ছাত্রদল নেতা সাদ্দামের মরদেহ নিয়ে থানা ঘেরাও, দু’ঘণ্টা পর মামলা নিল পুলিশ
প্রকাশিত : ০৯:১৭, ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ০৯:১৮, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে নিহতের মরদেহ নিয়ে সদর মডেল থানায় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থানের মামলা রেকর্ড করে থানা পুলিশ
শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ সরাসরি থানার ভেতরে এনে তারা হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং মামলা গ্রহণের দাবি জানান।
এক পর্যায়ে থানার ভেতর ও বাইরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
স্বজনদের অভিযোগ—তারা তাৎক্ষণিক মামলা নিতে বললেও পুলিশ প্রথমে লিখিত আবেদন আনতে বলে। প্রায় দুই ঘণ্টা অবস্থান ও বিক্ষোভের পর রাত ৮টার দিকে নিহতের বাবা মস্তু মিয়া লিখিত অভিযোগ জমা দিলে সেটি হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড করে পুলিশ।
পরে আবারও শহরে মরদেহ নিয়ে আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী।
মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলীপকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও বাবুল, পলাশ, সাদিল মিয়া, টিটন, বাপ্পা ও কাজল মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫–৭ জনকে আসামি করা হয়।
সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম জানান, “হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। এখনও কাউকে আটক করা যায়নি। অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই—যারা জড়িত, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।”
এদিকে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে শহরের কান্দিপাড়া এলাকায় লায়ন শাকিল গ্রুপ ও দেলোয়ার হোসেন দিলীপ গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লায়ন শাকিল ও তার অনুসারীরা প্রতিপক্ষের ওপর এলোপাথারি গুলি চালালে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।
নিহত সাদ্দামের পরিবারের অভিযোগ—বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দেলোয়ার হোসেন দিলীপ ও তার সহযোগীরা সাদ্দামকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে, যাতে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানো যায়।
এএইচ
আরও পড়ুন










