ঢাকা, বুধবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৮ ১:৫৩:০৬

গরমেও স্বস্তি পেতে পারেন ৭ উপায়ে

গরমেও স্বস্তি পেতে পারেন ৭ উপায়ে

গ্রীষ্মে বাংলাদেশ, ভারত এমনকি ইউরোপের দেশগুলোতে তাপপ্রবাহ খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভবিষ্যতে আরও দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ চলবে এবং গরম আরও বাড়বে৷ সাদা রঙে রাঙানো গ্রীষ্মের সূর্যের প্রচণ্ড তাপ থেকে বাঁচতে আপনি বাসার ছাদে সাদা রঙ করতে পারেন৷ গ্রিসে কিন্তু বাসা ঠাণ্ডা রাখতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়৷ সাদা বা হালকা রঙ সূর্যের তাপকে প্রতিফলিত করে, অর্থাৎ শোষণ করে না৷ ফলে বাড়ির ভেতরটা ঠাণ্ডা থাকে৷ এর ফলে কার্বন নিঃসরণ কম হয় এবং জ্বালানি খরচও বাঁচে৷ জলাশয় জলাশয়, যেমন লেক, খাল এবং নদ-নদী যে কোনও শহরের তাপমাত্রাকে শীতল রাখতে সাহায্য করে৷ এসব জলাশয়ের পানি বাষ্প হয়ে চারপাশকে ঠাণ্ডা রাখে৷ বড় বড় শহরে জায়গার অভাব রয়েছে। ফলে যেসব এলাকায় হয়ত লেকের মতো জলাশয় তৈরি করা সম্ভব না, সেখানে পানির ঝর্ণা বা ফোয়ারা তৈরি করা যেতে পারে৷ সবুজের কাছাকাছি থাকা শহরে যত বেশি সবুজ থাকবে, তাপমাত্রাও তত সহনীয় পর্যায়ে থাকবে৷ বিশেষ করে গাছের শীতল ছায়া আর গাছের পাতা থেকে যে অক্সিজেন বের হয়, সেটি বিশাল পার্থক্য তৈরি করে৷ তাই বিভিন্ন ভবনের পাশে গাছ লাগালে এগুলো সত্যিই ভবনের ভেতরে তাপমাত্রা শীতল রাখতে সাহায্য করে৷ পার্ক এবং বাগান মিউনিখের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা অনুযায়ী, একটি শহরকে শীতল রাখার জন্য বড় কোনও পার্কের প্রয়োজন নেই, ছোট ছোট কয়েকটি পার্ক এর চেয়ে বেশি কাজ করে৷ কেননা বড় একটি পার্ক কেবল নির্দিষ্ট একটি জায়গার তামপাত্রাকে শীতল করে, অথচ ছোট ছোট পার্কগুলো বিস্তৃত এলাকা জুড়ে তাপমাত্রা কমিয়ে আনে৷ এছাড়া ভবনের ভেতরে, বারান্দায় গাছ লাগালেও বাতাস চলাচল বাড়ে এবং তাপমাত্রা কমে যায়৷ ছাদের উপর বাগান যদি আপনি আপনার বাড়ির ছাদে সাদা রঙ করতে না চান তাহলে ছাদে বাগান করুন৷ নগরীতে এই পদ্ধতিতেও ভবনগুলোকে ঠাণ্ডা রাখা যায়৷ ছাদের উপর বাগান করলে ওই গাছগুলো তাপ শুষে নেয় এবং এয়ারকন্ডিশনিং এর প্রয়োজনকে কমিয়ে দেয়৷ ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার যখন আপনি ছাদে বাগান করবেন, তখন অবশ্যই কিছু মরিচের গাছ লাগাবেন৷ এর কারণ হলো মসলাযুক্ত বা ঝাল খাবার আপনার শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে৷ ঝাল খাবার খেলে আপনার শরীরে ঘাম হবে এবং শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেবে৷ গরম পানীয় পান তাপমাত্রা যখন ৩০ ডিগ্রির বেশি হয়, তখন স্বভাবতই ঠাণ্ডা জুস বা আইসক্রিম বা পানীয় খেতে ইচ্ছা করে৷ তবে বিশেষজ্ঞরা কিন্তু অন্য কথা বলছেন৷ তারা বলছেন, ঝাল খাবারের মতোই গরম চা বেশি গরমে আপনার শরীরকে ঘামতে সাহায্য করবে৷ ফলে আপনার শরীর হবে ঠাণ্ডা৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//
রান্নাঘরের দুর্গন্ধ দূর করার ৪ উপায়

বর্ষায় ঘরবাড়ি পরিষ্কারের মধ্যে বিশেষ খেয়াল রাখতে হয় রান্নাঘরে। কারণ স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ায় রান্নাঘর জুড়ে ভ্যাপসা গন্ধ ছড়াতে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেশির ভাগ সময়েই রান্নাঘরের জানালা বন্ধ থাকায় বাইরের হাওয়া চলাচলও কম হয়। চারপাশের জলীয় বাতাসে ঘুরে বেড়ায় সেই গন্ধ। কিন্তু কিছু উপায় জানা থাকলে সহজেই এই সমস্যা থেকে বাঁচবেন। রান্নাঘর থাকবে ঝকঝকে। ১.প্রথমেই রান্নাঘরের ডাস্টবিন আলাদা করে ফেলুন। শুকনো ও তরল আবর্জনার জন্য দু’রকম ডাস্টবিন ব্যবহার করুন। যে সব জিনিস পচনশীল, তাদের রান্নাঘরের ডাস্টবিনে ফেলবেন না। সে সব নিয়মিত বাইরের কোনও ডাস্টবিনে ফেলুন। ঘরের ডাস্টবিন ব্যবহারের আগে ও পরে অ্যান্টিসেপটিক ক্লিনার দিয়ে ধুয়ে ফেলুন তা। সব চেয়ে ভাল হয়, যদি বিনের ভিতর গার্বেজ ব্যাগ রেখে তা ব্যবহার করতে পারেন। ২. বাসন মাজার স্পঞ্জ বদলান প্রতি সপ্তাহে। দরকারে বাসন মোছার তোয়ালেও বদলান প্রতি তিন-চার দিন অন্তর। এবং রোজই কাজ শেষে পরিষ্কার করে কাচুন। ৩. বাড়িতে বাঁধাকপি বা মুলো রান্না হলে এ সব সেদ্ধ করার সময় পানিতে এক টুকরো পাতিলেবু দিয়ে দিন। বর্ষায় মাছ রান্না হলেও একটা আঁশটে গন্ধ ঘরময় ঘুরে বেড়ায়। তা সরাতে অল্প জলপাই তেলের সঙ্গে এক টুকরো দারচিনি দিয়ে কিছুক্ষণ ফোটান। নিমেষে গায়েব হবে গন্ধ। ৪. রান্নাঘর পরিষ্কার রাখতে বেসিন ও সিঙ্ক পরিষ্কার রাখুন। রান্না শেষে লিক্যুইড সোপ দিয়ে ধুয়ে নিন বেসিন। খানিকটা ভিনিগার ও বেকিং সোডা দিয়েও ধুতে পারেন। ফ্রিজের ভিতর পরিষ্কার না রাখলেও রান্নাঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। ফ্রিজ পরিষ্কার রাখতে কয়েক কুচি পাতিলেবু রেখে দিন ফ্রিজের ভিতর। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

উকুন দূর করার ঘরোয়া ৫ উপায়

যার একবার হয়েছে সেই জানে এর কষ্ট। তাই তো সবাই বেঁচে বেঁচে থাকে উকুনের থেকে। কিন্তু তবু কি বেঁচে থাকা যায়? না যায় না! যে কোনও সময়, যে কেউ খপ্পরে পরতে পারে এই রোগের। বেশ কিছু স্টাডির পর এই বিষয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই যে, উকুন বেজায় ছোঁয়াছে। মানে পরিবারের এক জনের হয়েছে মানে তা অল্প সময়েই কিন্তু ছড়িয়ে পরতে পারে পরিবারের বাকি সদস্যদের মধ্যে। আর এমনটা হলে সারা মাথা চুলকাতে চুলকাতে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠতে যে সময় লাগে না, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই! এখন প্রশ্ন হল উকুনের প্রকোপ থেকে নিস্তার পাওয়া যায় কীভাবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে, যা নিমেষে উকুনের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, উকুনের ঘরোয়া চিকিৎসা করতে সাধারণত যে যে উপাদানগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সেগুলো হল... টি ট্রি অয়েল এই প্রকৃতিক উপাদানটিতে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান নিমেষে উকুনকে মেরে ফেলে। সেই সঙ্গে উকুনের ডিমকেও ধ্বংস করে। ফলে পুনরায় এমন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। এক্ষেত্রে রাতে শুতে যাওয়ার আগে পরিমাণ মতো টি-ট্রি অয়েল নিয়ে স্কাল্পে লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করতে হবে। তারপর একটা টাওয়াল বালিশের উপর রেখে শুয়ে পরতে হবে। পরদিন ঘুম থেকে উঠে ভাল করে চুলটা আঁচড়ে নিলেই দেখবেন কেল্লাফতে! মাউথ ওয়াশ উকুনের প্রকোপ কমাতে মাউথওয়াশ দারুনভাবে কাজে আসে। আসলে এই তরলটির ভেতরে উপস্থিত ইউক্যালিপটাস অয়েল এবং থায়ামল, অল্প সময়ে উকুনদের মেরে ফেলে। ফলে সমস্যা কমতে সময় লাগে না। এখন প্রশ্ন হল এই রোগের চিকিৎসায় কীভাবে কাজে লাগাতে হবে মাউথ ওয়াশকে। এক্ষেত্রে অল্প পরিমাণে মাউথ ওয়াশ নিয়ে ভাল করে স্কাল্পে লাগিয়ে একটা টাওয়াল দিয়ে চুলটা বেঁধে নিতে হবে। এরপর ২ ঘন্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফলতে হবে চুলটা। প্রসঙ্গত, সপ্তাহে এক বার করে এই ঘরোয়া টোটকাটিকে কাজে লাগাতে হবে। তাহলেই দেখবেন আর কখনও উকুন ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। অলিভ অয়েল বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত যদি অল্প পরিমাণ অলিভ অয়েল নিয়ে চুলে লাগিয়ে ভাল করে মাসাজ করা যায়, তাহলে উকুনের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। কারণ এই তেলটির ভেতরে উপস্থিত বেশ কিছু উপাদান নিমেষে উকুনদের মেরে ফেলে। ফলে সমস্যা কমতে সময় লাগে না। নারকেল তেল অলিভ অয়েলের মতো নারকেল তেলও চুলকে পিচ্ছিল করে তোলে। ফলে চুলের ফাঁকে ফাঁকে জায়গা করে নেওয়া উকুনেরা ঝরতে শুরু করে। সেই সঙ্গে উকুনের ডিমও ঝরে যায়। ফলে এমন ধরনের ত্বকের রোগের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো নারকেল তেল নিয়ে তা গরম করে ধীরে ধীরে স্কাল্পে লাগাতে হবে। তারপর ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফলতে হবে চুলটা। এমনটা প্রতিদিন করলে দেখবেন উকুনেরা মরতে শুরু করবে। সেই সঙ্গে পুনরায় এমন ধরনের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও যাবে কমে। নিম তেল এতে উপস্থিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজ নিমেষে উকুনকে মেরে ফেলে। সেই সঙ্গে ডিমকেও ধ্বংস করে। সেই সঙ্গে স্কাল্পের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো নানাবিধ ত্বকের রোগের চিকিৎসায় এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নিম তালকে কাজে লাগানো হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে কয়েক ফোঁটা নিম তেলের সঙ্গে পরিমাণ মতো শ্যাম্পু মিশিয়ে বারে বারে চুল ধুতে হবে। সেই সঙ্গে চুল ধোয়ার পর প্রতিদিন চুল আঁচড়াতে হবে। এমনটা করলেই দেখবেন উপকার মিলতে শুরু করেছে। সবশেষে একটা কথাই বলতে চাই, এই ঘরোয়া উপায়গুলোকে কাজে লাগালে যে শুধু উকুনের প্রকোপ কমে, তা নয়, সেই সঙ্গে চুল এবং স্কাল্পের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। তাই তো বলি যদি অপূর্ব সুন্দর চুলের অধিকারী যদি হতে চান, তাহলে এই প্রকৃতিক উপাদানগুলোকে কাজে লাগিয়ে নিয়মিত চুলের পরচর্যা করতে ভুলবেন না যেন! সূত্র: বোল্ডস্কাই একে//

সম্পর্কে উষ্ণতা ফিরিয়ে আনুন পাঁচ উপায়ে

প্রেমে পড়া সহজ। কিন্তু সেই প্রেম বয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ নয়। প্রেম প্রথম দেখায় হতে পারে। কখনও বন্ধুত্ব থেকেও প্রেমের সূত্রপাত হয়। কিন্তু যখনই তা রোম্যান্টিক সম্পর্কের দিকে মোড় নেয়, তখনই সমস্যা তৈরি হয়। এর পিছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। মানসিক পরিশ্রম প্রথম প্রথম কোনও সমস্যা নেই। মসৃণভাবে এগোয় সম্পর্ক। সমস্যা দেখা দেয় কিছুদিন পর থেকে। সঙ্গীর মধ্যে নিত্য কিছু না কিছু নতুন আবিষ্কার করতে পেরে ভালই লাগে সবার। সমস্যার সূত্রপাত তখন থেকে হয় যখন সঙ্গীর খামতি পূরণের জায়গা আসে। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য মানসিক পরিশ্রম করতে হয়। চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা প্রেম করলে সঙ্গীর কাছ থেকে অনেক কিছু চায় মানুষ। দিন দিন চাহিদা বেড়ে যায়। প্রথমে শুরু হয় একসঙ্গে সময় কাটানো নিয়ে। এরপর কাজের ফাঁকে সময় দেওয়াটা একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তারপর ক্রমে আরও অনেক বিষয় এসে যায়। ক্রমে আরও অনেক সমস্যা চলে আসে। সেগুলো সমাধান করে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে তার সমাধান করতে হবে। তবেই ফিরে পাওয়া যায় সেই পুরনো অনুভূতি। নতুন উদ্যমে শুরু করা দিন যত চলে যায়, প্রেম তত কমে যায়। এটাই কঠিন সত্য। সম্পর্কের প্রথম দিকে চোখের চাউনি অনেক কথা বলে। কিন্তু সম্পর্ক যত পুরনো হয়, প্রেমও পুরনো হতে থাকে। এমন অবস্থায় অনেকে সম্পর্ক ভেঙে দেওয়ার কথা ভাবেন। এমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন পরিস্থিতিকে কখনই সম্পর্ক ভাঙা উচিত নয়। বরং নতুন উদ্যমে সম্পর্ক শুরু করা উচিত। কারণ দু’জনে দু’জনের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটিয়েছেন। ভাল মন্দ জানা হয়ে গেছে। এমন সময়ই তো সম্পর্ক মসৃণভাবে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। কিছুটা মানিয়ে নেওয়া সম্পর্ক বেশিদিন টিকে গেলে দু’জনের সামনে দু’জনের নেতিবাচক বিষয়গুলো চলে আসে। একজনের কোনও স্বভাব অপরজনের নাও পছন্দ হতে পারে। এখানেই আসে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়। কিছুটা আপনি মানিয়ে নিন। কিছুটা আপনার সঙ্গীকে মানিয়ে নিতে বলুন। নেতিবাচক জায়গাগুলো সমাধান হয়ে গেলে অর্ধেক সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলুন সম্পর্ক পুরনো হতে শুরু করলে সঙ্গীকে সময় দেওয়া কমে তো যায়ই। সেই সঙ্গে কথাবার্তাও কমে যায়। দরকারি টুকটাক কথা ছাড়া তেমন কথাই কেউ বলে না। এটিও কিন্তু সম্পর্কের ভিত নড়িয়ে দিতে পারে। তাই সময় পেলে কথা বলুন। সারাদিনের কাজের কথা, অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করুন সঙ্গীর সঙ্গে। এতে সম্পর্ক দৃঢ় হয়। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

শিশুদের বিছানায় প্রস্রাবের অভ্যাস বদলাবেন যেভাবে

আপনার সন্তান বড় হচ্ছে, অথচ ঘুমের মধ্যে বিছানায় প্রস্রাব করে। এটা যদি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হয়ে থাকে তবে তা বন্ধ করবেন কীভাবে? নিজ সন্তানের এই  বিব্রতকর সমস্যা নিয়ে ভুগেননি এমন বাবা মা খুঁজে পাওয়া দুস্কর। যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়োর ক্লিভলেন্ড ক্লিনিকের একদল ডাক্তারের নির্দেশনা দিয়েছেন কীভাবে বিছানায় প্রস্রাব করার অভ্যাস রুখবেনঃ ১) রাতের খাবারের পরপরই তরল জাতীয় খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস বন্ধ করতে হবে। ২) ঘুমানোর সময় শিশুকে উঠিয়ে একবার হলেও  প্রস্রাব করিয়ে আনতে হবে। তবে সবসময় এটা করবেন না তাহলে আপনার বাচ্চা নিদ্রাহীনতা ও হতাশায় ভুগবে। ৩) দিনের কোন সময় পানি কিংবা তরল জাতীয় খাবার বেশি খাবে সেটার জন্য একটি রুটিন করে দিন। ৪) শিশুদের বাথরুমে যাওয়ার সময় নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। প্রতি দুই তিন ঘন্টা পর যাতে বাথরুমে যায় সেটা খেয়াল রাখুন। ৫) রাতের বেলা ক্যাফেইন জাতীয় পানীয় যেমন চকোলেট মিল্ক এবং কোকো খাওয়ানো বন্ধ করুন। এটাতেও কাজ না করলে সাইট্রাস জাতীয় জুস ও মিষ্টি খাওয়ানো বন্ধ করুন। ৬) কোষ্ঠকাঠিন্য আছে কীনা সেটা যাচাই করার জন্য ডাক্তারের শরনাপন্ন হোন। অনেক সময় কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে বিছানায় প্রস্রাব করার অভ্যাস তৈরি হতে পারে। ৭) সপ্তাহে কোন কোন রাতে শিশু বিছানায় প্রস্রাব করেনি সেদিনগুলো শিশু নিজে লাল কালি দিয়ে ক্যালেন্ডারে দাগ দিন এবং বিছানায় প্রস্রাব না করার জন্য তাকে বিভিন্ন ধরনের পছন্দনীয় পুরস্কার দিতে পারেন। ৮) যাই হোক না কেন কখনোই বাচ্চাকে এ অভ্যাসের জন্য শাস্তি দিবেন না। শাস্তি দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যাবে না। এছাড়াও আপনার বাচ্চাকে আস্ত দারুচিনি চিবিয়ে খেতে দিতে পারেন। সকালের নাস্তায় দারুচিনি গুঁড়োর সাথে চিনি মিশিয়ে খাবার যেমন-ব্রেড, বাটার টোস্টে মিশিয়ে দিন। নিম্নাঙ্গের আশেপাশে কুসুম গরম অলিভ অয়েল মাখিয়ে নিতে পারেন। এতেও উপকার পাওয়া যেতে পারে। কেআই/

ঘরকে মাকড়সা মুক্ত করার সহজ উপায়

ঘরে মাকড়সার উৎপাত কি খুব বেড়েছে? ঘরের আনাচে কানাছে ঝুল জমছে বার বার! ভাবছেন কী করে এই মাকড়সার উৎপাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়! উপায় জেনে নিন। ঘরের আনাচে কানাচে বিভিন্ন ধরণের পোকামাকড়ের পাশাপাশি অনেক মাকড়সাও দেখতে পাওয়া যায়। এমন উপায় আছে, যার জন্য মাকড়সা আপনার ঘরের ধারে কাছেও ঘেঁষবে না। খরচও সমান্য। প্রথমে ১ কাপ সাদা ভিনেগার আর ১ কাপ পানি ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার সেই মিশ্রণ ঘরের আনাচে কানাচে স্প্রে করুন। বিশেষ করে সেই সব কোনায় স্প্রে করুন যেখানে মাকড়সা বেশি দেখা যায়। ভিনেগারের মধ্যে রয়েছে অ্যাসিটিক এসিড, যার গন্ধ পেলেই মাকড়সা আর আপনার ঘরের আশেপাশেও ঘেঁষবে না। তাহলে বাজার চলতি নানা রকম কীট-পতঙ্গনাশক স্প্রে দাম দিয়ে না কিনে ব্যবহার করে দেখুন ঘরোয়া এই মিশ্রণ। উপকার পাবেন। সূত্র: জিনিউজ একে//

চুলে থেকে চুইংগাম ছাড়ানোর সহজ উপায়

চুলে চুইংগাম লেগে গেলে সেটা ওঠানো রীতি মতো যুদ্ধের সামিল। চুইংগাম এঁটে থাকা চুল হয়তো শেষ পর্যন্ত কেটে ফেলা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না! এরপর অসমান দৈর্ঘ্যের সেই চুল নিয়ে বিব্রত থাকতে হয় বেশ কিছুদিন। কিন্তু এতো ঝক্কি আর পোহাতে হবে না আপনাকে। খুব সহজেই চুল থেকে চুইংগাম ছাড়াতে পারবেন। তবে তার জন্য দরকার হবে একটু লবণ আর কয়েক টুকরো বরফ। চুলে চুইংগাম আটকে গেলে জোর করে চুল থেকে তা ছাড়াতে যাবেন না। সেটা আরও বেশি চুলে আটকে যাবে। চুলকে আগে একটু লবণ পানিতে ভিজিয়ে নিন। লবণ পানি দিলে কি হবে জানেন? সেই ভেজা চুলের তাপমাত্রা কমে আসবে। এর পর চুলে আটকে থাকা চুইংগামের ওপরে বরফের টুকরো ঘোষতে থাকুন। লবণ পানির প্রভাবে বরফ গলতে সময় লাগবে এবং বরফ ভালোভাবে কাজ করবে। আর বরফের প্রভাবে ঠাণ্ডা হয়ে শক্ত হয়ে আসবে চুইংগামের টুকরোটি। ফলে এটি সহজেই চুল থেকে আলাদা হয়ে যাবে, ফলে আর চুল কেটে চুইংগাম আলাদা করতে হবে না! এ ছাড়াও চুলের চুইংগাম আটকে থাকা অংশটি কোকাকোলা বা থাম্বসআপ দিয়ে ভেজালে অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি চুল থেকে আলাদা হয়ে যাবে। সূত্র: জিনিউজ একে//

বিয়ের আগে ফিগার ঠিক রাখুন ৬ উপায়ে

বিয়ের জন্য তোড়জোড় বহু আগে থেকে শুরু হয়ে যায়। কিন্তু পাত্রীর হুঁশ ফেরে সপ্তাহ খানেক আগে। তার আগে তো কাজের চাপে তার প্রাণ ওষ্ঠাগত। আর যখন হুঁশ ফেরে তখন বিউটি পার্লার আর কেনাকাটা করতে গিয়েই সময় বেরিয়ে যায়। দেহের শেপের প্রতি নজর থাকে না। কিন্তু বিয়েতে ওটাও তো দরকারী। না হলে বেঢপ ফিগারে গোটা মেকআপটাই মাটি হয়ে যাবে। তাই বিয়ের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই তার প্রস্তুতি শুরু করুন। মিনিট কুড়ি আগে ঘুম থেকে উঠুন রোজ যখন ঘুম থেকে ওঠেন, চেষ্টা করুন তার মিনিট কুড়ি আগে ঘুম থেকে উঠতে। ৩ মিনিট ওয়ার্ম আপ করুন। তারপর এক থেক দেড় মিনিট বিশ্রাম নিন। সাত থেকে আটবার এমন করতে থাকুন। এর ফলে আপনি শুধু যে ফিট থাকবেন, তা নয়। সকালের বিশুদ্ধ আবহাওয়া আপনাকে সারাদিন চাঙ্গা রাখবে। চা বানানোর সময়টুকুও নষ্ট করবেন না চায়ের পানি ফুটতেও তো ১০ মিনিট সময় লাগে। ওই সময়টা দাঁড়িয়ে না থেকে কাজে লাগান। খান কতক পুশ-আপ দিয়ে নিন। তাহলে সময়ও বাঁচল আর শরীরচর্চাও হল। গাড়ি চালানোর সময়ও শরীরচর্চা চালান গাড়ি তো বসে বসে চালাবেন। তখনই ১০ সেকেন্ড নিজের অ্যাবসগুলোকে কসর করান। এর ফলে পেশিরগুলোর এক্সারসাইজ হবে। সিঁড়ি দিয়ে উঠুন অফিসে বা বাড়িতে, উঁচুতলায় ওঠার জন্য লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন। সবসময় সম্ভব না হলেও, দিনে অন্তত একবার। এতে ভাল শরীরচর্চা হয়। ফাঁকা সময় হাঁটুন কাজের মাঝে সময় পেলে একটু হেঁটে নিন। ধরুন, ১০ মিনিট আপনি চা বা কফির জন্য বিরতি নিলেন। ওই সময়টা অল্প হেঁটে নিন। পারলে একতলা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করে নিন। কোনও কাজের কথা কারোর সঙ্গে বলতে হলে হাঁটকতে হাঁটতে আলোচনা করুন। অফিসের ছাদ, করিডর, রাস্তা যেখানেই হোক, হাঁটুন। চিবুকের যত্ন নিন ডাবল চিন থাকলে সতর্ক হোন। বিয়ের আগে এসব সরাতেই হবে। এর জন্য একটা সহজ উপায় রয়েছে। গলার কাছে চিবুক নামান। ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড রাখুন। আবার তুলে নিন। নিয়মিত এই অভ্যাস করুন। দিনে অন্তত একঘণ্টা বা সারাদিনে অল্প অল্প করে এটি করতে থাকুন। সম্পূর্ণ যদি নাও হয়, এক্ষেত্রে কিছুটা মুক্তি ডাবল চিন থেকে পাওয়া যায়। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

পারফিউমের সুবাস বেশিক্ষণ ধরে রাখার ৫ উপায়

শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা— ঋতু যাই হোক, সাজ অসম্পূর্ণ থাকে ভাল পারফিউম বা ডিও-র অভাবে। আবার শুধু মাখলেই তো হল না, তার সুবাস ধরেও রাখতে হবে দীর্ঘ ক্ষণ। কিন্তু ঠিক কী উপায়ে পারফিউম স্প্রে করলে দীর্ঘস্থায়ী হবে পারফিউমের সুবাস, জানেন? আসুন জেনে নেওয়া যাক- ১. বার বার ভাঁজ হয় শরীরের এমন কিছু অংশের গন্ধ ধরে রাখার ক্ষমতা বেশি। যেমন, গলা, কনুই আর কবজি। তাই পারফিউম স্প্রে করুন সে সব জায়গাতেও। ২. সরাসরি জামায় নয়, পারফিউম স্প্রে করুন জামা থেকে ইঞ্চি কয়েক দূরে। তার পর এতে পারফিউম ব্যবহারের ভিজে দাগ তো উপর থেকে বোঝা যাবেই না, উল্টে হাওয়ায় দ্রুত মিশে যেতে সক্ষম পারফিউমের গ্যাস জামার অনেকটা জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পাবে। ৩. শুনতে অবাক লাগলেও, সব থেকে বেশিক্ষণ পারফিউমের গন্ধ ধরে রাখতে পারে চুল। তবে সরাসরি চুলে পারফিউম স্প্রে করবেন না। পারফিউমের রাসায়নিক চুলের ক্ষতি করে। তাই চিরুনিতে পারফিউম স্প্রে করে তারপর সেটা দিয়ে চুল আঁচড়ান। তাতে চুলে সরাসরি মিশবে না পারফিউমের গ্যাস, আবার গন্ধও থাকবে দীর্ঘ ক্ষণ। ৪. স্নানের পর ভিজে শরীরে মাখুন পারফিউম। শরীরের পানির সঙ্গে পারফিউমের গ্যাস তাড়াতাড়ি মিশতে পারে। তাই গন্ধ বেশিক্ষণ ধরে রাখা যায়।  ৫. পারফিউম মেখে অনেকেই ঘষে ফেলেন। এটা ভুল। পারফিউমকে নিজে নিজে শুকোতে দিন। তাতে শরীরের রোমকূপে মিশে যেতে পারে। ফলে গন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয়। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

যে ২১টি উপদেশ মানলে জীবনে সফলতা ধরা দেবে

একটি যন্ত্র পরিচালনা করতে হলে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন অনুসরণ করতে হয়। আর আমাদের জীবন তো একটা মহাযন্ত্র! একে সুষ্ঠু বিধিমালা ব্যতিরেকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা এক অসম্ভব কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়। মানুষ যেন তার জীবনকে সাফল্যমন্ডিত করতে পারে। এ জন্য যুগযুগ ধরে মহাঋষিরা বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়ে এসেছেন।আর এই নির্দেশিকাগুলো অনুসরণ করে অনেকে তাদের জীবনকে আলোকিত করেছেন। তাদের মধ্যে মিয়ামোতো মুশাসি হলেন এমনি এক দিকপাল যিনি ছিলেন একজন জাপানি বৌদ্ধ গুরু। তার মৃত্যুর দুই সপ্তাহ আগে এই ২১টি জীবন বিধি ব্যক্ত করেন।যা মানুষের জীবনে সফলতা বয়ে আনতে সাহায্য করে। এই নিয়মনীতিগুলো আপনি আপনার জীবনে প্রয়োগ করে নিজেকে একজন আদর্শ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হবেন। এই আদর্শগুলো আপনার চিন্তা ভাবনাকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করবে। আপনি যদি বিপথগামীও হয়ে থাকেন, তবে সঠিক পথের নিশানা পাবেন। সর্বোপরি, আপনার জীবন হবে আলোকিত। ১. বাস্তবতা মেনে নিন সবকিছু সাদরে গ্রহণ করে নিতে পারা একটা ভালো গুণ। এটা আপনার সব ধরনের মানসিক চাপকে দূরীভূত করতে সাহায্য করে। যেকোনো ধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার শক্তি দেবে। ২. নিজেকে অধিক আনন্দে মাতাবেন না একজন মানুষ হিসেবে আমরা তখনই অসুখী যখন আমাদের যা আছে তাতে সন্তুষ্ট হতে পারি না এবং আরও অধিক প্রত্যাশা করি।মানুষের চাহিদার শেষ নেই,আমাদের একটি ইচ্ছা পূরণ হলে আরেকটা পাওয়ার আকাঙ্খা জাগবে। আমরা শুধু পেতেই চাইবো। এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এর অর্থ এই না যে, আমরা আনন্দ করবো না! এর অর্থ হলো আমরা অবিরত সুখ প্রত্যাশা করবো না, কিন্তু আমরা আমাদের প্রতিটি মুহূর্তকে আনন্দের সাথে উপভোগ করবো।   ৩. জীবন পরিচালনার জন্য ক্ষণিকের অনুভূতি বা আবেগের প্রতি নির্ভরশীল হবেন না আমাদের অনুভূতি ও আবেগগুলো চিরস্থায়ী নয়। তাই আবেগের বশবর্তী হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিবেন না বরং চিন্তা বিবেক-বুদ্ধির সাহায্য নিন। আবেগময় কোনো কাজ আপনার আপনার জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলতে পারে। ৪. নিজের চেয়ে বিশ্ববাসীর জন্য চিন্তা করুন চীনা একটি প্রবাদ আছে, ‘আপনি যদি এক ঘন্টার জন্য সুখ পেতে চান তাহলে ঘুমিয়ে পড়ুন, যদি একদিনের জন্য আনন্দ পেতে চান তবে মাছ ধরুন,যদি এক বছরের জন্য সুখ পেতে চান তবে একটি ভাগ্যকে গ্রহণ করুন আর যদি সারাজীবনের জন্য সুখ পেতে চান তাহলে অন্যকে সাহায্য করুন।’ তাই আপনি যদি প্রকৃত সুখী হতে চান, তবে মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিন। মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিমগ্ন রাখুন। ৫. আকাঙ্খার দাসত্ব করবেন না অধিক আকাঙ্খা আপনাকে যন্ত্রণা এনে দিবে,আপনি আপনার বর্তমান অবস্থায় সন্তুষ্ট হতে পারবেন না। ক্রমাগত চাহিদা বৃদ্ধি পেতে থাকবে। তাই কখনোই আকাঙ্খার দাস হবেন না। ৬. যা ঘটেছে তার জন্য চিন্তিত বা দুঃখিত হবেন না এটা সত্য যে, যা ইতিপূর্বে ঘটেছে তা আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না। ঘটে যাওয়া কোনো বিষয় নিয়ে যদি দুঃখিত হন তবে তা আপনার আগামী দিনের সুখ,আনন্দ ও সাফল্যকে মুছে ফেলতে পারে। তাই কখনোই কোনো ঘটে যাওয়া বিষয় নিয়ে চিন্তিত ও দুঃখিত হবেন না। ৭. কখনও ঈর্ষান্বিত হবেন না অপরের ভালো কিছু দেখে যদি নিজেকে অসুখী মনে করেন বা অন্যের আনন্দে আনন্দিত হতে না পারেন! তবে এই অভ্যাসটা আজই ত্যাগ করুন।আপনার নিজের দিকে তাকান আর আপনার যা আছে তাতেই সন্তুষ্ট থাকুন। ৮. বিচ্ছেদকে মেনে নিন পৃথিবীতে সবকিছু আপনার ইচ্ছানুযায়ী হবে না। তাই আপনি হয়তো ভাবেন, এই বিষয় বা ব্যক্তি আপনার সাথে থাকা প্রয়োজন কিন্তু হঠাৎ যদি এগুলো হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন তবে এই বিচ্ছেদকে মেনে নিন। ৯. বিরক্তি ভাবকে প্রশ্রয় দিবেন না আপনাকে বিভিন্ন রকম পরিস্থিতি থেকে শিখতে হবে। কঠিন কোন মুহূর্তের সম্মুখীন হলে ভেঙে পড়বেন না। এমনকি অভিযোগও করবেন না বরং বুদ্ধি দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন। এতে ভবিষ্যৎ- এ রকম কোনো কঠিন অবস্থার মুখোমুখি হলে তা সহজেই সমাধান করতে পারবেন। ১০. ইন্দ্রিয় লালসার ক্রীতদাস হবেন না লালসার অনুভূতি আপনাকে হয়তো তাৎক্ষণিক আনন্দ দিবে কিন্তু পরক্ষণেই আপনাকে যন্ত্রণাগ্রস্থ করে তুলবে।   ১১. পক্ষপাতদুষ্ট হবেন না পক্ষপাতিত্ব আপনার বিবেক-বুদ্ধিকে অকার্যকর করে তুলবে। আপনি তখন অন্ধভাবে কোনো কিছুর অনুসরণ করতে চাইবেন। তাই এমন মানসিকতা থেকে নিজেকে দুরে রাখুন। ১২. নিজেকে একই স্থানে অবরুদ্ধ রাখবেন না সকল স্থান আপনার জন্য উপযোগী হবে না এটাই স্বাভাবিক। তাই নিজেকে একইস্থানে আটকে রাখবেন না। চারিদিকে আপনার সুযোগ-সুবিধাগুলো অনুসন্ধান করুন। সফল হওয়ার জন্য আপনাকে আপনার উপযুক্ত প্রতিবেশ খুঁজে নিতেই হবে। ১৩. খাদ্যদ্রব্য ভক্ষণের প্রতি আসক্ত হবেন না এটা সত্য যে, সুস্বাস্থের জন্য ভালো ও পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন। তবে আপনি যদি কোনো খাদ্যের প্রতি অধিক আসক্ত হয়ে পড়েন তাহলে তা আপনার নিকট নেশাদ্রব্যে পরিণত হবে। আর এটা আপনার জীবনের জন্য বড় ধরনের হুমকি স্বরূপ হবে। ১৪. বর্তমানকে বেশি প্রাধান্য দিন অতীতকে নিয়ে আপনি শতচেষ্টা করেও কোনো পরিবর্তন করতে পারবেন না আর বর্তমানই সময়ের পরিক্রমায় অতীতে পরিণত হবে আবার ভবিষৎও বর্তমানে রুপান্তরিত হবে। তাই বর্তমানকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যান, সফলতা আপনা-আপনি চলে আসবে। ১৫.প্রথাগত ধারণার অন্ধভক্ত হবেন না প্রথাগত ধ্যান-ধারণা ও কর্মকে সম্মান করুন কিন্তু নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা দিয়ে এগুলো যাচাই-বাছাই করুন। সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে সবকিছুই বদলাতে থাকে,তাই অন্ধভাবে ঐতিহ্যগত বিষয়গুলো অনুসরণ করে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে ব্যর্থ হতে পারেন। ১৬. বিনা প্রয়োজনে অস্ত্র বা হাতিয়ার ব্যবহার করবেন না যেখানে সেখানে আপনার অস্ত্র ব্যবহার করা থেকে দূরে থাকুন। এটা আপনার জীবনের জন্য ক্ষতি বয়ে নিয়ে আসতে পারে কারন সব পরিস্থিতিই অস্ত্র ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত নয়। ১৭. মৃত্যুকে ভয় পাবেন না আমরা জানি যে, একদিন আমাদের সকলকে মৃত্যুবরণ করতে হবে। তাই এটা নিয়ে ভীত হওয়ার কিছু নেই। বরং যদি মৃত্যু চিন্তা মাথা ঘুরপাক খায় তবে আপনি কোনো কাজে মনযোগ দিতে ও সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারবেন না। তাই মৃত্যুভয় থকে দূরে থাকুন। ১৮.সকল চিন্তা, অনুভূতি ও কাজের প্রতি অধিক সচেতন হন আপনি যা করেন যা বলেন তার জন্য আপনি-ই দায়ী। তাই আপনার কাজ ও কথার প্রতি মনযোগী হন। তা না হলে ভুল পথে আপনার জীবন পরিচালিত হয়ে যেতে পারে।   ১৯. সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন আপনার প্রভু আপনাকে কি দিয়েছে! আপনার বিপদে সাহায্য করেছে কি! আপনি সুখি আছেন কি! এগুলো না ভেবে বরং সর্বাবস্থায় আপনার প্রভুর প্রতি আপনার ভালোবাসা ও  অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন। ২০. জীবনব্যাপী জ্ঞান অর্জন করবেন আপনার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত থেকে কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করবেন। আর এই অনুশীলন মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত চালিয়ে যাবেন। ২১.লক্ষ্য থেকে পিছপা হবেন না আপনি আপনার জীবনের লক্ষ্য স্থির করুন এবং সেই লক্ষ্য অর্জন করতে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেনো! সবকিছু মোকাবেলা করে সামনে যেতে থাকবেন কখনও পিছু হটবেন না। পৃথিবীতে চলতে গিয়ে আমাদের জীবনকে বিভিন্ন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে এগিয়ে নিতে হয়। কখনও আমরা আনন্দে থাকি আবার দেখা যায়, পরক্ষণেই কোনো ঘটনার প্রেক্ষিতে আমাদের উপর হতাশা, দুঃখ, দুশ্চিন্তা ও যন্ত্রণা প্রভৃতি আচ্ছন্ন করে। এসব পরিস্থিতিতে আমাদেরও প্রয়োজন হয় এমন কোনো দিকনির্দেশনা যা অনুসরণ করে আমরা আমাদের জীবনকে সাফল্যমন্ডিত ও আনন্দময় করে উপস্থাপন করতে পারি। (সূত্র: ইয়ুথ কার্নিভাল ব্লগ) কেআই/ এআর

শিশুর ১০ বছর হওয়ার আগে যা শিখাবেন

  দশ বছর আগের সময়টা সন্তানের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে যা দেখে তাই চট করে শিখে নেয় এবং পরবর্তী বয়সে সেটাই তারা কাজে লাগায়। তাই এ সময় বাবা-মা এবং পরিবারের সতর্ক অনুসরণ করে সন্তানকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখিয়ে দেওয়া।   বড়দের সঙ্গে তর্ক না করা কোন বিষয়ে বড়দের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়ানো যাবে না। বড়দের সঙ্গে তর্ক করাটা বেয়াদবি কাজ, সেটা তাদেরকে শিখাতে ও বুঝাতে হবে এই বয়সেই। বয়স্কদের সালাম জানানো বয়স্কদের দেখলেই সুন্দরভাবে সালাম দিতে হবে, এখন থেকেই এটা শিখিয়ে দিতে হবে। সালামের অর্থটাও তাদের শিখিয়ে দেওয়া প্রয়োজন, যাতে তাদের নিজের থেকেই সালাম দেওয়ার আগ্রহ থাকে। বড়দের কাজে সাহায্য করা বয়স্ক কিংবা গুরুজনদের কাজ করতে দেখলে নিজ উৎসাহে তাদের কাজে সহযোগিতা করানো শিখাতে হবে। এই বয়সে এসব কাজ না শেখালে পরবর্তীতে বসে থাকার অভ্যাস হয়ে যাবে। বাবা-মায়ের সঙ্গে বন্ধত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা সন্তানের বন্ধু হয়ে ওঠা খুব কষ্টকর কিন্তু আপনাকে এ চেষ্টা অবশ্যই করতে হবে। ধীরে ধীরে সন্তান শেখান যে বাবা-মা’রাও বন্ধুসমেত। এখন থেকেই কাছের মানুষ হয়ে ওঠার চেষ্টা করুন যেন যেকোনো বিপদে-আপদে সে আপনার কাছে আসতে পারে। অনুমতি নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন কারো সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন হলে শুরুতেই ‘আপনার সঙ্গে একটু কথা বলতে পারি’-এই ধরনের অনুমতি নেওয়া খুবই জরুরি। এটা ভদ্রতার মধ্যেই পড়ে। ধন্যবাদ বলা শেখান কারো কাছ থেকে কোনো কিছু নেওয়ার সময় ‘ধন্যবাদ’বলতে হয়, সেটা এখনিই শিখিয়ে দিন। এই অভ্যাসটি সন্তানের মধ্যে গড়ে তুলুন। কেএনইউ/ এআর      

কাজের ফাঁকে চোখের ক্লান্তি দূর করার ৪ কৌশল

কর্মক্ষেত্রে যাদের মূলত কম্পিউটারেই কাজ করতে হয়, তাদের চোখে নানা সমস্যা দেখা দেয়। চোখের অস্বস্তি ও ক্লান্তিবোধ এড়াতে কাজের ফাঁকে ফাঁকে সাধারণ কিছু ব্যায়াম করে নেওয়া যেতে পারে। সহজ এ ব্যায়ামগুলো করতে ডেস্ক থেকেও ওঠার প্রয়োজন নেই। জেনে নিন এক. দুই হাতের তালু ১০-১৫ সেকেন্ড একসঙ্গে ভালোভাবে ঘষে উষ্ণ করুন। এবার চোখ বন্ধ করে উষ্ণ তালু দুটো দুই চোখের ওপর রাখুন, আঙুলগুলো থাকবে কপালের ওপর। চোখের মণিকে স্পর্শ না করেই হাতের তালু দুটিকে পর্দা হিসেবে সংস্থাপন করুন, যাতে আলো প্রবেশ না করে। এবার গভীর শ্বাস নিন ও আরাম করুন। এভাবে ৫ মিনিট পর্যন্ত করা যেতে পারে। যখন রিল্যাক্স বোধ করবেন, তখন চোখ খুলুন ও হাত দুটো সরিয়ে ফেলুন। দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করার পর এ ব্যায়াম করা যেতে পারে। এতে করে চোখের ক্লান্তি কেটে যাবে সহজেই। দুই. মেরুদণ্ড সোজা করে বসুন ও গভীর শ্বাস নিন। এবার মাথা না নাড়িয়ে সিলিংয়ের দিকে তাকাতে চেষ্টা করুন। এবার ক্লকওয়াইজ চোখের মণি ঘোরান তিন. কয়েক সেকেন্ড গভীরভাবে শ্বাস নিন। এবার চোখের সঙ্গে সমান্তরাল রেখে সামনের দিকে এক হাত প্রসারিত করুন। এবার বৃদ্ধা আঙুল দাঁড় করিয়ে দৃষ্টি নিবদ্ধ করুন সে আঙুলের ডগায়। এর পর দৃষ্টি সেখানেই রেখে আঙুল ধীরে ধীরে নিজের দিকে নিয়ে আনুন যেন নাক স্পর্শ করে। হাতের অবস্থান নাকের কাছে রেখেই গভীরভাবে কয়েকবার নিঃশ্বাস নিন ও ছাড়ুন। ধীরে ধীরে হাত আগের মতো নির্দিষ্ট দূরত্বেই নিয়ে যান। তবে গোটা সময়ই বৃদ্ধা আঙুলের ডগার ওপরই দৃষ্টি নিবদ্ধ থাকবে। এভাবে ১০ বার করতে পারেন। চার. ধরুন অফিসে আপনার ডেস্কে বসে রয়েছেন। আপনি যেখানে বসে আছেন, সেখান থেকে সবচেয়ে দূরের জিনিসটির দিকে তাকিয়ে থাকুন। হতে পারে তা বারান্দার গ্রিল, জানালা বা দূরবর্তী কোনো গাছ, যা কিনা দৃশ্যমান। খুব গভীরভাবে খুঁটিয়ে তা দেখার চেষ্টা করুন। এবার কিছুক্ষণ গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ে অন্যদিকে তাকিয়ে সেদিকের সবচেয়ে দূরের বস্তুটি দেখার চেষ্টা করুন।  টিআর/ এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি