জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যাগ সরকারের, শুরুতে ৫ জেলা
প্রকাশিত : ১৫:০৪, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জনগণকে ‘ই-হেলথ কার্ড’ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রথমে খুলনা, নোয়াখালী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার জনসাধারণকে ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করা হবে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১৪তম দিনের প্রশ্নোত্তরে লিখিত জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সংসদে সভাপতি করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী।
তারেক রহমান বলেছেন, ‘শ্রমিক হোক, কৃষক হোক, দিনমজুর হোক, খেটে খাওয়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ হোক, প্রত্যেকের জন্য আমরা কিছু না কিছু রেখেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা কৃষকদেরকে সহযোগিতা করতে 'কৃষক কার্ড' প্রদান করেছি। একইভাবে দেশের নারী সমাজকে ক্ষমতায়িত করার লক্ষ্যে আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের নারী প্রধান পরিবারগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে 'ফ্যামিলি কার্ড' দেওয়ার প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু করেছি।
তিনি আরো বলেন, আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। এ খাল খনন শুধু যে কৃষকদেরকে উপকৃত করবে তা নয়, এর মাধ্যমে গ্রাম-গঞ্জে বাস করা বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ কোনো না কোনোভাবে উপকৃত হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ( বিএনপি) প্রতিশ্রুতি ছিল আমরা দেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করব এবং এই বৃক্ষরোপণেও বিভিন্নভাবে সমাজের খেটে খাওয়া মানুষ বিভিন্নভাবে উপকৃত হবে।
ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদানের বিষয়টি সামনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমাজের এমন কিছু মানুষ আছে যাদের কাছে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন রকমের পরামর্শ পেয়ে থাকি। মুসলমান হিসেবে মসজিদ-মাদ্রাসার খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান- সেখানে যারা ধর্মগুরু আছেন তারাও খেটে খাওয়া মানুষেরই অংশ। তাদেরকেও সহযোগিতা করার জন্য আমরা সরকার থেকে সম্মানীর ব্যবস্থা করব বলেছিলাম। সেটির কাজও আমরা শুরু করেছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমরা বলেছিলাম দেশে পেশাদার খেলোয়াড় তৈরি করতে চাই। যারা এই পেশাদার খেলোয়াড় হতে চাইছে তারা কোনো না কোনো খেটে খাওয়া পরিবারের সদস্য। তারা যাতে নিজেদের স্বপ্ন পূরণ ও প্রফেশনটা ধরে রাখতে পারেন সেজন্য তাদের আমরা সহযোগিতা করতে চেয়েছি। আর সেই কাজটিও আমরা শুরু করেছি। ইতোমধ্যে তাদেরকে ক্রিয়া কার্ডের আওতায় এনেছি।
এর আগে সকাল ১১ টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের কার্যক্রম শুরু হয়। দিনের শুরুতেই নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন সংসদ নেতারা।
এএইচ
আরও পড়ুন










