ঢাকা, শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০১৭ ১৯:৫৯:৪৩

বিশ্বের সবচেয়ে দামি রেস্টুরেন্ট

বিশ্বের সবচেয়ে দামি রেস্টুরেন্ট

বর্তমানে রেস্টুরেন্ট বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মানুষ তার প্রিয়জনকে নিয়ে যায় রেস্টুরেন্টে। কে কত নামীদামী রেস্টুরেন্ট খেয়েছেন এ নিয়ে আলোচনা হয় হরহামেশাই। কিন্তু আপনি কি চিন্তা করেছেন যে বিশ্বের সবচেয়ে দামী রেস্টুরেন্ট কোনটি? পৃথিবীর সবচেয়ে দামি রেস্টুরেন্ট হিসেবে স্পেনের ইবিজা দ্বীপের হার্ডরক সাবলিমোশন হল হলো পৃথিবীর সবচেয়ে দামী রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটি নির্মিত হয়েছিল ২০১৪ সালে। এ হোটেলের ভেতরে মাত্র ১২ সিট রয়েছে যেখানে একসাথে ১২ জন বসে খেতে পারবেন। একবেলা খেতে এই রেস্টুরেন্টে প্রতিজনের ব্যয় হয় অন্তত ২ হাজার ডলার। যা প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকারও বেশি! এখানে ১৫-২০ ধরনের খাবার পাওয়া যায়। রেস্টুরেন্টের প্রধান শেফ প্যাকো রেনচেরো তিন তারকা প্রাপ্ত একজন বিখ্যাত শেফ। মেশিলিন স্টারপ্রাপ্ত শেফরা রয়েছেন এখানে।  মেশিলিন স্টার মূলত রেস্টুরেন্টের মান যাচাই করার একটি পদ্ধতি। ফ্রান্সের একটি প্রতিষ্ঠান ১শ’বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট যাচাই করে তাদের নতুন স্টার দেয় বা পূর্বের স্টার ছিনিয়ে নেয়। ৩টি স্টার পাওয়া রেস্টুরেন্ট এবং এর শেফরা সবচেয়ে সেরা হিসেবে বিবেচিত হয়। এম/ডব্লিউএন
গ্রিসের মন্দিরগুলোর পেছনের রহস্য

প্রাচীন গ্রিসের মন্দিরগুলো রহস্যের ঘেরাটোপে আবদ্ধ। গবেষণায় দেখা গছেে যে, প্রাচীন গ্রিক মন্দিরগুলি নির্মাণের ক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানমূলক অভিপ্রায় থাকতে পারে। কিন্তু কীভাবে সম্ভব! পরিস্কার সায় এথেন্সের ফিলোপাপ্পো পর্বতের টালি পাথরের রাস্তাটা দেখলে অবাক না হয়ে পারা যায় না। অবাক দৃষ্টিতে তাকাতে তাকাতে মনে অবশ্যই প্রশ্ন জাগবে, ওখানকার তারাগুলো কেন এত বেশি ঝলমল করছে? এর উত্তর হতে পারে, প্রাচীন গ্রীসের বাসিন্দারা খুবই বুদ্ধিমান ছিল। তারা জানতো কোথায় তাদের পবিত্র স্থানগুলো কোথায় নির্মাণ করতে হবে। এই স্থানগুলি আমাদের চেয়ে অনেক মহান কিছু নির্দেশ করে। জোতিবিদ্যা সম্পর্কে উৎসাহিত অনেকেই বিশ্বাস করেন যে, পৃথিবীর বসতি অংশ ও আকাশের গ্রহগুলোকে শ্রেণীবদ্ধ করতে গ্রিক মন্দিরগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। মনোলো ফার্নান্দেজ নামের একজন স্পেনিস ভাষা শিক্ষক বলেছেন যে, গ্রিকের মন্দিরগুলো এলোপাতারি নয়।  দেখা যায় যে, সনিওনের পসেইডন মন্দির এথেন্সের হেপাস্থেইন মন্দির, এগিনার আফায়া এথেনিয়া মন্দিরের সঙ্গে একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ গঠন করেছে। দেলফির এপোলো, এগিনার আফাইয়া এবং পার্থেনন মিলেও সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ গঠন করেছে। ত্রিভূজগুলি পৃথিবীর পৃষ্ঠের সঙ্গে সম্পর্কিত সূর্য, চাঁদ বা গ্রহ এবং নক্ষত্রগুলির বিভিন্ন স্বর্গীয় সংস্থাগুলির আন্দোলনকে প্রতিফলিত করে। সূর্যের মত মহাজাগতিক বস্তুর বিভিন্ন কর্মকান্ডের ফলেই এই ত্রিভূজগুলো সৃষ্টি হয়েছে। চাঁদ, গ্রহ ও তারা পৃথিবী পৃষ্ঠের সঙ্গে সম্পর্কিত। টেলিস্কোপের মধ্য দিয়ে চাঁদ, শনি, মঙ্গল এবং বিভিন্ন নক্ষত্রপুঞ্জ  দেখে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস হয় যে, পৃথিবীর আদি অংশকে আকাশে গ্রহের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য গ্রীকদের মন্দিরগুলি নির্মিত হয়েছিল। গ্রীসে ত্রিভূজীয় ধারণা নতুন কিছু নয়, এটি পবিত্র ভূগোলের একটি উদাহরণ। ধর্মীয় স্থাপনাগুলো জ্যোতিবিদ্যা বা পুরাণ অনুযায়ী অবস্থিত ছিল। ষাটের দশকে ফ্রান্সের ইউনিভার্সিটি অব নাইস সোফিয়া এন্টি পোলিসরে সাহিত্যরে অধ্যাপক জেন রিচার এটাকে ‘মহান নকশা’ বলে অবহিত করেন। তিনি মনে করতেন যে, রাশিচক্রের ১২টি লক্ষণকে প্রতিফলিত করে গ্রিসকে ১২টি সেক্টরে ভাগ করা যাবে। পবিত্র ভূগোল সম্পর্কিত লিচারের এই তত্ত¡টি প্রচলিত বিজ্ঞানের কাছ থেকে যথাযথ মূল্যয়ন পায়নি কারণ এগুলো কখনো প্রমান করা যায়নি। **বিবিসি থেকে ভাষান্তর করেছেন মাহবুবুর রহমান। //এআর

চীনামাটির বাটি ৩১১ কোটি দামে বিক্রি!

চীনে হাজার বছরের পুরনো সং রাজবংশের একটি চীনামাটির বাটি ৩১১ কোটি টাকারও বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। শুনে হয়তো অবাক হবেন সবাই? অনেকে মনে করতে পারেন এটি কোনো মুখোরোচক গল্প। তবে এটি সত্যি ঘটনা! মঙ্গলবার হংকংয়ে নিলামে বিক্রি হয় বহুমূল্যের বিরল এই বাটি। চীনে চীনামাটির তৈজসপত্রের মূল্যের বিচারে এটিই সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হয়েছে। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে এতথ্য জানানো হয়েছে। নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সথবিস এটি নিলামে তোলে। রু-ওয়্যার নামে এই বাটি ব্রাশ ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা হতো। সথবিস জানিয়েছে, মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে নিলাম হাঁকা শেষ হয়। নিলাম কক্ষে এক ক্রেতা বাদে বাকিরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দরকষাকষিতে অংশ নেন। নীল-সবুজ রংয়ের বাটিটির ব্যাস মাত্র পাঁচ ইঞ্চি। চীনে এটি লেখা ও চিত্রাংকনের ব্রাস ধোয়ার কাজে ব্যবহার করা হতো। তবে এর বহুবিধ ব্যবহার সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। প্রাচীন এই ক্ষুদ্র বাটির দামই আজ ৩১১ কোটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ছোট বাটিটি যিনি এত টাকা দিয়ে কিনেছেন, তিনি তার নাম গোপন রেখেছেন। ক্রেতার অনিচ্ছা থাকলে নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সাধারণত তার নাম প্রকাশ করে না। ১০০ কোটি টাকা থেকে নিলাম শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নিলামে অংশ নেওয়া এক ক্রেতা চড়া দাম হাঁকান এবং সেখানেই নিলাম শেষ হয়। সথবিস-এর চীনা শিল্পবিষয়ক প্রধান নিকোলাস চো বলেছেন, `বাটিটি অসাধারণভাবে বিরল।`  ` তিনি আরো বলেন, `এত দাম পাব, আমাদের ধারণা ছিল না কিন্তু আমরা জানতাম দরকষাকষির একটি যুদ্ধ হতে যাচ্ছে। ২০১৪ সালে মিং রাজবংশের একটি বাটি ২৯৫ কোটি ১১ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। বাটিটি মদের পাত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেটি কিনেছিলেন চীনা ধনকুবের লিউ ইকিয়ান। ` কেআই/ডব্লিউএন

বিশ্বের অদ্ভূত যত্ত সব প্রতিযোগিতা

প্রতিযোগিতা মানেই উচ্ছাস, উন্মাদনা। সৃষ্টির উষালগ্ন থেকেই বিশ্বের দেশে দেশে নানা ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে। কিন্তু এমন কিছু প্রতিযোগিতা আছে যা শুধু বিনোদনই নয়, বরং বিভিন্ন সমাজ সভ্যতার চলও বলা চলে। এগুলো যে শুধু পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীতেই হয়ে থাকে এমন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মত আধুনিক সমাজ ব্যবস্থার ঐতিহ্যও এগুলো। কঠিন এসব প্রতিযোগিতায় জয়ীরা পান আকর্ষণীয় সব উপহার। যেমন-বউদৌড় প্রতিযোগিতায় জয়ী পান বউয়ের ওজনের পাঁচগুন বিয়ার ও নগদ অর্থ। এমন অদ্ভূত পাঁচ প্রতিযোগিতা নিয়ে এই আয়োজন। বউ কাধে নিয়ে দৌড়প্রতিযোগিতার নাম ‘স্পোর্ট অব ওয়াইফ ক্যারিং চ্যাম্পিয়নশিপ’। ১৯৯১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মাইনে রাজ্যের অক্সফোর্ড কাউন্টিতে এ প্রতিযোগিতা শুরু। এ খেলার ধরন হচ্ছে-আস্ত বউ ঘাড়ে নিয়ে স্বামীকে দৌড়াতে হয়। পাড়ি দিতে হয় কঠিন কঠিন বাধা, যেমন বালি ও কাদার ফাঁদ ইত্যাদি। এতে ২১ বছর বয়সোর্ধ অবিবাহিতরাও অংশ নিতে পারেন। বিজয়ী জুটির জন্য রয়েছে আকর্ষনীয় উপহার। বউয়ের ওজনের পাঁচগুণ পরিমাণের বিয়ার এবং নগদ অর্থ উপহার।মরিচ খাওয়াতরকারিতে ঝাল বেশি হলে চোখের পানি নাকের পানি একাকার হয়ে যায়। মুখে লাগা ঝালের তেজ কমাতে গ্লাসের পর গ্লাস পানি খান। কিন্তু চীনে অনুষ্ঠিত হয় এই ঝাল খাওয়ারই প্রতিযোগিতা। একের পর এক মুখে পুরছেন লাল টকটকে কাঁচামরিচ। মসলাদার খাবারের জন্য প্রসিদ্ধ হুনান প্রদেশে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতেই এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।মুরগি দৌড়ইংল্যান্ডের ডার্বিশায়ারে মুরগির দৌড় প্রতিযোগিতার ঐতিহ্য প্রায় ১০০ বছরের। এ প্রতিযোগিতায় প্রশিক্ষিত মুরগিকে ২০ গজ দৌড়ে পার হতে হয়। ২০১৭ সালের এ প্রতিযোগিতায় ৯ বছর বয়সী স্কুলছাত্র জ্যাক অ্যালস্পের মুরগি বিজয়ী হয়েছে। ২০১৫ এবং ২০১৬ সালের প্রত্যেকটি ইভেন্টেও তার মুরগি জিতেছিল।শিশুর কান্না প্রতিযোগিতাজাপানে চার শতাব্দী ধরে শিশুদের কান্না প্রতিযোগিতা হয়ে আসছে। এই খেলার নাম ‘সুমো’। মাত্র হাঁটতে শিখেছে এমন শিশুদের নিয়ে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই সুমো প্রতিযোগিতা শিশুদের সুস্থতা এনে দিতে পারে। দুজন পূর্ণবয়স্ক সুমো কুস্তিগির মুখোমুখি দুটি শিশুকে তুলে ধরেন। শিশুদের পরনেও সুমো খেলার খুদে সাজপোশাক থাকে। এ সময় তারা চেঁচিয়ে কাঁদে। বিজয়ী শিশুর মাথায় পরিয়ে দেয়া হয় মুকুট।ডিম ছোড়াডিম ছোড়া শুধু কি ক্ষোভ মেটানোর মাধ্যম? ব্রিটেনের ল্যাঙ্কাশায়ারে গেলে এ ধারণা বদলে যাবে। এখানে ডিম ছোড়া একটা বিনোদন। ওয়ার্ল্ড এগ থ্রোয়িং ফেডারেশন নামে একটি সংস্থা ১২ বছর ধরে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। একটি নির্দিষ্ট জায়গায় দাঁড়ানো একজনকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে হয়। যিনি নিখুঁতভাবে ডিম মুখে ছুড়তে পারেন তিনিই চ্যাম্পিয়ন।//এআর

অদ্ভূত ক্যামেরা

ভিডিও করার সময় হাত কাঁপে অনেক ফটোগ্রাফারদের। এই কাঁপাকাঁপি থামাতে পেশাদার ফটোগ্রাফাররা ট্রাইপড ব্যবহার করে থাকেন তারা।  কিন্তু সাধারণ মানুষের পক্ষে সবখানে ট্রাইপড বয়ে বেড়ানো সহজ কোনো কাজ নয়।তাই হাতের কাঁপন থামাতে ও ট্রাইপডের ভার এড়াতে উদ্ভাবন করা হয়েছে গলায় ঝোলানোর একটি পরিধেয় ক্যামেরা। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফ্রন্টরো’।অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চালিত এই ডিভাইসটির সামনে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। পেছনে থাকা মূল ক্যামেরাটি ৮ মেগাপিক্সেলের। ৫৫ গ্রাম ওজনের এই ডিভাইসে আছে ১ দশমিক ৯৬ ইঞ্চির গোলাকার ডিসপ্লে। সঙ্গে আছে ২ জিবি র‌্যাম এবং ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ।ওয়াইফাই কানেক্ট করার সুবিধা থাকায় ডিভাইসটি দিয়ে ফেসবুক, ইউটিউব বা টুইটার থেকে লাইভ ভিডিও করা যাবে। একবার ফুল চার্জ দিলে ক্যামেরাটি দিয়ে একটানা দুই ঘণ্টা ভিডিও করা যাবে।পরিধেয় এই ক্যামেরার দাম রাখা হয়েছে ৪০০ ডলার। বর্তমানে অ্যামজন ডট কমে এটি ব্ল্যাক ও রোজ গোল্ড রঙে পাওয়া যাচ্ছে।সূত্র : অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ। //এআর

পানি ছাড়াই মাছ চাষ!

বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১০ কোটি টন মাছের প্রয়োজন হয় ৷ মাছের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যোগান নিয়েও সমস্যা দেখা দিচ্ছে ৷ মাত্রাতিরিক্ত মাছ ধরার ফলে সমুদ্রে মাছ কমে আসছে ৷ আর এই সমস্যা কাটাতে জার্মান গবেষকরা অ্যাকোয়াকালচারে টেকসই পদ্ধতিতে মাছ চাষের মাধ্যমে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন৷ কৃত্রিম ব্রিডিং বা প্রতিপালনের মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে তাদের মাছ পালনের প্রক্রিয়া কতটা সফল তা এখনো স্পষ্ট নয় ৷ জার্মানির এক গবেষণা কেন্দ্রে এ সংক্রান্ত সব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে৷ বিজ্ঞানীরা সেখানে মিষ্টি ও লবণাক্ত পানির মাছের প্রতিপালন ঘটাতে কাজ করছে৷ কৃষিবিজ্ঞানী প্রো. কার্স্টেন শুলৎস বলেন, বিশ্বে বেড়ে চলা জনসংখ্যার কারণে মাছের চাহিদাও বাড়ছে। শুধু মাছ ধরে সেই চাহিদা মেটানো যাবে না৷ এর জন্য অ্যাকোয়াকালচারে উৎপাদন আরও বাড়াতে হবে ৷ এভাবে আমরা মাছের জোগান বাড়াতে পারি। সূত্র : ডয়েচে ভেলে। /আর/এআর  

পাখিদের জন্য ‘বিমানবন্দর’

এবার অতিথি পাখিদের জন্য ‘বিমানবন্দর’ (অনেকটা অভয়ারণ্যের মত) তৈরি করছে চীন। দেশটির বন্দরনগরী তিয়ানজিনে এটি তৈরি করা হবে। এ অঞ্চলটি ‘ইস্ট এশিয়ান-অস্ট্রেলেশিয়ান ফ্লাইওয়ে’র মধ্যে অবস্থিত৷ অতিথি পাখিরা বিশ্বের যে নয়টি ফ্লাইওয়ে ব্যবহার করে থাকে, তার মধ্যে এটি একটি ৷ প্রতিবছর ৫০ মিলিয়ন অতিথি পাখি এই ফ্লাইওয়ে দিয়ে উড়ে যায় ৷ যা থাকবে: পাখিদের জন্য তৈরি বিশ্বের প্রথম বিমানবন্দর এটি ৷ পাখিদের জন্য টেক অফ আর ল্যান্ডিংয়ের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে সেখানে৷ আশা করা হচ্ছে, সেখানে প্রায় ৫০ প্রজাতির (কয়েকটি বিলুপ্তির মুখে) অতিথি জলচর পাখি  আশ্রয় নেবে। অভয়ারণ্যটি ৬১ হেক্টর জায়গার উপর গড়ে তোলা হবে ৷ সেখানে পাখিদের আশ্রয় নেয়ার জন্য থাকবে লেক, ঘাসের মতো ছোট উদ্ভিদের সমারোহ ইত্যাদি ৷ এছাড়া প্রায় ২০ হেক্টর এলাকা জুড়ে থাকবে বন৷ টার্মিনাল: যেহেতু এটি ‘বিমানবন্দর’ তাই টার্মিনাল থাকবেই। কিন্তু সেখানে থাকবে না কোনো চেক-ইন কাউন্টার। এর পরিবর্তে ‘লিনগাঙ বার্ড স্যাংচুয়ারি’র টার্মিনাল থেকে পর্যটকরা পাখি দেখতে পারবেন ৷ গবেষণা কেন্দ্র: ‘ওয়াটার প্যাভিলিয়ন’ নামে একটি গবেষণা কেন্দ্র থাকবে সেখানে। এ গবেষণাগারের মাধ্যমে পাখি বিষয়ক গবেষণায় নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করতে চায় চীন৷ সেখানে হাঁটা ও সাইকেল চালানোর জন্য পথও তৈরি করা হবে৷ চীনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৮ সালেই অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠার কাজ শেষ হবে। সূত্র : ডয়েচে ভেলে। /আর/এআর

গাজর ভেবে গাড়িতে কামড়ায় গাধা, অতপর মামলা

জার্মানিতে একটি দামী স্পোর্টস কারের একজন মালিক একটি গাধার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এবং এতে জয়লাভ হয়েছেন। মার্কাস জাহ্ন নামের এই লোক গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে তার বহুমূল্য ম্যাকলারেন স্পাইডার স্পোর্টস কারটি ভোগেলসবার্গ শহরের একটি আস্তাবলের কাছে পার্ক করেন। ফিরে এসে তিনি দেখেন যে গাড়ির পেছন দিকের অংশটি কেউ চিবিয়ে খেয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে। খোঁজখবর নিয়ে তিনি বুঝতে পারেন যে এই কাজটি ছিল ঐ আস্তাবলের ভাইটাস নামের এক ক্ষুধার্ত গাধার। স্থানীয় পুলিশের ধারণা, কমলা রঙের গাড়িটিকে ঐ গাধা একটি বিশাল গাজর বলে ভুল করে থাকতে পারে। এরপর ঐ গাড়ির মালিক গাধার মালিকের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার রায়ে আদালত ৬৮০০ ডলার ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য ভাইটাসের মালিককে আদেশ দেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে গাধার মালিক আপিল করবেন বলে জানা যাচ্ছে। তার যুক্তি, এই ঘটনায় ভাইটাসের কোনো দোষ নেই। আর তিন লাখ ১০ হাজার ইউরো দামের এই গাড়িটিকে আস্তাবলের পাশে পার্ক করে রাখা গাড়ির মালিকের মোটেই উচিত হয়নি বলেও তিনি বলছেন। আরকে/ডব্লিউএন

মানব ভ্রূণে অস্ত্রোপচার

মানবভ্রুনে ডিএনএ সার্জারির মাধ্যমে রোগ নিরাময় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন চীনের একদল চিকিৎসাবিজ্ঞানী। সান ইয়াত সেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষক দল জানাচ্ছে, মানবদেহের জেনেটিক কোড সংশোধন করে এটা সম্ভব। এবারই প্রথম মানব ভ্রূণে ‘রাসায়নিক অস্ত্রোপচার’ করে রোগ নিরাময়ের দাবি করলেন বিজ্ঞানীরা। সান ইয়াত-সেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এই অস্ত্রোপচার করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি বলেছে, ভ্রূণের মূল উপাদান সম্পাদনা প্রযুক্তির ব্যবহার করে গবেষকেরা জেনেটিক কোডে ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করতে সক্ষম হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বেটা-থ্যালাসেমিয়া রোগ নিরাময়ে গবেষণাগারে তৈরি ভ্রূণ সম্পাদনা করেছেন ওই বিজ্ঞানীরা। অ্যাডেনিন, সাইটোসিন, গুয়ানিন ও থাইমিন—এই চারটি হলো ডিএনএর মূল উপাদান। এই উপাদানগুলো যথাক্রমে এগুলোর নামের আদ্যক্ষর ‘এ’, ‘সি’, ‘জি’ ও ‘টি’ দিয়ে পরিচিত। চীনের ওই বিজ্ঞানীরা ভ্রূণ সম্পাদনার ক্ষেত্রে এই উপাদানগুলোতেই রদবদল এনেছেন। জার্মানির স্প্রিঙ্গার সায়েন্স প্লাস বিজনেস মিডিয়ার প্রোটিন অ্যান্ড সেল সাময়িকীতে এ-সংক্রান্ত গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে। রক্তে হিমোগ্লোবিন শিকলে বেটা চেইন সংশ্লেষণের অনুপস্থিতির কারণে প্রাণঘাতী বেটা-থ্যালাসেমিয়া রোগ হয়। জেনেটিক কোডে একটি মাত্র মূল উপাদানজনিত ত্রুটির কারণে জন্মগত এই রোগে আক্রান্ত হয় মানুষ। চীনের বিজ্ঞানীরা এই ত্রুটি সারতে ডিএনএ স্ক্যান করে ‘জি’ উপাদানকে ‘এ’তে রূপান্তরিত করেছেন। গবেষক দলের একজন জুনজিউ হুয়াং দাবি করেন, মূল উপাদান সম্পাদনাব্যবস্থার মাধ্যমে রোগ নিরাময়ে তাঁরাই প্রথম সফল হয়েছেন। রক্তে ত্রুটি আছে এমন একজন রোগীর শরীর থেকে টিস্যু নিয়ে ক্লোনিংয়ের মাধ্যমে তাঁরা প্রথমে গবেষণাগারে মানবভ্রূণটি পান। তারপর ভ্রূণটি সম্পাদনা করে রোগটি সারিয়ে তোলেন বলে জানান এই গবেষক। চীনের গবেষকদের এই ভ্রূণ সম্পাদনাকে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড লিউ ‘রাসায়নিক অস্ত্রোপচার’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। ভ্রূণ সম্পাদনায় বর্তমানে আলোচিত সিআরআইএসপিআর প্রযুক্তির তুলনায় এই প্রযুক্তির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম হবে বলে তিনি মনে করছেন।সূত্র : বিবিসি।//এআর

নিজেকে বিয়ে করলেন ইতালির এক নারী

নিজেকে নিজেই বিয়ে করেছেন ইতালির ৪০ বছরের ফিটনেস ট্রেইনার ল্যরা মেসি। বিয়ে উপলক্ষ্যে সাজসজ্জা কিংবা উৎসবের কোনোই কমতি ছিলনা। কিন্তু বর ও কনে তিনি নিজেই। বিয়েতে সাদা বিয়ের গাউন পরেছেন মেসি। তিন স্তরের কেক কেটেছেন। ৭০ জন অতিথিও ছিলেন। নিজেই নিজেকে বিয়ে করার কারণ সম্পর্কে মেসি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটি মানুষের প্রথম ভালোবাসার মানুষ হওয়া উচিৎ সে নিজেই। একজন রাজপুত্র ছাড়াও পূর্নাঙ্গ একটি রূপকথা সম্ভব। এর আগে গত মা মাসে ইতালির নেপলস শহরে নেলো রুগিয়েরো নামে এক পুরুষ নিজেকে বিয়ে করেছেন। ল্যরা মেসি বলছেন, ১২টি প্রেমের সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবার পর দুই বছর আগে তার ভেতরে সোলোগামিতার ধারনা গেঁড়ে বসে। সিদ্ধান্ত নেন, নিজেকেই তিনি বিয়ে করবেন। বলেন, আমি আমার স্বজন বন্ধুদের বললাম, ৪০ বছরের জন্মদিনও যদি মনের মানুষ না পাই, আমি নিজেকেই বিয়ে করবো। কোনোদিন যদি এমন পুরুষ পাই যার সাথে ভবিষ্যৎ গড়তে পারি, আমি খুশি হবো। তবে আমার সুখ কখনই তার ওপর নির্ভর করবে না। বিশ্বের দেশে দেশে এখন নিজেকে বিয়ে করার বা `সোলোগামিতা`র প্রবণতা বাড়ছে। নিজেকে নিজেই বিয়ে করার প্রবণতা উত্তর আমেরিকাতেও ইদানীং বেশ দেখা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে `আই ম্যারিড মি (আমি আমাকে বিয়ে করেছি)` নামে একটি ওয়েবসাইটে এ ধরণের বিয়ের সামগ্রী বিক্রি হচেছ। কানাডায় `ম্যারি ইয়োরসেলফ ভ্যাংকুভার` নামে একটি এজেন্সি এ ধরণের বিয়ে আয়োজনে গত একবছর ধরে কাজ করছে। তারা বলছে, একা মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকায় এ ধরণের `সোলো` বিয়ের প্রবণতাও বাড়ছে। সূত্র : বিবিসি বাংলা।

বাজারে এলো ডুবন্ত গাড়ি

এবার পানির নিচ দিয়ে চলবে গাড়ি। ‘সাবমেরিন স্পোর্টস কার’ নামের এই ডুবন্ত গাড়ি বাজারে আনতে চলেছে হ্যামশার ক্লেমার। কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল উড়ন্ত গাড়ির কথা। এই গাড়ি রাস্তায় চলার পাশাপাশি আকাশে উড়তেও সক্ষম। তবে এই ডুবন্ত গাড়ি চমকে দিয়েছে বিশ্বের গাড়ি বাজারকে। জেমন বন্ডের ছবি ‘দ্য স্পাই হি লাভস মি’দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই এই গাড়িটি তৈরি করা হয়েছে বলেই জানিয়েছে হ্যামশাল স্ক্লেমার নামের সংস্থাটি। বৈদ্যুতিক মোটর চালিত এই গাড়িটি রাস্তায় চলার পাশাপাশি পানির তলায় ঘন্টায় ১২১ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম। এই গাড়ির দাম ধার্য করা হয়েছে ২০ লাখ মার্কিন ডলার। সূত্র: কলকাতা২৪ এম/ডব্লিউএন  

পিরামিড তৈরিতে লাগে এক লাখ ৭০ হাজার টন চুনাপাথর

মিসরের পিরামিড পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তম আশ্চর্যের একটি। তবে পিরামিড কিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল সে নিয়ে রহস্যের জট খোলা এতোদিন সম্ভব হয়নি। তবে সম্প্রতি দেশটির কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক দাবি করেছেন, তারা সেই রহস্যের জট অনেকটাই খুলতে সক্ষম হয়েছেন। দি ইনডিপেনডেন্টে এ সম্পর্কে বলা হয়, দীর্ঘ গবেষণার পর প্রত্নতাত্ত্বিকদের দাবি, মিসরের কায়রোর অদূরে নীল নদের পশ্চিম তীরের শহর গিজায় পিরামিড তৈরিতে এক লাখ ৭০ হাজার টন ওজনের চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়েছিল। সেগুলো নদীপথে নৌকায় করে আনা হয়। এই বিশাল পাথর বহনের উদ্দেশ্যেই ওই সময় তৈরি করা হয় বিশেষ ধরনের নৌকাগুলো। আর সেই নৌকা দিয়ে নীল নদের তীরে অবস্থিত দেশের দক্ষিণাঞ্চলের শহর অসান থেকে প্রায় ৫৩৩ মাইল বহন করে গিজায় পাথরগুলো পরিবহন করা হয়। আর এভাবেই তৈরি হয় চার হাজার বছর আগে মিসরের সম্রাট কুফুর পিরামিড। প্রত্নতাত্ত্বিকদের দাবি, নীল নদ দিয়ে এই বিশালাকার পাথর বহন করে নিয়ে আসতে কাজ করেছিল হাজার হাজার প্রশিক্ষিত শ্রমিক। তারা আরো বলেন, পিরামিড পরিবহনে ব্যবহার করা কিছু নৌকা ও তাতে ব্যবহৃত দড়ির সন্ধানও তাঁরা পেয়েছেন। সেগুলোর অবস্থা এখনো অনেক ভালো। পিরামিড নির্মাণের রহস্য উন্মোচন বিষয়ে চ্যানেল ফোর ‘ইজিপ্টস গ্রেট পিরামিড : দ্য নিউ এভিডেন্স’ শিরোনামে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছে। সেই প্রামাণ্যচিত্রে পিরামিডের নির্মাণ নিয়ে কাজ করা দলের তত্ত্বাবধায়ক পিয়ার টেল বলেন, ‘বিশ্বের প্রাচীনতম পিরামিড কীভাবে নির্মাণ করা হয়েছে তার জোরালো প্রমাণ, তথ্য-উপাত্ত আমাদের কাছে রয়েছে।’ তবে এ নিয়ে মিশরের কয়েকজন প্রত্নতত্ত্ববিদ তাদের এ মতকে সমর্থন করেননি । সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্টে এম/এআর        

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি