ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৪ জুন ২০২৬

কাঠগড়ায় সোহেলকে মারতে যান স্ত্রী স্বপ্না

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৩:৪৬, ৪ জুন ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় কাঠগড়ায় থাকা আসামি সোহেল রানাকে ক্ষুব্ধ হয়ে মারতে উদ্যত হন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় যুক্তিতর্কের কথা থাকলেও কিছুটা বিলম্বে শুরু হলে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় স্বপ্নাকে আটকান দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।

এর আগে সকালে আদালতে আনা হয় রামিসা হত্যার আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে। আদালতের হাজতখানায় অসুস্থ হয়ে পড়েন স্বপ্না খাতুন, তাকে হাজতখানায় রেখে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়।

গতকাল এ মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজের দায় স্বীকার করে ক্ষমা চায় ঘাতক সোহেল রানা। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন নিজেকে বাঁচাতে নির্দোষ দাবি করেন। 

এর আগে মঙ্গলবার টানা ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা ও মা পারভীন আক্তারসহ সাক্ষীদের জবানবন্দিতে ঘটনার লোমহর্ষক তথ্য উঠে আসে। 

এ মামলায় গত ১ জুন ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুাল। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গুম করার মত গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। 
এর আগে গত ২৪ মে রানা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। ওইদিনই অভিযোগপত্র আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে সোহেল রানা দম্পতি কৌশলে আট বছরের শিশু রামিসাকে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ পর হত্যা করে সোহেল। পরে লাশ গুম করার জন্য গলা কেটে মস্তক আলাদা করে সে। 

এ ঘটনায় মামলা করেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি