প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হাইকোর্টে স্থগিত
প্রকাশিত : ১৫:৪৮, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে আগামী ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিচারপতি হাবিবুল গণি ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বুলবুল।
এই আইনজীবী বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে নিয়োগের জন্য আগামী শনিবার (১৮ এপ্রিল) অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষা ২ (দুই) মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগ গত ২৫ মার্চ ইস্যুকৃত বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতাও ২ (দুই) মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।
এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এনটিআরসিএর ২৯ জানুয়ারি ইস্যুকৃত বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগ ২৫ মার্চ ইস্যুকৃত বিজ্ঞপ্তি কেন অবৈধ এবং আইনগত ক্ষমতা বহির্ভূত বলে ঘোষণা করা হবে না, ৪ (চার) সপ্তাহের মধ্যে তার কারণ দর্শানোর জন্য সরকার ও এনটিআরসিএ এর ওপর রুল নিশি জারি করেছেন।
দেশের বিভিন্ন এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১১৪ জন আবেদনকারীর রিটের প্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন।
গত ২৯ জানুয়ারি ইস্যুকৃত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা দেশের স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩,৫৫৯টি প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান পদে আগ্রহী প্রার্থীদের আবেদন আহবান করা হয়।
এক্ষেত্রে শিক্ষকদের ১০ থেকে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। কিন্তু আবেদনপত্র দাখিল করার ১৯ (উনিশ) দিন পরে স্কুল ও কলেজ এবং ২৫ (পঁচিশ) দিন পরে ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, টেকনোলজি ও ডিপ্লোমা এবং মাদ্রাসা শিক্ষা সংক্রান্ত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার পরিবর্তন আনা হয়।
পরিবর্তিত নীতিমালা অনুসারে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান সকল পদে শিক্ষকদের ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়।
এরআগে, এনটিআরসি ২০২৬ সালের জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রায় ১২ হাজারের বেশি শূন্য পদে প্রার্থী নিয়োগের পরিকল্পনা ছিল এবং পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ এপ্রিল।
তবে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বৈধতা ও প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কয়েকজন প্রার্থী হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। রিটে নিয়োগ প্রক্রিয়ার কিছু ধারা ও শর্ত চ্যালেঞ্জ করা হয়। এ প্রেক্ষিতে আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য গ্রহণ করে এবং প্রাথমিকভাবে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দেয়।
এএইচ
আরও পড়ুন










