চুয়াডাঙ্গায় গুড়-পাটালি তৈরির ধুম (ভিডিও)
প্রকাশিত : ১২:৫০, ১০ জানুয়ারি ২০২১
বাংলায় শীত মানেই খেঁজুর গুড় আর পাটালির গল্প। চুয়াডাঙ্গার গুড়-পাটালির গল্প অনেক বেশি জীবন ঘনিষ্ঠ। জেলা জুড়ে চলছে গুড় তৈরির কাজ। অনেকেই গ্রামে গ্রামে গিয়ে সরাসরি গাছ-মালিকদের কাছ থেকে খেঁজুরের গুড় ও পাটালি সংগ্রহ করছেন।
শীত মানেই পিঠা পায়েস খাওয়ার ধুম। আর এই পিঠা পুলি তৈরির অন্যতম অনুষঙ্গ খেজুরের গুড়। চুয়াডাঙ্গার প্রায় সব গ্রামেই আছে কম-বেশি খেঁজুরের গাছ।
এবছরও গাছিরা শুরু করেছেন রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরির কাজ। চুয়াডাঙ্গায় শীত বেশি পড়ায় বিভিন্ন গ্রামে এখন গুড় তৈরির ধুম।
শুধু বাণিজ্যিক কারণে নয়, ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে খেজুরের গুড় তৈরি করেন কৃষকরা। অনেকেই এখানকার গুড় সংগ্রহ করে দেশ ও দেশের বাইরে পাঠান। ব্যাপারীরাও কিনে নিয়ে যাচ্ছেন সুস্বাদু গুড়।
গাছীরা জানান, ১২০টি খেজুর গাছ আছে, তাতে করে এই সময় আসলে আমার অনেক টাকা আয় হয়। গুড় ও পাটালি বানিয়ে শীতের মওসুমে প্রায় লাখ টাকা আসে। গুড়ে বাড়তি আয় হয় কিন্তু সকালের ঠাণ্ডায় অনেক পরিশ্রম করতে হয়।
বিক্রেতারা জানান, যে চাহিদা আছে সে চাহিদার তুলনায় আমরা সরবরাহ করতে পারি না। এমন কি গত মওসুমে কানাডা, ইতালি এবং অস্ট্রেলিয়ার বিদেশিরাও এখানে গুড় নিতে এসেছিলেন।
ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক গতিশীলতায়ও চুয়াডাঙ্গার গুড়ের সুখ্যাতি রয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আলী হাসান বলেন, চুয়াডাঙ্গার গুড় প্রসিদ্ধ বলা যায় এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ হয়। এর আগে অযত্ন-অবহেলায় খেজুর গাছ বড় হয়, একটি সময়ে এটি অর্থকড়ি ফসল হিসেবে কৃষকের কাছে বেশ জনপ্রিয় ও সমাদৃত হয়ে উঠে।
কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, চুয়াডাঙ্গায় খেজুর গাছ রয়েছে প্রায় আড়াই লাখ।
ভিডিও :
এএইচ/এসএ
আরও পড়ুন










