ঢাকা, সোমবার   ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুরে মামলার সাক্ষীকে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করল প্রতিপক্ষ

ফরিদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ২৩:৩৬, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পূর্ব শত্রুতা ও মামলায় সাক্ষ্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে হায়দার মুন্সি (৩৬) নামে এক যুবককে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হাত-পা প্রায় বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে প্রতিপক্ষ। এ সময় তাকে বাঁচাতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন তার ছোট ভাই সুজন মুন্সি (২৬)।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে উপজেলা সদরের ফাযিলখাঁর ডাঙ্গী গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা ওই গ্রামের মৃত ধলা মুন্সির ছেলে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হায়দার মুন্সিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহতদের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একই গ্রামের কালাম মণ্ডলের সঙ্গে হায়দার মুন্সির দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। প্রায় তিন বছর আগে রিপন খাঁ ও কালাম মণ্ডলের মধ্যে সংঘটিত একটি মারামারির ঘটনায় হায়দার আদালতে সাক্ষ্য দেন। ওই ঘটনায় কালামের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ায় তখন থেকেই তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

শনিবার রাতে হায়দার মুন্সিকে একা পেয়ে কালাম মণ্ডলের নেতৃত্বে ৫-৬ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ধারালো রামদা ও চাপাতি নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। তারা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে এবং হাত-পা প্রায় বিচ্ছিন্ন করে ফেলে রেখে যায়। এ সময় ছোট ভাই সুজন তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. রশিদ জানান, হায়দার মুন্সির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। তার একটি হাত ও একটি পা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে চরভদ্রাসন থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জেরেই এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

এমআর// 
 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি