ঢাকা, রবিবার   ১২ জুলাই ২০২৬

ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার বিচার শুরু, ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৭:০৮, ১২ জুলাই ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

রাজধানীর পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সজীব ব্যাপারীসহ ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ঢাকার একটি আদালত। এর মধ্যদিয়ে মামলার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়েছে।

রোববার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ আসামিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ গঠন করেন। 

একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৯ জুলাই দিন ধার্য করেন আদালত।

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত আলী  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিচার শুরু হওয়া আসামিরা হলেন- মাহমুদ হাসান মহিন, আলমগীর, মনির ওরফে লম্বা মনির, নান্নু ওরফে নান্নু কাজী, সজিব ওরফে সজিব বেপারী, টিটন গাজী, তারেক রহমান রবিন, জহিরুল ইসলাম, পারভেজ, সাগর, রিজওয়ান উদ্দিন ওরফে অভিজিৎ বসু ওরফে অভি,  রুমান বেপারী, আবির হোসেন, জহির, ইমরান হোসেন, শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, হোসেন চৌকিদার, জিয়াউদ্দিন রাজিব, সারোয়ার হোসেন টিটু, মনির ওরফে ছোট মনির, অপু দাস।

এদের মধ্যে ১০ জন কারাগারে রয়েছে ও শেষের ৮ জন পলাতক রয়েছে। তিন আসামি জামিনে রয়েছে।

শুনানিকালে জামিনে থাকা তিন আসামি আদালতে হাজির হয়। কারাগারে থাকা ১০ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তাদের পক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষে জিয়াউল হক আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের প্রার্থণা করেন।

শুনানি শেষে আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। ১৩ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থণা করেন

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট-সংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর একদল লোক ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। 

ওই ঘটনায় পরের দিন ১০ জুলাই নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম বাদী হয়ে ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।

নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ২৯ ডিসেম্বর সজীব ব্যাপারীসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান। 

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি