বিটিআরসি ভবনে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের ভাঙচুর, আটক ৫
প্রকাশিত : ১৯:৫৯, ১ জানুয়ারি ২০২৬
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাতিলের দাবিতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনে ভাঙচুর চালিয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে এ হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত ৫ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
এদিন সন্ধ্যায় ৬টার দিকে দেখা যায়, বিটিআরসি ভবনের করিডোরের গ্লাস ভাঙা। ব্যাপক ইটপাটকেল নিক্ষেপ করার ফলে মূল ভবনের গ্লাসও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসময় ভবনের পাশের গলিতে রাখা বিআরটিসির একটি বাসও ভাঙচুর করা হয়েছে।
বিটিআরসি ভবনে দায়িত্ব পালন করা কয়েকজন আনসার সদস্য বলেন, দুপুর ২টা থেকে আন্দোলন করছিলেন মোবাইলফোন ব্যবসায়ীরা। পরে বিকেল ৩টার পর তারা ভাঙচুর চালান।
তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, তারা আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়েছে এবং ইটপাটকেল ছুঁড়েছে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
এদিকে সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিটিআরসি ভবনে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র্যাব ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, পূর্বঘোষিত এনইআইআর বাস্তবায়ন হওয়ায় মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা এই হামলা চালান। বিটিআরসি ভবনের বাইরে দুই রাস্তার দিক থেকে ঢিল মেরে এই ভাঙচুর চালানো হয়। তবে এ হামলায় বিটিআরসির কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে অবিক্রীত বা স্টকে থাকা মুঠোফোনের তথ্য জমা দেয়ার সময়সীমা বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।
এনইআইআর পদ্ধতির বিরোধিতা করে কিছুদিন ধরেই বিক্ষোভ করে আসছিলেন মোবাইল হ্যান্ডসেট ব্যবসায়ীরা। সরকারের অভিযোগ, একটি অংশ অবৈধ পথে কর ফাঁকি দিয়ে নিম্নমানের, ক্লোনড, ব্যবহৃত ও পুরনো ফোন দেশে এনে বাজারজাত করছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করতেই হ্যান্ডসেট নিবন্ধনে এনইআইআর চালুর উদ্যোগ নেয় সরকার।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এনইআইআর কার্যকর হলে অবৈধভাবে দেশে আসা ফোন আর ব্যবহার করা যাবে না। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা পুরনো ফোনের ব্যবসাও বন্ধ হবে। তবে এনইআইআর চালুর আগ পর্যন্ত নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কোনো ফোন বন্ধ করা হবে না।
এমআর//
আরও পড়ুন










