ঢাকা, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৬:০৯:২২

ভাঁজ করা নোটবুক আনছে মাইক্রোসফট

ভাঁজ করা নোটবুক আনছে মাইক্রোসফট

ভাঁজ করা (ফোল্ডিং) যাবে এমন দুই পর্দার নোটবুক আনছে মাইক্রোসফট। এর আগে ২০০৮ সালে ‘কুরিয়ার’ নামে একটি বুকলেট পিসির ধারণা এনেছিল মাইক্রোসফট। তবে সেটি ২০১০ সালে বাতিল করে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানের এক পেটেন্ট থেকে ধারণা করা হচ্ছে, দুই পর্দার নতুন নোটবুক হবে অনেকটা ‘কুরিয়ার’-এর মতো। নোটটিতে দুইটি ভিন্ন পৃষ্ঠতল রয়েছে, এটির একটি ‘সেলফ-রেগুলেটিং হিঞ্জ’ দিয়ে আটকানো থাকবে। এর ফলে লেনোভো ইয়োগা নোটবুকের মতো বিভিন্ন অবস্থানে ব্যবহার করা যাবে এটি। তবে এর ডিভাইস কীভাবে কাজ করবে সেটি বলা হলেও ডিভাইসের সফটওয়্যার কেমন হবে তা উল্লেখ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে দুই পর্দা থাকায় বেজেলের ক্ষেত্রে যে সমস্যা হবে তা সমাধান করতে বিশেষ কব্জা ব্যবহার করবে মাইক্রোসফট। নোটটিতে দুইটি এজ-টু-এজ পর্দা এমনভাবে রাখা হয়েছে যে মনে হয় একটি অপরটিকে স্পর্শ করে আছে। দুই পর্দার মাঝে চোখে পড়ার মতো কোনো ফাঁক রাখা হয়নি। সূত্র: আইএএনএস।   আর    
আসছে একঝাক নতুন নারী উদ্যোক্তা

রাজধানীর একটি হোটেলে আজ শুক্রবার আয়োজিত হলো ফিমেল এন্টারপ্রেনার্স সোসাইটি (ফেমেনসো) এর প্রথম সেমিনার ও কর্মশালা। অন্তত ১০০ জন নতুন নারী উদ্যোক্তা এবং প্রায় ২১ জন প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তাদের নিয়ে আয়োজন করা হয় এ সেমিনার। নতুন নারী উদ্যোক্তা বিশেষত ই-কমার্স খাতে যারা কাজ করছেন বা করতে আগ্রহী তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান এবং জিজ্ঞাসার উত্তর দিতেই এ উদ্যোগ বলে জানায় আয়োজকেরা। সকাল ১২টায় শুরু হওয়া এ সেমিনারে ফেমেনসো’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারপার্সন মাহিয়া নাইনান পৌশি জানান, “নতুন ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসার শুরুতে নানা রকম সমস্যার মুখোমুখি হন। তারা পণ্যের যোগান পাবে কোথায় আবার গ্রাহকদের সঙ্গে লেনদেন করবেন কীভাবে; এসব সমস্যায় তারা পরেন। সেসব সমস্যার সমাধানের জন্যই মূলত আমাদের এ উদ্যোগ। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করলে নিজেরাই নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে পারব। নারী হয়ে আমাদের জন্য সমস্যাগুলো এমনিতেই অনেক বেশি। এগুলোকে যতটুকু সহজ করা যায় তাই আমাদের উদ্দেশ্য।” মেকাপ আর্টিস্ট অ্যান্ড বিউটি ব্লগার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ম্যাব্বাব) এর সাধারণ সম্পাদক শাহিদা আহসান বলেন, “মেকাপ আর্টিস অ্যান্ড ব্লগারদের নিয়ে আমরা একটা সংগঠন করেছি। অতি শিগগিরই তা জয়েন্ট স্টক এক্সচেঞ্জ এর অনুমোদন পাবে। এমনি করে এখান থেকেও আমরা সংগঠিত হতে পারি। আমরা এক সঙ্গে থাকলে সব সমস্যা মোকাবেলা করা সম্ভব।” কর্মশালায় অংশ নেওয়া সাইমন কালেকশন এর স্বত্তাধিকারি সালমা রহমান বলেন। “আমরা যারা এফ-কমার্সে ব্যবসা করি তাদের জন্য একটি বড় সমস্যা হচ্ছে ফেসবুকে বুস্টিং। বিশ্বাসযোগ্য কাউকে পাওয়াটাই চ্যালেঞ্জ। এখানে এসে বুস্টিং করেন এমন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পরিচয় হলো। এদিকের সমস্যাটা অন্তত মিটল। এ ধরনের কর্মশালা ও সেমিনার মাঝে মাঝে হলে আমরা যারা এ খাতে নতুন তাদের জন্য অনেক উপকার হয়।” সেমিনারের টাইটেল স্পন্সর ছিল টিকটক। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইসলাইল হোসেন বলেন, “ আমরা সবসময়ই নারী ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের পাশে থাকতে চাই। তারই অংশ হিসেবে এ সেমিনারে আমরা যুক্ত হয়েছি। এ সেমিনারে আসা নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আমরা প্রথম ৩০টি ডেলিভারি বিনামূল্যে দিচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি ডেলিভারি নিয়ে যে সমস্যা এখন ই-কমার্স এবং এফ-কমার্সে আছে তা আমাদের সম্মানিত গ্রাহকরা পাবেন না। ঝামেলামুক্ত ডেলিভারি দিতে আমরা বদ্ধ পরিকর।”   মেকাপ পণ্য ও সেবা, বিউটি এক্সপার্ট, ফ্যাশন এক্সেসরিজ, জুয়েলারি, ডেলিভারি সেবা, নারীদের পোশাক, পণ্য আমদানি-রফতানি, আইনী দিক এবং  অনলাইন মার্কেটিংসহ অন্তত ১৫টি খাতে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা এ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন। এরপর ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। নতুন নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা।  সবশেষে কেক কাটার মধ্যে দিয়ে শেষ হয় কর্মশালাটি।   //এসএইচএস//এসএইচ  

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি নির্বাচন ১০ মার্চ

তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের সংগঠন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) ২০১৮-২০২০ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটি ও আটটি শাখা কমিটির নির্বাচন ২০১৮ সালের ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার বিসিএস নির্বাচন বোর্ড ২০১৮-২০২০ মেয়াদে কার্যনির্বাহী কমিটি এবং শাখা কমিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। বিসিএস এর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নির্বাচনী তফসিল অনুসারে প্রাথমিক ভোটার তালিকা ২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি এবং চূড়ান্ত ভোটার তালিকা একই বছরের ৩০ জানুয়ারি প্রকাশ করা হবে। নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রসঙ্গত, সিলেট, রাজশাহী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা এবং যশোরে বিসিএস-এর শাখা রয়েছে। নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সেটকম কম্পিউটার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বদেশ রঞ্জন সাহা। বোর্ডর সদস্য হিসেবে দি কম্পিউটার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার আতিক-ই-রব্বানী এবং মাসনুনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনী আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে সিপ্রোকো কম্পিউটারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফকাত হায়দার এবং সদস্য হিসেবে লীডস কর্পোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আজিজ এবং কম্পিউটার ডিভাইস অ্যান্ড টেকনোলজির স্বত্বাধিকারী একেএম শামসুল হুদা দায়িত্ব পালন করছেন।     আর/এসএইচ

বিদেশ থেকে ব্যাগেজে আনা যাবে ৮টি হ্যান্ডসেট

বাণিজ্যিক উদ্দেশ্য ছাড়া ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বিদেশ থেকে ব্যাগেজে করে এখন ৮টি হ্যান্ডসেট আনা যাবে। বিটিআরসি থেকে পাঠানো এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এটি বাস্তবায়ন শুরু হবে। এর আগে সর্বোচ্চ ৫টি মোবাইল ফোন আনার নিয়ম ছিল। তবে যাত্রীদের সুবিধার জন্যই এর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। বিটিআরসি স্পেকট্রাম বিভাগ পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সুফি মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সম্প্রতি শুল্ক ও গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহা-পরিচালককেও পাঠানো হয়েছে। বিটিআরসির এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রত্যেক যাত্রী প্রতিটি বোর্ডিং পাস বা সংশ্লিষ্ট ভ্রমণ দলিলের বিপরীতে ৮টি মোবাইল হ্যান্ডসেট বিটিআরসি’র অনাপত্তিপত্র ছাড়া খালাস করতে পারবেন। তবে এ মোবাইল হ্যান্ডসেটের মধ্যে সর্বোচ্চ দুটি বিনাশুল্কে এবং বাকিগুলোর শুল্কায়নে কাষ্টমস কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট আইন বা বিধি প্রযোজ্য হবে। আটটির বেশি মোবাইল হ্যান্ডসেট আমদানির ক্ষেত্রে আমদানির তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে বিটিআরসি থেকে ‘ভেন্ডর এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট’ নিয়ে খালাস করা যাবে।   /ডিডি/

চমক দেখাতেই সোফিয়া বাংলাদেশে

কেবল চমক দেখাতেই রোবট সোফিয়াকে দেশে আনা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলার আয়োজকদের অন্যতম সদস্য বেসিসের সভাপতি মোস্তফা জব্বার। আজ বৃহস্পতিবার একুশে টেলিভিশন অনলাইনের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ সফটওয়্যার ও তথ্য সেবা সংগঠনের প্রধান এই ব্যক্তি। গত ৬ থেকে ৯ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭ মেলার বিভিন্ন অংশ নিয়ে তিনি কথা বলেন। তিনি বলেন, মানুষ সোফিয়াকে দেখে যেভাবে আগ্রহ দেখিয়েছে, তাতে আমরা সত্যিই অভিভূত হয়েছি। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ওই সময় মেলাতেই সোফিয়ার মতো আরও ২০টি রোবট নিয়ে দেশিয় প্রযুক্তিবিদরা হাজির হয়েছিলেন। দেশীয় প্রযুক্তিবিদরা আরও অনেক আগে থেকেই রোবট বানাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, সোফিয়ার মতোই কথা বলতে পারে এমন রোবট ওই মেলাতেই ছিল। তবে সোফিয়ার সঙ্গে ওই রোবটগুলোর মূল পার্থক্য ছিল শুধু একটি জায়গায়। তাহলো সোফিয়াকে কৃত্রিম চামড়া দেওয়া হয়েছে। আর আমাদের রোবটগুলোকে কোনো চামড়া দেওয়া হয়নি। আগামী ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড মেলায় সোফিয়ার চেয়েও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন রোবট বাংলাদেশের প্রযুক্তিবিদরা হাজির করতে পারবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। বলেন, অনেকেই সোফিয়ার আগমণ নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। বলছে, ১২ কোটি টাকা সরকারের খরচ হয়েছে। তবে এখানে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই। সোফিয়াকে আনতে সরকারের এক টাকাও খরচ হয়নি। যা খরচ হয়েছে, তা ইসলামী ব্যাংকের। কারণ তারা স্পন্সর ছিল। বাংলাদেশ এক সময় আন্তর্জাতিক ভোক্তা হলেও ক্রমশই আন্তর্জাতিক উৎপাদকে পরিণত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে তৈরি ল্যাপটপ ইতোমধ্যে নেপালে রপ্তানি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, মালদ্বীপেও বাংলাদেশ ল্যাপটপ রপ্তানি করতে যাচ্ছে। আসছে বছর দেশিয় কোম্পানি ওয়ালটন ওই দেশে ল্যাপটপ রপ্তানি করবে বলে জানা গেছে।   এমজে/ ডিডি  

রাজধানীতে শুরু হলো ল্যাপটপ মেলা

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ল্যাপটপ মেলা-২০১৭। `শোক থেকে মুক্তি, প্রযুক্তিতে মুক্তি` স্লোগানে এবারের আসর চলবে আগামী আরও দুই দিন। মেলায় অংশ নিয়েছে দেশি-বিদেশি শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই মেলার শুরু হলেও দুপুর সাড়ে তিনটায় এর উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর কল্পনা নয়। আমরা অনেক এগিয়েছি। নতুন প্রজন্মকে শুধু বলতে চাই তোমাদের অনেক কিছু করার আছে। দেশ তৈরি হয়েছে এখন তোমাদের কাজে মনোযোগ হতে হবে। টেকনোলজি এগিয়েছে, আমরা অন্যদের থেকে পিছিয়ে নেই। তোমরা তোমাদের শক্তি কাজে লাগাও। প্রজন্মের কাছে বলতে চাই শোককে শক্তিতে পরিণত করে তোমরা কাজের বাস্তবায়ন করো। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জহির রায়হানের ছেলে বিপুল রায়হান বলেন, লাল সবুজের পতাকা আমরা পেয়েছি। পেয়েছি সুন্দর একটি দেশ; এখন প্রয়োজন দেশকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তাই সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিকাশ যত বেশি হবে আমরা এগিয়ে যাবো তত। তবে একটি কথা, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসকে আন্তর্জাতিক দিবসে পরিণত করতে আমাদের কাজ করে যেতে হবে। কারণ তালিকা করে বুদ্ধিজীবী হত্যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা। বেসিস সভাপতি মোস্তফা জব্বার বলেন, দেশের অসাধারণ দুটি কাজ হয়েছে। সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার নিয়ে। এছাড়া হার্ডওয়্যার উৎপাদনে এগিয়ে রয়েছে আমাদের দেশ। কিন্তু ব্যাপারটি এত সহজ ছিল না। প্রযুক্তিতে এখন অনেক এগিয়েছি আমরা। বাংলাদেশের দিকে সবাই বিস্ময়কর চোখে তাকায়। কারণ আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে দেশকে ঘোষণা দিয়েছি তখনও অনেকের তুলনায় পিছিয়ে ছিলাম। সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন উল্লেখ করে এই প্রযুক্তিবিদ বলেন স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের প্রযুক্তির যে অগ্রগতি হয়েছে তার সিংহভাগ হয়েছে বিগত সাত বছরে। বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান বলেন, আমরা যখন উইকিডিয়াতে কাজ শুরু করি তখন এক হাজার জন শহীদের নাম ছিল। এখন এর সংখ্যা আরও বেড়েছে। আমরা বাংলাদেশকে ডিজিটাল করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। যেটা গুগল সার্চ করলেই বোঝা যায় কতটুকু এগিয়েছি আমরা। ২০০৯ সালে যখন ঘোষণা হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ, তখন থেকে অনেক কাজ করতে হয়েছে; এখন চলছে। তবে আশার কথা আমরা অনেক এগিয়েছি এবং আরও এগিয়ে যাবো। এক্সপো মেকারের আয়োজনে এটি দেশের ১৯তম ল্যাপটপ প্রদর্শনী। এবারের আয়োজনে একটি মেগা-প্যাভিলিয়ন, পাঁচটি স্পন্সর প্যাভিলিয়ন, ১৪টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ২৭ স্টলে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করছে। মেলায় বিভিন্ন পণ্যে রয়েছে ছাড় ও নানা ধরনের অফার। এক্সপো মেকারের কৌশলগত পরিকল্পনাকারী মুহম্মদ খান জানান, পূর্বের মেলাগুলোতে শিক্ষার্থী, তরুণ প্রজন্মসহ সবার অংশগ্রহণ ছিল প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। আশা করছি এবারের মেলা আগের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাবে। ল্যাপটপের পাশাপাশি মেলায় সর্বশেষ প্রযুক্তি ও ডিজাইনের ডিভাইস নিয়ে হাজির হয়েছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর সর্বশেষ মডেলের ল্যাপটপের পাশাপাশি আনুষাঙ্গিক যন্ত্রাংশও পাওয়া যাচ্ছে। সব ধরনের পণ্যেই পাওয়া যাচ্ছে বিশেষ ছাড় এবং সঙ্গে উপহার। আব্দুল্লাহ কাজল বলেন, এছাড়া বিজয়ের মাসে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের এমন মেলায় মুক্তিযুদ্ধের সময়কার গণহত্যার ইতিহাস ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরবে ‘১৯৭১ : গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর’। প্যাভিলিয়নে থাকবে একাত্তরে দেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সংঘটিত বিভিন্ন গণহত্যা এবং সেগুলো নিয়ে বিভিন্ন ইতিহাস, ছবি। তবে সেখানে তরুণ প্রজন্মকে জানানোর জন্য প্রযুক্তির সহায়তায় সে সব ইতিহাস তুলে ধরার ব্যবস্থা রয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষ্যে মেলায় গণহত্যা প্যাভিলিয়নে রয়েছে নানা আয়োজন। আর এই আয়োজন চলবে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকমবিষয়ক বিশেষায়িত নিউজ পোর্টাল টেকশহর ডটকম। সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে এসার, আসুস, ডেল, এইচপি, লেনোভো। টিকিট বুথ স্পন্সর আরওজি। নলেজ পার্টনার হিসেবে রয়েছে এডুমেকার। মেলায় একটি মিডিয়া বুথও রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে। মেলায় প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা। তবে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় কিংবা পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবে। প্রতিবন্ধীরাও বিনামূল্যে প্রবেশের এই সুযোগ পাবে। মেলায় টিকিটের অর্থ দূরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন সাংবাদিকের চিকিৎসায় সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে।   //এসএইচএস//এসএইচ

নানা আয়োজনে পালিত হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  দর্শনের উপর ভিত্তি করে  ইন্টারনেট সুবিধা গ্রামেও পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে । মঙ্গলবার সবার জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট প্রতিপাদ্যে দেশে প্রথমবারের মতো পালিত জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবসের শোভাযাত্রা উদ্বোধন করে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। সকাল সাড়ে ৭টায় ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্যে দিয়ে শুরু দিবসের কার্যক্রম। পরে সকাল ৮টায় শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরে সামনে থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। পরে শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। পলক বলেছেন, “ ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশনকে নিয়ে অনেকেই ঠাট্টা তামশা করেছেন। কিন্তু শেখ হাসিনার দর্শনে নিজের  ডিজিটাল দেশের জন্য সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।” তিনি বলেন, “নয় বছর আগে আট লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করত, এখন আট কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষ থ্রিজির আওতায় চলে এসেছে। এভাবে দেশের ১৬ কোটি মানুষকে ইন্টারনেটের আওতায় আনতে চাই। শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০১৮ সালে মধ্যে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক হাই স্পিড কানেক্টিভিটির আওতায় নিয়ে আসতে পারব।” পলক বলেন, “দেশে ২৮টি আইটি পার্ক নির্মাণ করছি, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার করছি। এসব আইটি পার্কে প্রশিক্ষণ দিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারব।” জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষে বিকাল ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী। এখানেই বিতরণ করা হবে ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কার ২০১৭’। বিকাল সাড়ে ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে কনসার্ট। জেলা পর্যায়েও দিবসটি পালনে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিচলক (প্রশাসন) ও একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী, বেসিসের সভাপতি মোস্তফা জব্বার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও শোভাযাত্রায় অংশ নেন। একে//

সরকারের সব সেবা জনগণের দুয়ারে পৌঁছে দিতে চাই : জয়

জরুরি প্রয়োজনে একটি ফোনকলেই ঘটনাস্থলে ছুটে যাবে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস অথবা অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। একই সঙ্গে ভিকটিমকে উদ্ধার, সহায়তা অথবা  অপরাধীকে আটক  করবে তারা। বিনামূল্যে ফোন করে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স কিংবা জরুরি ভিত্তিতে পুলিশি সহায়তা দিতে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।     মঙ্গলবার রাজধানীর ডিএমপির সেন্ট্রাল কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টারে ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ‘জরুরি সেবা ৯৯৯’ অপারেট করবে বাংলাদেশ পুলিশ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জয় বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় দেশের উন্নয়নে বদ্ধ পরিকর। বর্তমান সরকারের এ ধরনের সেবা শুধু আজকের নয়, ভবিষ্যতের থাকবে। সরকারের সব সেবা জনগণের দুয়ারে পৌঁছে দিতে চাই। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল, পুলিশ মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক প্রমুখ। ‘৯৯৯’ উদ্বোধনের পর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জরুরি প্রয়োজনে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কিংবা পথে-ঘাটে দুর্ঘটনা হতেই পারে। বিশ্বে সব দেশেই এ সেবাটি তাৎক্ষণিক পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। আমরাও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তথ্য-প্রযুক্তির যুগে পদার্পণ করছি। আমরা ৯৯৯ সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছি। তিনি বলেন, জাতীয় জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে মাইলফলক অর্জন। জরুরি সেবা বিদেশে আপনারা দেখেছেন, এখন এটি বাংলাদেশেও উপলব্ধি করবেন। যেটা সবসময় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন দেখতেন। পুলিশ মহাপরিদর্শ বলেন, কোনো অপরাধ সংঘটিত, প্রাণনাশের আশঙ্কা, দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে বিংবা অ্যাম্বুলেন্সের প্রয়োজন পড়লে ৯৯৯ ডায়াল করলেই সেবা মিলবে। প্রায় এক বছর আগে চালু হলেও জাতীয় এই কল সেন্টারে প্রাথমিকভাবে একইসঙ্গে ১২০টি কল রিসিভ করা হবে বলে জানান আইজিপি। / আর / এআর

ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে প্রশংসিত ‘আমরা’

শনিবার সমাপ্ত হল ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭’। দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতের এ  ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী  প্রতিষ্ঠান ও দর্শনার্থীদের ইন্টারনেট সেবা দিয়ে প্রশংসিত হয়েছে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান  ‘আমরা’। গত ৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের ৫ম এ আসরে নিরবিচ্ছিন ইন্টারনেট সংযোগ দেয় ‘আমরা’। বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়নে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (ল্যান) বা অপটিক্যাল ফাইবারের পাশপাশি ওয়াইফাই এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দেয় আসরের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক এ প্রতিষ্ঠানটি। আমরা’র প্রদত্ত ইন্টারনেট সংযোগ দিয়েই আসরের সব অনলাইন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিশেষ করে প্রতি মুহুর্তের শেষ খবর প্রকাশে সাংবাদিকদের কাজের সুবিধার জন্য প্রশংসিত হয় আমরা। এসময় আমরা’র ইন্টারনেট গতি নিয়ে কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীদের সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়।  ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের সমাপনি দিনে আমরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ ফারহাদ আহমেদ বলেন, “ ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’ হচ্ছে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন  ও বিবর্তনের একটি প্রামাণ্য দলিল। আমরা এই মেলায় হাজারো তথ্যপ্রযুক্তি  কোম্পানি ও দর্শকদের ইন্টারনেট সেবা দিতে পেরে গর্বিত এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখতে চাই। সেই লক্ষ্যে গত চার বছর ধরে ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’-এর অফিসিয়াল ইন্টারনেট পার্টনার হিসেবে কাজ করছি। প্রতিষ্ঠানটি জানায় এই প্রদশর্নীতে অংশগ্রহণকারী ৪০০ দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য সংযোগ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ ক্রেতা-দর্শক এটি ব্যবহার করেছে ‘আমরা’র এই উচ্চগতির ইন্টারনেট।  এছাড়া ‘আমরা’র অঙ্গপ্রতিষ্ঠান উই (ডঊ) এই মেলায় তাদের স্মার্টফোনগুলো প্রদর্শন করছে। ডিজিটাল সেবার সমন্বয়ে তৈরি এই স্মার্টফোন মেলায় আসা দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।  প্রসঙ্গত, তথ্যপ্রযুক্তির এই বৃহৎ প্রদর্শনীটি আয়োজন করেছে আইসিটি বিভাগের সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের অফ সফটওয়্যার  অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এবং একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)।   //এসএইচএস//এসএইচ  

কর্মীদের সচেতন করতে বাংলালিংকের ওয়াকাথন ও সাইক্লিং

কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতার জন্য ‘এমপ্লয়েজ ওয়েলনেস প্রোগ্রাম’ এর আয়োজন করেছে বাংলালিংক। দেশের অন্যতম বৃহৎ এ মোবাইল অপারেটর প্রতিষ্ঠান শুক্রবার গুলশানে তাদের প্রধান কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সকাল ৭টায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস। প্রায় ২০০ কর্মীর অংশগ্রহণে প্রথমে শুরু হয় ওয়াকাথন। প্রায় ৪.৫কি.মি পথ হাটেল বাংলালিঙ্ক কর্মীরা। এরপর শুরু হয় ১৯ কি.মি পথের সাইক্লিং। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসাবে বাংলালিংক এ বছরব্যাপী ইয়োগা, জিম ও কর্মীদের বিভন্ন ধরনের স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। কর্মীদের স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করতে এই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে মাল্টার টেলিকম ভেঞ্চার্স লিমিটেডের মালিকানাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি।   বাংলালিংকের প্রধান মানব সম্পদ এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মঞ্জুলা মোর্শেদ বলেন, দেশের অন্যতম কর্মী-বান্ধব প্রতিষ্ঠান হিসাবে বাংলা লিংক কর্মীদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে চায়। যাতে তারা প্রতিষ্ঠানের অগ্রগতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে। এমপ্লয়ি ওয়েলনেস প্রোগ্রাম কর্মীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। বাংলালিংক বিশ্বাস করে প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর সাফল্য কর্মীদের সাফল্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ভবিষ্যতেও কর্মীদের ক্ষমতায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে চায় প্রতিষ্ঠানটি”। বাংলালিংকের অনুকরণে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও একই রকম কার্যক্রমের আয়োজন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রতিষ্ঠানটির এ উর্ধতন কর্মকর্তা। //এস এইচ এস// এআর      

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ : ইনু

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর উন্নয়নের রূপরেখা বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নেতৃত্বেই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। রাজধানীর শাহবাগের সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনে ‘দারিদ্র বিমোচন ও মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে আমাদের করণীয় : সামাজিক নিরাপত্তাজাল কর্মসূচির ভূমিকা’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনের কারিগরি অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তার বর্তমানে ১৪৩টি খাত রয়েছে। খাতগুলোকে ভালোভাবে বন্টন করার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব।

পর্দা নামল ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড’র

জমজমাট আয়োজনের মধ্যদিয়ে শনিবার শেষ হলো দেশের সর্ববৃহৎ তথ্যপ্রযুক্তি আয়োজন ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭’। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল মেলার শেষদিনেও নানা বয়সি দর্শকের পদচারণায় মুখরিত হয় মেলা প্রাঙ্গণ। রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীরা মেলায় আসেন। মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এর আগে ৬ ডিসেম্বর ‘রেডি ফর টুমরো’ স্লোগানে দেশের তথ্যপ্রযুক্তির বড় এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এবারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের সফল পরিসমাপ্তি ঘটলো। সমাপনী অনুষ্ঠানের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধুবর মোস্তাফা জব্বার একটি দাবি তুলছিলো যে ইন্টারনেটের উপর যে ভ্যাট ট্যাক্স আছে তাও কীভাবে মওকুফ করা যায়। তবে সরাসরি আমি এখনি কিছু বলছি না। তবে এটা নিয়ে আজ মন্তব্য করছি। ভবিষ্যতে দেশের মানুষের জন্য ইন্টারনেটের উপর ভ্যাট ট্যাক্স মুক্ত নিয়ে কিছু হতে পারে।’ অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে সেই নির্বাচনী ইশতিহারের ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তব। আজ আমরা সত্যি সত্যিই ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে পৌঁছে গেছি। শুধু তাই নয় আমরা সারা পৃথিবীতে ইন্টারনেটের জগতে একটা ভালো অবস্থানে রয়েছি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ বলেন, আমরা এবার সোফিয়াকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম। তার কথা শুনেছি। তাই বলে কি আমরা নিজেরা সোফিয়ার মতো এমন রোবট তৈরি করবো না? ইতোমধ্যে আমি ইনোভেশন জোনে বন্ধু নামের এক রোবটের সঙ্গে কথা বলেছি।তার বয়স মাত্র দুই সপ্তাহ। তাই ভালো করে কথা শেখেনি। তবে প্রধানমন্ত্রী যে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, সামনের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে নিজেদের তৈরি সোশ্যাল রোবট থাকবে। ইনশাল্লাহ আমরা সেটা পারবো। তিনি জানান, প্রতিবছর এখন দেশে সাড়ে তিন কোটি মোবাইল, ৫ লাখ ল্যাপটপ আমদানী করতে হয়। এগুলো এখন দেশে তৈরি করা শুরু হয়েছে। আমরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে অন্তত বছরে দুই বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে পারবো। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন পণ্যের উপর থেকে শুল্ক তুলে নেয়ার জন্য অথমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। এছাড়া আগামী বাজাটে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উপর বিশেষ বরাদ্দ রাখার জন্য অথর্মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান তিনি। আইসিটি বিভাগের সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী বলেন, এবারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড জমকালো আয়োজনে শেষ হয়েছে । এতে ৫ লাখের বেশি দর্শনার্থী আমাদের আয়োজন উপভোগ করেছেন। অনলাইনে ১৯ লাখেরও বেশি মানুষ সম্পৃক্ত থেকেছে। বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার বলেন এক সময় দেশে কম্পিউটার মেলা করলে লোক খুঁজে পাওয়া যেত না আর এখন এসব মেলায় জায়গা দিতে পারি না। এই মেলা প্রমাণ করে দেশ কতটা তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ হয়েছে। এবারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড বৃহৎ পরিসরে আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। চার দিন ব্যাপী এই আয়োজনে গুগল-নুয়ান্সসহ খ্যাতিমান তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের প্রায় দুই শতাধিক বক্তা মোট ২৪ এর অধিক সেমিনারে অংশ নেয়। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আইটি ক্যারিয়ার-বিষয়ক সম্মেলনের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগীদের নিয়ে ছিল ডেভেলপার সম্মেলন। এবারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে ৩০০ টি প্রতিষ্ঠান ৫০২টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন সাজিয়েছিল। প্রযুক্তি প্রেমীদের জন্য প্রদর্শনীতে সফটওয়্যার শোকেসিং, ই-গভর্নেন্স এক্সপো, স্টার্টআপ জোন, কিডস জোন, মেড ইন বাংলাদেশ জোন এবং ইন্টারন্যাশনাল জোন ছিল। এছাড়াও আইসিটি সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু প্রদর্শনী স্টল তাদের প্রযুক্তি পণ্য ও সেবা সম্পর্কে ধারণা উপস্থাপন করে। এবারের ডিজিটাল ওয়ালর্ল্ডের মূল আয়োজক সরকারের আইসিটি ডিভিশন। সহযোগী ছিল বেসিস, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, এটুআই। অংশীদার হিসেবে ছিল বিসিএস, বাক্য, আইএসপিএবি, বাংলাদেশ উইমেন ইন আইটি (বিআইডব্লিউটি), ই-ক্যাব, বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম, সিটিও ফোরাম,. বিডিওএসএন, মায়া আপা, বিআইজেএফ, বোল্ড এবং ভিসিপিইএবি। এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে ছিল ইসলামি ব্যাংক, হুয়াওয়ে, রকেট, ওরাকল এবং আমরা। প্রদর্শনী চলে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। এতে প্রবেশের জন্য আগতরা অনলাইনে নিবন্ধন করেন। স্পট নিবন্ধনের সুযোগও ছিল। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড আয়োজনের বিস্তারিত তথ্য মিলবে এই ওয়েবসাইটে: www.digitalworld.org.bd   আর

 ‘প্রতি মিনিটে ফেসবুকে লাইক হয় ১৮ লাখ’

এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডাটার প্রধান রমিজ উদ্দীন বিগ ডাটার একটি পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেছেন, “প্রতি মিনিটে সারা বিশ্বে ২০৪ মিলিয়ন ইমেইল করা হয়। ফেসবুকে লাইক দেওয়া হয় ১৮ লাখ। টুইট করা হচ্ছে দুই লাখ ৭৮ হাজারটি। আর ফেসবুকে ছবি পোস্ট করা হচ্ছে দুই লাখের বেশি।“ ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭ এর শেষ দিন শনিবারে এক গোল টেবিল বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। ওই একই অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব শফিউল আলম বলেন, “মনের ভেতরে দেশপ্রেম না থাকলে কোন ইনোভেশনই কাজে আসবে না। সিস্টেমের পিছনে যে মানুষটি কাজ করছে সে যদি ঠিক মত কাজ না করে তবে সেটা একটা বড় সমস্যা”। “ইনোভেশন ইন গভর্নমেন্ট” শীর্ষক এ গোল টেবিল আলোচনা তিনি বলেন, “আমি মাঝে মাঝে অনেক সরকারি দপ্তর বা কর্মকর্তাকে পরীক্ষা করি। অতি সম্প্রতি তেমনি জাতীয় জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করি। কিন্তু কোন কাজে আসেনি। ফোনের অপর প্রান্তে আমি গান-বাজনার আওয়াজ শুনতে পাই। এরপর আমি সেই দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়ে এসএমএস করি। এর উত্তর আজও পাইনি। অর্থ্যাৎ বিষয়টি হচ্ছে আমরা যতই ইনোভেশন বা নতুনত্ব আনি না কেন যদি এর পিছনের মানুষগুলো দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব নিয়ে কাজ না করে তাহলে কোন কিছুই কাজে আসবে না”।  গোল টেবিল বৈঠকে আলোচনায় কী-নোট স্পিকারের বক্তব্য রাখেন এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের ই-সার্ভিস বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আবদুল মান্নান। আরও বক্তব্য রাখেন সিঙ্গাপুরের ই-গভর্নমেন্ট লিডারশিপ সেন্টারের কেন্দ্রীয় পরিচালক অশোক কুমার সিথারামান, এটুআই প্রকল্পের রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডাটার প্রধান রমিজ উদ্দীন। আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন প্রকল্পের পলিসি উপদেষ্টা আনির চৌধুরী। এসময় বক্তাদের করা এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “বিশ্বের অনেক দেশেই ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার থাকলেও বাংলাদেশে এখনও নেই। সিঙ্গাপুরে যেমন ১১টি সংস্থা এক সঙ্গে সেবা দেয়। তবে আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। একটি নীতিমালা ও আইন প্রণয়নের কাজ হচ্ছে সংসদে। তবে তা ছাড়াও আমরা কিন্তু থেমে নেই। নিজেরা নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে কাজ করছি”। এসময় উদ্যোক্তাদের প্রতি সাহায্যের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা বক্সের বাইরে কাজ করছি। যারা উদ্ভাবক আছেন বা উদ্যোক্তা আছেন তাদের সাহায্য করতে মাঝে মাঝে আমরা সীমার বাইরে গিয়েও কাজ করছি। আমাদের কর্মকর্তারা নিরলসভাবে একটি সত্যিকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন”। কী-নোট স্পিকার আবুদল মান্নান বলেন, “সরকারের ভিশন-২০২১’ বাস্তবায়নে আমরা প্রশাসনকে নাগরিকদের প্রতি আরও বন্ধুসুলভ সেবা দিতে প্রস্তুত করছি। সেবাকে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় পুঞ্জীভূত না করে সবদিকে ছড়িয়ে দিতে হবে যেন সবাই এ সেবা নিতে পারেন”। এসময় তিনি বেসরকারি সংস্থাগুলোকেও সরকারি কাজের অংশীদার হতে অনুরোধ করেন। বিগডাটা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে রমিজ উদ্দিন বলেন, “বিগ ডাটা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আমরা সরকারি কর্মকাণ্ড আর সেবাকে আরও উন্নত করতে পারি। সিঙ্গাপুর, ভারতসহ অনেক দেশ বিগডাটা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সাফল্য পেয়েছে। সিওলে রাতের বেলা বাসে রুট তৈরি করা হয়েছে বিগ ডাটার সাহায্য নিয়ে। এরজন্য সে অঞ্চলে কার্যকর থাকা মোবাইলের মাধ্যমে মানুষের গতিপথ মনিটরিং করা হয়।”। এসময় বিগ ডাটার একটি পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেন, “প্রতি মিনিটে সারা বিশ্বে ২০৪ মিলিয়ন ইমেইল করা হয়। ফেসবুকে লাইক দেওয়া হয় ১.৮ মিলিয়ন। টুইট করা হচ্ছে দুই লাখ ৭৮ হাজারটি। আর ফেসবুকে ছবি পোস্ট করা হচ্ছে দুই লাখের বেশি”। বর্তমান বিশ্বে আইসিটি খাতে যে ডাটা আছে তার ৯০ শতাংশই গত দুই বছরে করা হয়েছে বলেও তিনি সবাইকে জানান।  //এস এইচএস/এসএইচ

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি