ঢাকা, রবিবার   ২৯ মার্চ ২০২৬

বনমালিকে হাঁটতে দেখে হাসি ফোটে বাবা-মার মুখে (ভিডিও)

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৩:১০, ১৬ মার্চ ২০২১

Ekushey Television Ltd.

বনমালি এখন গুটিগুটি পায়ে হাঁটে। ওর হাঁটতে চলা দেখে হাসি ফোটে বাবা-মার মুখে। কিছুদিন আগেও এ হাসি ছিল না। অর্থের অভাবে সন্তানের টিউমারের চিকিৎসা করাতে পারছিলেন না। একুশে টেলিভিশনে সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর পাশে দাঁড়ান ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও জার্মান প্রবাসী এক হৃদয়বান মানুষ। ঢাকার পিজি হাসপাতালে একদল চিকিৎসক মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে অস্ত্রোপচার করে তাকে সুস্থ করে তোলেন।

পিঠে টিউমারের কারণে ঠিকমত শুতে পারতো না, বসতে পারতো না ৭ মাসের বনমালী। সে এখন উঠে বসছে, মনের আনন্দে বাড়ির উঠোনে খেলে বেড়ায়।

একুশে টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার হওয়ার পর এগিয়ে আসেন অনেকে। ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কেএম কামরুজ্জামান সেলিম ও জার্মান প্রবাসী সৈয়দ শাকিলের আর্থিক সহযোগিতায় বনমালীকে ভর্তি করা হয় ঢাকায় বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে। 

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামারুজ্জামান সেলিম বলেন, আমার খুবই ভালো লাগছে যে এই অফুরন্ত সম্ভাবনার একটি শিশু সে সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারলো।

প্রায় দেড়মাস পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর অপসারণ করা হয় টিউমার। এরপর সুস্থ্য হয়ে মার কোলে বাড়ি ফিরে বনমালী। 

বনমালির মা জানান, অনেক মানুষ আমাদের সহযোগিতা করেছিল। তাদের সহযোগিতায়ই আমার বাচ্চাটা আজ সুস্থ হয়ে ফিরেছে।

বনমালির বাবা জানান, জার্মানের এক প্রবাসী স্যার আমাদের সহযোগিতা করেছেন এবং আমাদের ঠাকুরগাঁও ডিসি অফিস থেকে কিছু সহযোগিতা করেছে। আরও অন্যান্য ভাইয়েরা সহযোগিতা করেছেন। তাদের সহযোগিতায় দেড় মাস পিজি হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সন্তানকে সুস্থ করে ফিরলাম।

যে সন্তানকে নিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটছিলো পরিবারের, সেই সন্তান সবার সহযোগিতায় আজ সুস্থ হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বাবা-মা।
দেখুন ভিডিও :

এএইচ/এসএ/
 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি