সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব, ব্যাংকগুলোতে জরুরি চিঠি
প্রকাশিত : ১৫:১২, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১৫:৪৭, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠায়।
কয়েকটি ব্যাংকের কর্মকর্তারা চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিন সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে পাঠানো ওই ই-মেইল বার্তায় সালমান মোহাম্মাদ মুক্তাদিরের নাম উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে তথ্য দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিএফআইইউর পাঠানো ই-মেইল বার্তায় সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য, হিসাব খোলার ফরম (এওএফ), গ্রাহকের পরিচিতি-সংক্রান্ত তথ্য (কেওয়াইসি) এবং হিসাব বিবরণী (স্টেটমেন্ট) চাওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তার নামে থাকা হিসাবগুলোর কেওয়াইসি ও হিসাব বিবরণীর সফটকপি পাঠাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিএফআইইউর পাঠানো এক্সেল ফাইলে তার হিসাবসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য এবং চিহ্নিত প্রতিটি হিসাবের সুদ আয় ও উৎসে কর (টিডিএস)-সংক্রান্ত তথ্য পূরণ করে পাঠাতে বলা হয়েছে।
লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য তলবের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে বলেও বিএফআইইউর ই-মেইলে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিএফআইইউর একটি পরিপত্রের সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করে তলব করা তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বার্তায় ব্যাংকগুলোকে এসব তথ্য এক ঘণ্টার মধ্যে গোএমএল মেসেজ বোর্ডের মাধ্যমে পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিএফআইইউর এক পরিপত্রের সংশ্লিষ্ট ধারা উল্লেখ করে তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিএফআইইউর এই বার্তা দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। প্রাপকের তালিকায় সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকসহ বেশ কয়েকটি ব্যাংকের নাম রয়েছে
সম্প্রতি সালমান মোহাম্মদ মুক্তাদিরের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। দুর্বৃত্তরা তার কার্যালয়ে ঢুকে বিভিন্ন আসবাব ও জিনিসপত্র ভাঙচুর করে।
ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির প্রথমে অভিযোগ করেন, বিএনপির লোকজন তার কাছে চাঁদা চেয়েছিল। তবে পরে তিনি জানান, তার কাছে চাঁদা চাওয়া হয়নি। তার বক্তব্যের পরিবর্তন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হয়।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ-উর রহমান বলেন, কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি ও ভাইরাল জনপ্রিয়তা পাওয়া ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন বলে তিনি আশা করেন।
এএইচ
আরও পড়ুন










