ট্রাম্প এখনও আপনাদের প্রেসিডেন্ট: হোয়াইট হাউস
প্রকাশিত : ০৮:৫১, ৫ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ দুই জায়গাতেই ডেমোক্রেটরা বিজয়ী হয়েছে। তাই ট্রাম্পের বাকি মেয়াদের জন্য কংগ্রেসের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা পেল ডেমোক্রেটরা।
ডেমোক্র্যাটদের এই বড় জয়ের পর বুধবার সকালে হোয়াইট হাউস থেকে প্রথম মন্তব্য করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। যেখানে ট্রাম্পকে তার ওভাল অফিসের রিজোলিউট ডেস্কের ওপর ঝুঁকে থাকতে দেখা যাচ্ছে। ছবিটির সাথে একটি বার্তা হিসেবে লেখা হয়েছে, “জনস্বার্থে বার্তা: ট্রাম্প এখনেও আপনাদের প্রেসিডেন্ট।”
সকালে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর এর প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প স্বীকার করেছিলেন, ডেমোক্র্যাটরা “ভালো কাজ করেছে।”
তবে তিনি আরেও দাবি করেন, ব্যালটে যদি তার নাম থাকত, তাহলে রিপাবলিকান প্রার্থীরা আরেও ভালো ফল করতে পারতো।
ট্রাম্পের নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের কার্যক্রম আমেরিকার বহু নাগরিককেই হতাশ করেছে, যারা আশা করেছিলেন নিত্যপণ্যের দাম কমিয়ে আনবেন। এই নির্বাচনে ভোট দিতে যাওয়ার পেছনে মার্কিন ভোটারদের কাছে সবচেয়ে বড় ইস্যুই ছিল দেশের অর্থনীতি।
তাহলে ট্রাম্পের নীতিগুলো মার্কিন মূল্যস্ফীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর ঠিক কী প্রভাব ফেলেছে?
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর মার্কিন বিমান হামলার পর থেকেই গ্যাস এবং ডিজেলের দাম ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডিজেলের ক্ষেত্রে অক্টোবর মাসে গড় দাম দাঁড়িয়েছিল প্রতি গ্যালনে ছয় দশমিক ২৫ ডলার। যা এ যাবতকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড। এমনকি ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তেলের দাম যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল, এই দাম তার চেয়েও বেশি।
২০২৪ সালে দ্বিতীয় মেয়াদের নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, গ্যাসের দাম প্রতি গ্যালনে দুই ডলারের নিচে নামিয়ে আনবেন।
তবে গত অক্টোবর মাসে এর গড় দাম ছিল চার দশমিক ৩১ ডলার। ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের এই যুদ্ধের প্রভাব মার্কিন ভোক্তা মূল্যস্ফীতির সার্বিক হারের ওপর স্পষ্টভাবে পড়েছে। সেপ্টেম্বরে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন দশমিক সাত শতাংশে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, ২০২৫ সালের দোসরা এপ্রিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের “লিবারেশন ডে” শুল্কের (আমদানি করা পণ্যের উপর বসানো ট্যাক্স) কারণেও যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে।
কারণ এই বাড়তি শুল্ক আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের মূল্য আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
এএইচ
আরও পড়ুন










