ঢাকা, রবিবার   ১২ জুলাই ২০২০, || আষাঢ় ২৯ ১৪২৭

Ekushey Television Ltd.

শিশু ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন নয় : হাইকোর্ট

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৫:৪১ ১৯ জানুয়ারি ২০২০

শিশু ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কেন হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১৯ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের বেঞ্চ রুলটি জারি করেন। 

একইসঙ্গে ধর্ষণের ঘটনায় কারও মৃত্যু ঘটলে সেক্ষেত্রে আইনে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি যাবজ্জীবনের সাজার যে বিধান রয়েছে, সেই যাবজ্জীবন সাজা উঠিয়ে দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

এদিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাবিয়া ভূঁইয়া। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

এর আগে গত সপ্তাহে ধর্ষণের জন্য পৃথক পৃথক নির্দেশনা চেয়ে এই রিট দায়ের করা হয়। রিটকারীর পক্ষে ব্যারিস্টার রাবিয়া ভূঁইয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট দায়ের করেন।

আদালত ধর্ষণের শিকার ভিকটিমদের জন্য সাক্ষী সুরক্ষা আইন কেন প্রণয়ন করা হবে না, ধর্ষকদের ডিএনএ সংরক্ষণের জন্য কেন ডিএনএ ডাটাবেজ করা হবে না, প্রতিটি জেলায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের মাধ্যমে ভিকটিমদের সুরক্ষায় কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, ভিকটিমদের ছবি গণমাধ্যমে প্রচারের ক্ষেত্রে কেন সতর্কতা অবলম্বন করা হবে না, সবধরনের ধর্ষণের অপরাধের জন্য কেন পৃথক একটি আদালত গঠন করা হবে না এবং সেই আদালতে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না— তাও জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন।   আইন মন্ত্রণালয়সহ মামলার সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এসব রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, সারাদেশে ধর্ষণ প্রতিরোধে একটি কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামি এক মাসের মধ্যে কমিশন গঠন করে ধর্ষণের মূল কারণ ও প্রতিকার বের করার নির্দেশ দেয়া হয়। এতে সুপরিচিত মানবাধিকার সংগঠনের কর্মী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মী, আইনজীবী, বিচারক, সমাজের সচেতন নাগরিক, সমাজের বিশিষ্টজন, ভিকটিমের স্বাস্থ্য পরীক্ষাকরণ চিকিৎসক ও চাইলে ভিকটিমকে যুক্ত করে ওই কমিশন গঠন করতে পারবেন বলে নির্দেশ দেন আদালত।

তবে সাক্ষী সুরক্ষা আইনও বিবেচনায় নিতে হবে কমিশনকে। ভিকটিমের ছবি যেন গনমাধ্যমে না আসে সে বিষযে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আসামির নিউজ যেন ভালোভাবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।

পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে ধর্ষণ প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে একটি সুপারিশমালা তৈরি করে আদালতে প্রতিবেদন আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ধর্ষনের ঘটনায় ঢাবি শিক্ষার্থীর আসামীকে দ্রুত গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলাবাহীনী, তবে সাধারণ মানুষ হলে আসামি ধরতে সময় লাগে কেন বলেও মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।

এআই/


New Bangla Dubbing TV Series Mu
New Bangla Dubbing TV Series Mu

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি