাতে হবে আদাকে? এক্ষেত্রে ২ চামচ আদার পেস্ট নিয়ে তাতে ৩ চামচ তিল তেল এবং হাফ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে তারপর সেই পেস্টটি ভার করে স্কাল্পে এবং চুলে লাগিয়ে ৩০ অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে ধুয়ে ফলতে হবে চুলটা। সপ্তাহে কম করে দুবার এই পেস্টটিকে কাজে লাগালে দেখবেন খুশিকর মতো ত্বকের রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। ৫. ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে: অতিরিক্ত ওজনের কারণে যদি চিন্তায় থাকেন, তাহলে উপদেশ দেব আজ থেকেই আদা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার মিলবে! আসলে আদার মধ্যে থাকা ডায়াটারি পাইবার অনেকক্ষণ পেটকে ভরিয়ে রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খিদে কমিয়ে দেয়। আর এমনটা হলে খাবার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্তি মেদ ঝরে যেতে সময় লাগে না। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ৬. চুলের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরে আসে: সম্প্রতি হওয়া একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে কলকাতা শহর এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে পরিবেশ দূষণের মাত্রা বাড়ার কারণে সিংহভাগেরই চুলের বারোটা বেজে গেছে। বিশেষত চুলের অন্দরে আদ্রতা কমে যাওয়ার কারণে চুল হয়ে যাচ্ছে রুক্ষ। আর একথা তো সবারই জানা আছে রুক্ষ চুলের আয়ু বেশি দিন হয় না। ফলে মাথা ফাঁকা হয়ে যেতে সময় লাগে না। প্রসঙ্গত, এমন পরিস্থিতির শিকার কি আপনিও হয়েছেন? তাহলে সপ্তাহে কম করে ২-৩ তিন আদার পেস্ট চুলে লাগাতে শুরু করুন। এমনটা করলে দেখবেন স্কাল্প এবং চুলের মধ্যে আদ্রতা বাড়তে শুরু করেছে। ফলে চুল পড়ার হার তো কমবেই, সেই সঙ্গে চুলের সৌন্দর্যতাও বৃদ্ধি পাবে চোখে পরার মতো। ৭. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে: বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে নিয়মিত সকাল বেলা এক কোয়া করে আদা, সঙ্গে অল্প পরিমাণে মধু খাওয়া শুরু করলে পাকস্থলির কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে পাচক রসের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, গর্ভাবস্থায় সকাল সকাল যদি এই পানীয়টি খাওয়া যায়, তাহলে মর্নিং সিকনেসের মতো সমস্যা কমে নিমেষে। ৮. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়: একাধিক গবেষণায় একথা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হয়ে গেছে আদায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং উপকারি ভিটামিন, সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে যাতে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে না যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্মৃতিশক্তি বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে বুদ্ধিরও বিকাশ ঘটে চোখে পরার মতো। এবার বুঝতে পরেছেন তো নিয়মিত আদা খাওয়ার প্রয়োজন কতটা! ৯. চুলের সৌন্দর্য বাড়ে: বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে আদার অন্দরে থাকা জিঞ্জেরল নামক উপাদানটি স্কাল্পের অন্দরে প্রবেশ করার পর চুলের গোড়ায় রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না। আর এমনটা হলে চুল সুন্দর হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে! প্রসঙ্গত, সপ্তাহে কম করে ৩-৪ দিন আদার পেস্ট চুলের গোড়ায় লাগাতে হবে, তাহলেই দেখবেন উপকার মিলবে একেবারে হাতে-নাতে! ১০. পেশীর কর্মক্ষমতা বাড়ে: সারা সপ্তাহ দৌড়-ঝাঁপ করে কাজ করতে করতে সপ্তাহান্তে আমাদের শরীরের প্রায় প্রতিটি পেশীই বেশ ক্লান্ত হয়ে পরে। এই সময় তাদের চাঙ্গা করার জন্য কি করা যেতে পারে? কিছুই নয়, এমন পরিস্থিতিতে এক গ্লাস আদা জল পান করে ফেলুন। এমনটা করলে দেখবেন নিমেষে শরীর চাঙ্গা হয়ে উঠবে। সূত্র- বোল্ডস্কাই আরকে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি