ইরানের জব্দ সম্পদ ছাড়তে রাজি যুক্তরাষ্ট্র, অস্বীকার মার্কিন কর্মকর্তার
প্রকাশিত : ১৮:১৯, ১১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১৮:২০, ১১ এপ্রিল ২০২৬
কাতার ও বিশ্বের অন্যান্য দেশে জব্দ করে রাখা ইরানের সম্পদ মুক্ত করে দিতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই দাবি অস্বীকার করেছেন।
মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের নেতৃত্বে ইরানি প্রতিনিধি দল দাবি করেছিল যে, আলোচনা শুরু হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের আটকে রাখা সম্পদ মুক্ত করতে সম্মত হতে হবে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স একজন ঊর্ধ্বতন ইরানি সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, আলোচনা শুরুর আগেই যুক্তরাষ্ট্র নাকি ইরানের জব্দকৃত সম্পদ উদ্ধারে সম্মত হয়েছে।
তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই দাবি অস্বীকার করেছেন বলে বিবিসি খবরে উঠে এসেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত ছিল আলোচনার আগে তাদের ‘সদিচ্ছার পরীক্ষা’। এছাড়া মার্কিনিরা এ আলোচনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে এটি সেটিরও একটি ইঙ্গিত বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেছেন, জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করার বিষয়টি সরাসরি ‘হরমুজে জাহাজ চলাচলের’ সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অর্থাৎ ইরান হরমুজে কোনো বাধা ছাড়া জাহাজ চলতে দেবে এমন শর্তে তাদের জব্দকৃত সম্পদ ছেড়ে দিচ্ছে মার্কিনিরা।
ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান মোহাম্মদ বাগের কালিবাফ দাবি করেছেন, আলোচনায় বসার আগে ইরানের জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া জরুরি। যুক্তরাষ্ট্রে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করার শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে জেডি ভ্যান্স বর্তমানে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থান করছেন। মার্কিন প্রতিনিধিদলের হয়ে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মূল বৈঠকে বসার আগে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অংশ নিলেন।
এর আগে ইরানি প্রতিনিধি দলের সঙ্গেও শরিফের একটি পৃথক বৈঠক হয়েছে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বাধীন ইরানি প্রতিনিধিদল শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ইসলামাবাদের সম্ভাব্য আলোচনাস্থল সেরেনা হোটেল ঘিরে কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ‘ইসলামাবাদ টকস’ শিরোনামে ব্যানার ও ডিজিটাল সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।
এএইচ
আরও পড়ুন










