ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৭ ৩:১১:২০

৪০ লাখ ইউরোতে বিক্রি হলো জার্মানির যে গ্রাম

৪০ লাখ ইউরোতে বিক্রি হলো জার্মানির যে গ্রাম

মাত্র এক লাখ ৪০ হাজার ইউরোতে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি কিনে নিলেন বার্লিন থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জার্মানির ছোট্ট গ্রাম আলউইন। জীবিকার সন্ধানে এখানকার বেশিরভাগ বাসিন্দাই গ্রাম ছেড়ে চলে গেছেন। কিন্তু বাপ-দাদার ভিটার মায়া কাটাতে পারেননি প্রবীণ বাসিন্দারা। তবে সেই সংখ্যাটা অল্পই। ওই গ্রামের বর্তমান বাসিন্দা মাত্র ২০ জন, যাদের বেশিরভাগেরই বয়সের ভারে আর কাজকর্ম করার ক্ষমতা নেই। তাদের রোজগার নেই বললেই চলে। চরম দারিদ্র্য ও অবহেলায় দিন কাটে। সম্প্রতি গ্রামটি নিলামে তোলা হয়। নিলামের শুরুতে দাম ওঠে এক লাখ ২৫ হাজার ইউরো। তবে শেষমেষ এক লাখ ৪০ হাজার ইউরো মালিকানা বদলে যায় আলউইনের। গ্রামটি কিনে নেন অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি। ইউরো চালু হওয়ার আগে জার্মানির মুদ্রা ছিল ডয়েসমার্ক। ২০০০ সালে প্রতীকী এক ডয়েসমার্কের দামে এক ব্যক্তির কাছে আলউইন গ্রামটি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল। জানা গেছে, নব্বইয়ের দশকে কমিউনিস্ট শাসিত সাবেক পূর্ব জামানির অন্তর্ভুক্ত ছিল আলউইন। তখন গ্রামটির আর্থিক সমৃদ্ধি ছিল। কাছেই থাকা একটি ইটভাটায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন গ্রামের বাসিন্দারা। তখন প্রত্যেক পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ছিল। কিন্তু ১৯৯০ সালে দুই জার্মানি এক হয়ে গেলে ধীরে ধীরে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যেতে থাকে আলউইন। ইটভাটাটি বন্ধ হয়ে যায়, গ্রামবাসীদের রুটি-রুজিতে পড়ে টান। জীবিকা সন্ধানে গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি দিতে শুরু করেন বাসিন্দারা। এভাবে একসময়ে কার্যত জনহীন হয়ে পড়ে এক সময়ের সমৃদ্ধশালী গ্রামটি। জার্মানি সরকারও গ্রামটিরর উন্নয়নে সেভাবে কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে অভিযোগ আছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, সানডে এক্সপ্রেস। এসএইচ/
বহুদিন বেঁচে থাকতে সাহায্য করে কুকুর!

একজন ভালো সঙ্গী একটা মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে। শুধু তাই নয়, বিপদে আপদে তার থেকে বড় বন্ধুই বা কে আছে? সম্প্রতি ‘সায়েন্টিফিক’ নামক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, সারমেয় (কুকুর) শুধুমাত্র ভাল বন্ধুই নয়, সঙ্গী কুকুর বাড়িয়ে দেয় মানুষের আয়ু। কুকুরের সান্নিধ্যে দূরে থাকে হৃদরোগের মতো বহু জটিল রোগ। গবেষণায় বলা হয়েছে, কুকুরকে সঙ্গী করলে কার্ডিওভ্যাসকুলার সমস্যা আমাদের শরীর থেকে শতহস্ত দূরে থাকে। কুকুরের সান্নিধ্যে বিশেষভাবে উপকৃত হয় অবিবাহিত ব্যক্তিরা। এরা ব্যক্তির একাকিত্বে খুব ভালো সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে । ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকটাই কমাতে সাহায্য করে তারা। গবেষকরা সুইডেনের ৪০ থেকে ৮০ বছর বয়সী বেশ কিছু মানুষের উপর  সমীক্ষা করেন । সমীক্ষায় উঠে এসেছে, যাঁরা কুকুরকে সঙ্গী করেছিলেন তাঁদের তুলনায় যাঁদের সঙ্গে কুকুর ছিল না হৃদরোগে তাঁদের মৃত্যুর হার ৩৩ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। কুকরকে সঙ্গী করায় হৃদরোগের প্রভাব কমেছে ১১ শতাংশ। তবে, কুকুর ঠিক কীভাবে হৃদরোগ প্রতিরোধ করে তা পরিষ্কার করে বলা হয়নি প্রতিবেদনে। কিন্তু বিষয়টি সমীক্ষায় প্রমাণিত। তাই সুস্থ শরীরে দীর্ঘদিন বাঁচতে অবশ্যই কুকুরকে সঙ্গী করুন। সূত্র: জিনিউজ ডট ইন্ডিয়া ডট কম একে/

দ্য ভিঞ্চির চিত্রকর্ম ৪৫০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি

বিশ্বখ্যাত চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির চিত্রকর্ম রেকর্ডমূল্যে বিক্রি হয়েছে। চিত্রকর্মটির নাম সালভাটর মুন্দি । এর অর্থ বিশ্বের ত্রাণকর্তা। এটি ৪৫০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি। এ যাবতৎকালের এটিই সবচেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি হওয়া কোনো চিত্রকর্ম। চিত্রকর্মটি ১৫০৫ খ্রিষ্টাব্দে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি এঁকেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রায় ২০ মিনিট ধরে চলা নিলামে সর্বশেষ ৪৫০.৩ মিলিয়ন ডলারে চিত্রকর্মটি কিনে নিয়েছেন এক ব্যক্তি। তিনি  মোবাইল ফোনে নিলামে অংশ নেন। তার পরিচয় এখনো জানা যায়নি।  চিত্রকর্মটিতে দেখা যায়, একজন চার্চ তার একহাত উপরের দিকে তুলে আছেন এবং অন্যহাতে একটি গ্লাস নিয়ে আছেন। ১৯৫৮ সালে এটি ৬০ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। তবে তখন এটি লিওনার্দোর এক শিষ্য এঁকেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছিল। চার বছর আগে চিত্রকর্মটি মাত্র ১২৭.৫ মিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছিল রাশিয়ার একজন ধনকুবের। কিন্তু এটি নিলামে বিক্রি ছিল না। ওই ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে কিনেছিলেন। এমজে/এআর  

হীরার নেকলেস নিলামে : দাম ৩৩.৭ মিলিয়ন ডলার

সুইজারল্যান্ডের জেনেভার একটি নিলামে হীরার একটি নেকলেসের দাম ওঠে ৩৩.৭ মিলিয়ন ডলার। ইউরোপীয় মুদ্রায় যার মূল্য ২৫.৬ মিলিয়ন ইউরো। পৃথিবীতে অলংকার তৈরিতে যেসব পাথর ব্যবহৃত হয় তার মধ্যে হীরা সবথেকে দামী পাথরগুলোর মধ্যে একটি। আর যে হীরক খণ্ডটি দিয়ে এই নেকলেস বানানো হয়েছে তা যে আরও বিশেষ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এঙ্গোলায় পাওয়া ৪০৪ ক্যারেটের প্রকাণ্ড এক হীরক খণ্ড দিয়ে বানানো হয়েছে এই নেকলেসটি। নেকলেসটি তৈরি করে সুইজ জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান দ্য গ্রিসগনো। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ৪০৪ ক্যারেটের অখন্ডিত হীরক খণ্ডটি থেকে ১৬৩ ক্যারেটের এ নেকলেসটি বানানো হয়। শুধু তাই নয়, মূল হীরক খণ্ডটির সঙ্গে ৬৬টি পিয়ার কাট পান্না এবং ৫৯৪৯ টি ব্রিলিয়ান্ট কাট পান্না। এছাড়া নেকলেসের ফিতায় ১৮টি এমারেল্ড কাট হীরা এবং ৮৬২টি ব্রিলিয়ান্ট কাট হীরা সংযুক্ত করা হয়। আর এ পুরো নেকলেসটি তৈরিতে সময় লাগে ১৭০০ ঘন্টারও বেশি। হংকং, লন্ডন, দুবাই ও নিউইয়র্কে সাধারণ মানুষের দর্শনের পর জেনেভার ফোর সিজনস হোটেলে আয়োজিত এক নিলামে নেকলেসটি বিক্রি হয়। আনুমানিক ৩০মিলিয়ন ডলারে বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে ৩৩.৭ মিলিয়ন ডলারে নেকলেসটি বিক্রি হয়। তবে সৌখিন সে ক্রেতার নাম গোপন রেখেছে নিলাম কর্তৃপক্ষ। সূত্রঃ বিবিসি বিজনেস //এস এইচ// এআর

ওষুধ না খেলে ধরে ফেলবেন ডাক্তার

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ওষুধ খেতে চান না। যতই অসুস্থ থাকুক না কেন ওষুধ যেন তাদের কাছে বিষ। দুই একজন যদি কোন রকমে খেয়েও থাকেন তা নিয়মিত নয়। তবে ওষুধ সেবনে এমন ফাকিবাজির দিন শেষ। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে এক ধরনের ট্যাবলেট বা বড়ি বাজারজাত করা হচ্ছে যা সেবন না করলে ধরে ফেলবে আপনার চিকিৎসক। ট্যাবলেটটিতে একটি হজমযোগ্য সেন্সর যুক্ত করা আছে। এতে করে চিকিৎসক জানতে পারবেন রোগী ওষুধ সেবন করেছেন কী না। মানসিক রোগের জন্য প্রেসক্রাইব করা এই ওষুধের নাম এবিলিপাইম্যাকসাইট এরিপিপাজোল। রোগীর শরীরে একটি প্যাচ পরানো থাকবে যেটি শরীরের ভেতর এই ওষুধের ক্রিয়াকর্মের তথ্য তার মোবাইল ফোনে পাঠাতে পারবে। রোগীর অনুমতি থাকলে সেই তথ্য তার চিকিৎসকের কাছেও চলে যাবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্যাবলেটে এমন সেন্সর যুক্ত করার কারণে রোগীদের ওষুধ সেবনে নিয়মিত করা যাবে। ট্যাবলেটে সেন্সরটির আকার আকৃতি হবে একটি বালুকণার সমান। পাকস্থলীর রসের সংস্পর্ষে আসলেই কার্যকরী হয়ে উঠবে এ সেন্সর। যার ফলে ৩০ মিনিট থেকে ২ ঘন্টার মধ্যে বাইরে থেকেই বোঝা যাবে ওষুধটি শরীরে প্রবেশ করেছে কী করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য এবং ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তা মিচেল ম্যাটিস বলছেন, মানসিক রোগীদের ওষুধ খাওয়া নজরদারি করা সম্ভব হলে, অন্যান্য রোগীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া কাজে লাগানো যেতে পারে। তিনি বলেন, রোগী এবং চিকিৎসকদের সুবিধায় উন্নত প্রযুক্তির প্রয়োগ তারা সবসময় উৎসাহিত করবেন। সূত্রঃ বিবিসি বাংলা //এস এইচ// এআর

১২৯ কোটিতে বিক্রি হল আইনস্টাইনের সেই বখশিস

বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইনের দেওয়া একটি বখশিস পত্র ১২৯ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে। এটি ১৯২২ সালে এক ব্যক্তিকে বখশিস দিয়েছিলেন আইনস্টাইন। ১৯২২ সালে জাপান সফরে এসেছিলেন আলবার্ট আইনস্টাইন। উঠেছিলেন টোকিওর ইমপেরিয়াল হোটেলে। ওখানেই খবর পান নোবেল পুরস্কার পাওয়ার কথা। হোটেলের এক বয় তাঁকে সে কথা জানান। সেসময় বখশিস দেওয়ার জন্য পকেট হাতড়ান আইনস্টাইন। কিছুই পাননি। তাই হাতে লিখে দেন কীভাবে সুখী হওয়া যায়।  সেই লেখাই পরে ‘‌থিওরি অব হ্যাপিনেস’‌ নামে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। একগুচ্ছ কাগজে বিভিন্ন পরামর্শ লেখা। কোনোটায় লেখা- ‘‌শান্ত এবং ভদ্র জীবন অনেক বেশি সুখ নিয়ে আসে। সাফল্য এবং অনবরত অস্থিরতার থেকে তার মূল্য অনেক বেশি।’‌ আরেকটাতে লেখা- ‘‌ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।’‌ আইনস্টাইন নাকি ওই বয়কে বলেছিলেন, ‘‌ভাগ্য প্রসন্ন হলে এই পরামর্শই অনেক মূল্যবান হয়ে উঠবে। সাধারণ বকশিসকেও ছাপিয়ে যাবে। ’‌ ভুল বলেননি আইনস্টাইন। তার সেই হাতে লেখা ‘‌থিওরি অব হ্যাপিনেস’‌ জেরুজালেমের একটি নিলাম কেন্দ্রে বিক্রি হল ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ডলারে। বাংলাদেশি টাকায় যার মূল ১২৯ কোটি টাকার চেয়ে কিছু বেশি। আর তাই নিলাম কেন্দ্র উইনার’‌স অকশন আইনস্টাইনকে ‘‌সবচেয়ে উদার বখশিসদাতা’‌ বলে জানিয়েছে।   সূত্র : বিবিসি এমআর / এআর

নাকের ভেতর দাঁত!

নাকের ভেতর গজিয়েছে দাঁত! অবিশ্বাস্য মনে হলেও, এমনই ঘটনা ঘটেছে চীনের হুয়ান প্রদেশে। শিয়া নামে এক নারীর নাকের ভেতরেই গজিয়ে উঠেছিল আস্ত একটি দাঁত। অপারেশনের পর, এখন সুস্থ ওই নারী। তবে এই ঘটনায় বিস্মিত চিকিৎসকরা। দীর্ঘদিন ধরেই নাকের সমস্যায় ভোগছিলেন শিয়া। প্রথম দিকে যখন নাকে যন্ত্রণা হতে শুরু করেছিল সে সময় তিনি এটাকে বিশেষ একটা গুরুত্ব দেননি। ভেবেছিলেন, নাকের ভেতর হয়তো কোনো সংক্রমণ হয়েছে, আর সে কারণে হয়তো যন্ত্রণা হচ্ছে। তাই প্রথম প্রথম চিকিৎসকের কাছেও যাননি ৫৭ বছর বয়সী এই নারী। প্রথম দিকে গুরুত্ব না দিলেও পরবর্তিতে ধীরে ধীরে যন্ত্রণা যখন অসহ্য হয়ে ওঠে। তাই বাধ্য হয়েই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন শিয়া। আর চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে যা দেখলেন, তাতে নিজেদের চোখকেই তারা যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। তারা দেখতে পান, শিয়ার নাকের ভেতরে আস্ত একটা দাঁত গজিয়ে উঠেছে! চিকিৎসকরা শিয়ার নাক স্ক্যান করে দেখেন, শিয়ার নাকের ডানদিকের গহ্বরে গোলাকৃতি কিছু একটা আটকে আছে। প্রথমে বস্তুটিকে দেখে পাথর বা ধাতব কিছু বলেই মনে করেছিলেন চিকিৎসকরা। তবে অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে তাদের চোখ কপালে ওঠে। চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন, পাথর বা কোনো ধাতব পদার্থ নয়, শিয়ার নাকের ডানদিকের গহ্বরে গজিয়ে উঠেছে আস্ত একটি দাঁত! অস্ত্রোপচার করে অবশ্য দাঁতটিকে বের করে এনেছেন চিকিৎসকরা। শিয়াও এখন সুস্থ আছেন। সূত্র: মেইল অনলাইন এমআর / এআর

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার সেতুবন্ধ

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা পাশাপাশি দুটি দেশ । তাদের নাগরিকদের পরিচয়-তারা হয় কানাডিয়ান নয় আমেরিকান। সীমান্ত নিয়ে দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ রয়েছে। তবে একটি জায়গায় দু’দেশের নাগরিকদের বেশ মিল। ওই ইস্যূতে তারা কেউ কানাডিয়ানও নয় আবার আমেরিকানও নয়। এমন একটি আশ্চর্য্জনক জায়গা হলো যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সীমান্তে অবস্থিত হাসকেল লাইব্রেরি। লাইব্রেরিটি যুক্তরাষ্ট্রের ভারমন্ট ও কানাডার কিউবি সীমান্তে অবস্থিত। শুধু তাই নয় এটি যুক্তরাষ্ট্রের ভারমন্টের ডার্বি লাইনকে কিউবির স্ট্যান্ডস্টেড থেকে পৃথক করেছে। সবচে’ আশ্চর্যের বিষয় হলো- লাইব্রেরিটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে এর কোনো অংশ যুক্তরাষ্ট্র অংশে পড়লে আরেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ পড়ে কানাডা ভূখণ্ডে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে মিলনের এমন চিত্র উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, লাইব্রেরিটির সামনের দরজা, বুলেটিন বোর্ড এবং শিশুদের জন্য রাখা বইগুলো পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভূখণ্ডে। আবার পড়ার রুম ও অন্যান্য বইগুলো রয়েছে কানাডা ভূখণ্ডে। এদিকে দর্শকদের বেশি চমকে দিচ্ছে, বইয়ের সংগ্রহগুলো। বইয়ের সংগ্রহগুলোর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স ও কানাডার ইতিহাসকেন্দ্রিক বই । লাইব্রেরিতে প্রথম দরজা দিয়ে ঢোকার সময় যুক্তরাষ্ট্র অংশ দেখা যায় । তবে লাইব্রেরিতে ঢুকেই দেখা যাবে, ফ্রান্স ও কানাডার ইতিহাস কেন্দ্রিক বইয়ের বিশাল সমাহার, এতে মনে প্রশ্ন জাগে যুক্তরাষ্ট্রের লাইব্রেরিতে কানাডা-ফ্রান্সের বই এর সংগ্রহ কেন ? এদিকে লাইব্রেরির ঠিক মাঝ-বরাবর আড়াআড়িভাবে কালো ট্যাপে মাড়ানো একটি লাইন আছে । এই লাইনটিই যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা পরষ্পরকে পৃথক করেছে। কথিত আছে, এই লাইনটি কেউ পার হতে পারে না । না কানাডিয়ানরা, না আমেরিকানরা। তবে সম্প্রতি বিবিসির কাছে লাইব্রেরিটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে আছেন এমন কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি সত্য নয়। লাইব্রেরিতে আসেন, এমন সবাই লাইব্রেরিটির সব জায়গায় যেতে পারেন। অন্যদিকে লাইব্রেরিটির মধ্যে রয়েছে সুবিশাল একটি কনফারেন্স রুম। কনফারেন্স রুমের স্টেজটি পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র অংশে আবার বেশিরভাগ আসন পড়েছে কানাডা অংশে। বিচিত্র সব আয়োজনে সম্পন্ন করা হয়েছে এই লাইব্রেরিটির কার্যক্রম। লাইব্রেরির তত্বাবধায়ক কানাডার হল নিউম্যান বলেন, এখানে আসা লোকজনকে কেউ কানাডিয়ান বা আমেরিকান বলতে পারেন না । তারা বন্ধু । একটি রেখা আমাদের আলাদা করতে পারে না, এই রেখাটি আমাদের মনের মধ্যে নেই। লাইব্রেরির পরিচালক ন্যান্সি রুমারি বলেন, উভয়দেশের মধ্যে থাকা এই লাইব্রেরিটি পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। কিন্তু আমার এ কাজটি করতেই ভালো লাগে। উল্লেখ্য, শতবর্ষ পূর্বে, হাসকেল পরিবারের সদস্যরা এই লাইব্রেরিটি নির্মাণ করেন। লাইব্রেরিটি নির্মাণের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল ক্রসবর্ডার মিথষ্ক্রিয়া ও পারষ্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করা। সূত্র : বিবিসি এমজে/এআর          

পিরামিডের গোপন কক্ষ আবিস্কারের পথে গবেষকরা

মিশরের সবচেয়ে আকর্ষনীয় স্থান হচ্ছে পিরামিড। যা ফুফু পিরামিড নামে পরিচিত। এটি প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি। গবেষকরা মনে করেন পিরামিডটি চার হাজার বছরের পুরনো। ৪৮১ ফুট উচুঁ এ পিরামিডটি নিয়ে গবেষকরা গবেষণা চলিয়ে যাচ্ছেন। তবে এটির রহস্যের জট এখনো পুরোপুরি খোলা সম্ভব হয় নি। সম্প্রতি এটির জট খোলার জন্য গবেষকরা স্ক্যান পিরামিড নামে এক গবেষণা শুরু করেছেন। তারা মনে করছেন, এর ভেতরের যে অংশগুলো আবিষ্কার করা হয়েছে, সেগুলো ছাড়া আরও কিছু অংশ রয়েছে। যেগুলোর তথ্য প্রমাণসহ উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তা প্রমাণের চেষ্টা চলছে। এজন্য থার্মাল স্ক্যানসহ নানা আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। গবেষক মেহদি তায়োবিসহ অন্যান্য গবেষকরা এ পিরামিডের ভেতরে বিশাল গোপন কক্ষ রয়েছে বলে দাবি করেছেন । মহামূল্যবান সম্পত্তি থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। গোপন কক্ষ খুঁজে বের করার জন্য গবেষকরা থার্মোগ্রাফিসহ স্ক্যান পদ্ধতি প্রয়োগ করছেন বিজ্ঞানীরা। সূত্র: ইনডিপেন্ডেন্ট / এম / এআর  

শীর্ষ ধনীর স্ত্রী চাকরি করেন ৮০০ টাকা বেতনে!

তিনি একটি স্কুলে মাসিক মাত্র ৮০০ টাকা বেতনে চাকরি করেন। চাকরিটা কেবল শখের বসেই করেন তিনি। অথচ তাদের নিজেদেরই রয়েছে এমন অসংখ্য প্রতিষ্ঠান। তিনি আর কেউ নন, ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানির স্ত্রী নীতা আম্বানি। খবরটি শুনে অনেকেই হয়তো চমকে যাবেন। তবে এটাই সত্য। মুকেশ আম্বানির সাথে বিয়ে হওয়ার আগে থেকেই তিনি শিক্ষকতা করতে ভালোবাসতেন। শিশুদের পড়াতে ভালোবাসেন বলেই, বিয়ের পরও পেশাটা ছাড়তে পারেননি। গতকাল ছিল নীতা আম্বানির জন্মদিন। ভারতীয় একটি দৈনিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে এ তথ্য উঠে আসে। সাক্ষাতকারে নীতা আম্বানি বলেন, বিয়ের আগে থেকেই শিশুদের পড়াতে ভালোবাসতেন নীতা। একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াতেনও তিনি। স্কুলে শিক্ষকতার কাজ যে তিনি চালিয়ে যেতে চান, বিয়ের পরে সেকথা মুকেশকে জানান নীতা। তাতে মুকেশও আপত্তি না করায় নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছেন মহান শিক্ষকতার পেশা। নীতা আম্বানি আরও জানান, ১৯৮৭ সালে বিশ্বকাপ চলার সময় এক ছাত্রের অভিভাবক তাঁকে দুটি টিকিট দিয়েছিলেন। পরে তিনি টিকিট দুটি ফিরিয়ে দেন। কিন্তু খেলার দিন ভিআইপি বক্সে নীতাকে দেখে অবাক হন সেই অভিভাবকরা। নীতা মুকেশের স্ত্রী জেনে তাদের চক্ষু কপালে উঠে। এমজে/ডব্লিউএন  

বিশ্বের সবচেয়ে ছোট হোটেল!

৬৪ বছর বয়স্ক বেদুঈন মোহাম্মদ আল মালহিম তার এলাকার পাশে একটি হোটেল গড়ে তোলেছেন। হোটেল বানাতে নিজের গাড়িকেই ব্যবহার করেছেন তিনি। মালহিমের দাবী এ হোটেলটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট হোটেল। জর্ডানের মরুভূমিতে আল জাভা নামে একটি গ্রামে রয়েছে। ওই গ্রামে ১২ শতকের এক প্রাচীন দুর্গ আছে। এই দুর্গকে কেন্দ্র করে পর্যটকরা এখানে ভিড় করে। তাই মালহিম তার গাড়ির ইঞ্জিন নষ্ট হওয়ার পর তিনি এ গাড়িটিকে হোটেল বানিয়ে ব্যবসা শুরু করেছেন।তবে যে কেউ তার এই কিম্ভূত হোটেলে থেকে পাঁচ তারকা হোটেলের ছোঁয়া পাবেন। গাড়িটিকে সাজানো হয়েছে বাহারি কারুকাজ এবং স্থানীয় ঐতিহ্যের বিভিন্ন নকশা দিয়ে । হোটেলে পাতানো হয়েছে রঙিন বিছানার চাদর । যা খদ্দেরেকে সহজেই আকর্ষণ করে। তার মেয়ের হাতে তৈরি আসবাবও রয়েছে হোটেলটিতে। পর্যটকরা কৌতুহলি হয়েই আসেন তার গাড়ি হোটেলে। তার হোটেলে এক সঙ্গে কেবল দু’জন অতিথি ঘুমাতে পারেন। এক রাতের জন্য ভাড়া প্রায় ৬ হাজার টাকা। হোটেলের সুবিধা আরোও বাড়ানোর জন্য হোটেলের পাশেই চা-কফি এবং জর্দানের ঐতিহ্যবাহী খাবারের ব্যবস্থা করছেন তিনি। সূত্র: সিএনএন / এম / এআর    

পাকস্থলী কেটে মিলল ৬৩৬টি পেরেক!

খাবারের মেনুতে প্রতি দিনই থাকত একটি করে লোহার পেরেক! মাসের পর মাস ওই ভাবে পেরেক খেয়ে গিয়েছেন তিনি। তাতেই ঘটে বিপত্তি। সোমবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে অস্ত্রোপচার করে ওই ব্যক্তির পাকস্থলী থেকে বের করা হয়েছে ৬৩৬টি পেরেক! হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙার বাসিন্দা প্রদীপ ঢালি পেটের যন্ত্রণা এবং বমির উপসর্গ নিয়ে গত শুক্রবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। আগে তিনি জেলার হাসপাতালে দেখিয়েছিলেন। সেখানে রোগ ধরা না পড়ায় তাঁকে মেডিক্যালে রেফার করা হয়। চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে দেখেন, তাঁর পাকস্থলীতে অসংখ্য পেরেক জমে রয়েছে। শল্য চিকিৎসক সিদ্ধার্থ বিশ্বাসের নেতৃত্বে তিন জন চিকিৎসক এ দিন ঘণ্টা দেড়েক ধরে ওই অস্ত্রোপচার করেন। অস্ত্রোপচারের পরে চিকিৎসকেরা জানান, পেটের সব ক’টি পেরেকই বার করা গিয়েছে। প্রায় দেড় কেজি পেরেক জমলেও পাকস্থলীর বিশেষ ক্ষতি হয়নি। প্রদীপবাবুর অবস্থা স্থিতিশীল। দীর্ঘ দিন ধরেই বছর চুয়াল্লিশের প্রদীপবাবু মানসিক সমস্যায় ভুগছেন বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। তার জেরেই পেরেক খেয়েছিলেন তিনি। পেটের যন্ত্রণা ও বমি হলেও চিকিৎসককে পেরেক খাওয়ার ব্যাপারে তিনি কিছু জানাননি। তার জেরে প্রাথমিক ভাবে সমস্যা বা়ড়ে। কতটা ঝুঁকি ছিল এই অস্ত্রোপচারে? সিদ্ধার্থবাবুর কথায়, সাধারণত এত পরিমাণ লোহার পেরেক পাকস্থলীতে জমলে পাকস্থলীর মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। পাশাপাশি, পেরেক বার করার সময়েও পেটের অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি হতে পারত। কিন্তু সেই সব বিপদ এড়ানো গিয়েছে। সূত্র-আনন্দবাজার পত্রিকা আরকে// এআর

পল নিউম্যানের ঘড়ি ১৪৮ কোটি টাকায় বিক্রি

হাতঘড়ির দাম ১৪৮ কোটি টাকা! কী অবাক হচ্ছেন। ঘটনা কিন্তু সত্যি। এই দামেই একটি হাতঘড়ি কিনে নিয়েছেন এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তি নিজের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি।বিবিসির খবরে বলা হয়, শুক্রবার নিলামের মাধ্যমে রেকর্ড দামে বিক্রি হওয়া ওই ঘড়িটি প্রয়াত হলিউড তারকা পল নিউম্যানের। এর নির্মাতা বিশ্ববিখ্যাত ঘড়িনির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোলেক্স। ১ কোটি ৭৮ লাখ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪৮ কোটি ৭০ হাজার টাকা) ঘড়িটি বিক্রি হয়। পল নিউম্যানকে ওই ঘড়িটি দেন তাঁর স্ত্রী জোয়ানে উডওয়ার্ড। ১৯৬৯ সালের উইনিং চলচ্চিত্রে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করেন। নিউম্যান ২০০৮ সালে ৮৩ বছর বয়সে মারা যান।স্টেইনলেস স্টিলের ওই ঘড়িটি টেলিফোনে নিলামে অংশ নিয়ে কিনে নেন এক ব্যক্তি। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। ঘড়িটি এত দামে বিক্রি হবে, তা ভাবেননি নিলাম আয়োজকেরাও। প্রত্যাশিত দামের চেয়ে ১০ লাখ ডলার বেশি দামে কিনে নিয়েছেন ওই ব্যক্তি।বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নিলামে এই প্রথম এত বেশি দামে কোনো হাতঘড়ি বিক্রি হলো। ২০১৪ সালে প্যাটেক ফিলিপের তৈরি একটি ঘড়ি ২ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি দামে বিক্রি হয়। সেটি ছিল পকেট–ঘড়ি।উডওয়ার্ড ১৯৮৪ সালে নিউম্যানকে ওই ঘড়িটি কিনে দেন। পরে নিউম্যান ঘড়িটি তাঁর মেয়েকে দেন। পরে ঘড়িটি দেওয়া হয় তাঁর মেয়ের প্রেমিক জেমস কক্সকে। কক্স ওই ঘড়িটি নিলামে তোলেন।সূত্র : বিবিসি।/ এআর /

© ২০১৭ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি