ঢাকা, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৮ ১৪:২৫:১৭

ভোলায় স্বাস্থ্য ক্লিনিকে শত শত সাপ

ভোলায় একটি কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকের মেঝে থেকে শত শত বিষধর সাপ বের হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ ক্লিনিকটি সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক। জেলার লালমোহন উপজেলার চর উমেদ ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলছেন, পাঙ্গাশিয়া কেরামতিয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের আশপাশ থেকে তারা গত কয়েকদিনে কয়েকশো বিষধর সাপ এবং সাপের বাচ্চা হত্যা করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রশিদ বিবিসিকে জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ক্লিনিকটির ভেতরে ও বাইরে সাপের আনাগোনা দেখার পর তারা ভবনটি বন্ধ করতে বাধ্য হন এবং অন্যত্র স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। ক্লিনিকটির মেঝের নীচে বড় ধরনের সাপের বাসা রয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করছেন। ক্লিনিকের ভেতরে কার্বলিক অ্যসিড ছিটিয়ে দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীদের উদ্ধৃত করে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বেশ কিছু বড় সাপ এখনও মারা সম্ভব হয়নি। তাই ক্লিনিকের আশেপাশের এলাকায় বাসিন্দারা আতঙ্কে রয়েছেন। সূত্র: বিবিসি একে//

কুয়াকাটায় বাস টার্মিনাল নির্মানের দাবী (ভিডিও)

কুয়াকাটায় বাস টার্মিনাল না থাকায় রাস্তা দখল করে চলছে গাড়ি পাকিং। এ কারনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পর্যটকসহ সাধারন মানুষকে। ঘটছে দূর্ঘটনাও। জরুরী ভিত্তিতে কুয়াকাটায় একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মানের দাবী জানিয়েছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। পৃথিবীতে একইজায়গায় দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার যে কয়েকটি স্থান রয়েছে তার মধ্যে সাগরকন্যা কুয়াকাটা অন্যতম। ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুয়াকাটাকে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষনা করেন। দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হবার পর ২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর কুয়াকাটাকে পৌরসভায় উন্নীত করেন তিনি। পরে সরকারী-বেসরকারীভাবে বিপুল পরিমান বিনিয়োগ হলেও আজ পর্যন্ত এখানে নির্মান করা হয়নি একটি বাস টার্মিনাল। প্রতিনিয়িত রাস্তা দখল করে বাসগুলো দাঁড়িয়ে থাকায় ভোগান্তিতে পড়ছেন দূর দূরান্ত থেকে আসা পর্যটকসহ স্থানীয়রাও। বাস টার্মিনাল না থাকায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানালেন সিকদার রিসোর্টের এই কর্মকর্তা। এদিকে আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে বাস টার্মিনাল নির্মানের টেন্ডার হবে বলে জানালেন পৌর মেয়র। কুয়াকাটায় আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মানের মধ্য দিয়ে পর্যটকসহ স্থানীয়রা যাতায়াতের সুন্দর পরিবেশ ফিরে পাবেন- এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

বরগুনায় সূর্যমুখীর চাষে ব্যাপক সাড়া

সূর্যমুখী চাষে কোন ঝুঁকি নেই। ভোজ্য তেল ও সব ধরণের সবজির সঙ্গে খাওয়া যায়। পুষ্টিমান অনেক বেশি। কোলেস্টেরলমুক্ত তেল। এ অঞ্চলের কৃষকের কাছে লাভজনক কৃষি ফসল হিসেবে সূর্যমুখী চাষ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। আমতলী উপজেলার পূর্বচিলা গ্রামে আউশ ও আমন ধানের চাষ ছাড়া কৃষকরা কোন অর্থকরী ফসল ফলানোর চিন্তা মাথায় নেয়নি। কৃষকের কাছে বিকল্প কোন চাষযোগ্য ফসলও ছিল না। কয়েক বছর আগে উন্নয়ন সংস্থা ব্রাক তাদের বিকল্প হিসেবে সূর্যমুখী চাষ করার সুযোগ তৈরি করে দেয়। এ সূর্যমুখী চাষের সুবাদে দুই ফসলি জমি তিন ফসলিতে পরিণত হয়েছে। গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় বরগুনা জেলায় এ মৌসুমে ১৫৩২ হেক্টর জমিতে সূর্যমূখীর চাষ করেছেন জেলার প্রায় ৩ হাজার কৃষক। এর মধ্যে আমতলী উপজেলাতেই ৭ শ ৩০ হেক্টর চাষের আওতায় এসেছে। কম পরিশ্রম ও কম অর্থ বিনিয়োগ করে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। সূর্যমুখী চাষ কৃষি অর্থনীতিতে সমৃদ্ধির মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে কৃষক ও কৃষিবিদরা জানিয়েছেন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও উন্নয়ন সংস্থা ব্রাকের পরামর্শ ও সহযোগিতায় সূর্যমুখী চাষ এ অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়েছে। কৃষক ও কৃষিবিদেরা জানিয়েছেন, সূর্যমুখীর চারা রোপণের ১১৫ দিনের মধ্যে ফসল পাওয়া যায়। মূলত প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে সূর্যমুখীর চাষ করা হচ্ছে। সূর্যমুখী ফুলের দানা থেকে ভোজ্যতেল উৎপাদন করা হয়। এছাড়া সর্ষে বাটার মতো করে সূর্যমুখী ফুলের দানা খাওয়া যায়। সূর্যমুখী গ্রামের মানুষের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনছে। এক একর জমিতে সূর্যমুখী চাষে খরচ পড়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা। একরে সূর্যমুখী উৎপাদন হয় ৩৩-৩৫ মণ। একমণ সূর্যমুখী ফুলের বীজের বাজার মূল্য প্রায় ১৩-১৪ শ টাকা। একর প্রতি উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে কৃষকের প্রায় কমবেশি ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা লাভ থাকে। সূর্যমুখী ফুলের বীজ সংগ্রহ করার পর বিশাল বিশাল গাছগুলো জমিতে পচিয়ে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে জমির জৈবসারের ঘাটতি পূরণ হয়। অনেক কৃষক পরিবার তার দৈনন্দিন জীবনে রান্নার কাজের জ্বালানি হিসেবে সূর্যমুখীর খড়ি ব্যবহার করে থাকে। এতে করে জ্বালানি কাঠের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস পাচ্ছে। জেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা বদরুল হোসেন জানান, নতুন লাভজনক ফসল চাষে কৃষককে প্রেরণা যোগাতে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলছে। মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এই লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে মাঠ পর্যায়ে দু’ফসলি জমিতে কীভাবে বছরে ৩টি অর্থকরী কৃষি ফসল খাদ্য শষ্য চাষ করা যায় তা নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সফলতাও এসেছে। বরগুনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহী নূর আজম খান জানান, সূর্যমুখী চাষে কৃষক পরিবারগুলো ব্যাপক সাড়া ফেলে দিয়েছে। সূর্যমুখী চাষ গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। কৃষক পরিবারগুলো ফুলচাষে লাভের মুখ দেখায় সূর্যমুখী ফুল চাষে ঝুঁকে পড়েছে। সূর্যমুখী চাষ অর্থনৈতিকভাবে খুবই লাভজনক। সূত্র : বাসস এসএ/

রাজীবের নামে সড়ক ও স্কুল নির্মাণ করা হবে: চীফ হুইপ

পটুয়াখালীর বাউফলে রাজীব হোসেনের নামে একটি স্কুল নির্মাণ করবেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ ও বাউফল আসনের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ। অপরদিকে তার বাড়ির সামনের আধাপাকা সড়ক পুরো পাকা, রাজীবের নামে নামকরণ এবং বাড়িতে গভীর নলকূপ স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন বাউফল উপজেলা চেয়ারম্যান এবং দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। রাজীবের খালা জাহানারা বেগম একুশে টেলিভিশন অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার দুই দফা জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে রাজীবকে সমাহিত করে তার পরিবার। এর আগে ঢাকায় হাইকোর্ট মসজিদে রাজীবের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার সকাল ৯টায় বাউফল সদরের পাবলিক মাঠে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায়  রাজীবের ছোট দুই ভাই মেহেদি ও আবদুল্লাহ, বাউফলের সংসদ সদস্য আ স ম ফিরোজ, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মো. মাসুমুর রহমান, পু‌লিশ সুপার মো. মাঈনুল হাসনসহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া জানাজায় অংশ নেন, স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা বিভিন্ন পেশাজীবী, রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। জানাজার আগে চীফ হুইপ গণমাধ্যমকে জানান, ‘রাজীবের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো জাতি মর্মাহত।সরকার রাজীবের পাশে ছিলো, ভ‌বিষ্যতেও তার পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকবে।রাজীবের দুই ভাইকে সরকার সর্বোচ্চ সহায়তা করবে। এরপর সকাল ১০টায় দাসপাড়া গ্রামে রাজীবের নানা বা‌ড়িতে তৃতীয় নামাজে জানাজা অনু‌ষ্ঠিত হয়। রাজীবের তৃতীয় জানাজার নামাজ পড়ান তার ছোট ভাই হাফেজ মো.মেহে‌দি হাসান এবং মোনাজাত করান আরেক ছোট ভাই মো. আব্দুল্লাহ। এরপর রাজীবের নানা-নানীর কবরের পাশে তার দাফন সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য, গত ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার কাছে দুই বাসের চাপায় ডান  হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তিতুমীর কলেজের মাস্টার্সের ছাত্র রাজীব হোসেনের। দুই সপ্তাহ ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ১৬ এপ্রিল সোমবার রাত পৌনে একটায় মৃত্যুবরণ করে রাজিব। কেআই/ টিকে

বরগুনায় বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ (ভিডিও)

গরম বাড়ার সাথে সাথে বরগুনায় বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ। ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত দুই সপ্তাহে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৪৮ জন । হঠাৎ রোগী বেড়ে যাওয়ায় সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। বরগুনা সদর হাসপাতালে প্রতিদিন বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। ওয়ার্ডগুলোতে রোগীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেকে মেঝে ও বারান্দায় শয্যা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানান চিকিৎসকরা। পরিস্থিতির জন্য অতিরিক্ত গরম ও বিশুদ্ধ পানির অভাবকেই দায়ী করছেন, সিভিল সার্জন। ডায়রিয়া প্রতিরোধে নিরাপদ পানি ব্যবহার এবং আক্রান্তদের পর্যাপ্ত স্যালাইন খাওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।

নতুন বছরকে বরণ করতে বরগুনায় ব্যাপক প্রস্তুতি (ভিডিও)

৩৭ বছরের ঐতিহ্য লালন করে এবারও বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে বরগুনায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সরব হয়ে উঠেছে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো, চলছে মহড়া। ৫দিন ব্যাপী মেলা উদযাপনে শিমুলতলায় চলছে মঞ্চ আর স্টল তৈরির কাজ। বর্ষবরণের সব অনুষ্ঠানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কথা জানিয়েছে প্রশাসন। বরগুনায় বর্ষবরণ উৎসব আর বৈশাখী মেলা উদযাপন শুরু হয়েছিল ১৯৮১ সালে। এবারও সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নানা আনুষ্ঠানিকতায় নতুন বছরকে বরণ করা হবে। প্রভাতী অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর সদস্যরা। গত কয়েকদিন ধরেই মহড়ায় ব্যস্ত তারা। আয়োজনে থাকছে পাঁচ দিনের বৈশাখী মেলা। ঐতিহ্যবাহী শিমুলতলায় চলছে মঞ্চ ও স্টল তৈরির কাজ। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে প্রশাসন। সবার অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে সব অনুষ্ঠান ও সম্প্রীতির বৈশাখী মেলা, এ প্রত্যাশা বরগুনাবাসীর।

ভোলায় আলু ক্ষেতে পোকার আক্রমণ(ভিডিও)

পোকার আক্রমণে ভোলায় ক্ষেতের আলু নষ্ট হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষক। সেইসাথে বাজার দর পড়ে যাওয়ায় দিশেহারা তারা। এদিকে মুন্সিগঞ্জে বাম্পার ফলন হলেও দাম না পাওয়ায় বিপাকে চাষীরা। হিমাগার কম থাকায় সংরক্ষণও করা যাচ্ছেনা। বিগত কয়েক বছর বাম্পার ফলনে এ মৌসুমেও ৭ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলু লাগিয়েছিলেন ভোলার কৃষক। মৌসুমের শুরুতে টানা বৃষ্টিতে ক্ষেতে পানি জমে নষ্ট হয় আলু বীজ। দ্বিতীয় দফায় লোন করে নতুন বীজ বোনার পর পোকায় আক্রান্ত হয় আলু ক্ষেত। সার-কিটনাশক দিয়েও ফল মেলেনি। বিগত বছরে প্রতি কেজি আলু ১২ থেকে ১৪ টাকায় বিক্রি হলেও এবার সর্বোচ্চ দর ৬ থেকে ৭ টাকা। কৃষকরা বলছেন, বাজার দর কম হওয়ায় ক্ষতি পুষিয়ে খরচ তোলায় দায়। আলুর মড়ক ঠেকাতে আগামীতে কৃষকদের সঠিক নিয়মে সার দেয়ার পরার্মশ কৃষি বিভাগের। এদিকে মুন্সীগঞ্জের ৬টি উপজেলার আলুর বাম্পার ফলন হলেও আকার ছোট হওয়ায় ভালো দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন কৃষক। এ বছর জেলায় ১৩ লাখ ৬৯ হাজার মেট্রিকটন আলু উৎপাদন হবে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এদিকে মুন্সীগঞ্জে ৭৬টি হিমাগারের ধারণক্ষমতা সাড়ে ৪ লাখ টন। বাড়তি আলু ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বাড়িতে মাচা করে সংরক্ষণের পরামর্শ কৃষি কর্মকর্তাদের। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আলু রপ্তানির পাশাপাশি নায্য দাম নির্ধারণের দাবি কৃষকদের।  

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সৌরবিদ্যুতের গ্রিড

স্ট্যানফোর্ড থেকে জার্মানি হয়ে ঢাকায় এসেছেন সেবাস্টিয়ান গ্রো সলশেয়ার নামের একটি স্টার্টআপ শুরু করার জন্য৷ উদ্দেশ্য, প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একক সোলার প্যানেলগুলোকে জুড়ে সৌরবিদ্যুতের গ্রিড সৃষ্টি করা৷ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাঙ্গাবালী দ্বীপ। এটি পটুয়াখালীতে অবস্থিত। এখানে বিদ্যুতের তারের চাহিদা খুব বেশি, কেননা সরকারি বিদ্যুৎ এখনও এখানে এসে পৌঁছায়নি৷ অপরদিকে বাজারের বহু স্থানীয় ব্যবসায়ী দোকানের মাথায় সোলার প্যানেল বসিয়েছেন৷ সলশেয়ার কোম্পানি সেই একক প্যানেলগুলোকে জুড়ে গোটা মোল্লার বাজার এলাকার জন্য একটি গ্রিড সৃষ্টি করতে চায়৷ সলশেয়ার-এর হেড অফ অপারেশনস আজিজা সুলতানা বলেন, ‘আমাদের দেখতে হবে, কোথায় সোলার হোম সিস্টেমগুলির সংখ্যা বেশি৷ শুধু সেখানেই গ্রিড সৃষ্টি করা সম্ভব। প্রযুক্তিগত পরিস্থিতি জানার পরেই আমরা অগ্রণী হতে পারবো।’ একটি স্থানীয় গ্রিড থেকে ব্যাপারীদের অনেক সুবিধা হবে। তারা তাদের সোলার প্যানেলগুলো একসঙ্গে চালু করে বিদ্যুৎ কেনাবেচা করতে পারবেন, প্রতিবেশীর কাছ থেকে বিদ্যুৎ কিনতে পারবেন ও সেই বিদ্যুৎ দিয়ে আরও বেশি যন্ত্র চালাতে পারবেন। সলশেয়ার কোম্পানি সেজন্য একটি বিশেষ পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউটর বের করেছে, যা বিদ্যুৎ দেওয়া বা নেওয়ার বিশদ হিসেব রাখতে পারে৷ এই ডিস্ট্রিবিউটরগুলোর নাম রাখা হয়েছে সলবক্স। জানা গেছে, মোল্লার বাজারের ১৫০ জন ব্যাপারী শিগগিরই একটি গ্রিডে একত্র হবেন। গোটা বাংলাদেশে এ ধরনের গ্রিডের ব্যাপক সুযোগ আছে। কেননা সারা বিশ্বে এদেশেই বেসরকারি মালিকানার একক সোলার প্ল্যান্টের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, সব মিলিয়ে ৪০ লাখের বেশি। সলবক্স বাংলাদেশেই তৈরি করা হয়। স্টার্টআপটি এখনও মুনাফা করতে পারছে না বটে, কিন্তু তাদের এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক কিংবা জার্মান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জিআইজেড-এর মতো পৃষ্ঠপোষক আছে। সলবক্সের প্রধান এককালে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার ছিলেন৷ সলশেয়ার-এর সিইও সেবাস্টিয়ান গ্রো বলেন, “আমরা চিরকাল এখানে উৎপাদন করিনি। গোড়ায় আমরা স্ট্যানফোর্ড থেকেই আমাদের পণ্যটির বিকাশ ঘটানোর চেষ্টা করেছি। পরে সে কাজে বার্লিনে বাসা গেড়েছি। কিন্তু তাতে কোনও কাজ হয়নি। আমরা প্রথম সাফল্য পেয়েছি এখানে উৎপাদন শুরু করার পর। এখানে তৈরি করে তারপর দেখা, পণ্যটা কীভাবে বাস্তবে কাজে লাগানো হচ্ছে– সত্যিই দারুণ৷’ তাঁর কোম্পানির জন্য গ্রো জার্মানি থেকে বাস উঠিয়ে ঢাকায় এসেছেন। এদেশে ব্যবসা করার ধরণ-ধারণ শিখেছেন ও কাজ চালানোর মতো বাংলাও শিখেছেন। গ্রো-র সমস্যা হল, সরকারি গ্রিডে বিদ্যুৎ দিয়ে কোনও দাম পাওয়া যায় না। আগামী বছরের শেষে নির্বাচন, কাজেই তার আগে এক্ষেত্রে কিছু বদলাবে বলেও মনে হয় না। ওদিকে সরকার আণবিক চুল্লি তৈরির সপক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে সচেষ্ট। অথচ গ্রো দেখছেন, বাংলাদেশে অবিশ্বাস্য রকমের ঘন জনবসতি। আবার দূরত্বগুলোও খুব বেশি নয়। ইলেক্ট্রোমোবিলিটি বা ব্যাটারি-চালিত গাড়ির জন্য এর চাইতে ভালো পরিস্থিতি হতে পারে না। পরিবহণের ক্ষেত্রে সারা দেশে ইতিমধ্যেই প্রায় আট লাখ ইলেক্ট্রো রিকশা চলেছে, যেগুলো চার্জ করার কাজে সলশেয়ার সংশ্লিষ্ট হতে চায়। সলশেয়ার পরীক্ষা করে দেখছে, স্থানীয় সৌরশক্তির গ্রিড থেকে এই রিকশাগুলির ব্যাটারি রি-চার্জ করা যায় কি-না। গ্রো বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হল, গ্রামগুলোর বিকাশ ঘটবে। বর্তমানে ওরা সৌরশক্তি থেকে পাওয়া বিদ্যুতের আদান প্রদান করছেন। ফলে বিদ্যুতের ব্যবহার আরও কার্যকর হচ্ছে। কিন্তু গ্রামের আমদানি বাড়ানোর জন্য বাইরে থেকে টাকা আসা প্রয়োজন। রিকশা চালকরা যদি ব্যাটারি চার্জ করার জন্য বাইরে থেকে গ্রামে আসেন, তাহলে উন্নয়নের আরও একটা রাস্তা খুলে যাবে।’ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//টিকে

সাড়ে ৭ মণ শাপলা মাছ

ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলা সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে সাড়ে ৭ মণ ওজনের শাপলা পাতা মাছ। পরে বিশাল আকারের এ মাছটি বরিশাল নগরের বেসরকারি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নেওয়া হয়। গত শুক্রবার রাতে জেলেদের জালে ধরা পড়া মাছটি আজ রোববার সকালে কেটে ভাগা দিয়ে বিক্রি করছেন মাসুম বেপারী নামে এক মৎস্য ব্যবসায়ী। জানা গেছে, গতকাল শনিবার মাছটি বরিশালের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে নেওয়া হলে সেখানে জেলেদের কাছ থেকে সাড়ে ৭ মণ ওজনের ওই মাছটি ক্রয় করেন রনি ফিস নামের মৎস্য আড়ত মালিক। আজ রোববার সকালে মাছটি সেখান থেকে কিনে ৫০০ টাকা করে ভাগা দিয়ে বিক্রি করছেন বলে জানিয়েছেন মাসুম বেপারী নামে ওই মৎস্য ব্যবসায়ী। ব‌রিশাল মৎস্য কার্যালয়ের কর্মকর্তা (হিলসা) বিমল চন্দ্র দাস জানান, এ মাছের ইংরেজি নাম লিওপার্ড ‍স্টিংগ্রে। এটির স্থানীয় নাম শাপলাপাতা, হাউস, সানকুস, চিত্রা হাউস। এ মাছ গু‌লো উপকূলীয় অগভীর নদী, ম্যানগ্রোভে পাওয়া যায়। একে// এআর

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সড়কের বেহাল দশা(ভিডিও)

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় বেহাল হয়ে পড়েছে পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাস্তা। টগড়া মোড় থেকে কলারন খেয়াঘাট পর্যন্ত সড়কের ১০ কিলোমিটারের ৯৫ ভাগই চলাচলের অনুপযোগী। খানাখন্দে ভরা সড়কে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে যাত্রীরা, ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রতিদিন এভাবেই ঝুঁকি নিয়ে ব্যস্ততম এই সড়কে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বেনাপোল, বরিশাল, পিরোজপুরসহ দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ রুটে শতশত গাড়ি চলাচল করছে। একদিকে সরু পথ, অন্যদিকে খানাখন্দে দুর্ভোগ বাড়ছে যাত্রীদের। এমন সড়কে ঝুঁকি নিয়ে পথ চলতে গিয়ে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় রোগীদের। এলাকাবাসী বলছে, বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও সংস্কার করা হচ্ছে না সড়কটি। তবে, বরাবরের মতোই প্রতিশ্র“তি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সড়ক দ্রুত সংস্কার করে চলাচল উপযোগী করার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।  

‘অগ্নিঝরা-৭১’ ভাস্কর্য বরগুনায় (ভিডিও)

বরগুনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে টাউন হল মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে ‘অগ্নিঝরা-৭১’ নামে একটি ভাস্কর্য। শহরের শোভাবর্ধনের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক হিসেবে এই ভাস্কর্যটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। বলেশ্বর, বিষখালী ও পায়রা নদীবেষ্টিত জেলা বরগুনা। মুক্তিযুদ্ধের সময় এখানে রয়েছে লড়াই সংগ্রামের সমৃদ্ধ ইতিহাস। ২০১৫ সালের ২৭ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক হিসেবে ভাস্কর্য অগ্নিঝরা-৭১ উদ্বোধন করা হয়। বরগুনা পৌরসভার অর্থায়নে ভাস্কর মৃণাল হক এটি নির্মাণ করেন। কৃষক-শ্রমিক, ছাত্র- জনতা, নারী-পুরুষ যে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে দেশ স্বাধীন করেছিল, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে ভাস্কর্যে। নতুন প্রজন্মের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা ছড়িয়ে দিতে আরো ভাস্কর্য স্থাপন করা দরকার বলে মনে করেন প্রগতিশীল মানুষেরা। শিল্পকলার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাঁথা ছড়িয়ে পড়বে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে- এমন প্রত্যাশা বরগুনাবাসীর।

পিরোজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

পিরোজপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় সাইদ আকন (৩০) নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুই মোটরসাইকেল আরোহী। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পিরোজপুর-নাজিরপুর-ঢাকা সড়কে কদমতলা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাইদ আকন পিরোজপুর সদর উপজেলার একপাই জুজখোলা গ্রামের মজিবর আকনের ছেলে। আহতরা হলেন, পিরোজপুরের ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তা যাদক কুমার ও খুলনার পাইকগাছা এলাকার উজ্জ্বল কুমার মন্ডল। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলযোগে নাজিরপুর থেকে পিরোজপুর যাচ্ছিলেন ওই তিনজন। পথে কদমতলা বাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগলে তারা ছিটকে পড়েন। এ সময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পিরোজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেলে চিকিৎসকরা সাইদকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের খুলনায় পাঠানো হয়েছে। একে//এসএইচ/

বরিশাল বিভাগের ১৭ রুটে লাগাতার ধর্মঘট

বরিশাল, বরগুনা ও পটুয়াখালী জেলার ১৭ রুটে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট দ্বিতীয় দিনের মত চলছে। আজ সকাল থেকে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক ও জেলার অভ্যন্তরীণ রুটের সব গণপরিবহণ চলাচল বন্ধ রয়েছে।এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দূরপাল্লার যাত্রীরা। বরগুনা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক গ্রুপের দাবি, বরগুনা থেকে বরিশাল সড়কের চান্দখালী এবং সুবিদখালী পয়েন্টে বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নামে যাত্রীবাহী বাস থেকে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি চলছে। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় ওই এলাকার একটি সন্ত্রাসী মহল বাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি এবং যাত্রীদের হয়রানি করছে।অপরদিকে বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা সড়কেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। তাই এসব সমস্যার সমাধান না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন ধর্মঘট চলবে বলে জানান বাস মালিক নেতারা।/ এআর /

ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দুর্যোগে নি:স্ব পরিবার [ভিডিও]

আইলা, মহাসেন ও সিডরের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে জানমাল হারিয়ে নিঃস্ব বরগুনার অনেক পরিবার এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তাদের অভিযোগ, উপকূলীয় অঞ্চলে বছর বছর ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও, গড়ে উঠেনি পর্যাপ্ত আশ্রয় কেন্দ্র। বরগুনা সদর উপজেলার গোড়াপদ্মা গ্রামের মরিয়ম বেগম। ২০০৭ সালে সিডরে হারিয়েছেন স্বামী। বয়সের ভারে এখন নুব্জ। ভিক্ষা করে চলে জীবন। একই গ্রামের পারুল রানীকেও চলতে হয় অন্যের সাহায্য নিয়ে। আর পরিবারের ৫ সদস্যকে হারানো রশিদ মিয়া সেদিনের কথা মনে করে আজও আঁতকে উঠেন। এরকম হাজারো হৃদয় ভাঙ্গার গল্প ছড়িয়ে আছে বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চলে। এক দশক পরেও উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা কাটেনি তাদের। উপকূলবাসী বলছে, সংকেতের কথা না বোঝা, অসচেতনতা ও সম্পদের মায়ায় বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে না যাওয়ার মানসিকতায় প্রাণহানির ঘটনা বাড়লেও এখনও তারা অরক্ষিত। পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ হয়নি বলে অভিযোগ তাদের। স্থানীয়দের মতে, জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা গেলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। জেলা প্রশাসক মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, মানুষকে সচেতন করা, উপকূলীয় এলাকায় সবুজ বেষ্টনি গড়ে তোলার পাশাপাশি আরও আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। এছাড়াও দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ব্যাপক প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

বরগুনায় খোলা আকাশের নিচে ক্লাস পরীক্ষা [ভিডিও]

ভবন ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় বরগুনার তালতলীতে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে চলছে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া। রোদ-বৃষ্টির মধ্যেই ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অসুস্থ হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। তবে ভবন নির্মাণ বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন। মেনিপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। ভবনের নাজুক অবস্থায় ২০১৩ সালে ঝুকিপূর্ণ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বন্ধের নির্দেশ দেয় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। আর এরপর বছরের পর বছর ক্লাস হচ্ছে স্কুলের খোলা মাঠে। কখনো বৃষ্টি আবার কখনো প্রখর রোদে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। এতে অসুস্থ হওয়াসহ মনোযোগীও হতে পারছে না তারা। এদিকে এ পর্যন্ত বরগুনার তালতলী উপজেলায় ১৮ টি বিদ্যালয়ের ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। এ বিষয়ে শিগগিরই ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোঃ মোখলেছুর রহমান। নতুন ভবন নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন হলে ঝরে পড়া রোধের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা ফিরে পাবে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ।

বিএনপির আমলে দেশে উন্নয়ন হয়নি: নৌমন্ত্রী

বিগত বিএনপি শাসনামলে দেশে কোন উন্নয়ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। তিনি বলেন, বিএনপি দেশের উন্নয় বাদ দিয়ে লুটপাট করেছে। শুক্রবার দুপুরে জেলার চরফ্যাশনের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্মিত ভবন ও বাজার সংস্কার কাজের উদ্বোধন শেষে সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব। নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এসে মাত্র নয় বছরে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করেছে এবং তা অব্যাহত আছে। দেশে অসংখ্য বেড়ী বাঁধ নির্মাণসহ নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষাা পাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সূত্র: বাসস আর/টিকে

আত্মপ্রত্যয়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা  

শিক্ষা জীবনসহ মানুষের পুরো জীবনে উন্নতি সাধনের জন্য শরীরের পাশাপাশি মনকেও সুস্থ রাখা প্রয়োজন। আর এ  কাজটা আমরা খুব সহজেই মেডিটেশনের মাধ্যমে করতে পারি। মন ঠিক থাকলে আমাদের কাজগুলো সুন্দর হবে। আর  এ সব কিছুর মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে সুন্দর করে গড়ে তোলাসহ বাসযোগ্য সুন্দর এক পৃথিবী গড়ে তোলতে পারব। এ কথাগুলো বলছিলেন, বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার সৈয়দ বজলুল হক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মিজানুল ইসলাম। কাজী মিজানুল ইসলামসহ অন্যান্য  শিক্ষক ও কর্মকর্তা কর্মচারী মিলে কলেজের উদ্যোগে মিডিটেশনের কোর্স করেন। মেডিটেশন কোর্স করার পর এর থেকে সুফল পাওয়ায় শিক্ষকরা কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্যও মেডিটেশনের ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে এ কলেজটি মেডিটেশন কলেজ নামেও পরিচিত। বর্তমানে শিক্ষকসহ শিক্ষার্থীরাও এর সুফল ভোগ করছেন। মেডিটেশন কিভাবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জীবনে সুফল বয়ে এনেছে এ  বিষয় নিয়ে কথা  হয় বজলুল হক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মিজানুল ইসলামের সঙ্গে।    তিনি বলেন, আমরা প্রথমে কলেজের উদ্যোগে  ৭১ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ২০১৬ সালের মার্চ মাসে কোয়ান্টাম থেকে  মেডিটেশন কোর্স করি। কোর্স করার পর আমরা শিক্ষকরা মিলে শিক্ষার্থীদের জন্য মেডিটেশনের ব্যবস্থা করেছি। এর অংশ হিসেবে সকাল ৯টা থেকে  ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এবং  ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টা পর্যন্ত শিক্ষকদের জন্য মেডিটেশনের ব্যবস্থা রেখেছি। তিনি বলেন, মেডিটেশনের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরীক্ষার হলে শান্তভাবে অবস্থান করাসহ তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, পূর্বে শিক্ষার্থীরা লক্ষ নির্ধারণে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগত। কিন্তু মেডিটেশন করার মাধ্যমে তারা তাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। পরিবারের প্রতি তাদের মনোযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কেও তারা সচেতন হয়েছেন। তিনি বলেন, আগের চেয়ে ক্লাসের প্রতি এবং পাঠ তৈরির ব্যাপারে  শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের  পরস্পরের মধ্যে রাগ, ক্ষোভ, হিংসা-বিদ্ধেষ ও ঘৃণা  দূর  হয়েছে। ২০১৭ সালে বরিশাল জেলার মধ্যে সৈয়দ বজলুল হক বিশ্ববিদ্যালয়  কলেজটি শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়াও অধ্যক্ষদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন কাজী মিজানুল ইসলাম। কলেজের এই সফলতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মনে করি আমাদের এই সফলতার পেছনে শিক্ষক ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের পরিশ্রমের পাশাপাশি মেডিটেশন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। শিক্ষকদের ‍ওপর কি ধরণের প্রভাব ফেলেছে এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন,  মেডিটেশন কোর্স করার পর শিক্ষকদের পড়ানোর মান বৃদ্ধি পেয়েছে। স্কুল নিয়ে তাদের মধ্যে সচেতনতান বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের চেয়ে শিক্ষকদের মধ্যে পরস্পর সম্পর্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। পারিবারিক জীবনেও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি মনে করেন, যে কোন বয়সেই একজন মানুষ মেডিটেশন থেকে উপকৃত হতে পারেন। কিন্তু কেউ যদি তরুণ বয়সে মেডিটেশনের চর্চা শুরু করতে পারেন বা মেডিটেশন যদি হয় তার দৈনন্দিন জীবনের অংশ তাহলে সত্যিকার অর্থেই তিনি হয়ে উঠবেন দেশের একজন অমূল্য সম্পদ। আমরা ঠিক এ কাজটিই করছি সৈয়দ বজলুল হক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মাধ্যমে। মেডিটেশন সম্পর্কে ওই কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আফরিনা রওশন মীম বলেন, মেডিটেশন করার ফলে দেখা যায় শেষ ক্লাস পর্যন্ত আমি সমানভাবে মনোযোগী হতে পারি। আগে দীর্ঘ সময় ধরে পড়াশোনা করলে মাথা ব্যাথা করত। কিন্তু এখন মাথা ব্যাথা অনেকটা কমে গেছে। মেডিটেশন করার মাধ্যমে আমি আমার লক্ষ নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছি। ওই কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিজ ইমতিয়াজ হৃদয় বলেন, মেডিটেশন করার মাধ্যমে মন ও ব্রেণ দুটই শান্ত থাকে। আর ফলে  খুব সহজেই যে কোন ভালো কাজ করা যায়। ক্লাসের শুরুতে কলেজে মেডিটেশন করানোর কারণে আমরা সহজেই যে কোন বিষয় বুঝতে পারি। কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার পর মেডিটেশনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শান্ত মনে ক্লাস করতে পারেন। এতে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ আরও বেশি বৃদ্ধি পায়। কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. আবদুল লতিফ বলেন, আমরা যখন ১টা ১০ বা ২টা ১০ মিনিটে ক্লাস নেওয়ার জন্য যখন যেতাম, তখন ছাত্র-ছাত্রীরা বিরক্তবোধ করত এবং কেউ কেউ বলত স্যার ক্ষুদা লেগে গেছে আমাদের ছেড়ে দেন। কিন্তু মেডিটেশন করার পর থেকে শিক্ষার্থীরা এরকম অযুহাত দেখায় না এবং শান্তভাবে ক্লাস করে। কলেজের ইতহাস বিভাগের প্রভাষক ফাতেমা বেগম বলেন, ছেলেমেয়েদের আগে যে রকম দেখতাম তারা কথা শুনত না,  ঠিকমতো কলেজে আসত না।  কিন্তু মেডিটেশন করার পর এখন শিক্ষার্থীরা ঠিক মতো ক্লাসে আসে, আমাদের কথা শুনে। মেডিটেশনের মাধ্যমে শিক্ষকদের  পারিবারিক জীবনেও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা এখন পারিবারিকভাবে মেডিটেশনের চর্চা করে থাকেন। এ সম্পর্কে  কলেজের  ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক খাঁন মো. আল আমীন বলেন, আমার মা, আমার স্ত্রী এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা মিলে বাসায় মেডিটেশন করি। আমাদের পরিবারে সুখ-শান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমি মনে করি প্রত্যেক পরিবারে মেডিটেশন চালু করা উচিৎ। মেডিটেশনের মাধ্যমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সুফল পাওয়ায় কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. মাহজান আলী মনে করেন, সব কলেজেই মেডিটেশনের ব্যবস্থা চালু করা উচিৎ। এর মাধ্যমে লেখাপড়ার মান বৃদ্ধিসহ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক বন্ধন সৃষ্টি হবে। কেননা এই মেডিটেশনের মাধ্যমে  শরীর-মন সতেজ হয়, প্রফুল্ল হয়, মেধাবিকাশের পথ খুলে যায়, আকাঙ্খা বৃদ্ধি পায়, মানুষ সাহসী হয়, মানুষের মধ্যে হিংসা বিদ্ধেষ দূর হয়, মানুষে মানুষে প্রেম ও ভালোবাসা এবং কল্যাণ করার স্পৃহা জাগ্রত হয়।    এমএইচ/এসএইচ/    

লঞ্চে যাতায়াতে ভোগান্তিতে হাতিয়া ও ভোলার মানুষ [ভিডিও]

লঞ্চের মাধ্যমে যাতায়াত সমস্যার এখনো পুরোপুরি সমাধান হয়নি নোয়াখালীর হাতিয়া এবং দ্বীপজেলা ভোলার ক’টি উপজেলার মানুষের। মাঝে কিছুদিন সমাধান মিললেও, নতুন করে সমস্যা তৈরি করছে একটি চক্র। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রত্যাশা অনুযায়ী সেবা মিলছে না। নোয়াখালীর হাতিয়া কিংবা ভোলার দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, মির্জাকালু, মাস্টারহাট, বেথুয়া, শ্যামবাজারসহ আশপাশের ঘাটগুলো থেকে লঞ্চে রাজধানীসহ অন্যান্য স্থানে যেতে ভোগান্তি কমেনি ওই সব এলাকার মানুষের। সহজ যোগাযোগের জন্য যেসব ঘাটে লঞ্চ ভেড়ার কথা ছিল, তাও হয়নি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, ফেয়ারি শিপিংয়ের একাধিক নতুন লঞ্চ চলাচল শুরু করায় মানুষের মনে আশার সঞ্চার হয়েছিলো। তবে, তা বন্ধের চেষ্টা করছে একটি মহল। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে এলাকাবাসী। যাত্রী হয়রানি বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিত :  

বরগুনায় পরীক্ষার সময় চলছে কোচিং বাণিজ্য

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা উপেক্ষা করে বরগুনায় এসএসসি পরীক্ষার সময় অবাধে চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে এ কার্যক্রম। শিক্ষকরা কোচিং বন্ধে সঠিক নির্দেশনা না পাওয়ার কথা জানালেও প্রশাসন বলছে, এ বিষয়ে মাইকিংসহ শিক্ষা বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসরোধে সম্প্রতি পরীক্ষা চলাকালীন সব ধরনের কোচিং বন্ধ থাকার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে জেলা প্রশাসকের কাছেও। কিন্তু এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে বরগুনায় চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। কেউ কেউ কিন্ডার গার্টেনের সাইনবোর্ড অথবা ডে-নাইট স্কুলের নাম দিয়ে কৌশলে চালাচ্ছেন এই বাণিজ্য। তবে শিক্ষকরা বলছেন, প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা পাননি তারা। গণমাধ্যমের খবরের ভিত্তিতে কোচিং বন্ধ রাখার কথাও জানালেন কেউ কেউ। এদিকে, স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, সরকারি নির্দেশনার আলোকে সব ধরনের কোচিং বন্ধে মাইকিংসহ আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা চলার সময় ফটোস্ট্যাট মেশিন বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও মানছেন না অনেকেই। এসএইচ/

মানুষ উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষ উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে। আমরা দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরি করছি। আমরা বিদু্যতের উন্নয়ন করেছি। বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জে তিনি এ কথা বলেন।এর আগে, বরিশালের বাকেরগঞ্জের লেবুখালীতে পায়রা নদীর তীরে নবনির্মিত সাত পদাতিক ডিভিশনের `শেখ হাসিনা সেনানিবাস` উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় ছয় বছর পর বরিশাল সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটাই তার প্রথম সফর।আজ বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে বাকেরগঞ্জে শেখ হাসিনা সেনানিবাস উদ্বোধন এবং ১১টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলন করেন। পাশাপাশি সেনানিবাসের মাল্টিপারপাস হল, এসএম ব্যারাক, অফিস ভবনসহ ১৫টি স্থাপনার ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তিনি।বিকেল ৩টায় বরিশালের ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু উদ্যানে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। জনসভাস্থল থেকে ৩৯টি উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও ৩৩টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। তার সফর ও জনসভা উপলক্ষে সাজানো হয়েছে বরিশাল নগরীকে। প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে জেলায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা।এসএইচ/

পিরোজপুরের টগড়া মোড় সড়কের বেহাল দশা

দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় বেহাল হয়ে পড়েছে পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের রাস্তা। টগড়া মোড় থেকে কলারন খেয়াঘাট পর্যন্ত সড়কের ১০ কিলোমিটারের ৯৫ ভাগই চলাচলের অনুপযোগী। খানাখন্দে ভরা সড়কে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে যাত্রীরা, ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে ব্যস্ততম এ সড়কে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বেনাপোল, বরিশাল, পিরোজপুরসহ দূরপাল্লা ও অভ্যন্তরীণ রুটে শতশত গাড়ি চলাচল করছে। একদিকে সরু পথ, অন্যদিকে খানাখন্দে দুর্ভোগ বাড়ছে যাত্রীদের। এমন সড়কে ঝুঁকি নিয়ে পথ চলতে গিয়ে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় রোগীদের। এলাকাবাসী বলছে, বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও সংস্কার করা হচ্ছে না সড়কটি। তবে, বরাবরের মতোই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সড়ক দ্রুত সংস্কার করে চলাচল উপযোগী করার দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। এসএইচ/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি