ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯, || অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

সলিল চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার পেলেন গীতিকার সুজন হাজং

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১০:৪৬ ২২ অক্টোবর ২০১৯

বিখ্যাত গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক ‘সলিল চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কার’ ২০১৯ পেলেন বাংলাদেশের তরুণ গীতিকার, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জনপ্রিয় যুবনেতা সুজন হাজং।

গত রোববার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের নিউ দীঘায় আন্তর্জাতিক ইলিশ ও পর্যটন উৎসবে আনুষ্ঠানিকভাবে সুজন হাজংয়ের হাতে একটি মানপত্র এবং সলিল চৌধুরী স্মৃতি পুরস্কারটি তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন কথা সাহিত্যিক নলিনী বেরা এবং সভাপতিত্ব করেন কবি অরুণ কুমার চক্রবর্তী।

উল্লেখ্য, কবি অরুণ কুমার চক্রবর্তীর লেখা এবং সুরে সেই জনপ্রিয় গান

‘লাল পাহাড়ির দেশে যা

রাঙামাটির দেশে যা

এখানে তোকে মানাইছে নাই গো

এক্কেবারে মানাইছে নাই গো...’

সবার মুখে মুখে উচ্চারিত হয়।

অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করেন ডায়মন্ড হারবার প্রেস ক্লাব এবং কুসুমের ফেরা সাহিত্য পত্রিকা।

পদক প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশে সুজন হাজং বলেন, উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, আশা ভোঁসলে, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মতো শিল্পীরা সলিল চৌধুরীর লেখা এবং সুরে গান গেয়েছেন। সংগীতের প্রবাদ পুরুষ গীতিকার, সুরকার ‘সলিল চৌধুরী পুরস্কার’ পাবো এটা আমার কাছে স্বপ্নের মতো ব্যাপার। আমি সত্যিই আবেগাপ্লুত এবং অনুপ্রাণিত। আমি এই পুরস্কারটি উৎসর্গ করছি আমার সংগ্রামী পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক হাজং জনগোষ্ঠীকে, যারা আমাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখে।

আন্তর্জাতিক ইলিশ বাঁচাও ও পর্যটন উৎসবের সম্পাদক কবি শাকিল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে জীবনমুখী বাংলা গানের কিংবদন্তি নচিকেতা এবং নন্দিত সংগীত শিল্পী শুভমিতার কণ্ঠে সুজন হাজংয়ের লেখা গানটি আমি শুনেছি। বঙ্গবন্ধুর প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা এবং ভালবাসা না থাকলে এরকম গান লেখা যায় না। আমি তার লেখা গানে বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি দেখেছি। একজন মেধাবী গীতিকারকে পুরস্কৃত করতে পেরে আমরা আমাদের সামাজিক ঋণ শোধ করেছি। তার প্রতিভাকে বিকশিত করাই আমাদের লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি ও সাহিত্যিক অশোক রায় চৌধুরী, মৃণাল বসুচৌধুরী, শ্যামলকান্তি দাশ, আসলাম সানী, অমৃত মাইতি, দীপ মুখোপাধ্যায়, শুক্লা সেনগুপ্ত, নীলাদ্রি বিশ্বাস, তাপস রায়, নৃপেন চক্রবর্তী, ওয়াজেদ আলী,আশীষ কুমার নন্দী, রফিক উল ইসলাম, এ কিউ এম আবু জাফর, সৌমিত্র বসু,অজন্তা নন্দী, সেলিম দুরানী বিশ্বাস, মৌ পাঠক সিংহ, এহতেশামুল হক, সাবিনা ইয়াসমীন সাথী, শাকিলা বেগম, অর্নব আশিক, সবিতা বেগম, সুকুমার রুজ, দীপেন ভাদুড়ী, জয়ন্ত রসিক, বিপ্লব চক্রবর্তী, সিদ্ধার্থ সিংহ, নইম হাসান, শ্রীপর্ণা বন্দোপাধ্যায়, মহুয়া দাশগুপ্ত, অরূপ দত্ত, মুনমুন চ্যাটার্জি, নির্মল বর্মন, স্বাগতা ভট্টাচার্য, আব্দুল হালিম সেখ, কৃষ্ণপদ হালদার, অলক্তিকা চক্রবর্তী, কেশবরঞ্জন দে, সপ্তদ্বিপা অধিকারী, জগদীশ মুখোপাধ্যায়, রাশেদা পারভীন শান্তনু প্রধান, তন্দ্রা ভট্টাচার্য, শিপ্রা সাধক, সোমা প্রধান, লিটন রাকিব, আরফিনা, অবশেষ দাস, গৌতম মন্ডল, অজয় ব্রহ্মচারী, শম্পা হালদার, পীযূষকান্তি ত্রিপাঠী, জয়া আহমেদ, শর্মিষ্ঠা মাজি, করবী মুখোপাধ্যায়, স্মৃতি বিশ্বাস, গৌতম হালদার, পুষ্পিতা চট্টোপাধ্যায়, নীপা চক্রবর্তী অরুণ পাঠক প্রমুখ।

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি