ইরানি হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫টি রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত
প্রকাশিত : ০৯:০৫, ১৪ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় কমপক্ষে পাঁচটি বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে ইরানের খারগ দ্বীপে হামলা চালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানকালে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমান ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি এবং বর্তমানে সেগুলো মেরামতের কাজ চলছে। এই হামলায় কেউ নিহত হয়নি বলেও জানিয়েছে পত্রিকাটি।
খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলা
ইরান উপকূলে হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় বোমা হামলার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এর এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা চালিয়েছে। তারা ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে।
ইরানের ক্লাস্টার বোমা ও হিজবুল্লাহর রকেট হামলার কবলে ইসরায়েল
ইসরায়েলের আপার গ্যালিলি অঞ্চলে সর্বশেষ দফা হামলায় বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। এলাকাটি লেবানন সীমান্ত সংলগ্ন হওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো হিজবুল্লাহর ছোঁড়া রকেটে ক্ষতি হয়েছে।
এর আগে দেশটির মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলজুড়েও বেশ কিছু হামলা হয়েছে। দক্ষিণের নেগেভ মরুভূমির একটি বেদুইন গ্রামেও ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে।
মধ্য ইসরায়েলের বেন গুরিয়েন বিমানবন্দরের কাছের শহর শোহামেও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সেখানে একটি ভবনে আগুন ধরে যাওয়ায় ৩০ জন বাসিন্দাকে সরিয়ে নিতে হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা ও রয়টার্স
এএইচ
আরও পড়ুন










