ঢাকা, বুধবার   ১৮ মার্চ ২০২৬

ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান লারিজানি নিহত

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:৩৩, ১৮ মার্চ ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

ইসরায়েলের হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি নিহত হয়েছেন। হামলা শুরুর পর থেকে দেশটির অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

একই ঘটনায় তার ছেলে মোরতেজা লারিজানি এবং একজন সহকারীও নিহত হয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ইসরায়েল দাবি করেছিল, তারা একটি লক্ষ্যভেদী হামলার মাধ্যমে আলী লারিজানিকে হত্যা করেছে। দেশটির নেতাদের খুঁজে বের করা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল।

এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইরানের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মকর্তারা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “এই ধরনের হামলা ইরানের ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারবে না।”

তিনি আরও বলেন, “এই রাষ্ট্র ব্যক্তিনির্ভর নয়, বরং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক। অতীতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মৃত্যু হলেও রাষ্ট্রব্যবস্থা অটুট ছিল।”

এদিকে, লারিজানির মৃত্যুর পর তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন—তা নিয়ে জল্পনা চলছে। প্রটোকল অনুযায়ী সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের দ্বিতীয় প্রতিনিধি সাঈদ জালিলি দায়িত্ব পেতে পারেন। তবে নতুন করে নিয়োগ দেবেন কিনা—সেটি নির্ভর করছে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সিদ্ধান্তের ওপর।

একইদিনে বাসিজ বাহিনীর প্রধান গোলামরেজা সোলেমানি নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর পর থেকে দেশটির অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। ইরানের ওপর মার্কিন ইসরায়েলি হামলার প্রথম দিনের পর, ২৮ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রথম দফার হামলায় আরও নিহত হন নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলী শামখানি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ, বিপ্লবী রক্ষী বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর এবং সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অফ স্টাফ আবদুল রাহিম মুসাভি।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি