শুরু হলো এলএনজি খালাস: কমছে গ্যাস সংকট
প্রকাশিত : ১৪:৩৩, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর কক্সবাজারের মহেশখালীতে কার্গো থেকে ভাসমান টার্মিনালে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) খালাসের কাজ আবারও শুরু হয়েছে। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। পেট্রোবাংলা আশা প্রকাশ করেছে যে, দ্রুতই দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটবে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এলএনজি খালাস কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়। এরপর থেকেই পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে।পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, আজ সকাল ১০টা নাগাদ এলএনজি সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭৩ কোটি ঘনফুটে।
একই সময়ে দেশের অভ্যন্তরীণ উৎসগুলো থেকে সরবরাহ করা হয় প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস। ফলে দেশীয় ও আমদানিকৃত এলএনজি মিলিয়ে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সর্বমোট গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩৪ কোটি ঘনফুট।
এর আগে, স্পট মার্কেট (খোলা বাজার) থেকে কেনা এলএনজি নিয়ে ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা ‘প্যাসিফিক সাকসেস’ নামের একটি কার্গো জাহাজ গত বৃহস্পতিবার মহেশখালীতে এসে পৌঁছায়। তবে সাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) গ্যাস খালাসের কাজ সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।
এর ফলে হঠাৎ করেই এলএনজি সরবরাহ কমে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছিল এবং কেবল একটি ভাসমান টার্মিনাল সচল থাকায় তখন ঘণ্টায় মাত্র ৫৯ কোটি ঘনফুট গ্যাস গ্রিডে যুক্ত হচ্ছিল। নতুন করে খালাস শুরু হওয়ায় সেই সংকট এখন কাটতে শুরু করেছে।
এমএইচ
আরও পড়ুন










