ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯, || অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

এক লাখ তরুণকে গাড়ি চালনায় প্রশিক্ষণ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৭:০৮ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০০:০৬ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

দেশ-বিদেশে দক্ষ গাড়িচালকের বেশ চাহিদা রয়েছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাবে অদক্ষ ও আধাদক্ষ জনশক্তি প্রতিবছর দেশের বাইরে যাচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকেরই নেই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সনদ কিংবা বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ। এ কারণে বিদেশ গিয়ে তারা ভালো আয় করতে পারছে না। ফিরে আসছে খালি হাতে। শুধুমাত্র দক্ষতার অভাবেই আমাদের শ্রমশক্তি পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর শ্রমিকদের তুলনায় প্রবাসের শ্রমবাজারে মার খাচ্ছে। আমাদের শ্রমশক্তিকে বিশ্ববাজারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সরকার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছে।

অর্থায়ন

সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রজেক্ট (এসইআইপি) ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) যৌথ অর্থায়নে এক লাখ গাড়ি চালককে প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে

এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে যৌথভাবে কাজ করছে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি), বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ), বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশন (বিআরটিসি)।

ইতোমধ্যে রাজধানীতে দুটিসহ সারাদেশে ২০টি প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মাধ্যমে প্রথম কিস্তিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি ৪১টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি থেকে এই প্রশিক্ষণ চালু হয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে (probashi.portal.gov.bd)।

উদ্যোক্তারা যা বললেন

প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের (বিকেটিটিসি) অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত আলী জানান, বেশির ভাগ সময় অদক্ষ জনশক্তি বিদেশে যাচ্ছে, যদিও অদক্ষতা নিয়ে বিদেশ যাওয়া ঠিক না। তাই অদক্ষ জনশক্তিকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তুলতে স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রজেক্টের (এসইআইপি) আওতায় মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় একলাখ দক্ষ জনশক্তি রফতানির একটা বড় ধরনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় প্রশিক্ষণের প্রথম ধাপ আমরা শুরু করেছি। এই প্রশিক্ষণে ড্রাইভারদের ভাষাগতভাবে দক্ষ করে তোলা হবে। বিশ্ববাজার বিবেচনায় তাদের ইংরেজি এবং আরবি ভাষাও শেখানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, এটি একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ। একটা গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা যদি অদক্ষতার বিপরীতে দক্ষ লোকবল পাঠাই তাহলে রেমিটেন্স ৩ থেকে ৪ গুণ বেশি আসবে। আর এজন্য প্রশিক্ষণের বিকল্প কিছু নাই। এজন্য আমরা বাংলাদেশ কোরিয়ান টেকনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টার-বিকে টিটিসি থেকে ৩৯টি ট্রেডে আমরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। 

কাদের জন্য প্রশিক্ষণ

হতদরিদ্র এবং উপজাতি এবং নারীরা এই প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন। তবে দেশের যেকোনো জেলা থেকে যে কেউই চাইলেই প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। যেহেতু বিশ্ববাজারে দক্ষ গাড়ি চালকের চাহিদা রয়েছে তাই প্রশিক্ষণের ব্যাপারে যোগ্যতাকে প্রধান বিবেচনায় ধরা হচ্ছে। তাই প্রশিক্ষণার্থীদের ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণী পাস হতে হবে।

প্রশিক্ষণের মেয়াদ

এই প্রশিক্ষণের মেয়াদ চার মাস। বছরের তিনটি সেশনে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রত্যেক পর্বের প্রশিক্ষণের মেয়াদ চার মাস। প্রশিক্ষণ মেয়াদ শেষ হলে নতুন প্রশিক্ষণার্থীর জন্যে আহ্বান করা হবে। এর জন্য বিভিন্ন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে জানানো হবে।

যা শেখানো হয়

প্রশিক্ষণার্থীদের বেসিক মেইনটেইন্যান্সসহ মোটর ড্রাইভিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এমনভাবে গাড়ি চালনা শেখানো হবে যাতে তাঁরা বিদেশে কাজের উপযোগী হয়ে ওঠতে পারে। বাংলাদেশের শ্রমবাজারের বেশিরভাগ মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক, সেই বিবেচনায় গাড়িচালনার সঙ্গে শেখানো হবে আরবি ভাষা। অন্যান্য দেশের কথা মাথায় রেখে শেখানো হবে ইংরেজিও।

প্রশিক্ষণ দেবেন যারা

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) অধীনে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১০০ জনকে এ প্রশিক্ষণের প্রশিক্ষক হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। ২০ জনের দলে বিভক্ত করে চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে প্রশিক্ষকদের। তাঁরা আগামী পাঁচ বছর এক লাখ মানুষকে গাড়ি চালানোসহ প্রাত্যহিক জীবনের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেবেন। যাতে করে বেসিক বিষয়ে তাদের ধারণা থাকে। তাদের প্রশিক্ষণের গুণগত মান বজায় আছে কি না তা দেখভাল করছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

প্রশিক্ষণের সময়

শনি থেকে বুধবার দুই সেশনে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রথম সেশন শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে চলে দুপুর ১২ টা পর্য়ন্ত। প্রশিক্ষণার্থী ২০ জন। দ্বিতীয় সেশন দুপুর ২ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা। প্রশিক্ষণার্থী ২০ জন।

ভাতাসহ প্রশিক্ষণ, দেওয়া হবে সনদ

অর্থ মন্ত্রণায়ের স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রজেক্টের অর্থায়নে দেওয়া হচ্ছে এই প্রশিক্ষণ এবং ভাতা। প্রতিদিন ১০০ টাকা করে ভাতা পাবেb প্রশিক্ষণার্থীরা। মাসে ২২ দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ মেয়াদ শেষে প্রতি প্রশিক্ষণার্থী পাবেন ৮৮০০ টাকা।

বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত আলী জানান, প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের থেকে পরীক্ষা নেওয়া হবে। উত্তীর্ণদের সবাইকে সনদ প্রদান করা হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আগে সর্বপ্রথম শিক্ষানবিশ বা লার্নার ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়। নিয়ম অনুযায়ী প্রশিক্ষণার্থীদের শিক্ষানবিশ গাড়িচালকের সনদ দেওয়া হবে। পরবর্তী সময়ে পরীক্ষা গ্রহণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার কাজটি করবে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

যেভাবে আবেদন 

প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রাতিষ্ঠানিক ফর্মে আবেদন করতে হবে স্থানীয় প্রশিক্ষণকেন্দ্র বরাবর। কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আবেদনপত্র পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই করা হবে। পরে প্রার্থীদের ডাকা হবে মৌখিক পরীক্ষার জন্য। তবে কোনো কোনো কেন্দ্রে মৌখিক পরীক্ষার পরিবর্তে লিখিত পরীক্ষাও নিতে পারে কর্তৃপক্ষ। এরপরে ভাইভার সময় দেখা হবে আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, শারীরিক সক্ষমতা, শেখার আগ্রহ, জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা। উত্তীর্ণ সবাইকে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ।

প্রশিক্ষণার্থীরা যা বলেন

প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে আসা রুবেল হোসেন জানান, আমি শপিং মলে কাজ করতাম। বিকেটিটিসি ওয়েবসাইটে এই প্রশিক্ষণের বিজ্ঞপ্তি দেখতে পেয়ে প্রশিক্ষণ নিতে আসি। আমি সৌদি আরব যেতে চাই। এই জন্য দক্ষতা অর্জন করতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়ে যেতে চাই যাতে করে আমি এবং আমার দেশ উপকৃত হয়।

তানজিমা আকতার নামে অপর এক প্রশিক্ষণার্থীরা বলেন, আমি গৃহিণী, সংসারের বাড়তি আয়ের জন্য আমি উবার চালাতে চাই, সেজন্য এখানে আসা। এছাড়া আমি সুযোগ পেলে সৌদি আরব যাবো। যাতে করে দেশের রেমিটেন্স পাঠাতে পারি।

প্রশিক্ষণ কখন কোথায়

বর্তমানে দেশের ২০ টি কারিগরি প্রতিষ্ঠানে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬১টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে হবে নিচের প্রশিক্ষণকেন্দ্রগুলোয়।

বিআইএমটি-নারায়ণগঞ্জ।

ফোন : ৭৬৬১১১৯, ০১৭১১৩৯২৩৬০

আইএমটি-বেড়িবাঁধ, চুনাঘাটা, ফরিদপুর সদর।

ফোন: ০১৮১৬৮৮৩৮২১, ০১৭৮১১৭৩৪৩১

আইএমটি-চিতটি, বৈটপুর (দড়াটানা ব্রিজের পূর্ব পার্শ্বে), বাগেরহাট সদর।

ফোন: ০১৭৮২৬১১৩৯০, ০১৯৫৯৮৫২৮৫৬

আইএমটি-মুলীবাড়ী, সয়দাবাদ, সিরাজগঞ্জ।

ফোন: ০১৫৫২৪৩৫৬৭৭, ০১৭৮৯০২৯০৯৩

আইএমটি-টংগীবাড়ী, মুন্সীগঞ্জ

ফোন: ০১৫৫৬৩০৫৮৩৫

আইএমটি-গাছতলা, ডাকাতিয়া নদী ব্রিজ, চাঁদপুর।

ফোন: ০১৭৩১৯২৫৬০৫

বাংলাদেশ-কোরিয়া টিটিসি-দারুস সালাম, মিরপুর, ঢাকা।

ফোন: ৯০০০১৮৪, ০১৫৫২৩৯৮৩৭৩

বাংলাদেশ-কোরিয়া টিটিসি-নাসিরাবাদ, চট্টগ্রাম।

ফোন: ০১৭১১২৭৩৭০৮

টিটিসি-সপুরা, রাজশাহী।

ফোন: ০১৮৪২৭১০৮৫৬, ০১৭৩৯৪৭৪৩৫৯

টিটিসি-কোটবাড়ী, কুমিল্লা।

ফোন: ০১৭১১৫৮৫৮৩৫

টিটিসি-কলেজ গেইট, রাঙামাটি।

ফোন: ০১৮১৮৯৯৬৯৪৫

টিটিসি-তেলিগাতি, খুলনা।

ফোন: ০১৭১০৪৯০৯৯৭

টিটিসি-মাসকান্দা, ময়মনসিংহ।

ফোন: ০১৭১১৯৭৯৪১৭

টিটিসি-নিশিন্দারা, শান্তাহার রোড, বগুড়া।

ফোন: ০১৭১৬৪০৭৫৭৮

টিটিসি-সিঅ্যান্ডবি রোড, বরিশাল।

ফোন: ০১৭১৮৫৯৬৯১৯

শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা টিটিসি-দারুস সালাম, মিরপুর, ঢাকা।

ফোন: ০১৭১৫০২৯০৯৬

টিটিসি-খুলনা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন, যশোর।

ফোন: ০১৭১২২৮৪০৯২

টিটিসি-পটুয়াখালী সদর, পটুয়াখালী।

ফোন: ০১১৯৯৪৭৩৫৬৩

টিটিসি-বিসিক রোড, কুষ্টিয়া।

ফোন: ০১৭১৬২৮০০২২

টিটিসি-লক্ষ্মীনাথপুর, পাবনা।

ফোন: ০১৭১৬২০৫৩৭২

টিটিসি-নগর জালফৈ, টাংগাইল।

ফোন: ০১৭১১৯৪৭৮৬০

টিটিসি-তালুক ধম্মদাস, রংপুর।

ফোন: ০১৭১১৭৩১২৪৮

টিটিসি-বেলটিয়া, জামালপুর।

ফোন: ০১৭১২৭৬৯৮৭১

টিটিসি-মাতা সাগর, শেখপুরা, দিনাজপুর।

ফোন: ০১৭১২০৭০৫৬৩

টিটিসি-সিলেট।

ফোন: ০১৭১১৯৮৬০১৯।

টিটিসি-গাবুয়া, নোয়াখালী।

ফোন: ০১৮১২৫৯৭৯৮৪

টিটিসি-মেঘলা, বান্দরবান।

ফোন: ০১৮৩২৮৪৮১৪৮

টিটিসি-লালমনিরহাট সদর।

ফোন: ০১৭১৮২৫৪৭৭৩

টিটিসি-সদর, ঠাকুরগাঁও।

ফোন: ০৫৬১৫৩৫৯৯, ০১৭১১৩৭৫৫৩৮

টিটিসি-চাঁপাই নবাবগঞ্জ সদর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।

ফোন: ০৭৭৩২৫১০৪৯, ০১৭১৫১৫০৩৩৬

টিটিসি-গোলাবাড়ী, খাগড়াছড়ি।

ফোন: ০৩৭১৬১৮৯৯, ০১৮১৯৯১১৩৬১

টিটিসি-মাসিমনগর, লক্ষ্মীপুর।

ফোন: ০১৭১২৮০৬৭০৭

টিটিসি-শিবপুর, নরসিংদী।

ফোন: ০১৭১০৮৩৪৮৮৫

টিটিসি-নলডাংগা, নাটোর।

ফোন: ০১৭১৪৭১৭০১২

মহিলা টিটিসি-তেলিগাতি, খুলনা।

ফোন: ০১৭১২১৩৪৬৬৭

মহিলা টিটিসি-সপুরা, রাজশাহী।

ফোন: ০১৭১২১১০২৭৪

মহিলা টিটিসি-আলমপুর, সিলেট।

ফোন: ০১৭৭২০০৩৫৪৫

টিটিসি-আরপপুর (ক্যাডেট কলেজের পাশে), ঝিনাইদহ।

ফোন: ০১৭১৬৫৯৯১৬২

টিটিসি-চিনাইর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর।

ফোন: ০১৭৩০০৮৭৭২৩

শেরপুর টিটিসি-গণপদ্দী, নকলা, শেরপুর।

ফোন: ০১৯২০৬৬০৫৭৬

টিটিসি-দর্শনা রোড, ভিমরুল্লা, চুয়াডাঙ্গা।

ফোন: ০১৭১২৫৮৫৫৫৫

টিটিসি-ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক, ঘোনাপাড়া, গোপালগঞ্জ।

ফোন: ০১৭১৪৫৪৫৮৫১

টিটিসি-ডুমুরতলা, নড়াইল।

ফোন: ০১৯১২৩৮৩০৯০

টিটিসি-বিকনা, ঝালকাঠি।

ফোন: ১৫৫৩২৮৫৮৪১

টিটিসি-টেকনিক্যাল কলেজ মোড়, কুড়িগ্রাম সদর।

ফোন: ০১৫৫৮৩৪৮৪১৫

টিটিসি-কুখাপাড়া, নীলফামারী।

ফোন: ০১৭১৮৭৫৮৭৫৪

টিটিসি-আহ্লাদিপুর, রাজবাড়ী।

ফোন: ০১৭১১৭৮০১১৪

টিটিসি-জয়নগর, বাংলাবাজার, ভোলা।

ফোন: ০১৮১৬৯২০৪৩৪

টিটিসি-বাগানবাড়ী, মিরগর রোড, পঞ্চগড়।

ফোন: ০১৭২৭৪৯৯১৭৮

টিটিসি-হানাইল, জয়পুরহাট।

ফোন: ০১৭১৭০১৬৭৬৬

টিটিসি-বাইপাস, মুক্তারকাঠি, পিরোজপুর।

ফোন: ০১৯২৭৮১৭১৩৬

টিটিসি-কাটাবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ।

ফোন: ০১৮১৮৯৫৯৩৪২

টিটিসি-পশ্চিম বান্দুটিয়া, মানিকগঞ্জ।

ফোন: ০১৭২৬০২০৪৫৪

টিটিসি-পুলিশ লাইনস রোড, বরগুনা।

ফোন: ০১৮৪৩৬৭৩২৪৫

টিটিসি-মাগুরা।

ফোন: ০১৭১২৭৭৫৩৮৮

টিটিসি-খোলাহাটী, গাইবান্ধা সদর, গাইবান্ধা।

ফোন: ০১৭১৮৬১৭৮৪৭

টিটিসি-বিনেরপোতা, সাতক্ষীরা।

ফোন: ০১৭২০৫৮৬৫৭২।

টিটিসি-মৌলভীবাজার।

ফোন: ০১৯৩০৮৪২০৭৪

টিটিসি-শরীয়তপুর।

ফোন: ০১৭২০৬০৯৫৮০

টিটিসি-নওগাঁ।

ফোন: ০১৭১৫২৯৪৭৭১

টিটিসি-নেত্রকোনা।

ফোন: ০১৭১২৪৮৮০৩৯

টিটিসি, মেহেরপুর।

ফোন: ০১৭১৮৪০৯১১২

টিটিসি, মাদারীপুর।

ফোন: ০১৭১২০৮৮২২৯

কেআই/টিকে/ এআর

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি