ঢাকা, শুক্রবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৩:০৮:১৮

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-কর্ম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে নৃত্যের ঝংকারে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে শিল্পীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বেশ কয়েকটি গান পরিবেশন করা হয়। গানের সঙ্গে ছিল বেশ কয়েকটি নৃত্য। গান আর নৃত্যের তালের সঙ্গে উঠে আসে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ এবং বঙ্গবন্ধুর  সংগ্রামের জীবন চিত্র। অনুষ্ঠানের শুরুতে একাডেমির পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান অনুষ্ঠান পরিচালক। প্রথমেই লিয়াকত আলী লাকীর লেখা গান ‘রূপসী বাংলা, জননী বাংলা, আজ কেঁদে কেঁদে কয়, তোমার মুজিব কোথায়’ গানের সঙ্গে শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করে। শিল্পী এম এ মোমেনের একক গান ‘মুজিব বাইয়া যাও রে, শিল্পী সুচিত্র রানী সূত্রধর ‘সেই রেল লাইনের ধারে, কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা কবিতা ‘মুজিব মানে আর কিছু না’ গানটির সাথে সমবেত নাচ পরিবেশন করেন শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে একক গান পরিবেশন করেন রাফি তালুকদার। দ্বৈত গান পরিবেশন করেন সোহানা রহমান ও আনাবিদা আলী। ঢাকা সাংস্কৃতিক দল সমেবত গান ‘সাড়ে সাত কোটি মানুষের আর একটি নাম, মুজিবর, মুজিবর, মুজিবর’ পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে দীপা খন্দকারের পরিচালনায় ‘বঙ্গবন্ধু জাতির জনক, এ জাতির মহাবীর’ গানের সাথে ইতিহাসমূলক নৃত্য পরিবেশিত হয়। কেআই/টিকে
সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে বৈশাখী কবিতা উৎসব

বিশ্ব কবিমঞ্চ আয়োজিত ও ফাতিমা ফাউন্ডেশন’র সহযোগিতায় বৈশাখী কবিতা উৎসব-১৪২৫ উপলক্ষে কবিতা পাঠ, আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে (পরিবাগ, ঢাকা) এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ব কবিমঞ্চ’র আহবায়ক পুলক কান্তি ধর-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি ও দার্শনিক সৈয়দ আজিজ। মুখ্য আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন কবি সমরেশ দেবনাথ। সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সংগীত শিল্পী ও শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রেন্টিস রায় (ক্যানাডা), কবি ও সংগঠক সাতকর্ণী ঘোষ (ভারত), কবি দীলিপ বসু (ভারত)। শিল্পী মাহমুদার সঞ্চলনায় আবৃত্তি করেন কবি স্বরুপ মন্ডল (ভারত), মুনসুর রহমান (বাংলাদেশ), কবি সৈকত নায়েক (ভারত), তাপস কর্মকর (বাংলাদেশ), সিক্ত রানী সাহা (বাংলাদেশ), শিমুল পারভীন পারভেজ (বাংলাদেশ), কল্যাণী দেব চৌধুরী লিপি (বাংলাদেশ), মীর লিয়াকত (বাংলাদেশ)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কবি গোলাম কিবরিয়া, জাকির হোসেন, সরদার ফাতিমা জহুরা ময়না । উল্লেখ্য, কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য ৪জন অতিথিকে সম্মাননা দেওয়া হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর

ভিন্নমতে একসাথে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

‘ভিন্নমতে একসাথে’ শিরোনামে “পহেলা বৈশাখ ১৪২৫” উদযাপন করেছে ইউএসএইড। উৎসবমুখর পরিবেশে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের মধ্য দিয়ে যুবকদের মধ্যে শান্তি, সহনশীলতা এবং ঐক্যের বার্তা পৌঁছানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএসএইড। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানের শিরোনাম ছিলঃ ‘বৈচিত্র এবং সহনশীলতা’কে সংবর্ধিত করা। ধানমন্ডি লেকের এক রঙ্গিন মঞ্চে এই অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ১০টায় এবং শেষ হয় দুপুর দেড়াটায়। রেডিও টুডে এবং ঢাকা এফএমে অনুষ্ঠানটি প্রচার করা হয়। অনুষ্ঠানে পরিবেশিত মূল সংগীত “ভিন্নমতে একসাথে” দর্শকদের আকৃষ্ট করে এবং সবার মাঝে মৌলিক বার্তা প্রেরণ করে। প্রাথমিক ধারনা হিসেবে ৪০০ জন দর্শকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের নানাবিধ আয়োজনের মধ্যে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢাক-ঢোল, মঞ্চ নাটিকা, লোকনৃত্য, সফল যুবকদের মিথষ্ক্রিয়া, আলোক চিত্র প্রদর্শনী, চিরকুট ব্যান্ড দলের গান পরিবেশন এবং সন্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিআরকে//

সাংগ্রাই উৎসবে জলকেলিতে সিক্ত তরুণরা [ভিডিও]

নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি ঐতিহ্য তুলে ধরে সাংগ্রাই উৎসব পালন করছেন পাহাড়ী মারমা সম্প্রদায়। বৌদ্ধমূর্তি স্নান, জলকেলি, হাজারো মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনসহ আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে আদিবাসীরা। মারমাদের বৈচিত্রময় আয়োজন দেখতে বান্দরবানে ঢল নেমেছে হাজরো পর্যটকের। চার দিনের সাংগ্রাই উৎসব শেষ হয়েছে আজ সোমবার। নতুন বছরকে বরণে মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী উৎসব সাংগ্রাই। বান্দরবান রাজার মাঠে এবারের সবচেয়ে বড় জলকেলি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুগ যুগ ধরে একে অপরের গায়ে পানি বর্ষণের মাধ্যমে পূর্বের সব গ্লানি ভুলে নতুন দিনকে বরণ করে তরুণ-তরুণীরা। রাজগুরু জাদি থেকে বৌদ্ধমুর্তি নিয়ে একটি শোভাযাত্রা শহর ঘুরে সাঙ্গু নদীর চরে চন্দ জল দিয়ে স্নান করানো হয়। জলকেলিসহ নানা বৈচিত্রময় অনুষ্ঠানে ভীড় জমিয়েছেন হাজারো দেশি-বিদেশি পর্যটক। আদি নৃত্য-গানসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পিঠা তৈরির আয়োজনও করা হয় বিভিন্ন  স্থানে। এছাড়া সন্ধ্যায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জল এবং পল্লীগুলোতে ছিলো নানা সামাজিক আচার অনুষ্ঠান। বৌদ্ধ বিহারগুলোতে সমবেত প্রার্থনা এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়।      

চলছে বর্ষবরণের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

পহেলা বৈশাখ কেবল বাংলা বছরের প্রথম দিনই নয়, বাঙালি জাতি ও বাঙালিয়ানার সঙ্গে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। আবহমান বাংলার হাজার বছরের কৃষ্টি-সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এবারও নানা আয়োজনে বরণ করা হবে ১৪২৫ বঙ্গাব্দকে। সারাদেশ মেতে উঠবে উৎসব-আনন্দে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ১৯৮৫ সালে বর্ষবরণ শোভাযাত্রার সূচনা করেছিল যশোরের চারুপীঠ। আজও নতুন বছরের প্রথম সকালকে উৎসবমুখর করে তুলতে আয়োজনে ব্যস্ত এখানকার শিল্পীরা। শুধু শোভাযাত্রা নয়, যশোরে বর্ষবরণের বর্ণিল নানান আয়োজন দীর্ঘদিনের। হাতে তৈরি আমন্ত্রণপত্র বিলি করার রেওয়াজও বেশ পুরোনো। বর্ষবরণে নরসিংদী জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের রয়েছে নানা আয়োজন। বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা সফল করতে চলছে প্রস্তুতি।  নরসিংদীর ঐতিহ্যবাহী আরশীনগর বটমূলে বসবে সাতদিনের বৈশাখী মেলা। এরিমধ্যে মেলার প্রস্তুতি শেষ করেছে জেলা প্রশাসন। প্রায় দেড় যুগ ধরে কিশোরগঞ্জে মঙ্গল শোভাযাত্রা হয়ে আসছে। সংস্কৃতিকর্মীরা ব্যস্ত আলপনা ও মুখোশ তৈরিতে। দেশজুড়ে এ উদ্যোগকে ছড়িয়ে দেওয়ার সংকল্প জানিয়েছেন আয়োজকরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারের মঙ্গল শোভাযাত্রা উপলক্ষে তৈরি হয়েছে শান্তির প্রতীক পায়রা এবং বিদ্রোহের প্রতীক ষাঁড়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মহড়ায় ব্যস্ত শিক্ষার্থীরা। থাকবে লোকগান, যাত্রা, পুঁথিপাঠসহ নানা আয়োজন। একে// এসএইচ/

মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি সম্পন্ন

এক দিকে চৈত্রের বিদায়, অন্যদিকে বৈশাখের আগমনী বার্তা। মানুষের মনে বাজছে, "এসো হে বৈশাখ এসো এসো"। বাঙালি বৈশাখকে বরণের জন্য চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী নিয়ে থাকে অনেক প্রস্তুতি। তারই একটি মঙ্গল শোভাযাত্রা। সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করলেও এদেশে মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস খুব পুরনো নয়। বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে মঙ্গল শোভাযাত্রা যোগ হয় ঢাকার সংস্কৃতিতে। পরবর্তীতে দেশের মানুষ বরণ করে নেয় একে। এখন অবশ্য ১ বৈশাখে দেশের সব জায়গায় মঙ্গল শোভাযাত্রা পালিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ। এবারো চারুকলার শিক্ষক ছাত্র সবাই ব্যস্ত রয়েছেন শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতিতে। আজ সকালে চারুকলা অনুষদে গিয়ে দেখা যায়, কেউ শেষ বারের মতো রং তুলি বুলিয়ে নিচ্ছেন তার শিল্পকর্মে। কেউ রঙিন কাগজ লাগাচ্ছেন। আবার কেউ মাটির ভাস্কর্যকে আরো নতুন করে ফুটিয়ে তুলতে ব্যস্ত রয়েছেন। কথা হয় চারুকলা ইন্সটিটিউটের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী রাসেল মাহমুদের সাথে। তিনি বললেন, আমরা ছাত্র- শিক্ষক সবাই ব্যস্ত। প্রত্যেকেই কোন না কোনো কাজ করছি। জেলে, হাতি, সাইকেল, পুতুল, বক ও মাছ, মহিষ, সূর্য, মা পাখি, রাজা রানি, পুতুলসহ দশেরও অধিক পুতুল ও ভাস্কর্য নিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে চারুকলা অনুষদ। চারুকলার আরেক শিক্ষার্থী শাবন্তীর সাথে কথা বলে জানা যায় গত কয়েক রাত জেগে কাজ করছেন তারা। শরীর ক্লান্ত হলেও মনে একটুও ক্লান্তি নেই। বরং বৈশাখকে বরণ করার আনন্দে মাতোয়ারা। চারুকলার মঙ্গল শোভাযাত্রায় জাতীয় পর্যায়ের কবি, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতি কর্মী সহ সকলের উন্মুক্ত ভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে। নববর্ষের দিক সকাল ন`টায় মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী এ শোভাযাত্রা চারুকলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড়, শিশু একাডেমী দিয়ে ঘুরে টিএসসি চত্বর দিয়ে এসে আবার চারুকলায় শেষ হবে। টিকে

ঢাবির চারুকলাতে চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি

আসছে বাংলার নতুন বছর ১৪২৫। নতুন বছর আগমনে পহেলা বৈশাখকে রাঙ্গায়িত করতে সাজসাজ রব উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে। আর পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনে চারুকলা অনুষদে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’। বর্ষবরণের মূল অনুষঙ্গ মঙ্গল শোভাযাত্রাকে রাঙ্গায়িত করতে রঙ-তুলি নিয়ে ব্যস্তা সময় পাড় করতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মঙ্গল শোভাযাত্রাকে রাঙ্গায়িত করতে কর্মব্যস্ত সময় পাড় করছে শিক্ষার্থীরা । অনেককে ছবি আঁকাআঁকিতে ব্যস্ত দেখা গেছে। দেওয়ালে দেওয়ালে শোভা পাচ্ছে হরেক রঙের চিত্রকর্ম। নবীন শিক্ষার্থীরা বিভাগের বড়দের কাছ থেকে কাজ শিখে নিচ্ছে। তাঁদের সহযোগিতা করছেন। তাদের মধ্যে কেউ বাঁশ-কাঠ বাঁধছেন। কেউ কেউ কাগজ কাটছেন। চারুকলা অনুষদের গেট দিয়ে ঢুকতেই যে রংবেরঙের বড় বড় সড়া, কাগজের পাখি, মাছ, পেঁচা, বাঘের ছবি ও অন্যান্য যে চিত্রকর্ম চোখে পড়ল তা ক্রয় করছেন অনেকেই। চিত্রকর্মগুলো বিক্রি করছেন এমন কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, চিক্রকর্মগুলো বিক্রি করা হচ্ছে ব্যবসার জন্য নয় বরং এর মাধ্যমে মঙ্গল শোভাযাত্রার তহবিল গঠন করা হবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, ‘গ্রামীণ ঐতিহ্যকে আরো বেশি চাঙ্গা করার জন্য আমাদের এই আয়োজন। আমরা আশা করছি পহেলা বৈশাখকে বরণ করতে রাজধানীজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে উৎসব। শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাঝে বর্ণিলরূপে ধরা দেবে এই মঙ্গল শোভাযাত্রা’। মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আমরা শান্তির প্রতিক হিসেবে গ্রামীণ জীবনের বর্ণিল উপকরণের সাথে মিল রেখে তৈরি করছি পাখি ও পাখির বাচ্চা, উজ্জল সূর্য, হাতি, বক ও মাছ, মহিষসহ আরোও কিছু প্রতিকী জিনিষ যা শান্তির বার্তা বহণ করে।বর্তমান সমাজের অস্থিরতাকে শান্তির দিকে নিয়ে যেতে যা মানুষ চাইলেই তা করতে পারে’। এমএইচ/ এমজে    

যাত্রার সুদিন ফেরাতে নতুন উদ্যোগ [ভিডিও]

যাত্রা বাংলার লোকনাট্যের উল্লেখযোগ্য শাখা, বাঙালী সংস্কৃতি আর বিনোদনের অন্যতম অনুসঙ্গ। আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন ও একশ্রেণীর মানুষের বিরোধীতার মুখে ক্রমেই হারিয়ে যেতে থাকে গ্রামীণ এই শিল্প। অপশক্তির কালো মেঘ সরিয়ে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পের পুণর্জাগরণে উদ্যোগ নিয়েছেন নীলফামারীর যাত্রাশিল্পীরা। গ্রামগঞ্জে পরিবারের সবাই মিলে রাতভর যাত্রা দেখার রেওয়াজ বেশ পুরনো। আশ্বিন-কার্তিক মাস থেকে শুরু করে চৈত্রের শেষ পর্যন্ত গ্রাম বাংলায় যাত্রা পরিবেশনের সময়। তবে আকাশ সংস্কৃতির আগ্রাসন আর অপশক্তির ছায়ায় ক্রমেই হারিয়ে যেতে বসেছে বাংলা সংস্কৃতির উল্লেখযোগ্য এই অনুসঙ্গ। সেই রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করে যাত্রার সুদিন ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন নীলফামারীর কয়েকজন শিল্পী। এই উদ্যোগে দর্শকের সাড়া অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে আয়োজকদের। নির্বিঘ্নে যাত্রা পরিবেশনে প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন মালিকরা। আর যাত্রা দলগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী। নীলফামারীর এই শিল্পীদের হাত ধরে ফিরবে যাত্রা শিল্পের সুদিন- এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।   ভিডিও:

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি