ঢাকা, শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০:২৫:১৬

ধূমপায়ীদের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে অধূমপায়ীদের [ভিডিও]

ধূমপায়ীদের কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে অধূমপায়ীদের [ভিডিও]

খোলা জায়গায় ধূমপান না করার বিধান থাকলেও মানছেন না কেউই। আইন থাকলেও নেই প্রয়োগ। যেখানে সেখানে ধুমপান করেও পার পেয়ে যাচ্ছেন ধূমপায়ীরা। এদিকে ধূমপায়ীদের থেকে আক্রান্ত হচ্ছেন অধূমপায়ীরাও। চিকিৎসকরা বলছেন অধূমপায়ীদের পাশে অন্যরা ধূমপান করলে সে ক্ষতিও খুব কম নয়। তাই জনসচেতনা বাড়ানোর তাগিদ তাদের। জনসম্মুখে খোলা জায়গায় ধূমপান আইনত অপরাধ। আইনে জরিমানার বিধানও রয়েছে। তবে আইনে প্রয়োগ না থাকায় তোয়াক্কা করছেন না কেউই। শুধু সাধারণ মানুষই নয় সচেতন অনেক মানুষও প্রকাশ্যে ধূমপান করছেন।সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, সিগারেট ও বিড়িতে পা থেকে মাথা পর্যন্ত নানা জটিল রোগের সৃষ্টি করে। ধূমপান না করেও অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ধূমপায়ীদের কারণে। মাথাধরা, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি হচ্ছে। ধূমপানবিরোধী সংগঠনগুলো বলছে আইনের যথাযথ প্রয়োগ থাকলে যেখানে সেখানে ধূমপান রোধ হতো। চিকিৎসকরা বলছেন, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ধূমপানের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে জনগণকে সচেতন করা গেলে অনেক রোগ থেকেই বাঁচবে মানুষ, বাঁচবে পরিবেশ। / এআর /
শব্দদূষণ এখন জীবনবিনাশী ‘শব্দ-সন্ত্রাস’

বেশির ভাগ মানুষ নির্বিবাদে উচ্চশব্দের ভয়ংকর যন্ত্রণা সহ্য করলেও শব্দদূষণ এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে একে ‘শব্দ-সন্ত্রাস’ নামে অভিহিত করা যায়। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) মিলনায়তনে উচ্চশব্দ নিয়ে এক আলোচনায় এমন কথা বলা হয়। ‘শব্দদূষণ এখন জীবনবিনাশী শব্দ-সন্ত্রাস; গভীর সংকটে আমাদের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য! সমাধানের উপায় কী?’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি) ট্রাস্ট, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ও সুন্দর জীবন। আলোচনার শুরুতে বাপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মোল্লা বলেন, উচ্চশব্দের প্রধান উৎস যানবাহনের অহেতুক হর্ন, ভবন নির্মাণের সামগ্রী, মাইক আর ইট গুঁড়া করার যন্ত্র। এছাড়া গায়েহলুদ, জন্মদিন, বিয়ে, নববর্ষ, ইত্যাদি সামাজিক অনুষ্ঠানে অতি উচ্চমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করার ফলে প্রতিবেশীদের রাতের ঘুমের সমস্যা হয়, হৃদ্‌রোগীদের হৃৎকম্পন বেড়ে যায়, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক ক্ষতি হয়। মানুষের কর্মক্ষমতা কমছে, গর্ভবতী মা ও শিশুদের ওপর উচ্চশব্দের প্রভাব আরও মারাত্মক। আলোচনায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন বাপার সাধারণ সম্পাদক আবদুল মতিন। তিনি বলেন, শব্দদূষণ বন্ধে সরকারের কোনো আগ্রহ নেই। এছাড়া মানুষও আইন মানতে চায় না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক রেজওয়ানুল হক বলেন, বিএসএমএমইউর কার্ডিয়াক নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র (আইসিইউ) শাহবাগ রাস্তার কাছাকাছি। ফলে উচ্চশব্দে সেখানে রোগীদের ঘুম হয় না। এতে রোগী সুস্থ হতে সময় লাগে। একে//এসএইচ  

যেভাবে পাবেন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট

  বিদেশে যাওয়া বা বিদেশে চাকুরির ক্ষেত্রে অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের । পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর অর্থ হচ্ছে, যাকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দেয়া হচ্ছে তিনি কোন অপরাধের সাথে যুক্ত নন এবং তার বিরুদ্ধে থানায় কোন অভিযোগও নেই। তবে অ অনেকেই জানেন না, কীভাবে এই সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হয়। সরকার জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্যসেবা চালু করেছে। বাতায়ন থেকে তথ্য পেতে পারেন খুব সহজে।  অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই প্রয়োজনীয় শর্তাবলী মেনে আবেদন করতে হবে। আসুন জেনে নিই কীভাবে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়া যাবে। আর এ ক্লিয়ারেন্স পেত আপনার কোন কোন কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হবে।  ১। আবেদনকারীর পাসপোর্টে উল্লেখিত স্থায়ী কিংবা বর্তমান ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন / জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে এবং আবেদনকারীকে/ যার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট চাওয়া হয়েছে তাকে অবশ্যই ওই ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে ।  ২। বিদেশে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সাথে দাখিল করতে হবে ।  ৩। মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এম আর পি) ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর এর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে দাখিল করতে হবে ।  ৪। বিদেশগামী কিংবা প্রবাসী বাংলাদেশী নাগরিক এবং বাংলাদেশে বসবাস করে স্বদেশে/বিদেশে প্রত্যাবর্তনকারী বিদেশী নাগরিকদের জন্য প্রয়োজনীয় পুলিশ ক্লিয়ারেন্সও এই অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ইস্যু করা হয়।  ৫। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাকুরী কিংবা অন্য কোন কাজে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট জেলা কিংবা সিটি এসবি শাখায় যোগাযোগ করুন।   প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস: ১। অনলাইনে যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদন পত্র ।  ২। ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি অথবা বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিকগনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি অথবা বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি ।  ৩। বাংলাদেশ ব্যাংক/ সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জ সহ ফি প্রদান। আবেদনের নিয়মাবলী: ধাপ : ১ অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে যে কেউ নিজের জন্য অথবা অন্যের পক্ষে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট এর জন্য আবেদন করতে পারবে। নিবন্ধন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন। ধাপ : ২ নিবন্ধিত ব্যবহারকারী অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সাইটে লগ-ইন করার পর Apply মেনুতে ক্লিক করে আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করুন। ধাপ : ৩ আবেদন ফরমের প্রথম ধাপে ব্যক্তিগত বিস্তারিত তথ্য, দ্বিতীয় ধাপে বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা পূরণ করুন। আপনার বর্তমান ঠিকানা যে জেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত সেই ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে। ধাপ : ৪ আবেদন ফরমের তৃতীয় ধাপে প্রয়োজনীয় ডকুমেণ্টসমূহের স্ক্যান কপি আপলোড করুন। ধাপ : ৫ আবেদন ফরমের চতুর্থ ধাপে আপনার এন্ট্রিকৃত সকল তথ্য দেখানো হবে। আবেদনে কোন ভুল থাকলে তা পূর্ববর্তী ধাপসমূহে ফেরত গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। তবে চতুর্থ ধাপে আবেদনটি সাবমিট করার পর আর কোন পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না। ধাপ : ৬ আবেদন ফরমের পঞ্চম ধাপে ফি পরিশোধ করার জন্য Pay Offline বাটনে ক্লিক করুন। চালানের মাধ্যেমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করুন। ধাপ : ৭ চালানের মূল কপিটি আপলোড করার পূর্বে অবশ্যই এর উপর এপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বরটি লিখে দিন। অন্যথায় আপনার পেমেন্টটি গ্রহণযোগ্য হবেনা এবং আবেদনটি বাতিল বলে গন্য হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন এই ওয়েবসাইটে http://pcc.police.gov.bd/en/ কেআই/ এমজে

নিবন্ধিত হয়েও জাতীয় পরিচয়পত্র না পেলে যা করবেন

ভোটার হিসাবে নিবন্ধিত হয়েছে কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র পাননি এমন কথা প্রায়শ শুনা যায়। জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে না পাওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনে নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রে উল্লেখিত তথ্য জানতে কি করবেন? এমন প্রশ্নের আসতেই পারে। তবে সরকার জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্যসেবা চালু করেছে। এই তথ্য বাতায়ন থেকে তথ্য পেতে পারেন খুব সহজেই। যারা ২০১৩-২০১৪ সালের হালনাগাদে কর্মসূচীর মাধ্যমে ভোটার হিসাবে নিবন্ধন হয়েছেন কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর পাননি তারা জাতীয় পরিচয় বিবরণী জানতে “ভোটার তথ্য” মেনুতে গিয়ে আপনার কাছে রক্ষিত এন.আই.ডিতে উল্লেখিত জন্ম তারিখ, ফর্ম নম্বর (রশিদ ফর্ম) এবং ক্যাপচা প্রদানের মাধ্যমে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরটি জেনে নিতে পারেন। তার পর “রেজিষ্টার” মেনুতে গিয়ে প্রয়োজনী তথ্য দিয়ে অনলাইন সেবার জন্য রেজিষ্টেশন সম্পন্ন করুন। পরবর্তীতে “লগইন” মেনুতে গিয়ে আপনার ইউজার পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে “পরিচয় বিবরণী” মেনুতে গিয়ে আপনার পরিচয় বিবরণী দেখতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইট ঠিকানায় ভিজিট করতে পারেন - https://services.nidw.gov.bd/   কেআই/টিকে

নতুন ভোটার হতে চাইলে

আপনি বাংলাদেশের প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিক। দেশের অভ্যন্তরেই বাস করছেন। কিন্তু এখনও ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হননি। আপনার বয়স যদি ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পূর্বে ১৮ বছর হয়ে থাকে তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে আপনার এলাকার সিডিউল মোতাবেক ফরম-২ পূরণ করে ভোটার হতে পারেন। জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে সরকার তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্যসেবা চালু করেছে। বাতায়ন থেকে ভোটার কীভাবে হবেন সেই তথ্য পেতে পারেন খুব সহজে। আসুন জেনে নিই কীভাবে ভোটার হবেন? ভোটার হওয়ার সময় আপনাকে কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। যেমন- এসএসসি সনদ-(বয়স প্রমাণের সনদ) জন্ম নিবন্ধন - (বয়স প্রমাণের সনদ) পাসপোর্ট/ ড্রাইভিং লাইসেন্স/ টি.আই.এন -(বয়স প্রমাণের সনদ) ইউটিলিটি বিলের কপি/বাড়ি ভাড়ার রশিদ/হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ (ঐ এলাকায় সচরাচর বসবাস করেন এরূপ কোন প্রমাণ) নাগরিকত্বের সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) বাবা, মা, স্বামী/স্ত্রীর আই.ডি কার্ডের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেতে পারেন এই ওয়েবসাইটে https://services.nidw.gov.bd/   কেআই/টিকে

জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদে কী করবেন

একজন নাগরিকের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হালনাগাদ করার প্রয়োজন হয়। অনেকেই জানেন না কীভাবে এ তথ্য হালনাগাদ করতে হয়। জনগণের দোরগোড়ায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে সরকার তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্যসেবা চালু করেছে। বাতায়ন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে সহজে আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র হাল নাগাদের তথ্য পেতে পারেন। আসুন জেনে নিই জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য হাল নাগাদ কীভাবে করবেন? প্রশ্নঃ কার্ডের তথ্য সংশোধন করবেন কিভাবে? এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। প্রশ্নঃ কার্ডে কোনো সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে? সব সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে। প্রশ্নঃ ভুলক্রমে পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হলে সংশোধনের জন্য কি কি সনদ দাখিল করতে হবে? জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।  প্রশ্নঃ  আপনি অবিবাহিত। কার্ডে পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। কিভাবে তা সংশোধন করবেন? সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ বিয়ের পর স্বামীর নাম সংযোজনের প্রক্রিয়া কি? নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। এখন ID Card থেকে স্বামীর নাম বিভাবে বাদ দিতে হবে? বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ বিবাহ বিচ্ছেদের পর নতুন বিবাহ করেছি এখন আগের স্বামীর নামের স্থলে বর্তমান স্বামীর নাম কিভাবে সংযুক্ত করতে হবে? প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ পেশা পরিবর্তন করতে চাই কিন্তু কিভাবে করবেন? এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য,আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না। প্রশ্নঃ ID Card এর ছবি অস্পষ্ট,ছবি পরিবর্তন করতে হলে কি করা দরকার? এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান সংশোধন করতে আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে? এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়। প্রশ্নঃ নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি দলিল জমা দিতে হবে? এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র। প্রশ্নঃ পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ দাখিল করতে হয়? পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে। প্রশ্নঃ ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়? শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে।তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে। প্রশ্নঃ আপনি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা খুব প্রয়োজন। কিন্তু নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছি না। লোকে বলে ID Card –এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে? ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।    প্রশ্নঃ একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের কার্ডে পিতা/মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিভাবে তা সংশোধন করা যায়? সবার কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে। প্রশ্নঃ আমি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশতঃ শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলাম এখন আমার বয়স বা অন্যান্য তথ্যাদি সংশোধনের উপায় কি? আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে। প্রশ্নঃ ID Card এ অন্য ব্যক্তির তথ্য চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে? ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে। প্রশ্নঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা সংশোধনের জন্য কি করতে হয়? রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়। প্রশ্নঃ বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার প্রক্রিয়া কি? এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।  প্রশ্নঃ স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে কি করবেন? নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।  প্রশ্নঃআপনার জন্ম তারিখ যথাযথভাবে লেখা হয়নি, আপনার কাছে প্রামাণিক কোন দলিলও নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে? সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রশ্নঃ একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়? উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না। এ সংক্রান্ত আরও তথ্য পেতে পারেন https://services.nidw.gov.bd/faq ওয়েবসাইটে। কেআই /  এআর

উত্তরাধিকার সম্পত্তি বন্টনের হিসাব করুন অনলাইনে

আমাদের মধ্যে অনেকেই উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির বন্টন নীতি ভালোভাবে জানেন না। এমন কি শিক্ষিত হলেও না। অনেক সময় সম্পদের উত্তরাধিকার বন্টন নিয়ে অনেক ঝামেলা হয় পরিবারের সদস্যদের মাঝে। বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাছে। এর অংশ হিসেবে জাতীয় তথ্য বাতায়ন নামে একটি তথ্য সেবা চালু করেছে। এ তথ্য বাতায়ন থেকে অনলাইনের মাধ্যমে আপনি সহজেই বিভিন্ন তথ্য সেবা পেতে পারেন। এই তথ্য বাতায়ান থেকে সহজে আপনি উত্তরাধিকার সম্পত্তি বন্টনের হিসাব করতে পারবেন। উত্তরাধিকার সম্পত্তির বন্টনের হিসাব নিয়ে থাকেছে আমাদের এবারের আয়োজন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কীভাবে উত্তরাধিকার সম্পদের হিসাব বের করা যায়। উত্তরাধিকার সম্পদের হিসাব অনলাইনে উত্তরাধিকার সম্পদের হিসাব বের করতে হলে আপনাকে প্রথমে www.bangladesh.gov.bd প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটের ডানপাশে ‘উত্তরাধিকার.বাংলা’ ক্লিক করে বা (http://xn--d5by7bap7cc3ici3m.xn--54b7fta0cc/) লিংকে প্রবেশ করে সহজেই আপনাদের উত্তরাধিকার সম্পত্তির হিসাব বের করতে পারবেন।   যেভাবে বন্টন হিসাব করবেন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর উত্তরাধিকার সম্পর্কিত একটি বক্স দেখতে পাবেন। ওই বক্সে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া উত্তরাধিকারদের বক্সে টিক হবে। তার নিচে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া সম্পদের বিবরণ দিতে হবে। সম্পদের বিবরণ দেওয়ার পর ফলাফল নামের মেন্যুতে ক্লিক করলেই সম্পত্তির উত্তরাধিকারদের অংশ বের হয়ে যাবে। চাইলে আপনি আজই তা যাচাই করে দেখতে পারেন।   এম/টিকে

জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে করণীয়

বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত অনেক কাজেই এখন জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন হয়। কিন্তু এই পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে কি করবেন তা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন। আমাদের এ আয়োজেনে জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে কি করবেন এ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে সর্বপ্রথম নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে। অথবা জিডি করার পর নির্বাচন কমিশনের এই লিংকে http://www.ecs.gov.bd/MenuExternalFilesEng/1007.pdf গিয়ে একটি ফরম পাবেন। এই ফরমটি পূরণ করে পূরণকৃত ফরম প্রিন্ট করবেন। পরে প্রিন্ট কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে পারবেন । ২০১৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে হারানো আইডি কার্ড পেতে বা সংশোধন করতে সরকার কতৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হয়েছে। এছাড়াও আপনাদের সুবিধার্থে NID Card সম্পর্কিত নির্বাচন কমিশনের কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর তুলে ধরা হলো- প্রশ্ন: হারানো ও সংশোধন একই সঙ্গে করা যায় কি? উত্তর: হারানো ও সংশোধন একই সঙ্গে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে। প্রশ্ন: হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কীভাবে সংশোধন করব? উত্তর: প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে। প্রশ্ন: প্রাপ্তি স্বীকারপত্র/স্লিপ হারালে করণীয় কী? উত্তর: স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নম্বর দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। প্রশ্ন: জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব? উত্তর: জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদিসহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে। প্রশ্ন: প্রাপ্তি স্বীকারপত্র/জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেছে কিন্তু কোনো কাগজ নেই বা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর/ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কী করণীয়? উত্তর: সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিস থেকে ভোটার নম্বর সংগ্রহ করে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন শাখা/উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।   এম/টিকে

যানজট সম্পর্কে জানা যাবে গুগল ম্যাপে

রাজধানীবাসীর জন্য গুগল নতুন বিস্ময় নিয়ে এসেছে। ম্যাপ ও নেভিগেশনের সঙ্গে নতুন ফিচার হিসেবে রাস্তার জ্যামের খবর যুক্ত হওয়ায় এবার গুগল ম্যাপ থেকেই জেনে নেওয়া যাবে রাস্তার যানজটের অবস্থা। এ ফিচার অনেক দেশে আগে থেকেই চালু থাকলেও ঢাকার জন্য চালু হয়েছে সম্প্রতি। গুগল ম‍্যাপে ট্রাফিক জ‍্যামের খবর জানতে আপনার থাকতে হবে একটি স্মার্টফোন। এক জিবি র‍্যামের স্মার্টফোন হলেই অনায়াসেই চলবে গুগল ম‍্যাপস অ্যাপটি। এ সুবিধার ফলে ব্যবহারকারীর আশাপাশে রাস্তাগুলোর ওপরে সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল রঙের কিছু রেখা দেখতে পাওয়া যাবে। সবুজের অর্থ রাস্তা স্বাভাবিক, হলুদ মানে কিছু গাড়ি আছে যা যা ধীর গতিতে চলছে। কমলার মানে হালকা জ্যাম ও লাল মানে রাস্তায় গাড়ি ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। এ সুবিধা পেতে প্রথমেই গুগল ম‍্যাপস ইন্সটল করে নিতে হবে। এ জন্য ইন্টারনেট সংযোগ চালু করে মোবাইল ফোনের সেটিংসে ‘cellular data’ অপশনে গিয়ে ‘on’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। যদি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ডিভাইস ব‍্যবহার করেন তাহলে ফোন থাকা গুগল স্টোরে গিয়ে ‘google maps’ লিখে সার্চ করে বা এই ঠিকানায় গিয়ে গুগলের ‘ম‍্যাপস’ অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে হবে। আর যদি আইওএস অপারেটিং সিস্টেম চালিত আইফোন বা আইপ‍্যাড ব‍্যবহার করেন তাহলে এই ঠিকানায় গিয়ে গুগল ম‍্যাপ অ্যাপটি ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে হবে। এরপর জিপিএস সুবিধাটি চালু করতে হবে। জিপিএস সুবিধা চালু করতে ফোনের সেটিংস অপশনে গিয়ে ‘location’ অপশনটি ‘on’ করে দিতে হবে। এরপর অ্যাপটি চালু করলেই ব‍্যবহারকারী কোথায় অবস্থান করছেন তা লোকেশনে দেখাবে। অপশনটি চালু থাকা অবস্থায় ডিভাইসের নোটিফিকেশনেও কিছুক্ষণ পরপর রাস্তার গাড়ি চলাচলের আপডেট দেখা যাবে। ব‍্যবহারকারীদের জ‍্যাম পেরিয়ে কোন স্থানে যেতে কতক্ষণ সময় লাগবে তাও জেনে নেয়া যাবে গুগল ম‍্যাপ থেকে। এর জন্য ম‍্যাপ অ্যাপটি উপরে সার্চ অপশনে যে স্থান  এবং  কোথায় যেতে চান তা নির্ধারণ করে দিতে হবে। তারপর ‘directions’ অপশনে ক্লিক করলে স্থানটির দূরত্ব কত কিলোমিটার এবং যেতে কত সময় লাগবে তা দেখা যাবে। অ্যাপটির সাহায‍্যে ব‍্যবহারকারীদের লোকেশন অনুযায়ী হোটেল, ক‍্যাফে, গ‍্যাস স্টেশন, এটিএম বুথ, ফার্মেসি এবং শপিং সেন্টারের তথ‍্যও মিলবে। এছাড়া স্থানগুলোর ছবি পাওয়া যাবে। গুগল ম‍্যাপের চাইলে ব‍্যবহারকারীরা অফলাইনে লোকেশন সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। ফলে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই স্থানগুলো ভুলে গেলে দেখে নেয়া যাবে। ফোনে টাইপ করতে ঝামেলা মনে হলে ভয়েস সার্চ করেই গুগল ম‍্যাপস অ্যাপে কোন স্থানে খোঁজে পাওয়া যাবে। সূত্র: টেক শহর একে//

কুম্ভ রাশি : কেমন যাবে ২০১৮

এই রাশির জাতক ও জাতিকারা স্বভাবতই বুদ্ধিমান, ঠাণ্ডা মাথার মানুষ এবং কাজকর্মে স্বচ্ছ। এদের কল্পনাশক্তি প্রখর। যেকোনো ভালো কাজ এদের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং সেই জাতীয় কাজে অংশগ্রহণের জন্য তারা মরিয়া হয়ে উঠে। বায়ু রাশি কুম্ভের জাতক-জাতিকার জন্য সামগ্রিকভাবে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ শুভ সম্ভাবনাময়। সেক্ষেত্রে শুভ গ্রহ বৃহস্পতি এবং রাশ্যাধিপতি শনির দৃষ্টি রয়েছে। তৃতীয় স্থানে ইউরেনাসের অবস্থিতির কারণে কনিষ্ট ভ্রাতা-ভগ্নিদের কেউ কোনো ধরনের দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন। একই সঙ্গে ওই ক্ষেত্রে বৃহস্পতি ও মঙ্গলের দৃষ্টির ফলে অলৌকিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। মাতৃস্বাস্থ্য ভালো যেতে পারে। বিদ্যার্থীদের জন্য বছরটি খুব একটা অনুকূল নাও হতে পারে। বছরের শুরু থেকেই পড়াশোনায় অধিকতর মনযোগী হওয়ার চেষ্টা করুন। এ বছর কুম্ভের জাতক-জাতিকার বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত শুভাশুভ ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন। শরীর খুব একটা ভালো যাবে না। কোনো দুরারোগ্য ব্যাধিতে ভোগার আশঙ্কা আছে। রাস্তাঘাটে চলাফেরায় সতর্ক থাকুন। অন্যথায় পায়ে কোনো আঘাত প্রাপ্তির আশঙ্কা রয়েছে। কর্মপরিবেশ অনুকূল থাকবে। তবে চিত্তচাঞ্চল্যের জন্য মাঝেমধ্যে ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন। যার ফলে সাফল্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ভাইবোনদের সঙ্গে পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে। কারো কারো তীর্থযাত্রার আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবা আছে।   একনজরে কুম্ভ রাশি শাসক গ্রহ : শনি ও ইউরেনাস শুভ সংখ্যা : ৪ বৈশিষ্ট্য : বাতাস রং : নীল, সবুজ ও বেগুনী রত্ন : পান্না ও হীরা ধাতু : সোনা, রুপা, হোয়াইট গোল্ড শুভ দিন : শুক্র ও শনিবার সঙ্গী/সঙ্গিনী : মিথুন, তুলা   /ডিডি/ এআর

ক্যান্সারের জন্য দায়ী ৫ খাবার

আপনার ডায়াটে থাকা কিছু খাবার নিরবে আপনাকে ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে না তো! হ্যা এমন কিছু খাবার আমরা খেয়ে থাকি যা ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ডায়েট সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকার কারণে এনটা হতে পারে।  এছাড়াও অনেকে মনে করে শুধু অ্যালকোহল এবং ধুমপান ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। কিন্তু প্রতিদিন অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমেও ক্যান্সার হতে পারে। এখানে আপনাদের জন্য ৫ টি খাবার তুলা ধরা হলো যে খাবারগুলো পরিহার করার মাধ্যমে নিজেকে ক্যান্সারের ঝুকি থেকে বাঁচাতে পারবেন। ১) মাইক্রোওয়েভে তৈরি পপকর্ন: সহজে প্রস্তুত করা যায় এরকম খাবারের মধ্যে পপকর্ন হচ্ছে অন্যতম। প্যাক করা থেকে শুরু করে খাবারটি তৈরি করাত যে সকল উপাদান ব্যবহার করা হয় সে উপাদানগুলো ক্যান্সারের কারণ হয়ে দেখা দেয়। তাই ক্যান্সার থেকে বাঁচতে আপনাকে মাইক্রোওভেনে তৈরি করা পপকর্ন এখন থেকে বাদ দেওয়া উচিত। ২) টিনজাত খাবার টিনজাত খাবারকে ক্যান্সারের অন্যতম কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হয়। এ খাবারকে দীর্ধদিন তাজা রাখতে এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়,  যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে টিনজাত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। ৩) পরিশোধিত চিনি পরিশোধিত চিনি ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। অনেকে মনে করতে পারেন যে বাদামী চিনি স্বাস্থের জন্য উপকারী। তাহলেও আপনি ভুল করবেন। সাদা চিনির সাথে রং ও ফ্লেভার একত্র করার মাধ্যমে চিনিকে বাদামী করা হয়। তাই নিজেকে সুস্থ্য রাখতে প্ররিশোধিত চিনি খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।   ৪) কার্বোনেটেড ড্রিংকস কার্বোনেটেড ড্রিংকসে উচ্চমাত্রারার ফ্রুকটোজ কর্ন সিরাপ, ক্যামিকেল এবং ডাইস ব্যাবহার করা হয়। তাই এই খাবারকে ক্যান্সারের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।  ৫)  ভাজা খাবার আমরা অনেকেই ভাজা খাবার খেয়ে থাকি। কিন্তু এই ভাজা খাবার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই অস্বাস্থ্যকর। এ খাবারগুলো যে উপাদান দ্বারা ভাজা হয় সেই উপাদানগুলো ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। তাই শরীরকে সুস্থ্য রাখতে ভাজা খাবার থেকে বিরত থাকা উচিত। সূত্র: এনডিটিভি   এম

সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা এখন থেকে অনলাইনে

সরকার অ্যানালগ পদ্ধতির জটিলতা দূর করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিল অনলাইনে জমা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চলতি মাসে অর্থ বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিল অনলাইনে দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে। বর্তমানের বিদ্যমান পদ্ধতিতে পেমেন্টের জন্য বিল জমা দিতে প্রায় ১৫ দিন সময়ের প্রয়োজন হতো। এখন সেটা মুহূর্তেই করা যাবে। ফলে ২১ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন-ভাতার অর্থ লেনদেন প্রক্রিয়া আরও সহজ হলে বলে মনে করে সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে, অর্থ বিভাগের কর্মচারী এবং কর্মকর্তারা একটি পাইলট প্রকল্পের অধীনে ডিসেম্বর থেকে এক সমন্বিত বাজেট এবং হিসাব পদ্ধতিতে বেতন বিল জমা করা শুরু করেছেন। অর্থবিভাগ সম্প্রতি এ ধরনের একটি সার্কুলার জারি করেছে। এটি অর্থ বিভাগ স্টাফের বেতন বিল, পরীক্ষা পাস এবং পেমেন্ট পেনশন বাড়ি ভাড়া এবং অন্যান্য খরচের অর্থও এই পদ্ধতিতে লেনদেন হবে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেতন বিল নিজেরাই জমা করতে পারবেন।   এসি/ এআর  

গর্ভকালীন কোমড় ব্যাথার কারণ ও প্রতিকার

নারীদের জীবনের একটি বড় স্বপ্ন মা হওয়া। তবে এ সময়ে গর্ভবতী মায়েদেরকে  অনেক সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কোমর ব্যথা তার মধ্যে অন্যতম। বিশেষ করে গর্ভকালীন সময়ের শেষ ভাগে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। আমাদের মেরুদণ্ডের কোমরে অংশে একটি সি আকৃতির কার্ভ বা বাঁকা অংশ থাকে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় লাম্বার লরর্ডোটিক কার্ভ বলা হয়।  এটি আমাদের কোমরকে নড়াচড়া করতে সাহায্য করে। গর্ভকালীন সময়ে, বিশেষ করে শেষ তিন মাসে যখন বাচ্চার ওজন ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে, তখন মায়ের পেটের আকৃতিও বাড়তে থাকে। এতে এই বাড়তি ওজন বহন করতে মায়ের মেরুদণ্ডের কোমরের অংশের মাংসপেশিগুলোকে বেশি একটিভ বা সক্রিয় থাকতে হয়। অন্যদিকে গর্ভবতী মা পেটের বাড়তি ওজন বহন করে কিছুটা পিছনের দিকে বাঁকা হয়ে যায়। এতে কোমরের মাংসপেশি ও স্পাইনাল লিগামেন্টগুলো দুর্বল হয়ে পরে। তখন ব্যথা অনুভূত হয়। গর্ভকালীন কোমর ব্যথা যেহেতু ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার করা যায় না, তাই ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা অনেক উপকারী। এ ক্ষেত্রে সুপারফিসিয়াল থার্মোথেরাপির পাশাপাশি কিছু থেরাপিউটিক ব্যায়াম করতে হয়। যেমন-স্ট্যাটিক ব্যাক মাসল  এক্সসারসাইজ, পেলভিক ব্রিজিং এক্সারসাইজ ইত্যাদি। এগুলো গর্ভকালীন কোমরের মাংসপেশির শক্তি বজায় রাখে এবং গর্ভকালীন কোমর ব্যথা অনেকাংশে কমায়। প্রসব পরবর্তী ফিজিওথেরাপি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে কোমর ও পেটের শিথিল হয়ে যাওয়া মাংসপেশিগুলো শক্তি বৃদ্ধি করার জন্য কিছু থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ বা ব্যায়াম করতে হবে। যেমন- পেলভিক-ফ্লোর এক্সারসাইজ, ব্যাক মাসল স্ট্রেন্দেনিং এক্সারসাইজ; অ্যাবডোমিনাল এক্সারসাইজ ইত্যাদি। ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করলে প্রসব পরবর্তী কোমর ব্যথা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। সূত্র: কলকাতা টুয়েন্টি ফোর   এম

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি