ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭ ১৮:৫৮:৩৫

উন্নয়ন ও প্রশ্নোত্তর পর্বে জনতার মুখোমুখি এমপি শাওন

উন্নয়ন জনগনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এই প্রথম বারের মতো জনতার মুখোমুখি হয়েছেন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। বুধবার সকালে ভোলার লালমোহনের ‘সজিব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল পার্কে ‘জনতার মুখোমুখি জনপ্রতিনিধি’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে তিনি জনগনের মুখোমুখি হন। এ সময় সংসদ সদস্য তার নির্বাচনী এলাকা লালমোহন ও তজুমদ্দিনবাসীর বিভিন্ন উন্নয়ন, প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং জনগণের পরামর্শ গ্রহণ করেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে দুই উপজেলার কৃষক, জেলে, ঈমাম, ছাত্র-শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং তৃনমুলের জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে। এমপি শাওন তার বিভিন্ন উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে আগামীতে সব ধরনের উন্নয়ন এবং নাগরিক সেবা বৃদ্ধিসহ সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনকল্যাণে কাজ করছে এবং এর ধারা অব্যাহত থাকবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে  আগামীতে নৌকা মার্কায়  ভোট দেওয়ার আহবান জানায় তিনি। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসএইচ/

বরগুনায় সিডর দিবস পালিত

শোক র‌্যালী, স্মরণসভা ও গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যে দিয়ে আজ বুধবার বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’ দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮টায় প্রেসক্লাব চত্বর থেকে একটি শোক র‌্যালী শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোক র‌্যালীতে ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপি, জেলা প্রশাসক মোকলেছুর রহমান-সহ সাংবাদিকবৃন্দ, সিপিপি’র স্বেচ্ছাসেবক ও বিভিন্ন উন্নয়ন সংগঠন এবং সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সব শেষে গর্জনবুনিয়া গণকবরে সর্ব স্তরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। দিবসটি বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে বরগুনা প্রেসক্লাব আয়োজন করে। ২০০৭ সালের এই দিনে বরগুনাসহ এই উপকূলে ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানে। মাত্র আধাঘন্টার তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে যায় উপকূল। প্রবল তোড়ে বেরী বাঁধ উপচে এবং ভেঙে পানি ঢুকে চেনা জনপদ মুহুর্তে অচেনা এক ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়। সরকারী হিসেব অনুযায়ী বরগুনায় ১ হাজার ৩৪৫ জন মানুষের লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল। এখনও ১৫৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। তবে বে-সরকারী হিসেবে নিহতের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার এবং আহতের সংখ্যা ২৮ হাজার ৫০ জন।

ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় পাথরঘাটা ছাত্রলীগের দু’নেতা রিমান্ডে

বরগুনার পাথরঘাটায় এক তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে পাথরঘাটা কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। এদিকে দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন নামের একটি সংগঠন। পুলিশের একটি দল সোমবার দুপুরে পাথরঘাটা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রুহি আনাল দানিয়াল ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ছোট্টকে বরগুনা থেকে পাথরঘাটায় আদালতে হাজির করে। এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার ওসি জিয়াউল হক সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিচারক মো. মঞ্জুরুল হক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এদিকে দোষীদের শাস্তির দাবীতে বরগুনা প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন নামে একটি সংগঠন। এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- প্রেসক্লাবের সভাপতি জাকির হোসেন মিরাজ, মহিলা পরিষদের সভানেত্রী নাজমা বেগম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. আব্দুর রশিদ, নারী নেত্রী সোহেলি পারভিন ছবি প্রমুখ। এসময় বক্তারা আসামিদের শাস্তির দাবী করেন। চলতি বছরের ১০ আগস্ট দুপুরে পাথরঘাটা কলেজের পশ্চিম পাশের পুকুর থেকে অজ্ঞাত নামা এক তরুণীর গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। তখন পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে পাথরঘাটা থানায় মামলা দায়ের করে। ঘটনার পর থেকে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে দীর্ঘ সময় ধরে লেগে থাকে বরগুনা থানার পুলিশ। পরে তথ্য পেয় শুক্রবার পাথরঘাটা কলেজের নৈশ প্রহরী জাহাঙ্গীরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে ডিবি পুলিশ। জাহাঙ্গীরের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, শনিবার রাতে ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদ ও রায়হানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। রোববার বিকেলে পাথরঘাটার আদালতে মাহমুদ ও রায়হানের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গ্রেফতার করা হয় কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রুহি আনাল দানিয়েল ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ছোট্টকে।   জেআর/এসএইচ  

মুগডালে নতুন স্বপ্ন দেখছেন ভোলার কৃষকরা

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল ভোলা জেলায় ব্যাপকহারে শুরু হয়েছে মুগডালের চাষ। জেলার ৫টি উপজেলার কৃষকরা ক্রমেই ডাল চাষের দিকে ঝুঁকছেন। ডাল চাষের মাধ্যমেই দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন তারা। এখানকার উৎপাদিত মুগডাল এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে রপ্তানি হচ্ছে বিদেশে। সোনামুগ, অস্ট্রেলিয়ানমুগ ও বারী জাতের মুগডালের চাষ হচ্ছে এখানে। তবে সবচেয়ে বেশি চাষ হয় বারী জাতের মুগডাল। জাপানি আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ ইউগ্লেনার’ এ ডাল কিনে নিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছে উচ্চমূল্যে ডাল বিক্রি করতে পেরে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। আগামীতে তারা দেড়শ’ টন মুগডাল জাপানে রপ্তানির আশা করছেন। জানা গেছে, বাংলাদেশের উৎপাদিত এ মুগডাল জাপানে সালাদ হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। জাপানের সেই জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাতে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভুষণ এলাকায় কৃষকদের কাছ থেকে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণ ইউগ্লেনার’ এ মুগডাল কিনছে।

৩৩ নারীকে বিয়ে, অতঃপর কারাগারে

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সান্টু সরদার ওরফে কালাম নামের এক ‘অপহরণকারীকে’ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পরই বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এই প্রতারক বিভিন্ন ভাবে প্রতারণার মাধ্যমে কিশোরীসহ অন্তত ৩৩ জন নারীকে বিয়ে করেছে। আগৈলঝাড়া থানা-পুলিশ গত শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকার কুড়িল এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। পরে গতকাল রোববার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে সান্টুকে। যেভাবে গ্রেফতার: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ১৫ বছর বয়সি কিশোরী আগৈলঝাড়ায় মামার বাড়ি থেকে একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। নবম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় আগৈলঝাড়ার দক্ষিণ বাগধা গ্রামের সান্টুর (৪২) নেতৃত্বে অপহরণকারিরা অপহরণ করে। ছাত্রীকে ঢাকার কুড়িল এলাকার ঝিলের কাছের একটি ঘরে আটকে রাখে সান্টু। এ সময় তাকে প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করা ও ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ওই রাতে সান্টুসহ পাঁচজনকে আসামি করে থানায় অপহরণ মামলা করা হয়। গত শুক্রবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার কুড়িল এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে আগৈলঝাড়া থানা-পুলিশ। এসময় অপহরণকারী সান্টুকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে গত শনিবার আগৈলঝাড়া থানায় আনা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আগৈলঝাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সান্টু স্বীকার করেছেন যে, তিনি কিশোরীসহ প্রায় ৩৩ নারীকে বিয়ে করেছেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপহরণে শিকার ওই ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। ছাত্রীর শরীরে জখমের চিহ্ন রয়েছে। তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য। ওই ছাত্রীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মাদ্রাসায় আসা-যাওয়ার পথে সান্টু ওই ছাত্রীকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতেন, কু-প্রস্তাব দিতেন। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সহযোগীদের নিয়ে সান্টু ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে।   /আর/এআর

ইয়াবা সেবন : পুলিশ সদস্যসহ ৩ জনের দণ্ড

ঝালকাঠিতে ইয়াবা সেবনের দায়ে এক পুলিশ সদস্যসহ তিনজনকে ছয় মাস করে কারদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কামরুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা গ্রামের নিরোধ দাসের ছেলে পুলিশ কনস্টেবল সুজয় দাস (৩৫), বেল্লাল সরদারের ছেলে সুজন সরদার (২২) ও বিকনা গ্রামের রব মৃধার ছেলে সাইদুল মৃধা (৪০)। কামরুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার রাতে শহরের কলেজ মোড় এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ঘরে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় ওই তিনজনেক আটক করা হয়। পরে তাদেরকে রাত ১০টার দিকে জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শারমিন ইসলামের আদালতে তোলা হয়। তিনি তাদের প্রত্যেককে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন। তিনি বলেন, কনস্টেবল সুজয় ঢাকায় পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। পূজার ছুটিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে আসেন। আর/ডব্লিউএন

বেতাগীতে বিএনপির সমাবেশ ঘিয়ে ১৪৪ ধারা

বরগুনার বেতাগীতে বিএনপির কর্মী সমাবেশকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের উত্তেজনায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় রোববার রাতে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বাচ্চু ১৪৪ ধারা জারি করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে। জানা গেছে, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনের আগমন উপলক্ষে আজ বেতাগী পৌর বিএনপির কার্যালয়ে ও মোকামিয়া ইউনিয়নের মাদরাসা বাজার মাঠে উপজেলা বিএনটি ও পৌর বিএনপি পৃথকভাবে দু`টি কর্মী সমাবেশের আয়োজন করে। এতে একই দলের দুটি সভাকে কেন্দ্র করে উপজেলা বিএনপির ও পৌর বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ওই দুই এলাকায় দলবলে লোক চলাচলের পাশাপাশি যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ ও মিছিল মিটিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বাচ্চু গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আজ বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। /আর/এআর

স্কুল থেকে ফেরার পথে ‘ধর্ষণের শিকার’ হল শিশু

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় স্কুল থেকে ফেরার সময় আট বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই শিশু দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।  গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে রাজাপুর থানায় মামলা করেছেন শিশুটির বাবা। এ মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে সুক্তাগড় ইউনিয়নের ইউনুস হাওলাদারকে।  মামলার বরাত দিয়ে রাজাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হারুন অর রশীদ গণমাধ্যমকে জানায়, গত বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার সময়  ইউনুস হাওলাদার শিশুটিকে জোর করে নির্জন একটি বাগানের ভেতর তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির চিৎকার শুনে পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়া দুই পথচারী বাগানের ভেতর প্রবেশ করলে ইউনুস পালিয়ে যায়। শিশুটি বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি তার বাবা-মাকে জানায়। ধর্ষণের ঘটনায় রাজাপুর থানায় মামলা করা হলে শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এরপর অসুস্থ শিশুটিকে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হারুন অর রশীদ আরো জানান, মামলা হওয়ার পর থেকেই ইউনুসকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকেই আসামি পালাতক রয়েছে। কেআই/ডব্লিউএন

পর্নো দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা!

পিরোজপুর সদরে মুঠোফোনে পর্নো ছবি দেখিয়ে ৬ বছরের এক মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে এক তরুণ। তাকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামির বাড়ি সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে। পুলিশ ও শিশুর পরিবার জানায়, শিশুর বাড়ি উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে। সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে শিশুটি বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী ওই তরুণ শিশুটিকে তাঁর ঘরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তরুণ শিশুটিকে মুঠোফোনে পর্নো ছবি দেখায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালান। শিশুটির চিৎকার শুনে তার বড় বোন সেখানে যায়। তখন তরুণ পালিয়ে যান। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ওই তরুণকে গ্রেফতার করে। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমুর রহমান বিশ্বাস বলেন, দুপুরে তরুণকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তার ভিক্ষুক মায়ের দায়িত্ব নিলেন এমপি টিপু সুলতান

দুই ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, একছেলে পুলিশ সদস্য, এক ছেলে ব্যবসায়ী, আরেক ছেলে ইজিবাইক চালান, আর একমাত্র মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। কিন্তু কেউই সত্তরোর্ধ্ব মায়ের ভরণপোষণ দিতেন না। বাধ্য হয়ে ভিক্ষা করে কোনো রকমে জীবন চালাতেন মনোয়ারা বেগম। অসুস্থ্য শরীর নিয়ে ঠিকমতো ভিক্ষাও করতে পারতেন না তিনি। অবশেষে সেই বৃদ্ধা মায়ের দায় দায়িত্ব নিলেন তার সন্তানেরা হয়তো ভুলেই গেছেন  বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতান। টিপু সুলতানের উদ্যোগে মনোয়ারা বেগমকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সাংসদ টিপু সুলতানের নির্দেশে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার রায় মনোয়ারা বেগমের বাড়িতে যান। তিনি অসুস্থ মনোয়ারা বেগমকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠান। সোমবার সকালে একটি অনলাইন নিউজপোর্টালে মনোয়ারা বেগমকে নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় চলে আসে। সংবাদটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে ওই বৃদ্ধার জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করে তার সন্তানদের শাস্তি দাবি করেন। বৃদ্ধা মায়ের প্রতি অবহেলার কারণে পুলিশে কর্মরত তিন ছেলে এবং শিক্ষিকা মেয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বরিশাল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ইউএনও’র সঙ্গে কথা বলেছেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতান। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার রায় জানান, মায়ের প্রতি অবহেলার কারণে মনোয়ারা বেগমের মেয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ভূতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মরিয়ম সুলতানাকে শোকজ করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, স্বামী আইয়ুব আলী বেঁচে থাকা অবস্থায় ছয় সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই দিন কেটেছে মনোয়ারার। কিন্তু ২০১৪ সালে আইয়ুব আলী সরদার মারা যান। সংসারে টানাটানি থাকলেও ছয় সন্তানকে কমবেশি শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন। কিন্তু সেই গর্ভধারিণী মাকে দুইবেলা খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে হচ্ছে। বয়সের ভার আর অসুস্থতার কারণে ভিক্ষা করাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে মনোয়ারা বেগমের জন্য। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভিক্ষা করতে গিয়ে পা ফসকে পড়ে গিয়ে পায়ের হাড় ভেঙে যায় তার। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাবুগঞ্জে স্টিল ব্রিজের পশ্চিম প্রান্তের একটি ঝুপড়ি ঘরে বিনা চিকিৎসায় অর্ধাহারে বেঁচে আছেন তিনি। সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতান জানান, সকালে বিষয়টি জানার পর তিনি খুবই কষ্ট পেয়েছেন। সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠিয়ে অসুস্থ মনোয়ারা বেগমকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করা হয়। আর বৃদ্ধা মায়ের প্রতি অবহেলার কারণে পুলিশ কর্মকর্তা তিন ছেলে এবং শিক্ষিকা মেয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বরিশাল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ইউএনও’র সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। অসুস্থ মনোয়ারা বেগমের চিকিৎসাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার তিনিই বহন করবেন। ডব্লিউএন

পটুয়াখালীর বাউফলে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ঈদের দিন সকালে পটুয়াখালীর বাউফলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী (১৯)। রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তরুণী বাদী হয়ে আজ শনিবার দুপুরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে বাউফল থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কবির হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আযম খান ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করে ন। মামলা সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন মা’কে দেখতে যান ওই তরুণী। আজ ভোরে হাসপাতাল থেকে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। প্রথমে শহরের পুরান বাজার থেকে খেয়া পার হয়ে লোহালিয়া ঘাটে আসেন তিনি। এরপর সেখান থেকে ভাড়ার মোটরসাইকেলে দশমিনায় নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার পথে পাঁচ যুবক মোটরসাইকেলটির গতি রোধ করে। তারা তরুণীর মুখ চেপে ধরে আধা কিলোমিটার দূরের এক পরিত্যক্ত ভিটায় নিয়ে তারা তাকে ধর্ষণ করে। তরুণীর চিৎকারে স্থানীয় কয়েকজন যুবক এগিয়ে গেলে ওই পাঁচ যুবক পালানোর চেষ্টা করেন। তখন কবিরকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কবির দাবি করেন, তিনি ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত নন। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার সন্দেহভাজন হলেন জাফর গাজী (৩০), মিজান সরদার (২৪), সিদ্দিক (৩০) ও মনজু (২৮)। তারা সবাই ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের চালক। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আযম খান ফারুকী গণমাধ্যমে বলেন, তরুণী বাদী হয়ে পাচঁজনের নামে মামলা দায়ের করেন। একজনকে আমরা গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। বাকিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে। তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ডব্লিউএন

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ : গ্রেফতার ২

বরগুনার বেতাগীতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকাকে গণধর্ষণের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মৃত. আমজাদ আলী হাওলাদারের ছেলে আবদুর হাকিম হাওলাদার (৪৫) ও একই গ্রামের মৃত আজাহার কাজীর ছেলে কুদ্দুস কাজী (৪২)। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবারের ঘটনায় ঘটনাস্থলে থেকে অভিযুক্তদের বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করার পাশাপাশি ঘটনার পর তাদের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। তাই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন-অর রশীদ গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার রাতে হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের তদন্তে গ্রেফতারদের ধর্ষণের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকার দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। কেআই/ডব্লিউএন

শ্রেণিকক্ষে স্বামীকে আটকে শিক্ষিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ

বরগুনার বেতাগীতে শ্রেণিকক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে এক শিক্ষিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেতাগী থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বেতাগী উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই সহকারী শিক্ষিকা ও তার স্বামী ভারতের পূর্ব মেদেনীপুর জেলার নন্দী গ্রামের বাসিন্দা বৃহস্পতিবার স্কুলছুটির পর বিদ্যালয়ে বসে কথা বলছিলেন। তাদের দেখে বখাটেরা স্কুলে প্রবেশ করতে চাইলে ওই শিক্ষিকা ভয়ে স্কুলের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে বন্ধ করে দেন। এসময় অভিযুক্তরা তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তার স্বামীকে এলোপাথারী মারধর করে স্কুলের একটি কক্ষে আটকে রেখে অপর একটি কক্ষে ওই শিক্ষিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে চলে যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলো- বেতাগীর হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মো. হিরন বিশ্বাসের ছেলে সুমন বিশ্বাস (৩৫), আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মো. রাসেল (২৪), আ. কুদ্দুস কাজীর ছেলে সুমন কাজী (৩০), মো. সুলতান হোসেনের ছেলে মো. রবিউল (১৮), আ. রহমানের ছেলে মো. হাসান (২৫) ও মো. আবদুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল (৩০)। এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন-অর-রশিদ জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা মামলা করেছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ওই শিক্ষিকাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।//এআর

পাথরবোঝাই ট্রাকে সেতু ভেঙে খালে : ১২ পথে যোগাযোগ বন্ধ

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় একটি সেতু (বেইলি ব্রিজ) ভেঙ্গে ১২টি পথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ২০টন ধারন ক্ষমতার মাদারসী এলাকার এই সেতুতে শুক্রবার গভীর রাতে পাথরবোঝাই দুটি ট্রাক একসঙ্গে পার হওয়ার সময় এটি ভেঙে পড়ে। ওই দুটি ট্রাকের ওজন ছিল ৫০ টন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে পাথরবোঝাই দুটি ট্রাক একসঙ্গে সেতুটি পার হচ্ছিল। এ সময় অতিরিক্ত ওজনের কারণে সেতুটি ভেঙে ট্রাকসহ খালে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর থেকে যান দুটির চালক পলাতক। সেতুটি ভেঙে পড়ায় মঠবাড়িয়া ও বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার সঙ্গে ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, পিরোজপুরসহ ১২টি পথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ভান্ডারিয়া এই সেতুর ধারণক্ষমতা ২০ টন। পাথরবোঝাই ৫০ টন ওজনের দুটি ট্রাক পার হওয়ার সময় সেতুটি ভেঙে যায়। ছবি :সংগৃহিত সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) পিরোজপুর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী ফখরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সর্বোচ্চ ২০ টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন বেইলি সেতুটি দিয়ে মোট ৫০ টনের পাথরবোঝাই দুটি ট্রাক (প্রতি ট্রাকে ২৫ টন) একসঙ্গে পার হওয়ায় সেতুটি ভেঙে যায়।ভান্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভেঙে পড়া সেতু দিয়ে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছিল। আমরা মানুষের চলাচল বন্ধ করে খেয়া নৌকায় পারাপারের ব্যবস্থা করেছি। ঘটনার পর থেকে ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছেন। বরিশাল থেকে ক্রেন এনে উদ্ধারকাজ শুরু করা হচ্ছে। সেতুটি দ্রুত পুনঃস্থাপন করা হবে।পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার মাদারসী এলাকার এই বেইলি সেতুটির ধারণক্ষমতা ২০ টন। গতকাল শুক্রবার রাতে পাথরবোঝাই মোট ৫০ টন ওজনের দুটি ট্রাক পার হওয়ার সময় সেতুটি ভেঙে যায়। এতে করে ১২টি পথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে

বরিশালের ৬ জেলায় চলছে বাস ধর্মঘট

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ৩৮ রুটে চলছে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘট বাস মালিক সমিতির দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে। বাস মালিক সমিতির সভাপতিসহ অন্য নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় এ ধর্মঘট ডাকা হয়। একইসঙ্গে এ ঘটনায় মামলা না নেয়া এবং সড়কে থ্রি হুইলারসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এ ধর্মঘট ডাকা হয়। বুধবার বিকেলে বরিশাল বিভাগীয় বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির সমন্বয় পরিষদে এ ধর্মঘট ডাকা হয়। মালিক ও শ্রমিক নেতাদের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে জানান বাস মালিক সমিতির সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি হুইলার যান চলাচল বন্ধ ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করতে গেলে বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম খোকনসহ ৫ শ্রমিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রতিবাদে বন্দর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এদিকে এ কর্মসূচির ব্যাপারে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়নি।   //আর//এআর

চারা গাছের ভাসমান বাজার

পিরোজপুরের একটি খালে বহুকাল ধরে বসে নার্সারি বা চারাগাছের ভাসমান এক বাজার বসছে৷ দূরদূরান্ত থেকে পাইকাররা এ বাজারে আসেন গাছের চারা কিনতে৷ জেলার স্বরূপকাঠী উপজেলার মাহমুদকাঠী গ্রামের তিন খালের মোহনায়। এখানে প্রতি শুক্রবার বৃক্ষপ্রেমি মানুষের ভিড় জমে। খোজ নিয়ে জানা গেছে, স্বরূপকাঠীর অপরূপ সন্ধ্যা নদী থেকে পূর্ব দিকে বহমান স্বরূপকাঠী খালের দু’পাশে কয়েকটি গ্রামের চাষীরা নার্সারি করেন। এখানকার অলঙ্কারকাঠী, মাহমুদকাঠী, সমুদয়কাঠী, আরামকাঠী, কামারকাঠী, জগন্নাথকাঠী, আকলম, আটঘর প্রভৃতি গ্রামের সর্বত্রই চাষ হয় চারা গাছের৷ মাহমুদকাঠীর ভাসমান এ বাজারটি বসে মাহমুদকাঠী গ্রামের তিন খালের মোহনায়৷ ক্রেতা-বিক্রেতাদের এ বাজারে তাই আসতে হয় নৌকাযোগে৷ পাইকারী ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ছোট ছোট নৌকা বোঝাই করে চারা গাছ নিয়ে খালে উপর ঘুরে বেড়ান নার্সারি চাষীরা৷ ভাসমান এ চারা গাছের বাজার সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার বসে৷ কাকডাকা ভোরে বাজার শুরু হয়ে সূর্যের তেজ বাড়ার আগেই হয়ে ওঠার আগেই বাজারটি শেষ হয়ে যায়৷ এ বাজার জমজমাট হয় মূলত বর্ষা মৌসুমে৷ সাধারণত আষাঢ়-কার্তিক মাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষ রোপণের ধুম পড়ে যায় বলে এ সময়ে বাজারটিও জমজমাট থেকে৷ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের থেকে মাহমুদকাঠীর এ বাজারে চারা গাছের দাম অপেক্ষাকৃত অনেক কমে পাওয়া যায় বলে এ বাজারের প্রতি পাইকারদের আকর্ষণ বেশি৷ পাইকাররা এ বাজার থেকে চারাগাছি কিনে দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে তা বিক্রি করেন।//এআর

বরগুনায় হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন

বরগুনায় হত্যা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু তাহের এ আদেশ দেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হল- বরগুনার বেতাগী উপজেলার বুড়ামজুমদার উইনিয়নের গেরামর্দন গ্রামের আবদুল জলীল, মো. মনির হোসেন, রহিম, মজিবর হোসেন, রুহুল আমীন সিকদার, সত্তার ও মো. জলীল মীর। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মো. জলীল মীর পলাতক। বাকিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর আসামিদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া এ মামলার অন্য পাঁচ আসামি আজীজ খান, সোহবরাব খান, সোমেদ আলী, শহিদ সিকদার, লাইলী বেগমকে বেকসুর দেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ২ ডিসেম্বর জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গেরামর্দন গ্রামের মো. কবীর হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ওই ঘটনায় তার স্ত্রী ছফুরা বেগম বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ বিচার কার্যের পর আজ বৃহস্পতিবার রায় দেন আদালত। //আর//এআর

মাটিছাড়াই পানির ওপর তরমুজ চাষ

গাছের নিচে মাটি নেই। ঘন সবুজ লতা। লতার ফাঁকে সবুজ রঙের তরমুজ। মাটি ছাড়াই এভাবে পানির ওপর তরমুজ চাষ হচ্ছে। এ দৃশ্য পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের। সেখানে পানিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। মাটিবিহীন পানিতে ফসল উৎপাদনের এই কৌশলকে হাইড্রোপনিক বলে, যা একটি অত্যাধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে আবাদি জমির প্রয়োজন হয় না। তাই সারা বছর কিংবা অমৌসুমেও সবজি, ফল, ফুল চাষাবাদ করা যায়। এভাবে তিন মাস পরপর বছরে চার বার আবাদ করা যায় হাইড্রোপনিক পদ্ধতির তরমুজ। এ পদ্ধতির তরমুজ চাষাবাদে মাটিবাহিত ও কৃমিজনিত রোগ হয় না। কীটপতঙ্গের আক্রমণ কম হওয়ার কারণে কীটনাশকমুক্ত সবজি উৎপাদন করা সম্ভব। তাই অনায়াসে অর্গানিক ফসলের সম্ভার গড়ে তোলাও সম্ভব। এই পদ্ধতিতে ছোট-বড় উভয় পরিসরে স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিচ্ছন্নভাবে ফসল উৎপাদন করা যায়। এটি হোম-ফার্মিংয়ের জন্য একটি আদর্শ প্রযুক্তি। এটি খুবই লাভজনক। পাশাপাশি অর্থকরী ও মানসম্পন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন এক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ১৯৯৭ সালে জাপানে হাইড্রোপনিক প্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ নেন। তিনি এই প্রযুক্তি প্রথম বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। শুধু তরমুজ নয়, মাটি ছাড়াই জন্মাবে প্রিয় ফসল, ফুল, সবজি। মাটির পরিবর্তে পানিতেই জন্মাতে পারবেন টমেটো, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসা, ক্ষীরা, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি, অ্যানথরিয়াম, গাঁদা, গোলাপ, অর্কিড, চন্দ মলিকাসহ আরও অনেক ফসল। এ পদ্ধতিতে সারা বছরই সবজি ও ফল উৎপাদন করা সম্ভব। এই চাষাবাদে কোনো কীটনাশক প্রয়োজন হবে না। এমনকি সার দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তাই অনায়াসে গড়ে তোলা যাবে অর্গানিক ফসলের সম্ভার। সেই গবেষণার সূত্র ধরেই ওই পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র । পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক ঘেঁষে উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র। এ প্রতিষ্ঠানটির এককোণে পরীক্ষামূলকভাবে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে তরমুজের আবাদ শুরু হয় গত বছর জুলাই থেকে। ২০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থের এই তরমুজ বাগানটিতে প্লাস্টিকের পাইপ ছিদ্র করে ১৪০টি তরমুজের চারা রোপণ করা হয়েছে। তারপর স্বাভাবিক নিয়মে ফলন এসে গাছে ঝুলে বড় হচ্ছে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে করা তরমুজ। এভাবে তিন মাস পরপর বছরে চার বার আবাদ করা যায় হাইড্রোপনিক পদ্ধতির তরমুজ। জুলাইয়ের প্রথম দিকে যে তরমুজ আবাদ হয়েছে তা ইতিমধ্যে অনেক বড় হয়ে গেছে এবং তিন মাস শেষে তা আরও অনেক বড় হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যাক্তারা। তরমুজ আবাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, গত বছরে জুলাই থেকে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে তরমুজ আবাদ শুরু করেন এবং এতে তারা সফলও হন। বর্ষাকালে এ অঞ্চলের জমি পানিতে তলিয়ে যায়। এতে তাদের কোনো কাজ থাকে না, তারা বেকার হয়ে পড়েন। এ পদ্ধতিতে বাণিজ্যিকভাবে আবাদ শুরু করলে কৃষকদের ভাগ্যবদল এবং আয়ের বড় একটি উৎস হবে। এতে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে অনেক লাভবান হবেন।উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, এ পদ্ধতিতে পাইপে সংরক্ষিত পানিতে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান তরল আকারে প্রয়োগ করে সারা বছর তরমুজসহ বিভিন্ন ফল ও শাক-সবজি উৎপাদন করা সম্ভব বলে মনে করেন কৃষিবিজ্ঞানীরা। //এআর

বিরল রোগ ‘করিয়া’য় ভুগছে বরগুনার ৪ ভাই

করিয়া নামে বিরল রোগে ভুগছে বরগুনার চার ভাই। বংশানুক্রমিক দুরারোগ্য একই রোগে মারা গেছেন তাদের বাবা-দাদাও। এখন মৃত্যুর সাথে লড়ছেন চার ভাই। স্থানীয় চিকিৎসকরা বলছেন, উন্নত চিকিৎসা দিতে পারলে কিছুটা সুস্থ করা সম্ভব রোগীদের। কিন্তু পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় অর্থভাবে চলছেনা চিকিৎসা। এক সময় ঢাকায় প্রাইভেট কার চালিয়ে রোজগার করতেন বরগুনা সদরের লবনগোলা গ্রামের মিজানুর। কিন্তু জিনগত দুরারোগ্য ব্যাধি করিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এখন পুরোপুরি অচল ।শুধু মিজানুরই না, একই রোগে আক্রান্ত তার তিন ভাই। মেডিকেলের ভাষায় করিয়া নামে জিনগত এই রোগটি ছেলে সন্তানদের মধ্যে দেখা দেয় ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সে। আস্তে আস্তে পুরো শরীর নিস্তেজ হয়ে যায়। ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এর পরিণতি মৃত্যু। একই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা  গেছেন মিজানুরের বাবা ও দাদা।চোখের সামনে ছেলেদের এমন পরিণতি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না বৃদ্ধ মা। তবে উন্নত চিকিৎসা দেয়া গেলে রোগীদের পুরোপুরি সুস্থ করা না গেলেও বেশীদিন বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসক।   অসহায় পরিবারটির সহায়তায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পিরোজপুরে ফিরোজ হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

পিরোজপুরে পাঁচ বছর আগের এক হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা জজ  আদালত। সোমবার পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জিল্লুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১২ সালে ৫ এপ্রিল সদর উপজেলার কালিকাঠি গ্রামের যুবক ফিরোজ মাঝিকে (২২) হত্যার দায়ে এ রায় দেয় আদালত। আসামিদের সবার বাড়ি পিরোজপুর সদরের কালিকাঠী এলাকায়। মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামীরা হলো সাহিনুর রহমান শানু মোল্লা, রেজাউল খাঁ ও মিজান বেপারী। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। যাবজ্জীবন পাওয়া আসামিরা হলো রেক্সোনা বেগম, নিজাম আকন, সুমন শেখ, ওমর ফারুক মিঠু, মামুন মাতুব্বর, লিমন তালুকদার ও মো. রাসেল। প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আদালতে আসামিদের মধ্যে আটজন উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত শানু মোল্লা ও রেজাউল খাঁ পলাতক। বাদীপক্ষের আইনজীবী খান মো. আলাউদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, ২০১২ সালের জানুয়ারিতে উপজেলার ধুপপাশা এলাকায় ফিরোজ মাঝির বোন রিমু আক্তারের বিয়ে হয়। এর কয়েক দিন পর রিমিকে তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে অন্য এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দিতে ফিরোজকে চাপ দেয় আসামিরা। কিন্তু ফিরোজ বিষয়টি মেনে না নিলে তাঁদের সঙ্গে আসামিদের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর পর ২০১২ সালের ৪ এপ্রিল শিকদার মল্লিক এলাকায় একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় ২০১২ সালের ৫ এপ্রিল ফিরোজ মাঝির মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে পিরোজপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। আর/ডব্লিউএন

কুয়াকাটার উন্নয়নে বরাদ্দ পাচ্ছে ৫০ কোটি টাকা

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা পৌরসভার উন্নয়নে ৫০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এ ‘গুরুত্বপূর্ণ ১৯ প্রকল্প’ থেকে কুয়াকাটায় বাসস্ট্যান্ড, রাস্তা, কালভার্ট, পয়:নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল হাসানের বরাত দিয়ে কুয়াকাটার পৌর মেয়র আ. বারেক মোল্লা জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিকল্পিত উন্নয়ন, খাসজমি উদ্ধার, সরকারি খাল দখল মুক্ত করা এবং পয়:নিস্কাশন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। এতে পৌর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত হবে। এলজিইডি’র কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, নবগঠিত এই পৌরসভার উন্নয়নে আরও প্যাকেজ বরাদ্দ আসছে। কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার মহা উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।খবর বাসস আরকে/ডব্লিউএন

শ্যালিকাকে হত্যার পর স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম : যুবকের আত্মহত্যা

বরিশাল নগরীর কাউনিয়া পুরানপাড়া এলাকায় শ্যালিকাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সজীব নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এসময়  সে স্ত্রীকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে নিজে আত্মহত্যা করে। শুক্রবার সকালে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সুমাইয়াকে (১৮) একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আত্মহত্যাকারী সজীবের (২২)বাড়ি বরিশালের উজিরপুর এলাকায়। বিয়ে করেছেন কাউনিয়ায়। নিহত শিশুর (শ্যালিকা) নাম সাদিয়া (৪)। সুমাইয়ার বরাত থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বিয়ের পর থেকেই সুমাইয়া তাঁর মায়ের বাড়িতে থাকতেন। সজীব তাঁকে বাড়িতে নিতে চাইলে, সুমাইয়ার দাবি শহরে বাড়ি ভাড়া নিতে হবে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কলহ হয়। বৃহস্পতিবার সজীব তাঁর শ্বশুরবাড়িতে গেলে সজীব ও সুমাইয়ার মধ্যে রাতে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সজীব তাঁর স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করেন। চার বছরের শ্যালিকা সাদিয়াকে গলাকেটে হত্যা পর নিজে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।   //আর//এআর

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি