ঢাকা, শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:১৬:০২

ফলের গায়ের স্টিকারের মানে কি জানেন?

ফলের গায়ের স্টিকারের মানে কি জানেন?

প্রতিদিন আমরা যা খাই তার সব কিছুই যে ভেজালমুক্ত সেটা আমাদের পক্ষে যাচাই করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তবে কিছু কিছু পণ্যের গায়ে স্টিকার দেখে সে পণ্যটি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। যেমন বিভিন্ন ফলের উপর থাকা স্টিকারগুলো দেখে বোঝায় যায় ফলটির মান ও উৎপাদন সম্পর্কে। সুপারমার্কেট বা কোনো ফলপট্টি থেকে আপেল, আঙ্গুর, নাশপাতি বা অন্য যে কোনো ফল কেনার সময় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন ফলের গায়ে স্টিকার লাগানো থাকে। কোনো কিছু না ভেবেই, খুব ভালো বলে ধরে নিয়ে অনেক সময় বেশি দাম দিয়েও কিনে ফেলেন। ফলের গায়ে মারা স্টিকারে কী লেখা থাকে, ভালো করে দেখেছেন কখনও? বা যদি দেখেও থাকেন, তাহলে এর মানেটা কি বুঝতে পেরেছেন? আসুন জেনে নেই স্টিকারের মানেগুলো- ১. স্টিকারে যদি দেখেন ৪ সংখ্যার কোড নম্বর রয়েছে এবং সেটা শুরু হচ্ছে ৩ বা ৪ দিয়ে, এর মানে হলো, কোনো ফার্মে ওই প্রোডাক্টির চাষ হচ্ছে বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে। যার অর্থ, কৃত্রিম সার ব্যবহারের মাধ্যমেই চাষ হয়েছে। ২. যদি কোনো ফলের গায়ে ৫ সংখ্যার কোড দেওয়া স্টিকার দেখেন, যার শুরুটা ৯ দিয়ে, অর্থ, চিরাচরিত প্রথাতেই চাষ হচ্ছে। হাজার হাজার বছর আগেও যেভাবে চাষ হত, সে ভাবেই। মানে, কোনো রকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক দেওয়া হয় না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে, জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে চাষ হয়। ৩. স্টিকারে যদি ৫ ডিজিটের কোড থাকে এবং শুরুটা যদি ৮ সংখ্যা দিয়ে হয়, তার মানে ওই ফলটি GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড। সোজা বাংলায় এটা হাইব্রিড ফল। তবে রাসায়নিক সার দিয়েই সচরাচর এই হাইব্রিড ফলগুলোর চাষ হয়। তবে ইদানীং ফলে ফরমালিনসহ অন্য রাসায়নিক ব্যবহারের তথ্য পাওয়া যায়। এ রকম সন্দেহ হলে  সেক্ষেত্রে ফলটা বাসায় নিয়ে বালতির ভেতরে কমপক্ষে ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। তাহলে অন্তত উপরে ব্যবহৃত কোনো রাসায়নিক থাকলে সেটা পানির সাথে মিশে তলানিতে জমা হবে। নিরাপদে ফল খেতে পারবেন। সূত্র : বিওয়েলডটকম। ডব্লিউএন  
নিজেকে জানুন বসে বসে

মানুষ চিনতে মনোবিদ কিংবা গোয়েন্দারা অনেক সময় "বডি ল্যাঙ্গুয়েজ" এর সাহায্য নিয়ে থাকেন। কারণ মনোবিদ ও গোয়েন্দাদের মতো প্রতিটি মানুষেরই একটা শরীরি ভাষা আছে, সে ভাষা বুঝতে পারলে সহজেই মানুষের ভেতরের রূপটা চিনতে পারা যায়। মানুষকে চিনবেন কীভাবে, এই নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত গোয়েন্দারা একাধিক বই লিখেছেন। সেই সব বইয়ের কোনো কোনোটায় আজব কিছু বিষয়ের উল্লেখ পাওয়া যায়। এর মধ্যে বসার স্টাইল দেখে মানুষ চেনার উপায় একটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি মানুষের বসার ধরণ আলাদা হয়। এও এক ধরনের শারীরি ভাষা। তাই বসার ধরণ বিশ্লেষণ করেও কোনো অচেনা মানুষ কিংবা নিজের সম্পর্কে অনেক কিছু জেনে যাওয়া সম্ভব। বসার ধরণ ১: কাউকে যদি এইভাবে বসতে দেখেন, জানবেন তিনি বেজায় দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষ। শুধু তাই নয়, এমন মানুষেরা বিপদ দেখলেই ছুট লাগায়। ছোট হোক কী বড়, কোনো ধরনের সমস্যা সামলানোর ক্ষমতাই এদের থাকে না। এক কথায় এমন মানুষদের মনের জোর খুব কম হয়। সহজ কথায় ভীতুও বলা যেতে পারে। তবে এদের চরিত্রের কিছু দিক বেশ চমকপ্রদও বটে। যেমন, এমন মানুষেরা খুব ক্রিয়েটিভ হন। তাই তো শিল্পী হিসেবে খুব সফল হন। বসার ধরণ ২ এরা কাল্পনিক মনের অধিকারী হন। অন্য ধরনের নানা ভবনা সারাক্ষণ এদের মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। হাসি-খুশি থাকার বিষযেও এদের জুড়ি মেলা ভার। তাই তো মন খারাপ করা প্রায় সব কিছু থেকেই দূরে থাকতে ভালোবাসেন এমন মানুষেরা। সহজ কথায় জীবনে কীভাবে বাঁচতে হয়, তা এমন মানুষদের থেকেই জানা উচিত। তাই এমন কাউকে পেয়ে গেলে লেগে থাকুন তার সঙ্গে। আপনার জীবনও আনন্দময় করে তুলবেন তিনি। বসার ধরণ ৩: এমনভাবে যারা বসে থাকেন, তারা সাধারণত খুব শৃঙ্খলাপরায়ণ হন। সময়ের কাজ সময়ে করতে খুব ভালবাসেন। সেই সঙ্গে বেশ চুপচাপ থাকতেও পছন্দ করেন। বসার ধরণ ৪: জীবন যে খাতেই যাক না কেন, এরা কোনো কিছু নিয়েই বেশি ভাবতে চান না। তাই তো সিদ্ধান্ত নিতে কোনো সময় কষ্ট করতে হয় না। কারণ এদের মন যা বলে, তাই করতেই এমন মানুষেরা ভালবাসেন। তবে এদের চরিত্রের সবথেকে ভালো দিক হল, এমন মানুষের কোনো কিছু নিয়েই তাড়াহুড়ো করেন না। কারণ এরা বিশ্বাস করেন, "ঠিক ঠিক সময়ে ঠিক জিনিস হবে, অযথা তাড়াহুড়ো করে কোনো লাভই হয় না।" সূত্র : বোল্ডস্কাই।    ডব্লিউএন    

সন্তান গর্ভাবস্থায় পেট ফেটে যাওয়া থেকে বাঁচতে

শিশু গর্ভে থাকার সময় মায়ের পেটে ফাটা দাগ দেখা দেয়। শিশুর জন্মের পরও পেটের ত্বকে লম্বা লম্বা দাগ থাকে অনেক সময়। তবে গর্ভাবস্থায় সচেতন থাকলে দাগহীন পেট রাখা সম্ভব ৷ দাগের কারণ: একজন মা গর্ভাবস্থায় প্রায় ৪০ সপ্তাহ ধরে দুই লিটার পানিসহ সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন৷ তাছাড়া জরায়ুসহ পেটের ত্বকের টিস্যু এমনভাবে তৈরি, যা ধীরে ধীরে রাবারের মতো বড় হয় ৷ কারণ গর্ভে থাকা সন্তানের আকার বড় হওয়ার সঙ্গে পেটও বড় হতে থাকে ৷ এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই পেটে টান পড়ে ৷ এতে পেটে প্রথমে লালভাব, নীল সবশেষ ফাটা দাগ দেখা দেয় ৷ এই দাগ শিশুর জন্মের আগে পেট, ঊরু ও নিতম্বে হয় ৷ তবে এর পেছনে কিছুটা বংশগত কারণও থাকতে পারে ৷ খাদ্যাভাস: পেটকে দাগমুক্ত রাখতে গর্ভবতী থাকাকালীন স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে ৷ খাবার তালিকায় রাখতে হবে শস্যদানাযুক্ত খাবার, মাছ, বিভিন্ন সবজি- ব্রোকলি, গাজর, ভিটামিন ‘ই’ ও ‘সি’ যুক্ত খাবার, চিনিবিহীন চা এবং প্রচুর পানি পান করতে হবে৷ হাঁটাচলা: মনে রাখবেন যত বেশি হাঁটবেন তত ভাল। হাঁটাহাঁটি করলে শরীরে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন হয় ৷ এর ফলে ত্বক দাগ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাবে। তাছাড়া গর্ভবতীরা ‘ইয়োগা’ বা যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। তবে মা ও শিশুকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে সাঁতার কাটা ৷ ‘ঠাণ্ডা-গরম’ শাওয়ার:  মনে রাখবেন ঠাণ্ডা-গরম শাওয়ার আপনার ত্বকের জন্য অনেক ভাল। এক্ষেত্রে প্রথমে ঠাণ্ডা, পরে গরম, আবার ঠাণ্ডা এভাবে শাওয়ার নিতে হবে। এতে ত্বকে ব্লাড সার্কুলেশন ভালোভাবে হয় ৷ গর্ভধারণের শুরু থেকেই এটা করা উচিত ৷ রোজ গোসল করার সময় পেট, নিতম্ব, ঊরু ও স্তনে আলাদা আলাদাভাবে ঠাণ্ডা-গরম-ঠাণ্ডা পানির শাওয়ার নিন ৷ তেলের মাসাজ: পেটের সন্তানের জন্ম যাতে সহজভাবে হয় সেজন্য গর্ভবতী নারীদের পেটে তেল মালিশ করার প্রচলন চালু আছে ৷ জার্মান ফার্মাসিস্ট তানিয়া ফ্রানৎস জানান, সবচেয়ে ভালো হয় বাদাম তেল মালিশ করা হয় পেটে। কারণ বাদাম তেল ত্বককে মসৃণ ও সুন্দর রাখে ৷ এক্ষেত্রে অবশ্যই আস্তে আস্তে মালিশ করতে হবে। কোনোভাবে যেন পেটে চাপ না লাগে ৷ এভাবে নিয়মিত যত্ন নিলে অনেকটাই দাগমুক্ত রাখা সম্ভব৷ সূত্র : ডয়েচে ভেলে। /আর/এআর

