ঢাকা, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২২:৩৩:৪২

ফেসবুকে ভুয়া সংবাদ চিনবেন যেভাবে

ফেসবুকে ভুয়া সংবাদ চিনবেন যেভাবে

বর্তমানে সোশাল মিডিয়ায় `ফেক নিউজ` এর ছড়াছড়ি। ভুয়া নিউজের ভিড়ে কোনটা সঠিক নিউজ চেনার উপায় নেই। আর এসব ‘ফেক নিউজের’ কারণে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে ফেসবুক, গুগল বা টুইটারের মতো সোশাল মিডিয়াকে। অবশ্য গত  কয়েক বছর ধরেই ফেসবুক `ফেক নিউজ` এর দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে উদ্যোগ নিয়েছে।`ফেক নিউজ` ছড়ানোর দায়ে অনেক দেশে ফেসবুক-এর বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। চলতি বছর ইতালিতে `ফেক নিউজ` বিরোধী  বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ভুয়া নিউজ চেনার উপায় নিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়েছে ফেসবুক। জেনে নিন আপনি কীভাবে চিনবেন ভুয়া নিউজ - সন্দেহপ্রবণ হেডলাইন: ফেক নিউজের ক্ষেত্রে হেডলাইন হবে বেশি চিত্তাকর্ষক। এ ধরনের হেডলাইনে বিস্ময় সূচক বা প্রশ্ন চিহ্ন থাকলেই সতর্ক হন। আবার হেডলাইনের শব্দগুলি যদি অত্যাধিক বোল্ড বা অবিশ্বাস্য কিছু দাবি করা হয়, তাহলে নিশ্চিত থাকুন সেটি ভুয়া নিউজ। ইউআরএলটি চেক করুন: যদি আপনার কোন ধরণের সন্দেহ হয় তাহলে ইউআরএলটি ভালো করে চেক করুন। অনেক সময় অন্যকোনো সাইটের ইউআরএল-এ সামান্য শব্দের পরিবর্তন করে ফেক নিউজ আপলোড করে। তাই আপনি অবশ্যই নিশ্চিত হওয়ার জন্য ইউআরএলটি ইন্টারনেটের সার্চ করুন। দেখুন ওই ইউআরএল-এ এমন কোনো খবর আর কেউ করেছে কি না। খবরের উৎস: যে খবরটি প্রকাশ করেছে, সেই খবরটির উৎস আপনাকে যাচাই করতে হবে। দেখতে হবে কোনো প্রতিষ্ঠিত স্থান থেকে খবরটি প্রকাশ হয়েছে কিনা। অস্বাভাবিক ফরম্যাটিং: মনে রাখবেন, ভুয়া নিউজে ভুল বানান এবং অদ্ভুত লে-আউট দেখা যায়। তাই আপনি এটি দেখেই বুঝে নিতে পারেন এটি ফেক নিউজ। ফটো, ভিডিও যাচাই করুন: আপনাকে ফটো বা ভিডিও অবশ্যই যাচাই করে দেখতে হবে। কারসাজি করা চিত্র বা ভিডিও দেখলে সতর্ক হন। পাশাপাশি এই ছবি বা ভিডিওগুলো কোনো ব্র্যান্ডেড সোর্স-এ ব্যবহার হয়েছে কি না ভাল করে দেখে নিন। খবরের তারিখ: তারিখগুলো কবে প্রকাশ হয়েছে ভালোভাবে দেখুন। এমন খবর বলা হয়েছে, যেটা অন্য কোথাও দেখেননি তাহলে নিউজে বলা তারিখগুলো দেখে নিন ভাল করে। পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিনে দেখুন ওই খবর আর কেউ করেছে কি না। মনে রাখবেন জাল খবরের সাইটগুলো খবরের তারিখ বদলে দেয়। প্রমাণ যাচাই: খবরের উৎস ভালো করে দেখুন। এটি সত্য কিনা না সেটি অন্য সাইটে প্রকাশ হয়েছে কিনা যাচাই করুন। একই খবর  অন্য কোথাও আছে কিনা দেখুন: নিবউজটি অন্য কোনো সংবাদের উৎস কিনা দেখুন ভাল করে। সঙ্গে  কোনো প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যম এ খবর করেছে কি না সেটিও দেখে নিন। খবর না কৌতুক: ফেক নিউজে অনেক সময় হাস্যরস বা কৌতুকের উদ্রেক টেনেপ্রকাশ করা হয়। এই হাস্যরস বা কৌতুক ভালোভাবে খতিয়ে দেখুন। এটি থাকলে আপিন নিশ্চিত হতে পারেন যে এটি ফেক নিউজ। ইচ্ছাকৃত জাল: পাঠক আকর্ষণে এমন কিছু নিউজ প্রকাশ করা হয়, যা  ইচ্ছাকৃতভাবে জাল বানানো।   /আর/এআর
ফ্রিজে মাংস সংরক্ষণ করবেন যেভাবে

রাত পোহালেই পবিত্র ঈদ উল আযহা বা কোরবানির ঈদ। মুসলমানরা মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি করবেন। ঈদে কোরবানি নিয়ে অনেকেরই অনেক পরিকল্পনা থাকে। কোরবানির মাংস দিয়েই বাড়িতে তৈরি হবে মজাদার সব রেসিপি। তবে মজাদার সব রেসিপি খাবার আগে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ নিয়েই বিপাকে পরতে হয় অনেকের।  কেননা মাংসের সংরক্ষণে কোন ত্রুটি হলে তা কমিয়ে দিতে পারে রেসিপির স্বাদ। নিচের টিপসগুলো থেকে মাংস সংরক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতি জেনে নিতে পারেন। মাংস ফ্রিজে রাখবেন যেভাবে : খাদ্যবিজ্ঞানে মাংসকে ফেলা হয় অতি পচনশীল খাদ্যের তালিকায়। অর্থাৎ ঠিকমতো সংরক্ষণ করা না হলে মাংস খুব দ্রুতই নষ্ট হয়ে যায়। পশু জবাইয়ের পর বেশিক্ষণ বাইরে রেখে দিলে মাংসের পেশিগুলো খুব নরম হয়ে যায়। এতে মাংসের স্বাদ ও পুষ্টিমূল্য দুটোই নষ্ট হয়ে যায়। তাই মাংস যত দ্রুত সম্ভব ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে ফ্রিজে ঢুকানোর আগে ফ্রিজ ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ফ্রিজ অপরিষ্কার থাকলে মাংসে দুর্গন্ধ হতে পারে। কিংবা অন্য কোন দূর্গন্ধযুক্ত খাবারের সাথে রাখলে দূর্গন্ধ আসতে পারে মাংস থেকে। এরপর অবশ্যই ভালোভাবে রক্ত ধুয়ে ফেলে মাংস পরিষ্কার করে নিতে হবে। ধোয়ার পর অতিরিক্ত পানি ঝরানোর জন্য বড় ঝুড়িতে রেখে দিতে হবে। মাংস থেকে পানি ঝরে গেলে পলিথিন প্যাকেটে রেখে ভালোভাবে মুখ পেঁচিয়ে বন্ধ করে ফ্রিজে রাখতে হবে। তাহলে মাংস অনেকদিন ভালো থাকবে। জিপার সিস্টেম বিভিন্ন সাইজের প্লাস্টিক ব্যাগ দোকান থেকেও কিনে নিতে পারেন। তবে দীর্ঘদিন ফ্রিজে মাংস রেখে না খাওয়াই ভালো। মাংসের বিভিন্ন রেসিপির সেরা স্বাদ নিতে টাটকা মাংস রান্না করাই শ্রেয়। মাংস ফ্রিজে রাখার সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন মাংসের টুকরা বেশি বড় না হয়। ছোট ছোট টুকরা করে মাংস সংরক্ষণ করা ভালো। আর যে পলিথিন দিয়ে মাংস সংরক্ষণ করবেন, সেটি যেন মোটা ও পরিষ্কার হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। মাংস হালকা সিদ্ধ করেও সংরক্ষণ করা যায়, তাতে মাংস আরও ভালো থাকে। মাংস ভালোভাবে ধুয়ে পরিমাণ মতো হলুদ, লবণ মাখিয়ে পানি দিয়ে জ্বাল দিতে হবে। এই মাংস দিনে অন্তত দুবার জ্বাল দিলে দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। এভাবে সংরক্ষণের ক্ষেত্রে মাংসে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকলে মাংস অনেকদিন ভালো থাকে। রোদে শুকিয়েও মাংস সংরক্ষণ করা যায়। অনেকটা রোদে শুকানো শুঁটকি মাছের মতো এ প্রক্রিয়াটি। প্রথমে মাংস ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনো চর্বি না থাকে। এবার চিকন তারে গেঁথে মাংস রোদে শুকাতে হবে। এভাবে শুকালে মাংসে কোনো পানি থাকে না। তাই মাংস অনেকদিন ভালো থাকে। এছাড়া আপনি চাইলে মাংস একবারে রান্না করে ছোট ছোট বক্সে করে ফ্রিজে কম তাপে সংরক্ষণ করতে পারেন। //এআর  

কোরবানির পশুর চামড়া ছাড়াবেন যেভাবে

আগামীকাল পবিত্র ঈদ উল আযহা। এদিন মহান আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্য পৃথিবীর কোটি কোটি ধর্মপ্রাণ মুসলমান পশু কোরবানি করবেন। সাধারণত কসাই দিয়েই কোরবানির পশুর মাংস কাটা ও চামড়া ছাড়ানোর কাজ করা হয়ে থাকে। তবে সময়মত কসাই না পেলে কিংবা শখের বসেই অনেকেই নিজেরা নিজেদের পশুর মাংস কাটাকাটি করেন। এসময় চামড়া ছাড়ানোই এক দুরুহ বিষয় হয়ে দাড়ায়। অনেকেই অভিজ্ঞতার অভাবে এমনভাবে চামড়া কেটে ফেলে যে সেই চামড়াটি নষ্ট হয়ে যায়। ফলে তার আর কোন বাণিজ্যিক মূল্য থাকে না। চামড়াটি তখন আর বিক্রি করা যায় না। অন্য কাজেও চামড়াটি আর ব্যবহার করা যায় না। তাই যারা নিজেরাই এবার পশুর মাংস কাটাকাটি করবেন তারা এখানে করণীয়গুলো জেনে নিতে পারবেন। ১. পশুটিকে এমন স্থানে কোরবানি করবেন যেন সেখানে বসেই চামড়া ছাড়ানো যাবে। জবাইয়ের পর যেন টানাহেঁচড়া করতে না হয়। এতে চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হবে। থেঁতলেও যেতে পারে। যদি অন্য জায়গায় নিতেই হয়, তবে কয়েকজন মিলে সাবধানে তুলে নিয়ে যান। ছেঁচড়ে নেবেন না।  ২. গরুর ক্ষেত্রে একপাশ থেকে চামড়া ছাড়ানো শুরু করতে হবে। যেকোনো একপাশের চামড়া ছাড়িয়ে ওটাকে কাত করে দিন। এবার অপর পাশ থেকে শুরু করুন। ছাগলের ক্ষেত্রেও তাই করতে হবে। ৩. যদি সম্ভব হয়, গরু বা ছাগলটাকে মোটা নাইলনের দড়িতে কোনো খুঁটির সঙ্গে টাঙিয়ে নিতে হবে। ঝোলানো অবস্থায় চামড়া ছাড়ানো অনেক সহজ হবে। চামড়াও মাটিতে ঘষা লেগে নষ্ট হবে না। চাইলে এ পদ্ধতিও অনুসরণ করতে পারেন। ৪. অবশ্যই ধারালো ছুরি লাগবে। ভোঁতা ছুরি দিয়ে চামড়া ছাড়ালে চামড়া এবং মাংসের ক্ষতি হবে। উপরন্তু যিনি মাংস কাটবেন তারও শারীরিক কষ্ট বেশি হবে। ঈদের আগেই ছুরি কিনে আনুন কিংবা বাড়িতে থাকলে তা ধার করে নিন।  ৫. অনেকেই হয়তো দেখেছেন যে, ছাগলের চামড়ার কিছুটা ছাড়িয়ে টান দিয়ে নিচের দিকে নামিয়ে আনা হয়। তবে অভিজ্ঞ কসাইরা এমনটা না করতেই পরামর্শ দেন। এতে চামড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাকা হাতে কাজটি না করলে চামড়া ছিড়েও যেতে পারে। ৬. অনেকেই মাংস কাটাকাটিতে তাড়াহুড়ো করেন। দ্রুত চামড়া ছাড়ানোর চেষ্টা করেন। এমনটা করবেন না। জানেন তো, সবুরের ফল মিষ্টি হয়। মনোযোগ দিয়ে ধীরে ধীরে চামড়া ছাড়িয়ে নিন। অপরিপক্ক হাতে চামড়ার সঙ্গে মাংস ও চর্বি লেগে যেতে পারে। এগুলো ছাড়িয়ে নিতে হবে। ৭. যদি এর আগে চামড়া ছাড়ানোর সামান্য অভিজ্ঞতা থাকে, তবে কাজটি অনায়াসে করতে পারবেন। ভয়ের কিছু নেই। আর না থাকলেও ক্ষতি নেই। আশপাশের কসাইরা যেভাবে কাজটি করছে তার সম্পর্কে ধারণা নিন। বুঝে ফেলবেন কাজটি কীভাবে করতে হবে। ৮. এখন তো অনলাইনের যুগ। চামড়া ছাড়ানোতে যদি একেবারেই অনভিজ্ঞ হন তবে ইউটিউব থেকে বিভিন্ন ভিডিও দেখে নিতে পারেন। অনেকগুলো পদ্ধতির ভিডিও দেয়া আছে। দেখে দেখে ধারণা নিতে পারেন। ৯. আর হ্যাঁ, কুরবানির আগে পশুকে বেশি বেশি পানি খাওয়াবেন। এতে চামড়া ছাড়ানো অনেকগুণে সহজ হয়ে যাবে। তাহলে আর চিন্তা কীসের? লেগে পড়ুন। ঈদ মোবারক।  

সুস্থ গরু চিনবেন যেভাবে

কালকের দিন পরেই ঈদুল আজহা। কোরবানির পশুর হাটগুলোতে এখন উপচেপড়া ভিড়। গরু-ছাগল কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সবাই। ব্যস্ত সময় পার করছেন গরু ব্যবসায়ীরাও। অন্যদিকে, এতো গরুর মধ্যে মনের মতো একটি ভালো গরু পছন্দ করে কেনাটাও কিন্তু সহজ কাজ নয়। পাশাপাশি, কৃত্রিমভাবে নানা ওষুধ খাইয়ে মোটাতাজা গরুর ভিড়ে সত্যিকার স্বাস্থ্যবান ও সুস্থ গরু চেনাটাও বেশ কঠিন। তবে একটু সচেতন হলেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সুস্থ গরু চেনার কিছু উপায় আছে। সেগুলো জানা থাকলে আপনি প্রতারিত হবেন না। সহজেই বুঝতে পারবেন গরুটি সুস্থ নাকি অসুস্থ। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই সুস্থ গরু চেনার সেই উপায়গুলো সম্পর্কে। ১. অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কোরবানির পশুকে মোটাতাজাকরণ ওষুধ খাইয়ে স্বাভাবিকের চাইতে অতিরিক্ত মোটাতাজা করে কোরবানির হাটে নিয়ে আসে। এসব গরু অন্যসব গরুর চাইতে ফোলা থাকে। তাই ভালো করে লক্ষ্য করুণ আপনার পছন্দের গরু চটপটে কি না? কারণ, স্টেরয়েড খাওয়ালে গরু নড়াচড়ার বদলে ঝিম মেরে থাকবে। এছাড়া স্টেরয়েড ট্যাবলেট খাওয়ানো গরুর ঊরুতে প্রচুর মাংস থাকে।  ২. অনেকে মনে করে মোটা গরু মানেই সুস্থ গরু। আসলে তা না, মোটা গরুতে চর্বি অনেক বেশি থাকে যা খাওয়ার পর মানুষের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাইয়ে অনেক সময় গরু মোটাতাজা করা হয়। ৩. শিং ভাঙা, লেজ কাটা, জিহ্বা, ক্ষুর, মুখ, গোড়ালি খত আছে কি না তা ভালো করে দেখে নিতে হবে। ৪. সুস্থ গরু চিনতে হলে পাঁজরের হাড়েও খেয়াল করতে হবে। সুস্থ গরুর পাঁজরের হাড়ে উঁচু নিচু থাকে এবং চোখে নড়াচড়া করবে। ৫. গরুর নাকের ওপরটা ভেজা ভেজা থাকে তাহলে বুঝতে হবে গরু সুস্থ। এছাড়া গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি সঙ্গে সঙ্গে জিহ্বা দিয়ে টেনে নেয় তাহলেও বোঝা যায় গরুটি সুস্থ কারণ অসুস্থ পশু খাবার খেতে চায় না। ৬. গরুর কুঁজ মোটা ও টানটান থাকলে বুঝতে হবে গরুটি সুস্থ। ৭. গরুর পাঁজরের হাড়ে যে তিন কোনা গর্ত থাকে যাকে ফ্লায়েন্ট জয়েন্ট বলে। তাতে কোনা রয়েছে কিনা সেটি খেয়াল রাখতে হবে। যেসব গরুকে স্টেরয়েড জাতীয় খাবার খাওয়ানো হয় সেগুলোর পাঁজরের স্থান ফোলা থাকে এবং সেখানেও মাংস থাকে। //এআর

ঈদে যেভাবে মাংস সংরক্ষণ করবেন

দরজায় কড়া নাড়ছে কোরবানির ঈদ। কিন্তু ঈদে কোরবানীর পশুর মাংস সংরক্ষণে নানা ভুল ধারণার কারণে স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেয় অনেক সময়। মাংসে টিনিয়া সোলিয়াম নামের পরজীবীর সংক্রমণ হয় প্রায়ই। তাই আমাদের মাংস কাটা, প্যাকেট করা ও ঠান্ডা করায় সতর্কতা প্রয়োজন। জেনে নিন এই ঈদে কিভাবে আপনি মাংস সংরক্ষণ করবেন কাঁচা মাংস: কাঁচা মাংস যত দ্রুত সম্ভব ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত। মনে রাখবেন ডিপ ফ্রিজে ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় যথাযথভাবে মাংস সংরক্ষণ করলে পাঁচ-ছয় মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। বড় টুকরা: রান্না বা কাঁচা মাংস যা-ই হোক, বড় বড় টুকরা করা ভালো। বাতাসবিহীন প্যাকেট: মাংস অবশ্যই বাতাসবিহীন প্যাকেটে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে প্লাস্টিকের প্যাকেট বা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ব্যবহার করা যায়। পানি যতটা সম্ভব ঝরিয়ে কাঁচা মাংস কাটবেন। কারণ, মাংসে যত বেশি পানি থাকবে, ততই এর মধ্যে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার ঘটবে। ডিপ ফ্রিজে আঁটোসাঁটো করে না রেখে একটু আলাদা করে রাখা ভালো। রান্না করা মাংস: রান্না করা মাংস ফ্রিজে রাখতে হলে করে পৃথক পৃথক পাত্রে রাখবেন। খাবার সময় একেকটি বের করে গরম করবেন। ফ্রিজ না থাকলে: যাঁদের ফ্রিজ নেই, তাঁরা পানি না দিয়ে কম মসলায় মাংস কষিয়ে রাখুন। এই মাংস প্রথম দুই দিন দিনে দুবার গরম করতে হবে। এরপর দিনে একবার করে গরম করলে চলবে। অবশ্যই মাংস ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত ঢাকনা দেওয়া যাবে না।কয়দিন রাখা যাবে ফ্রিজে: কাঁচা মাংস ফ্রিজে সর্বোচ্চ তিন থেকে পাঁচ দিন, ডিপ ফ্রিজে পাঁচ থেকে ছয় মাস। মাংসের কিমা ফ্রিজে এক থেকে দুই দিন, ডিপ ফ্রিজে দুই থেকে তিন মাস রাখা যাবে। রান্না মাংস ফ্রিজে এক থেকে দুই দিন, ডিপ ফ্রিজে দুই থেকে তিন মাস ভালো থাকে। চপ, কাটলেট, কাবাব ফ্রিজে তিন বা চার দিন, ডিপ ফ্রিজে তি থেকে চার মাস ভালো থাকে।//আর//এআর

যে ৯টি টিপস জানলে মাছ কিনে কখনও ঠকবেন না

দোকানদার পচা মাছ গছিয়ে দেয়নি বা মাছ কিনতে গিয়ে ঠকেননি এমন মানুষ কমই আছেন। আজকাল কোনো কোনো সুপার শপেও মাছ না চিনলে ঠকতে হয়। তবে হতাশার কিছু নেই, যতই ফরমালিন বা রঙ দেয়া হোক না কেন, তাজা ও ওষুধমুক্ত মাছ চিনে নেয়ার আছে কিছু দারুণ কৌশল। ৯টি টিপস প্রয়োগ করতে পারলে জীবনে আর কখনো মাছ কিনে ঠকতে হবে না আপনাকে। জেনে নিন ৯টি টিপস। ১) তাজা মাছ কখনো শক্ত হবে না, আবার নরমও হবে না। তাজা মাছ হবে ‘বাউন্সি’। যদি আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে দেখেন যে মাছ একদম শক্ত, বুঝবেন যে সেটা ফ্রিজে রাখা ছিল। আর যদি আঙ্গুল দিলেই দেবে যায় ভেতরে, বুঝবেন মাছের বয়স হয়েছে। তাজা মাছে আপনি আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে দেবে যাবে। কিন্তু আঙ্গুল সরিয়ে নিলেই জায়গাটা ঠিক হয়ে যাবে। ২) তাজা মাছের চোখ সবসময় স্বচ্ছ হবে। একদম ঝকঝকে চোখ হবে, দেখলে মনে হবে মাছটি জীবন্ত। সময়ের সাথে সাথে এই চোখ ঘোলাটে, মৃত হয়ে আসে। যত সময় যায়, চোখ তত নিষ্প্রাণ। ফরমালিনে মাছের মাংস পচে না ঠিকই, কিন্তু চোখের জীবন্ত ভাব নষ্ট হওয়া ঠেকানো যায় না। চোখ দেখলেই চিনে নিতে পারবেন তাজা মাছ। ৩) মাছের কানকো দেখাটা তাজা মাছ চেনার একটা ভালো উপায়। যদিও মাছের কানকোতে এখন রঙ মিশিয়ে রাখেন দোকানিরা। তাই শুধু কানকো দেখে মাছ কিনবেন না। জেনে রাখুন, তাজা মাছের কানকো হবে তাজা রক্তের রঙের এবং পিচ্ছিল, স্লাইমি ভাব থাকবে। ৪) চোখ আর কানকো দেখার পর মাছের শরীর দেখুন। মাছের শরীর কি চকচকে আর উজ্জ্বল রূপালি রঙের? বিশেষ করে সুপারশপের মাছে দেখবেন চকচকে রূপালি রঙের বদলে হলদে বা অন্য রঙের আভা দেখা যায় মাছের গায়ে। এতে বুঝে নেবেন যে মাছটি অতি অবশ্যই অনেকদিনের পুরনো। তাজা মাছ চকচক করবে, সময় যাওয়ার সাথে সাথে চকচকে ভাব একেবারেই ম্লান হয়ে যাবে তা সে যতই ফরমালিন দেয়া হোক না কেন। ৫) তাজা মাছের গন্ধ হবে পানির মত, সামুদ্রিক মাছ হলে সমুদ্রের মত। শসার গন্ধের সাথেও মিল পেতে পারেন। যে মাছ থেকে বাজে গন্ধ আসবে, সেটা নিঃসন্দেহে তাজা মাছ নয়। ৬) জিয়ল মাছ যেমন শিং, মাগুর, শোল ইত্যাদি কিনতে গেলেও সাবধান। আজকাল দোকানিরা মরা জিয়ল মাছকেও তাজা বলে ধরিয়ে দেন। জিয়ল মাছ যদি ট্যাংকের মাঝে ঘোরাফেরা করে, ধরতে গেলে ছটফট করে তাহলে সেই মাছ কিনুন। আগে থেকে বের করে ট্রে-তে সাজিয়ে রাখা মাছ নয়। ৭) সুপার শপের কেটে রাখা মাছ বা ফিশ ফিলে কিনতে চান? কাটা মাছের রঙ লক্ষ্য করুন।, তাজা মাছের মাংস হবে উজ্জ্বল রঙের। রঙ যত বিবর্ণ, মাছ তত পচা। ৮) বাজারে কেটে ভাগা দেয়া মাছ কিনবেন? ভালো করে লক্ষ্য করুন মাছের আশেপাশে কোনো সাদা বা ফ্যাকাশে রঙের পানি আছে কিনা। যদি থাকে, বুঝবেন মাছ ভালো নয়। তাজা মাছের আশেপাশে স্বচ্ছ পানি থাকবে।   ৯) চিংড়ী মাছের ক্ষেত্রে কিন্তু পদ্ধতি ভিন্ন। যদি চিংড়ী মাছের খোসা শক্ত আর ক্রিসপি থাকে, তাহলে মাছ তাজা। যদি খোসা নরম আর নেতিয়ে পড়া হয়, তাহলে মাছ ভালো নয়। ডব্লিউএন

ফোন কলেই ফ্রি চিকিৎসা

ফোন করলেই ফ্রি চিকিৎসা পাওয়া যায়। হাতুড়ে কোনো ডাক্তারের নয়; বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের। অথচ এর জন্য ব্যয় হবে না কোনো অর্থকড়ি। বিনামূল্যের এই চিকিৎসা সেবার নাম টেলিমেডিসিন সেবা। টেলিযোগাযোগ সুবিধা ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াই হলো টেলিমেডিসিন। এ পদ্ধতিতে চিকিৎসক বা মেডিক্যাল টিম দূর থেকে মোবাইল ফোন কিংবা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রোগীর তথ্য-অবস্থা জেনে করণীয় বলে দেন।   এই সেবা পেতে যেতে হবে নিজ ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক মোবাইলে ভিডিও কলের মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেবেন। দেশের প্রায় ৯০টি উপজেলায় টেলিমেডিসিন স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিচ্ছে ঢামেক। জনগণের দোড়গোড়ায় সঠিক চিকিৎসাসেবা পৌছে দিতে এই উদ্যোগ। এই সেবার ফলে উপকৃত হচ্ছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারী ও শিশুসহ সব বয়সী মানুষ। স্বাস্থ্য অধিদফতর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কাজ করেছে। ঢামেকে এই ডিজিটাল সেবা দেওয়ার জন্য প্রায় ৫৩ জন ডাক্তার কাজ করছেন। শুক্রবার বাদে সপ্তাহে ৬ দিন এক ঘন্টার জন্য এই সেবা দেওয়া হয়।ঢামেক সূত্রে জানা গেছে, মেডিসিন, কার্ডিওলজি, সার্জারি, অর্থোপেডিক, চক্ষু, গাইনি, শিশু ও চর্মসহ সব ধরণের রোগের চিকিৎসায় পরামর্শ দেওয়া হয়। রোজ এক ঘণ্টারও বেশি সময় নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানের ফোন কলের সুযোগ দেওয়া হয়।প্রায় দেয় বছর ধরে সরকারিভাবে এই সেবা চালু রয়েছে।//এআর

দেশি গরু চিনবেন যেভাবে…

দেশি গরুর মাংসের স্বাদ বিদেশি গরুর চেয়ে ভালো। তাই ঈদুল আজহায় কোরবানির হাটে দেশি গরুর চাহিদা বেশি থাকে। অনেকে পশুর হাটে তন্ন তন্ন করে দেশি গরু খোঁজেন। কেউ দেশি গরু ভেবে বিদেশি গরু কিনে প্রতারিতও হন। এজন্য ক্রেতাদের দেশি গরু চেনার যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। কিন্তু কিভাবে চিনবেন দেশি গরু; এটা নিয়ে মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই।পশু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশি পশুর মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এরা ছোট ও মাঝারি আকৃতির হয়ে থাকে। এছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেশি পশু এক রঙের হয়। এদের পা চিকন ও শিং বড় হয়। এসবের বাইরেও পশু বিষয়ে অভিজ্ঞদের মতামত নিয়ে কোরবানি দেওয়ার জন্য দেশি গরু কেনার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।পশু বিশষজ্ঞরা বলছেন, দেশি গরু চেনা খুব সহজ। আকার-আকৃতি বিদেশি গরুর তুলনায় অনেক ছোট। বিশাল আকৃতির গরুগুলো সাধারণত বিদেশি। গরুগুলোর শিং ছোট হয়। অন্যদিকে দেশি গরুর শিং বড় আর পায়ের দিকে মাংস কম থাকে। পা চিকন হয়। কলকাতা, আসাম, ত্রিপুরা এলাকার গরুও একই আকৃতির। এসব পশুর মাংসের স্বাদও একই ধরনের। এ কারণে এসব এলাকার গরু ও দেশি গরু আলাদা করা সম্ভব হয় না।ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ডা. আজমত আলী গণমাধ্যমকে বলেন, দেশি গরুর আকার-আকৃতি ছোট ও মাঝারি ধরনের হয়। পা চিকন হয়, শিং লম্বা হয়, গরুগুলোর রং একই ধরনের হয়ে থাকে। আর দেশি গরু জবাইয়ের পর চর্বির রং হয় হলুদ, বিদেশি জাতের গরুর চর্বির রং সাদা।//এআর

কুনি নখের যন্ত্রণা সারানোর উপায়

পায়ের নখে ফাংগাসের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। আর কুনি নখের যন্ত্রণাও কিন্তু কম নয়। ধুলোবালির সাথে কাদা নখের কোণায় ঢুকে গিয়ে জমে থাকে। তারপর সেখানেই জন্ম নেয় নানা ধরনের ব্যাকটেরিয়া। যা থেকে নখের কোণায় তৈরি হয় পুঁজ, ফুলে লাল হয়ে যায়। আর সেইসাথে যন্ত্রণা তো আছেই। অনেকে একে কুনি নখও বলে থাকেন। এ সময় নখের রঙ হলদেটে হয়ে দেখতে বিশ্রী লাগে। তবে তিনটি সহজ ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন সেগুলো- হলুদ : কয়েক টুকরো কাঁচা হলুদ কেটে নিয়ে অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলে দিয়ে ফোটান। এবার এক টেবিল চামচ হলুদের সাথে তেল ও তিন টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ দিনে তিনবার আক্রান্ত জায়গায় লাগান। মনে রাখবেন, হলুদ খুব ভালো অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। বেকিং সোডা : হাল্কা গরম পানি বেকিং সোডা মিশিয়ে সেই পেস্টটি আক্রান্ত নখের উপর লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। দিনে ২-৩ বার ব্যবহার করুন। বেকিং সোডার অ্যাল্কালাইন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ভিক্স : সর্দি, মাথাব্যথায় ভীষণ ব্যবহৃত এ মলমটি সহজে ফাংগাস তাড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায়। দিনে দুইবার আক্রান্ত নখে ভিক্স লাগান। এরপর সেই নখে গজ দিয়ে একটি ব্যান্ডেজ করে রাখতে পারেন। সূত্র : দ্য হেলথ সাইট।

সিজার না স্বাভাবিক প্রসব ভালো...

অন্ত:স্বত্তা মা ও তার স্বামীর সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় প্রসব স্বাভাবিক হবে, না কি সিজার হবে। প্রসবের এই বিষয়গুলো নির্ভর করে মা ও গর্ভের শিশুর অবস্থার ওপর। স্বাভাবিক প্রসব নাকি সিজার ভালো এ বিষয় জানাচ্ছেন উত্তরা মডার্ন হাসপাতালের গাইনী বিভাগের প্রধান ডা. দিলরুবা খানম। যখন কোনো নারী গর্ভবতী হন তখন মাথায় চিন্তা আসে প্রসবটা কীভাবে হবে। স্বাভাবিক নাকি সিজার। তবে স্বাভাবিক প্রসব হওয়ানোর ক্ষেত্রে আমরা দেখি মা ও বাচ্চা উভয় সুস্থ আছে কি না।  যে পথটা দিয়ে প্রসব হবে সেটি যেন প্রশস্ত হয়। প্রসবের সময় যেন পর্যাপ্ত পরিমাণ ব্যথা থাকে এবং জরায়ুর মুখটাও যথাযথভাবে খোলে। এসব বিষয় যদি ঠিক থাকে তখন অবশ্যই স্বাভাবিক প্রসব হবে। এটা ঠিক যে, সিজার প্রবণতা হাল সময়ে বেড়ে গেছে। অনেক সময় সিজার করা জরুরি হয়ে পড়ে। আবার কখনও কখনও অন্ত:স্বত্তাই প্রসব বেদনা সইতে না পেরে সিজার করার জন্য অনুরোধ করে। উন্নত প্রযুক্তির কারণে আগে ভাগেই আমরা বুঝতে পারি মায়ের পেটে যে শিশুটি রয়েছে সে অক্সিজেন পরিবহন কী রকম পাচ্ছে। যদি সমস্যা হয় তখন অবশ্যই অস্ত্রোপচারে যেতে হবে। আবার ইদানীং দেখা যায় নারীরা একটু বেশি বয়সে সন্তান নিচ্ছেন। বয়স হয়ে গেলে মায়ের নানা রকমের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দেয়। তখন এটাকে উচ্চ ঝুঁকি সম্পন্ন গর্ভধারণ বলা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে সিজার করতে হয়। তবে স্বাভাবিক প্রসবই ভালো। স্বাভাবিক প্রসব হাসপাতালেও করানো সম্ভব। তবে সিজার নিয়ে কেউ কেউ মনে করেন যে, সিজারিয়ান শিশুদের মেধা কমবেশি হয়, অসুখ বা রোগ-ব্যাধি বেশি হয়। আসলে শিশুটি যখন গর্ভাবস্থায় থাকে তখন সে জানে না তার স্বাভাবিক প্রসব হবে, নাকি সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে তাকে বের করা হবে। তার বুদ্ধিমত্তা পেটের ভেতর থেকেই একই রকম হচ্ছে। এটাতে কোনো পার্থক্য আসলে হয় না। তবে অপরিপক্ব শিশুকে সিজার করে বের করে আনা হলে তার বুদ্ধিমত্তা কম হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ৩৭ সপ্তাহ হয়ে গেলে আমরা পরিপক্ব বলি। আর তার থেকে একটু আগেও যদি করি, ৩৪ সপ্তাহ থেকে তখনো সে ধরনের কোনো সমস্যা পাওয়া যায় না। দুটো শিশু একই রকম হয়ে থাকে। প্রথম দিকে হয়তো বা তাদের শ্বাসকষ্ট বা কোনো ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। পরাবর্তীকালে বুদ্ধিমত্তার দিক থেকে কেউ কোনো অংশে কম থাকে না। আবার সিজারিয়ান সেকশনের পর অনেক মায়ের একটি ভাবনার বিষয় হয় পেটে দাগ থাকা। এই সেলাইয়ের বিষয়ে, আর দাগের বিষয়ে মায়েরা খুব সচেতন। এটি নিয়ে তারা খুব চিন্তিত থাকেন। আসলে এটি নির্ভর করে শরীরের ওপর। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় অস্ত্রোপচারের তিন মাস পরে কারো কোনো দাগই থাকে না। এটাতে আসলে কারোরই হাত নেই। তবে দাগ তুলে ফেলার জন্য বিভিন্ন ধরনের লোশন আছে সেগুলো দিয়ে থাকি। এখন প্রশ্ন হলো একজন মায়ের হয়তো স্বাভাবিক প্রসব হলো, আরেকজনের সিজারিয়ান প্রসব এক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য হয় কি না? অবশ্যই একটু পার্থক্য করতে হয়। কেননা স্বাভাবিক প্রসবের পর একদিন হাসপাতালে থেকে সে চলে যেতে পারছে। তবে সিজারিয়ান ডেলিভারি হলে তো তার তিন থেকে চার দিন থাকতে হয়। স্বাভাবিক প্রসবে সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।আর//এআর

কীভাবে পাবেন স্মার্ট কার্ড

জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট কার্ড। মেশিন-রিডেবল এই কার্ডের মাইক্রোচিপে একজন নাগরিকের ৩২টি মৌলিক তথ্য সংরক্ষিত থাকে। বর্তমানে, পাসপোর্ট, ব্যাংকিং, ট্রেড লাইসেন্স, শেয়ার হস্তান্তরসহ ২২টি সেবা খাতে এ কার্ডের প্রয়োজন হয়। প্রয়োজনের এ তাগিদ থেকেই কিভাবে পেতে পারি স্মার্ট কার্ড? কার্ড প্রত্যাশি সবার-ই এ প্রশ্ন। তবে নিম্নের বিষয়গুলো ধারাবাহিকভাবে অনুসরণ করলেই একজন কার্ড প্রত্যাশীর সব প্রশ্নের সমাধান মিলবে। কাঙ্ক্ষিত কার্ডটিও পাওয়া সহজ হবে। পরে নির্দিষ্ট দিনে সশরীরে নির্দিষ্ট স্থানে হাজির হয়ে আঙ্গুলের ছাপ দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে স্মার্ট কার্ড সংগ্রহ করা যাবে। আপনার স্মার্টকার্ড কবে কোথায় দেওয়া হবে তা জানতে যা যা করতে হবে- ক) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে : ১. এই লিংকে প্রবেশ করুন- https://services.nidw.gov.bd/card_distribution ২. আপনার এনআইডি নম্বর বা ভোটার নিবন্ধন ফরমের স্লিপ নম্বর, জন্ম তারিখ ও ক্যাপচা লিখুন। ৩. ‘কার্ড বিতরণ তথ্য দেখুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। ৪. এরপর যে উইন্ডো আসবে সেখানেই থাকবে কবে, কোন ক্যাম্পে আপনার স্মার্টকার্ডটি কবে দেওয়া হবে। ৫. যদি লেখা উঠে – “No data found for: Your card distribution date is not scheduled yet, please try later.”; তাহলে বুঝতে হবে আপনার এলাকায় কবে স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে তার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি। আর কিছুদিন পর আবার ট্রাই করবেন। খ) মোবাইলের মেসেজের মাধ্যমে: মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে SC লিখে স্পেস দিয়ে ১৭ ডিজিটের এনআইডি নম্বর লিখতে হবে। যাদের এনআইডি নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। এরপর তা ১০৫ নম্বরে পাঠালেই ফিরতি মেসেজে জানিয়ে দেওয়ার তথ্য। এদিকে যারা এখনো NID পাননি তারা প্রথমে SC লিখে স্পেস দেবেন। এরপর F লিখে স্পেস দিয়ে নিবন্ধন ফরম নম্বর লিখবেন। আবারও স্পেস দিয়ে D লিখে yyy-mmm-ddd ফরম্যাটে জন্মতারিখ লিখে ১০৫ নম্বরে মেসেজ সেন্ড করবেন। ফিরতি মেসেজে আপনার এনআইডি কবে কোথায় কোন ক্যাম্পে দেওয়া হবে তা জানানো হবে। গ) মোবাইলের মাধ্যমে কল করে: ১০৫ নম্বরে কল করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে জানতে পারবেন। বি.দ্র ১৭ ডিজিটের NID (National ID) Card নম্বর লিখতে হবে। যাদের NID নম্বর ১৩ ডিজিটের, তারা প্রথমে জন্ম সাল যুক্ত করে নেবেন। যেমন: 1980 লিখে NID নম্বর শুরু হবে। আরকে/ডব্লিউএন

বজ্রপাত থেকে বাঁচার উপায়

মানুষের জীবনে প্রাকৃতিক দূর্যোগের একটি বজ্রপাত। গত বছর ১৪২ জনের মৃত্যুর পর বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছিল সরকার। এবারও বিস্তৃত এলাকাজুড়ে বজ্রঝড় হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। হিসাব বলছে, বাংলাদেশে ক্রমান্বয়ে এ দূর্যোগের মাত্রা বেড়েই চলেছে। যা মানুষের জানমালকে ঝুঁকিতে ফেলছে। তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি উপয় অবলম্বন করলে এর ক্ষয়ক্ষতি থেকে নিজেকে বাঁচানো সম্ভব। ১. দালান বা পাকা ভবনের নিচে আশ্রয় নিন : ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু স্থানে থাকা যাবে না। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো একটি পাকা দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারলে। ২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুৎ লাইন থেকে দূরে থাকুন : কোথাও বজ্রপাত হলে উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এসব স্থানে আশ্রয় নেবেন না। খোলা স্থানে বিচ্ছিন্ন একটি যাত্রী ছাউনি, তালগাছ বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে। ৩. জানালা থেকে দূরে থাকুন : বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন। ৪. ধাতব বস্তু স্পর্শ করবেন না : বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলো স্পর্শ করেও বহু মানুষ আহত হয়। ৫. বিদ্যুৎচালিত যন্ত্র থেকে সাবধান : বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ  বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন। ৬. গাড়ির ভেতর থাকলে : বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতরে থাকলে সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। গাড়ির ভেতরের ধাতব বস্তু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। গাড়ির কাচেও হাত দেবেন না। ৭. খোলা ও উঁচু জায়গা থেকে সাবধান : এমন কোনো স্থানে যাবেন না, যে স্থানে আপনিই উঁচু। বজ্রপাতের সময় ধানক্ষেত বা বড় মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি নিচু হয়ে যান। বাড়ির ছাদ কিংবা উঁচু কোনো স্থানে থাকলে দ্রুত সেখান থেকে নেমে যান। ৮. পানি থেকে সরুন : বজ্রপাতের সময় আপনি যদি ছোট কোনো পুকুরে সাঁতার কাটেন বা জলাবদ্ধ স্থানে থাকেন তাহলে সেখান থেকে সরে পড়ুন। পানি খুব ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী। ৯. পরস্পর দূরে থাকুন : কয়েকজন মিলে খোলা কোনো স্থানে থাকাকালীন যদি বজ্রপাত শুরু হয় তাহলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে সরে যান। কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান। ১০. নিচু হয়ে বসুন : যদি বজ্রপাত হওয়ার উপক্রম হয় তাহলে কানে আঙুল দিয়ে নিচু হয়ে বসুন। চোখ বন্ধ রাখুন। কিন্তু মাটিয়ে শুয়ে পড়বেন না। মাটিতে শুয়ে পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। ১১. বজ্রপাতের আগ মুহূর্তের লক্ষণ জানুন : আপনার উপরে বা আশপাশে বজ্রপাত হওয়ার আগের মুহূর্তে কয়েকটি লক্ষণে তা বোঝা যেতে পারে। যেমন বিদ্যুতের প্রভাবে আপনার চুল খাড়া হয়ে যাবে, ত্বক শিরশির করবে বা বিদ্যুৎ অনুভূত হবে। এ সময় আশপাশের ধাতব পদার্থ কাঁপতে পারে। অনেকেই এ পরিস্থিতিতে ‘ক্রি ক্রি’ শব্দ পাওয়ার কথা জানান। আপনি যদি এমন পরিস্থিতি অনুভব করতে পারেন তাহলে দ্রুত বজ্রপাত হওয়ার প্রস্তুতি নিন। ১২. রবারের বুট পরুন : বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। এ সময় বিদ্যুৎ অপরিবাহী রাবারের জুতা সবচেয়ে নিরাপদ। ১৩. বাড়ি সুরক্ষিত করুন : আপনার বাড়িকে বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। এজন্য আর্থিং সংযুক্ত রড বাড়িতে স্থাপন করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিতে হবে। ভুলভাবে স্থাপিত রড বজ্রপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে। ১৪. বজ্রপাতে আহত হলে : বজ্রপাতের সময় আশপাশের মানুষের খবর রাখুন। কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসককে ডাকতে হবে বা হাসপাতালে নিতে হবে। একইসঙ্গে এ সময় বজ্রাহত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দন ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ নিয়ে রাখুন। আরকে/ডব্লিউএন

কীভাবে করবেন জন্ম নিবন্ধন

জন্ম নিবন্ধন হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ (২০০৪ সনের ২৯ নং আইন) এর আওতায় জন্ম সংক্রান্ত তথ্যের সনদ। ব্যক্তির নাম, লিঙ্গ, জন্মের তারিখ ও স্থান, বাবা-মায়ের নাম, তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারিত নিবন্ধক কর্তৃক রেজিষ্ট্রারে লেখা বা কম্পিউটারে এন্ট্রি প্রদান এবং জন্ম সনদ প্রদান করা। এটা একটা মানুষের প্রথম রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। রাষ্ট্র এইভাবে স্বীকার করছে যে, হ্যাঁ,তুমি শিশু রূপে এ রাষ্ট্রের একজন ভবিষ্যৎ নাগরিক হয়ে এসেছো।  তোমাকে এ রাষ্ট্রের স্বীকৃত নাগরিকের মর্যাদা ও সকল সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বয়স প্রমাণ করতে হয়। সেসব ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন কার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার নিয়ম (Procedure of Birth Registration): শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক। শিশু জন্মের ২ বছরের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন না করালে বাবা-মায়ের জন্য জরিমানা আছে। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কোনোরকম ফি ছাড়া জন্ম নিবন্ধন  করার সুযোগ দেয়া হয়। এ সময় বাড়ানো হয়েছিল ২০১০ সালের জুন পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে দেশের অধিকাংশ শিশু জন্ম নিবন্ধনের আওতায় এসেছে। জুনের পর জন্মনিবন্ধনের জন্য সরকার একটি ফি ধার্য করেছে। তবে ২ বছর পর্যন্ত শিশুদের জন্মনিবন্ধন যেকোনো সময় বিনা ফিতে করানো যাবে। শুধু ২ বছরের বেশি সময় পার হলে এই ধার্যকৃত ফি দিতে হবে। কোথায় আবেদন করবেন? (Where to Apply for Birth Registration?)     ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়     পৌরসভা     সিটি করপোরেশন অফিস     সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ওয়ার্ড কমিশনারের অফিস জন্ম নিবন্ধন সনদের জন্য যে সকল কাগজপত্র প্রদান করতে হয় (Necessary Papers for Birth Registration Certificate):   যদি কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিকে জন্মগ্রহণ করে থাকে তবে সেখানকার সার্টিফিকেট/ছাড়পত্র। এসএসসি সনদ এর ফটোকপি/পাসপোর্টের ফটোকপি/আইডি কার্ডের ফটোকপি এবং এলাকার জনপ্রতিনিধি যেমন-ওয়ার্ড কমিশনার/ ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার চেয়ারম্যান কর্তৃক নাগরিকত্ব সনদ এর ফটোকপি। জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ (How to get Birth Certificate): জন্ম নিবন্ধন আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় সনদ প্রদানের সম্ভাব্য একটি তারিখ একটি কুপনে লিখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে কুপন প্রদান করে জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করতে হয়। জন্ম নিবন্ধন সনদ একটি শক্ত কাগজ (আর্ট পেপার) যেটার উপরে আপনার নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, জন্মস্থান, পিতা-মাতার নাম সহ যাবতীয় তথ্য ছাপানো আছে।  নিচে  সংশ্লিষ্ট অফিসারদের স্বাক্ষর থাকে। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া (Online Registration for Birth Certificate): অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন (http://bris.lgd.gov.bd/pub/?pg=application_form)। বিভিন্ন ধাপে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। প্রথমে নিবন্ধনকারীর জন্ম স্থান বা স্থায়ী ঠিকানার বিভাগ, জেলা, প্রভৃতি ধাপ পার হয়ে ওয়ার্ড পর্যন্ত নির্বাচন করতে হয়। অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ফরম প্রথমে বাংলায় ও পরবর্তীতে ইংরেজিতে পূরণের পর প্রয়োজনীয় সম্পাদনা করে সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করুন। সংরক্ষণ বাটনে ক্লিক করলেই আবেদন পত্রটি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধক কার্যালয়ে স্থানান্তিরত হয়ে যায়, আবেদনকারীর আর কোনো সংশোধনের সুযোগ থাকে না। অতঃপর পরবর্তী ধাপে প্রিন্ট বাটনে ক্লিক করলে আবেদন পত্রের মুদ্রিত কপি পাবেন। সনদের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত আবেদনপত্রে নির্দেশিত প্রত্যয়ন সংগ্রহ করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রের সত্যায়িত কপিসহ নিবন্ধক অফিসে যোগাযোগ করুন। আরকে/ডব্লিউএন

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি