হাসিনাসহ আসামিদের প্রত্যর্পণের দাবি জানাবে বাংলাদেশ
প্রকাশিত : ১৫:৫২, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসতে যাচ্ছে। ভারতের সঙ্গে আসন্ন পঞ্চম কনস্যুলার সংলাপে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং শরীফ ওসমান বিন হাদী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ফয়সালকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ঢাকা তীব্র চাপ সৃষ্টি করবে।
২০২৪ সালের জুলাই মাসের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর দুই প্রতিবেশীর মাঝে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম উচ্চপর্যায়ের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক বৈঠক।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি চলতি অক্টোবরের শেষভাগে করার জন্য আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। তবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার কারণে ভারত কিছুটা সময় চেয়ে বৈঠকটি আগামী নভেম্বরের শুরুর দিকে আয়োজন করার ব্যাপারে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের বর্তমান প্রশাসন আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে আসামিদের বিচারের মুখোমুখি করতে বদ্ধপরিকর। এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ঢাকার পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ভারতকে একটি বিশেষ কূটনৈতিক নোট পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও রায় আসার পর ঢাকা পুনরায় নয়াদিল্লির কাছে এই প্রত্যর্পণের দাবি জোরদার করে।
বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, মহাপরিচালক পর্যায়ের এই বৈঠকটি দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্কে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আগেই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দ্বিপক্ষীয় এই সংলাপে আলোচিত আসামিদের প্রত্যর্পণের বিষয়টিকেই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ এজেন্ডা বা গুরুত্ব দিয়ে উত্থাপন করা হবে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
এমএইচ
আরও পড়ুন










