ঢাকা, রবিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৮ ৭:৫৭:২১

মান্নার পাসপোর্ট ফেরতের নির্দেশ আদালতের   

মান্নার পাসপোর্ট ফেরতের নির্দেশ আদালতের   

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার জব্দকৃত পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। উন্নত চিকিৎসা নিতে বিদেশে যেতে তিন মাসের জন্য পাসপোর্ট ফেরত দিতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমকে নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।   বৃহস্পতিবার সকালে এ-সংক্রান্ত একটি আবেদন নিষ্পত্তি করে ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলীর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন। আদালত বলেন, ‘চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে মান্নাকে আবারো তার পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।’ এর আগে, ২০১৬ সালে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পাসপোর্ট জমা দেয়ার শর্তে মান্নার জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ। এরপর ২০১৭ সালের আগস্টে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেন সর্বোচ্চ আদালত। মান্নার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইদ্রিসুর রহমান জানান, রাষ্ট্রদ্রোহ ও সেনা উসকানির অভিযোগে করা পৃথক দুটি মামলায় ২০১৬ সালের ২৮ নভেম্বর আপিল বিভাগ হাইকোর্টে দেয়া জামিনও বহাল রাখেন। সেদিন আপিল বিভাগ তার আদেশে বলেন, মামলা দুটিতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা পর্যন্ত তার জামিন বহাল থাকবে। এ ছাড়া তার পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। সে অনুযায়ী তার পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখা আছে। এসি   
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা স্থগিত চেয়ে রিট

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। ‘ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশে’ কে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন না দেওয়া পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট করেন। এ বিষয়ে ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, আগামী ১৪ অক্টোবর বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে। রিটে ‘ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশে’ রাজনৈতিক দল হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করার কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আরজি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দলটির রেজিস্ট্রেশন না দিয়ে নির্বাচন কমিশনের গত ১১ জুনে দেওয়া চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না সে মর্মেও রুল চাওয়া হয়েছে। রিট আবেদনে আরও বলা হয়, ‘ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ’কে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন প্রদান, সে নিবন্ধন না দেওয়া পর্যন্ত একাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে। আরকে//

আইনি প্রক্রিয়া শুরু, বিচারের অনেক ধাপ বাকি: বি চৌধুরী

বিচারের এখনও অনেক ধাপ বাকি আছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া মাত্র শুরু হয়েছে। এরপর অনেক ধাপ বাকি আছে। বুধবার (১০ অক্টোবর) পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও গ্রেনেড হামলার সময় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এ দু’জনসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। মামলার জীবিত বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরকে//

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আ. লীগের আইনজীবীরা যা বললেন…

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় ঘোষণার পরপরই তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের আইনজীবীরা। তবে মামলার হুকুমের আসামী তারেক জিয়াকে মৃত্যুদণ্ড না দেওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকে। সুপ্রিম কোর্টের প্রভাবশালী আইনজীবী ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের জানান, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। দীর্ঘ চৌদ্দ বছর পর এ রায়ের মধ্য দিয়ে সেই ঘৃণ্য হত্যাচেষ্টার বিচার নিশ্চিত হয়। এই রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম বলেন, আদালত স্পষ্ট জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশুন্য করার জন্য এই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। এর সঠিক বিচার হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত ছিল, প্রশাসন জড়িত ছিল। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের জানান, এ রায়ে আমরা শুকরিয়া প্রকাশ করছি। তবে তারেক রহমানের যাবজ্জীবন রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কিনা-সে বিষয়ে সিনিয়রদের সঙ্গে পরামর্শ করে আপিল করা হবে। প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে দলীয় সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা হয়। নারকীয় ওই হামলায় আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি আইভি রহমানসহ ২৪ নেতাকর্মী প্রাণ হারান। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। তাকে বাঁচাতে মানববর্ম তৈরি করে আওয়ামী লীগ নেতারা। শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডে স্লিন্টারে হারান এক কানের শ্রবণশক্তি। অা অা// এআর

রায়ের কপি পাওয়ার পর আপিলের সিদ্ধান্ত: আইনমন্ত্রী

গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করা হবে কি-না সে বিষয়ে এখনো সরকার সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। তবে মামলার রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আজ বুধবার রায় ঘোষনার পরপরই এক তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের একথা জানান আইনমন্ত্রী। আনিসুল হক জানান, যাবজ্জীবন দণ্ডিত আসামী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করা হতে পারে। রায়ের তারেক রহমানের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী। উল্লেখ্য গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে লুৎফুজ্জামান বাবর সহ ১৯ জনকে মৃত্যুদন্ড, তারেক রহমান সহ ১৯ জনকে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। আরও পড়ুন : তারেকের মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল: আইনমন্ত্রী প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে দলীয় সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা হয়। নারকীয় ওই হামলায় আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি আইভি রহমানসহ ২৪ নেতাকর্মী প্রাণ হারান। তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। তাকে বাঁচাতে মানববর্ম তৈরি করে আওয়ামী লীগ নেতারা। শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডে স্লিন্টারে হারান এক কানের শ্রবণশক্তি। দীর্ঘ ১৪ বছর পর এ মামলার রায় আজ ঘোষিত হলো। রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং হামলার সময়ে বিএনপি-জামায়াত সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলার জীবিত বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত আরো খবর তারেকের ফাঁসি চেয়ে আপিল করা হবে : রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অা অা// এআর

গ্রেনেড হামলা মামলার পলাতক আসামিরা কে কোথায়

আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন এবং বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। এই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ‘হাই প্রোফাইল’১৮ আসামি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাদের মধ্যে নয়জন যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছে। এছাড়া অন্য মামলায় দুই আসামি ভারতে কারাবন্দি রয়েছে। অন্য সাত আসামির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোন খোঁজ দিতে পারছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামি তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আর অন্যদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলা হয়। সন্ত্রাসবিরোধী ওই জনসভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের ২২ জন নেতা-কর্মী ও অজ্ঞাত দুই ব্যক্তি নিহত হন। তবে ওই হামলার প্রধান টার্গেট ছিলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও সে সময়ের বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা। প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হন তিনি। এঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোট আসামি ৫২ জন। এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াত জোটের মন্ত্রী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি আব্দুল হান্নান ও শরীফ শাহেদুল আলমের ফাঁসি হয়েছে অন্য মামলায়। বাকি আসামিদের মধ্যে ৩১ জন কারাবন্দি। পলাতক আসামিদের মধ্যে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী যুক্তরাজ্যে, বিএনপি নেতা মোফাজ্জল হোসেইন কায়কোবাদ ও হরকাতুল জিহাদ নেতা জাহাঙ্গীর বদর সংযুক্ত আরব আমিরাতে, তৎকালীন ডিজিএফআই’র কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) এ টি এম আমিন যুক্তরাষ্ট্রে, আরেক কর্মকর্তা লে. কর্নেল (বরখাস্ত) সাইফুল ইসলাম জোয়ারদার কানাডায় রয়েছে। এছাড়া মাওলানা তাজউদ্দিন ও তার ভাই বাবু ওরফে রাতুল বাবু দক্ষিণ আফ্রিকায়, পরিবহন ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হানিফ থাইল্যান্ডে অবস্থান করছে। আর ভারতের কারাগারে বন্দি আছে দুই জঙ্গি—আনিসুল ইসলাম মোরসালিন ও মুহিবুল ইসলাম মুত্তাকিন। অন্য আসামিদের মধ্যে হরকাতুল জিহাদ নেতা শফিকুর রহমান,আব্দুল হাই, দেলোয়ার হোসেন জোবায়ের ওরফে লিটন,খলিলুর রহমান ও ইকবাল এবং পুলিশ কর্মকর্তা খান সাঈদ হাসান ও ওবায়দুর রহমান কোথায় আছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনও তথ্য নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে। কারাবন্দি থাকা আসামিরা হলো বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু, সামরিক গোয়েন্দা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুর রহিম,পুলিশের সাবেক আইজি শহিদুল হক, খোদা বক্স ও আশরাফুল হুদা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাইফুল ইসলাম ডিউক, ঢাকা সিটি করপোরেশেনের সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম আরিফ, সিআইডির সাবেক তিন কর্মকর্তার মুন্সী আতিকুর রহমান, আব্দুর রশীদ ও রুহুল আমিন, পাকিস্তানি নাগরিক আব্দুল মজিদ ওরফে ইউসুফ ভাট ওরফে আব্দুল মাজেদ ভাট, হরকাতুল জিহাদ ও অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের নেতা মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম, মাওলানা শেখ ফরিদ, আব্দুল মালেক ওরফে গোলাম মোস্তফা ওরফে জিএম, মাওলানা আব্দুল হান্নান ওরফে সাব্বির, মাওলানা আব্দুর রউফ, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান ওরফে অভি, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডাক্তার আবু জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, শাহাদাত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, হোসাইন আহম্মেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে আব্দুর রাজ্জাক, রফিকুল ইসলাম সবুজ ওরফে খালিদ সাইফুল্লাহ ওরফে শামিম ওরফে রাশেদ, উজ্জ্বল ওরফে রতন ও আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার। তারা বিভিন্ন সময়ে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছে। টিআর/

তারেকের ফাঁসি চেয়ে আপিল করা হবে : রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় করা হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবনের আদেশ দেয়া হয়েছে। বুধবার (১০ অক্টোবর) সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে অবস্থিত ঢাকার ১নং অস্থায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নুর উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের পর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আদালত সাংবাদিকদের বলেন,এরায়ে আমরা শুকরিয়া প্রকাশ করছি। তবে তারেক রহমানের যাবজ্জীবন রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে কিনা-সে বিষয়ে সিনিয়রদের সঙ্গে পরামর্শ করে আপিল করা হবে। আলোচিত এ মামলায় ৫১১ সাক্ষীর মধ্যে ২২৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এ ছাড়া আরও ২০ জনের সাফাই সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী। ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরবর্তীতে মামলাটি যায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের বিশেষ নিরাপত্তায় আলিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়। গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারসহ কাশিমপুর ১ ও ২ নম্বর কারাগার থেকে লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৩১ আসামিকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। রায় দেওয়া পর আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল সাংবাদিকদের একথা বলেন। টিআর/

আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম : বাবর

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার দায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। এসময় মামলার আসামির আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণা হওয়ার পরে প্রক্রিয়া জানতে চাইলে আদালতে তিনি বলেন, তাহাজ্জতের নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে ২১ আগস্ট হামলার বিচার আল্লাহর কাছে চেয়েছিলাম। এটা একটা ঘৃণ্য অপরাধ। এর সঠিক বিচার চেয়েছিলাম। তিনি বলেন, হামলার ঘটনায় তারেক জিয়া ও খালেদা জিয়ার জড়িত বিষয়ে স্বীকারোক্তি না দেওয়ায় আমাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাজা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি এই হামলায় জড়িত না। মিথ্যা মামলায় আমাকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এটা রাজনৈতিক। আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম। আমি জড়িত কি-না আল্লাহ ভাল জানেন। বর্বরোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িত থাকার দায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বেশ কয়েকজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১০ অক্টোবর) পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে স্থাপিত ঢাকার ১ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। নারকীয় সেই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন ও বাকি ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। ১৪ বছর আগে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীবিরোধী সমাবেশে নৃশংস ওই গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। ঢাকার এক নম্বর দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন বুধবার বেলা ১২টায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে করা আলোচিত দুই মামলার রায় ঘোষণা করেন। টিআর/

যাবজ্জীবন দণ্ডিত যারা

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। এসময় বিচারক মামলার পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন- জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ, মাওলানা সাব্বির আহমেদ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন, হাফেয মাওলানা ইয়াহিয়া, আবুবক্কর ওরফে হাফেয সেলিম, আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ, মহিবুল মুত্তাক্বীন, আনিসুল মোরসালীন, মোহাম্মদ খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মোহাম্মদ ইকবাল মাওলানা লিটন, তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়া, হারিছ চোধুরী, কায়কোবাদ, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই এবং রাতুল ওরফে রাতুল বাবু। আআ/একে/

মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ১৯ আসামি

বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে স্থাপিত ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিনের আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোহাম্মদ তাজউদ্দিন, শেখ সালাম, আবদুল মাজেদ খান, মোহাম্মদ ইউসুফ, আবদুল মালেক, মাওলানা শওকত হোসেন, শেখ ফরিদ, মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, হাফেয মাওলানা আবু জায়েদ, হোসাইন আহাম্মেদ তামীম। এছাড়াও রয়েছেন মুফতি মঈন, মাসুম বিল্লাহ, রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ উজ্জ্বল ওরফে রতন, লুৎফুজ্জামান বাবর, মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার আবদুর রহিম। আরও রয়েছেন আবদুস সালাম, আবদুস সালাম পিন্টু, মোহাম্মদ হানিফ। এসব আসামিদেরকে ৩০২, ৩৪, ১২০ ধারায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। আ আ/একে/

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি