ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, || অগ্রাহায়ণ ২৮ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

হাবিপ্রবিতে স্থাপত্য বিভাগের ‘স্থাপত্যে অনুরণন’ প্রদর্শনী

প্রকাশিত : ১৯:২৭ ২৪ এপ্রিল ২০১৯ | আপডেট: ১৯:৩৯ ২৪ এপ্রিল ২০১৯

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক মিলন কেন্দ্রের দ্বিতীয় তলায় স্থাপত্য বিভাগের আয়োজনে দুইদিনব্যাপী স্থাপত্যে অনুরণন প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহণ করে।

প্রদর্শনীতে দুই শতাধিক মডেল, ফটোগ্রাফি, অংকন, বঙ্গবন্ধুর ছবি সুতা দিয়ে আর্টসহ অনেক কিছু দেখানো হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী প্রায় সবাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রদর্শনী দেখতে আসেন। দিনাজপুর এবং আশপাশের জেলাগুলো হতেও দর্শনার্থীরা এই প্রদর্শনী দেখতে আসেন।

বর্তমান অবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে আধুনিক স্থাপত্যের মাধ্যমে নিয়ে এসে দিনাজপুর শহরকে একটি অগ্রগণ্য শহরে রুপ দেওয়ার জন্য পরামর্শ, সুপারিশ ও নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়াও শহরের কনভেনশন সেন্টার ও আর্ট ক্যাম্পাস, শিশুদের পার্ক, জলজ উদ্যান, ইকোলজিক্যাল পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও ভবিষ্যৎ শহরের রূপরেখা ফেস্টুনে লিখে রাখা হয়েছে।

দর্শনার্থীরা জানিয়েছেন, দিনাজপুর শহরকে পরিকল্পনামাফিক ও নান্দনিকভাবে সাজাতে প্রদর্শনীতে যেসব নকশা বা স্থাপত্য সৃষ্টি করা হয়েছে সেই অনুযায়ী আগামীর দিনাজপুর গড়ে তুলতে পারলে এখানকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নসহ নানাবিধ উন্নয়নের সাথে আমরা একটি পরিকল্পিত শহর পাবো।

স্থাপত্য বিভাগের ১ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নুরুদ্দীন খান বলেন, বর্তমান অবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে আধুনিক স্থাপত্যের মাধ্যমে নিয়ে এসে দিনাজপুর শহরকে একটি অগ্রগণ্য শহরে রুপ দেওয়ার জন্য পরামর্শ, সুপারিশ ও নকশা উপস্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়াও শহরের কনভেনশন সেন্টার ও আর্ট ক্যাম্পাস, শিশুদের পার্ক, জলজ উদ্যান, ইকোলজিক্যাল পার্কসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ ও ভবিষ্যৎ শহরের রূপরেখা ফেস্টুনে লিখে রাখা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ডঃ বিধান চন্দ্র হালদার প্রদর্শনী সম্পর্কে বলেন, ‘হাবিপ্রবির স্থাপত্য বিভাগের বয়স বেশিদিন হয়নি। মাত্র ৫ বছরে এই বিভাগ স্থাপত্য বিষয়ে যা করে চলেছে তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। আগামীতে এ রকম প্রদর্শনী আয়োজন করার মাধ্যমে মানুষের দৃষ্টি আর্কষণে স্থাপত্যের প্রতি ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে বলেও তিনি মনে করেন।

হাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার ডা. মোঃ ফজলুল হক বলেন, ‘আমি নিজেও এই আয়োজন প্রতিবার দেখতে আসি। স্থাপত্য বিভাগের বিভিন্ন নকশা ও ভবনের চিত্রগুলো মাফিক যেকোনো শহর গড়ে তোলা হলে একটি পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক শহরের রূপ নেবে বলে তিনি মনে করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের প্রধান নাইম মিথুন বলেন, ‘এটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন একটি বিভাগ বলা চলে। আমাদের বয়স খুবই কম। এর মধ্যেই আমরা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মিলে চেষ্টা করছি দিনাজপুর এবং আশপাশের অঞ্চলকে কীভাবে পরিকল্পনামাফিক সাজানো যায় তারই বিভিন্ন প্রকৃতির নকশা। আশা করি আমরা আগামীতে আরো ভালো মানের পরিকল্পনা নিয়ে শহরের জন্য কাজ করতে পারবো।’

এসি

 

 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি