ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ০:১৮:৩০

ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন কিনছে সরকার

ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন কিনছে সরকার

মহান মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরু হয়েছিল ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেন থেকে। পুরনো এই ভাবনটি প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা দিয়ে কিনে নিচ্ছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন করা হয়েছে।পুরান ঢাকার হৃষিকেশ রোডের এই ভবনটি এত দিন ব্যক্তি মালিকাধীন পুরাকীর্তি হিসেবে সংরক্ষিত ছিল।        কমিটির সভাপতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতে বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণলয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন’ অনুসারে সরকার সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বর্তমান মালিকদের কাছ থেকে রোজ গার্ডেন কিনবে। এতে ব্যয় হবে ৩৩১ কোটি ৭০ লাখ দুই হাজার ৯০০ টাকা।’   জানা গেছে, পুরনো ঢাকার হৃষিকেশ দাস লেনে বলধা গার্ডেনের সামান্য দূরত্বে ১৯৩১ সালে নির্মিত হয়েছিল প্রাসাদসম ভবন রোজ গার্ডেন। এ বাড়িতে ১৯৪৯ সালে গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। প্রথমে দলটির নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’। পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানীর উদ্যোগে ধর্মনিরপেক্ষতার চর্চা এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটির নাম থেকে পরে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয় নাম রাখা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’। পরবর্তীকালে এর নাম ছিল নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ। ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর এই সংগঠনটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ১৯৩১ সালে ঋষিকেশ দাস নামে এক ধনাঢ্য ব্যবসায়ী পুরান ঢাকার ঋষিকেশ রোডে ২২ বিঘা জমির ওপর একটি বাগানবাড়ি তৈরি করেন। বাগনে প্রচুর গোলাপ গাছ থাকায় এর নাম হয় রোজ গার্ডেন। এছাড়া বাগানটি সুদৃশ্য ফোয়ারা, পাথরের মূর্তি দ্বারা সজ্জিত ছিল। মূল ভবনের দ্বিতীয়তলায় পাঁচটি কামরা আর একটি বড় নাচঘর আছে। নিচতলায় আছে আটটি কামরা। ভবনটির মোট আয়তন সাত হাজার বর্গফুট। উচ্চতায় ৪৫ ফুট। ছয়টি সুদৃঢ় থামের ওপর এই প্রাসাদটি স্থাপিত। প্রতিটি থামে লতাপাতার কারুকাজ করা। প্রাসাদটির স্থাপত্যে করিন্থীয়-গ্রিকশৈলী অনুসরণ করা হয়েছে। ভবন নির্মাণের কিছুদিন পর ঋষিকেশ দাশ দেউলিয় হয়ে যান। ১৯৩৭ সালে রোজ গার্ডেন বিক্রি হয়ে যায় খান বাহাদুর আবদুর রশীদের কাছে। এর নতুন নামকরণ হয় ‘রশীদ মঞ্জিল’। এই বাড়িটিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ (পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) গঠনের প্রাথমিক আলোচনা সভা এই বাড়িতে হয়েছিল। ১৯৬৬ সালে কাজী হুমায়ুন বসির এর মালিকানা লাভ করেন। ১৯৭০ সালে চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘বেঙ্গল স্টুডিও’কে লিজ দেওয়া হয়। এ সময়ে চলচ্চিত্রের শুটিং স্পট হিসেবে এই ভবনটি ব্যবহৃত হয়। এখানে চিত্রায়িত কাহিনী চিত্র হারান দিন এ রোজ গার্ডেনের সেই সময়কার চিত্র সংরক্ষিত আছে। ১৯৮৯ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এই প্রাসাদটি সংরক্ষণ তালিকাভুক্ত করে। ১৯৯৩ সালে কাজী হুমায়ুন বসিরের বংশধর কাজী রকীব বাড়িটির মালিকানা ফেরত পান। ১৯৯৫ সালে তার মৃত্যুর পর তার স্ত্রী লায়লা রকীব ওই সম্পত্তির মালিক হন।   এসি      
আধুনিক শহরের পেছনে প্রাচীন সভ্যতার ভূমিকা

অতীত ব্রিটেন থেকে শুরু করে ব্যাবিলন, এ রকম অনেক প্রাচীন সভ্যতার নানা নিদর্শন নিয়ে গড়ে উঠেছে আমাদের আধুনিক বড় বড় শহরগুলো। সেই সব প্রাচীন সভ্যতার অনেক কিছুই ভুমিকা রাখছে এসব শহরের আর ভবনের পরিকল্পনায়। এখানে তার কয়েকটি উদাহরণ- ১. প্রাচীন মিশর এবং পিরামিড প্রাচীন মিশরের সবচেয়ে বড় নিদর্শন পিরামিডগুলো, যার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে আধুনিক স্থাপত্যকলায়, যার উদাহরণ প্রায়ই দেখা যায় বিভিন্ন ভবনের নকশায়। বিশ্ব জুড়ে অনেক ভবনে পিরামিডের আদল দেখা যাবে। যেমন মেমফিসের পিরামিড অ্যারেনা, লাস ভেগাসের লুক্সর ক্যাসিনো এন্ড হোটেল, জাপানের নিমা স্যান্ড মিউজিয়াম, এসব ভবন পিরামিডের আদলে নকশা করা হয়েছে। প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামের প্রবেশদ্বারও পিরামিডের মতো নির্মাণ করা হয়েছে। ২. রোমান সাম্রাজ্যের পথ সব পথই রোমে গিয়ে ঠেকেছে! এই প্রবচনটি হয়তো পুরোপুরি সত্যি নয়। কিন্তু প্রাচীন যুগের রোমানরা অবশ্যই তাদের সম্পর্কে দুইটি বিষয় ভালোভাবে জানতো। রোমানদের আগে শহর ও নগরগুলোয় যাতায়াতের সহজ কোনও পথ ছিল না। কার্যকরী যোগাযোগ ব্যবস্থা আর বাণিজ্য পথের গুরুত্ব তারা বুঝতে পেরেছিল। এ কারণে সবচেয়ে ভালো পথ নির্মাণ করতে বড় আকারে জরিপ করা হয়, যাতে পথে কোনও প্রতিবন্ধকতার তৈরি না হয় এবং পথটি সোজাসাপটা হয়। তারা পাথরের ভিত্তি স্থাপন করে এবং পথের ওপরও পাথর বসিয়ে দেয়, যাতে ভারী ঘোড়ার গাড়ি এবং সেনা বহরের চাপেও রাস্তা ঠিকঠাক থাকে। খৃস্টপূর্ব ৪০০ বছর আগের এই প্রযুক্তি এখনও সড়ক নির্মাণে ব্যবহার করা হয়। রোমানদের তৈরি করা বেশ কিছু পথ এখনও ইউরোপ, উত্তর আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্যের জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সড়ক হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ৩. ব্যাবিলনের পয়ঃনিষ্কাষণ ব্যবস্থা প্যারিসে প্রথম পয়ঃনিষ্কাষণ ব্যবস্থা চালু হয় ১৮৫০ সালে। লন্ডনে চালু হয় ১৮৬৬ সালে। কিন্তু ব্যাবিলনে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছিল খৃস্টপূর্ব প্রায় ৪ হাজার বছর আগে। কিন্তু সেটি গ্রহণ করতে বাকি বিশ্বের এতো বেশি সময় কেনও লাগলো? ধারণা করা হয়, প্রাচীন ব্যাবিলনেই প্রথম কাদা মথিত করে পাইপের আকার দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে বাসা বাড়ি থেকে পয়ঃবর্জ্য বের করে দেওয়া হতো। বেল এট নিপ্পুর এ হাজার হাজার বছর আগের এরকম পাইপ এবং টি-জয়েন্টের নমুনা পাওয়া গেছে। ৪. প্রাচীন গ্রিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এক কথায় বলা চলে, প্রাচীনে গ্রিকরা ছিল পানি সরবরাহ ব্যবস্থার প্রথম উদ্ভাবক। প্রাচীন ক্রেটান- মিনোয়ান্সরা প্রথম কাদাকে পাইপ বানিয়ে মাটির নীচে বসিয়ে দেয়। তাদের রাজধানী কোনোসোসে পরিষ্কার পানি নিয়ে আসা আর ময়লা পানি বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল। তারা বড় আকারে বাড়ি ঘর গরম রাখার ব্যবস্থা তৈরি করেছিল এবং টয়লেটে ফ্লাশিং ব্যবস্থা করেছিল। কার্বন পরীক্ষা দেখা গেছে, এই প্রযুক্তি চালু হয়েছিল খৃস্টপূর্ব আঠারোশো শতকে। ৫. পৌত্তলিক ব্রিটেন এবং সূর্য উপাসনা মিল্টন কেইনেস হয়তো ব্রিটেনের সবচেয়ে সুন্দর শহর নয়, কিন্তু শহরটি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়, সজ্ঞানে আর নিশ্চিতভাবে একটি আধুনিক শহর। গৃহ সমস্যা মেটাতে যদিও এটি নির্মাণ করা হয়েছে ১৯৬০ সালে, কিন্তু শহরটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যেখানে ব্রিটেনের ইতিহাস নানাভাবে ফুটে উঠেছে। পৌত্তলিক ব্রিটেনের প্রথা আর বিশ্বাসের নানা বিষয় শহরের নকশায় ব্যাপকভাবে স্থান পেয়েছে। স্টোনহেজের মতো শহরের প্রধান সড়কটি এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যে, গ্রীষ্মের সময় সেটি উদিত সূর্যের সমান্তরাল থাকে। ৬. প্রাচীন রোমান স্থাপত্য রোমের সড়কের কথা এর আগে এসেছে। এবার আলোচনায় আনা যাক আরেকটি বিষয়- `রোম একদিনেই নির্মিত হয়নি`। শহরের নানা তোরণের ঘুরপ্যাঁচ, কলাম এবং গম্বুজগুলো যেভাবে স্থাপন করা হয়েছে, তাতে ওই প্রবাদ বাক্যটি সঠিক বলেই প্রমাণিত হয়। রোমান সাম্রাজ্যের স্থাপত্য নমুনা এখনও বিশ্বজুড়ে দেখা যাবে। যখন উনিশ শতকে নেপোলিয়ন তার নিজস্ব সাম্রাজ্য তৈরি করছিলেন, তিনি বেশ কয়েকটি পার্সিয়ান অবকাঠামো নির্মাণের আদেশ দেন, যা আসলে রোমানদের কাছ থেকেই ধার করা। উদাহরণ হিসাবে আর্ক ডে ট্রায়োম্ফ এবং প্যালেস ভেনডোমের নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজের দিকেও একবার তাকিয়ে দেখুন। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির এই বাসভবনের কলাম এবং তোড়ন পরিষ্কারভাবে প্রাচীন রোমেরই প্রতিনিধিত্ব করছে। সূত্র: বিবিসি একে//

‘মানুষের মুক্তি আকাঙ্খার মালা গেঁথেছেন তিন কবি’

উদীচীর রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানুষের মুক্তি আকাঙ্খার মালা গেঁথেছেন এই মহান তিন কবি। বক্তারা কবিত্রয়ের মানবতাবোধ, বিদ্রোহ ও সাম্যের চেতনায় মানুষকে জাগানোর আহ্বান জানান। আজ সন্ধ্যায় নগরীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে উদীচী ঢাকা মহানগর সংসদ আয়োজিত এই জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও সুকান্ত বিষয়ে পৃথকভাবে আলোচনা করেন, যথাক্রমে উদীচীর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সফিউদ্দিন আহমদ, সহ-সভাপতি অধ্যাপক বদিউর রহমান এবং সাবেক সভাপতি সংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, উদীচী নগর সংসদের সভাপতি কাজী মোহাম্মদ শীশ। আরো বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের নগর সংসদের সাধারণ সম্পাদক ইকবালুল হক খান, স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি নিবাস দে, অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন সহ-সভাপতি একরাম হোসেন। অধ্যাপক সফিউদ্দিন আহমদ বলেন, রবীন্দ্রনাথ মানুষে মানুষে মিলনের কবি, বৈশ্বিক চেতনায় আলোকিত সর্বমানবিকতার কবি। নজরুল রবীন্দ্রনাথের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। অধ্যাপক বদিউর রহমান বলেন, নজরুল মানুষের কবি, মানবতার কবি, দ্রোহের কবি ও প্রেমের কবি। সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলকে বিবেচনা করা অত্যন্ত দুঃখজনক। কামাল লোহানী বলেন, আমাদের আদর্শিক বন্ধু হিসেবে আমরা এই তিন কবিকে স্মরণ করেছি। কিন্তু স্বাধীনতাযুদ্ধের পর রাষ্ট্রিয়ভাবে রবীন্দ্রনাথ নজরুলকে স্মরণ করা হলেও সুকান্ত উধাও-যা খুব দুঃখজনক। নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণার মাধ্যমে তাকে ছোট করা হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন, কারণ তিনি বিশ^মানবতা ও বিদ্রোহের কবি। অনুষ্ঠানের শুরু এবং শেষে তিন কবির রচিত গান, কবিতা আবৃত্তি ও গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে সংগঠনের মহানগর, বাড্ডা, কাফরুল, গুলশান, মিরপুর ও সাভার শাখার শিল্পীরা। এসএইচ/

বাংলাদেশ-ভারত বাউলসঙ্গীত উৎসব শুরু আজ

দুই বাংলার বাউলসাধকদের নিয়ে আজ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ-ভারত বাউলসঙ্গীত উৎসব’। তিন দিনের এই বাউল গানের উৎসবে গাইবেন বাংলাদেশ ও ভারতের শতাধিক শিল্পী। তালিকায় আছেন বাউল শফি মণ্ডল, টুনটুন ফকির, ক্লোজআপ ওয়ান তারকা বিউটি, সঞ্জয় কীর্তনিয়া, হৃদয় সরকার, আলীয়ার শাহ, হারুন ফকির, বন্যশ্রী, হীরক রাজা, তৌহিদা সরকার, রাজ্জাক শাহ, রীতা সরকার, আরজু শাহ, সমীর বাউল, মেরিনা আক্তারসহ আরও অনেকে। লালন বিশ্বসংঘ ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির যৌথ উদ্যোগ এবং ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।আয়োজকরা জানান, আজ বিকেল ৫টায় এ উৎসবের উদ্বোধন করবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। উৎসবে অতিথি থাকবেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেবেন বিশিষ্ট লেখক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ। বিকেলে থাকছে ‘ফকির লালন শাহ ও বাঙলার ফকিরী গানের উত্তরাধিকার’ শীর্ষক বিশেষ প্রদর্শনী। রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে দুই বাংলার বাউলশিল্পীদের সঙ্গীত পরিবেশনা। শতাধিক শিল্পীর সম্মিলিত সঙ্গীত পরিবেশনা দিয়ে শুরু হবে এ আয়োজন। এর পর একে একে দুই দেশের বাউলরা একক ও দলীয়ভাবে গাইবেন শিকড়ের গান।দ্বিতীয় দিনের আয়োজন শুরু হবে আগামীকাল বিকেল ৪টায়। এদিন ‘সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় বাউলদর্শনের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রবন্ধ পাঠ করবেন বাউলগবেষক আবদেল মাননান। বিকেল ৫টা থেকে শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকছে কালজয়ী বাউল গানের পরিবেশনা।শনিবার বিকেল ৫টায় উৎসবের সমাপনী দিনে ‘দুই বাংলার বাউল সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি এমপি। সমাপনী দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হবে বাউল গানের পরিবেশনা। এ উৎসব সব শ্রেণির দর্শকের জন্য উন্মুক্ত বলেও আয়োজকরা জানান।এসএ/

সারা দেশে দুই দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব (ভিডিও)

সৃজনে উন্নয়নে বাংলাদেশ-এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশে শুরু হয়েছে দুদিনব্যাপি সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৮। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডকে তুলে ধরতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে সাভার সরকারী বিশ^বিদ্যালয় কলেজ মাঠে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দুদিনব্যাপি সাংস্কৃতিক উৎসব ২০১৮ উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বলেন, আমরা বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদের দেশ হতে দিতে চাই না। বিএনপি জামায়াতের যেকোন আন্দোলন রুখে দিতে সংস্কৃতি কর্মীদের প্রতি আহবানও জানান তিনি। ময়মনসিংহে মহানগরীর টাউনহল চত্বর থেকে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রারা মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসব।  পরে শিল্পকলায় সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের চিত্র প্রদর্শণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে জামালপুরে পালিত হচ্ছে সাংস্কৃতিক উৎসব। সংস্কৃতি মন্ত্রনালয় এবং জামালপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা হয়। নেত্রকোনা পাবলিক হল মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন হয়েছে। শুরুতে সরকারের জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের উপর আলোচনা করেন বক্তারা। পরে বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত শিল্পীরা নৃত্য, গান, অভিনয়ের মধ্যেমে নিজ নিজ এলাকার সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড তুলে ধরেন।

সারাদেশে দু’দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু আজ

সারাদেশে আজ শুক্রবার একযোগে শুরু হচ্ছে দু’দিনের সাংস্কৃতিক উৎসব। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘সৃজনে উন্নয়নে বাংলাদেশ’- এ প্রতিপাদ্যে আজ ও আগামীকাল শনিবার দেশের প্রতিটি জেলায় এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসন, জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও জেলা তথ্য কার্যালয়ের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে এ উৎসব। আর ঢাকা জেলার উৎসব হবে সাভার ও কেরানীগঞ্জে। আজ বিকেলে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর সাভার কলেজ মাঠের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি জেলায় শিল্পকলা একাডেমি কাজ করছে। প্রতিটি উপজেলায় শিল্পকলা একাডেমি, মুক্তমঞ্চ, গণগ্রন্থাগার নির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলে বেশ কিছু বিদ্যালয়ে বাদ্যযন্ত্র দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে কালচারাল শিক্ষক। এভাবে পর্যায়ক্রমে সারাদেশের স্কুলগুলোতে তা দেওয়া হবে। এসবের একটাই লক্ষ্য, সাংস্কৃতিক অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালিত প্রজন্ম গড়ে তোলা। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জেলায় জেলায় স্থানীয় শিল্পী, কবি, সাহিত্যিকরা অংশ নেবেন উৎসবে। এসব অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত কবিতা পাঠ, দেশাত্মবোধক, লোকগানসহ স্থানীয় সংস্কৃতিকে প্রতিনিধিত্বকারী বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর এসব অনুষ্ঠান চলার সময় সরকারের জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর নির্মিত বিভিন্ন ভিডিও তথ্যচিত্র প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেখানো হবে।জানা গেছে, দেশব্যাপী এই সাংস্কৃতিক উৎসবে রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলসঙ্গীত, আধুনিক গান, দেশাত্মবোধক গান, কবিতা আবৃত্তি, একক অভিনয়, পল্লীগীতি, লালনগীতি, লোকগীতি, আঞ্চলিক গান, জারিসারি, মুর্শিদি গান ইত্যাদি পরিবেশন করবেন স্থানীয় শিল্পীরা। এ ছাড়া স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে এবং ফুটিয়ে তোলে এমন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উৎসবে প্রাধান্য দিয়ে পরিবেশন করা হবে।এসএ/  

স্পষ্ট হল সিন্ধু সভ্যতার অবলুপ্তির কারণ

পৃথিবীর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাসে নতুন যুগের সংযোজন করলেন ভূবিজ্ঞানীরা। মেঘালয়ান যুগ নামে এই কাল শুরু হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৪ হাজার ২০০ বছর আগে। মেঘালয়ের একটি গুহার পাথর বিশ্লেষণ করে এই নতুন যুগের সন্ধান পেয়েছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানীদের দাবি, সেই যুগের শুরুতে পৃথিবীর বড় অংশ জুড়ে খরা দেখা দিয়েছিল। কমে গিয়েছিল বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা। গবেষকরা বলছেন, মেঘালয়ান যুগের শুরুতে প্রচণ্ড খরায় চিন ও মিশরের প্রাচীন সভ্যতার অবলুপ্তি ঘটেছিল। মেঘালয়ের একটি গুহার স্ট্যালাগমাইট নামক চুনাপাথর বিশ্লেষণ করে এব্যাপারে নিশ্চিত হয়েছেন গবেষকরা। গবেষকরা বলছেন, মেঘালয়ান যুগের শুরুতেই প্রথমবার ভূতাত্ত্বিক ঘটনার সাংস্কৃতিক প্রভাব পড়েছিল। আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে কালঘাম ছুটেছিল তৎকালীন সমাজের। টানা ২০০ বছরের খরায় বাসস্থান ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন মিশর, গ্রিস, ফিলিস্তিন, মেসোপটেমিয়া ও সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা। সমুদ্র ও বায়ুমণ্ডলের প্রবাহে বদলের জন্যই এই খরা বলে মনে করছেন তারা। সূত্র-জিনিউজ আরকে//  

২১তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনীর উদ্বোধন কাল

শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়। ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি’ বাংলাদেশের শিল্প সংস্কৃতি বিকাশের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগ একাডেমির জন্মলগ্ন থেকেই চারুকলাবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ প্রদর্শনী ও অনুষ্ঠান আয়োজন করে আসছে। দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী, জাতীয় চারুকলা প্রদর্শনী, জাতীয় ভস্কর্য্য প্রদর্শনীসহ দু’বছর অন্তর নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনীর আয়োজন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৯৭৫ সালে সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে নবীনশিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। কাল শনিবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে পক্ষকালব্যাপী ‘২১তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী ২০১৮’। শনিবার বিকাল ৪টায় একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং বরেণ্য চিত্রশিল্পী চন্দ্র শেখর দে। এবছর ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সী নবীন ৭৮৭ জন শিল্পীর ১৯৭৬টি শিল্পকর্ম জমা পরে। এর মধ্যে থেকে বাছাই কমিটির মাধ্যমে ৩৮০ জন শিল্পীর ৪১২টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত হয়। চিত্রকলা, ছাপচিত্র, ভাস্কর্য, মৃৎশিল্প, কারুশিল্প, স্থাপনা, পারফর্মেন্স এবং নিউ মিডিয়াসহ চারুশিল্পের প্রায় সব মাধ্যমেই শিল্পকর্ম বিদ্যমান। নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী ২০১৮ এর শিল্পকর্ম নির্বাচন কমিটিতে ছিলেন শিল্পী আব্দুল মান্না, শিল্পী তরুণ ঘোষ, শিল্পী বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাস এবং শিল্পী আনিসুজ্জামান। পুরস্কার মনোনয়নের জন্য বিচারক মণ্ডলী হিসেবে ছিলেন শিল্পী কে এম এ কাইয়ূম, শিল্পী চন্দ্র শেখর দে এবং শিল্পী সাইদুল হক জুঁইস। নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনীতে নবীন শিল্পী চারুকলা পুস্কার, চিত্রকলায় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার, ভাস্কর্যে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার, ছাপচিত্রে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার এবং ৪টি সম্মানসহ ৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৮টি পুরস্কার প্রদান করা হয়। এসএইচ/

শনিবার শুরু হচ্ছে নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী

‘২১তম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনী ২০১৮’ শুরু হতে যাচ্ছে আগামী ১৪ জুলাই শনিবার থেকে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগ পক্ষকালব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজক। এতে ৩৮০ জন নবীন শিল্পীর ৪১২টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত হয়েছে।শনিবার বিকাল ৪টায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন।এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী লিখিত বক্তৃতা পাঠ করেন। এ সময় একাডেমির সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।লাকী বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক সচিব মোঃ নাসির উদ্দিন আহমেদ ও বরেণ্য চিত্রশিল্পী চন্দ্র শেখর দে বিশেষ অতিথি থাকবেন।চিত্রশিল্পী চন্দ্র শেখর দে’র কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে ১ম নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনীর আয়োজনে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার অর্জন করেছিলেন এ শিল্পী। আর এ বছর এ গুণী শিল্পী শিল্পকলা পদক ২০১৭ লাভ করেছেন।১৯৭৫ সাল থেকে শিল্পকলা একাডেমি ধারাবাহিকভাবে নবীনশিল্পী চারুকলা প্রদর্শনীর আয়োজন করে আসছে উল্লেখ করে একাডেমির মহাপরিচালক আরও বলেন, এ বছর ২১ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ৭৮৭ জন নবীন শিল্পীর ১৯৭৬টি শিল্পকর্ম জমা পরে। এরমধ্যে থেকে বাছাই কমিটি ৩৮০জন শিল্পীর ৪১২টি শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর জন্য নির্বাচিত করে। এর মধ্যে চিত্রকলা, ছাপচিত্র, ভাস্কর্য, মৃৎশিল্প, কারুশিল্প, স্থাপনা, পারফর্মেন্স এবং নিউ মিডিয়াসহ চারুশিল্পের প্রায় সকল মাধ্যমেই শিল্পকর্ম বিদ্যমান।তিনি বলেন, বরাবরের মতো এবারও নবীন শিল্পী চারুকলা প্রদর্শনীতে নবীন শিল্পী চারুকলা পুরস্কার, চিত্রকলায় শ্রেষ্ঠ পুরস্কার, ভাস্কর্যে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার, ছাপচিত্রে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার এবং ৪টি সম্মানসহ ৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৮টি পুরস্কার প্রদান করা হবে। পূর্বের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীদের নাম উদ্বোধনী দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। আগামী ১৫ জুলাই থেকে এ প্রদর্শনী সকলের জন্য উন্মুক্ত বলেও তিনি উল্লেখ করেন।এসএ/

আজ শুরু টরন্টো বাংলা বইমেলা

আজ শনিবার থেকে দু’দিনব্যাপী ১২তম টরন্টো বাংলা বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপিস্থিত থাকবেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। বিশেষ অতিথি থাকবেন কবি আসাদ চৌধুরী, ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন ও কথাসাহিত্যিক জাকির তালুকদার।বাংলাদেশের সর্বাধিক সংখ্যক স্বনামখ্যাত প্রকাশনী এবারের বইমেলায় অংশ নেবে। এদের মধ্যে রয়েছে- অঙ্কুর, অনন্যা, সময়, কথাপ্রকাশ ও নালন্দা। এবারের বইমেলা অনুষ্ঠিত হবে শহরের বাঙালি এলাকা বলে খ্যাত ড্যানফোর্থের ৯ ডজ রোডের রয়েল লিজিয়ন হলে।মেলায় বই প্রদর্শনী ছাড়াও থাকবে আলোচনা অনুষ্ঠান, সেমিনার, কবিতা আবৃত্তি, কবিতা উৎসব, শিশু-কিশোরদের জন্য বিশেষ ইভেন্ট, বিতর্ক অনুষ্ঠান, লেখক-প্রকাশকদের মুখোমুখি আড্ডা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ ছাড়াও কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের লেখক, প্রকাশক ও পাঠকরা মেলায় অংশ নেবেন। এ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য স্যুভেনির প্রকাশিত হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় ড্যানফোর্থ অন্যমেলার সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে বইমেলার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। - সংবাদ বিজ্ঞপ্তিএসএ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি