ঢাকা, সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭ ৮:১৩:০৫

ফোল্ডিং ডিসপ্লে মুঠোফোন বাজারে আনলো জেটটিই

ফোল্ডিং ডিসপ্লে মুঠোফোন বাজারে আনলো জেটটিই

কখনো ভেবেছেন মোবাইলের ডিসপ্লে ভাঁজ করে রাখতে পারবেন? যদি ভেবে না থাকেন তাহলে আর ভাবারও দরকার নেই। অচিরেই হাতে নিয়ে দেখতে পারবেন এই মুঠোফোন। বিখ্যাত চাইনিজ মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জেটটিই বাজারে ছেড়েছে ডিসপ্লে ভাঁজ করা এই নতুন ডিভাইস। মুঠোফোনটির ডিসপ্লে ভাঁজ করে রেখে দেয়া যাবে আবার ভাঁজ খুলেও ব্যবহার করা হবে। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, এই ডিভাইসটির নাম রাখা হয়েছে এক্সন এম।  ৫.২ ইঞ্চি আকারের এই পর্দা ভাজ করে নিলে একটি সাধারণ মুঠোফোনের মতই আকার নেবে। মুঠোফোনটিতে রয়েছে নতুন ৩টি ফিচার। ডুয়াল মূড চালু থাকলে পর্দা বা ডিসপ্লের ভাঁজ খুলে ব্যবহার করলে প্রতিটি পর্দায় আলাদা আলাদা করে কাজ করা যাবে একই সাথে। একটি পর্দায় একটি এপস চালু করলে অন্য পাশের পর্দায় ব্যবহার করা যাবে অন্য আরেকটি এপস। সম্প্রারিত মুড চালু করে দুই পাশের পর্দা মিলে একটি বড় সাইজের পর্দার আকার ধারণ করবে। অর্থ্যাত দুইটি স্ক্রিন মিলে হয়ে যাবে একটি স্ক্রিন। মুঠোফোনে যারা গেমস খেলেন তাদের জন্য খুবই আকর্ষণীয় হবে এই ফিচারটি। আর একটি মুঠোফোনের ডিসপ্লে অনেকের সাথে ভাগাভাগি করে দেখার জন্য এতে রয়েছে ‘মিরর মুড’। এর ফলে মুঠোফোনের মালিকসহ আরও কয়েকজন বিভিন্ন কোণ থেকে ডিসপ্লে দেখার সুযোগ পাবেন। যেমন অনেক লোক একসাথে একটি সিনেমা দেখতে চাইলে এই মিরর মুড চালু করলেই হবে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লিক্সিন চেং গণমাধ্যমকে বলেন, “মুঠোফোনের ভাঁজ করা পর্দার প্রযুক্তিতে সবথেকে ভিন্ন এবং সফল এক্সন মডেলের এই ডিভাসটি। এই ডিভাইসটি অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য পথ নির্দেশক হিসেবে কাজ করবে”। চেং এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাগুলো জানায়, বর্তমানে মুঠোফোনটি শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে উন্মুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে চায়না, জাপান এবং ইউরোপের বাজারেও বাজারজাত করা হবে ডিভাইসটি। আগামী নভেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এটিএন্ডটি নেটওয়ার্ক ব্যবহারীরা ২৪.১৭ ডলার দিয়ে কিনতে পারবে এই মুঠোফোনটি। সূত্রঃ জি নিউজ //এস এইচ// এআর
মেরামতের কারণে সোমবার থেকে ইন্টারনেটের গতি কমবে

মেরামত কাজের জন্য রোববার মধ্যরাত থেকে তিন দিনের জন্য বন্ধ থাকবে দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৪)।  এ সময় ব্যান্ডউইটথের ঘাটতির কারণে ইন্টারনেটে ধীর গতি হতে পারে। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৪সম্প্রতি  মেরামতকালীন চালু হওয়া দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৫) ও ভারত থেকে আমদানি করা ব্যান্ডউইটথ দিয়ে ইন্টারনেট ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএসসিসিএলের কর্মকর্তারা। বিএসসিসিএল এখন পর্যন্ত দু’বার প্রথম সাবমেরিন কেবলের মেরামত কাজের তারিখ পিছিয়েছে। এর আগে প্রথম ২২ সেপ্টেম্বর থেকে মেরামত শুরু করার কথা থাকলেও পরে আরেক দফা তারিখ পরিবর্তন করা হয়। এই কেবলের ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারে অবস্থিত। ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে ১১৫ কিলোমিটার দূরে একটি রিপিটার প্রতিস্থাপনের জন্য এ মেরামত কাজ চলবে বলে জানা গেছে।

মুঠোফোনে কল নিয়ন্ত্রণের উপায়

অতিরিক্ত কল বিরক্তির কারণ হতে পারে । অন্যদিকে কল ডাইভার্ট ও কল ওয়েটিং না থাকলে অসুবিধায় পড়তে হয়। কিছু মোবাইল সেবা বন্ধ বা চালু করার মাধ্যমে আপনি এ সমস্যাগুলো সহজেই দূর করতে পারেন । ইনকামিং কল, আউট গোয়িং কল, কল ডাইভার্ট এবং কল ওয়েটিং সেবা নিয়ে কিছু সহজ টিপস । ইনকামিং কল মোবাইলে সব ইনকামিং কল বন্ধ রাখতে গ্রামীণফোন গ্রাহকরা *৩৫*০০০০# ডায়াল করুন। ইনকামিং কল আবার চালু করার জন্য #৩৫*০০০০# প্রেস করতে হবে। আউটগোয়িং কল সব ধরনের আউটগোয়িং কল বন্ধ রাখতে *৩৩*০০০০# ডায়াল করুন। আবার চালু করতে #৩৩*০০০০# ডায়াল করুন। কল ডাইভার্ট কোনো কারণে আপনার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ করে নতুন নম্বর চালু করতে চাচ্ছেন। কেউ যদি বন্ধ নম্বরে ফোন দেয়, তাহলে তো আপনাকে পাবে না। যদি চান সবাই বন্ধ নম্বরে ফোন দিলেই কলটি ফরওয়ার্ড হয়ে আপনার নতুন নম্বরে আসুক, তাহলে কল ডাইভার্ট চালু করতে হবে। এ সুবিধা চালু করতে হলে যে নম্বরটি বন্ধ করতে চাচ্ছেন, তা ওপেন করে ডায়াল প্যাডে *২১* লিখুন। এরপর নতুন নম্বরটি টাইপ করার পর হ্যাশ (#) লিখে ডায়াল চাপুন। এর পর থেকে বন্ধ নম্বরে যত কল হবে সব ডাইভার্ট হয়ে নতুন নম্বরে আসবে। কল ডাইভার্ট বাতিল করার জন্য #২১# ডায়াল করতে হবে। কল ওয়েটিং দীর্ঘ সময় নিয়ে কথা বলছেন, এমন সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে দরকারি ফোন আসছে। কল ওয়েটিং সুবিধা চালু না থাকলে বাকি ফোনগুলো ওই সময় আসবে না। যদি কথা বলা অবস্থায় কেউ ফোন দিলে সেই কলটিও পেতে চান, তাহলে ‘কল ওয়েটিং’ চালু করুন। এর জন্য *৪৩# ডায়াল করতে হবে। আর এ সুবিধা বন্ধ করতে *৪৩# ডায়াল করতে হবে। গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি সংযোগে শর্টকাট কোড ব্যবহার করে এসব সুবিধা পাওয়া যাবে। কল ডাইভার্টের ক্ষেত্রে বন্ধ সংযোগ থেকে নতুন সংযোগে কল ট্রান্সফার হওয়ার কারণে স্বাভাবিক কলচার্জ কেটে নেওয়া হবে। সূত্র : টেকওয়ার্ল্ড //এআর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে যা শেয়ার করা উচিত নয়

আমরা দৈনন্দিন জীবনের অনেক তথ্যই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করি। কিন্তু পরিবার এবং বন্ধুদের এসব তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া দরকার। অনেক বিষয় আছে যা অনলাইনে শেয়ার করা একদমই উচিৎ না। নিচে এমন দশটি বিষয় তুলে ধরা হলো- ১. পুরো জন্মতারিখ আপনি হয়তো চান যে আপনার জন্মদিনে আপনার ফেসবুক বন্ধুরা আপনার টাইমলাইনে জন্মদিনের শুভেচ্ছা বার্তা লিখুক। তবে এটা কিছুটা বিপজ্জনক। আপনার জন্ম তারিখটি আপনার প্রোফাইলে পোস্ট করা থাকলে যে কেউ আপনার পরিচয় চুরি করে নিতে পারে। আপনার জন্মতারিখ ব্যবহার করে ভূয়া আইডি খুলে আপনাকে হয়রানি করতে পারে।   ২. বর্তমান অবস্থান ফেসবুক স্ট্যাটাস কিংবা টুইটার বার্তায় নিজের বর্তমান অবস্থান উল্লেখ করা ঠিক না। অনেক সময় নিজের অবস্থান অন্যকে জানিয়ে বিপদে পড়তে পারেন। এটি সম্ভাব্য চোরকে বলে যে আপনি হয়তো বাড়িতে নেই। এছাড়া দুস্কৃতিকারীদের নিজের অবস্থান জানিয়ে বড় ধরনের বিপদের সম্মুখিন হতে পারেন। ৩. নাম উল্লেখ করে নিজের ও বন্ধুর সন্তানের ছবি নিজের ও বন্ধুদের সন্তানের ছবি নাম উল্লেখ করে পোস্ট করা অনেক সময় বিপদের কারণ হতে পারে। আপনার শত্রুরা আপনার শিশুর ক্ষতি সাধন করতে পারে তাই এ বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। ৪. বাড়ির ঠিকানা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে নিজের বাড়ির ঠিকানা শেয়ার করবেন না। অপরাধী আপনার ঠিকানা পেয়ে গেলে তা আপনার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। ৫. প্রকৃত ফোন নাম্বার বাড়ির ঠিকানার মতো আপনার প্রকৃত ফোন নাম্বারও শেয়ার করা ঠিক না। ফোন নাম্বার ট্র্যাকিং করে দুষ্কৃতিকারীরা আপনার অবস্থান জেনে ফেলতে পারবে। ৬. রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস দেয়া উচিৎ না। রহস্যময়ী হওয়ার জন্য  "It`s Complicated" দিয়ে রাখতে পারেন। ৭. জিয়োট্যাগের ছবি জিয়োট্যাগের মাধ্যমে ছবি আপলোড করা উচিৎ না। ছবি আপলোড দেয়ার আগে দেখে নিন আপনার ফোনের লোকেশন অপশনটা চালু কিনা। চালু থাকলে বন্ধ করে নিবেন। ৮. ছুটির পরিকল্পনা ছুটির দিনে কোথায় ‍যাবেন, কি করবেন তা সামাজিক মাধ্যমের শেয়ার করা প্রয়োজন নেই। ৯. আপনি আপনার ঊর্ধ্বতন বা পরিবারের বিষয়ে বিব্রতকর জিনিস কোনো কিছু পোস্ট করার আগে ভেবে নিন যা পোস্ট করছেন তা আপনার পরিবার ও আপনার ঊর্ধ্বতনদের কাছে বিব্রতকর হবে কিনা। বিব্রতকর হলে পোস্ট করা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। ১০. আপনার বর্তমান কাজের বা কাজের সাথে সম্পর্কিত প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য নিজের কাজ সম্পর্কিত বিষয়গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা উচিৎ না। এতে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বি বা অন্য প্রতিষ্ঠানের লোকজন আপনার প্রতিষ্ঠানের তথ্য জেনে যাচ্ছে। ফলে আপনার ও আপনার প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্ষুন্ন হচ্ছে।  সূত্র: লাইফওয়ার। এমআর/ডব্লিউএন  

এক এনআইডিতে ৫টি নয়, ২০টি সিম

একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে মোবাইল ফোনের সর্বোচ্চ পাঁচটি সিমের পরিবর্তে ২০টি সিম নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে পূর্বের ৫টির পরিবর্তে এখন থেকে ২০টি সিম নিবন্ধন করতে পারবেন গ্রাহকরা। তবে এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের উপস্থিতিতে বৈঠকে টেলিযোগাযোগ খাতের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক শেষে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা বলেন, ‘একজন গ্রাহক একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে সর্বোচ্চ ২০টি সিম রাখতে পারবেন বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

১০ সেকেন্ডে ম্যালেরিয়া সনাক্ত!

কলকাতার একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ দাবি করেছে যে, তারা এমন একটি স্মার্টফোন-অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করেছে যা মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে রক্তে ম্যালেরিয়ার উপস্থিতি আছে কিনা তা সনাক্ত করতে পারবে। এটি প্রচলিত প্যাথলজি পরীক্ষার তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী বলেও তারা জানায়। শিবিপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (IIEST) এর সহায়তায় সল্টলেকের ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট ((IIEMS) এই ডিভাইসটি ডেভেলপ করেছে। তারা ডিভাইসটির নাম দিয়েছে ‘কল্পিত জীব’। আইআইইএমএস-এর অধ্যাপক নিলাঞ্জনা দত্ত রায় বলেন, ”মোবাইল দ্বারা রক্তের ফোটার ছবি তোলা হয় এবং সেই স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে আপলোড করা হয়। তারপর এটি দূরবর্তী আরেক জায়গার পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। সেখান থেকে সঠিকভাবে পরীক্ষা করে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে সঠিক রিপোর্ট হয়ে ফিরে আসে।” পরীক্ষার যাবতীয় তথ্য নির্দিষ্ট ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে। ডাটাবেজের এসব তথ্য নিবন্ধিত যেকোনো ডাক্তার এসব তথ্য দেখতে পারবে। ফোল্ডস্কোপসহ সনাক্তকরণের কিটটির উৎপাদন খরচ ৮০ রুপি। একবার রক্ত পরীক্ষার জন্য ১০ রুপি খরচ হয়। সূত্র : জি নিউজ এমআর/ডব্লিউএন

হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে শিশুদের স্মার্টওয়াচ

শিশুদের জন্য বাজারে যেসব ‘স্মার্টওয়াচ’ রয়েছে সেগুলো হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে আছে বলে জানিয়েছে নরওয়ের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন, এসব স্মার্টওয়াচ পরীক্ষা করে দেখা গেছে এগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নানা ত্রুটি রয়েছে। প্রসঙ্গত, বাজারে এখন শিশুদের জন্য যেসব স্মার্টওয়াচ পাওয়া যায়, এগুলো মূলত স্মার্টফোনের মতই কাজ করে। নরওয়েজিয়ান কনজুমার কাউন্সিল জানায়, কেউ চাইলে এসব স্মার্টওয়াচ ট্র্যাক করতে পারবে, আড়ি পাততে পারবে। পাশাপাশি যে শিশু এই ঘড়ি পরে আছে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। ত্রুটির কারণে অপরিচিত যে কেউ চাইলে কোন শিশুর গতিবিধির ওপর নজর রাখাতে পারবে। তবে ব্রান্ডের স্মার্টওয়াচ কোম্পানিরা বলছেন, যে সব সমস্যা ছিল তা সমাধানে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বাজারে শিশুদের জন্য যেসব স্মার্টওয়াচ পাওয়া যায়, তাদের বাবা-মা চাইলে শিশুদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন। তারা কখন কোথায় আছেন তা জানতেও পারেন। আবার কোন স্মার্টফোনে একটি `এস-ও-এস` বা বিপদ সংকেত বাটন আছে। শিশুটি বিপদে পড়লে এই বাটন চেপে রাখলে শিশুরা বাবা-মা সতর্ক হতে পারবে। সূত্র : বিবিসি। আর/এআর

ফেসবুক নিয়ে এল ‘ফটো গার্ড’নিরাপত্তা টুল

প্রোফাইল ছবির অপব্যবহার আটকাতে বিশেষ উদ্যোগ নিল ফেসবুক। সম্প্রতি ফেসবুক ঘোষণা করেছে তারা ‘ফটো গার্ড’নামের একটি নিরাপত্তা টুল পরীক্ষামূলক ভাবে ভারতে চালু করেছে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, ভারতে পরীক্ষা চালানোর পর শিগগিরই এই ফিচারটি অন্যান্য দেশেও চালু করা হবে। প্রোফাইল পিকচার গার্ড বা`ফটো গার্ড’ টুলটির মাধ্যমে একজন ব্যক্তির প্রোফাইল ছবিতে অন্য কোনো ব্যক্তিকে ট্যাগ করা বা প্রোফাইল ছবি ডাউনলোড করা আটকানো যাবে বলে দাবি সংস্থার। কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রোফাইল ছবির স্ক্রিন শটও নেওয়া যাবে না বলে জানা গেছে। এ ছাড়া ফ্রেন্ডলিস্টে না থাকা কেউই ছবিতে নিজেকে বা অন্য কাউকে ট্যাগ করতে পারবেন না। কোনো ব্যবহারকারী এই ফিচারটি চালু করলে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল ছবির চারপাশে নীল একটি বর্ডার এবং প্রোফাইল ছবির নীচের দিকে একটি শিল্ড (ঢাল) আইকন দেখা যাবে, যেটা সূচিত করবে সংশ্লিষ্ট ছবিটি প্রোটেক্টেড। সূত্র: গাইডিং টেক

ইন্টারনেটে ধীরগতি থাকবে ৩দিন

দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের মেরামত কাজ চলায় তিন দিন ইন্টারনেটে ধীরগতি থাকবে। ক্যাবল মেরামত ও সংস্কার কাজের জন্য আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল (সি-মি-উই-৪)। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বিএসসিসিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ তিন দিন ক্যাবল মেরামতের কাজ চলবে, এর ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সাময়িক অসুবিধায় পড়বেন। ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজারের কাজ চলবে ২২ অক্টোবর ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত। এর ফলে ওই সময় দেশের ইন্টারনেটে ধীর গতি হতে পারে বলে ধারণা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তবে এ সময় দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল (সি-মি-ইউ-৫) দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থায় দেশে ব্যান্ডউইথ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হবে বলে জানায় বিএসসিসিএল। দেশের ইন্টারনেট সেবাদাতা সংগঠনসহ সংশ্লিষ্টদের ওই তিন দিনের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলেছে বিএসসিসিএল। উল্লেখ্য, দেশে ব্যবহৃত মোট ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের পরিমাণ ৪৪০ জিবিপিএস। এর মধ্যে ৩০০ জিবিপিএসই আসছে প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল থেকে।   আর/এআর

নিজের দেহের কতকিছুই আমরা জানিনা

মানবদেহ খুবই জটিল একটি জিনিস। ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন কোষ দিয়ে তৈরি মানবদেহের প্রতিটি কোষেই রয়েছে অনন্য তৎপরতা। আর এমন রহস্যময় একটি বিষয় নিয়ে কার না আগ্রহ জাগে জানার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো  এ বিষয়ে আমাদের জানার পরিসর খুব সামান্য। আমাদের দেহ সম্পর্কিত এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো আপনি জানতে পারলে বিস্মিত হবেন। সুতরাং এখানে এমন কিছু বিষয় তুলে ধরা হলো যা আপনার জানা দরকার। মানব মস্তিষ্ক দিয়ে একটি বাল্ব জ্বালানো সম্ভব! একটি ছোট বিদ্যুৎ বাতি জ্বালানোর মতো প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় মানুষের মস্তিষ্কে। কারণ মানুষের মস্তিষ্কে আছে ১ লাখ ৬০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ রক্ত চলাচলের শিরা-উপশিরা! আর সেগুলো থেকেই বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদিত হয়। মানুষের দাঁত হাঙরের দাঁতের মতোই শক্তশালী! এ কথা শুনে হয়তো অনেকেই বিস্মিত হতে পারেন। কিন্তু এটি একটি বাস্তব সত্য যে হাঙরের মতোই শক্তিশালী মানুষের দাঁত। যা একটি মাত্র কামড়ে কাউকে চিরে ফেলতে সক্ষম। মানুষের পাকস্থলীর এসিড খুবই শক্তিশালী! আপনি কি জানেন, আমাদের পাকস্থলীর এসিড এতটাই শক্তিশালী যে তা আমাদের ত্বকের উপর পড়লে ছিদ্র হয়ে যেতে পারে! এমনকি একটি রেজার ব্লেডও গলে যেতে পারে আমাদের পাকস্থলীর এসিডে! এই এসিডই আমাদেরকে খাদ্যের সঙ্গে আমাদের দেহে ঢুকে পড়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে থাকে। মানুষের চুল কখনো ধ্বংস হয় না! মানুষের চুল দুটি হাতির ওজন বহন করতে সক্ষম। মানুষের চুল স্বাভাবিকভাবে পুরোপুরি ধ্বংস হয় না কখনো। আগুনে পোড়ানো ছাড়া মানুষের চুল ধ্বংস হয় না। চুল কখনো পচে গিয়ে মাটির সঙ্গে মেশে না। আমাদের আছে অসংখ্য অভিব্যক্তি! মানুষ ৭০ হাজার ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মৌখিক অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে পারে। শুনে বিস্মিত হয়েছেন। আপনি হয়তো ভাবতেন আমাদের অভিব্যক্তি খুবই কম। তাই না! ছোটদের শরীরে বড়দের চেয়ে বেশি হাড় শিশুদের শরীরে বড়দের চেয়ে ৬০টি হাড় বেশি থাকে! বড় হওয়ার পর এসব হাড় অন্য হাড়দের সাথে মিশে যায়। ফলে হাড়ের সংখ্যা কমে আসে। সূত্র : বোল্ডস্কাই ডব্লিউএন

দুবাইয়ে উড়ল বিশ্বের প্রথম ‘ফ্লাইং ট্যাক্সি’

রাস্তায় যানজটে আটকে গাড়িতে বসে থেকে ঘেমে-নেয়ে ওঠার দিন শেষ। এখন থেকে রাস্তার পরিবর্তে আকাশপথে উড়ে চলবে ট্যাক্সি। বিশ্বের প্রথম এই উড়ন্ত ট্যাক্সি-সেবা চালু করেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাত। সোমবার দুবাই শহরে পরীক্ষামূলকভাবে উড্ডয়ন হয় উড়ন্ত এই ট্যাক্সির। খবর রয়টার্সের। খালিজ টাইমস জানিয়েছে, আরব আমিরাতের রোডস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির অধীনে উড়ন্ত ট্যাক্সি চালু হয়। কোনো চালক ছাড়াই চলবে দুই আসনের ট্যাক্সিটি। অ্যাপ ব্যবহার করে এ সার্ভিসের সেবা নিতে পারবেন মানুষ। এ সার্ভিসের বিশেষত্ব হলো, এটি আসলে ড্রোন ট্যাক্সি, তবে বিদ্যুৎচালিত। ফ্লাইং ট্যাক্সিটিতে রয়েছে দুটি সিট ও ১৮টি প্রপেলার। ট্যাক্সিটি নির্মাণ করেছে জার্মানির ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভোলোকপ্টার। দুবাইয়ের যুবরাজ শেখ হামাদান বিন মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মোকতুমের উপস্থিতিতে পরীক্ষামূলকভাবে আকাশে ওড়ানো হয় ট্যাক্সিটি। ট্যাক্সিটি দুবাইকে ভবিষ্যতের পথে নিয়ে যাবে উল্লেখ করে যুবরাজ শেখ হামাদান বলেন, এটি একটি অভিনব সাফল্য; দুবাইয়ের পরিবর্তনের একটি নিদর্শন। যুবরাজ বলেন, চালকবিহীন মেট্রোর পর বিশ্বের প্রথম ড্রোন ট্যাক্সির পরীক্ষামূলক উড্ডয়নে আমরা আনন্দিত। ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে যাত্রায় আমাদের প্রতিশ্রুতির একটি বাস্তবায়ন এ ট্যাক্সি-সেবা। দুবাইয়ের সড়ক পরিবহন বিভাগের কর্মকর্তা মাত্তার আল তায়ের জানান, এ বিশেষ ট্যাক্সিটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে। আরকে/ডব্লিউএন

গাড়ি চালাবে রোবট

আর কিছুদিন পর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হয়তো এমন গাড়ি রাস্তায় চলবে - যা আর মানুষকে চালাতে হবে না। একটি `কম্পিউটার মস্তিষ্কওয়ালা` রোবটই চালাবে গাড়ি। বিবিসির সংবাদদাতা ডেভিড এডমন্ডস  সম্প্রতি  জাগুয়ার-ল্যান্ডরোভারের প্রধান ইঞ্জিনিয়ার ড. এমি রিমার সঙ্গে চালকবিহীন গাড়িতে চড়ে শহরে ঘুরেছেন। তাকে শুধু একটি বোতাম টিপে গাড়িটি চালু করতে হলো। তার পর গাড়ি চলতে শুরু করলো, ট্রাফিক সিগন্যালে থামলো, ডানে-বাঁয়ে ঘুরলো, তার পর এক জায়গায় সুন্দরভাবে পার্কও করলো। ড. রিমার বলছিলেন, আর এক দশকের মধ্যেই এরকম গাড়ি রাস্তায় নামবে। এখন চলছে তার কারিগরী বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের কাজ। তবে অনেকের প্রশ্ন : চালকবিহীন গাড়ির সমস্যা শুধুই যান্ত্রিক নয়, এর একটা নৈতিক দিকও আছে। রোবটের এই `নৈতিকতা` নিয়ে ২০০৪ সালে এক সেমিনারও হয়েছিল। ড্রাইভারবিহীন গাড়ির মতো এখন এমন ক্ষেপণাস্ত্রও তৈরি হয়েছে যা শত্রুর পাল্টা আক্রমণের মুখে নিজে নিজেই দিক পরিবর্তন করবে। কিন্তু এরকম রোবট কি বানানো যাবে যে ছুরি হাতে একজন যোদ্ধা এবং ছুরি হাতে একজন সার্জনের পার্থক্য বুঝতে পারবে? সুজান এন্ডার্সন এবং তার স্বামী মাইকেল দুজনেই কম্পিউটার বিজ্ঞানী। তারা মনে করেন, রোবটকে নৈতিকতা শেখানোর উপায় হচ্ছে প্রথমে তাকে কিছু নীতি শেখানো - যেমন দুর্ভোগ এড়িয়ে চলো, সুখকে উৎসাহিত করো ইত্যাদি। এর পর মেশিন বিভিন্ন রকম পরিস্থিতিতে এই নীতিগুলো কিভাবে প্রয়োগ করতে হবে তা শিখতে পারবে।কেয়ারবট নামে একধরণের রোবট আছে যারা বয়স্ক মানুষদের বই বা খাবার এনে দিতে পারে, টিভি বা লাইট অন করে দিতে পারে। হয়তো একজন রোগীকে তার ওষুধ এনে দিতে পারে। কিন্তু কোনো রোগীর জীবন কখন বিপন্ন এটা বুঝে সাহায্য চাওয়া - এটা কি ভাবে রোবট করবে?সুজান ও মাইকেল এন্ডারসন মনে করেন, রোবটের পক্ষে এসব ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা অর্জন করা সম্ভব।রোবটকে নৈতিক শিক্ষা দিতে গিয়ে কি কোন বিপদ হতে পারে?তবে মেশিনের শিক্ষাগ্রহণে সমস্যাও হতে পারে। তারা হয়তো ভুল জিনিস শিখে ফেলতে পারে। তাদের হয়তো এমন পক্ষপাত সৃষ্টি হতে পারে যা অসঙ্গত। আরেকটা সমস্যা হলো শেখার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে রোবট কখন কি আচরণ করবে সেটার পূর্ব ধারণা পাওয়া অসম্ভব হয়ে উঠতে পারে। হয়তো আগামিতে আরো অনেক বেশি কাজ মানুষের হয়ে রোবটই করে দেবে। তাই মানুষের নিশ্চিত করতে হবে যে রোবটের মধ্যে যেন মানুষের মতো নানা রকম সংস্কার বা পক্ষপাত তৈরি না হয়। তবে যেহেতু কি হবে বলা যায় না, তাই ভালো কিছুও তো হতে পারে। হয়তো রোবট নৈতিক প্রশ্নে মানুষের চেয়েও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবে - এমনটাও হতে পারে। সূত্র:বিবিসি এম/এআর

ফেসবুক গ্রুপ থেকে মেম্বার রিমুভ করবেন যেভাবে

জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে (এফবি) গ্রুপ মেম্বার বিড়ম্বনা নতুন কিছু নয়। বিষয়টি অনেকের কাছে খুবই বিরক্তিকর মনে হয়। তবে গ্রুপ থেকে মেম্বার রিমুভ করার নিয়ম না জানার কারণে ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও অনেকেই তা মেনে নিয়েই ফেসবুক চালান। অথচ নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুখ বুজে সহ্য করা সে বিড়ম্বনা থেকে রেহাই সম্ভব।   ফেসবুকে দেখা যায়, বিভিন্ন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে হাজার রকমের গ্রুপ রয়েছে। বই পড়ুয়াদের গ্রুপ যেমন আছে তেমনি আছে মেইকআপ কেনাবেচা করার গ্রুপ। অনেক সময় গ্রুপের সদস্যরা বিষয়কভিত্তিক আলোচনা বা পোষ্ট করা বাদ দিয়ে স্প্যামিং ছড়ানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন। যা গ্রুপের পরিবেশন নষ্ট করে। চাইলেই স্প্যামিং ছড়ানো এই মেম্বারদের গ্রুপ থেকে রিমুভ করা যায়। গ্রুপের এডমিনরা কীভাবে এরূপ মেম্বারদেরকে রিমুভ করবেন তা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই আপনি যে গ্রুপের এডমিন সেই গ্রুপে গিয়ে ডান পাশে থাকা মেম্বার অপশনটিতে ক্লিক করুন। তাহলে মেম্বারদের তালিকা প্রদর্শিত হবে। যে মেম্বারকে রিমুভ করতে চান যদি তাকে খুঁজে না পান তাহলে উপরে থাকা ‘find a member’ অপশনে গিয়ে নাম লিখলেই হবে। এরপর নির্দিষ্ট মেম্বারের নামের পাশে থাকা সেটিংস আইকনে গিয়ে ‘remove from group’ অপশনটিতে ক্লিক করতে হবে। তারপর নতুন একটি পপআপ পেইজ প্রদর্শিত হবে। সেখানে মেম্বারকে রিমুভ করার সঙ্গে সঙ্গে তার ৭দিনের পোষ্ট, মন্তব্য রিমুভ করা এবং গ্রুপ থেকে ব্লক করতে চান কিনা তা নির্ধারণ করতে দেওয়া হবে। সবশেষ ‘confirm’বাটনে ক্লিক করতে হবে। এভাইবেই পুরো প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করে গ্রুপে স্প্যাম ছড়ানো সদস্যটিকে রিমুভ করা যাবে। আরকে/ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি