তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি, চরম সংকটে নিম্নআয়ের মানুষ
প্রকাশিত : ১১:৩৮, ১০ জানুয়ারি ২০২৬
টানা মৃদু শৈত্যপ্রবাহে জুবুথুবু অবস্থায় পঞ্চগড়ের জনজীবন। দেখা মিলছে না সূর্যের। সন্ধ্যা গড়াতেই শ্বেত শুভ্র ঘনকুয়াশার চাদরে ঢেকে যাচ্ছে গোটা জেলা। এমন অবস্থায় বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, যানবাহন চালক, শিশু ও বয়স্করা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল নয়টায় সর্বনিম্ন ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ।
এমন অবস্থা আরও কয়েকদিন চলতে পারে বলে স্থানীয় আবহাওয়া কেন্দ্র আভাস দিয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) ভোরে তেঁতুলিয়ায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওই দিন সকাল থেকেই ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়ে যায়।
গত কয়েক দিন ধরে দুপুরের পর সূর্যের দেখা মিললেও কাঙ্ক্ষিত উষ্ণতা পাওয়া যাচ্ছে না। শনিবার ভোর থেকেই পঞ্চগড়ের গ্রাম ও শহরের সড়ক-মহাসড়ক ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায়। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক চালককে ধীরগতিতে যানবাহন চালাতে দেখা গেছে।
টানা শীত ও কুয়াশার প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকার দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ চরম সংকটে পড়েছেন। কনকনে শীতের কারণে অনেকেই ভোরে কাজে বের হতে পারছেন না। শীত নিবারণের জন্য ভোর থেকে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্থানে খড়কুটো, শুকনো পাতা ও কাঠ জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। আগামী কয়েক দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
এএইচ
আরও পড়ুন










