ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:৩১:০৫

ফরমালিন আম ও কৃষকের সর্বনাশ  

বিদেশী ফল আমদানিকারকদের জন্য আশীর্বাদ  

ফরমালিন আম ও কৃষকের সর্বনাশ  

বাংলাদেশে আম শুধু ফলই না। আমকে বাংলাদেশে ডাকা হয় ‘ফলের রাজা’ হিসেবে। কিন্তু সেই আমকেই নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। কেমিক্যাল বিশেষ করে ফরমালিনযুক্ত থাকার অভিযোগে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নষ্ট করা হচ্ছে এসব আম। তবে সংশ্লিষ্ট খাত বিশেষজ্ঞরা বলছেন ফরমালিনের মিছে বাহানায় এসব আম উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। সর্বনাশ হচ্ছে দেশীয় আম চাষীদের আর লাভের পাল্লা ভারী হচ্ছে বিদেশী ফল আমদানিকারকদের। ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশের কাঁচা শাকসবজি ও ফলের বাজারে ফরমালিনের প্রকোপ বেশ সাড়া ফেলে। সেই সময় থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ফরমালিন বিরোধী টানা অভিযানে প্রায়ই নষ্ট করে দেওয়া হতো কাঁচা শাক-সবজি, ফলমূল ও মাছ-মাংস। কিন্তু এরপরের সময়গুলোতে, কৃষি গবেষকরা বলছেন, আমে ফরমালিন যুক্ত করার যে বিষয়টি সচরাচর শোনা যায় তা ঠিক নয়। কারণ ফলমূলে ফরমালিনের প্রয়োগ মানবদেহে তা কোন ধরণের ক্ষতি করে না। তবুও এই ফরমালিনের অভিযোগে ধ্বংস করা হয় বাজারে থাকা ফলমূল বিশেষ করে আম। কারওয়ান বাজারের এক ফল বিক্রেতা আবদুর রহিম ইটিভি অনলাইনকে বলেন, “আমরা তো আমে ফরমালিন দেই না। আর ইদানীং কেউই আমে ফরমালিন দেয় না। কিন্তু এরপরেও আমাদের দোকান থেকে আম নিয়ে তা ধ্বংস করা হয়। এতে তো আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হই”।    তবে শুধু দেশীয় আম বিক্রেতারাই না বরং দেশীয় আমের বিরুদ্ধে এমন ‘চিরুনী অভিযানে’ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আম চাষীরা। রাজশাহী, নওগাঁ, চাপাই নবাবগঞ্জের মতো জেলাগুলোতে থাকা আম চাষীরা হচ্ছে সর্বশান্ত। রাজশাহী থেকে কারওয়ান বাজারে আম সরবরাহকারী ও আম চাষী হেদায়েত মিয়া জানান, “এখন আর আমাদের আম কেউ দোকানে রাখতে চায় না। থাইল্যান্ড থেকে আসা আম দোকানে থাকে। আর যে কয়েকটি পাইকার বা আড়তদার আমাদের দেশীয় আম রাখতে চায় তারা অনেক কম দাম বলে। এতে তো আমরা সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছি”। হিসাব বলছে, বিগত দুই সপ্তাহে শুধু রাজধানীতেই প্রায় দুই হাজার মণ দেশীয় আম ধ্বংস করা হয়। র‍্যাব, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) সহ বিভিন্ন সংস্থা রাজধানীর কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ি বাজারসহ বড় বড় বাজারগুলোতে এসব অভিযান পরিচালনা করে। সারাদেশের হিসেবে ধ্বংস হওয়া এই আমের সংখ্যা আরও বেশি।  দেশীয় আম ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের আশঙ্কা যে, বিদেশ থেকে যারা আম এদেশে আমদানি করে তাদেরকে কোন ধরণের সুবিধা দিতেই ধ্বংস করা হচ্ছে দেশীয় আম। অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি (এসিআই) এগ্রি বিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এফ এইচ আনসারী ইটিভি অনলাইনকে বলেন, “আমে যে ইথোপিন (এক ধরণের ফরমালিন) প্রয়োগের অভিযোগ আনা হয় সেই ইথোপিন কিন্তু মানব স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়। বরং আমে যে ইথোপিন দিয়ে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পরিবহণ করা হয় তা গ্লোবাল প্র্যাকটিস। এই থাইল্যান্ড থেকে যে আম আসে তাতে কী ইথোপিন নেই? আছে। সেই আম আমরা ঠিকই উচ্চ দাম দিয়ে কিনে খাই কিন্তু দেশীয় আম খাব না”।    এফ এইচ আনসারী আরও বলেন, “এখন আমের মৌসুম। পবিত্র রমজান মাসও চলছে। এই সময়টাই আম চাষী, ব্যবসায়ীদের জন্য শ্রেষ্ঠ সময়। মানুষরা সারাদিন রোজা রাখার পর এক টুকরা খেজুরের সাথে আম খেতে পারেন। আমকে শুকিয়ে ড্রাই (শুষ্ক) করে সংরক্ষণ করেও তা খাওয়া যেতে পারে। এখন যদি চাষীদের আম এভাবে অভিযানের নামে নষ্ট করা হয় তাহলে এতে তাদের সর্বনাশ কেউ ঠেকাতে পারবে না। মৌসুমের শুরুতে ফলের ভালো মূল্য পায় চাষীরা। কিন্তু এই ফরমালিনের গুজব যদি বন্ধ না হয় তাহলে তারা তাদের ন্যায্য মূল্য পাবে না। আর দিন যত বাড়বে আমের মূল্য এমনিতেই আরও কমে আসবে। এটা তাদের জন্য ক্ষতি”। তাহলে আমে ফরমালিনের এই সমস্যা কেন এমন প্রশ্নের জবাবে এফ এইচ আনসারী বলেন, “এটা আসলে যোগাযোগের সমস্যা। একটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে এতদিনে। আমাদের দেশে প্রচুর বিজ্ঞানী আছেন। তারা ইতোমধ্যে বলেছেন যে, এই ফরমালিন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক না। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি আকারেও বিষয়টি পরিষ্কার করে জানিয়েছে। এরপরেও এ বিষয়ে আমাদের দ্বিধা থাকার কথা না। মূলত বিদেশী ফল আমদানিকারকদের সার্থেই এমনটা করা হচ্ছে”। বাজারের এসব গুজবকে গুরুত্ব না দিয়ে দেশীয় আমের সার্থে সরকার কাজ করবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন দেশীয় আম চাষী,কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।      এসি    
মরণঘাতী সিগারেট ছাড়বেন যেভাবে?

সিগারেট যে কতটা ক্ষতিকর তা নার্সারির বাচ্চারাও জানে। একে তো সিগারেট কেনার খরচ, তার সঙ্গে হার্টের অসুখ থেকে শুরু করে শ্বাসনালী সমেত ফুসফুসের সমস্যা, মায় ক্যানসারের চিকিৎসার বিপুল ব্যয়। বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবসের প্রাক্কালে হার্টের অসুখের অন্যতম রিস্ক ফ্যাক্টর সিগারেট টানা কমিয়ে ফেলার পরামর্শ দিলেন ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট প্রকাশ কুমার হাজরা। আচ্ছা, আপনারা কি ন্যাপথলিন, টয়লেট ক্লিনার, নেলপলিশ রিমুভার, আর্সেনিক বা ডিডিটি চেখে দেখেছেন? সকলে না চাখলেও ধূমপায়ীরা নির্ঘাত খেয়েছেন এ কথা হলফ করে বলতে পারি। মনগড়া নয়, সিগারেটের উপাদানে আছে আর্সেনিক, টয়লেট ক্লিনারে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়া, কীটনাশক ডিডিটি, নেলপলিশ রিমুভার অ্যাসিটোন, ব্যাটারিতে ব্যবহৃত ক্যাডমিয়াম, নিকোটিন-সহ আরও প্রায় ৭০০০ বিষ! অথচ স্বেচ্ছায় সেই বিষ নিজেরা বুক ভরে টেনে নিচ্ছেন, ছড়িয়ে দিচ্ছেন প্রিয় সন্তান ও বাড়ির অন্যদের শরীরেও। সুস্থ ভাবে বাঁচতে গেলে সিগারেটের সুখটানকে গুডবাই করতেই হবে। তার জন্যে চাই সদিচ্ছা। ‘‘সিগারেট ছাড়া খুব সহজ, আমি কত বারই ছেড়েছি...” জর্জ বার্নাড শ’র মতো এমন অনেক মানুষই আছেন যাঁরা চেষ্টা করেন ধূমপান ছেড়ে দিতে, কিন্তু চেষ্টা করেও ধোঁয়ার বেষ্টন থেকে মুক্ত হতে পারেন না। বারে বারে ছাড়েন আর ধরেন। তাঁরা কী ভাবে ধোঁয়ার নাগপাশ থেকে মুক্ত হবেন জেনে নিন। তবে নিজের ইচ্ছে না থাকলে নেশার হাত এড়ানো সহজ নয়। এক সঙ্গে প্যাকেট বোঝাই সিগারেট বা বিড়ির বান্ডিল কিনবেন না। বড়জোর ২টো কিনুন। প্যাকেট ভর্তি থাকলে মন বার বার খাই খাই করে আপনাকে উস্কানি দেবে।গাড়ির মধ্যে, অফিসে বা বাড়িতে সিগারেট টানবেন না। ছাদে উঠে কিম্বা রাস্তায় নেমে সিগারেট ধরান। বয়জ্যেষ্ঠ মানুষ অথবা সম্মাননীয় কোনও মানুষের সামনে সিগারেট খাবেন না।দু’টি সিগারেট টানার মধ্যে গ্যাপ বাড়াতে হবে। চা পানের পর বা সকালে বাথরুম দৌড়নর আগে সিগারেটের অভ্যেস থাকলে তা ধীরে ধীরে কমানোর চেষ্টা করতে হবে। ধোঁয়া টানার ইচ্ছে হলে জোয়ান, চিকলেট, আমলকি জাতীয় কিছু মুখে রাখুন।সিগারেট ধরানোর পর পুরোটা না টেনে অর্ধেক ফেলে দেওয়ার অভ্যেস করুন। ক্রমশ তা বাড়িয়ে এক চতুর্থাংশ টেনে ফেলে দিন।সরকার কিছু আইন জারি করলে ধূমপান-সহ তামাকের নেশা কমানো যায় সহজেই। সিগারেটের সাইজ ছোট করে দিতে হবে। যে কোনও প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান আইনত দণ্ডনীয় করা দরকার।সিগারেটের প্যাকেটে কিছু স্যাম সিগার রাখলেও ভাল ফল পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১০ টা সিগারেটের মধ্যে ২- ৩টি নকল সিগারেট থাকুক।স্কুল, কলেজ, অফিস ও বাজারে সিগারেট বিক্রি বন্ধ করা বাধ্যতামূলক করা উচিত।পানের দোকানে সিগারেট-সহ যাবতীয় তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি বন্ধ করার ব্যবস্থা করলে তামাকের ব্যবহার কমতে বাধ্য। সহজলভ্য হওয়ায় চট করে স্কুল-কলেজের ছেলেমেয়েরা নেশা শুরু করে। সিগারেট বিক্রি হোক ওষুধের দোকানে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের সিগারেট বিক্রি করলে বিক্রেতাকেও শাস্তি দেওয়া হোক। তবে সবার আগে দরকার নিজের সদিচ্ছা। পায়ে হোক বা বুকে, ব্যথার জন্যে দায়ী স্মোকিং সিগারেট-বিড়ির ধোঁয়ায় থাকা হাজার হাজার বিষাক্ত রাসায়ানিক ধূমপায়ীর সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের কাছাকাছি থাকা অন্যদেরও ক্ষতি হয়। প্রতি বছর ৬০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয় শুধুমাত্র তামাকের কারণে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০৩০ সালে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৮০ লক্ষে। শ্বাসনালী ও ফুসফুসের অসুখের পাশাপাশি হার্টের অসুখের এক অন্যতম রিস্ক ফ্যাক্টর স্মোকিং। আর এই কারনেই এবারের বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবসের থিম – ধুমপান ও হার্টের অসুখ। সিগারেট বা বিড়ির ধোঁয়ায় আমাদের শরীরের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা, হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক কাজকর্ম সবই ওলোটপালট হয়ে যায়। হার্টেই যদি গণ্ডগোল হয় তা হলে সে যে বিদ্রোহ করবে সে আর নতুন কথা কী! এ দেশে প্রতি তিন জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে এক জন ধূমপায়ী। অবশ্য ধোঁয়া টানার শুরু স্কুল বা কলেজ জীবনে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নিম্নবিত্ত মানুষজনের মধ্যে বিড়ির নেশা বেশি দেখা যায়। ২০১১ সালে ৫.৮ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে স্রেফ বিড়ি টেনে। এই ক’বছরে সংখ্যাটা আরও বেড়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে উন্নয়নশীল দেশে ৩৫–৬৯ বছর বয়সে ৩৫% হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর অন্যতম কারণ ধূমপান। যাঁরা দিনে ২০টি বা তারও বেশি সিগারেট টানেন, তাঁদের হার্ট অ্যাটাকে মারা যাওয়ার ঝুঁকি এক জন অধূমপায়ীর থেকে ৭০% বেশি। ধূমপানে বাড়ে পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজের আশঙ্কা। অর্থাৎ পা-সহ শরীরের বিভিন্ন অংশের রক্তবাহী ধমনিতে কোলেস্টেরলের প্রলেপ জমে রক্ত চলাচল কমে যায়। সব থেকে বেশি সমস্যা হয় পায়ে। ধূমপায়ীদের এই অসুখের আশঙ্কা অন্যদের থেকে ১৬ গুণ বেশি। মধ্য বয়সে পেরিফেরাল ভাস্কুলার ডিজিজ জনিত পায়ের ব্যথার রোগীদের ৯৫% ধূমপায়ী। তাই সিগারেটের সুখটানে রোগ বরণ না করে জাস্ট জীবন থেকে বাদ দিন। ‘পতির পুণ্যে সতীর পুণ্য’ জীবনে এক বারও সিগারেট-বিড়ি টানেননি, অথচ তামাকজনিত অসুস্থতার শিকার এমন মানুষের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। মহিলা ও শিশুদের মধ্যে সেকেন্ড হ্যান্ড স্মোকিং-এর কারণে নানা শারীরিক সমস্যা দেখা যায়। অধূমপায়ী স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে অনেকেই সিগারেট ফোঁকেন। আর তার কুফল পড়ে কাছের মানুষদের ওপর। সিগারেট-বিড়ির ধোঁয়ার কুপ্রভাবে ছোট্ট শিশু থেকে তার মা, সকলেরই ফুসফুসের সমস্যা থেকে হার্টের অসুখের ঝুঁকি বহু গুণ বেড়ে যায়। এদের মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ, অর্থাৎ হার্টের অসুখের ঝুঁকি বাড়ে ২৫–৩০%, স্ট্রোকের রিস্ক ২০-৩০%, শুধুমাত্র আমেরিকাতেই বছরে ৩৪,০০০ মানুষের অকালমৃত্যু হয় পরোক্ষ ধূমপানের কারণে। তাই সিগারেটকে বিদায় করে নিজেও সুস্থ থাকুন, কাছের মানুষদের ভাল থাকতে দিন। বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবসের প্রাক্কালে এই হোক সব ধূমপায়ীর শপথ! সূত্র: আনন্দ বাজার এমজে/

ই-পাসপোর্টে মিলবে যেসব সুবিধা

পাসপোর্টের দুই প্রজন্ম তথা যন্ত্রে অপাঠযোগ্য কাগুজে পাসপোর্ট এবং  যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্টের (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট-এমআরপি) পর এবার আসছে ইলেকট্রনিক বা ই-পাসপোর্ট। বিশ্বের ১১৯ টি দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশেও চালু হচ্ছে ডিজিটাল এই পাসপোর্ট। আগামী ডিসেম্বর থেকে চালু হতে পারে ই-পাসপোর্ট।পাসপোর্ট অধিদফতর সূত্র জানায়, ই-পাসপোর্টে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা ফিচার থাকবে। বর্তমানে এমআরপি ডেটাবেইসে যেসব তথ্য আছে, তা ই-পাসপোর্টে স্থানান্তর করা হবে। পাসপোর্টের মেয়াদ হবে বয়সভেদে ৫ ও ১০ বছর। ই-পাসপোর্ট চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এমআরপি পাসপোর্ট বাতিল হয়ে যাবে না। তবে কারও পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে তাঁকে এমআরপির বদলে ই-পাসপোর্ট নিতে হবে।বর্তমানে বই আকারে যে পাসপোর্ট আছে, ই-পাসপোর্টেও একই ধরনের বই থাকবে। তবে বর্তমানে পাসপোর্টের বইয়ের শুরুতে ব্যক্তির তথ্যসংবলিত যে দুটি পাতা আছে, ই-পাসপোর্টে তা থাকবে না। সেখানে থাকবে পালিমারের তৈরি একটি কার্ড। এই কার্ডের মধ্যে থাকবে একটি চিপ। সেই চিপে পাসপোর্টের বাহকের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে।ই-পাসপোর্টের সব তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষিত থাকবে ‘পাবলিক কি ডাইরেকটরি’তে (পিকেডি)। আন্তর্জাতিক এই তথ্যভান্ডার পরিচালনা করে ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন (আইসিএও)। ইন্টারপোলসহ বিশ্বের সব বিমান ও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এই তথ্যভান্ডারে ঢুকে তথ্য যাচাই করতে পারে।ই-পাসপোর্টের বাহক কোনো দেশের দূতাবাসে ভিসার জন্য আবেদন করলে কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আবেদনকারীর তথ্যের সঙ্গে পিকেডিতে সংরক্ষিত তথ্য যাচাই করে নেবে এবং আবেদন গ্রহণ করে বইয়ের পাতায় ভিসা স্টিকার কিংবা বাতিল করে সিল দেবে। স্থল ও বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষও একই পদ্ধতিতে পিকেডিতে ঢুকে ই-পাসপোর্টের তথ্য যাচাই করবে।পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, ই-পাসপোর্ট চালুর জন্য দেশের প্রতিটি বিমান ও স্থলবন্দরে চাহিদামোতাবেক ই-গেট স্থাপন করে স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালু করা হবে। যাঁদের হাতে ই-পাসপোর্ট থাকবে, তাঁদের এই গেট দিয়ে সীমান্ত পার হতে হবে। তবে যাঁদের হাতে এমআরপি পাসপোর্ট থাকবে, তাঁদের ইমিগ্রেশনের কাজ বিদ্যমান পদ্ধতিতে চলমান থাকবে।পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শুরুতে ২০ লাখ পাসপোর্ট জার্মানি থেকে প্রিন্ট করিয়ে সরবরাহ করা হবে। এরপর আরও ২ কোটি ৮০ লাখ পাসপোর্ট বাংলাদেশে প্রিন্ট করা হবে। সে জন্য উত্তরায় কারখানা স্থাপন করা হবে। পরবর্তী সময়ে ওই কারখানায় থেকে ই–পাসপোর্ট ছাপানো অব্যাহত রাখা হবে।/ এআর /

হ্যাকারদের কাছ থেকে পাসওয়ার্ড সুরক্ষার উপায়

তথ্য সুরক্ষিত রাখতে পাসওয়ার্ডের গুরুত্ব সর্ম্পকে আমরা সকলেই অবগত৷ অনেকেই জানেন না কঠিন পাসওয়ার্ড কিন্তু সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে৷ ২০১৬ সালে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যাক্তি দাবি করেন তাঁর কাছে ২৭২ মিলিয়ন ইউজারের পাসওয়ার্ড রয়েছে৷  জানা গেছে, সংগ্রহ করা এসব পাসওয়ার্ড বহু আগেই কালেক্ট করা হয়েছে৷ এই ঘটনা থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইউজারদের পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়৷ হ্যাকাররা ইন্টারনেট থেকে এই সমস্ত পাসওয়ার্ড কালেক্ট করেন এবং পরে সেগুলিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট অ্যাকসেস করে থাকেন৷ তাই, গোপন তথ্যগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে অবশ্যই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন৷ সেগুলি যাতে সহজ এবং বড় না হয় সে দিকে নজর রাখুন৷ কীভাবে বুঝবেন আপনার পাসওয়ার্ডটি হ্যাকড? চিন্তা নেই৷ Okta, একটি লগ-ইন ম্যানেজম্যান্ট সংস্থা৷ যেটি প্লাগ-ইন নামে একটি ব্রাউজার এনেছে, যা সাহায্য করবে ইউজারকে সমস্যাটি থেকে মুক্তি পেতে৷ কীভাবে কাজ করে এই প্লাগ-ইন? পছন্দের ওয়েবসাইটে গিয়ে লগ-ইন করতে পাসওয়ার্ড দিন৷ এরপর ইউজার একটি ওয়ার্নিং পাবেন৷ তবে, দ্বিতীয়বার আর ওয়ার্নিংটি দেখা যাবে না৷  সংস্থা জানিয়েছে, প্লাগ-ইন তথ্য সংগ্রহ করে “Have I Been Pwned” থেকে৷ যেখান থেকে আপনি সরাসরি আপনার পাসওয়ার্ডটি পরীক্ষা করতে পারবেন৷    কেআই/এসি   

পাসপোর্ট নবায়ন করবেন যেভাবে  

ঢাকায় ৫টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস রয়েছে। এসব অফিস থেকে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) নবায়ন করতে পারবেন। এই অঞ্চলগুলো হল- আগারগাঁও, উত্তরা, সচিবালয়, যাত্রাবাড়ী, ক্যান্টনমেন্ট। এই এলাকার আওতায় স্থায়ী-অস্থায়ী বসবাসকারী ব্যক্তিরা পাসপোর্ট করতে পারবেন। এ ছাড়া ঢাকার বাইরেও বিভিন্ন জেলা শহরে পাসপোর্ট নবায়ন করা যায়। আবেদন করবেন কিভাবে?   অনলাইন অথবা পাসপোর্ট অফিসে আপনাকে নির্ধারিত নবায়ন ফরম সংগ্রহ করতে হবে। তারপর ফরমটি নির্ভুলভাবে পূরণ করতে হবে। ফরম পূরণ করার সময় আপনি যদি আপনার বর্তমান পাসপোর্টের কোনো তথ্য সংশোধন অথবা পরিবর্তন করতে চান সে ক্ষেত্রে নিচের ঘরে দুটি নিয়ম সুন্দর করে লেখা আছে। যদি কোনো তথ্য পরিবর্তন করতে চান তাহলে দ্বিতীয় ঘরে লিখবেন। তবে স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করলে হলে পুলিশ ভেরিফিকেশন হয়। আবেদনের সঙ্গে বর্তমান পাসপোর্টে যে পেজে ছবি আছে সে পেজ ফটোকপি ও জাতীয় পরিচয়পত্রসহ জমা দিতে হবে। সবার ওপরে টাকা জমার রশিদ আঠা দিয়ে লাগাতে হবে। ফি কত লাগবে কয়েকটি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে পারবেন। যেমন সোনালী ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ট্রাস্ট ব্যাংক। সাধারণ পাসপোর্টের জন্য যদি মেয়াদ শেষ এবং ১ বছরের মধ্যে হয় তখন ৩ হাজার ৭৯৫ টাকা জমা। মেয়াদ শেষ এবং ২ বছরের মধ্যে হলে ৪ হাজার ১৪০ টাকা। মেয়াদ শেষ এবং ৩ বছরের মধ্যে হলে ৪ হাজার ৪৮৫ টাকা।মেয়াদ শেষ এবং ৪ বছরের মধ্যে হলে ৪ হাজার ৮৩০ টাকা। মেয়াদ শেষ এবং ৫ বছরের মধ্যে হলে ৫ হাজার ১৭৫ টাকা। এটি পেতে সময় লাগবে ২১ দিন। জরুরি করার জন্য মেয়াদ শেষ এবং ১ বছরের মধ্যে হলে ৭ হাজার ২৪৫ টাকা। মেয়াদ শেষ এবং ২ বছরের মধ্যে হলে ৭ হাজার ৫৯০ টাকা। মেয়াদ শেষ এবং ৩ বছরের মধ্যে হলে ৭ হাজার ৯৩৫ টাকা। মেয়াদ শেষ এবং ৪ বছরের মধ্যে হলে ৮ হাজার ২৮০ টাকা। মেয়াদ শেষ এবং ৫ বছরের মধ্যে হলে ৮ হাজার ৬২৫ টাকা। এটি পেতে সময় লাগবে ১১ দিন। সব ঠিকঠাক থাকলে আপনাকে এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। তারপর আপনি পাসপোর্টটি আনতে পারবেন। আরও বিস্তারিত জানতে www.dip.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। কেআই/এসি      

ঋতুস্রাবের সময় ৫ করণীয়

ঋতুস্রাব বিষয়ে এখনও দ্বিধা কাটিয়ে উঠতে পারেননি অনেকে। তাই মেয়েরা এই বিষয়টি নিয়ে এখনও সর্বসমক্ষে কথা বলতে লজ্জা পায়। কিন্তু মাসের ওই একটা সময় সমস্যা তো থাকেই। কোনও কাজ করতে গেলেই ক্লান্তি। তার উপর রয়েছে বারবার প্যাড পালটানোর ঝামেলা। কিন্তু এই সময়ই স্বাস্থ্যের দিকে সবচেয়ে বেশি নজর রাখা দরকার। কারণ ঋতুস্রাব থেকেই ছড়াতে পারে ইনফেকশন। তাই পিরিয়ডের শুরু থেকেই এবিষয়ে যত্ন নেওয়া উচিত। নিয়মিত প্যাড পালটাতে হবে অনেকেই প্যাড বা ট্যাম্পন পালটানোর সময় আলসেমি করেন। কখনও আবার পিরিয়ড কমে এলে প্যাড পালটানোর কথা ভুলে যান। এখান থেকেই ছড়াতে পারে ব্যাকটেরিয়াল বা ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন। বিশেষজ্ঞদের মতে, চার ঘণ্টা অন্তর প্যাড পালটানো উচিত। একটি প্যাড তার বেশি সময় পরে থাকলে ইনফেকশনের প্রবণতা বাড়ে। কারণ তা মেনস্ট্রুয়াল ব্লাড ব়্যাশ ও ইউটিআই-এর সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। ফলে হাজার ব্যস্ততা থাকুক, নিয়মিত প্যাড পালটানো নিতান্ত দরকার। নিয়মিত যোনি পরিষ্কার করা দরকার এই সময় সবথেকে বেশি দরকার যোনি পরিষ্কার রাখা। শুধু প্যাড পালটালেই হবে না। তার সঙ্গে এটিও দরকার। না হলে ব্যাকটেরিয়া সেখানেই থেকে যায়। ফলে পরে সেখান থেকে ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। আবার এখানেও একটি পদ্ধতি রয়েছে। অনেকে নিয়মিত যোনি পরিষ্কার করেন। কিন্তু সঠিক পদ্ধতিতে নয়। সেটি সামনে থেকে পিছনে। এর ফলে কলুষিত পদার্থ যোনিতে যেতে পারে না। সব রকম প্রোডাক্ট ব্যবহার করা উচিত নয় যোনি পরিষ্কার করার জন্য বাইরে থেকে কোনও কেমিক্যাল প্রয়োগ করার দরকার পড়ে না। এটি নিজে থেকেই পরিষ্কার হতে পারে। কারণ এর আশপাশে উপকারী ও ক্ষতিকর, দুই রকম ব্যাকটেরিয়াই থাকে। কোনও কেমিক্যাল প্রয়োগ করলে উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলোও ধ্বংস হয়ে যায়। সেটা কখনই কাম্য নয়। আর যদি তা করতেও হয়, হালকা গরম পানিতে পরিষ্কার করা উচিত। প্যাড বা ট্যাম্পন, যে কোনও একটি ব্যবহার করুন পিরিয়ডের সময় যে কোনও একটি জিনিস ব্যবহার করুন। হয় প্যাড বা ট্যাম্পন। কারণ শরীর একটি জিনিসের সঙ্গে সয়ে যায়। তখন অন্য জিনিসের প্রবেশ সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এক ফলে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে পারে। নিয়মিত গোসল করুন পিরিয়ডসের সময় গোসল করতে ভাল লাগে না ঠিকই। কিন্তু এই সময়ই প্রতিদিন গোসল করা উচিত। এতে দেহের নোংরা বেরিয়ে যায়। বিশেষত গোপনাঙ্গ পরিষ্কার থাকে। এছাড়া ঋতুস্রাবের সময় যে মুড সুইং হয়, সেটি আটকাতেও ম্যাজিকের মতো কাজ করে গোসল। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

মোবাইলের স্ক্রিনে চোখের মারাত্মক ক্ষতি  

সকালে ঘুম ভাঙা থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়া- মোবাইল এক মিনিটের জন্যও হাত ছাড়া করার উপায় নেই। যদি কখনও ভুল করে অন্যের হাতে চলে যায় তবে মনে শুধু আতঙ্ক। এক ঘণ্টা ফেসবুক, মাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ চেক না করলে কী যেন একটা করা হয়নি, মনে অস্বস্তি কাজ করে। চার্জ শেষ হয়ে এলেই আরও দুশ্চিন্তা ঝেঁকে বসে। যাকে চোখের আড়াল করতে এত ভয়, সেই বস্তুটিই চোখের সবচেয়ে বড় শত্রু। ক্ষতি জেনে সিদ্ধান্ত নিন মুঠোফোনে মেতে থাকবেন নাকি এর থেকে দূরে থাকবেন।   নীল আলোর প্রকোপ একটানা মোবাইলের স্ক্রিনে চেয়ে থাকলে ফোনের আলো চোখের উপর খুব চাপ সৃষ্টি করে। কারণ এই আলো চোখের কর্নিয়া ও মণির মধ্য দিয়ে সরাসরি ভেতরে প্রবেশ করে, চোখ কোনভাবেই এই আলোর তীব্রতা ফিলটার করতে পারে না। ফলে রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় যা থেকে ‘ম্যাকুলার ডিজেনারেশন’ এই সমস্যা শুরু হয়। মূলত, বয়সজনিত কারণে চোখের এমন সমস্যা হয়। তবে বর্তমানে খুব কম বয়সিদের মধ্যে এমন সমস্যা বা জুভেনাইল ম্যাকুলার ডিজেনারেশন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ মোবাইলের নীল আলো। ফোনের দিকে একটানা চোখ আটকে থাকলে লাল হয়ে যায়, মনোসংযোগের অভাব দেখা যায়, মেলাটোলিন হরমোনের অভাবে ঘুমের সমস্যা তৈরি হয়, সারা শরীরে ব্রণ প্রবণতা বাড়ে। শিশুর মানসিক ও শারীরিক নানা পরিবর্তন হতে থাকে। শুধু শিশুরাই নয়, বর্তমানে এমন সমস্যায় বয়স্করাও আক্রান্ত।   মুঠোফোনের ফাঁদে শিশুরা  ফোনের আলোয় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি কমবয়সি শিশুদের। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ থেকে ক্ষতিকর আলো, বিষাক্ত কোন উপাদান ইত্যাদির সঙ্গে লড়াই করতে পারে। চোখের লেন্স হলুদ বর্ণের হতে থাকে ফলে ক্ষতিকর নীল আলো সরাসরি চোখে প্রবেশ করতে পারে না। কিন্তু শিশুদের চোখ যেহেতু পুরোপুরি তৈরি হয় না তাই এই আলো সরাসরি প্রবেশ করে অল্পতেই চোখের ক্ষতি করে। ফলস্বরূপ শিশুদের চোখে স্ট্রেস, ক্যাটারঅ্যাক্ট, মাথাব্যথা ও রেটিন্যাল ড্যামেজের প্রবণতা খুব বাড়ছে। প্রয়োজনে ইউভি প্রটেকটেড গ্লাস পরে মোবাইল দেখা উচিত, ফোনের ব্রাইটনেস কমিয়ে তবে তা ব্যবহার করলে উপকার। আর ফোনের স্ক্রিন যেন ছোট না হয়, সে দিকে নজর রাখতে হবে। বড়রা চ্যাট করার সময় ফোনের ফন্ট সাইজ বড় করে তবে লিখুন। এতে চোখের উপর চাপ অনেকটা কমানো যায়। একদৃষ্টিতে ফোনের দিকে তাকিয়ে না থেকে বারবার দৃষ্টি ঘুরান।    বাঁচতে অ্যাপস  একান্তই যদি অনেকক্ষণ মোবাইলের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রয়োজন পড়ে সেক্ষেত্রে মোবাইলের ব্রাইটনেস কমিয়ে ব্যবহার করা উচিত। ফোনে রাখুন ব্রাইটনেস কমিনোর অ্যাপস। যা নিজে থেকেই মোড পরিবর্তন করে মোবাইলের আলোর তিব্রতা কমায়। ডাউনলোড করে নিন f.lux অথবা Blue light filter-Night Mode অ্যাপস। ফোন ব্যবহারের সময় ব্যাকগ্রাইন্ড কালার খুব হালকা রাখুন।   মনে রাখুন ১৷ রাত্রিবেলা অন্ধকার ঘরে মোবাইলের দিকে দীর্ঘক্ষণ চেয়ে থাকলে চোখের ক্ষতি মারাত্মক। শরীরে ন্যাচারাল রিদম বিনষ্ট হয়, ওবেসিটি, হার্টের সমস্যা, স্ট্রোক ও মানসিক অবসাদ বাড়ে। তাই ঘুমনোর আগে মোবাইল ঘাটাঘাটি নয়। ২৷ চোখ থেকে দূরে রেখে মোবাইল ব্যবহার করা উচিত। চেষ্টা করুন ১২-১৫ ইঞ্চি দূরত্বে রেখে ফোন ব্যবহার করতে।  ৩৷ ফোনের আলো খুব কম বা বেশি দুটোতেই ক্ষতি। যেমন আলোর মধ্যে আপনি রয়েছেন সেই অনুযায়ী ফোনের ব্রাইটনেস সেট করুন। দিনের আলোতে থাকলে ব্রাইটনেস একটু বেশি ও অন্ধকারে ব্রাইটনেস কম চোখের জন্য ভাল। ৪৷ খুব বেশি দাগ ধরা স্ক্রিনে বেশিক্ষণ চেয়ে থাকলে চোখের ক্ষতি হয়।   কেআই/এসি      

খালি পেটে কখনোই করবেন না ১০ কাজ

পেট খালি থাকলে দেহ-মনে নানা ধরনের প্রভাব পড়ে। তাই এক্ষেত্রে কিছু কাজ আছে, যা খালি পেটে করা মোটেও ঠিক নয়। তাহরে চলুন জেনে নেওয়া যাক পেট খালি থাকলে যেসব বিষয় মনে রাখা জরুরি। চুইংগাম খাবেন না খালি পেটে চুইংগাম খেলে বেড়ে যায় পেট ব্যথা। তাই খালি পেটে চুইংগাম না চিবোনোই ভালো। ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না খালি পেটে সাধারণ ওষুধ খাওয়াই ঠিক না। আর প্রদাহনাশক কোনও ওষুধ খাওয়া মোটেও ঠিক না। খালি পেটে ঘুমাবেন না ঘুমানোর দুই-তিন ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে ফেলার নিয়ম। কিন্তু একেবারে খালি পেটে ঘুমানোও ঠিক না। তাই ঘুমানোর আগে অন্তত এক গ্লাস দুধ বা একটি আপেল খেয়ে ঘুমানো উচিত। অ্যালকোহলকে ‘না’ খালি পেটে অ্যালকোহল গ্রহণ করলে কিডনি, লিভার আর হার্ট অনেক দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া নিত্যদিনের সমস্যা হিসেবে ভুগতে পারেন অ্যাসিডিটিতেও। খালি পেটে কফিকে না বলুন খালি পেটে কফি খেলে অ্যাসিড তৈরি হয়ে বুক জ্বালাপোড়া করতে পারে। তাই খালি পেটে কফি খাবেন না। খালি পেটে কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না খালি পেটে কোনও সিদ্ধান্ত নিলে এর নেতিবাচক প্রভাব কাজের ওপর পড়তে পারে। তাই পেটে কিছু থাকার সময় সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো। ব্যায়াম থেকে বিরত থাকুন খালি পেটে কখনোই ব্যায়াম করবেন না। কারণ এতে শরীরের শক্তি কমে যায়। এর ফলে আপনি ঠিকঠাকভাবে ব্যায়ামও করতে পারেন না। তর্ক করবেন না পেট খালি থাকলে মন সঠিক কাঠামোতে থাকে না। এতে মনের ওপর প্রভাব পড়ে বলে অনেক সময় পরিস্থিতি বাজে পর্যায়ে চলে যেতে পারে। তাই পেট খালি থাকলে কারও সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না। সমঝোতা না করাই ভালো পেট খালি মানেই ঠিকভাবে যুক্তিগুলো মূল্যায়ন করতে পারবেন না। ফলে সঠিক সমঝোতা নাও হতে পারে। তাই এ সময় কোনও বিষয়ে সমঝোতার দিকে না যাওয়াই ভালো। বাজারসদাই করা ঠিক না পেট খালি থাকলে বাজারসদাই করার সময় সতর্ক থাকতে হয়। কারণ, অনেক সময় চাহিদার অতিরিক্ত কিনে ফেলতে পারেন। এ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর অনেক খাবারও ভুলবশত কিনে ফেলতে পারেন। একে//

সাপে কামড়ালে ভুলেও করবেন না ৫ কাজ

শহরে সাপের কামড় খাওয়ার ঘটনা না ঘটলেও শহর লাগোয়া এলাকায় সাপের কামড়ে মৃত্যুর খবর মাঝে মধ্যে শোনা যায়। সাপে কামড়ালে অধিকাংশ মানুষেরই যে ভয় পেয়ে মৃত্যু হয়, এই তথ্য হয়তো অনেকেরই জানা। প্রচলিত কিছু ধারণা, কুসংস্কারের বশে অনেকেই সাপের কামড়ে আক্রান্তের উপরে এমন কিছু টোটকা প্রয়োগ করেন, যাতে হিতে বিপরীত হয়। কিন্তু সাপে কামড়ালে ভয় না পাওয়াটা যেমন জরুরি, তেমনই সাপে কামড়ানোর পরে সঠিক পদক্ষেপগুলো নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সাপে কামড়ালে এই পাঁচটি পদক্ষেপ কখনওই নেওয়া উচিত নয়। এ বার জেনে নিন সেই পদক্ষেপগুলো কী কী— হাঁটাচলা করতে দেবেন না শরীরের যে অংশে সাপ কামড়েছে, সেই জায়গাটি বেশি নড়াচড়া করাবেন না। আক্রান্তকে হাঁটাচলাও করতে দেবেন না। বেশি হাঁটাচলার ফলে মাংসপেশিতে টান পড়ে বিষ দ্রুত শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ব্যথা কমানোর ওষুধ খাওয়াবেন না সাপে কামড়ানোর পরে কখনওই কোনও ব্যথা কমানোর ওষুধ (পেইন কিলার) আক্রান্তকে খাওয়াবেন না। এর ফলে আক্রান্তের শরীরের প্রকৃত অবস্থা বুঝা কঠিন হবে। অনেক সময় আক্রান্তের যন্ত্রণা আরও বেড়ে যেতে পারে। আশেপাশে চিড়ে বা কেটে দেবেন না যেখানে সাপে কামড়েছে, তার আশেপাশে কখনওই চিড়ে বা কেটে দেবেন না। এমন করলে উল্টে রক্তে দ্বিগুণ গতিতে সাপের বিষ ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কেও। এর ফলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। কাত করে শোয়াবেন না যাকে সাপে কামড়েছে, তাকে কখনওই কাত করে শোয়াবেন না। সব সময়ে সোজা করে শোওয়াবেন। ঠিক যেভাবে স্ট্রেচারের উপরে শোওয়ানো হয়। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান কোনও রকম টোটকা বা কুসংস্কার নয়। সাপে কামড়ালে আক্রান্তকে দ্রুত নিয়ে যান হাসপাতালে। সূত্র: জিনিউজ একে//

ম্যালেরিয়া যেভাবে প্রাণঘাতী হয়ে উঠলো

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতিবছর ২০ কোটির বেশি মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়। ২০১৬ সালে বিশ্বজুড়ে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষ এই রোগের কারণে প্রাণ হারিয়েছে এবং তাদের একটি বড় অংশই ছিল পাঁচ বছরের কমবয়সী শিশুরা। মশার দ্বারা সংক্রমিত ম্যালেরিয়া রোগটি কিভাবে এতটা প্রাণঘাতী রোগ হয়ে উঠলো তার অজানা তথ্য উঠে এসেছে রোগটির ওপর জেনেটিক গবেষণায়।   ক্যামব্রিজের ওয়েলকাম স্যাংগার ইন্সটিটিউটের গবেষকদের নেতৃত্বে এক গবেষণায় এই পরজীবীটির বংশতালিকা অনুযায়ী সাত ধরনের ম্যালেরিয়ার বিষয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে তারা দেখতে পেয়েছেন যে, প্রায় ৫০ হাজার বছর আগে এই জীবাণুটি রূপান্তরিত হয়ে রোগের নতুন একটি ‘শাখায়’ রূপান্তরিত হয় যা মানব জাতির জন্য মারাত্মক সংক্রমণের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নেচার মাইক্রোবায়োলজি নামে জার্নালে এই গবেষণার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই রূপান্তরে তখন এমন একটি জিনগত পরিবর্তন ঘটে যার ফলে ম্যালেরিয়ার জীবাণু মানব শরীরের লোহিত কণিকায় আক্রমণ করতে পারে। এই গবেষকদের একজন ডক্টর ম্যাট বেরিম্যান বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় প্রতিটি পদক্ষেপের ফলাফল একত্রিত করে বিশ্লেষণ করে দেখতে পেয়েছি যে, ম্যালেরিয়ার সেসব জীবাণু শুধু মানব শরীরে প্রবেশই করছে তা নয়, সেখানে থেকে যাচ্ছে এবং মশার মাধ্যমে পরিবাহিত হচ্ছে।’ ম্যালেরিয়ার জীবাণু বহনকারী যে ভয়াবহ পরজীবী বা প্যারাসাইট বিশ্বজুড়ে এই স্বাস্থ্য সংকটের জন্য দায়ী, সেটি হল ‘প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম।’  স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে মানুষের দেহে এটি ছড়ায় এবং বহু মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে ওঠে। এছাড়া এর এমন প্রজাতিও আছে যেগুলো মনুষ্য সদৃশ শিম্পাঞ্জি এবং গরিলাকে কামড়ায়।  গবেষণার জন্য গবেষক দল গ্যালনের একটি স্যাংচুয়ারিতে এ ধরনের প্রাণীদের ওপর পরীক্ষা চালান। এসব প্রাণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পশুচিকিৎসক দল এগুলোর শরীর থেকে রক্তের নমুনা সংরক্ষণ করেন। ডাঃ বারিমান বলেন, ‘দেখা যায়, সুস্থ প্রাণীগুলোর রক্তে উচ্চ মাত্রার প্যারাসাইট বা ম্যালেরিয়ার পরজীবী বহনের ইতিহাস রয়েছে।’ এই রক্তের নমুনা থেকে পাওয়া ম্যালেরিয়ার জিনগত কোডের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এর বিবর্তনের ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।  গবেষকরা সাত ধরনের ম্যালেরিয়ার বিষয়ে অনুসন্ধান করেন। বিবর্তনের ইতিহাস অনুসারে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, প্লাজমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম ৫০ হাজার বছর আগে আবির্ভূত হয়েছিল। কিন্তু মানব শরীরে সংক্রমণ-কারী প্রজাতি হিসেবে আবির্ভাব তিন থেকে চার হাজার বছর আগে। লিভারপুল স্কুল অব ট্রপিকাল মেডিসিনের পরিচালক অধ্যাপক জ্যানেট হেমিংওয়ে বলেন,‘এই গবেষণা আসলেই গুরুত্বপূর্ণ কারণ কিভাবে এবং কখন একটি রোগ প্রজাতির মধ্যে বাধা অতিক্রম করে একটি মারণঘাতি রোগে পরিণত হয় তার সম্পর্কে এর মাধ্যমে একটি চিত্র পাওয়া যায়।’    কিভাবে এটি সংঘটিত হয় তা জানার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিজ্ঞানীরা একইরকম পরিস্থিতি এড়াতে ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।   অধ্যাপক হেমিংওয়ে বলেন, ‘এখনকার দিনে অধিকাংশ মানুষ মনে করেন, ম্যালেরিয়া একটি মানব-সৃষ্ট রোগ এবং ভুলে যায় যে এটি জেনোটিক রোগ যা ৫০ হাজার বছর আগে সংক্রমণের ক্ষেত্রে প্রজাতিগত বাধা অতিক্রম করেছে। এরপর মানব শরীরকে সে তার নতুন আশ্রয় হিসেবে গ্রহণ করে মানবজাতির জন্য মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।’ ‘বিশেষ করে বলা যেতে পারে, যে পদ্ধতিতে এই পরজীবী ও ভাইরাস প্রাণী এবং মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়ে সেটা জানার মাধ্যমে এমন ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে এটা স্থায়ীভাবে মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে না পারে।’ (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা) কেআই/এসি   

নিপাহ ভাইরাস সম্পর্কে যে ৫ বিষয় জানা প্রয়োজন

নিপাহ ভাইরাস আবারও ছড়িয়ে পড়ছে৷ ভারতের কেরালায় এ পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে৷ এর মধ্যে ৩১ বছর বয়সি এক নার্সও আছেন, যিনি এক ভাইরাস আক্রান্তকে চিকিৎসাসেবা দিচ্ছিলেন৷ নিপাহ ভাইরাস কী? নিপাহ ভাইরাস খুবই সাম্প্রতিক একটি সংক্রামক রোগ৷ সাধারণত যেসব বাদুড় ফল খায়, তাদের থেকেই পশুপাখি ও মানুষের মধ্যে ছড়ায় এটি৷ ১৯৯৮ সালে এটি মালয়শিয়ার সুঙ্গাই নিপাহ গ্রামে প্রথম চিহ্নিত হয়৷ এক বছরের মধ্যে এই রোগ প্রথমে শূকর ও পরে ৩০০ লোকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে৷ ১০০ জন মারা যান৷ মহামারী রোধে লাখ লাখ শূকর মেরে ফেলা হয়৷ কীভাবে ছড়ায় নিপাহ? সম্প্রতি দেখা গেছে, শুধু বাদুড় থেকেই নয়, ভাইরাস আক্রান্ত মানুষ ও গৃহপালিত পশু, যেমন গরু, শূকর ইত্যাদি থেকেও ছড়ায়৷ এমনকি ভাইরাস আক্রান্ত ফল থেকেও ছড়াতে পারে নিপাহ৷ ২০০৪ সালে বাংলাদেশে খেজুরের রস খেয়ে অনেকেই আক্রান্ত হয়েছিলেন এ রোগে৷ গবেষণা বলছে, বাদুড়ের মুখের লালা ও মূত্র থেকেই খেজুরের রস দূষিত হয়েছিল৷ এই রোগের আলামত কী? নিপাহ ভাইরাসের কারণে মস্তিষ্কে প্রদাহ হয়, যাকে বলা হয় এনসেফেলাইটিস৷ গবেষকদের মতে, আক্রান্ত হওয়ার তিন দিন পর থেকে ১৪ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেওয়া শুরু হয়৷ প্রাথমিকভাবে জ্বর, বমি ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ পরের এক দুই দিনের মধ্যেই একজন কোমায় চলে যেতে পারেন। এমনকি মৃত্যুও হতে পারে৷ গবেষণায় দেখা গেছে, ৭০ ভাগ আক্রান্তই শেষ পর্যন্ত মারা যান৷ চিকিৎসা কী? এখন পর্যন্ত মানুষ বা পশুপাখির জন্য নিপাহ ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি৷ একমাত্র চিকিৎসা হলো উপসর্গগুলো রোধ করা ও নিবিড় পরিচর্যায় রাখা৷ আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা হয়, যেন তা না ছড়ায়৷ নিজেকে রক্ষা করবেন কীভাবে? আপনার এলাকায় যদি এই রোগে কেউ বা কোনও পশু আক্রান্ত হয়, তাহলে তাদের কাছ থেকে দূরে থাকুন৷ সেখানকার খেজুর ও এর কাঁচা রস, এমনকি অন্যান্য কাঁচা ফল খাওয়া থেকেও বিরত থাকুন৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

টাটকা মুরগির মাংস চেনার ৫ উপায়

রেস্তোরাঁয় গিয়ে খাওয়া তো দূরের কথা, মাংসের দোকানের সামনেও ভিড় এখন অনেকটাই পাতলা। ফলে লোকসানে দিন কাটাচ্ছেন মাংসের খুচরো বিক্রেতারা। কিন্তু মুরগির মাংস মাত্রেই তো আর বাসি বা ভাগাড়ের নয়! কিন্তু টাটকা মুরগির মাংস চিনবেন কী করে? উপায় আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক টাটকা মুরগির মাংস চেনার কিছু সহজ উপায়। মাংসের স্বাভাবিক গন্ধ মাংস পুরনো হলে বা সেটিকে পানি ছিটিয়ে টাটকা করার চেষ্টা করা হলে সেটি থেকে মাংসের স্বাভাবিক গন্ধটাই চলে যায়। বদলে মাংস থেকে একটা খারাপ, বোঁটকা গন্ধ বের হবে। হালকা গোলাপি মুরগির মাংস টাটকা হলে সেটির রং হবে হালকা গোলাপি৷ মাংস বাসি হলে তার রং পাল্টে যাবে। তখন রং কিছুটা ধূসর বা ফ্যাকাসে হয়ে যায়। রক্ত জমাট বাঁধার কথা নয় কাটা মাংসের রক্ত জমাট বেঁধে থাকলে সেই মাংস এড়িয়ে চলুন। কারণ, সদ্য কাটা মাংসে বা কাটার ৫-১০ মিনিটের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধার কথা নয়। প্যাকেজিংটা ঠিকঠাক রয়েছে কি-না প্যাকেটজাত মাংস কেনার সময় লক্ষ্য রাখুন প্যাকেজিংটা ঠিকঠাক রয়েছে কি-না। প্যাকেটের পলিথিন যদি কোনও ভাবে আলগা হয়ে থাকে তাহলে সেই মাংস না কেনাই ভাল। কিছুটা স্পঞ্জের মতো অনুভূত হবে হাত দিয়ে আলতো চেপে পরখ করে দেখে নিন কাটা মাংস খুব শক্ত বা খুব নরম লাগছে কি-না! দু’টোর মধ্যে যে কোনও একটা হলেই সেটিকে কিনবেন না। মাংস টাটকা হলে তাতে আলতো চাপ দিলে কিছুটা স্পঞ্জের মতো অনুভূত হবে। সূত্র: জিনিউজ একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি