ঢাকা, বুধবার, ২০ জুন, ২০১৮ ১৯:২৪:৫০

লাইব্রেরি আছে, লাইব্রেরিয়ান নেই, দরকারও নেই

তসলিমা নাসরিন

লাইব্রেরি আছে, লাইব্রেরিয়ান নেই, দরকারও নেই

বর্তমানে ইউরোপ ভ্রমণে আছেন ভারতে অবস্থান করা আলোচিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সেখানে বিভিন্ন সময়ের বিশেষ বিশেষ মুহুর্তের ছবি ভক্তদের উদ্দেশ্যে শেয়ার করছেন ফেসবুকে। তবে এর মধ্যে একটি পোস্ট ভক্তদের দৃষ্টি কেড়েছে। সভ্য দেশের লাইব্রেরি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তিনি এ স্ট্যাটাস দেন। তসলিমা নাসরিন লেখেন, সিগটুনা নামের ছোট একটি শহর, সেই শহরে রাস্তার পাশে পুরনো এক টেলিফোন বুথ, যেটি এখন আর টেলিফোন বুথ নয়, যেটি এখন পাবলিক লাইব্রেরি। আমার দেখা সবচেয়ে ছোট পাবলিক লাইব্রেরি। লাইব্রেরিটির কোনও লাইব্রেরিয়ান নেই, দারোয়ান নেই। পাবলিক এখান থেকে নিজ দায়িত্বে বই নেবে, পড়বে, ফেরত দেবে। এভাবেই চলবে লাইব্রেরি। সভ্য দেশে এ রকম লাইব্রেরি অনেক আছে। পাঠকরা কোথায় বসবেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি লেখেন, পাশেই এক পার্ক রয়েছে। সেখানে বসে পাঠকরা বই পড়ে আবার ফেরত দিয়ে যাবে। এসএ/
বেগম রোকেয়া সম্মাননা পেলেন দীপংকর দীপক

সাহিত্যে নারী মুক্তির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরার স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বেগম রোকেয়া সম্মাননা অর্জন করেছেন সাহিত্যিক-সাংবাদিক দীপংকর দীপক। গত সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নুর হাত থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবি শাহীন রেজা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবু নাসের চৌধুরী, যুগ্ম-সচিব মফিদুল ইসলাম প্রমুখ। এ পর্যন্ত দীপংকর দীপকের ডজনখানেক বই প্রকাশিত হয়েছে। বইগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘নিষিদ্ধ যৌবন’ (২ খণ্ড), ‘বুনো কন্যা’, ‘নাস্তিকের অপমৃত্যু’, ‘ঈশ্বরের সঙ্গে লড়াই’, ‘কালচক্র’, ‘প্রহেলিকা’, ‘ছায়ামানব’ প্রভৃতি। তাঁর রচনায় ধর্মনিরপেক্ষতা, নারী স্বাধীনতা, প্রথাবিরোধী মনোভাব, শ্রেণিচেতনা ও সমাজ বাস্তবতা জীবন্ত উপাদান হয়ে পরিস্ফুটিত হয়েছে। পাশাপাশি প্রকৃতিবাদ, কর্মবাদ, সময়ের মূল্যবোধ, মানবমনের দুঃখবোধ, স্বদেশপ্রেম, মানবপ্রেম, মৃত্যুভাবনাসহ গবেষণামূলক নানা বিষয় উঠে এসেছে।

পালাগান: ড্রাগের চেয়েও বড় নেশা ফেসবুক

‘ড্রাগের অপরনাম মরণঘাতী নেশা। তবে ড্রাগের চেয়েও মরণঘাতী নেশা আছে, যা আমরা প্রতিনিয়ত গ্রহণ করছি। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষই নিজেদের অজান্তে তা সাদরে গ্রহণ করছি। আর সেই নেশার নাম ফেসবুক নেশা। ইয়াবা-হেরোইন-গাজার নেশায় কতিপয় তরুণ-তরুণীরা বুদ হয়ে থাকলেও ফেসবুকের নেশায় গোটা জাতি-ই বুদ হয়ে পড়ছে। বাদ যাচ্ছে না শিশুরাও। এতে একদিকে আমরা হারিয়ে ফেলছি চিন্তা শক্তি, অন্যদিকে শারীরিকভাবে হচ্ছি রোগাক্রান্ত। এমনকি অনেকেই ফেসবুকের ফাঁদে পড়ে হারাচ্ছেন সর্বস্ব। বিশেষ করে তরুণীদের ‘প্রাইভেসি’ বলতে কিছুই থাকছে না। এই সুযোগে এক শ্রেণীর ধান্দাবাজ-লাফাঙ্গা কোমলমতী মেয়েদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে তাদের বাধ্য করছে অনৈতিক যৌন সম্পর্কে জড়াতে।’ ‘ফেসবুক এবং ড্রাগ’ শিরোনামে কয়েক দিন পরই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায়, বিশেষ করে রেলস্টেশনগুলোতে পালাগানের মাধ্যমে ফেসবুকের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে পালাগান মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে। শুধু রাজধানী-ই নয়, বৃহত্তর ময়মনসিংহতেও মঞ্চস্থ হবে ফেসবুক এবং ড্রাগ। দেশে পালাগান জগতের পুনর্জাগরণের অগ্রদূত সাঈক সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি একুশে টেলিভিশনের কাছে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।  সাঈক সিদ্দিকী বলেন, ‘পালা গানের সূত্রপাত-ই হয়েছিল মানুষকে সচেতন করার জন্য। মানুষকে বিনোদন দেওয়ার পাশাপাশি তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই পালাগান আজও দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতে সুনাম অর্জন করে আসছে। বর্তমানে ফেসবুক একটি মহামারি হয়ে দেখা দিয়েছে। এতে আসক্ত হয়ে পড়েছে সব শ্রেণীর মানুষ, সব বয়সের মানুষ। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ফেসবুকের আসক্তি সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। এ ছাড়া একটা অপরিচিত মেয়ে কিংবা ছেলে ফেসবুকে হাজারটা অপরিচিত মানুষের সঙ্গে মেশার ফলে তাদের সময়ও প্রচুর পরিমাণে নষ্ট হচ্ছে। একদিকে অপরিচিত একজন মানুষের কাছে সবকিছু শেয়ার করার ফলে কোনো কিছুই আর গোপন থাকছে না। এতে মারাত্মক খেসারত দিতে হচ্ছে তরুণীদের। অনেক সময় আপত্তিকর ছবি নিয়ে তাদেরকে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করছে কিছু দুষ্কৃতিকারী। আবার অনেক সময় দেখা গেছে অনেক তরুণী-ই ফেসবুক প্রতারণার শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছেন।’ ফেসবুক আসক্তির বিষয়ে বাবা-মায়েদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে সাঈক সিদ্দিকী আরও জানায়, ‘এখন প্রায়ই বাবা-মাদের অভিযোগ করেন, ‘সন্তানেরা খেলাধূলা-পড়াশুনার পরিবর্তে সারাক্ষণ দরজা বন্ধ করে ফেসবুক চালায়। যেখানে যায়, সেখানেই ফেসবুক। অবস্থাদৃষ্টে এমন মনে হচ্ছে যে, শরীরের সঙ্গে আরেকটি অঙ্গ সে বয়ে বেড়াচ্ছে, আর তা হলো ফেসবুক। এমনটা হওয়ার কারণ, কেউ যখন ফেসবুকে কিছু পোস্ট করে, তারপর থেকে তার শুরু হয় মানষিক তাড়া। কে কতটা লাইক দিলো, কে কোন কমেন্ট করলো, কে কে শেয়ার করলো? এসব নিয়েই সে ভাবতে থাকে। এতে দিনের কোনো একটা সময় কেউ ফেসবুকে কিছু পোস্ট করলেও, সারাদিনই তার সঙ্গে থাকে ফেসবুক চিন্তা। এতে তার পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটে, কর্মস্থলে ব্যঘাত ঘটে। চিন্তার জগৎটা সংকুচিত হয়ে যায়। এতে সে বড় কিছু ভাবতে পারে না। আর ভাবনার জগৎটা সীমাবদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তার মেধাশক্তি ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হয়ে যায়।’ ‘ড্রাগের এবং ফেসবুক’ পালায় বিষয়গুলো সুন্দরভাবে তুলে আনার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও জানান সিদ্দিকী। উল্লেখ্য, সাঈক সিদ্দিকী কিশোরগঞ্জের জেলার একজন কৃতী সন্তান। তিনি পালাগান বিষয়ে দেশ ও বিদেশে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। শুধু তাই নয়, নিজেই কখনো কখনো করেন অভিনয়। তার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছেন স্পেন, ভারতসহ দেশ ও বিদেশের হাজার হাজার মানুষ। সম্প্রতি ভারতের নদীয়ায় পালাগানের প্রশিক্ষণ দিয়ে এসেছেন সাঈক সিদ্দিকী। এ ছাড়া পুণেতে নিজেই অভিনয় করেছেন একটি পালা নাটকে।  ভারতের নদীয়ায় রুমিও এন্ড জুলিয়েটের ছায়া অবলম্বনে রচিত ভানুসুন্দরীর পালা মঞ্চায়িত করেছেন তিনি। চ্যাটার্জী ও গাঙ্গুলি পরিবারের ভানুমতি ও চন্দ্রকুমারের প্রেম-বিয়োগ সবই সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। এতেই ভারতের মাটিতে প্রথমবারের মতো পালাগানের পথচলা শুরু করে দিয়েছেন তিনি। ওই নাটকে ভারতেরই বেশ কয়েকজন শিল্পী অভিনয় করেছেন বলেও জানান তিনি। এমজে/

‘অপশক্তির উত্থানরোধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরতে হবে’

বাঙালি সংস্কৃতি চর্চায় মুক্তিযুদ্ধের ভূমিকা থাকবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে, ইতিহাস বিকৃতি, বৈদেশিক সাংস্কৃতিক আগ্রাসন,মৌলবাদ, মাদক-সন্ত্রাসের উত্থানের কারণে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সঠিক ইতিহাস থেকে নতুন প্রজন্ম ক্রমশ দূরে চলে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।  মঙ্গলবার, বিকেল ৫টায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে মুনতাসির মিডিয়া এবং দৈনিক গণমুক্তির উদ্যেগে ‘সংস্কৃতি চর্চায় মুক্তিযুদ্বের চেতনা’ শীর্ষক আলোচনা, মুক্তিযোদ্বা ও সংস্কৃতিকর্মীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।   তিনি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। ভুলে গেলে চলবে না যুদ্ধে শহীদদের অবদানের কথা। নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরতে হবে আগে। নচেৎ শুদ্ধ সংস্কৃতির স্বাদ থেকে বঞ্চিত হবে আগামি প্রজন্ম। যেকোনো অপশক্তির উত্থান রোধকল্পে মাদক সন্ত্রাস আর জামায়াত- জঙ্গিদের পরিহার করতে হবে। এদের কুপ্রভাব থেকে দেশ ও দেশের স্বাধীনতার গৌরবময় ঐতিহ্যকে সমুন্নত রাখতে সকলকে ঐক্য বদ্ধ থাকতে হবে। আমাদের সরকার মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্বার্থ রক্ষার ব্যাপারে অনেক আন্তরিক।’     অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি এবিএম আবদুস সামাদ এবং মুক্তিযুদ্বে একমাএ নারী মুক্তিযোদ্বা কমান্ডার আশালতা বৈদ্যসহ ১৪জন মুক্তিযোদ্বা ও সাংস্কৃতিককর্মীকে সম্মাননা দেওয়া হয়। দৈনিক গণমুক্তির নির্বাহী সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শাহিন সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম, দৈনিক রাঙামাটির প্রকাশক মো. জাহাঙ্গীর কামাল, পেটেলকো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মাসুদ খান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, মহান মুক্তিযুদ্বে আবুল হোসেন বাহিনীর প্রধান প্রকৌশলী আবুল হোসেন, ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলন’ শীর্ষক গবেষণা গ্রন্থের  লেখিকা সাহিদা বেগম,সুন্দরবন সাবসেক্টের ও স্মরণখোল থানার কমান্ডিং অফিসার মজিবুল হক মজনু, যুদ্বকালীন সময় ভারতের হাসনাবাদে গঠিত আমলানি ক্যাম্পের পলিটিক্যাল মটিভেটর মো.এমমাদুল হক খান, রাঙামাটি জেলা মুক্তিযোদ্বা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মনিরুজ্জামান মনির, নারী মুক্তিযোদ্বা রেখা গুণ।  সংস্কৃতিকর্মী হিসেবে সম্মাননা পান চিএনায়ক জায়েদ খান, মঞ্চ ও টিভি অভিনেএী নাজিয়া ফারহা, আবিদা রহমান সেতু, রিদওয়ানা আফরিন সুমি, সংগঠক ওমর মির্জা এবং বিতর্ক শিল্পী ও সংগঠক মোস্তাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭তম জন্মবার্ষিক উপলক্ষে সমর বড়ুয়ার পরিচালনায় শিশু শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করে। কেআই/

রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়িতে চলছে তিন দিনব্যাপী উৎসব [ভিডিও]

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে চলছে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠান। এছাড়া, বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসর কাচারি বাড়িতেও হচ্ছে নানা অনুষ্ঠান। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সারাদেশে নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে কাচারি বাড়িতে জাতীয়ভাবে উদযাপন করা হচ্ছে রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী। এখানে দু’দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে রয়েছে মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ’ উপলক্ষে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয় কুষ্টিয়ায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত টেগর লজে। পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিশ্বকবিকে স্মরণ করা হয়। শিলাইদহে আয়োজন করা হয়েছে তিনদিনের অনুষ্ঠান। বিশ্বকবির স্মৃতিবিজড়িত নওগাঁর পতিসরে ছিলো মা সমাবেশ, আলোচনা অনুষ্ঠান ও সংগীত শিল্পীদের পরিবেশনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যবহৃত সামগ্রী নিয়ে পতিসরের কাচারি বাড়িতে রবীন্দ্র জাদুঘরেও আয়োজন করা হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের। ভিডিও:

ভাওয়াইয়ার রাজপুত্র উপাধিতে ভূষিত হচ্ছেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী

ভাওয়াইয়া সম্রাটপুত্র  সংগীতশিল্পী,  সুরকার,  গবেষক ও লেখক মুস্তাফা জামান আব্বাসীকে  ‘ভাওয়াইয়ার রাজপুত্র’  উপাধি দেওয়া  হচ্ছে। আগামীকাল রোববার ভাওয়াইয়ার বিশেষায়িত সংগঠন ভাওয়াইয়া অঙ্গনের  উদ্যোগ ও চ্যানেল আইয়ের সহযোগিতায় এই উপাধি প্রদানের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। চ্যানেল আই স্টুডিওতে এটি অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর  এমপি। আরো উপস্থিত থাকবেন শামসুজ্জামান খান,  আসমা আব্বাসী,  ইন্দ্র মোহন রাজবংশী,  সুজিত মোস্তফা,  ড. নাশিদ কামাল,  কীরণ চন্দ্র রায়,  আবু বকর সিদ্দিক,  দীপ্তি রাজবংশী,  আনিসুল হক,  মিন্টু রহমান,  ভাওয়াইয়া অঙ্গনের সভাপতি  সালমা মোস্তাফিজ প্রমূখ। অনুষ্ঠানে একক গান গাইবেন মুস্তাফা জামান আব্বাসী,  ড. নাশিদ কামাল,  রণজিৎ কুমার রায়,  মনিফা মোস্তাফিজ ,  সাজু আহমেদ প্রমুখ।    কেআই/  

নিজ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে অপসংস্কৃতিকে রুখতে হবে

বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা করতে হলে বর্তমান সংস্কৃতিকে বড় ধরনের পরির্বতন করা দরকার বলে মন্তব্য করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, বিশিষ্ট সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তক আবুল কাসেম ফজলুল হক। তিনি বলেন, নিজ নিজ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে অপসংস্কৃতিকে রুখতে হবে। আজ শনিবার রাজধানী জাতীয় জাদুঘরে কবি সুফিয়া কামাল হলে ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমরা  যতদিন ইউরোপ-আমেরিকার সংস্কৃতি থেকে বের এসে নিজ সংস্কৃতি চর্চা করতে না পারি  তাহলে আমাদের সভ্যতা বা সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে যাবে। এজন্য আমাদের সংস্কৃতি বিশ্বের বুকে পরিচিত বা সংস্কৃতির জগতকে আলোকিত করতে হবে। বিশিষ্ট এই অধ্যাপক আরও বলেন, আমাদের দেশের সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিগুলো কোন না কোনভাবে এনজিও নির্ভর। যে কারণে তারা স্বাধীনভাবে দেশীয় সংস্কৃতি চর্চা করতে পারে না। এর মূল কারণ হলো এনজিওগুলো বৈদেশিক অর্থ নিয়ে পরিচালিত হয়। তিনি বলেন, নিজ দেশের সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে স্বাধীন সংস্কৃতি চর্চায় সবাইকে সচেতন করতে হবে। আমাদের দেশের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধি করতে হলে সকল দেশের সংস্কৃতির ভালো দিকগুলো নিতে হবে। সেই সাথে খারাপ দিকগুলোও বর্জন করতে হবে। জাগরণী শান্তিসঙ্ঘের আহ্বায়ক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক সোহরাব হাসান, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মোস্তফা ফিরোজ প্রমুখ। টিআর/টিকে

সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি কেন্দ্র স্থাপিত হবে কুড়িগ্রামে

প্রয়াত কবি-সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক স্বরণে কুড়িগ্রামে ‘সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি কেন্দ্র’ স্থাপিত হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই কেন্দ্র স্থাপিত হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইতোমধ্যে কেন্দ্র স্থাপনের নকশা প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে। নকশা প্রণয়ন করেছেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইন। খুব শিগগির কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হবে। স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ব্যাক্তিবর্গ জানান, কুড়িগ্রামে কবিকে যে স্থানে সমাহিত করা হয়েছে, সেই স্থানেই স্মৃতি কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। কুড়িগ্রাম কলেজ প্রাঙ্গণে কবিকে সমাহিত করা হয়। সেখানে বর্তমানে কবির সমাধিতে বাঁশের বেড়া ও উপরে টিনের ছাউনি দিয়ে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর গণমাধ্যমকে জানান , সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, নাটকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের এক শীর্ষ ব্যাক্তিত্ব। তার স্বরণে সরকারের উদ্যোগে তার জন্মভূমি, যেখানে তাকে সমাহিত করা হয়েছে, সেই কুড়িগ্রামের জলেস্বরীতে তার সমাধি প্রাঙ্গণে স্মৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বেশ কয়েক মাস আগে। শিগগির স্মৃতি কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু হবে। নির্মাণ বিষয়ে নকশা প্রণয়নকারী স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, সম্প্রতি আমরা কয়েকজন কবির সমাধি প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছি। এ দলটিতে আরও ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, কবির সহধর্মিনী কথাশিল্পী আনোয়ারা সৈয়দ হক, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী । সবার মতামতের ভিত্তিতে স্থান নির্ধারণ করা হয়। কুড়িগ্রাম কলেজে প্রাঙ্গণে কবির সমাধিতেই এই কেন্দ্র হচ্ছে। স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণের জন্য এক একর জায়গা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এলাকাবাসীর দাবি অনুযায়ি আমি কেন্দ্রের নকশা প্রণয়ন করেছি। স্মৃতি কেন্দ্রে থাকবে একটি চারতলা ভবন। একটি উন্মুক্ত মঞ্চ হবে। থাকবে একটি পাঠগার। এতে সৈয়দ হকের প্রকাশিত সব বই থাকবে। থাকবে তার ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রি। ভবনের সামনে থাকবে একটি শোভিত বাগান। ভবনে একটি থাকবে মিলনায়তন। সেমিনার কক্ষ। কবিকে নিয়ে একটি গবেষণা সেলও থাকবে। কবির সহধর্মিনী কথাশিল্পী আনোয়ারা সৈয়দ হক গণমাধ্যমকে জানান, সৈয়দ হকের স্মৃতি স্বরণে রাখার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্মৃতি কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, কয়দিন আগে সৈয়দ হকের বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেছেন, কেন্দ্র নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু হবে। এতে আমরা মনে করছি, কাজ শুরু হয়ে যাবে। আর এর মাধ্যমে এই কীর্তিমান মানুষটিকে ভবিষ্যত প্রজন্ম জানার সুযোগ পাবেন। বাসস এমএইচ/টিকে

সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি কেন্দ্র হবে কুড়িগ্রামে

প্রয়াত কবি-সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক স্বরণে কুড়িগ্রামে ‘সৈয়দ শামসুল হক স্মৃতি কেন্দ্র’ স্থাপিত হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই কেন্দ্র স্থাপিত হবে। ইতিমধ্যে কেন্দ্র স্থাপনের নকশা প্রণয়ন সম্পন্ন হয়েছে। নকশা প্রণয়ন করেছেন দেশের বিশিষ্ট স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইন। খুব শিগগির কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ব্যাক্তিরা জানান, কুড়িগ্রামে কবিকে যে স্থানে সমাহিত করা হয়েছে, সেই স্থানেই স্মৃতি কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। কুড়িগ্রাম কলেজ প্রাঙ্গণে কবিকে সমাহিত করা হয়। সেখানে বর্তমানে কবির সমাধিতে বাঁশের বেড়া ও উপরে টিনের ছাউনি দিয়ে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর জানান , সৈয়দ শামসুল হক বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র, নাটকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের এক শীর্ষ ব্যাক্তিত্ব। তার স্বরণে সরকারের উদ্যোগে তার জন্মভূমি, যেখানে তাকে সমাহিত করা হয়েছে, সেই কুড়িগ্রামের জলেস্বরীতে তার সমাধি প্রাঙ্গণে স্মৃতি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বেশ কয়েক মাস আগে। শিগগির স্মৃতি কেন্দ্র নির্মাণ কাজ শুরু হবে। নির্মাণ বিষয়ে নকশা প্রণয়নকারী স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইন বলেন, সম্প্রতি আমরা কয়েকজন কবির সমাধি প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেছি। এ দলটিতে আরো ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, কবির সহধর্মিনী কথাশিল্পী আনোয়ারা সৈয়দ হক, শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী । সবার মতামতের ভিত্তিতে স্থান নির্ধারণ করা হয়। কুড়িগ্রাম কলেজে প্রাঙ্গণে কবির সমাধিতেই এই কেন্দ্র হচ্ছে। স্মৃতিকেন্দ্র নির্মাণের জন্য এক একর জায়গা নেওয়া হয়েছে। হুসাইন জানান, এলাকাবাসীর দাবি অনুযায়ি আমি কেন্দ্রের নকশা প্রণয়ন করেছি। স্মৃতি কেন্দ্রে থাকবে একটি চারতলা ভবন। একটি উন্মুক্ত মঞ্চ হবে। থাকবে একটি পাঠগার। এতে সৈয়দ হকের প্রকাশিত সব বই থাকবে। থাকবে তার ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রি। ভবনের সামনে থাকবে একটি শোভিত বাগান। ভবনে একটি থাকবে মিলনায়তন। সেমিনার কক্ষ। কবিকে নিয়ে একটি গবেষণা সেলও থাকবে। কবির সহধর্মিনী কথাশিল্পী আনোয়ারা সৈয়দ হক জানান, সৈয়দ হকের স্মৃতি স্বরণে রাখার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্মৃতি কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, কয়দিন আগে সৈয়দ হকের বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেছেন, কেন্দ্র নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু হবে। এতে আমরা মনে করছি, কাজ শুরু হয়ে যাবে। এবং এই কীর্তিমান মানুষটিকে ভবিষ্যত প্রজন্ম জানার সুযোগ পাবেন। বাসস   আর

‘ভাষায় ভুল ব্যবহার মাতৃভাষাকে হত্যার শামিল’

ভাষায় ভ্রান্ত ব্যবহার নিজ মাতৃভাষাকে হত্যার শামিল, আর ভাষার মধ্যে ইংরেজির ব্যবহার হীনম্মন্যতার পরিচায়ক বলে মন্তব্য করেছেন প্রখ্যাত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী। তাই মাটি থেকে, মায়ের কাছ থেকে যে ভাষা আমরা শিখেছি, সেই মাতৃভাষার প্রতি আরও দরদী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শনিবার সন্ধ্যায় কাকরাইলের কোয়ান্টাম মেডিটেশন হলে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত বাংলা বাচন পরিশীলন কর্মশালা সম্পন্নকারীদের সনদ বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ভাষা হচ্ছে নিজেকে প্রকাশের মাধ্যম। আমাদের মাটি থেকে, মায়ের কাছ থেকে যে ভাষা আমরা শিখেছি, সেই মাতৃভাষার প্রতি আরও দরদী হতে হবে। শুদ্ধভাবে ভাষাকে রপ্ত করতে হবে। আর এজন্যে পারিবারিক এবং বাহ্যিক পরিবেশের সর্বত্রই নিয়মিত বাচন চর্চার প্রয়োজন।’ সত্যিকারের বাঙালি বা বাংলাভাষী মানুষ হতে হলে বাংলাকে চর্চা করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভাষাকে অনুশীলন করতে হবে। আমরা যেকোনো ধর্মের হতে পারি, বর্ণের হতে পারি বা যেকোনো দলের হতে পারি কিন্তু আমরা যখন ভাষা বিনিময় করি তখন সেই মাধ্যম কিন্তু বাংলা। তাই বাংলা ভাষাকে চর্চা করতে হবে। আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে শুদ্ধ বাংলা শেখাতে হবে’। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পরিচালক সমন্বয় মিসেস সুরাইয়া রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ মাহমুদুজ্জামান ও নাট্য ও বাচন প্রশিক্ষক মো. গোলাম সারোয়ার। অনুষ্ঠানে বাচন কোর্স সম্পন্নকারী দুই শতাধিক ব্যক্তিকে সনদ বিতরণ করা হয়। বাচন কোর্স সম্পন্নকারী উম্মে সালমা মৌসুমী কোর্স সম্পর্কে তার অনুভূতি বর্ণনা করেন। উল্লেখ্য, ২০০৩ সাল থেকে শুরু করে এপ্রিল ২০১৮ পর্যন্ত কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের বাংলা বাচন পরিশীলন কর্মশালার ৪৭টি আবর্তনে প্রায় ২০০০ জন অংশগ্রহণকারী কর্মশালাটি সম্পন্ন করেছেন। এমজে/  

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-কর্ম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে নৃত্যের ঝংকারে শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছে শিল্পীরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বেশ কয়েকটি গান পরিবেশন করা হয়। গানের সঙ্গে ছিল বেশ কয়েকটি নৃত্য। গান আর নৃত্যের তালের সঙ্গে উঠে আসে মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ এবং বঙ্গবন্ধুর  সংগ্রামের জীবন চিত্র। অনুষ্ঠানের শুরুতে একাডেমির পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান অনুষ্ঠান পরিচালক। প্রথমেই লিয়াকত আলী লাকীর লেখা গান ‘রূপসী বাংলা, জননী বাংলা, আজ কেঁদে কেঁদে কয়, তোমার মুজিব কোথায়’ গানের সঙ্গে শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা নৃত্য পরিবেশন করে। শিল্পী এম এ মোমেনের একক গান ‘মুজিব বাইয়া যাও রে, শিল্পী সুচিত্র রানী সূত্রধর ‘সেই রেল লাইনের ধারে, কবি নির্মলেন্দু গুণের লেখা কবিতা ‘মুজিব মানে আর কিছু না’ গানটির সাথে সমবেত নাচ পরিবেশন করেন শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে একক গান পরিবেশন করেন রাফি তালুকদার। দ্বৈত গান পরিবেশন করেন সোহানা রহমান ও আনাবিদা আলী। ঢাকা সাংস্কৃতিক দল সমেবত গান ‘সাড়ে সাত কোটি মানুষের আর একটি নাম, মুজিবর, মুজিবর, মুজিবর’ পরিবেশন করে। অনুষ্ঠানে দীপা খন্দকারের পরিচালনায় ‘বঙ্গবন্ধু জাতির জনক, এ জাতির মহাবীর’ গানের সাথে ইতিহাসমূলক নৃত্য পরিবেশিত হয়। কেআই/টিকে

সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে বৈশাখী কবিতা উৎসব

বিশ্ব কবিমঞ্চ আয়োজিত ও ফাতিমা ফাউন্ডেশন’র সহযোগিতায় বৈশাখী কবিতা উৎসব-১৪২৫ উপলক্ষে কবিতা পাঠ, আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে (পরিবাগ, ঢাকা) এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ব কবিমঞ্চ’র আহবায়ক পুলক কান্তি ধর-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কবি ও দার্শনিক সৈয়দ আজিজ। মুখ্য আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন কবি সমরেশ দেবনাথ। সম্মানিত অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সংগীত শিল্পী ও শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রেন্টিস রায় (ক্যানাডা), কবি ও সংগঠক সাতকর্ণী ঘোষ (ভারত), কবি দীলিপ বসু (ভারত)। শিল্পী মাহমুদার সঞ্চলনায় আবৃত্তি করেন কবি স্বরুপ মন্ডল (ভারত), মুনসুর রহমান (বাংলাদেশ), কবি সৈকত নায়েক (ভারত), তাপস কর্মকর (বাংলাদেশ), সিক্ত রানী সাহা (বাংলাদেশ), শিমুল পারভীন পারভেজ (বাংলাদেশ), কল্যাণী দেব চৌধুরী লিপি (বাংলাদেশ), মীর লিয়াকত (বাংলাদেশ)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কবি গোলাম কিবরিয়া, জাকির হোসেন, সরদার ফাতিমা জহুরা ময়না । উল্লেখ্য, কবিতায় বিশেষ অবদানের জন্য ৪জন অতিথিকে সম্মাননা দেওয়া হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।   আর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি