নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত : ১৮:১১, ২ মে ২০২৬ | আপডেট: ১৮:৩১, ২ মে ২০২৬
ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’- এ স্লোগানকে সামনে রেখে ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিভা অন্বেষণের প্রতিযোগিতা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার বিকাল ৫ টায় মহানগরীর রিকাবীবাজারে সিলেট স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে একটি লাল বাটন চেপে ট্রফি ও লোগো উন্মোচনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সারা দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলোতেও এ সময় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন খুদে ক্রীড়াবিদরা।
এর আগে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
নির্ধারিত মঞ্চে আসন গ্রহণের পর ডিসপ্লেতে ক্ষুদে প্রতিযোগিদের অংশগ্রহণে প্রদর্শিত ডিসপ্লে উপভোগ করেন তারেক রহমান। পরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন যুব ও ক্রিড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্য নতুন কুঁড়ি আয়োজনে স্পোর্টসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। দেশের সকল শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা প্রতি গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানান।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মেধা বিকাশের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আগামীর অ্যাম্বাসেডর হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, আদর্শ মেধাবী মানুষ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে সব ধরণের সহযোগিতা করবে সরকার।
বক্তব্য শেষে পুরো মাঠ ঘুরে ক্ষুদে প্রতিযোগী ও স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সরকার প্রধান। এসময় আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয় সিলেট জেলা স্টেডিয়াম।
উদ্বোধনী ভেন্যু হিসেবে ঢাকার পরিবর্তে সিলেটকে বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে খোদ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা। এ প্রসঙ্গে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা থেকে আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস শুরু করব কি না এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বলেছিলাম। উনি বললেন, ‘আমাকে ঢাকায় রাইখো না। ঢাকার বাহিরে নিয়ে যাও। সবসময় ঢাকা থেকে শুরু করা হয়। আমি চাই এটা ঢাকার বাহিরে থেকে শুরু হোক।’ তারই পরিকল্পনা অনুযায়ী আমরা সিলেট থেকে শুরু করছি।”
পুরো বাংলাদেশকে ১০টি শক্তিশালী অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। সেগুলো হলো ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ। এসব অঞ্চলের মধ্যে বিভিন্ন জেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি পর্যায়ে একটি শক্তিশালী প্রশাসনিক ও বাস্তবায়ন কমিটি পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করছে, যাতে কোনো মেধা অবমূল্যায়িত না হয়।
শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণে ১৯৭৬ সালে যাত্রা শুরু হয়েছিল নতুন কুঁড়ির।
বাংলাদেশ টেলিভিশনের আশির দশকের জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনেক প্রতিভা উঠে আসে শিল্প অঙ্গনে। বহু বছর পর সেই পরিচিত নাম আবার ফিরে এসেছে, তবে এবার মঞ্চ নয়, সবুজ মাঠ-গালিচায়। যাত্রা শুরু হলো নতুন এক স্বপ্ন—‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর।
এএইচ
আরও পড়ুন










