ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ১:৫০:১৩

ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে খান ১১ খাবার

ওজন দ্রুত কমাতে চাইলে খান ১১ খাবার

অতিরিক্ত ওজন বেড়ে গেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটে থাকে। তাই নিজেকে বাঁচাতে চাইলে ওজন কমিয়ে ফেলুন। ওজন কমাতে ডায়েটের অন্তর্ভুক্ত হোন। ওজন কমাতে বেশিরভাগ নির্ভর করে খাদ্যভ্যাসের উপর। তাই কিছু খাবারের কথা জেনে রাখুন যেগুলো আপনার ওজন কমাতে বেশ সাহায্য করবে- ১) দারুচিনি এই প্রকৃতিক উপাদানটি ওজন কমাতে বাস্তবিকই দারুন কাজে এসে থাকে। আসলে দারচিনিতে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপদান একদিকে যেমন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, তেমনি ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ২) পালং শাক এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন কে, সি, ফলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং জিঙ্ক দেহে প্রবেশ করার পর পুষ্টির ঘাটতি তো দূর করেই, সেই সঙ্গে ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, বহুক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ওজন ঝরে যেতে সময় লাগে না। ৩) মুগ ডাল ভিটামিন এ, সি, বি, ই, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন দেহের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, তেমনি অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। সেই সঙ্গে প্রোটিন এবং ফাইবারের ঘাটতিও দূর করে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। আর কম পরিমাণে খাওয়ার কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। ৪) বাঁধাকপি দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে রোজের ডায়েটে বাঁধাকোপিকে রাখতে ভুলবেন না। এই সবজিটি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভিতরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে বহুক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা একেবারে কমে যায়। ৫) ব্রকলি এক স্টাডিতে দেখা গেছে, ব্রকলির মতো ডায়াটারি ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি বেশি করে খেলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতা এতটা বৃদ্ধি পায় যে শরীরে মেদ জমার সুযোগই পায় না। ৬) বাদাম বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, এই প্রকৃতিক উপাদানে উপস্থিত ফাইবার, উপকারি ফ্যাট এবং ওমাগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, তেমনি ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকেও ত্বরান্বিত করে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। ৭) সবজির রস আদা, গাজর অথবা করলার রস প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়া শুরু করলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই সবজিগুলির ভিতরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৮) ওটস মিল এক চামচ ওটস মিলের সঙ্গে তিন চামচ পানি নিয়মিত সকালবেলা খালি পেটে খাওয়া শুরু করলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই খাবারটিতেও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা হজম ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না, বরং কমতে শুরু করে। ৯) পেঁপে এই ফলটির ভিতরে রয়েছে পেপেইন নামক একটি উপাদান, যা ফ্যাট গলিয়ে মেদ ঝরাতে যেমন সাহায্য করে, তেমনি শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান এবং অতিরিক্ত জলকে বের করে দিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ১০) বিটরুট নিয়মিত বিটরুট খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভিতরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যে তার প্রভাবে একদিকে যেমন ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, তেমনি ক্যান্সারের মতো মরণ রোগও ধারের কাছে ঘেঁষতে পারে না। ১১) গোলমরিচ একাধিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ওজন কমাতে বাস্তবিকই গোলমরিচের কোমনও বিকল্প হয় না। আসলে প্রতিদিন লেবুর রসে অল্প পরিমাণ গোলমরিচ মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে দেহের জমতে থাকা চর্বি গলতে শুরু করে। ফলে অতিরিক্ত ওজন কমে যেতে সময় লাগে না। সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া। কেএনইউ/    
চুল পড়া রোধ করবে যে ৩ খাবার

চুল পড়ে গিয়ে টাক হয়ে যাওয়া সম্যাটি নারী পুরুষ উভয়ের কাছে যন্ত্রণাদায়ক। মাথায় টাক পড়ে গেলে মুখের সৌন্দর্যটা যেন নষ্ট হয়ে যায়। বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে খুব দুঃখজনক বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাই চুল পড়া রোধে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ওষুধ বা বিভিন্ন কেমিক্যাল ব্যবহার করেন। এতে লাভ তো হয়েই না বরং বেশি ক্ষতি হয়। তার চেয়ে খাদ্যভ্যাসের উপর নজর দিলেই এর সমাধান মিলবে। তিনটি খাবারে এই সমস্যা সমাধানের উপায় মিলবে- ১) মাছ মাছ, বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ চুল ঝরা রোধের সব চাইতে কার্যকর খাদ্য। যে সকল মাছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, সে সকল মাছ রাখুন নিজের খাদ্য তালিকায়। সপ্তাহে মাত্র ৩-৪ দিন ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ মাছ খেয়ে দেখুন। চুল পড়া নিজে থেকেই অনেক কমে যাবে। ২) সবুজ শাক-সবজি সবুজ শাক-সবজি, বিশেষ করে পাতা জাতীয় শাক-সবজি যেমন- পালং শাক, বাঁধাকপি, ব্রকলি ইত্যাদি যা ভিটামিন, মিনারেলস (খনিজ) এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সবচাইতে ভাল উৎস, সেগুলি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন। এইসব সবুজ শাক-সবজি চুলের গোঁড়া মজবুত করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে সবুজ শাক-সবজি রাখুন খাদ্য তালিকায়। এতে করে চুলের গোড়া মজবুত হবে, চুল হবে ঝলমলে। চুল পড়ার মাত্রা নিজে থেকেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। ৩) গাজর গাজরকে বলা হয় ‘সুপার ফুড’। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করা থেকে শুরু করে আমাদের চুল ও ত্বকের যত্নে গাজরের তুলনা নেই। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বেটা ক্যারোটিন এবং ভিটামিন এ। ভিটামিন এ চুলের গোঁড়ায় এক ধরণের প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন করে যা চুলকে উজ্জ্বল, চকচকে করে। বেটা ক্যারোটিন চুলের গোড়া মজবুত করে। সুতরাং, প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় গাজর রাখলে চুল পড়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। সূত্র : জি নিউজ। কেএনইউ/

শরীরকে বাঁচাতে রোজ ডায়েটে রাখুন ১২ খাবার

কেউ আছে একেবারেই খেতে পায় না। আবার কেউ আছে এমন কবজি ডুবিয়ে খায় যে ওজন একেবারেই নিয়ন্ত্রণে থাকতে চায় না। ফলে লেজুড় হয় হার্টের রোগ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো মরণ সমস্যা। অনেকের তো অতিরিক্তি ওজনের কারণে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাকের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটে থাকে। তাই আপনারও যদি ওজন বাড়তে থাকে, তাহলে সাবধান হন। নিজের শরীরকে বাঁচাতে রোজের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করুন এই প্রবন্ধে আলোচিত খাবারগুলো। কারণ কতটা দ্রুত ওজন কমবে, তা অনেকাংশেই নির্ভর করে কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন তার উপর, আর এই লেখায় আলোচিত খাবারগুলোতে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা মেদ তো ঝরায়ই, সেই সঙ্গে শরীরের আরও অনেক উপকারে লাগে। তাই তো দ্রুত ওজন কমাতে রোজের ডায়েটে এই খাবারগুলো অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে যে যে খাবারগুলো নানাভাবে সাহায্য করে থাকে, সেগুলো হল- দারুচিনি এই প্রকৃতিক উপাদানটি ওজন কমাতে বাস্তবিকই দারুন কাজে এসে থাকে। আসলে দারচিনির ভেতরে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপদান একদিকে যেমন হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, তেমনি ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে প্রতিদিন হাফ চামচ করে দারচিনি গুঁড়ো খেতে হবে, তাহলেই দেখবেন ফল মিলতে শুরু করেছে। পালং শাক এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, ভিটামিন কে, সি, ফলেট, আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং জিঙ্ক দেহে প্রবেশ করার পর পুষ্টির ঘাটতি তো দূর করেই, সেই সঙ্গে ওজন কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে এই শাকটিতে উপস্থিত ফাইবার, বহুক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে খাবার খাওয়ার পরিমাণ কমে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত ওজন ঝরে যেতে সময় লাগে না। মুগ ডাল ভিটামিন এ, সি, বি, ই, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং আয়রন শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন দেহের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, তেমনি অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। সেই সঙ্গে প্রোটিন এবং ফাইবারের ঘাটতিও দূর করে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। আর কম পরিমাণে খাওয়ার কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। তাই সুস্থ থাকতে এবং ওজনকে কয়েক মাসের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে নিয়মিত সকাল-বিকাল মুগ ডাল খেতে ভুলবেন না যেন! বাঁধাকোপি দ্রুত ওজন যদি কমাতে হয়, তাহলে রোজের ডায়েটে বাঁধাকপিকে রাখতে ভুলবেন না যেন! আসলে কী জানেন এই সবজিটি খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে বহুক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার প্রবণতা একেবারে কমে যায়। আর কম খেলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না! ব্রকলি জর্জিয়া স্টেট ইউনির্ভাসিটির গবেষকদের করা এক স্টাডিতে দেখা গেছে, ব্রকলির মতো ডায়াটারি ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি বেশি করে খেলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হজম ক্ষমতা এতটা বৃদ্ধি পায় যে শরীরে মেদ জমার সুযোগই পায় না। প্রসঙ্গত, রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, হাই কোলেস্টেরল এবং হার্টের রোগের মতো সমস্যাকে দূরে রাখতেও ফাইবার বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গোলমরিচ শুনতে আজব লাগলেও একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে, ওজন কমাতে বাস্তবিকই গোলমরিচের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে প্রতিদিন লেবুর রসে অল্প পরিমাণ গোলমরিচ মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে দেহের ইতি-ইতি জমতে থাকা চর্বিরা গলতে শুরু করে। ফলে অতিরিক্ত ওজন কমে যেতে সময় লাগে না। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখবেন, তা হল ভুলেও গোলমরিচ মেশানো কোনও পানীয় সকালে খালি পেটে খেতে যাবেন না যেন! আপেল অতিরিক্তি ওজনের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে নিয়মিত একটা করে আপেল খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন দারুন উপকার মিলবে। কারণ এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার। তাই তো খালি পেটে একটা করে আপেল খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমে। আর কম পরিমাণে খাবার খাওয়ার কারণে ওজনও কমে দ্রুত। বিটরুট নিয়মিত বিটরুট খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভেতরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যে তার প্রভাবে একদিকে যেমন ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, তেমনি ক্যান্সারের মতো মারণ রোগও ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। শুধু তাই নয়, শরীরকে বিষ মুক্ত করতেও এই সবজিটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এবার বুঝেছেন তো নিয়মিত বিটরুট খেতে কেন বলেন চিকিৎসকেরা। পেঁপে এই ফলটির ভেতরে রয়েছে পেপেইন নামক একটি উপাদান, যা ফ্যাট সেলেদের গলিয়ে মেদ ঝরাতে যেমন সাহায্য করে, তেমনি শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান এবং অতিরিক্ত পানিকে বের করে দিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে খালি পেটে যদি অল্প করে পেঁপে খাওয়া যায়, তাহলে আরও দ্রুত ওজন হ্রাস পেতে শুরু করে। কারণ ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খেলে অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা থাকে। ফলে শরীরে ক্যালরির প্রবেশ কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন বৃদ্ধির আশঙ্কা হ্রাস পায়। ওটস মিল এক চামচ ওটস মিলের সঙ্গে তিন চামচ পানি, এই রেশিয়োতে বানিয়ে নিয়মিত সকাল বেলা খালি পেটে খাওয়া শুরু করলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই খাবারটিতেও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা হজম ক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না, বরং কমতে শুরু করে। প্রসঙ্গত, ওটস মিলে লেসিথিন নামক একটি উপাদান থাকে, যা এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সবজির রস আদা, গাজর অথবা করলার রস প্রতিদিন খালি পেটে খাওয়া শুরু করলে ওজন কমতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ এই সবজিগুলোর ভেতরে থাকা একাধিক উপকারি উপাদান হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর যেমনটা এতক্ষণে জেনেই গেছেন যে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটলে শরীরে মেদ জমার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়। বাদাম বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, এই প্রকৃতিক উপাদানে উপস্থিত ফাইবার, উপকারি ফ্যাট এবং ওমাগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড একদিকে যেমন খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, তেমনি ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকেও ত্বরান্বিত করে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

ওষুধ নয়, ব্যথা দূর করুন প্রাকৃতিক উপাদানে

ব্যথা হলেই আমরা সবাই পেইনকিলারের সাহায্য নিই। কিন্তু একবারও কি ভেবে দেখেছি এটি শরীরের জন্য কতটা নিরাপদ? পার্শ প্রতিক্রিয়ারে কথা চিকিৎসকরা বারবার বললেও আমরা তা কানে নিচ্ছি। অথচ প্রাকৃতিক উপায়েই ব্যথা নিরাময় সম্ভব। আর্থারাইটিস আর্থারাইটিসের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। এই সমস্যায় ব্যথা হওয়ার পাশাপাশি, ত্বক লালচে হয়ে যেতে পারে, ব্যথার অংশে ফোলাভাবও দেখা দিতে পারে। আর্থারাইটিস অর্থাৎ বাতের রুগীরা নিয়মিত খাবারে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড যুক্ত মাছ- যেমন, ইলিশ, পমফ্রেট, টুনা, পাবদা, রুই, সার্ডিন জাতীয় মাছ খান। মাছের পরিবর্তে কড লিভার অয়েল ক্যাপসুল খাওয়া যেতে পারে। আখরোট ওমেগা থ্রি-তে ভরপুর। নিয়মিত ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার বাতের ব্যথা ও ইনফ্লামেশন কমাতে সহায়ক। এছাড়া নিয়মিত এক থেকে দু’কোয়া রসুন আর্থারাইটিসের ব্যথা কমাতে সহায়ক। গ্রিন টি, ব্ল্যাক টি ও হোয়াইট টি-তে থাকা পলিফেনল্‌সে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটারি প্রপার্টি, যা বাতের ব্যথায় কার্যকরী। ফ্রায়েড ও প্রসেসড খাবার- যেমন, বিস্কুট, চিজ, মাখন, ক্যান্‌ড খাবার, চিনি, ময়দা, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত নুন বা নুন চড়া খাবার- যেমন, চিপ্‌স, ডালমুট, চানাচুর এড়িয়ে চলুন। নিয়মিত টাটকা আদা খেলেও অস্টিওআর্থারাইটিস ও রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসে আরাম পাওয়া যায়। লাল লঙ্কা প্রাকৃতিক পেন রিলিভার হিসেবে কাজ করে আর্থারাইটিসে। পেটব্যথা পেটের ইনফেকশন থেকে পেটব্যথা হলে আদা জলে ফুটিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আদা ব্যথা কমানোর পাশাপাশি হজমেও সহায়ক। আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটারি কম্পাউন্ড জিঞ্জারোল ব্যথা উপশমে সহায়ক। ডায়াবেটিস ডায়াবেটিস নিউরোপ্যাথির কারণে অনেকেই ব্যথা অনুভব করেন। এর প্রধান কারণ ক্রনিক ডায়াবেটিস। এই ব্যথায় লাল লঙ্কা খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। গেঁটে বাত গেঁটে বাত অর্থাৎ গাউটের জন্য চেরি ফল খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। নিয়মিত চেরির জুস খেলে মাস্‌ল পেন হওয়ার সম্ভাবনা কমে। নিয়মিত আদা খেলেও গেঁটে বাতে উপকার পাওয়া যায়। কোমর বা পিঠ ব্যথা কোমর ও পিটের ব্যথায় রসুন খুব উপকারী। রসুনে থাকা সেলেনিয়াম ব্যথা কমাতে সহায়ক। নিয়মিত ভাতের পাতে দু’কোয়া কাঁচা রসুন খান। ২ চা চামচ থেঁতো করা রসুন ও অল্প হলুদ মিশিয়ে একগ্লাস জলের সঙ্গে খেয়ে নিন। দিনে ২ বার খেলে উপকার পাবেন। একমুঠো তুলসী এক কাপ জলে ফোটান। তাতে ৩ থেকে ৪ কোয়া রসুন দিন। জল ফুটে অর্ধেক হয়ে এলে ছেঁকে মিশ্রণটি ১ থেকে ২ বার খান দিনে। আঘাত লেগে গা ব্যথা হঠাৎ করে পড়ে গিয়ে হাতে-পায়ে ব্যথা হলে এক চা চামচ হলুদ গরম দুধে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। হলুদে থাকা কারকিউমিন ইনফ্লামেশন কমাতে সহায়ক, সঙ্গে ক্যানসার প্রতিরোধক। অতিরিক্ত খাটনির জন্য গা ব্যথা ২ ইঞ্চি আদা, ১ কাপ পানি ও অল্প মধু ফুটিয়ে চায়ের মতো খেলে উপকার পাওয়া যায়। রাতে শোয়ার আগে ১ চা চামচ হলুদ, ১ গ্লাস দুধ ও অল্প মধু মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। ১ চা চামচ রোজমেরি ১ কাপ জলে ফুটিয়ে খাওয়া যেতে পারে। দিনে তিনবার এটি খেতে হবে নিয়মিত। মাথাব্যথা মাথাব্যথা নানান কারণে হতে পারে। টেনশন, স্ট্রেস যেমন মাথাব্যথার কারণ, আবার দীর্ঘদিন কম্পিউটার স্ক্রিনে কাজ করা, চোখের পাওয়ার বাড়া-কমা, মাইগ্রেন, সাইনাস, ঠান্ডা লাগা থেকেও হতে পারে মাথাব্যথা। দেড় কাপ জলে ২ চা চামচ তাজা কুরনো আদা ফেলে ৫ মিনিট ফুটিয়ে তাতে প্রয়োজনে অল্প মধু মিশিয়ে দিয়ে ৩ বার খাওয়া যেতে পারে। ঠান্ডা লাগা থেকে মাথাব্যথা, মাইগ্রেনের ব্যথায় উপকারী এই চা। ১ চা চামচ পুদিনাপাতা ১ কাপ জলে ফুটিয়ে নিন। দিনে ৪ থেকে ৫ বার খান। অ্যাংজাইটি বা গ্যাস থেকে হওয়া মাথাব্যথা কমাতে সহায়ক পিপারমিন্ট টি। একমুঠো তুলসীপাতা জলে ফুটিয়ে খান। মাইগ্রেনের মাথাব্যথায় বিশেষভাবে কার্যকরী এই চা। মাথাব্যথায় দুধ চা ও কফি এড়িয়ে যান, পরিবর্তে উপরোক্ত হার্বাল টি বা কনকশন খান। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /

বর্ষায় সুস্থ থাকার বিশেষ ডায়েট প্ল্যান

বর্ষা সঙ্গে নিয়ে আসে কিছু রোগবালাই। স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়াই এর কারণ। এই সময়ে সুস্থ থাকতে চাই পারফেক্ট ডায়েট প্ল্যান। *ফাইবার যুক্ত ওট্‌স, বার্লি, ব্রাউন রাইস রাখুন রোজকার ডায়েটে। তাতে পেটের সমস্যা কম দেখা দেবে। দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অল্প রসুন ব্যবহার করুন রান্নায়। চায়ে অল্প আদা দিয়ে খান। পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য টক দই, ইয়োগার্ট নিয়মিত খান। রোজকার খাওয়ার পাতে উচ্ছেসেদ্ধ, নিমপাতা, মেথি খান। *সবারই কমবেশি অ্যালার্জি, স্কিন ইনফেকশন, হজমের সমস্যা, পেটের সমস্যা হয় বর্ষায়। আবহাওয়ায় আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি হওয়ার কারণে হজমশক্তি কমে যায়, তাই বর্ষার সময় অতিরিক্ত ভাজাভুজি, তেলেভাজা, স্ট্রিট ফুড ও রাস্তার যে কোনও খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন। মুড়িতে কাটা শসা, পেঁয়াজ, রোল, চাউমিনে ব্যবহৃত স্যালাড এ সময় না খাওয়াই ভাল। এর থেকে ডায়েরিয়া, টাইফয়েড, আমাশা, বদহজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। *রাস্তায় বেরোলে অবশ্যই বাড়ির পরিশুদ্ধ পানীয় জল সঙ্গে রাখুন। যেখানে সেখানে অপরিশুদ্ধ জল খাবেন না। প্রয়োজনে ভাল কোম্পানির প্যাকেজ্‌ড জল কিনে পান করুন। বাইরে থেকে ফিরে উষ্ণ গরমজলে গোসল করে নিন। ঠান্ডা লাগার সমস্যা থাকলে গা ধুয়ে নিন। এতে ইনফেকশনের হাত থেকে খানিক রক্ষা পাওয়া যাবে। *খাবার খাওয়ার আগে সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধুয়ে নিন। হাত ধোয়ার একান্ত উপায় না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। রাস্তার ধারের কাটা ফল, ফলের রস, আখের রস এড়িয়ে চলুন। ডায়েরিয়া বা ডিসেন্ট্রি হলে বারেবারে ওআরএস খান। সঙ্গে বাড়ির তৈরি হালকা খাবার খাওয়া যেতে পারে। ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। *এই সময় চোখের ইনফেকশনও দেখা যায়। বিশেষত কনজাংটিভাইটিস। চোখ চুলকালে, জল পড়লে বা চোখের কোনায় পিচুটি হলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। যখন তখন চোখ কচলানোর অভ্যাস বদলাতে হবে। এতে ইনফেকশন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। *বর্ষাকালে প্রতিদিন মৌসুমী ফল খান। আপেল, মুসুম্বি, আনারস, বেদানা, পেয়ারা খেতে পারেন। মৌসুম শেষের আমও খাওয়া যেতে পারে, তবে পরিমিত পরিমাণে। তা না হলে ওজন বৃদ্ধি, ব্রণ ও ফুসকুড়ির সমস্যা দেখা দিতে পারে। ভিটামিন সি যুক্ত ফল ও সবজি খান, এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। *কাঁচা নুন, রান্নায় চড়া নুন, অতিরিক্ত নোনতা খাবার- যেমন, বাদাম, চিপ্‌স, ডালমুট এড়িয়ে চলুন। এতে শরীরে ওয়াটার রিটেনশন থেকে ব্লোটিংয়ের মতো সমস্যা কম হবে। *সারা বছর যাঁদের স্কিনে ব্রণ, র‌্যাশের সমস্যা থাকে, তাঁরা বর্ষায় তেল-মশলা যুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। মাছ ও মাংস খেলে হালকা মশলায় রেঁধে খান। হার্বাল টি, লিকার চায়ে অল্প মধু, গোলমরিচ, পুদিনা বা তুলসীপাতা দিয়ে খান। অসময়ের ফুলকপি, বরবটি, রাজমা, ছোলার ডাল বর্ষায় কম খান। কাঁচা সবজির স্যালাডের বদলে অল্প জলে ভাপিয়ে নিয়ে সবজি খান। এতে ব্যাকটেরিয়াল ও ভাইরাল ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। রান্নায় শাকসবজি ব্যবহার করার আগে কম করে আধঘণ্টা নুনজলে ভিজিয়ে রেখে তারপর রান্না করুন। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন / এআর /

যে ৫ কারণে খাবারে গরম মশলা ব্যবহার করবেন

রান্নাকে সুস্বাদু করার জন্য বিভিন্ন ধরেনের গরম মশলা ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে লবঙ্গ, দারুচিনি, জিরা, জায়ফল, গোলমরিচ, এলাচ, এবং তেজ পাতা অন্যতম। এ মশলাগুলো খাবারের স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও অনেক উপকারি। এর মধ্যে অন্যতম স্বাস্থ্য গুণ হচ্ছে হজম শক্তি বৃদ্ধি করা।  এ সম্পর্কে ভারতীয় পুষ্টিবিজ্ঞানী ডা. রুপালি দত্ত বলেন, গরম মশলার কোনও নির্দিষ্ট রেসিপি নেই। বিভিন্ন খাবারে আপনি ইচ্ছামতো তা ব্যবহার করতে পারেন। তবে কতটা পরিমাণ ব্যবহার করছেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ। গরম মশলার মধ্যে লবঙ্গ, দারুচিনি, জিরা, জায়ফল, গোলমরিচ, এলাচ, এবং তেজ পাতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিম্নে গরম মশলার কিছু উপকারী দিক তুলে ধরা হলো- ১) হজমের সহায়ক গরম  মশলা পাকস্থলী থেকে বিভিন্ন উপকারী রস নিঃসরণে সাহায্য করে যা হজমের সহায়ক। গরম মশলার মধ্যে লবঙ্গ এবং জিরা অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে সাহায্য করে। মরিচ এবং এলাচ হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ২)মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে গরম মশলা ফাইটোনিউট্রিয়েন্টসে সমৃদ্ধ, যা বিপাক ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।গরম মশলায় থাকা বিভিন্ন খনিজ পদার্থ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যকারিতা উন্নত করতে সাহায্য করে। ৩) অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ গরম মশলায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চামড়ার সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ৪) পেট ফাঁপার সমস্যা কমায় ডা. রূপালী দত্তের মতে, গরম মশলা হজম ক্ষমতা বাড়ায়, পেট ফাঁপা, পেট ফোলা এমনকি বমি বমি ভাব কমাতেও সাহায্য করে। ৫)মুখের দুর্গন্ধ কমায় গরম মশলার মধ্যে লবঙ্গ এবং এলাচ মুখের দুর্গন্ধ রোধ করে। অনেকে মনে করে গরম মশলা হজমের ক্ষতি করে। কিন্তু  ডা. দত্তের মতে, একজন সুস্থ ব্যক্তির পক্ষে গরম মশলা না খাওয়ার কোনও কারণ নেই। তবে কারো যদি আলসারের মত নির্দিষ্ট শারীরিক সমস্যা থেকে থাকে তবে কিছু কিছু গরম মশলা এড়িয়ে চলা ভালো।   এমএইচ/এসএইচ/

যে ৬টি মশলা রোগ প্রতিরোধ করতে পারে!

রুচিকর খাবার রান্নার জন্য বেশ কিছু মশলা ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এসব মশলা শুধু রান্নায় স্বাদ বাড়ায় না, অনেক রোগ প্রতিরোধও করে থাকে। নিম্নে এরকম ছয়টি মশলা সম্পর্কে পাঠকদের কাছে তুলে ধরা হলো- হিং- হিং অ্যান্টিবায়োটিক এবং অ্যান্টি-ভাইরাল। হিং আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, পেটে ব্যথা এবং গ্যাসের সমস্যায় হিং অব্যর্থ। তরকারি, ডাল এবং অন্যান্য রান্নতেও হিং যোগ করা যায়। হলুদ- এক চিমটে হলুদ আপনার পেটের সমস্যা কমাতে পারে। রান্নায়, ডালসহ সব ধরণের তরকারিতে হলুদ ব্যবহার করা হয়। এই হলুদের ব্যবহারে বেড়ে যাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।গোল মরিচ- গোটা হোক বা গুঁড়ো, কালো মরিচ গ্যাস এবং পেটে অন্যান্য সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। প্রদাহের সমস্যা কমানো ছাড়াও, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসেবেও মরিচ খুবই উপকারী। ডিমে, স্যান্ডউইচে, স্যুপে, স্যালাডে, গোল মরিচ ব্যবহার করতে পারেন। গোল মরিচ দিয়ে মশলা চাও বানাতে পারেন।লবঙ্গ- লবঙ্গ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। লবঙ্গে আছে ইউগেনল যা রক্তে সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করে এবং শরীরে ব্যাক্টেরিয়া জনিত রোগব্যাধি থেকে লড়ার ক্ষমতা জোগায়। মেথি- মেথি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এগুলি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং বর্ষাকালে জ্বর ও বিভিন্ন সংক্রমণের হাত থেকেও আমাদের রক্ষা করে। দারুচিনি- দারুচিনি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ এবং শরীরে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, ফাইবার এবং আয়রন সরবরাহ করে। দারুচিনির মধ্যেকার সুগন্ধী নির্যাস যেমন, সিনামাইলাসিটেট এবং সিনামাইলডিহাইড অ্যান্টি ব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টি ফাঙ্গাল হিসেবে কাজ করে। দারুচিনি চায়ে মিশিয়ে খেতে পারেন,ভাতে দিতে পারেন, রান্নাতেও দিতে পারেন রোজ। তাই বিভিন্ন ধরণের রোগ প্রতিরোধের জন্য রান্নায় রাখতে পারেন এসব মশলা। যাতে আপনার উপকারে লাগতে পারে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। এসএইচ/

রোজ এক গ্লাস লিচুর জুসে মিলবে ৮ উপকার

এই গরমে মন-মেজাজকে চাঙ্গা করার পাশাপাশি শরীরকে সুস্থ রাখতে যদি চান, তাহলে নিয়মিত এক গ্লাস করে লিচুর রস খেতে ভুলবেন না যেন! কারণ এই ফলটির ভেতরে উপস্থিত ফাইবার এবং অন্যান্য উপকারি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে, একাধিক রোগ দূরে পালাতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, মেলে আরও অনেক উপকার। তাই বয়স ৩০-এর পরে প্রতি মাসে যদি ডাক্তারকে ৫০০-১০০০ টাকা ফিস দিতে না চান, তাহলে আগামী পাঁচ মিনিটের জন্য আপনার ঠিকানা হতেই হবে এই প্রবন্ধ। প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকটি গবেষণা চালিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানতে পেরেছেন, ছোট্ট এই ফলটির শরীরে এত ধরনের পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে, যা চোখের ক্ষমতার উন্নতি তো ঘটায়ই, সেই সঙ্গে হার্ট থেকে মস্তিষ্ক, শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কর্মক্ষমতা যাতে বৃদ্ধি পায়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জটিল রোগেরা দূরে থাকতে বাধ্য হয়। শুধু তাই নয়, শরীরের আরও বেশ কিছু উপকার হয়, যেমন ধরুন- রক্তচাপকে স্বাভাবিক থাকে লিচুতে উপস্থিত পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম শুধু রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখে না, সেই সঙ্গে শিরা এবং ধমনীকে প্রসারিতও করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ মাত্রা ছাড়ানোর সুযোগই পায় না। তাই যাদের পরিবারে এই মারণ রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের রোজের ডায়েটে এই ফলটি থাকা মাস্ট! ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, লিচুর রসে উপস্থিত ভিটামিন সি, ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ত্বকের ভেতরে প্রদাহের মাত্রা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকে প্রকাশ পেতে থাকা বলিরেখাগুলোও গায়েব হতে থাকে। সেই সঙ্গে স্কিন এতটাই টানটান হয়ে ওঠে যে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না। তাই খাতায় কলমে শরীরের বয়স বাড়লেও ত্বকের বয়স না বারুক, এমনটা যদি চান, তাহলে প্রতিদিন এক গ্লাস করে লিচুর রস খেতে ভুলবেন না যেন! ক্যান্সারকে দূরে রাখে আমাদের শরীরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানের মাত্রা বেড়ে গেলে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। তাই কোনওভাবেই যাতে দেহের ভেতরে টক্সিক উপাদানের মাত্রা না ছাড়ায়, সেদিকে খেয়াল রাখাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটি করবেন কিভাবে? টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বের করে দিতে কাজে আসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আর এই উপাদানটি প্রচুর মাত্রায় রয়েছে লিচুতে। তাই তো প্রতিদিনের ডায়েটে লিচুর জুসকে রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। দৃষ্টিশক্তি বাড়তে শুরু করে আজকাল ইয়ং জেনারেশনকে সারাক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে কাজ করতে হয়। সেই সঙ্গে স্মার্ট ফোনে মুখ গুঁজে ওয়েব দুনিয়ায় ঘোরা-ফেরা তো আছেই। এমন পরিস্থিতে চোখের উপর এতটা চাপ পরে যে ধীরে ধীরে চোখের ক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে। এমন অবস্থায় চোখকে বাঁচাতে লিচুর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই ফলটিতে রয়েছে ফ্লেবোনয়েড, ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট এবং ইলেজিক অ্যাসিড, যা চোখের ক্ষতি করে এমন টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে দৃষ্টিশক্তি তো বাড়েই। সেই সঙ্গে ড্রাই আইয়ের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাই চটজলদি যদি চোখের স্বাস্থ্য়ের উন্নতি ঘটাতে হয়, তাহলে প্রতিদিন লিচুর রস বা কাঁচা লিচু খেতে ভুলবেন না যেন! হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে হার্টেক সুস্থ সবল রাখতে যে উপাদানগুলো বিশেষ ভূমিকা নেয়, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল ফাইবার, ফলেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি। আর এই সবকটি উপাদানই প্রচুর মাত্রায় রয়েছে লিচুর জুসে। তাই তো এই ফলটি নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস করলে কোনও ধরনের হার্টের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে আয়ু বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো! রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে জীবাণুর আক্রমণ থেকে শরীরকে বাঁচাতে একেবারে প্রাথমিক সুরক্ষা বলয় হল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। তাই তো এই দেওয়ালে কমজোরি হয়ে গেলে মারাত্মক বিপদ! কারণ এমনটা হলে জীবাণুরা বিনা বাঁধায় শরীরের একেবারে ভিতর পর্যন্ত ঢুকে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে। ফলে নানাবিধ রোগে শরীরকে করে তুলবে জর্জরিত। তাই তো বলি এমনটা আপনার সঙ্গেও ঘটুক, তা যদি না চান, তাহলে ইমিউন সিস্টেমের খেয়াল রাখতে হবে। আর এই কাজটি করতে আপনাকে সাহায্য করতে পারে স্ট্রবেরি। কিভাবে? রক্তিম এই ফলটির ভেতরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা নানাভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নামক দেওয়ালকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন আমাদের দেহের যে পরিমাণ ভিটামিন সি-এর প্রয়োজন পরে, তার সিংহভাগ মেটাতেই সক্ষম এই ফলটি। তাই তো সুস্থ থাকতে এই ফলটির সঙ্গে বন্ধুত্ব না করলে কিন্তু চলবে না। ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায় বয়স বাড়তে থাকলে স্বাভাবিক নিয়ম মেনেই শরীরে প্রতি অঙ্গের কর্মক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে। একই ঘঠনা ঘটে মস্তিষ্কের সঙ্গেও। আর এই ডিজেনারেশন শুরু হয় সাধারণত ৩০ বছর পর থেকে। তাই তো এই সময় থেকেই বেশি করে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। কারণ এই দুটি উপাদান মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। ফলে বয়স বাড়লেও তার কোনও প্রভাব পরে না ব্রেনের উপর। আর যেমনটা আপনাদের সবারই জানা আছে যে, লিচুতে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, এই দুইই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। প্রসঙ্গত, বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে লিচুতে আয়োডিন এবং পটাশিয়ামও রয়েছে, যা ব্রেন ফাংশনের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা নিয়ে থাকে। আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের প্রকোপ কমে জয়েন্টকে সচল রাখতে যে তরল উপাদান আমাদের শরীরের ভেতরে রয়েছে, তা বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শুকিয়ে যেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে গাঁটে গাঁটে টক্সিক উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে এমন ধরনের হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে প্রতিদিন যদি লিচুর রস খাওয়া যায়, তাহলে জয়েন্টের সচলতা পুনরায় বৃদ্ধি পায়, সেই সঙ্গে ফলটিতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//  

ওজন কমানোসহ আনারসের ৫ গুণ

বর্ষার ফল আনারস। রসে ভরা। একেবারে টইটুম্বুর। এটি গরমে ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি জ্বরেরও দাওয়াই। সেই সঙ্গে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে এর কোনো বিকল্প নেই। মৌসুমি এ ফলে রয়েছে অসংখ্য গুণ। এই ফল যেমন শরীরে জলের চাহিদা মেটায়, তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ জোগায়। আনারসের পুষ্টিগুণ নিয়ে এবারের ফিচার- ১. আনারস আমাদের হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করে। হজম জনিত যে কোনও সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আনারস খুবই উপকারী। ২. আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের জন্য বিশেষ উপকারী, ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় যদি আপনি আনারস রাখেন তাহলে আপনার হাড়ের সমস্যাও দূরে থাকবে। ৩.আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। যা আমাদের শরীরের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ৪. একথা শুনলে অবশ্যই অবাক হবেন, আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট। আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। ৫. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) সমস্ত শরীরে সঠিকভাবে চলাচল করতে পারে। তাই রক্ত পরিষ্কার রাখতে আনারসের বিকল্প কিছু হয়না। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /

স্মৃতিশক্তি তাজা রাখুন এভাবে

বয়স হলে স্মৃতিশক্তি কমবে, তা নিয়ে বলার কিছু নেই৷ দুঃখ হলেও তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়৷ কিন্তু কম বয়সে, মোটামুটি ফিট হওয়া সত্ত্বেও যদি স্মৃতি বিশ্বাসঘাতকতা করে, সব কাজে ভুল হতে থাকে, তা কি মানা যায়? মানা যায় না ঠিকই, কিন্তু ঘটনা হল, এই সমস্যা কিছুটা ডেকে আনি আমরাই৷ কীভাবে জানেন? আসলে প্রযুক্তির কল্যাণে আজ আর অনেক কিছুই মনে রাখতে হয় না৷ ফোন নম্বর জমা থাকে স্মার্ট ফোনের ভেতরে, বোতাম টিপলে সে এসে হাজির হয়৷ মনে রাখতে হয় না জন্মদিন, বিবাহ বার্ষিকী বা মিটিংয়ের তারিখ, মোবাইলে অ্যালার্ম সেট করে দিলেই ঝামেলা শেষ৷ রাস্তাঘাট চেনার সমস্যা থেকেও মুক্তি দিয়েছে নানা অ্যাপ। মনে রাখার কোষেদের গায়ে তাই মরচে পড়ছে৷ সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমাদের কিছু অভ্যাস ও বদভ্যাস৷ যেমন, সঠিক খাবার না খাওয়া, শুয়ে–বসে থাকা, একসঙ্গে একাধিক কাজ করা৷ যুক্ত হয়েছে মদ্যপ হয়ে ওঠার ‘আনন্দ’, সপ্তাহান্তের বাধ্যতামূলক ‘লেট নাইট’, কম ঘুমিয়ে বেশি কাজ করার ছটফটানি ও প্রবল মানসিক চাপ৷ স্মৃতিশক্তি কমাতে যাদের বেশ ভাল ভূমিকা আছে৷ কাজেই বিপদ কমাতে চাইলে এ সব দিকে কিছুটা অন্তত নজর দেওয়া প্রয়োজন। তার পাশাপাশি কিছু বিশেষ খাবার খেতে শুরু করুন, স্মৃতিবর্ধক হিসাবে যাদের বেশ সুনাম আছে৷ স্মৃতি বাড়ানোর খাবার ১. ‘নিউরোসায়েন্স’-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন, যে সমস্ত স্থূলাকৃতি মানুষ ছ’–মাস ধরে নিয়মিত রেসভারেট্রল সাপ্লিমেন্ট খেয়েছেন, তাদের মনে রাখার ক্ষমতা বেশ খানিকটা বেড়েছে৷ আর  যারা তা খাননি তারা যে তিমিরে ছিলেন, সেই তিমিরেই রয়ে গেছেন৷ ২. রেড ওয়াইন ও ডার্ক চকোলেটে প্রচুর রেসভারেট্রল থাকে৷ এর আসল কাজ বয়স ধরে রাখা৷ তার পাশাপাশি মনে রাখার ক্ষমতা বাড়াতেও যে তার জুড়ি নেই,  তা জানা গেল সাম্প্রতিক এই গবেষণায়। ৩. ডিএইচএ নামের ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড খেলেও স্মৃতিশক্তি বাড়ে বলে জানা গেছে। তৈলাক্ত মাছে এটি আছে প্রচুর পরিমাণে৷ ৪. ফল, শাক-সবজির অ্যান্টি অক্সিডেন্টও কম নয়৷ বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, বয়স হলে মস্তিষ্কের তথ্য সামলানোর ক্ষমতা কমতে থাকে। তার ভুলে যাওয়ার গতি কমাতে ও স্মৃতি বাড়াতে এই সব প্রাকৃতিক খাদ্য খুবই কার্যকর৷ কাজে আসে গ্রিন টি–র অ্যান্টি অক্সিডেন্টও৷ তাহলে কী করণীয় ১. সারা দিনে বার দুই–তিন দুধ–চিনি ছাড়া গ্রিন টি খান৷ তবে অম্বলের ধাত থাকলে খালি পেটে খাবেন না৷ ২. দিনে দু’–তিন রকম টাটকা মরসুমি ফল খান৷ ওজন ও সুগার বেশি হলে খাবেন কম মিষ্টি ফল৷ খাদ্যতালিকায় সবজি রাখুন পর্যাপ্ত৷ শাক–সবজি, ফল কাটার আগে ভাল করে ধুয়ে ও কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে তবে খাবেন৷ কীটনাশকের বিষ দূর করতে চাইলে ‘ভেজি ওয়াশ’ ব্যবহার করতে পারেন৷ কারণ জৈব সারে পুষ্ট জিনিসপত্রের দাম আকাশ–ছোঁয়া৷ ৩. দু’–চারটা করে আমন্ড, আখরোট, কিসমিস খান রোজ৷ বেশি খেলে কিন্তু ওজন বাড়বে৷ পেটেরও গোলমাল হতে পারে৷ ৪. দুপুরে খান ঘরে বানানো ভাত বা রুটি, সঙ্গে ডাল, মাছ, তরিতরকারি। রাতেও তাই৷ মাঝে মাঝে তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছ খাবেন৷ জাঙ্ক ফুড, ফাস্ট ফুড যত কম খাবেন, তত ভাল৷ ৫. সপ্তাহে ৩–৪ দিন এক–আধ গ্লাস রেড ওয়াইন খেতে পারেন৷ তবে একেবারেই তার বেশি নয়৷ অভ্যাস না থাকলে নতুন করে শুরু করার একেবারেই দরকার নেই৷ ৬. দু’–এক টুকরো ডার্ক চকোলেট খেতে পারলে খুব ভাল৷ তবে মাত্রা ছাড়ালে ওজন বাড়বে৷ সুগার থাকলে না খাওয়াই ভাল৷ ৭. ডাক্তারের পরামর্শ মতো রেসভারেট্রল সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন৷ ৮. একসঙ্গে একাধিক কাজ আজকের দিনে প্রত্যেককে করতে হয়৷ কাজেই ভাল করে টাইম ম্যানেজ করার চেষ্টা করুন৷ বিপদ কিছুটা কমবে৷ ৯. টেনশন বাড়লে স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করুন যে কোনও মূল্যে৷ প্রয়োজনে মনোবিদের সাহায্য নিন৷ ১০. ডিপ ব্রিদিং, যোগা ও মেডিটেশন করুন নিয়মিত৷ মন শান্ত থাকলে ভোলার মাত্রা কমবে৷ ১১. সকালে বা বিকেলে খোলা জায়গায় একটু জোরে জোরে হাঁটুন, সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন৷ সাঁতার, জগিং বা জিমও করতে পারেন৷ নিয়মিত ঘাম ঝরানো ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কের কোষেরা বেশি দিন তরতাজা থাকে৷ ১২. ব্যায়াম ও কাজের খাতিরে ঘুমকে নির্বাসনে পাঠাবেন না৷ সব কিছু ভুলতে থাকার বড় কারণ কিন্তু কম ঘুমোনো৷ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

মানসিক চাপ কমায় চার খাবার

মানসিক চাপ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বেশ বড় একটি কষ্টদায়ক ব্যাপার। নানা কারণে আমরা দিনের বেশির ভাগ সময় মানসিক চাপের মধ্যে কাটাই। আর তার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের উপরেও। হজমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, অনিদ্রা, স্নায়ুর সমস্যা ইত্যাদি নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে এই মানসিক চাপ থেকে। তাই আমাদের প্রথমে মানসিক চাপ দূর করা উচিত। অনেকে মনে করতে পারেন, মানসিক চাপ তো চাইলেই দূর করা যায় না! তাহলে কীভাবে সম্ভব! উপায় আছে। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে মানসিক চাপ দূর হয় নিমেষে। বিশ্বাস হচ্ছে না? একটু চেষ্টা করেই দেখুন! ডার্ক চকলেট ডার্ক চকলেট মানুষের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক বেশি কার্যকরী একটি খাবার। চকলেট খেলে ‘এন্ডোরফিন’ নামক হরমোনের নিঃসরণ ঘটে যা আমাদের মানসিক চাপ থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। তবে খেয়াল রাখবেন, সাধারণ মিল্ক চকলেট নয়, ডার্ক চকলেট খাওয়াই স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। সবুজ সবজি সবুজ সবজি যেমন, ব্রকলি, শসা ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমানে ফলিক অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এই উপাদানগুলো আমাদের মস্তিস্কে ভাললাগার অনুভূতি সৃষ্টি করে। প্রতিদিন ১ কাপ সবুজ শাকসবজি খান। দেখবেন মানসিক চাপের সমস্যা কম হয়ে যাবে অনেকটাই। কাঠবাদাম কাঠবাদামে থাকা ভিটামিন বি এবং ভিটামিন ই আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে উন্নত করতে খুবই কার্যকর। যখন আমাদের দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত থাকে তখন আমরা মানসিক চাপ বা বিষণ্ণতার মতো সমস্যায় কম ভুগি। তাই প্রতিদিন অন্তত ৫-৬টা কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস করুন। উপকার পাবেন। মিষ্টি আলু মিষ্টি আলুর সঙ্গেও আমাদের অনুভূতির সম্পর্ক রয়েছে। মিষ্টি আলু খেলে আমাদের মানসিক চাপ দূর হওয়া শুরু হয় দ্রুত। তাই মানসিক চাপে পড়লে মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে খেতে পারেন। চিনি চিনি বেশি খাওয়া যদিও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, কিন্তু মানসিক চাপ দূর করতে চাইলে সামান্য চিনি খেতে পারেন। এতে আমাদের মস্তিষ্ক উদ্দীপ্ত পেশিগুলো শিথিল হওয়া শুরু করে এবং মানসিক চাপ কম হয়ে যায়। চিনির পরিবর্তে ১ চামচ মধুও খেতে পারেন। তবে ডায়বেটিসের রোগীদের জন্য এই পদ্ধতি উচিত নয় একেবারেই। সূত্র: জিনিউজ একে//

জাম-বাঁধাকপি-পালং শাক খেলে ৭ উপকার মিলবে

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই উপকারী। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে  জাম, বিনস, লবঙ্গ, দারুচিনি, লেবু,পালং শাক, তুলসি পাতা এবং আদা অন্যতম। তাই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চিকিৎসকেরা প্রতিদিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ১) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি শরীরকে সুস্থ রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমাতা বৃদ্ধির জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধি ফল এবং সবজি খুবই উপকারী। ২) আর্থ্রাইটিসের মতো রোগ প্রতিরোধ করে বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে, নিয়মিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরের ভেতরে প্রদাহের মাত্রা কমে যায়।  ৩) ক্যান্সার  দূরে রাখে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবারগুলো ক্যান্সারে মতো রোগ দূরে রাখতেও সাহায্য করে। তাই খাবারের তালিকায় এ সমস্ত খাবার রাখা যেতে পারে। ৪) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে ত্বককে সুস্থ্য রাখতে এবং শরীরকে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে  প্রতিদিনের ডায়েটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার রাখতে পারেন। কেননা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, শরীরের কোণায় কোণায় জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ৫) হার্ট সুস্থ রাখতে শরীরে থাকা বিষাক্ত উপাদান বের করে হার্ট সুস্থ রাখতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খুবই উপকারী।  আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিকাল নিউট্রিশানের রিপোর্ট অনুসারে যাদের শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বেশি থাকে, তাদের স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়। ৬) ব্রেনের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার ব্রেনের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই উপকারী। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের মাত্রা কমবে, তেমনি ডিমেনশিয়া এবং অ্যালঝাইমারসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও আর থাকবে না। ৭) দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার চোখের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই দিনের বেশি সময় যারা কম্পিউটারের সামনে সময় কাটান তাদের নিয়মিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: বোল্ড স্কাই এমএইচ/একে/

নিয়ম মেনে আলু খেলে ৬ উপকার মিলবে

বেশ কিছু সমীক্ষার পর দেখা গেছে অনেকই মনে করেন অলু খেলে ওজন বাড়ে, সেই সঙ্গে শরীরে কিছু রোগ বাসা বাঁধে। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে আসলে এমন কিছুই ঘটে না। বরং শরীরের একাধিক উপকারে লাগে এই প্রকৃতিক উপাদানটি। তবে একটা বিষয় জেনে রাখা ভাল, আলু যদি ভেজে খাওয়া হয়, তাহলে কিন্তু বিপদ। কারণ শুধু আলু খেলে শরীরে কম বেশি প্রায় ১১০ ক্যালরি প্রবেশ করে। এই পরিমাণ ক্যালরি ঝরাতে বেশি সময় লাগে না। কিন্তু কেউ যদি ভাজা আলু অনিয়ন্ত্রিত হারে খাওয়া শুরু করেন অথবা আলুর সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে মাখন মেখে খান, তাহলে কিন্তু একেবারে অন্য ঘটনা ঘটে। সেক্ষেত্রে ওজন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরো বেশ কিছু মারণ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক নিয়ম মেনে আলু খেলে কি কি উপকার পাওয়া যায়। ১) দেহের ভেতরে প্রদাহ কমায় এই সবজিটিতে উপস্থিত থাকা ভিটামিন সি দেহের ভেতরে প্রবেশ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমাতা বৃদ্ধি করে। ফলে দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা যায় কমে। সেই সঙ্গে আর্থ্রাইটিস এবং গাউটের মতো রোগের প্রকোপ কমতেও আলু সাহায্য করে। ২) পটাশিয়ামের ঘাটতি দূর হয় একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, আলুতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে এই শরীরের আরও উপকারে লাগে। আর এ কথা জেনে রাখা ভাল যে কলাতে যে পরিমাণ পটাশিয়াম রয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি পরিমাণ রয়েছে আলুতে। তাই এই সবজিটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে ব্লাড প্রেসারের মতো রোগের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। ৩) ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ, যা শরীরের ভেতরে ক্যান্সার সেলকে জন্ম নিতে দেয় না। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। ৪) ফাইবারের চাহিদা মেটায় মাঝারি মাপের একটা আলুতে প্রায় ২ গ্রামের কাছকাছি ফাইবার থাকে, যা সারা দিনের মোট ফাইবারের চাহিদার প্রায় ৮ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। ৫) ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আলুতে উপস্থিত থাকা ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস এবং জিঙ্ক শরীরের সৌন্দর্যও বৃদ্ধিতে কাজ করে। ৬) ভিটামিন সি-এর যোগান ঠিক রাখে শরীরকে সুস্থ রাখতে ভিটামিন সি-এর গুরুত্ব অপরিসীম। নিয়মিত আলু খেলে শরীরে এই বিশেষ উপাদানটির ঘাটতি দূর করতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমতে শুরু করে। ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। সূত্র: বোল্ড স্কাই এমএইচ/একে/

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি