ঢাকা, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১১:৩৪:১৫

পর্নো দেখিয়ে শিশু ধর্ষণের চেষ্টা!

পিরোজপুর সদরে মুঠোফোনে পর্নো ছবি দেখিয়ে ৬ বছরের এক মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে এক তরুণ। তাকে (১৯) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামির বাড়ি সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে। পুলিশ ও শিশুর পরিবার জানায়, শিশুর বাড়ি উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়নে। সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে শিশুটি বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী ওই তরুণ শিশুটিকে তাঁর ঘরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তরুণ শিশুটিকে মুঠোফোনে পর্নো ছবি দেখায় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালান। শিশুটির চিৎকার শুনে তার বড় বোন সেখানে যায়। তখন তরুণ পালিয়ে যান। মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ওই তরুণকে গ্রেফতার করে। পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমুর রহমান বিশ্বাস বলেন, দুপুরে তরুণকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তার ভিক্ষুক মায়ের দায়িত্ব নিলেন এমপি টিপু সুলতান

দুই ছেলে পুলিশ কর্মকর্তা, একছেলে পুলিশ সদস্য, এক ছেলে ব্যবসায়ী, আরেক ছেলে ইজিবাইক চালান, আর একমাত্র মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। কিন্তু কেউই সত্তরোর্ধ্ব মায়ের ভরণপোষণ দিতেন না। বাধ্য হয়ে ভিক্ষা করে কোনো রকমে জীবন চালাতেন মনোয়ারা বেগম। অসুস্থ্য শরীর নিয়ে ঠিকমতো ভিক্ষাও করতে পারতেন না তিনি। অবশেষে সেই বৃদ্ধা মায়ের দায় দায়িত্ব নিলেন তার সন্তানেরা হয়তো ভুলেই গেছেন  বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতান। টিপু সুলতানের উদ্যোগে মনোয়ারা বেগমকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সাংসদ টিপু সুলতানের নির্দেশে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার রায় মনোয়ারা বেগমের বাড়িতে যান। তিনি অসুস্থ মনোয়ারা বেগমকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠান। সোমবার সকালে একটি অনলাইন নিউজপোর্টালে মনোয়ারা বেগমকে নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি আলোচনায় চলে আসে। সংবাদটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকে ওই বৃদ্ধার জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করে তার সন্তানদের শাস্তি দাবি করেন। বৃদ্ধা মায়ের প্রতি অবহেলার কারণে পুলিশে কর্মরত তিন ছেলে এবং শিক্ষিকা মেয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বরিশাল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ইউএনও’র সঙ্গে কথা বলেছেন সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতান। বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার রায় জানান, মায়ের প্রতি অবহেলার কারণে মনোয়ারা বেগমের মেয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব ভূতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মরিয়ম সুলতানাকে শোকজ করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, স্বামী আইয়ুব আলী বেঁচে থাকা অবস্থায় ছয় সন্তান নিয়ে ভালোভাবেই দিন কেটেছে মনোয়ারার। কিন্তু ২০১৪ সালে আইয়ুব আলী সরদার মারা যান। সংসারে টানাটানি থাকলেও ছয় সন্তানকে কমবেশি শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন। কিন্তু সেই গর্ভধারিণী মাকে দুইবেলা খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে হচ্ছে। বয়সের ভার আর অসুস্থতার কারণে ভিক্ষা করাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে মনোয়ারা বেগমের জন্য। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ভিক্ষা করতে গিয়ে পা ফসকে পড়ে গিয়ে পায়ের হাড় ভেঙে যায় তার। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাবুগঞ্জে স্টিল ব্রিজের পশ্চিম প্রান্তের একটি ঝুপড়ি ঘরে বিনা চিকিৎসায় অর্ধাহারে বেঁচে আছেন তিনি। সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ মো. টিপু সুলতান জানান, সকালে বিষয়টি জানার পর তিনি খুবই কষ্ট পেয়েছেন। সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পাঠিয়ে অসুস্থ মনোয়ারা বেগমকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করানোর ব্যবস্থা করা হয়। আর বৃদ্ধা মায়ের প্রতি অবহেলার কারণে পুলিশ কর্মকর্তা তিন ছেলে এবং শিক্ষিকা মেয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বরিশাল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও ইউএনও’র সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। অসুস্থ মনোয়ারা বেগমের চিকিৎসাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার তিনিই বহন করবেন। ডব্লিউএন

পটুয়াখালীর বাউফলে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ঈদের দিন সকালে পটুয়াখালীর বাউফলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী (১৯)। রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তরুণী বাদী হয়ে আজ শনিবার দুপুরে পাঁচজনের বিরুদ্ধে বাউফল থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কবির হোসেন (২৮) নামের এক ব্যক্তিকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আযম খান ফারুকী বিষয়টি নিশ্চিত করে ন। মামলা সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন মা’কে দেখতে যান ওই তরুণী। আজ ভোরে হাসপাতাল থেকে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। প্রথমে শহরের পুরান বাজার থেকে খেয়া পার হয়ে লোহালিয়া ঘাটে আসেন তিনি। এরপর সেখান থেকে ভাড়ার মোটরসাইকেলে দশমিনায় নিজ বাড়িতে যাচ্ছিলেন। মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার পথে পাঁচ যুবক মোটরসাইকেলটির গতি রোধ করে। তারা তরুণীর মুখ চেপে ধরে আধা কিলোমিটার দূরের এক পরিত্যক্ত ভিটায় নিয়ে তারা তাকে ধর্ষণ করে। তরুণীর চিৎকারে স্থানীয় কয়েকজন যুবক এগিয়ে গেলে ওই পাঁচ যুবক পালানোর চেষ্টা করেন। তখন কবিরকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কবির দাবি করেন, তিনি ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত নন। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার সন্দেহভাজন হলেন জাফর গাজী (৩০), মিজান সরদার (২৪), সিদ্দিক (৩০) ও মনজু (২৮)। তারা সবাই ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলের চালক। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আযম খান ফারুকী গণমাধ্যমে বলেন, তরুণী বাদী হয়ে পাচঁজনের নামে মামলা দায়ের করেন। একজনকে আমরা গ্রেপ্তার করতে পেরেছি। বাকিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে। তরুণীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ডব্লিউএন

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ : গ্রেফতার ২

বরগুনার বেতাগীতে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষিকাকে গণধর্ষণের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মৃত. আমজাদ আলী হাওলাদারের ছেলে আবদুর হাকিম হাওলাদার (৪৫) ও একই গ্রামের মৃত আজাহার কাজীর ছেলে কুদ্দুস কাজী (৪২)। পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবারের ঘটনায় ঘটনাস্থলে থেকে অভিযুক্তদের বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করার পাশাপাশি ঘটনার পর তাদের এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। তাই তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন-অর রশীদ গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার রাতে হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের তদন্তে গ্রেফতারদের ধর্ষণের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তাদের ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকার দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। কেআই/ডব্লিউএন

শ্রেণিকক্ষে স্বামীকে আটকে শিক্ষিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ

বরগুনার বেতাগীতে শ্রেণিকক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে এক শিক্ষিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেতাগী থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা। মামলা সূত্রে জানা গেছে, বেতাগী উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই সহকারী শিক্ষিকা ও তার স্বামী ভারতের পূর্ব মেদেনীপুর জেলার নন্দী গ্রামের বাসিন্দা বৃহস্পতিবার স্কুলছুটির পর বিদ্যালয়ে বসে কথা বলছিলেন। তাদের দেখে বখাটেরা স্কুলে প্রবেশ করতে চাইলে ওই শিক্ষিকা ভয়ে স্কুলের প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে বন্ধ করে দেন। এসময় অভিযুক্তরা তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তার স্বামীকে এলোপাথারী মারধর করে স্কুলের একটি কক্ষে আটকে রেখে অপর একটি কক্ষে ওই শিক্ষিকাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে চলে যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলো- বেতাগীর হোসনাবাদ ইউনিয়নের কদমতলা গ্রামের মো. হিরন বিশ্বাসের ছেলে সুমন বিশ্বাস (৩৫), আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মো. রাসেল (২৪), আ. কুদ্দুস কাজীর ছেলে সুমন কাজী (৩০), মো. সুলতান হোসেনের ছেলে মো. রবিউল (১৮), আ. রহমানের ছেলে মো. হাসান (২৫) ও মো. আবদুর রহমান হাওলাদারের ছেলে মো. জুয়েল (৩০)। এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন-অর-রশিদ জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিক্ষিকা মামলা করেছেন। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ওই শিক্ষিকাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।//এআর

পাথরবোঝাই ট্রাকে সেতু ভেঙে খালে : ১২ পথে যোগাযোগ বন্ধ

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় একটি সেতু (বেইলি ব্রিজ) ভেঙ্গে ১২টি পথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ২০টন ধারন ক্ষমতার মাদারসী এলাকার এই সেতুতে শুক্রবার গভীর রাতে পাথরবোঝাই দুটি ট্রাক একসঙ্গে পার হওয়ার সময় এটি ভেঙে পড়ে। ওই দুটি ট্রাকের ওজন ছিল ৫০ টন। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে পাথরবোঝাই দুটি ট্রাক একসঙ্গে সেতুটি পার হচ্ছিল। এ সময় অতিরিক্ত ওজনের কারণে সেতুটি ভেঙে ট্রাকসহ খালে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর থেকে যান দুটির চালক পলাতক। সেতুটি ভেঙে পড়ায় মঠবাড়িয়া ও বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার সঙ্গে ঢাকা, বরিশাল, খুলনা, পিরোজপুরসহ ১২টি পথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ভান্ডারিয়া এই সেতুর ধারণক্ষমতা ২০ টন। পাথরবোঝাই ৫০ টন ওজনের দুটি ট্রাক পার হওয়ার সময় সেতুটি ভেঙে যায়। ছবি :সংগৃহিত সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) পিরোজপুর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী ফখরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, সর্বোচ্চ ২০ টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন বেইলি সেতুটি দিয়ে মোট ৫০ টনের পাথরবোঝাই দুটি ট্রাক (প্রতি ট্রাকে ২৫ টন) একসঙ্গে পার হওয়ায় সেতুটি ভেঙে যায়।ভান্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভেঙে পড়া সেতু দিয়ে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছিল। আমরা মানুষের চলাচল বন্ধ করে খেয়া নৌকায় পারাপারের ব্যবস্থা করেছি। ঘটনার পর থেকে ট্রাকের চালক পলাতক রয়েছেন। বরিশাল থেকে ক্রেন এনে উদ্ধারকাজ শুরু করা হচ্ছে। সেতুটি দ্রুত পুনঃস্থাপন করা হবে।পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার মাদারসী এলাকার এই বেইলি সেতুটির ধারণক্ষমতা ২০ টন। গতকাল শুক্রবার রাতে পাথরবোঝাই মোট ৫০ টন ওজনের দুটি ট্রাক পার হওয়ার সময় সেতুটি ভেঙে যায়। এতে করে ১২টি পথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে

বরিশালের ৬ জেলায় চলছে বাস ধর্মঘট

বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার ৩৮ রুটে চলছে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘট বাস মালিক সমিতির দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত চলবে বলে জানা গেছে। বাস মালিক সমিতির সভাপতিসহ অন্য নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় এ ধর্মঘট ডাকা হয়। একইসঙ্গে এ ঘটনায় মামলা না নেয়া এবং সড়কে থ্রি হুইলারসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবিতে এ ধর্মঘট ডাকা হয়। বুধবার বিকেলে বরিশাল বিভাগীয় বাস মালিক ও শ্রমিক সমিতির সমন্বয় পরিষদে এ ধর্মঘট ডাকা হয়। মালিক ও শ্রমিক নেতাদের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে জানান বাস মালিক সমিতির সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি হুইলার যান চলাচল বন্ধ ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করতে গেলে বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম খোকনসহ ৫ শ্রমিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রতিবাদে বন্দর থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। এদিকে এ কর্মসূচির ব্যাপারে বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে এখন পর্যন্ত কোনো ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়নি।   //আর//এআর

চারা গাছের ভাসমান বাজার

পিরোজপুরের একটি খালে বহুকাল ধরে বসে নার্সারি বা চারাগাছের ভাসমান এক বাজার বসছে৷ দূরদূরান্ত থেকে পাইকাররা এ বাজারে আসেন গাছের চারা কিনতে৷ জেলার স্বরূপকাঠী উপজেলার মাহমুদকাঠী গ্রামের তিন খালের মোহনায়। এখানে প্রতি শুক্রবার বৃক্ষপ্রেমি মানুষের ভিড় জমে। খোজ নিয়ে জানা গেছে, স্বরূপকাঠীর অপরূপ সন্ধ্যা নদী থেকে পূর্ব দিকে বহমান স্বরূপকাঠী খালের দু’পাশে কয়েকটি গ্রামের চাষীরা নার্সারি করেন। এখানকার অলঙ্কারকাঠী, মাহমুদকাঠী, সমুদয়কাঠী, আরামকাঠী, কামারকাঠী, জগন্নাথকাঠী, আকলম, আটঘর প্রভৃতি গ্রামের সর্বত্রই চাষ হয় চারা গাছের৷ মাহমুদকাঠীর ভাসমান এ বাজারটি বসে মাহমুদকাঠী গ্রামের তিন খালের মোহনায়৷ ক্রেতা-বিক্রেতাদের এ বাজারে তাই আসতে হয় নৌকাযোগে৷ পাইকারী ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ছোট ছোট নৌকা বোঝাই করে চারা গাছ নিয়ে খালে উপর ঘুরে বেড়ান নার্সারি চাষীরা৷ ভাসমান এ চারা গাছের বাজার সপ্তাহের প্রতি শুক্রবার বসে৷ কাকডাকা ভোরে বাজার শুরু হয়ে সূর্যের তেজ বাড়ার আগেই হয়ে ওঠার আগেই বাজারটি শেষ হয়ে যায়৷ এ বাজার জমজমাট হয় মূলত বর্ষা মৌসুমে৷ সাধারণত আষাঢ়-কার্তিক মাসে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষ রোপণের ধুম পড়ে যায় বলে এ সময়ে বাজারটিও জমজমাট থেকে৷ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের থেকে মাহমুদকাঠীর এ বাজারে চারা গাছের দাম অপেক্ষাকৃত অনেক কমে পাওয়া যায় বলে এ বাজারের প্রতি পাইকারদের আকর্ষণ বেশি৷ পাইকাররা এ বাজার থেকে চারাগাছি কিনে দেশের বিভিন্ন হাট-বাজারে তা বিক্রি করেন।//এআর

বরগুনায় হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন

বরগুনায় হত্যা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবু তাহের এ আদেশ দেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হল- বরগুনার বেতাগী উপজেলার বুড়ামজুমদার উইনিয়নের গেরামর্দন গ্রামের আবদুল জলীল, মো. মনির হোসেন, রহিম, মজিবর হোসেন, রুহুল আমীন সিকদার, সত্তার ও মো. জলীল মীর। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে মো. জলীল মীর পলাতক। বাকিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর আসামিদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া এ মামলার অন্য পাঁচ আসামি আজীজ খান, সোহবরাব খান, সোমেদ আলী, শহিদ সিকদার, লাইলী বেগমকে বেকসুর দেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ সালের ২ ডিসেম্বর জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গেরামর্দন গ্রামের মো. কবীর হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে ওই ঘটনায় তার স্ত্রী ছফুরা বেগম বাদী হয়ে ১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ বিচার কার্যের পর আজ বৃহস্পতিবার রায় দেন আদালত। //আর//এআর

মাটিছাড়াই পানির ওপর তরমুজ চাষ

গাছের নিচে মাটি নেই। ঘন সবুজ লতা। লতার ফাঁকে সবুজ রঙের তরমুজ। মাটি ছাড়াই এভাবে পানির ওপর তরমুজ চাষ হচ্ছে। এ দৃশ্য পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের। সেখানে পানিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। মাটিবিহীন পানিতে ফসল উৎপাদনের এই কৌশলকে হাইড্রোপনিক বলে, যা একটি অত্যাধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে আবাদি জমির প্রয়োজন হয় না। তাই সারা বছর কিংবা অমৌসুমেও সবজি, ফল, ফুল চাষাবাদ করা যায়। এভাবে তিন মাস পরপর বছরে চার বার আবাদ করা যায় হাইড্রোপনিক পদ্ধতির তরমুজ। এ পদ্ধতির তরমুজ চাষাবাদে মাটিবাহিত ও কৃমিজনিত রোগ হয় না। কীটপতঙ্গের আক্রমণ কম হওয়ার কারণে কীটনাশকমুক্ত সবজি উৎপাদন করা সম্ভব। তাই অনায়াসে অর্গানিক ফসলের সম্ভার গড়ে তোলাও সম্ভব। এই পদ্ধতিতে ছোট-বড় উভয় পরিসরে স্বাস্থ্যসম্মত এবং পরিচ্ছন্নভাবে ফসল উৎপাদন করা যায়। এটি হোম-ফার্মিংয়ের জন্য একটি আদর্শ প্রযুক্তি। এটি খুবই লাভজনক। পাশাপাশি অর্থকরী ও মানসম্পন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন এক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ১৯৯৭ সালে জাপানে হাইড্রোপনিক প্রযুক্তির ওপর প্রশিক্ষণ নেন। তিনি এই প্রযুক্তি প্রথম বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। শুধু তরমুজ নয়, মাটি ছাড়াই জন্মাবে প্রিয় ফসল, ফুল, সবজি। মাটির পরিবর্তে পানিতেই জন্মাতে পারবেন টমেটো, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসা, ক্ষীরা, ক্যাপসিকাম, স্ট্রবেরি, অ্যানথরিয়াম, গাঁদা, গোলাপ, অর্কিড, চন্দ মলিকাসহ আরও অনেক ফসল। এ পদ্ধতিতে সারা বছরই সবজি ও ফল উৎপাদন করা সম্ভব। এই চাষাবাদে কোনো কীটনাশক প্রয়োজন হবে না। এমনকি সার দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তাই অনায়াসে গড়ে তোলা যাবে অর্গানিক ফসলের সম্ভার। সেই গবেষণার সূত্র ধরেই ওই পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের পটুয়াখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র । পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক ঘেঁষে উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র। এ প্রতিষ্ঠানটির এককোণে পরীক্ষামূলকভাবে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে তরমুজের আবাদ শুরু হয় গত বছর জুলাই থেকে। ২০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্থের এই তরমুজ বাগানটিতে প্লাস্টিকের পাইপ ছিদ্র করে ১৪০টি তরমুজের চারা রোপণ করা হয়েছে। তারপর স্বাভাবিক নিয়মে ফলন এসে গাছে ঝুলে বড় হচ্ছে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে করা তরমুজ। এভাবে তিন মাস পরপর বছরে চার বার আবাদ করা যায় হাইড্রোপনিক পদ্ধতির তরমুজ। জুলাইয়ের প্রথম দিকে যে তরমুজ আবাদ হয়েছে তা ইতিমধ্যে অনেক বড় হয়ে গেছে এবং তিন মাস শেষে তা আরও অনেক বড় হবে বলে জানিয়েছেন উদ্যাক্তারা। তরমুজ আবাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, গত বছরে জুলাই থেকে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে তরমুজ আবাদ শুরু করেন এবং এতে তারা সফলও হন। বর্ষাকালে এ অঞ্চলের জমি পানিতে তলিয়ে যায়। এতে তাদের কোনো কাজ থাকে না, তারা বেকার হয়ে পড়েন। এ পদ্ধতিতে বাণিজ্যিকভাবে আবাদ শুরু করলে কৃষকদের ভাগ্যবদল এবং আয়ের বড় একটি উৎস হবে। এতে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে অনেক লাভবান হবেন।উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, এ পদ্ধতিতে পাইপে সংরক্ষিত পানিতে প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান তরল আকারে প্রয়োগ করে সারা বছর তরমুজসহ বিভিন্ন ফল ও শাক-সবজি উৎপাদন করা সম্ভব বলে মনে করেন কৃষিবিজ্ঞানীরা। //এআর

বিরল রোগ ‘করিয়া’য় ভুগছে বরগুনার ৪ ভাই

করিয়া নামে বিরল রোগে ভুগছে বরগুনার চার ভাই। বংশানুক্রমিক দুরারোগ্য একই রোগে মারা গেছেন তাদের বাবা-দাদাও। এখন মৃত্যুর সাথে লড়ছেন চার ভাই। স্থানীয় চিকিৎসকরা বলছেন, উন্নত চিকিৎসা দিতে পারলে কিছুটা সুস্থ করা সম্ভব রোগীদের। কিন্তু পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ না থাকায় অর্থভাবে চলছেনা চিকিৎসা। এক সময় ঢাকায় প্রাইভেট কার চালিয়ে রোজগার করতেন বরগুনা সদরের লবনগোলা গ্রামের মিজানুর। কিন্তু জিনগত দুরারোগ্য ব্যাধি করিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এখন পুরোপুরি অচল ।শুধু মিজানুরই না, একই রোগে আক্রান্ত তার তিন ভাই। মেডিকেলের ভাষায় করিয়া নামে জিনগত এই রোগটি ছেলে সন্তানদের মধ্যে দেখা দেয় ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সে। আস্তে আস্তে পুরো শরীর নিস্তেজ হয়ে যায়। ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এর পরিণতি মৃত্যু। একই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা  গেছেন মিজানুরের বাবা ও দাদা।চোখের সামনে ছেলেদের এমন পরিণতি কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না বৃদ্ধ মা। তবে উন্নত চিকিৎসা দেয়া গেলে রোগীদের পুরোপুরি সুস্থ করা না গেলেও বেশীদিন বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসক।   অসহায় পরিবারটির সহায়তায় বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পিরোজপুরে ফিরোজ হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

পিরোজপুরে পাঁচ বছর আগের এক হত্যা মামলায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা জজ  আদালত। সোমবার পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জিল্লুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১২ সালে ৫ এপ্রিল সদর উপজেলার কালিকাঠি গ্রামের যুবক ফিরোজ মাঝিকে (২২) হত্যার দায়ে এ রায় দেয় আদালত। আসামিদের সবার বাড়ি পিরোজপুর সদরের কালিকাঠী এলাকায়। মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামীরা হলো সাহিনুর রহমান শানু মোল্লা, রেজাউল খাঁ ও মিজান বেপারী। তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। যাবজ্জীবন পাওয়া আসামিরা হলো রেক্সোনা বেগম, নিজাম আকন, সুমন শেখ, ওমর ফারুক মিঠু, মামুন মাতুব্বর, লিমন তালুকদার ও মো. রাসেল। প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় আদালতে আসামিদের মধ্যে আটজন উপস্থিত ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত শানু মোল্লা ও রেজাউল খাঁ পলাতক। বাদীপক্ষের আইনজীবী খান মো. আলাউদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, ২০১২ সালের জানুয়ারিতে উপজেলার ধুপপাশা এলাকায় ফিরোজ মাঝির বোন রিমু আক্তারের বিয়ে হয়। এর কয়েক দিন পর রিমিকে তাঁর স্বামীর কাছ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে অন্য এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দিতে ফিরোজকে চাপ দেয় আসামিরা। কিন্তু ফিরোজ বিষয়টি মেনে না নিলে তাঁদের সঙ্গে আসামিদের বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর পর ২০১২ সালের ৪ এপ্রিল শিকদার মল্লিক এলাকায় একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামিরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় ২০১২ সালের ৫ এপ্রিল ফিরোজ মাঝির মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে পিরোজপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। আর/ডব্লিউএন

কুয়াকাটার উন্নয়নে বরাদ্দ পাচ্ছে ৫০ কোটি টাকা

পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা পৌরসভার উন্নয়নে ৫০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এ ‘গুরুত্বপূর্ণ ১৯ প্রকল্প’ থেকে কুয়াকাটায় বাসস্ট্যান্ড, রাস্তা, কালভার্ট, পয়:নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল হাসানের বরাত দিয়ে কুয়াকাটার পৌর মেয়র আ. বারেক মোল্লা জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী পরিকল্পিত উন্নয়ন, খাসজমি উদ্ধার, সরকারি খাল দখল মুক্ত করা এবং পয়:নিস্কাশন ও জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। এতে পৌর নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত হবে। এলজিইডি’র কলাপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আ. মান্নান জানিয়েছেন, নবগঠিত এই পৌরসভার উন্নয়নে আরও প্যাকেজ বরাদ্দ আসছে। কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার মহা উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।খবর বাসস আরকে/ডব্লিউএন

শ্যালিকাকে হত্যার পর স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম : যুবকের আত্মহত্যা

বরিশাল নগরীর কাউনিয়া পুরানপাড়া এলাকায় শ্যালিকাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সজীব নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এসময়  সে স্ত্রীকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে নিজে আত্মহত্যা করে। শুক্রবার সকালে পুলিশ লাশ দুটি উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সুমাইয়াকে (১৮) একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আত্মহত্যাকারী সজীবের (২২)বাড়ি বরিশালের উজিরপুর এলাকায়। বিয়ে করেছেন কাউনিয়ায়। নিহত শিশুর (শ্যালিকা) নাম সাদিয়া (৪)। সুমাইয়ার বরাত থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বিয়ের পর থেকেই সুমাইয়া তাঁর মায়ের বাড়িতে থাকতেন। সজীব তাঁকে বাড়িতে নিতে চাইলে, সুমাইয়ার দাবি শহরে বাড়ি ভাড়া নিতে হবে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কলহ হয়। বৃহস্পতিবার সজীব তাঁর শ্বশুরবাড়িতে গেলে সজীব ও সুমাইয়ার মধ্যে রাতে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সজীব তাঁর স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করেন। চার বছরের শ্যালিকা সাদিয়াকে গলাকেটে হত্যা পর নিজে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।   //আর//এআর

বরিশালের ডিআইজি-এসপিসহ ২০ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি

পুলিশের বরিশাল রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ও পুলিশ সুপারকে (এসপি) বদলি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আরও ১৮ পুলিশ কর্মকর্তার পদে রদবদল করা হয়েছে। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এ রদবদল করা হয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসানকে নৌপুলিশের ডিআইজি করা হয়েছে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামকে করা হয়েছে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি। নৌপুলিশের ডিআইজি মনিরুজ্জামানকে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি, পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি শৈবাল কান্তি চৌধুরীকে এসপিবিএনের ডিআইজি, ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মাহবুবুর রহমানকে আরএমপি কমিশনার, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার ওয়াই এম বেলালুর রহমানকে ডিআইজির চলতি দায়িত্বে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি আবু হাসান তারিককে পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজির চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এদিকে বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার এস এম আক্তারুজ্জামানকে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি পদে বদলি করা হয়েছে। তাঁর স্থলে ডিএমপির উপকমিশনার (ডিসি) মো. সাইফুল ইসলামকে পদায়ন করা হয়েছে। নওগাঁ জেলার পুলিশ সুপার মো. মোজাম্মেল হককে ডিএমপির ডিসি এবং এসপিবিএনের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেনকে নওগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এসপিবিএনের পুলিশ সুপার মো. সেলিম খানকে ডিএমপির ডিসি করা হয়েছে। বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) সাবেক ডিসি, বর্তমানে সিলেট রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত মো. জিললুর রহমানকে ঢাকার ট্যুরিস্ট পুলিশের পুলিশ সুপার এবং পুলিশ সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল কাদেরকে ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার পদে বদলি করা হয়েছে। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়দেব কুমার ভদ্রকে ডিএমপির ডিসি এবং ডিএমপির উত্তরা জোনের ডিসি বিধান ত্রিপুরাকে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার পদে পদায়ন করা হয়েছে। খুলনা পিটিসির পুলিশ সুপার মোছা. তাসলিমা খাতুনকে খুলনা আরআরএফের কমান্ড্যান্ট (পুলিশ সুপার), সিলেট মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ডিসি সারোয়ার মোর্শেদ শামীমকে ঢাকার টিঅ্যান্ডআইএমের পুলিশ সুপার, ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত ৫ এপিবিএন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মো. ছিবগাত উল্লাহকে ঢাকার ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পুলিশ সুপার এবং চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ডিসি ফারুক আহমেদকে ৫ এপিবিএন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক পদে বদলি করা হয়েছে।   //আর/এআর  

বরিশালের সেই বিচারককে বদলির প্রস্তাব

বরিশালের মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) মোহাম্মদ আলী হোসাইনকে অন্যত্র বদলির জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবটি মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে এসে পৌঁছেছে। ইউএনও তারিক সালমনের নাজেহালের ঘটনায় বরিশাল ও বরগুনার দুই ডিসিকে সরিয়ে দেওয়ার পর এবার বিচারক বদলির উদ্যোগ নিল সরকার। বিষয়টি নিশ্চিত করে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার (বিচার ও প্রশাসন) সাব্বির ফয়েজ গণমাধ্যমকে জানান, বরিশালের সিএমএম মোহাম্মদ আলী হোসাইনকে অন্যত্র বদলির জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাব সুপ্রিম কোর্টে এসেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কমিটি প্রক্রিয়া অনুসারে বিষয়টি বিবেচনা করবে। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওবায়েদ উল্লাহ সাজুর করা এক মানহানির মামলায় বরগুনা সদরের ইউএনও গাজী তারিক সালমনকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় আলোচনা চলছে এই বিচারককে নিয়ে। বঙ্গবন্ধুর ‘বিকৃত’ ছবি দিয়ে নিমন্ত্রণপত্র ছাপানোর অভিযোগে বরগুনার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে হওয়া ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলায় বিচারক ছিলেন বরিশালের সিএমএম মোহাম্মদ আলী হোসাইন। //এআর

ইউএনওকে নাজেহাল: বরিশালের ৬ পুলিশ প্রত্যাহার

বরিশাল আদালতে দায়িত্বরত পুলিশের ছয় সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁদের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনকে আদালত থেকে হাজতে নেয়ার পথে নাজেহাল করার ঘটনায় ওই পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। যদিও বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) মুখপাত্র সহকারী কমিশনার মো. নাসির উদ্দিনের ভাষ্য, প্রশাসনিক কারণে তাঁদের প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। যারা প্রত্যাহার হলেন- এসআই নিরিপেন দাশ, এটিএসআই শচীন ও মাহবুব এবং কনস্টেবল জাহাঙ্গীর, হানিফ ও সুখেন। পঞ্চম শ্রেণির এক শিশুর আঁকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের আমন্ত্রণপত্র ছাপানোয় বরিশালের আগৈলঝাড়ার সাবেক ইউএনও গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ ওবায়েদুল্লাহ। ওই মামলায় গত বুধবার বরিশাল মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন চাইলে আবেদন নাকচ করে তাকে হাজতে পাঠানো হয়। পুলিশ ইউএনওর দুই হাত শক্ত করে ধরে আদালতের হাজতখানায় নেয়। অবশ্য দুই ঘণ্টা পর ইউএনওর জামিন মঞ্জুর করা হয়। আদালত প্রাঙ্গনে বর্তমানে বরগুনা সদরের ইউএনও তারিককে পুলিশ ধরে নেওয়ার ছবি প্রকাশ হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে বিবৃতি দেয় সরকারি কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। //এআর

জাহাজের ধাক্কায় ট্রাঙ্কারের তেল কীর্তনখোলায়

বরিশালের কীর্তনখোলা নদীতে ফ্লাইঅ্যাশবাহী একটি কার্গো জাহাজের সঙ্গে জ্বালানি তেল বোঝাই ট্যাঙ্কারের সংঘর্ষ হয়েছে। শুক্রবার নদীটির চরকাউয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনায় নৌযান দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কারও হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনায় ট্যাঙ্কার থেকে বেশ কিছু পরিমাণ ডিজেল নদীতে পড়লেও তার পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি বিআইডব্লিউটিএ। বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ নির্ভীক এর কমান্ডার রফিকুল ইসলাম জানান, সাড়ে নয় লাখ লিটার ডিজেল ও তিন লাখ লিটার পেট্রোল নিয়ে এমটি ফজর নামের ট্যাঙ্কারটি চট্টগ্রাম থেকে বরিশালের যমুনা তেল ডিপোতে আসে। একই সময় মংলা থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইঅ্যাশবাহী এমভি মা-বাবার দোয়া ২ নামের কার্গোটি বরিশাল পার হচ্ছিল। এসময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই নৌযানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দুই নৌযানের-ই কিছু অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায় বলে জানান তিনি। আরকে/ডব্লিউএন

চুরির অপবাদে ১২ বছরের শিশুকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে নির্মম নির্যাতন

ঝালকাঠির রাজাপুরে চুরির অপবাদে ১২ বছরের শিশুকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে। গত পহেলা জুলাই উপজেলার আরুয়া সোনারগাঁও গ্রামে এ নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। এদিকে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি কেউ। তবে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটাকা চুরির অভিযোগে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালের বিছানায় ছটফট করছে ১২ বছরের শিশু রাজু।শরীরের তীব্র ব্যাথা তাকে বার বার মনে করিয়ে দিচ্ছে সেই নির্যাতনের কথা।শিশুটির মা ও স্বজনরা জানান, টাকা চুরির অভিযোগ এনে রাজুকে ধরে নিয়ে যায় সজীব, সাইদুল ও লিটন। গ্রামের একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে ঘরের আড়ায় ঝুলিয়ে তাকে লাঠি দিয়ে পেটায় তারা। এমনকি দিয়াশলাই জ্বালিয়ে রাজুকে হাতে পায়ে ছ্যাকা দেয়া হয়।পরে স্বজনরা শিশুটিকে উদ্ধার করে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এদিকে এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ।  

দুর্নীতি আর দালাল চক্রের হাতে বন্দী বরগুনার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস

দুর্নীতি আর দালাল চক্রের হাতে বন্দী বরগুনার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। সংঘবদ্ধ দালাল চক্র আর অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারির যোগসাজশে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বাড়তি টাকা। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত টাকা না দিলে ফাইল ঘুরতে থাকে দিনের পর দিন। কম সময়ে পাসপোর্ট করিয়ে দেয়ার শর্তে এক ব্যাংক কর্মকর্তার কাছে ৬ হাজার ৫শ’ টাকা দাবির অভিযোগ উঠে ইকবাল নামে এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বরগুনা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে গিয়ে ইকবালের দেখা মিললেও একুশের ক্যামেরা দেখে দ্রুত পালিয়ে যান তিনি। অভিযোগ রয়েছে, নিজে আবেদন ফরম পূরণ করলে পাসপোর্ট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নানান অজুহাতে আবেদনপত্র ফেরত দেন। তবে, দালালদের মাধ্যমে আবেদন করলে সহজেই মেলে পাসপোর্ট। অফিসের অনিয়ম দুর্নীতি আর দালাল চক্র প্রতিরোধে সচেষ্ট বলে জানালেন পাসপোর্ট অফিসের এই কর্মকর্তা। সরকারি নিয়ম অনুযায়ি ব্যাংকের মাধ্যমে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য তিন হাজার পাঁচশ’ পঞ্চাশ টাকা এবং জরুরি পাসপোর্টের জন্য সাত হাজার টাকা জমা দিতে হয়। আবেদন করার পর ২১ দিন আর জরুরি ক্ষেত্রে ১১ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট সরবরাহ করার নিয়ম রয়েছে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্ধারিত সময়ে মেলে না পাসপোর্ট।

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি