ঢাকা, শনিবার   ২৮ মার্চ ২০২৬

চার জেলায় একটি পিসিআর মেশিন, ভোগান্তিতে মানুষ (ভিডিও)

রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৫:৪৯, ২০ এপ্রিল ২০২১

Ekushey Television Ltd.

চার জেলার জন্য একটি পিসিআর মেশিন। শত শত নারী-পুরুষ করোনা পরীক্ষার জন্য ভীড় করলেও নেয়া হচ্ছে না নমুনা। রংপুর মেডিকেল কলেজে করোনা পরীক্ষার সক্ষমতা ১৮৮। এদিকে নমুনা সংগ্রহের ৫ থেকে ৭ দিন পরও মিলছে না রিপোর্ট। 

করোনার দ্বিতীয় মহাতরঙ্গে রংপুরেও বেড়েছে সংক্রমণ। তবে নগরবাসীকে নমুনা পরীক্ষার জন্য পোহাতে হচ্ছে চরম বিড়ম্বনা। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রংপুরসহ চারটি জেলার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে রংপুর সিটি কর্পোরেশন ৫০, রংপুর জেলার অন্যান্য অংশ ৩০, গাইবান্ধা ৩০, কুড়িগ্রাম ৩০ আর লালমনিরহাট থেকে ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। জরুরি প্রয়োজনে ১৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।   

একটি মাত্র মেশিন দিয়েই চলছে করোনার নমুনা পরীক্ষা। ফলে প্রতিদিন শত শত মানুষ এলেও ফিরে যেতে হচ্ছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, যারা সুযোগ পায় তাদের রিপোর্ট পেতে ৫ থেকে ৭ দিন অপেক্ষা করতে হয়। 

ভুক্তভোগীরা জানান, সিটি কর্পোনেশনে গিয়েছিলাম, মেডিকেলেও গিয়েছিলাম কিন্তু কোথাও আমরা নমুনা টেস্টের সন্ধান পাইনি। তাহলে আমরা দেবো কোথায়?

সিটি করোর্পরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলছেন, পরীক্ষা এবং আইসোরেশন ছাড়া রোগ বিস্তার রোধের কোন উপায় নেই। 

রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান বলেন, যে পরিমাণ নমুনা সংগ্রহ করা হয় সেই পরিমাণে টেস্ট কম হচ্ছে। কারণ আমাদের টেস্টের কোটা হলো ৫০টি। সামাজিক প্রেক্ষাপট চিন্তা করতে হবে। এখন যদি আমি অন্য কিছু করতে যাই তাহলে মানুষজন মানবে না।

এদিকে টেস্ট বাড়াতে দ্রুত আলাদা পিসিআর মেশিন বসানোর দাবি জানিয়েছেন রংপুর সিটি মেয়র।  

রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলেন, মানুষ রিপোর্টের জন্য দাঁড়ে দাঁড়ে ঘুরছে, তাতে চিকিৎসা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। জরুরিভিত্তিতে এখানে আরেকটা পিপিআর ল্যাব যদি স্থাপন করতে পারি তাহলে পরীক্ষাটাও বাড়বে।
দেখুন ভিডিও :

এএইচ/এসএ/
 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি