ঢাকা, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২:১১:১০

কেকের দাম ৬ কোটি!

কেকের দাম ৬ কোটি!

কেকের দাম ৬ কোটি রুপি! হ্যা এ রকমই একটি কেক বানিয়েছেন ব্রিটিশ ডিজাইনার ডেবি উইংহাম। কেকটি সাজিয়েছেন তিনি কনের সাজে। দুবাইয়ের এক ওয়েডিং শো-এর জন্য তিনি এই কেক  তৈরি করেছে।  ওয়েডিং কেকটির ওজন প্রায় ১২০ কেজি। লম্বায় প্রায় ৬ ফুট। মানুষের  মতো দেখতে এ কেকটি তৈরিতে খরচ পরেছে ৬ কোটিরও বেশি রুপি।  প্রত্যক্ষদর্শীদের একজন জানান, মানুষের মতো দেখতে এই কেকটিকে একদম সত্যিকারের মতোই মনে হয়।এটি খাওয়ার যোগ্য তা খুব কম সংখ্যক লোকই বুঝতে পারবে।  ডেবি উইংহাম ইতোমধ্যে কেটি পেরি, জাসটিন বিবারের মতো সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন অর্ডার সরবরাহ করেছে। বর্তমানে সে এতই  বিখ্যাত যে পরবর্তী ছয় মাস তার কাজের অর্ডার রয়েছে।   তিনি যে শুধু এটিই তৈরি করেছেন তা কিন্তু নয় । গত বছর সে বিশ্বের সবচেয়ে দামী জুতা তৈরি করেছেন। এছাড়াও বিশ্বের সবচেয়ে দামী কালো ডায়মন্ড ড্রেসও তৈরি করেছেন তিনি। সূত্র: টাইমস নাউ এমএইচ/ এআর
যে দ্বীপের রহস্য এখনও ভেদ হয়নি

১৭২২ খ্রিস্টাব্দের ৫ এপ্রিল। নেদারল্যান্ডের নৌ সেনাপতি জ্যাকব রজারভিন আবিষ্কার করেন জনবিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ। ওইদিন ছিল ইস্টার সানডে। যার কারণে তিনি দ্বীপটির নাম দেন ইস্টার আইল্যান্ড। এটি চিলিতে অবস্থিত। এতোদিনেও দ্বীপটির রহস্য ভেদ হয়নি। স্থানীয়রা দ্বীপটিকে বলে ‘টিপিটোওটি হিনুয়া’, যার মানে দাঁড়ায় পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল। দ্বীপটি ত্রিকোণ আকৃতির আগ্নেয় শিলা দিয়ে তৈরি। আয়তন লম্বায় ২৮.৬ কিলোমিটার, চওড়ায় ১২.৩ কিলোমিটার। জ্যাকব রজারভিন দ্বীপটিতে নেমে অবাক হয়ে যান ছড়ানো-ছিটানো শত শত মূর্তি দেখে। তার ধারণা ছিল সামুদ্রিক ঝিনুকের খোলের চুর্ণের সঙ্গে বিশেষ এক ধরনের কাদার প্রলেপ দিয়ে মূর্তিগুলো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তার ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়। সব মূর্তিগুলোই নিরেট কালো আর লালচে পাথরে খোদাই করে তৈরি করা। বিভিন্ন আকৃতির মূর্তিগুলোর উচ্চতা ৩ থেকে ৩০ ফুট। এক একটা মূর্তির ওজন কয়েক টন। গবেষণা থেকে জানা যায়, দ্বীপটিতে আদিবাসীদের বসবাস থাকলেও তাদের দ্বারা ওই মূর্তি বানানো সম্ভব ছিল না। আর ইস্টার আইল্যান্ডের মূর্তিগুলোর উপাদান এবং গঠন শিল্পের সঙ্গে মিসরের পিরামিডের মিল রয়েছে। প্রায় ৭ হাজার বছর আগের পিরামিডের সঙ্গে মূর্তিগুলোর মিল সত্যি অবাক করে। ঐতিহ্যের জন্য ইউনেস্কো দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে ।সূত্র : ডয়েচে ভেলে/ এআর /

যে দেশে প্রতি মাসেই ভালোবাসা দিবস

এখন প্রায় পৃথিবীর সব দেশেই ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ানরা প্রতিমাসেই ভালোবাসা দিবস পালন করে থাকে! আর প্রতি মাসের সেই দিনট হলো ১৪ তারিখ। তবে সবার মতোই দক্ষিণ কোরিয়ানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটাকে ভালোবাসা দিবস হিসেবেই পালন করে থাকে। তবে একটু ভিন্ন আকারে। এই দিনে কেবল মেয়েরাই তাঁদের প্রিয় পুরুষটিকে ভালোবাসার নিদর্শন স্বরূপ উপহার দিয়ে থাকে। উপহারটিও আবার সুনির্দিষ্ট, চকলেট ক্যান্ডি। অন্যদিকে ফেব্রুয়ারির পরে মার্চের ১৪ তারিখ ছেলেরা উপহার দেয় তাদের প্রেয়সীকে। এ দিনটিতে প্রেমিকগণ প্রেমিকাদের দিয়ে থাকে চকলেট ছাড়া অন্য যে কোন স্বাদের ক্যান্ডি। প্রতি মাসের ১৪ তারিখ ভিন্ন ভিন্ন নামে দিবস পালন করলেও তাদের মূল বিষয় হচ্ছে ভালোবাসা প্রকাশ।জেনে নেওয়া যাক তাদের ১২ মাসের বিভিন্ন দিবস সম্পর্কে- ১৪ই জানুয়ারি মোমবাতি দিবস, ১৪ই ফেব্রুয়ারি লাল দিবস, ১৪ই মার্চ সাদা দিবস, ১৪ই এপ্রিল কালো দিবস, ১৪ই মে  গোলাপ দিবস, ১৪ই জুন  চুমু দিবস, ১৪ই জুলাই রুপালি দিবস ১৪ই আগস্ট সবুজ দিবস, ১৪ই সেপ্টেম্বর সংগীত দিবস, ১৪ই অক্টোবর ওয়াইন দিবস, ১৪ই নভেম্বর মুভি দিবস এবং ১৪ই ডিসেম্বর আলিঙ্গন দিবস।  এমএইচ/টিকে    

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার সংযোগ সেতু

দুটি দ্বীপ, দুটি দেশ। দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সীমানায় এক অভিনব স্থান জ্যাভিকন আইল্যান্ডস। অপূর্ব সুন্দর এই স্থান। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র অন্যদিকে কানাডা। আর তাদের মধ্যে যাতায়াতের জন্য ছোট একটি সেতু। এটিই বিশ্বের ক্ষুদ্রতম আন্তর্জাতিক সেতু। সেন্ট লরেন্স নদীর মধ্যে পড়ে জ্যাভিকন আইল্যান্ডস নামে দুটো দ্বীপ। দ্বীপ দুটো হল জাভিকন আইল্যান্ড এবং লিটল জাভিকন আইল্যান্ড। এর বড়টার মধ্যে একটা বাড়ি আছে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে। আর ছোট দ্বীপটা নিঝুম। সেখানে কেউ থাকে না। এই দ্বীপটি পড়েছে কানাডায়। দুটি দ্বীপের মধ্যে যাতায়াত করার জন্য যে সিতুটি আছে, তা মাত্র ৩২ ফুটের। বিশ্বের ক্ষুদ্রতম আন্তর্জাতিক সেতু হল এটি। গাছে ঘেরা সুন্দর দুটি দ্বীপ। এই দুই দ্বীপ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। উনিশ শতক থেকে বারে বারে উঠে এসেছে জ্যাভিকন দ্বীপের কথা। পুরনো ছবিতে দেখা গেছে, দুই দ্বীপের মধ্যে উড়তে থাকা আমেরিকা ও কানাডার পতাকা। শান্ত নির্বিঘ্ন এই দ্বীপ দুটি এখনও কৌতূহলের কেন্দ্রে।দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক উত্তাপ কোনোকিছুই প্রভাব ফেলে না এখানে। তবে যাই হোক, দুটি দ্বীপের দৃশ্যই অত্যন্ত মনোরম। সূত্র: আলটাসঅবসকারা ডট কম একে// এআর

কুরিয়ারের প্যাকেট খুলে মিলল বাঘ!

অসহায় প্রাণীটির চার পা টেপ দিয়ে বাঁধা। করুণ শুকনো মুখে তাকিয়ে আছে প্লাস্টিকের ওপার থেকে। এক ঝলক দেখলে মনে হবে খেলনা। কিন্তু না। এটি আসল বাঘের বাচ্চা। কুরিয়ারে পাচার হওয়ার পথে গত বুধবার ধরা পড়েছে সে। এ সময় মেক্সিকোর জালিসকো শহরের নিউ ত্লাকপাক সেন্ট্রাল বাস স্টেশনে হৈচৈ পড়ে যায়। কুরিয়ার মারফত বিমানে পাঠাতে পোস্টাল ডিপার্টমেন্ট বেশ কিছু প্যাকেট রেখেছে। আগের সব পরীক্ষায় উতরে গেছে ওই নীল প্লাস্টিক কন্টেইনার। কিন্তু কোনো মতেই প্যাকেটটি ছাড়তে চাইছে না স্নিফার ডগ। কন্টেনার ঘিরে চিৎকার করতে থাকে স্নিফার ডগটি। তার গন্ধবিচারকে গুরুত্ব দিয়ে ডাককর্মীরা প্যাকেটটি খুলতেই হতবাক হলেন সবাই। পশ্চিম মেক্সিকোর জালিসকো থেকে মধ্য মেক্সিকোর কোয়ারেতেরো শহরে ওই কন্টেনারে করে পাঠানো হচ্ছিল আস্ত একটি বাঘের ছানা।   ছানাটির সর্বাঙ্গ টেপ দিয়ে আটকানো। কন্টেনারের ছোট ছোট ছিদ্র দিয়ে বাতাস প্রবেশ করায় কোনওমতে শ্বাস প্রশ্বাস চলেছে। কিন্তু পানির অভাবে শাবকটির ডিহাইড্রেশন হয়ে গেছে। এখন স্থানীয় বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে ব্যাঘ্রশাবকের পরিচর্যা চলছে। পাশাপাশি কে বা কারা কেন এই দুষ্কর্ম করেছে তার তদন্ত করা হচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি একে// এআর

স্বর্ণ খচিত বার্গার!

বার্গার খেতে কার না ভালো লাগে। ভাজাপোড়া যারা খেতে পছন্দ করেন তাদের প্রথম পছন্দ বার্গার। ভোজনবিলাসী মানুষের কথা মাথায় রেখে এবার স্বর্ণখচিত বার্গার বাজারে আসছে।২৪ ক্যারেট স্বর্ণের সমন্বয়ে তৈরি এই বার্গার বিক্রি হবে দুবাইতে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান দ্য রোডারি শহরের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই খাবার বিক্রি করবে। গাছের বড় আকারের পাতার মতো স্বর্ণের আস্তর বসানো হয়েছে বার্গারের উপরাংশে। খাবারের চোখজুড়ানো এই চেহারা দেখে যে কোনো মানুষেরই জিভে পানি চলে আসবে! বিশ্বের সর্ববৃহৎ ভবনের সৌন্দর্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাতাদের মাথায় এ ধরনের চিন্তা এসেছে। চলতি মাসে দুবাইয়ে আন্তর্জাতিক বিক্রেতা ২৫ প্রতিষ্ঠান খাবার নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবে। এতে সুউচ্চ ভবনের মতো দেখতে এ বার্গারটি বিক্রির জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩০ দিরহাম। স্বর্ণ ছাড়াও মাংস ও সবজি দিয়ে বার্গারটি পাঁচটি স্তরে সাজানো হয়েছে। রোডারির কর্ণধার ড্যান শিয়ারম্যান জানান, নতুন এ বার্গারটি নিয়ে তারা একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। দুবাইয়ের বার্জ পার্কে ২৫-২৭ ফেব্রুয়ারি আয়োজিত `ইট দ্য ওয়ার্ল্ড ডিএক্সবি` নামে একটি অনুষ্ঠানে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের প্রতিষ্ঠানও যোগ দেবে। তিনি জানান, বার্গারটি বিক্রি নিয়ে তাদের মধ্যে খুব উচ্ছ্বাস কাজ করছে। খাবারটির দামের সঙ্গে মানের একটা সামঞ্জস্য থাকবে বলেও তিনি আশা করেন। সূত্র :গালফ নিউজ।/ এআর /

জীবন্ত পাথর!

পাথর অথচ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে। পানি পেলে আকারে বড় হয়। ইউরোপের বলকান অঞ্চলে সম্প্রতি এমন পাথরের সন্ধান পাওয়া  গেছে। যেটিকে বিজ্ঞানীরা বলছেন ‘জীবন্ত পাথর’। জানা গেছে, রোমানিয়ায় থাকা এ পাথরগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আকারে বৃদ্ধি পায়। এগুলোর উপর নিয়মিত পানি কিংবা অতিবৃষ্টি হলে সেগুলো দ্রুতই বৃদ্ধি পেতে থাকে। রোমানিয়ার স্থানীয়রা এসব পাথরকে পৃথিবীর একমাত্র জীবন্ত পাথর বলে আখ্যা দিয়েছেন।বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখেছেন, পাথরগুলোর পানির প্রতি একটা আকর্ষণ রয়েছে। কিন্তু নির্জীব বস্তুর কেন পানির প্রতি আকর্ষণ? বিজ্ঞানীরাও সেসব রহস্যময় পাথর পরীক্ষা করে দেখেছেন, ভেতরে অদ্ভুত শক্ত বালুর মতো পদার্থ ছাড়া কিছু নেই। তবে সেসব পাথরে স্তর রয়েছে, যা অন্য সাধারণ পাথরে দেখা যায় না। রহস্যময় পাথরগুলোর বৃদ্ধি অনেকটাই চোখে পড়ার মতো। পুরো পাথরই যে আকারে বাড়ে তাও নয়, এর শরীরের কোনো কোনো স্থান দিয়ে বাড়তি অংশ বৃদ্ধি পায়। স্থানীয়রা এসব পাথরকে ‘ট্রোভেন্টস’ নামে ডেকে থাকেন। রহস্যময় এ পাথর রোমানিয়ার সব স্থানে পাওয়া যায় না। দেশটির প্রত্যন্ত গ্রাম কোসটেসতিতে মেলে এমন পাথরের সন্ধান।সূত্র : হ্যাক্স অর ফ্যাক্টস।/ এআর /

৪৪০০ বছরের পুরনো সমাধি

চার হাজার চারশ’ বছরের পুরনো সমাধির সন্ধান মিলেছে। সম্প্রতি মিসরের রাজধানী কায়রোয়ে পিরামিডের পাশে এই সমাধির সন্ধান পান প্রত্নতত্ত্ববিদেরা। গবেষকরা বলছেন, যে সমাধিটির সন্ধান পাওয়া গেছে, সেটি কোনো উচ্চপদস্থ নারীর। তার নাম হেতপেত। প্রাচীন মিসরের পঞ্চম রাজবংশে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রভাবশালী রমণী। সমাধিতে যেসব নিদর্শন পাওয়া গেছে, তাতে বোঝা যায় প্রাচীন মিসরে নারী অন্তরালে ছিল না। রাজনীতিসহ সর্বত্রই নারীদের ছিল অবারিত দ্বার। এবার আবিষ্কৃত হেতপেতের সমাধিতেও নারীর এ স্বাচ্ছন্দ্যময় চলাচলের প্রমাণ পাওয়া গেল। পুরাতত্ত্ববিদরা বলছেন, রাজনীতির আসরে যথেষ্ট ক্ষমতাধর ছিলেন এ  নারী। পঞ্চম রাজবাংশে বিশাল প্রতিপত্তি ছিল হেতপেতের। তার সমাধিতে চিত্রকলার নিদর্শন পাওয়া গেছে। সেখানে হেতপেতকে শিকার করতে ও মাছ ধরতে দেখা গেছে। সমাধিটির সন্ধানে প্রত্নতাত্ত্বিক দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোস্তফা আল ওয়াজিরি। তিনি জানিয়েছেন, সমাধির ভেতর কয়েক জায়গায় হনুমানের ছবি চিত্রায়িত করা হয়েছে। তখনকার দিনে হনুমান পোষা খুব সাধারণ বিষয় ছিল। ছবিতে হনুমানকে কোথাও ফল খেতে, কোথাও অর্কেস্ট্রার সামনে নাচতে দেখা গিয়েছে। সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট। / এআর /

মায়া সভ্যতার ৬০ হাজারের বেশি স্থাপনা আবিষ্কৃত

উত্তর গুয়েতেমালায় একটি জঙ্গলের নিচে ৬০ হাজারেরও বেশি মায়া সভ্যতা নির্মিত স্থাপনার সন্ধ্যান পেয়েছে গবেষকরা। স্যাটেলাইট চ্যানেলের ভিডিও ফুটেজে ধ্বংসপ্রাপ্ত ওই স্থাপনাগুলির খোঁজ পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, মায়া একটি সম্প্রদায়ের নাম, যাদেরকে মেক্সিকান-আমেরিকান নাগরিক হিসেবে ধরা হতো। তবে ওই সম্প্রদায়ের আর কোন লোক অবশিষ্ট নেই। বহুবছর আগে মায়া সভ্যতার বিলুপ্তি ঘটে। এদিকে গহীন ওই জঙ্গলের নিচে ধ্বংসপ্রাপ্ত পুরোনো ঘর-বাড়ি, উঁচু দালান এবং ৯০ ফুট লম্বা একটি পিরামিডের সন্ধ্যান পাওয়া গেছে। তবে ওই পিরামিডকে স্থানীয়রা এতদিন দেখে আসলেও তারা পিরামিডটিকে পাহাড় বলে জানতো। এদিকে লেজার রশ্মি সজ্জিত একটি বিমান থেকে ওই সম্প্রদায়ের ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরীর বিস্তারিত জানার জন্য অসংখ্য ভিডিও ফুটেজ ও স্থির চিত্র নেওয়া হয়। পরে গবেষণায় দেখা যায়, মায়া সভ্যতার লোকেরা একক কোন জাতি ছিল না। সেখানে বিভিন্ন নগরীর মানুষ এসে সমবেত হয়েছিল। এছাড়া,মায়ানদের সম্পর্কে আগে যে ধারণা পোষণ করা হতো, তার চেয়েও অনেক উন্নত ছিল মায়া সম্প্রদায়। এদিকে সভ্যতার দিক থেকে অনেক এগিয়ে ছিল মায়ানরা। সেখানে কৃষিকাজ, সেচসহ প্রতিরক্ষা খাতে বেশ সমৃদ্ধ ছিল মায়ানরা। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থাও ছিল ওই সময়ের জন্য  উন্নত। সেখানে অনেকগুলো পথের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এদিকে মায়া সম্প্রদায় নিয়ে প্রথম খবর প্রকাশ করে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি। এরপরই গবেষণায় নামে প্রত্নতত্ত্ববিদরা। আমেরিকার নিউ অরলিন্সের টুল্যানে ইউনিভার্সিটির গবেষক মার্শেলো কান্টো বলেন, এটি আবিষ্কারের ফলে জানা গেলে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীন নাগরিকরা কিভাবে জীবন-ধারণ করতো ও কিভাবে চলাফেরা করতো। তাদের সভ্যতায় আধুনিকতার ছোঁয়া পাওয়া গেছে। মায়া সম্প্রদায়ের ওই নগরীর আয়তন ছিল ২ হাজার ১০০ বর্গকিলোমিটারের কিছু বেশি। ওই সম্প্রদায়ে অন্তত এক কোটি লোক বাস করতেন বলে জানা গেছে। ওই এলাকাটি গুয়েতেমালা ও মেক্সিকো সীমান্তের কাছে অবস্থিত। আগের গবেষণাগুলোতে যা বলা হয়েছিল, এবারের গবেষণায় ওই সম্প্রদায় নিয়ে আরও ব্যপক ধারণা পাওয়া গেল। এদিকে গত ১০০ বছর ধরে ধারণা করা হচ্ছিল, ওই এলাকায় অন্তত কোন মানুষের বাস হতে পারে না। কারণ এত প্রতিকূল আবহাওয়ায় কোন মানুষ বাস করতে পারে না। আগে ধারণা করা হতো মায়া সম্প্রদায়ের উন্নত কোন অবকাঠামো ছিল না। সেখানে একটি স্বাধীন নগরী ছিল, তবে সেটা ছিল খুবই ছোট। সূত্র: সিএনএন এমজে/

আল্পস একসময় ছিল সাগর

আল্পস পর্বতমালা একসময় সাগর ছিল। আল্পসের চূড়া থেকে পাওয়া প্রবাল, মাছের আশ, শামুকের জীবাশ্ম পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এমনটাই দাবি করেছেন গবেষকরা। সম্প্রতি জার্মানির মিউনিখ শহরের দক্ষিণে অবস্থিত আল্পস পর্বতমালার অংশ ব্রাউনেক পাহাড় থেকে প্রবাল, সামুদ্রিক মাছের আশ ও ঝিনুক পেয়েছেন সমুদ্র গবেষক মার্টিন নোজে ও মিউনিখের লুডভিশ মাক্সিমিলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবাশ্মবিদ ড. আলেকজান্ডার ন্যুটসেল। অধ্যাপক ন্যুটসেল এ বিষয়ে বলেন, আমরা এখানে মেসোজোয়িক যুগের টেথিস বা নিওটেথিস সাগরের অবশিষ্ট দেখেছি। সম্ভবত এখানে কয়েক মিটার ব্যাসের একটি শৈলশিলা ছিল। মূলত আল্পস পর্বতমালার প্রতিটি পাথর প্রবাল ও শ্যাওলার জীবাশ্ম থেকে সৃষ্টি। প্রবাল ছাড়া অতি ক্ষুদ্র শৈবালও চুন সৃষ্টি করতে পারে। সেই চুন লক্ষ্য কোটি বছর ধরে সমুদ্রবক্ষে জমা হয়ে তিন কিলোমিটার পুরু একটি স্তর সৃষ্টি করেছে।জীবাশ্মবিদ অধ্যাপক আলেকজান্ডার ন্যুটসেল বলেন, আল্পসের উপরে সব কিছু ফসিলে ভর্তি। সর্বত্র ঝিনুক পড়ে রয়েছে। যেসব পাথরকুচি পড়ে রয়েছে, সে সবের অনেকই ঝিনুকের টুকরো। সম্ভবত কোটি কোটি বছর আগে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে এত ঝিনুক মারা পড়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এই অ্যামোনাইট সেফালোপডগুলো বিশ কোটি বছর আগে বেঁচে ছিল। বিজ্ঞানীদের ভাষ্য, আফ্রিকা আর ইউরোপ মহাদেশের টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষে আল্পস পর্বতমালার সৃষ্টি হয়েছিল। দশ কোটি বছর আগে  আফ্রিকা যখন ইউরোপের দিকে আসতে শুরু করে, তখন সাগরের নিচে মাটির স্তর ভেঙে আফ্রিকার নিচে ঢুকে যায়। দুই মহাদেশের মধ্যে ৬ হাজার মিটার উঁচু একটি ভাঁজ সৃষ্টি হয়, যা আজকের আল্পস। কোটি কোটি বছরের ঝড় ও বাতাসে তার উচ্চতা অনেক কমে গেছে। তবে দুই মহাদেশের ধাক্কা এখনও শেষ হয়নি। খুব ধীরে আজও চলছে তা। যার চাপে আল্পস কোনো এক সময় আবার বাড়তে শুরু করেছে। এর ফলেই আদি টেথিস সাগরের নিচে থাকা প্রাণীদের জীবাশ্ম আরও উঁচুতে উঠে আসছে। সূত্র : ডয়েচে ভেলে/ এআর /

৯০ কোটি বছর আগের জীবাশ্ম উদ্ধার

শিশু মানেই কৌতুহল। শিশু মানেই অজানাকে জানার আকাঙ্ক্ষা। শিশু মানেই বদ্ধ দরজা ভেদ করে নতুনের কাছে যাওয়ার প্রত্যয়। তবে সেই নতুনকে খুঁজতে গিয়ে পৃথিবীর-ই প্রথম আবিষ্কার করে বসলেন, তা কি কেউ ভেবেছিলেন? হ্যা, পাঠক! এমটাই ঘটেছে কানাডার লা ক্যানডেলারিয়ার একটি আশ্রমে। ১০ বছর বয়সী বালক এলাকাটিতে ঘুরতে গিয়ে বিরল একটি জীবাশ্মের সন্ধ্যান পান। তবে সেটা ছিল পৃথিবীতে আবিষ্কৃত একেবারে ভিন্ন একটি প্রজাতির মাছ, যে প্রজাতির মাছ আগে কখনো আবিষ্কৃত হয়নি। ভ্রমণে গিয়ে ওই তরুণ দেখতে পান পাখাসহ একটি প্রাণী পাথরে গায়ে লেগে রয়েছে। তৎক্ষনাৎ সে ছবি তুলে নেয়। পরে ছবিটি নিয়ে সে প্রত্নতত্ত্ব গবেষণাকেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানায়, এটি পৃথিবীর মধ্যে আবিষ্কৃত প্রথম কোন ভিন্ন প্রজাতির মাছ। তবে যে জীবাশ্মটি পাওয়া গেছে, তা আজ থেকে ৯ কোটি বছর আগে বিলীন হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এদের কোন নতুন প্রজাতি বর্তমানে অবশিষ্ট নেই। গবেষকরা বলছে এটি মাছের একটি জীবাশ্ম। আলবার্টা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর অ্যালিসন মুরে বলেন, ওই ভ্রমণকারীকে শনাক্ত করেছে। শুধু তাই নয় তার কাছ থেকে পাওয়া ফটোগ্রাফ দেখে তারা ওই এলাকায় ভ্রমণ করেন। পরিদর্শন শেষে গবেষকরা বলছেন, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোনো মাছের জীবাশ্ম। এটি লিজার্ড মাছের জীবাশ্ম বলে মনে করছেন তারা। তারা আরও বলেন, এ ধরণের সম্পূনন্ জীবাশ্ম পাওয়া একেবারেই দুরূহ। তবে জীবাশ্মটি এখনও সেখানে অক্ষত রয়েছে বলেও জানান গবেষকরা। সূত্র: জি নিউজএমজে/

সুন্দরী উট প্রতিযোগিতা

জীবনে তো অনেক সুন্দরী প্রতিযোগিতার কথা শুনেছেন এবং দেখেছেন। কিন্তু উটেরও যে সুন্দরী প্রতিযোগিতা হয় তা কী আগে জানতেন? যদি জেনে না থাকেন তাহলে আসুন আজ জেনে নেই। মধ্যপ্রাচের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতি বছর আয়োজিত হয় এ প্রতিযোগিতা। এখান থেকেই নির্বাচিত হয় সেরা ‘সুন্দরী উট’। পুরো জানুয়ারি মাস জুড়ে চলে এ প্রতিযোগিতা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের যুবরাজ শেইখ সুলতান বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান এর নামানুসারে এ প্রতিযোগিতার নাম ছিল ‘শেইখ সুলতান বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ক্যামেল ফেস্টিভ্যাল’। গত বৃহস্পতিবার ছিল এবারের আসরের শেষ দিন। সুলতান জায়েদ আল-নাহিয়ানের ওয়েবসাইট থেকে জানা যায়, আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবির শিউহান রেসকোর্সে আয়োজিত হয় এ অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন আমিরাতের যুবরাজ এবং শাসক শেইখ খলিফা এর সহোদর শেইখ সুলতান বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান। সেরা সুন্দরী হওয়া উটকে নিজ হাতে আরবের ঐতিহ্যবাহী “জাফরান” মাখিয়ে দেন সুলতান। আরবের দেশগুলোতে ‘উট প্রতিযোগিতা’ একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা। প্রতিযোগিতার পাশাপাশি নির্বাচন করা হয় সেরা সুন্দরী উটও। রাজ পরিবার থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় যে, দেশটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অব্যাহত রাখতেই প্রতি বছরের মত এবারও আয়োজন করা এ প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতা উপলক্ষ্যে আমিরাত বিভিন্ন রাজ্য থেকে এবং আরবের অন্যান্য দেশ থেকেও উট ব্যবসায়ীরা সিউহান প্রদেশে জমায়েত করে থাকেন। এ বছর এক হাজারেরো বেশি উট নিয়ে আসেন ব্যবসায়ীরা। আর এতে অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হয় প্রদেশটি। সূত্র: শেইখ সুলতান বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ওয়েবসাইট এসএইচএস/টিকে

স্কুলবাসের সমান ডাইনোসর

লম্বা গলার চার পায়ের একটি ডাইনোসরের জীবাশ্মের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন প্রজাতির এই ডাইনোসরের জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়া গেছে মিসরে সাহারা মরুভূমিতে। মিসরের মানসোরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুদণ্ডী জীবাশ্মবিজ্ঞানীরা এটি আবিস্কার করেন। স্কুলবাসের সমান বড় এই ডাইনোসর আট কোটি বছর আগে ওই অঞ্চলে ঘুরে বেড়াত বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষকেরা জানিয়েছেন, ক্রিটেসিয়াস যুগের ওই ডাইনোসরটির নাম মানসোরাসরাস শাহিনি। ৩৩ ফুট লম্বা এই তৃণভোজী প্রাণীটির ওজন ছিল সাড়ে পাঁচ টন। আবিস্কার সম্পর্কে সব তথ্য নেচার ইকোলজি অ্যান্ড ইভলিউশন পত্রিকায় গত সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। এ আবিস্কারকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এর ফলে বেশ কিছু অজানা রহস্যের সমাধান মিলতে পারে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। সূত্র: রয়টার্স একে// এআর

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি