নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা
প্রকাশিত : ০৯:১৫, ২১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:২৫, ২১ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে এ তথ্য জানিয়েছেন নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান।
এর আগে সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের এক বাসা থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন- বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়াকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে বাড়িতে প্রবেশ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার ভোরে প্রতিবেশীরা ওই বাড়িতে গিয়ে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।
পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, হাবিবুর রহমান পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি গত সোমবার মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে রাত ৮টার দিকে বাড়ি ফেরেন। তার কাছে বিক্রির ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই টাকার লোভেই দুর্বৃত্তরা তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে। পাশাপাশি, বাড়িতে থাকা স্বর্ণালঙ্কারও লুট করা হয়েছে। হাবিবুরের স্ত্রী পপি খাতুনের কানের দুল পর্যন্ত ছিনিয়ে নিয়ে গেছে তারা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নিহতদের মধ্যে বাড়ির কর্তা হাবিবুর ও স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তানদের মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ডাকাতি করার উদ্দেশে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে প্রবেশ করেছিল। ডাকাতি করার পর পরিচয় প্রকাশ হওয়ার ভয়ে ওই বাড়ির কর্তাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের হত্যা করেছে।’
একই পরিবারের চারজনকে এভাবে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় বাহাদুরপুর ইউনিয়নে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এএইচ
আরও পড়ুন










