ককরোচ পার্টির নতুন কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে হাজার হাজার পুলিশ মোতায়
প্রকাশিত : ১৮:০৫, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন রূপ নিয়েছে। রাজনৈতিক দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র কেন্দ্রঘোষিত পতাকা উত্তোলন কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লির সেন্ট্রাল পার্ক ও এর আশপাশের এলাকায় নতুন করে হাজার হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।
শুক্রবারের (১৬ অক্টোবর) এই কর্মসূচি ঠেকাতে ও সেন্ট্রাল পার্কে যেকোনো ধরনের জমায়েত রুখতে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশ ‘প্রশাসনিক ও নিরাপত্তাজনিত’ কারণ দেখিয়ে শুক্র ও শনিবার (১৬ ও ১৭ অক্টোবর) টানা দুই দিনের জন্য দিল্লির সেন্ট্রাল পার্ক জনসাধারণের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করেছে। এই দিনগুলোতে পার্কের ভেতরে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।
এই উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে গত ১২ অক্টোবর, যখন ককরোচ পার্টির দুই সহপ্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস দিল্লির যন্তরমন্তরে দলীয় পতাকা নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সে সময় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়। এই গ্রেফতারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার দলটির প্রধান প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ সেন্ট্রাল পার্কে জাতীয় পতাকা ওড়ানোর এই নতুন কর্মসূচির ডাক দেন, যা ঠেকাতে এখন মরিয়া প্রশাসন।
এদিকে কর্মসূচি ঘোষণার পরপরই পুলিশ দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপের দিল্লির বাসভবনে গিয়ে সরাসরি সতর্কবার্তা দিয়ে এসেছে। তিনি যেন দিল্লিতে কোনো ধরনের জনসমাগম বা আন্দোলন না করেন, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ সময় অভিজিৎ দীপ পতাকা ওড়ানো অপরাধ কি না জানতে চাইলে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পতাকা ওড়ানো বেআইনি নয়, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে পূর্বানুমতি ছাড়া যেকোনো ধরনের জমায়েত বা আন্দোলন অবৈধ বলে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১০ অক্টোবর ভারতের সাধারণ তরুণরা দিল্লির যন্তরমন্তরে একটি বড় ধরনের সমাবেশের চেষ্টা করেছিল। তবে তৎকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার ট্রেন, মেট্রোরেল ও আন্তঃনগর যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়ে পুরো দিল্লিতে এক অঘোষিত লকডাউন জারি করে। ফলে তীব্র কড়াকড়ির কারণে সেবার আন্দোলনকারীরা সমাবেশস্থলে পৌঁছাতে পারেননি।
এমএইচ
আরও পড়ুন










