ঢাকা, বুধবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৮ ৭:০৫:৩২

এবার জার্মানিকে হারাল ফ্রান্স

এবার জার্মানিকে হারাল ফ্রান্স

বিশ্বকাপ হতাশা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারছে না জার্মানি। বহু প্রচেষ্টার পরও হারের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছেন চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। আবারও পরাজয়ের স্বাদ নিতে হল তাদের। আঁতোয়া গ্রিজম্যানের জোড়া গোলে জার্মানদের ২-১ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। এ নিয়ে উয়েফা নেশন্স লিগে টানা দ্বিতীয় জয় পেলেন ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।এ নিয়ে তিন ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ লিগের গ্রুপ-১ এর টেবিলে শীর্ষে উঠল ফ্রান্স। ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেদারল্যান্ডস। ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তলানিতে জার্মানি। মঙ্গলবার রাতে প্যারিসের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় শুরুটা ছন্দময় করে জার্মানি। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার গল্প লেখার ইঙ্গিত দেন জার্মানরা। ১৩ মিনিটে তাদের লিড এনে দেন টনি ক্রস। লেরয় সানের কাটব্যাক পল পগবার হাতে লাগলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সফল স্পট কিকে লক্ষ্যভেদ করেন ক্রস।এগিয়ে গিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল উপহার দেয় জার্মানি। মুহুর্মুহু আক্রমণে ফ্রান্সকে চেপে ধরেন অতিথিরা। একাধিক সুযোগও তৈরি করেন জোয়াকিম লোর শিষ্যরা। তবে প্রথমার্ধে আর প্রতিপক্ষের গোলমুখ খুলতে পারেননি তারা।দ্বিতীয়ার্ধে গোল পরিশোর্ধে মরিয়া হয়ে পড়ে ফ্রান্স। শুরু থেকেই ঝটিকা অভিযান চালান ফরাসিরা। এ যাত্রায় সফলও হন তারা। ৬২ মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান গ্রিজম্যান। লুকা অ্যারনদেসের ক্রসে দুর্দান্ত হেডে নিশানাভেদ করেন তিনি।সমতায় ফিরে ‘পাওয়ার ফুটবলের’ পসরা সাজিয়ে বসে ফ্রান্স। ফলে কোণঠাসা হয়ে পড়ে জার্মানি। এগিয়ে যেতেও বেগ পেতে হয়নি দিদিয়ের দেশমের শিষ্যদের। ৮০ মিনিটে ঠিকানায় বল পাঠান গ্রিজম্যান। ডি-বক্সে ব্লেইস মাতুইদিকে মাটস হুমেলস ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। তা থেকে বল জালে জড়াতে মোটেও ভুল করেন অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত সেটিই ম্যাচের ভাগ্য লিখে দেয়। হয়ে থাকে জয়সূচক গোল।এসএ/    
৩১ বছর পর স্পেনের মাঠে ইংল্যান্ডের জয়

রাশিয়া বিশ্বকাপে সেমিতে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড ৩১ বছর পর স্প্যানিশদের মাটিতে স্পেনকে হারানোর স্বাদ নিয়েছে। সেইসঙ্গে দীর্ঘ ১৫ বছর পর ঘরের মাঠে কোনও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে হার দেখলো স্পেন।  সেভিয়ায় মঙ্গলবার সকালে উয়েফা নেশন্স লিগে স্পেনকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে গ্যারেথ সাউথগেটের শিষ্যরা। স্পেনের বিপক্ষে স্পেনেই ইংল্যান্ডের আগের জয়টা ছিলো ১৯৮৭ সালে। সেবার তারা জেতে ৪-২ গোলে। প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নেমে ম্যাচের ১৬তম মিনিটে রহিম স্টারলিংয়ের গোলে লিড পায় ১৯৬৬ বিশ্বকাপজয়ীরা। পরে ২৯তম মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ড ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। আর ৩৮তম মিনিটে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করে ইংলিশদের ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন স্ট্রাইকার স্টারলিং। ফলে ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইংল্যান্ড। বিরতি থেকে ফিরি ঘুর দাঁড়ায় স্বাগতিকরা। ম্যাচের ৫৮তম মিনিটে পাকো আলকাসেরের গোলে ব্যবধান কমায় ২০১০ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আর শেষ দিকে আক্রমণের ধার বাড়িয়ে আরও একটি গোল পেলেও হার এড়াতে পারেনি তারা। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত সপ্তম মিনিটে গোল করেন সার্জিও রামোস। ম্যাচের স্কোরলাইন ৩-২ হলেও ইংল্যান্ডের কাছে আসলে পাত্তাই পায়নি স্পেন। এ ম্যাচ হারলেও তিন ম্যাচে দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ লিগের গ্রুপ-৪ এ শীর্ষে আছে স্পেন। একটি জয়ে ইংল্যান্ড ৪ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। একে//

মেসি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রাণী: গার্দিওলা  

২০০৮ থেকে ২০১২ সালে বার্সেলোনায় কাটানো সময়গুলো কখনই ভুলতে পারবেন না পেপ গার্দিওলা। ঐ সময়টাতে ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে এক ‍অপ্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবেই নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল কাতালান জায়ান্টরা। সে সময়ে দল গোছানো থেকে শুরু করে দল সাজানো এবং নির্বাচনেও ছিলেন সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। সেই দলটিও ছিল একগাদা তারকা ও প্রতিভাবান ফুটবলারে ঠাসা। যারা নান্দনিক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে করেছেন স্প্যানিশ ফুটবলে একচ্ছত্র আধিপত্য।    বার্সায় কাটানো সুখের দিনগুলোর স্মৃতি রোমন্থন করেছেন পেপ গার্দিওলা। সেই সাথে তার সাবেক শিষ্য লিওনেল মেসিকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও হিংস্র প্রাণী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গার্দিওলার অধীনে অপ্রতিরোধ্য বার্সা দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগে জয় পায়। সেই সাথে স্প্যানিশ ঘরোয়া লিগের সর্বোচ্চ আসর লা লিগার টানা তিনটি শিরোপাও ঘরে তোলে তারা। পেপ গার্দিওলা বলেন, সবসময় আমার ওপর আস্থা রাখত বার্সা। দল সাজানো, গোছানো ও নির্বাচনের সম্পূর্ণ ভার আমার ওপর অর্পণ করা হয়েছিল। শূন্যস্থান বা ঘাটতি পূরণে উপযুক্ত খেলোয়াড়টি কিনতে পারতাম। পেপ বলেন, আমরা দুবার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিলাম। দুই দুবার ইউরোপসেরার মুকুট জেতায় বিশ্ব ক্লাব ফুটবলে আমাদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছিল। লা মেসিয়া থেকে সাতজন দারুণ তরুণ ফুটবলার উঠে এসেছিল। এদের মধ্যে ছিল মেসি, জাভি, ইনিয়েস্তা ও ভালদেস। সবাই পরে তারকা বনে গিয়েছিল। তিনি বলেন, আমাদের হাতে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ও ছিল। বলা বাহুল্য সে মেসি। ও ছিল ‘হিংস্র ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রাণী’। যে পরাজয়কে ঘৃণা করত। হার বলে কোনো শব্দ তার অভিধানে ছিল না। প্রসঙ্গত, এর আগেও প্রিয় দল বার্সেলোনা নিয়ে কথা বলেন তিনি। গত সেপ্টেম্বরে ক্লাবটিতে প্রত্যাবর্তনের ইচ্ছাও পোষণ করেছিলেন তিনি। ন্যু ক্যাম্পে ফিরে যুব দল নিয়ে কাজ করে ক্যারিয়ার শেষ করতে চান এ স্প্যানিশ কোচ    এসি    

ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা ম্যাচ কাল 

রাশিয়া বিশ্বকাপ শেষেই জানা গিয়েছিল পরবর্তী আন্তর্জাতিক সূচিতে প্রীতি ম্যাচ খেলবে দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। তবে তখনো নিশ্চিত ছিলো না কবে, কোথায় মুখোমুখি হবে মেসির আর্জেন্টিনা ও নেইমারের ব্রাজিল। অপেক্ষায় প্রহর শেষ করে আগামীকাল জেদ্দায় বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় অগ্নিগর্ভ প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। দু’দলই এখন সৌদি আরবে। রিয়াদে প্রস্তুতিপর্ব শেষ করে এখন ‘সুপার ক্লাসিকো’ মহারণের অপেক্ষায় প্রহর গোনা।      সব কিছু ঠিক থাকলেও আপত্তি শুধু ‘প্রীতি ম্যাচ’ শব্দযুগল নিয়ে। আপত্তি উঠেছে দুই শিবির থেকেই। শুক্রবার স্বাগতিক সৌদি আরবকে ২-০ গোলে হারানোর পর ব্রাজিল কোচ তিতে বলেন, ‘ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনা কখনও প্রীতি ম্যাচ হয় না।’ সেই কথাটাই কাল বের হয়ে আসলো আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ড মাউরো ইকার্দির কণ্ঠে, ‘আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের মধ্যে কখনও প্রীতি ম্যাচ হয় না। এ ম্যাচ ঘিরে থাকে অনেক আবেগ ও উত্তেজনা। গত মাসে আমরা কলম্বিয়ার মতো দলের বিপক্ষে খেলেছি। তারাও দুর্দান্ত দল। কিন্তু ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলা মানে অন্য কিছু। ওদের বিপক্ষে মাঠে নামলে সেটা আর প্রীতি ম্যাচ থাকে না। নতুন চেহারার এক দল নিয়ে ব্রাজিলের মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। মেসি, আগুয়েরো, হিগুয়াইন ও ডি মারিয়ার মতো মহাতারকাদের অনুপস্থিতিতে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে ইরাককে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিলেও ব্রাজিলের বিপক্ষে কোনোভাবেই ফেভারিট বলা যাচ্ছে না আর্জেন্টিনাকে। তরুণ দলটি এই দলটিকেই আর্জেন্টাইন ফুটবলের ভবিষ্যৎ মনে করছেন ইকার্দি, ‘আমরা একটি নতুন প্রকল্প অনুসরণ করছি। অনেক নতুন খেলোয়াড় আসছে, যাদের অনেকের গায়ে প্রথমবারের মতো উঠছে আর্জেন্টিনার জার্সি। পালাবদলের এই সময়ে সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। আমরা সবাই মিলে ভবিষ্যতের জন্য একটি ভিত তৈরি করার চেষ্টা করছি। কিছু নির্মাণের চেষ্টা চলছে। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’ ব্রাজিলের বিপক্ষে অনভিজ্ঞ এই দলটিকে নেতৃত্ব দেবেন পাওলো দিবালা ও ইকার্দি। শতভাগ ফিট না হওয়ায় ইরাকের বিপক্ষে খেলা হয়নি ইকার্দির। চোট কাটিয়ে ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামতে প্রস্তুত ইন্টার মিলান তারকা, ‘এখন আমি পুরোপুরি সুস্থ। মাঠে নামতে প্রস্তুত।’   এসি    

আর টাকা দেব না ক্যাথরিনকে: রোনালদো

ধর্ষণের শিকার মার্কিন মডেল ক্যাথরিনকে আর টাকা দেবেন না পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত নতুন করে শুরু হওয়ার পর একথা বললেন সিআর সেভেন। সম্প্রতি বোমা ফাটিয়েছে জার্মানির বিখ্যাত পত্রিকা ডার স্পাইগেল। সংবাদমাধ্যমটির ভাষ্য, রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেছেন সাবেক মার্কিন মডেল ক্যাথরিন মায়োরগা। ২০০৯ সালে লাস ভেগাসের এক হোটেলে তাকে ধর্ষণ করেন পর্তুগিজ যুবরাজ। ২০১০ সালে আদালতের বাইরে অর্থের বিনিময়ে তা মিটমাট করে ফেলেন তারা। ওই সময় বর্তমানে শিক্ষকতা করা সেই নারীকে ২ কোটি ৭৫ লাখ ১৫ হাজার ৬২৫ টাকা দেন হালের ফুটবল মহাতারকা। তবে বিষয়টি গোপন রাখতে রোনালদোর সঙ্গে করা চুক্তিকে এখন গুরুত্বহীন মনে করছেন ক্যাথরিন। তাই ফের তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। নতুন করে তদন্তে নেমেছে লাস ভেগাস পুলিশ। কিন্তু এবার বেঁকে বসেছেন ৩৩ বছর বয়সী ফুটবলার। সাফ জানিয়ে দিলেন, ক্যাথরিনকে আর কোনো টাকা পয়সা দেবেন না তিনি। ধর্ষণের ঘটনা নতুন করে প্রকাশ্যে আসার পর তা অস্বীকার করে আসছেন রোনাল্ডো। এখন পর্যন্ত নিজের অবস্থানে অনড় আছেন। ইতোমধ্যে ক্যাথরিনের তোলা অভিযোগ খণ্ডন করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন তিনি। দিয়েছেন একাধিক আইনজীবী নিয়োগ। তারা বাদীপক্ষের আইনজীবীর বিরুদ্ধে লড়ছেন। রোনালদোর আইনজীবী পিটার ক্রিশ্চিয়ানসেন বলেন, আমরা আর অতীতের ভুল করতে চাই না। কথিত ধর্ষিতাকে আর কোনো অর্থকড়ি দিতে চাই না। আইনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে। দোষ না করলে আমাদের মক্কেল নির্দোষ প্রমাণিত হবেই। মায়োরগার অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে রোনালদো পরিচয় হয় এক বিখ্যাত নাইটক্লাবে। তখন মায়োরগা ওই নাইটক্লাবে চাকরি করতেন। ২০০৯-এ  রোনালদো সেই সময় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদে যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়েছেন। সে যাই হোক, একটা সময়ের পর সেই নাইটক্লাবে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়ে যায়। একপর্যায়ে তাঁকে নিজের হোটেলের ঘরে আসার আমন্ত্রণ জানান সিআরসেভেন। আমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়েই মহাবিপদে পড়েন মায়োরগা। দ্য গার্ডিয়ান-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মায়োরগা বলেছেন, `রোনালদো আমাকে ওঁর গোপনাঙ্গ ৩০ সেকেন্ডের জন্য ধরতে বলে। আমি প্রথম হেসে উড়িয়ে দেই। বলি, তুমি নিশ্চয়ই মজা করছ! রোনাল্ডোর যৌন আবেদনে অনেকে মুগ্ধ। কিন্তু তখন ওঁর ভিতরে থাকা নোংরা মানুষটার পরিচয় পাই। মায়োরগা বলেন, ও (রোনালদো) আমাকে অ্যানাল সেক্সের প্রস্তাব দেয়! বিপদ বুঝতে পেরে ছাড়া পাওয়ার আশায় আমি বড়জোর চুম্বনে রাজি হই। কিন্তু সে আরও উত্তেজিত হয়ে পড়ে। আমাকে হোটেল রুমে আটকে রাখে ও। একপর্যায়ে জোর করে আমার সঙ্গে সে বিকৃত যৌনতা শুরু করে। আমি ওর কাছে অনুরোধ করি। কিন্তু ও তখন কোনও কিছু শোনার মতো অবস্থায় ছিল না। ও যেন মত্ত হয়ে উঠেছিল। নির্যাতনের পরও ও আমাকে রুম থেকে বেরোতে দিচ্ছিল না। শেষে অনেক কষ্টে বেরিয়ে আসি। পরদিন থানায় গিয়ে পুলিশে অভিযোগ জানাই। অবশ্য এবারই প্রথম নয়। বছর দেড়েক আগে এই ম্যাগাজিন আরও একবার মায়োরগার পক্ষ থেকে রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলে। সেবারও সে অভিযোগ ধোপে টেকেনি। আবারও সেই একই অভিযোগ তোলায় রোনালদোর আইনজীবী ম্যাগাজিনের বিপক্ষে আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত আরো খবর রোনালদোর ধর্ষণ: সেদিন কী হয়েছিল, জানালেন মার্কিন তরুণী   / এআর /

ফাইনালে উঠে দুইয়ে জোকার

সেমিফাইনাল জিতে ফাইনালে গেলেন নোভাক জোকোভিচ। শনিবার সেমিফাইনালে তিনি হারালেন বিশ্বের পাঁচ নম্বর খেলোয়াড় আলেকজান্ডার জেরেভকে। সার্বিয়ার টেনিস তারকা এই জয়ের ফলে শুধু ফাইনালেই গেলেন না একই সঙ্গে র‌্যাঙ্কিংয়ে পৌঁছে গেলেন দুই নম্বরে। আগামীকাল সোমবার বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং-এর যে তালিকা প্রকাশিত হবে, তাতে দু’নম্বরে থাকা ফেডেরারকে সরিয়ে জোকোভিচ উঠে আসবেন দু’নম্বরে। সাংহাই মাস্টার্সের প্রথম সেমিফাইনালে শনিবার জার্মানির আলেকজান্দার জেরেভকে স্ট্রেট সেটে হারান নোভাক জোকোভিচ। ম্যাচের ফল ৬-২, ৬-১। আজ রোববার ফাইনালে নোভাক জোকোভিচ খেলবেন বরনা চোরিচের বিরুদ্ধে। খেলার শেষে প্রচারমাধ্যমের কাছ থেকে জোকোভিচ জানতে পারেন, তিনি দুই নম্বর জায়গা পাচ্ছেন। যা শোনার পরে ১৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক তৃপ্ত জোকোভিচ বলে গেলেন, ‘এই প্রতিযোগিতা শেষ হলেই দু’নম্বরে উঠে আসব। ফলে এটা তো একটা বড় প্রাপ্তিই। বিশেষ করে বছরের শুরুতে প্রথম চার-পাঁচ মাস যে ছন্দে ছিলাম তার পরে। তা ছাড়া অস্ত্রোপচারের পরে যে এত দ্রুত উন্নতি করতে পারব তা ভাবিনি। এখন অনেকটাই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছি।’ র‌্যাঙ্কিংয়ে জোকোভিচের সামনে আপাতত রাফায়েল নাদাল। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ম্যাচের আগে ২০ বার বাথরুমে দৌড়ায় মেসি: ম্যারাডোনা

রাশিয়া বিশ্বকাপের সময়ে আর্জেন্টাইন সাংবাদিকদের কাছ থেকেই জানা যায়, দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের পর থেকেই লিওনেল মেসি এবং দিয়েগো ম্যারাডোনার সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। আর দুই আর্জেন্টাইন নায়কের সম্পর্ক এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে। এবার মেক্সিকোয় একটি টিভি অনুষ্ঠানে মেসিকে কটাক্ষ করলেন ম্যারাডোনা। ‘লা আল্টিমা প্যালাব্রা’ নামের এক টিভি অনুষ্ঠানে আর্জেন্টাইন মহাতারকা অনুজ মেসির উদ্দেশে বলেছেন, ‘মেসি মাঠে নামার আগে কারও সঙ্গেই কথাবার্তা বলে না। মাঠে নেমেই নেতৃত্ব বুঝে নিতে চায়। খেলার আগে সতীর্থ বা কোচের সঙ্গেও আলোচনাও করে না। তাদের সঙ্গে আলোচনার থেকে প্লে স্টেশনে খেলতেই বেশি পছন্দ করে মেসি। ম্যাচের আগে যে মানুষটা ২০ বার বাথরুমে যায়, তাকে আপনি কখনোই নেতা হিসেবে মেনে নিতে পারবেন না।’ ম্যারাডোনা কখনোই নেতা মেসিকে মেনে নিতে পারেননি। আগেও বহুবার বলেছেন মেসি দলকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন না। এবার আরও আক্রমণাত্মক ম্যারাডোনা। ১৯৮৬ সালের মহানায়কের এমন কটাক্ষ বার্সেলোনার মহাতারকার কানে নিশ্চয়ই পৌঁছেছে। মেসি অবশ্য আর্জেন্টিনার প্রাক্তন অধিনায়ককে জবাব দেননি। ফুটবল-বিশ্বে মেসিকে ‘ঈশ্বর’ বলা হয়। কিন্তু ম্যারাডোনা তাদের সঙ্গে সহমত পোষণ করেননি। ‘এলএম ১০’ সম্পর্কে বলেছেন, ‘মেসি আর্জেন্টিনার একজন প্লেয়ার। ঈশ্বর নন।’ মেসি সম্পর্কে কড়া মন্তব্য করলেও বাস্তবকে উপেক্ষা করছেন না ম্যারাডোনা। মেসির উপর থেকে চাপ সরিয়ে নেওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি। চাপমুক্ত মেসিকে পেতে হলে তার উপর থেকে নেতৃত্বের বোঝা সরিয়ে নেওয়া উচিত বলেই মনে করেন ম্যারাডোনা। তিনি বলেন, ‘মেসির কাছ থেকে নেতৃত্ব সরিয়ে নিতে হবে। আমরা সবাই চাই ও মেসি হিসেবেই খেলুক। কারণ নেতৃত্ব থাকলে মেসি কোনওদিনই মেসি হয়ে খেলতে পারবে না।’ কখনও বাস্তবকে তুলে ধরে মেসির পাশে থাকার চেষ্টা আবার কখনও নখ-দাঁত বের করে অনুজকে তীব্র আক্রমণ- ম্যারাডোনা আর মেসি যে এখন দু’মেরুতে তা স্পষ্ট মেক্সিকোয়। সূত্র: এবেলা একে//

শনির দশা পেয়ে বসেছে রোনালদোকে

সময়টা ভালো যাচ্ছে না পতুর্গিজ তারকা ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। বিশ্বকাপে দলের ব্যর্থতার পর দলবদল। দীর্ঘদিন ধরে খেলা প্রিয় দল রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে যোগ দিয়েছেন জুভেন্টাসে। এরমধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে উঠে এসেছে মার্কিন এক মডেলের ধর্ষণের অভিযোগ। এই অভিযোগের যখন তদন্ত শুরু তখন আরো তিন তরুণী একই অভিযোগ এনেছেন সিআর সেভেনের বিরুদ্ধে। বলা চলে শনির দশা পেয়ে বসেছে রোনালদোকে। হোটেল কক্ষে রোনালদোর বিরুদ্ধে জোর করে অভিযোগ তুলেছেন মডেল ক্যাথরিন মায়োরগা। তাঁর আইনজীবীর অভিযোগ তিনি এমন আরো তিন নারীর সন্ধান পেয়েছেন, যারা রোনালদোর কাছে ধর্ষণ কিংবা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন। আইনজীবীরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলছেন বলে জানা গেছে। নতুন খোঁজ পাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন দাবি করেছেন, রোনালদো তাঁকে পার্টির পরে ধর্ষণ করেছেন। এই অভিযোগ অনেকটা ক্যাথরিন মায়োরগার অভিযোগের সঙ্গে মিলে যায়। দ্বিতীয় নারী অভিযোগ করেছেন, তিনি রোনালদোর কাছে ‘শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত’ হয়েছেন। তবে তৃতীয় নারী তেমন মুখ খুলেননি। কারণ, তিনি জানিয়েছেন, কোনো কিছু প্রকাশ না করার ব্যাপারে রোনালদোর সঙ্গে তাঁর চুক্তি হয়েছে! এমনকি কারিমা এল মাহরুগ নামের এক তরুণী জানিয়েছেন, ১৭ বছর বয়সেই তিনি রোনালদোর সঙ্গে বিছানায় গেছেন। এটিকেও ধর্ষণ বলে অভিহিত করেছেন এই তরুণী। তবে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তরুণী রোনালদোর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। বাদী পক্ষের আইনজীবী লেসলি স্টোভল বলেছেন, ‘আমি এসব তথ্য যাচাই করে দেখছি।’ সবমিলিয়ে শনির দশা পেয়ে বসেছে রোনালদোকে। রোনালদোর আইনজীবী ক্রিস্টিয়ানসেন ২০০৯ সালের ঘটনাকে ধর্ষণ বলে অস্বীকার করেছেন, কারণ সেখানে সবকিছুই দুজনের সম্মতিতে হয়েছিল। আরো পড়ুন : রোনালদোর ধর্ষণ: সেদিন কী হয়েছিল, জানালেন মার্কিন তরুণী মায়োরগা অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে রোনালদো পরিচয় হয় এক বিখ্যাত নাইটক্লাবে। তখন মায়োরগা ওই নাইটক্লাবে চাকরি করতেন। ২০০৯-এ  রোনালদো সেই সময় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদে যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়েছেন। সে যাই হোক, একটা সময়ের পর সেই নাইটক্লাবে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়ে যায়। একপর্যায়ে তাঁকে নিজের হোটেলের ঘরে আসার আমন্ত্রণ জানান সিআরসেভেন। আমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়েই মহাবিপদে পড়েন মায়োরগা। দ্য গার্ডিয়ান-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মায়োরগা বলেছেন, `রোনালদো আমাকে ওঁর গোপনাঙ্গ ৩০ সেকেন্ডের জন্য ধরতে বলে। আমি প্রথম হেসে উড়িয়ে দেই। বলি, তুমি নিশ্চয়ই মজা করছ! রোনাল্ডোর যৌন আবেদনে অনেকে মুগ্ধ। কিন্তু তখন ওঁর ভিতরে থাকা নোংরা মানুষটার পরিচয় পাই। মায়োরগা বলেন, ও (রোনালদো) আমাকে অ্যানাল সেক্সের প্রস্তাব দেয়! বিপদ বুঝতে পেরে ছাড়া পাওয়ার আশায় আমি বড়জোর চুম্বনে রাজি হই। কিন্তু সে আরও উত্তেজিত হয়ে পড়ে। আমাকে হোটেল রুমে আটকে রাখে ও। একপর্যায়ে জোর করে আমার সঙ্গে সে বিকৃত যৌনতা শুরু করে। আমি ওর কাছে অনুরোধ করি। কিন্তু ও তখন কোনও কিছু শোনার মতো অবস্থায় ছিল না। ও যেন মত্ত হয়ে উঠেছিল। নির্যাতনের পরও ও আমাকে রুম থেকে বেরোতে দিচ্ছিল না। শেষে অনেক কষ্টে বেরিয়ে আসি। পরদিন থানায় গিয়ে পুলিশে অভিযোগ জানাই। অবশ্য এবারই প্রথম নয়। বছর দেড়েক আগে এই ম্যাগাজিন আরও একবার মায়োরগার পক্ষ থেকে রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলে। সেবারও সে অভিযোগ ধোপে টেকেনি। আবারও সেই একই অভিযোগ তোলায় রোনালদোর আইনজীবী ম্যাগাজিনের বিপক্ষে আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এ সংক্রান্ত আরো খবর চুক্তিপত্রে ধর্ষণ নিয়ে স্বীকারোক্তি: ফেঁসে যাচ্ছেন রোনালদো   / এআর /

গোলশূণ্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ল  ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গোলশূণ্য ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড ও ক্রোয়েশিয়া। শনিবারের ওই খেলায় উভয় দল প্রাণপনে খেললেও কেউই গোলের দেখা পায়নি। ইংল্যান্ড দলের ম্যানেজার গ্যারেথ সাউথগেট এই খেলার আগে দলের অবস্থান নিয়ে কথা বলেন।  তিনি বলেন, এই খেলায় আমাদের জয় পাওয়াটা খুবই জরুরি। ইংল্যান্ড অবশ্য খেলায় ভালো সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ইরিক ডাইয়ার এবং হ্যারি কেইন গোলের সুযোগ পেয়েও হাত ছাড়া করেন। ইংল্যান্ড দলের ম্যানেজার বলেন, আমরা খেলার প্রথম আর্ধে ভালো খেলেছি। কর্ণার থেকে ভালো সুযোগও পেয়েছি। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। এদিকে আমাদের বিপক্ষ দল ক্রোয়েশিয়া দ্বিতীয়ার্ধে একটি ভালো সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু তারা সেটা কাজে লাগাতে পারেনি।   তিনি বলেন, শেষ পর্যায়ে এসে আমাদের খেলোয়াররা উপর্যুপরি আক্রমণ চালিয়েছে। এই কারণে তাদেরকে প্রশ্ন করার সুযোগ নেই। আমি এই বিষয়ে খুবই খুশি যে আমরা বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করতে পেরেছি। তবে জয় পাওয়াটা আমাদের  দরকার ছিল। সূত্র: বিবিসি এমএইচ/ এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি