উত্তরে বন্যায় নতুন এলাকা প্লাবিত (ভিডিও)
প্রকাশিত : ১২:৩৫, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে বেড়েছে উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি। সেই সাথে তীব্র হয়েছে তিস্তা, যমুনা ও পদ্মার ভাঙ্গন। কুড়িগ্রামে ৩ দিনে ২ শতাধিক পরিবার নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে আমনসহ ফসলের ক্ষেতের।
পদ্মার পানি বেড়ে রাজবাড়ী গোদার বাজার এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ঝুঁকিতে রয়েছে শহর রক্ষা বাঁধ, বসত বাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ভাঙ্গন রোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে।
কয়েক দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার তিস্তা যমুনা, ঘাঘটসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। জেলার পলাশবাড়ীর টোংরাদহে করতোয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রায় ৮০ ফুট অংশ ধসে গেছে। প্লাবিত হয়েছে শহরসহ ২১টি গ্রাম। পানিবন্দী প্রায় ১০ হাজার মানুষ।
এলাকাবাসীরা জানান, ভাঙ্গনে আমনসহ অন্যান্য শস্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকের আর কোন উপায় নেই এখানে। বাড়িঘর ছাড়াও ফসলেরই অনেক ক্ষতি।
কুড়িগ্রামে বেড়েছে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি। প্লাবিত হয়েছে দেড় শতাধিক চর ও নিচু এলাকা। তিস্তা ও ধরলার ভাঙ্গন তীব্র হয়েছে। গত তিন দিনে ভাঙনের শিকার দুই শতাধিক পরিবার।
ভাঙনের শিকার এমন মানুষরা জানান, স্থান পাচ্ছি না কোথায় আশ্রয় নিবো। বৃষ্টির জন্য বাইরে বের হওয়া যায় না। পানি হুরহুর করে বাড়ছে।একরাতেই বন্যা হয়ে গেল।
নেত্রকোনায় গেল ১৩ দিন ধরে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার ১০টি উপজেলার অধিকাংশ ফসলি জমি ডুবে গেছে। প্রায় ২১ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমনের ক্ষতি হয়েছে।
এএইচ/এমবি
আরও পড়ুন










