ঢাকা, শনিবার   ১৯ জুন ২০২১, || আষাঢ় ৪ ১৪২৮

শুধু রিকশা-ভ্যান নয়, হেঁটে চলাচলও যেখানে দুষ্কর (ভিডিও)

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 

প্রকাশিত : ১২:২৭, ১৩ অক্টোবর ২০২০

চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাজুলিয়া ইউনিয়নের সড়কগুলো। এসব সড়ক দিয়ে রিকশা-ভ্যানতো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাচলও দুষ্কর। বয়স্ক ও শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রোগীদের হাসপাতালে আনা-নেয়ায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পণ্য পরিবহনেও বিপাকে পড়েন কৃষকরা। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, কাজুলিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ছোট-বড় ৮টি কাঁচা সড়ক রয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কগুলোতে সৃষ্টি হয় হাঁটু সমান কাদা। চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বয়স্ক ও রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সহজে পরিবহন করতে না পারায় এলাকার কৃষিপণ্যেরও ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না কৃষকরা।

স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বলেন, ‘কোটালিপড়া থেকে অনেক শিক্ষার্থী এখানে পড়ালেখা করতে আসে। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই ভয়াবহ অবস্থার মুখে পড়তে হয় শিক্ষার্থীদের।’

স্থানীয়রা বলছেন, ‘এখানে না চলে নৌকা, না যাওয়া যায় হেটে। রাস্তার অবস্থা নাজুক হওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে আমাদের। জমির ফসল পর্যন্ত ঘরে তোলার উপায় থাকে না এ রাস্তার কারণে।’

সড়কগুলো পাকা করতে বিভিন্ন দপ্তরে বারবার আবেদন করেও ব্যর্থ হওয়ার কথা জানান এলাকাবাসী। দুর্ভোগ কমাতে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি চান স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও।

কাজুলিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য নাসিমা বেগম বলেন, ‘কেউ অসুস্থ হলে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা নেই এই সড়কের কারণে। অ্যাম্বুলেন্স তো নয়ই, এমনকি ভ্যান, রিকশাও আসে না।’

কাজুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাখন লাল দাস বলেন, ‘রাস্তাটি ঠিক করতে বারবার বিভিন্ন প্রজেক্টে দেয়া হয়েছে। উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসেও একাধিকবার বলা হয়েছে। এমনকি এ আসনের সংসদ সদস্যকেও এ ব্যাপারে অবহিত করা হয়েছে।’

প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কগুলো পাকা করার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদিকুর রহমান খান। তিনি বলেন, ‘এখানকার মাটির রাস্তাটি অতিদ্রুত সংস্কার করা হবে। পাশাপাশি মানুষের কষ্ট যাতে লাঘব হয় সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এআই/এমবি


Ekushey Television Ltd.

© ২০২১ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি