নেত্রকোণার আলোচিত ঘটনায় সেই মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার
প্রকাশিত : ১১:১৬, ৬ মে ২০২৬
নেত্রকোণার মদন উপজেলায় শিশু মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ব্যার-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১৪ মিডিয়ার দায়িত্বে থাকা কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান।
আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাছহাট গ্রামের বাসিন্দা এবং ওই গ্রামের একটি মহিলা মাদরাসার পরিচালক।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
স্থানীয় বাসিন্দা, এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক প্রায় চার বছর আগে একটি মহিলা কওমি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ভুক্তভোগী শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে সেখানে পড়াশোনা করত। তার বাবা পরিবার ছেড়ে চলে যাওয়ায় জীবিকার জন্য মা সিলেটে একটি বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক অসুস্থতা ও পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বিষয়টি জানার পর তার মা সিলেট থেকে এসে মেয়ের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিষয়ে অবগত হন। পরে গত ১৮ এপ্রিল শিশুটিকে মদন উপজেলা শহরের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাকে অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত করেন।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বৃহস্পতিবার থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছিল।
এই ঘটনার পর পলাতক থাকা অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর।
চাঞ্চল্যকর এ মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আজ দুপুর ১২টায় র্যাব-১৪ এর অধিনায়ক প্রেস ব্রিফিং করবেন বলে জানা গেছে।
এএইচ
আরও পড়ুন