ফেসবুকে ভুয়া সংবাদ চিনবেন যেভাবে

বর্তমানে সোশাল মিডিয়ায় `ফেক নিউজ` এর ছড়াছড়ি। ভুয়া নিউজের ভিড়ে কোনটা সঠিক নিউজ চেনার উপায় নেই। আর এসব ‘ফেক নিউজের’ কারণে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে ফেসবুক, গুগল বা টুইটারের মতো সোশাল মিডিয়াকে। অবশ্য গত  কয়েক বছর ধরেই ফেসবুক `ফেক নিউজ` এর দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে উদ্যোগ নিয়েছে।`ফেক নিউজ` ছড়ানোর দায়ে অনেক দেশে ফেসবুক-এর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। চলতি বছর ইতালিতে `ফেক নিউজ` বিরোধী  বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ভুয়া নিউজ চেনার উপায় নিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছে ফেসবুক। জেনে নিন আপনি কীভাবে চিনবেন ভুয়া নিউজ - সন্দেহপ্রবণ হেডলাইন: ফেক নিউজের ক্ষেত্রে হেডলাইন হবে বেশি চিত্তাকর্ষক। এ ধরনের হেডলাইনে বিস্ময় সূচক বা প্রশ্ন চিহ্ন থাকলেই সতর্ক হন। আবার হেডলাইনের শব্দগুলি যদি অত্যাধিক বোল্ড বা অবিশ্বাস্য কিছু দাবি করা হয়, তাহলে নিশ্চিত থাকুন সেটি ভুয়া নিউজ। ইউআরএলটি চেক করুন: যদি আপনার কোন ধরণের সন্দেহ হয় তাহলে ইউআরএলটি ভালো করে চেক করুন। অনেক সময় অন্যকোনো সাইটের ইউআরএল-এ সামান্য শব্দের পরিবর্তন করে ফেক নিউজ আপলোড করে। তাই আপনি অবশ্যই নিশ্চিত হওয়ার জন্য ইউআরএলটি ইন্টারনেটের সার্চ করুন। দেখুন ওই ইউআরএল-এ এমন কোনো খবর আর কেউ করেছে কি না। খবরের উৎস: যে খবরটি প্রকাশ করেছে, সেই খবরটির উৎস আপনাকে যাচাই করতে হবে। দেখতে হবে কোনো প্রতিষ্ঠিত স্থান থেকে খবরটি প্রকাশ হয়েছে কিনা। অস্বাভাবিক ফরম্যাটিং: মনে রাখবেন, ভুয়া নিউজে ভুল বানান এবং অদ্ভুত লে-আউট দেখা যায়। তাই আপনি এটি দেখেই বুঝে নিতে পারেন এটি ফেক নিউজ। ফটো, ভিডিও যাচাই করুন: আপনাকে ফটো বা ভিডিও অবশ্যই যাচাই করে দেখতে হবে। কারসাজি করা চিত্র বা ভিডিও দেখলে সতর্ক হন। পাশাপাশি এই ছবি বা ভিডিওগুলো কোনো ব্র্যান্ডেড সোর্স-এ ব্যবহার হয়েছে কি না ভাল করে দেখে নিন। খবরের তারিখ: তারিখগুলো কবে প্রকাশ হয়েছে ভালোভাবে দেখুন। এমন খবর বলা হয়েছে, যেটা অন্য কোথাও দেখেননি তাহলে নিউজে বলা তারিখগুলো দেখে নিন ভাল করে। পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিনে দেখুন ওই খবর আর কেউ করেছে কি না। মনে রাখবেন জাল খবরের সাইটগুলো খবরের তারিখ বদলে দেয়। প্রমাণ যাচাই: খবরের উৎস ভালো করে দেখুন। এটি সত্য কিনা না সেটি অন্য সাইটে প্রকাশ হয়েছে কিনা যাচাই করুন। একই খবর  অন্য কোথাও আছে কিনা দেখুন: নিবউজটি অন্য কোনো সংবাদের উৎস কিনা দেখুন ভাল করে। সঙ্গে  কোনো প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যম এ খবর করেছে কি না সেটিও দেখে নিন। খবর না কৌতুক: ফেক নিউজে অনেক সময় হাস্যরস বা কৌতুকের উদ্রেক টেনেপ্রকাশ করা হয়। এই হাস্যরস বা কৌতুক ভালোভাবে খতিয়ে দেখুন। এটি থাকলে আপিন নিশ্চিত হতে পারেন যে এটি ফেক নিউজ। ইচ্ছাকৃত জাল: পাঠক আকর্ষণে এমন কিছু নিউজ প্রকাশ করা হয়, যা  ইচ্ছাকৃতভাবে জাল বানানো।   /আর/এআর

মেদ-ভুরি ও ওজন নিয়ন্ত্রণে মেডিটেশন

বাড়তি মেদ কি আপনার জন্যে সমস্যা? আপনার ওজন কি বেশি? আপনি কি দেখতে স্থুলকায়? বাড়তি ওজনের ফলে আপনার চলাফেরা ও কাজকর্মে অসুবিধা হচ্ছে? আপনি কি খুব ভোজনবিলসী? উচিত নয় জেনেও কি আপনি মজাদার খাবারের লোভ সংবরণ করতে না পারায় দিন দিন মোটাই হয়ে চলছেন? আপনার ওজন বৃদ্ধির কারণ কি অতিরিক্ত পানাহার, না ঠিক মতো ব্যায়াম না করা? অথবা ব্যায়াম করার পরও কি আপনার ওজন কমছে না? ডায়েটিং ও ব্যায়াম করার পর দুই থেকে তিন কেজি ওজন কমার পরই কি করেকদিনে আপনার ওজন তিন থেকে চার কেজি ওজন বেড়ে যায়? অবশ্য আপনার ওজন বাড়ার কারণ অতিভোজন না হয়ে ক্ষতিকর খাবার গ্রহণ করার প্রবণতাও হতে পারে। এ জন্যে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তান চমৎকার ফল নিয়ে আসতে পারে। কিন্তু খাবার কমানো বা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন নি:সন্দেহে একটি কঠিন কাজ। শুধু ইচ্ছে শক্তি প্রয়োগ করে এক্ষেত্রে সাফল্য লাভের সম্ভাবনা খুব কম। তবে মনছবি প্রয়োগ করে আপনি এক্ষত্রেও অসাধ্য সাধান করে পারেবন। খাবারের ব্যাপারে আমাদের সাধারণ ধারণা একেবারে অবৈজ্ঞানিক। আমরা যাকে স্ট্যান্ডার্ড খাবার তালিকা বলি তেমন স্ট্যান্ডার্ড খাবার বলে কিছু নেই। প্রত্যেক মানুষের খাবারের স্ট্যান্ডার্ড নিধার্রিত হয় তার দেহ মনের কোয়ান্টাম লেভেল থেকে। যে কারণে একজন প্রচুর খেয়েও শরীরের মেদ জমাতে পারে না, আর একজন পানি খেয়েও মেদ বাড়িয়ে ফেলে। অবচেতনে তথ্যের পুনর্বিন্যাস দ্বারা একজন মানুষ খুব কম খেয়েও সুন্দর স্বাথ্যের অধিকারী হতে পারেন। আমাদের দেহ মন প্রক্রিয়া আসলে পরিবেশ ও প্রয়োজনের সাথে চমৎকার খাপ খাইয়ে নিতে পারে। ডায়েট বিশেষজ্ঞ ডা. পল রোয়েন খাবার নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করেছেন। দীর্ষ ৩০ বছর গবেষণার পর তিনি বলেছেন, রাতে ভুরিভোজ হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং হঠাৎ মৃত্যুর জন্যে এক আদর্শ ব্যবস্থা। তিনি সকালে ও রাতে খাবারের ফলাফলের বর্ণনায় একটি সমীক্ষার কথা উল্লেখ করেছেন। এতে ৭ জন স্বেচ্ছাসেবক সকালে নাস্তায় দুই হাজার ক্যালোরি খাবার গ্রহণ করার পার দেখা যায় যে, তাদের ওজন কমে গেছে। আবার এই সাত জনই রাতে দুই হাজার ক্যালোরি খবার গ্রহণ করার পর দেখা যায় যে, তাদের ওজন কমার পরিবর্তে বেড়ে গেছে। গ্রাম বাংলায় এ ব্যাপারে একটা চমৎকার প্রবাদ প্রচলিত আছে-নাস্তা করো রাজার মতো, দুপুরে খাও রাজপুত্রের মতো আর রাতে খাও ভিখারীর মতো। ডা. পল রোয়েন তাই পরামর্শ ছিলো এরকম। ১. সকালে ভরপেটে নাস্তা করুন। ২. দুপুরে তৃপ্তির সাথে খান। ৩. রাতে হালকা খাবার গ্রহণ করুন। এটাই হচ্ছে খাবার গ্রহণের স্বাস্থ্যসম্মত পন্থা। আর কী পরিমাণ খাবার খাবেন, তা নির্ধারণ করবে আপনার পাকস্থলীর আয়তন। আর পাকস্থলী কতটুকু খাবারে পূর্ণ করবেন, সে ব্যাপারে ইসলাম ধর্মের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর একটি বাণী প্রণিধানযোগ্য। তিনি বলেছেন, তুমি তোমার পাকস্থালীর এক তৃতীয়াংশ খাবার এবং এক তৃতীয়াংশ পানিতে পূর্ণ করো। আর বাকি এক তৃতীয়াংশ ফাঁকা রাখে। খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে এই নিয়ম পালন করে মনের তথ্যভাণ্ডার পুনর্বিন্যাস করলে আপনি যেমন দেহ চান ঠিক তেমন দেহেরই অধিকারী হতে পারবেন।   খাবার নিয়ন্ত্রণে মেডিটেশন অতিভোজন বা খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের জন্যে আপনি প্রথমে প্রত্যয়ন রচনা করুন। প্রথমে বর্তমান অবস্থায় বিবরণ লিখুন। ওজন কত? কী কী খান? কী কী খাওয়া পছন্দ করেন তার তালিকা তৈরি করুন। কেন আপনি ওজন কমাতে চান বা কেন খাদ্যাভাস পরিবর্তন করতে চান তার কারণগুলো এক এক করে বিস্তারিত লিখুন। কত ওজন কমাতে চান তা লিখুন। মেদ আপনার স্বাস্থ্য হানির কতটা কারণ তা লিখুন। অথবা আপনি কি শুধু আকর্ষনীয় হওয়ার জন্যে স্লিম হতে চাচ্ছেন? কী কারণে আপনি খাবর নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছেন তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা লিপিবদ্ধ করুন। তাহলেই অবচেনের তথ্যভাণ্ডারকে আপনি পুনর্বিন্যাস্ত করতে পারবেন। মেডিটেশনে বসে আপনার মন ছবি মনিটরে দেখুন। আপনার ওজন কমিয়ে দেহকে যে অবস্থায় নিয়ে যেত চান তার ছবি দেখুন। ওজন কমলে আপনাকে কেমন লাগবে তা ভিজুয়ালিইজ করুন, অনুভব করুন। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে নতুন যে খাবার খেতে চাচ্ছেন, সেগুলো খুব ভালোভাবে ভিজুয়ালাইজ করুন এবং নিজেকে বুলন এইকুটু খেলেই আমার চলে যাবে। মনকে বলনু ও অনুভব করুন, নির্ধারিত খাবার খেলে আর আপনার ক্ষুধা লাগবে না। যে খাবারগুলো আপনি বর্জন করতে চান, এক এক করে স্কিনে এন ক্রস চিহ্ন দিয়ে বাতিল করে দিন অথবা তা এমন আজেবাজে জিনিস হিসেবে কল্পনা করুন, যেন তা খেতে নিলেই আপনার বমি ভাব চলে আসে। আপনার ওজন কমে গিয়ে নির্ধারিত ওজন এসে দাঁড়িয়েছে তা অবলোকন করুন। বাস্তবে এরকম সুন্দর ও অর্কণীয় হয়ে উঠলে আপনার মনে যে আনন্দানুভূতি হতো, তা সবগুলো ইন্দ্রিয় ও পূর্ণ আবেগ দিয়ে অনুভব করুন। ‍পূর্ণ আবেদন দিয়ে আপনার সাফল্যের অনুভূতির সাথে সবকিছুকে সম্পৃক্ত করুন। শরীরের ওজন কমানো ক্ষেত্রে সবসময়ই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং ধাপে ধাপে লক্ষ্য পানে অগ্রসর হোন। এক নাগাড়ে ৪০ দিন অনুশীলন অব্যাহত রাখুন। প্রয়োজনে সময় বাড়িয়ে দিন। আপনার ওজন সুনিশ্চিতভাবে হ্রাস পাবে। খাদ্যাভাস পরিবর্তনে আপনি অবশ্যই সফল হবে। আর ওজন বাড়াতে চাইলে ঠিক এর উল্টোটা করুন।   টিকে

ফেসবুকে বন্ধু হওয়ার আগে যা জানা জরুরি

সামাজিক যোগাযোগের শীর্ষ মাধ‍্যমে পরিণত হয়েছে ফেসবুক। ফেসবুকের মাধ্যমে প্রতিদিনই অনেক মানুষই আপনার বন্ধু তালিকায় যুক্ত হতে চান। নিজেরাও অনেক সময় পরিচিত মানুষকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে থাকি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বন্ধু হওয়ার আগে কিছু বিষয় জানা জরুরি। কারণ ফেসবুক এখন একটি ব‍্যক্তিগত ভার্চুয়াল ডায়েরিতে পরিণত হয়েছে। তাই বন্ধু হওয়ার আগে জেনে নিন কিছু বিষয়। বন্ধু হওয়ার আবেদন :  অনেক অচেনা মানুষই আপনার বন্ধু হবার জন্য রিকোয়েস্ট পাঠায়। তাদের সবার উদ্দেশ্যই ভালো হবে এমন নিশ্চয়তা নেই। কারো বন্ধু হওয়ার আবেদন গ্রহণ করার আগে তার প্রোফাইলটি ভালো করে দেখে নিন। অপরিচিতদের রিকোয়েস্ট না পাঠানো : সাধারণত ফেইসবুকের সচেতন ব‍্যবহারকারীরা অপরিচিত মানুষের রিকোয়েস্ট গ্রহণ করেন না। আবার অপরিচিত মানুষকে রিকোয়েস্ট পাঠালে অনেকেই বিরক্ত হতে পারেন। তাই অচেনা মানুষকে রিকোয়েস্ট না পাঠিয়ে চেনা মানুষকে পাঠান। শেয়ার করুন সাবধানে : সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যম এখন ব‍্যক্তিগত ডায়েরি। এখানে প্রতি মুহূর্তে ব‍্যক্তিগত জীবনের অনেক তথ্য, স্মৃতি ও ছবিসহ অনেক কিছুই শেয়ার করা হয়। তাই একান্ত ব‍্যক্তিগত কোনো পোস্ট অচেনার বন্ধুদেরকে দেখাতে চান কিনা তা ভেবে দেখা উচিত। কেন রিকোয়েস্ট : কী কারণে রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন এটি খেয়াল রাখবেন। আপনি অনেককেই চিনতে পারেন কিন্তু তারাও যে আপনাকে চিনবে এমন কোনো কথা নেই। তাই কি কারণে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন তা জানিয়ে একটি বার্তাও পাঠাতে পারেন। আর/ডব্লিউএন

পাসপোর্ট হারালে কী করবেন…

পাসপোর্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। এটি হারালে বেশ ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হয়। এটি হারিয়ে গেলে বিড়ম্বনা তো আছেই, বড় ধরনের অনিশ্চয়তায়ও পড়তে হয় মাঝেমধ্যে। বিদেশ ভ্রমণকালে দুর্ঘটনাবশত আপনার মূল্যবান পাসপোর্ট হারিয়ে গেছে, তো বিপদের শেষ নেই। বিদেশে পাসপোর্ট হারানো গেলে দ্রুত ওই দেশের পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করতে হবে কিংবা পাসপোর্টটি যে এলাকায় হারিয়ে গেছে সেই থানায় পাসপোর্ট হারানোর সাধারণ ডায়েরি করতে হবে। অন্যথায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সঠিক প্রমাণাদির অভাবে আপনাকে কারাগারেও যেতে হতে পারে। দ্রুত আপনি বাংলাদেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করবেন। আপনি যদি পাসপোর্টের ফটোকপি ও রোডপাস বা রাস্তায় চলাচলের প্রত্যয়নপত্র  নিয়ে দূতাবাসে যোগাযোগ করেন তাহলে নতুন পাসপোর্ট তৈরিতে তারা আপনাকে সহায়তা করবে। কোনো ট্র্যাভেল এজেন্সি যদি আপনার ভ্রমণে সহায়তা করে থাকে তারাও আপনাকে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করবে। তারপর বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস ও ইমিগ্রেশন অফিস আপনার সব তথ্য পর্যবেক্ষণ করে একটি প্রতিবেদন পাঠাবে যা আপনাকে দেশে ফেরত আসতে সাহায্য করবে। বিদেশে অবস্থান করার সময় আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। এ ব্যাপারে আপনাকে সাহায্য করবে সেদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাস । দূতাবাসের কনস্যুলার শাখা থেকে আপনার পাসপোর্ট নবায়ন করতে পারবেন। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাসের আগেই নবায়ন করা ভালো। //এম//এআর    

নিঃসঙ্গদের মৃত্যুঝুঁকি ৫০ ভাগ বেশি

একাকিত্বের অনুভূতি আমাদের মানসিক ও শারীরিক ভাবে দুর্বল করে দেয়। ব্যস্ততা, সময়ের অভাব ও সোশ্যাল মিডিয়ার ভার্চুয়াল রিয়্যালিটির মধ্যে ক্রমশই একা হয়ে পড়ছে মানুষ। কোথাও বাড়তে থাকা ডিভোর্স রেটের কারণে সিঙ্গলহুড, কখনও সময়ের সঙ্গে তাল রাখতে গিয়ে হারিয়ে ফেলা বন্ধুত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক বাড়িয়ে দিচ্ছে নিঃসঙ্গতা, একাকিত্ব। যার প্রভাব আমাদের জীবনে মুটিয়ে যাওয়া থেকেও মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে সতর্ক করছেন গবেষকরা। স্বাস্থ্যের উপর সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও নিঃসঙ্গতার প্রভাব নিয়ে ২১৮টি গবেষণার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানাচ্ছেন, যাদের সোশ্যাল কানেকশন বা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ কম, যাদের বন্ধুহীনতার সমস্যা রয়েছে, তাদের অল্পবয়সে মৃত্যুর সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি। যেখানে অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা এই সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। ব্রিংহ্যাম ইয়ঙ্গ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও এই বিষয়ের মুখ্য গবেষক জুলিয়ান হল্ট-লানস্টাড বলেন, যোগাযোগ, সম্পর্ক, বন্ধুত্ব রাখা মানুষের বেঁচে থাকার সাধারণ প্রয়োজনের মধ্যে পড়ে। যা শুধু বেঁচে থাকা নয়, ভাল থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি। একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতার কারণে অল্পবয়সী, এমনকী শিশুদের মধ্যেও অপরাধ প্রবণতা, নিজেকে আঘাত করা, এমনকী আত্মহননের প্রবণতাও দেখা যায়। এই সমস্যা অত্যন্ত গুরুতর। অথচ প্রতি দিনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ প্রায় সারা বিশ্বেই বেড়ে চলেছে নিঃসঙ্গতায় ভুগতে থাকা মানুষের সংখ্যা। একাকিত্বের অনুভূতি আমাদের মানসিক ও শারীরিক ভাবে দুর্বল করে দেয়। যারা নিঃসঙ্গ জীবন কাটান তারা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি অসুস্থতায় ভোগেন। মোট ৫০টি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ঘেঁটে করা গ্রানসেটের এই সমীক্ষা বলছে, এই মুহূর্তে ব্রিটেনের তিন চতুর্থাংশ বয়স্ক মানুষ একাকিত্বের সমস্যায় ভুগছেন। এবং তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই নিজেদের সমস্যা নিয়ে কখনও কারও সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করেননি। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয়, এদের মধ্যে ৭০ শতাংশই জানিয়েছেন পরিবার, বন্ধুরা তাঁদের একাকিত্বের কথা জানলে বিশ্বাসই করতে পারবে না। রিসেন্ট অফিস অব ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্স অনুযায়ী, এই মুহূর্তে ব্রিটেন ইউরোপের সবচেয়ে নিঃসঙ্গ দেশ। ক্যাম্পেন টু এন্ড লোনলিনেস অনুযায়ী, একাকিত্বের কারণে অসুস্থতা মোকাবিলায় প্রতি বছর ব্রিটেনে ২ কোটি ৬০ লক্ষ মার্কিন ডলার খরচ হয়। ব্রিটেনের মতোই এই সমস্যা বিশ্বের অন্যান্য বহু দেশেই ক্রমবর্ধমান বলে সতর্ক করেছেন হল্ট লানস্টাড। এখন থেকেই স্কুলের পাঠক্রমের সঙ্গেই একাকিত্ব মোকাবিলা ও সোশ্যাল স্কিল বাড়ানোর পাঠ দেওয়া হলে তা ভবিষ্যতে এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারা যাবে বলে মনে করছেন গবেষকরা।সূত্র : আনন্দবাজার।//এআর

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা নিজেদের ভালো লাগা-মন্দ লাগা সবকিছু শেয়ার করি। আমাদের আনন্দ, বেদনা সবকিছুই জুড়েই যেন আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে আছে ফেসবুক, টুইটার। তবে অনেকে আবেগী হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারে ভুল করে বসেন। তাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে দরকার একটু সতর্কতা, একটু কৌশল। চলুন, জেনে নিই। *ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া খুব পছন্দনীয় আমাদের কাছে। নিয়মিত আপডেট করতেও সবাই ভালোবাসি। কিন্তু প্রতিদিন খুব বেশি আপডেট না করাই ভালো, এতে করে আপনার অনুসারীরা বিরক্ত বোধ করেন। *আপনার যদি অনলাইনভিত্তিক কোনো ব্যবসা থাকে তবে অবশ্যই একটি বিশেষ পেইজ তৈরি করে রাখুন। ব্যক্তিগত প্রোফাইলের সঙ্গে ব্যবসা মিলিয়ে ফেললে একটা হ-য-ব-র-ল হবার সম্ভাবনা থাকে। *ফেসবুক টুইটার কেন্দ্রিক আমাদের অনেক বন্ধুবান্ধব ও অনুসারী থাকে। আমরা অনেকে তো আবার কার কতজন অনলাইন বন্ধু আছে সেটি নিয়েই তর্কে-বিতর্কে মেতে যাই। বাস্তব জীবনের মতই সামাজিক মাধ্যমে বন্ধু পছন্দ করার সময় সতর্ক হোন। এমন বন্ধুদের সঙ্গেই সংযুক্ত হোন যারা আপনার নেটওয়ার্কের মান বাড়াবে ও ওজনদার করবে। *আপনার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট কিন্তু অনেকটা আহ্বানকারীর মতন। যেকোনো সাফল্য, অগ্রগতি এবং প্রশংসা সময়মতন আপডেট করতে ভুলবেন না। সেগুলো দিয়েই কিন্তু আপনার কর্মক্ষমতা বিচার করা হয়ে থাকে। *মনে রাখবেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সী ও বিভিন্ন মননের ফ্রেন্ডস থাকে। তাই এমন কিছু পোস্ট করবেন না যা অন্যের বিরক্তির কারণ হয়। এতে আপনার ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। *সামাজিক মাধ্যমের পুরোটাই খাবারের ছবি দিয়ে ভরিয়ে ফেলা কিন্তু মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়! আপনি যদি ফুড ব্লগার না হয়ে থাকেন তবে ঘন ঘন খাবারের ছবি আপলোড করা এক ধরণের বোকামিই বটে। *বিভিন্ন ধরণের সোশ্যাল মিডিয়া কিন্তু বিভিন্ন রকম উদ্দেশ্যে সাধন করে। যেমন- ফেসবুক ও টুইটার মূলত নেটওয়ার্কিং বা যোগাযোগের জন্য, ইন্সটাগ্রামে প্রধাণত জাকজমকপূর্ণ ছবি আপলোড করা হয়। *লিংকড ইন প্রফেশনাল কাজে ব্যবহারের জন্যই অধিক প্রচলিত। এর সঠিক ব্যবহারসমূহ আপনাকে পরিপূর্ণভাবে জানতে হবে। ইন্সটাগ্রামে চাকরির আবেদন খুঁজলে আবার লিংকড ইনে প্রিয় বেড়ালের ছবি দিয়ে ভরে ফেললে চলবেনা একদম। *সোশ্যাল মিডিয়াতে যদি আপনার কোনো ব্র্যান্ড তৈরি করার মনোকামনা থেকে থাকে তবে ব্যক্তিগত জীবনের অনেক কিছু সেখানে শেয়ার না করাই ভালো। এতে করে ভারিক্কি একটা ভাব থাকবে আপনার প্রোফাইলে। ব্র্যান্ডিং করতে খুব একটা ঝামেলা পোহাতে হবে না। *পরিশেষে মনে রাখবেন, সোশ্যাল মিডিয়াতে আপনার অ্যাকাউন্ট নিতান্তই আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেখানে কেউ যদি আপনাকে নূন্যতম বিরক্ত কিংবা উত্যক্ত করার চেষ্টা করে তাহলে কোন বাকবিতণ্ডা ছাড়াই মানুষটিকে `ব্লক` করে দিন। এতে কার্পণ্য করার কোন মানে নেই। //এআর

এলার্জি সর্দি ও হাপানিতে কী করবেন

বিভিন্ন ধরণের এলার্জেন যেমন-ধূলা-বালি-ধোঁয়া, ফুলের রেণু, কলকারখানার নির্গত বিষাক্ত গ্যাস, গাড়ির ধোঁয়া, বিশেষ কিছু খাবার, ওষুধ ইত্যাদি এলার্জি ও এজমার সৃষ্টি করে। যেকোনো সুস্থ্য ব্যক্তিরও এলার্জি হতে পারে। সামান্য উপসর্গ থেকে শুরু করে মারাত্মক উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে, এমন কি হঠাৎ তীব্র আকারে আক্রমণ করতে পারে। মোট কথা বর্ষার ধূলাবালি, ধোঁয়া, গাড়ির বিষাক্ত গ্যাস, কলকারখানার সৃষ্ট পদার্থ, শীতের কুয়াশা, ফুলের রেণু, বিশেষ কয়েকটি খাবার যেমন-চিংড়ি, ইলিশ, বোয়াল, গজার, গরুর মাংস, হাঁসের ডিম, পাকা কলা, আনারস, নারিকেল, কসমেটিকস ও অগনিত জানা-অজানা জিনিস আমাদের শরীরে কাশি, শ্বাসকষ্ট এলার্জি ও এজমার সৃষ্টি করতে পারে। হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার সময় শ্বাসনালীতে নিন্মোক্ত পরিবর্তনগুলো দেখা যায়- ১. শ্বাসনালী লাল ও ফুলে যাওয়ার ফলে সরু হয়। ২. শ্বাসনালীর চারপাশের মাংসপেশীগুলো সংকুচিত হয়ে শ্বাসনালীকে আরো সরু করে দেয়।  ৩. শ্বাসনালীতে প্রচুর শ্লেষা তৈরি হয়ে শ্বাসনালীতে বায়ুপ্রবাহ আংশিকভাবে বন্ধ করে দেয়। চিকিৎসা: চিকিৎসার বিষয়ে জাতীয় কিডনি ও ইউরোলজী ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আনোয়ার হোসেন খান বলেন, হাঁপানি একটি দীর্ঘ মেয়াদী রোগ। সঠিক চিকিত্সা এবং ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে হাঁপানি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। যে সব উত্তেজকের (ট্রিগার) কারণে হাঁপানির তীব্রতা বেড়ে যায়, রোগীকে সেগুলো সণাক্ত করতে হবে এবং পরিহার করতে হবে। এছাড়া সব হাঁপানি রোগীকে নিন্মোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি নজর রাখতে হবে- ১. ধূমপান এবং তামাকের ধোঁয়ার সংস্পর্শ পরিহার করতে হবে ২. ঠান্ডা বাতাস হাঁপানির তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়। এই সময় চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ওষুধের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে হবে। ৩. ব্যয়াম এবং শারীরিক পরিশ্রম নিরুত্সাহিত করা উচিত নয়। ব্যায়াম শরীর ভাল রাখে এবং উচ্চ রক্তচাপ ও অন্যান্য জটিল রোগ বালাই থেকে শরীরকে রক্ষা করে। সঠিক ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যায়ামের সময় বা পরে হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা পরিহার করা সম্ভব। বাড়ির পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং বাড়িতে অবাধ বিশুদ্ধ বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। হাঁপানি প্রতিরোধক: যেসব ওষুধের ব্যবহার হাঁপানি রোগে আক্রান্ত হওয়া প্রতিরোধ করে তাদেরকে হাঁপানি প্রতিরোধক বলা হয়। ১. এন্টি ইনফ্লামেটরী ওষুধসমূহ; এইসব ওষুধ শ্বাসনালীর প্রদাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হাঁপানি প্রতিরোধ করে। এই শ্রেণীর বহুল ব্যবহৃত বুসোনাইড, ক্লোমিথাসেন এবং ফ্লুটিকাসোন ইত্যাদি। ২. ব্রঙ্কোডাইলেটর বা শ্বাসনালী প্রসারক; এইসব ওষুধসমূহ দ্রুত শ্বাসনালীকে প্রসারিত করে হাঁপানির তীব্রতা প্রতিরোধ করে। হাঁপানি উপশমে: ব্রঙ্কোডাইলেটরসমূহ উপশম কারক হিসেবে কাজ করে। ব্রঙ্কোডাইলেটর সমূহ শ্বাসনালীকে দ্রুত প্রসারিত করে ফলে ফুসফুসে সহজে বায়ু চলাচল করতে পারে এবং এর মাধ্যমে হাঁপানি আক্রান্ত রোগীর উপসর্গসমূহ দ্রুত উপশম হয়। দুই ধরণের ব্রঙ্কোডাইলেটর বা শ্বাসনালী প্রসারক আছে, যেমন; ১. ক্ষণস্থায়ী ব্রঙ্কোডাইলেটর যেমন- সালবিউটামল। এইসব ওষুধ দিনে ৩-৪ বার ব্যবহার করতে হয়। ২. দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কোডাইলেটর যেমন-ব্যামবিউটামল। এসব ওষুধ দিনে একবার ব্যবহার করতে হয়। মৃদু বা মাঝারী হাঁপানিতে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষণস্থায়ী ব্রঙ্কোডাইলেটর ব্যবহার করলে কোন ধরণের ক্লিনিক্যাল সুবিধা পাওয়া যায় না। তাই এইসব ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী ব্রঙ্কোডাইলেটর ব্যবহার করতে হবে। রাত্রিকালীন হাঁপানিতে মোডিফাইড রিলিজড থিওফাইলিনের বিকল্প হিসাবে ব্যামবিউটামল ব্যবহার করে ভাল সুফল পাওয়া যায়। হাঁপানির পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অনেক রোগীই হাঁপানি চিকিৎসার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কথা বলে কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত হাঁপানি ভয়াবহ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ২. সঠিক চিকিত্সা ও ওষুধের ব্যবহারের মাধ্যমে হাঁপানি  নিয়ন্ত্রণ না করলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা  হ্রাস পাবে এবং অকেজো হবে। ৩. শিশুদের হাঁপানির ঠিকমত চিকিত্সা না করালে বৃদ্ধি ব্যাহত হয় এবং মায়েদের বেলায় গর্ভস্থ ভ্রণের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। আরকে//এআর

ফেসবুকে ‘নকল লাইক’পাওয়া যায় যেভাবে!

ফেসবুকে ‘নকল লাইক’! জোকস নয়, একদম সত্যি। সম্প্রতি ফেসবুকের একটি ভুলের কারণেই এমনটা হচ্ছে বলে জানা গেছে। লোয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের চোখে প্রথম ধরা পড়ে ফেসবুকের এই গড়মিল। বিজ্ঞানীরা তদন্ত করে জানতে পেরেছেন ‘কলিউশান নেটওয়ার্ক’-এর মাধ্যমে বিনামুল্যে কোটি কোটি নকল লাইক পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। প্রযুক্তিবিদরা জানিয়েছেন এই নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত হতে আপনার অ্যাকাউন্টেরর প্রায় সব অ্যাকসেস গ্র্যান্ট করতে হবে। এটা করে ফেললেই আপনি যুক্ত হয়ে যাবেন ওই নেটওয়ার্কে। নোকিয়া ৬, গ্যালাক্সি নোট ৮, মটো জি৫এস প্লাস, এলজি ভি৩০ সহ আরও কিছু ট্রেন্ডিং ফোনে অ্যাপল আইমুভি, স্পোটিফাই- এর মতো কিছু অ্যাপে ফেসবুক দিয়ে লগ ইন করলে এই নেটওয়ার্কে ঢুকে পড়বেন। এরপর আপনি কিছু পোস্ট করলে তাতে শুরু হবে কোটি কোটি লাইক। সিবিএস নিউজ এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ব্যাবহৃত হয়েছিলো এই পদ্ধতি। তবে তা রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর ভালোর জন্য নাকি ক্ষতি করতে করা হয়েছিল তা জানা যায়নি। তবে এই নেটওয়ার্কে যোগ দেওয়াটা কোন বুদ্ধিমানের কাজ নয় কারন বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপরাধ করা যায়। তখন আপনি আপরাধ না করেই ফেঁসে যেতে পারেন এই কারণে। তথ্যসূত্র: গিজবট//এআর

রাগ নিয়ন্ত্রণে যা করবেন

কথায় আছে রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন। তবুও আমাদের চারপাশে অনেকেই আছেন যারা হুট করেই মেজাজ খারাপ করে বসেন। রেগে যান। আর অনেকে সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। ফলে রাগের মাথায় এমন কিছু করে বসেন যে পরবর্তী সময়ে সমূহ বিপদের মধ্যে পড়তে হয়। দেখা যায় পরে নিজেও অনুভব করেন যে অমন আচরণ না করাই উচিত ছিল৷ ফলে ক্রোধের মূহুর্তে নিজেকে নিয়ন্ত্রিত রাখা উচিত। আর নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য নিজের উপায়গুলো অনুস্মরণ করতে পারেন-*যত দ্রুত সম্ভব স্থান পরিবর্তন করুন।*মাটির দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকুন।*একবার নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করুন, তারপর কথা বলুন।*জোর জোরে শ্বাস নিন।*কাজের মধ্য থাকলে একটু বিরতি নিয়ে নিন।*সম্ভাব্য সমাধানের কথা চিন্তা করুন।* নিয়মিত মেডিটেশন করুন।*রাগের পরিণতি সম্পর্কে ভাবুন। *বিদ্বেষ নিজের মধ্যে আটকে রাখবেন না।*রাগের মাথায় কিছু বলার আগে একবার চিন্তা করে নিন*কিছুক্ষণ নিজের সঙ্গে কথা বলুন

মাইগ্রেন ব্যাথায় যা করবেন

মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হলে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাঝে মাঝে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে মাইগ্রেনজনিত মাথাব্যথা। মেয়েদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়। সাধারণত ২৫-৩০ বছর বয়সে এই রোগের শুরু হয়। মাইগ্রেন কীমাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যেকোনো এক পাশ থেকে শুরু হয়ে তা বিস্তৃত আকার ধারণ করে। মস্তিষ্কে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হয়। মস্তিষ্কের বহিরাবরণে যে ধমনিগুলো আছে, সেগুলো মাথাব্যথার প্রারম্ভে স্ফীত হয়ে ফুলে যায়। মাথাব্যথার সঙ্গে সঙ্গে বমি এবং বমি বমি ভাব। এতে রোগীর দৃষ্টিবিভ্রম হতে পারে।সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. বিল্লাল আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়, দৃষ্টিস্বল্পতা, মস্তিষ্কের টিউমার, মাথায় রক্তক্ষরণ প্রভৃতি কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে। মনে রাখতে হবে, মাইগ্রেন এক ধরনের প্রাইমারি হেডেক, যা নিয়মিত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসকের অধীনে এবং নিয়মিত চেকআপের মাধ্যমে এ রোগের চিকিৎসা করা উচিত।’ মাইগ্রেনের ব্যথা চোখের কোনো সমস্যার জন্য হয় না। কেন এবং কাদের মাইগ্রেন হয়মাইগ্রেনের কারণ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে এটি বংশগত বা অজ্ঞাত কোনো কারণে হতে পারে। এটি সাধারণত পুরুষের চেয়ে নারীদের বেশি হয়। পুরুষ ও নারীদের এই অনুপাত ১: ৫। চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি বেশি খাওয়া, জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা, অতিরিক্ত ভ্রমণ, ব্যায়াম, অনিদ্রা, অনেকক্ষণ টিভি দেখা, দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করা, মোবাইলে কথা বলা ইত্যাদি কারণে এ রোগ হতে পারে। মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, কোষ্ঠকাঠিন্য, অতি উজ্জ্বল আলো এই রোগকে ত্বরান্বিত করে। লক্ষণমাইগ্রেন বয়ঃসন্ধিকাল থেকে শুরু হয় এবং মাঝ বয়স পর্যন্ত কিছুদিন বা কয়েক মাস পরপর হতে পারে। মাথাব্যথা শুরু হলে তা কয়েক ঘণ্টা, এমনকি কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাথাব্যথা, বমি ভাব এ রোগের প্রধান লক্ষণ। তবে অতিরিক্ত হাই তোলা, কোনো কাজে মনোযোগ নষ্ট হওয়া, বিরক্তিবোধ করা ইত্যাদি উপসর্গ মাথাব্যথা শুরুর আগেও হতে পারে। মাথার যেকোনো অংশ থেকে এ ব্যথা শুরু হয়। পরে পুরো মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। চোখের পেছনে ব্যথার অনুভূতি তৈরি হতে পারে। শব্দ ও আলো ভালো লাগে না। কখনো কখনো অতিরিক্ত শব্দ ও আলোয় মাথাব্যথা বেড়ে যায়। মাইগ্রেন থেকে রেহাই পাওয়ার কিছু উপায়*মাইগ্রেন চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক এবং প্রতিরোধক ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।*অতিরিক্ত বা কম আলোতে কাজ না করা।*কড়া রোদ বা তীব্র ঠান্ডা পরিহার করতে হবে।*রোজ নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে হবে এবং সেটা হতে হবে পরিমিত।*উচ্চ শব্দ ও কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে বেশিক্ষণ না থাকা।*বেশি সময় ধরে কম্পিউটারের মনিটর ও টিভির সামনে না থাকা।*মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেলে, প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা (বিশেষ করে বমি হয়ে থাকলে), বিশ্রাম করা, ঠান্ডা কাপড় মাথায় জড়িয়ে রাখা উচিত। মাইগ্রেন প্রতিরোধী খাবার *সবুজ, হলুদ ও কমলা রঙের শাকসবজি নিয়মিত খেলে উপকার হয়।*ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি মাইগ্রেন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তিল, আটা ও বিট ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে।*ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, যেমন ঢেঁকি ছাঁটা চালের ভাত, আলু ও বার্লি মাইগ্রেন প্রতিরোধক।*বিভিন্ন ফল বিশেষ করে খেজুর ও ডুমুর ব্যথা উপশম করে।*আদার টুকরো বা রস দিনে দুবার জিনজার পাউডার পানিতে মিশিয়ে খেতে পারেন।কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলবেন*টমেটো ও টকজাতীয় ফল খাবেন না*গমজাতীয় খাবার, যেমন রুটি, পাস্তা, ব্রেড ইত্যাদি*আপেল, কলা ও চিনাবাদাম*পেঁয়াজ*চা, কফি ও কোমলপানীয়*চকলেট, আইসক্রিম, দই*দুধ, মাখনব্যথা বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। //এআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি