ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন, ২০১৮ ১১:২২:৪৫

৮০ প্লাস্টিক ব্যাগ গিলে তিমির মৃত্যু

৮০ প্লাস্টিক ব্যাগ গিলে তিমির মৃত্যু

৮০টি প্লাস্টিক ব্যাগ গিলে মৃত্যু হয়েছে বিরল প্রজাতির এক তিমির। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের ঘটনা এটি। থাইল্যান্ডের সাংখালী প্রদেশের এক খালে তিমিটিকে প্রাথমিক অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়। পরে বমি করিয়ে পাঁচটি ব্যাগ বের করা সম্ভব হয়েছে। বাকিগুলো তিমির পেটেই থেকে যায়।তবে সমুদ্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্লাস্টিকের ব্যাগগুলোর ওজন প্রায় ৮ কেজির মতো। কিন্তু তিমির পক্ষে এটা খাবার ভেবে খাওয়া অসম্ভব ছিল। পরিসংখ্যান বলছে, থাইল্যান্ডের অধিকাংশ মানুষই প্লাস্টিকের ব্যাগ ব্যবহার করেন। গত কয়েক মাসে সরকার প্লাস্টিক ব্যাগ ব্যবহারের হার কমানোর ঘোষণা দেয়।পাইলট হোয়েল প্রজাতির তিমিটিকে গত সোমবার থাইল্যান্ডের ‘না থাপ খালে’ পাওয়া যায়। তিমিটি তখন সাঁতার কাটতে পারছিল না। বিশেষজ্ঞরা তাকে পরীক্ষা করে দেখেন সে একই সঙ্গে ৮০টির মতো ব্যাগ খেয়েছে। সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী থান থমরননাভাসাওয়াত বলেন, আমরা তিমিটিকে ভালো খাবার খাইয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তার পেটে ৮০টির মতো প্লাস্টিক ব্যাগ থাকায় বাঁচানো যায়নি।/ এআর /
ইউরোপে সীমান্ত পার হওয়ায় গর্ভবতী গাভীর প্রাণদণ্ড

মৃত্যুদণ্ড। মানুষের নয়, গাভীর। অপরাধ সীমান্ত পার হওয়া! এটি সৌদির মতো রাজতান্ত্রিক দেশে নয়, প্রগতিশীল ইউরোপের ঘটনা। সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত পার হওয়ায় এক গর্ভবতী গাভীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।মানুষের মৃত্যুদণ্ড নিয়ে যেখানে তুমুল বিতর্ক সেখানে একটি অবলা প্রাণীকে তুচ্ছ অপরাধে প্রাণদণ্ড দেওয়া নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এএফপির খবরে বলা হয়েছে, পেনকা নামের ওই গাভীটির তিন সপ্তাহ পর বাচ্চা প্রসব করার কথা। সম্প্রতি গাভীটি বুলগেরিয়ার সীমান্তবর্তী গ্রাম কপিলোভস্তিতে তার পাল থেকে বের হয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অসদস্য দেশ সার্বিয়ায় ঢুকে পড়ে। কয়েক ঘণ্টা পরেই অবশ্য গাভীটি তার মালিক হারাম্পিয়েভের কাছে ফিরে আসে। কিন্তু ততক্ষণে তার আইন ভাঙার কথা এক কান দু’কান করে ছড়িয়ে পড়ে সারা গ্রামে। আর এতেই বাড়ে বিপত্তি। এ অপরাধের শাস্তি হিসেবে ইইউ আইন অনুযায়ী, গাভীটির মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছে বুলগেরিয়ার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। পশু চিকিৎসক লিউবোমিরভ বলেন, ‘আসলে এসব ব্যাপারে আমাদের কিছুই করার থাকে না। আমরা শুধুই আইনের বাস্তবায়ন করি। আইন তো পাস হয় সেই ব্রাসেলস থেকেই।’রক্ষণশীল দলের এমপি জন ফ্ল্যাক এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বয়কো বরিসভ ও ইইউর প্রেসিডেন্ট অ্যান্টনিও তাজানির কাছে চিঠি লিখেছেন। তিনি বলেছেন, কঠোর আইনের নামে এই অযাচিত হস্তক্ষেপ সুনিশ্চিতভাবে বন্ধ করা উচিত। চেঞ্জ ডট অর্গ পিটিশন নামে একটি গ্রুপ গাভীটির ব্যাপারে ছাড় দেয়ার জন্য ইতিমধ্যে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ‘আমরা বিশ্বাস করি, পেনকার ঘটনায় ইইউ কর্মকর্তারা সাধারণ মানুষের জন্য যে ছাড় দেয়া হয়, তা দেননি, আর পেনকার মালিক ইতিমধ্যে উন্মাদপ্রায়।’ পেনকার মৃত্যুদণ্ড নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইইউ প্রণীত এ ধরনের অদ্ভুত আইন পরিবর্তনে একটি পিটিশনও আহ্বান করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পিটিশনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৮ হাজার ব্যক্তি। সূত্র: ইন্ডিপেনডেন্ট / এআর /

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ আইসক্রিম

দেখে মনে হবে রেলগাড়ি। যাত্রীরা সবাই সিগনালের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে। আদতে এটি একটি আইসক্রিম। হ্যাঁ ব্যাপারটি অবাক হওয়ার মতোই। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইসক্রিম এটি। একেবারে ১৩৮৬ দশমিক ৬২ মিটার দীর্ঘ! আইসক্রিমটি তৈরি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। চার হাজার লোক আইসক্রিমটির স্বাদ নিয়েছে। ইতোমধ্যে এটি গিনেজ বুক অব রেকর্ডসে তালিকাভুক্ত হয়েছে।দেশটির টেক্সাস উৎসব উপলক্ষে বানানো হয়েছে এই বিশেষ মাপের ডেজার্ট। এটি তৈরি করতে কাজ করেছেন কয়ের হাজার ভলান্টিয়ার। সম্প্রতি টেক্সাস উৎসব উপলক্ষে বিশালাকার এই আইসক্রিম তৈরি করা হয়। কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবকের অবদান রয়েছে এই ডেজার্টটি তৈরির পেছনে। আইসক্রিমটির দৈর্ঘ্য ছিল ১৩৮৬ দশমিক ৬২ মিটার। বিশালাকার এই আইসক্রিমটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৫০০ গ্যালন ভ্যানিলা ও ক্যান্ডি ক্রাঞ্চ চকোলেট, ৩০০ গ্যালন চকোলেট ও স্ট্রবেরি সিরাপ। আর সুস্বাদু করতে ব্যবহার করা হয়েছে দুই হাজার ক্যান হুইপ্ট ক্রিম, ২৫ পাউন্ড স্প্রিংকলস ও ২০ হাজার চেরি ফল।আইসক্রিমটি সঠিকভাবে তৈরি হয়েছে কিনা ও সব উপাদান সমানভাবে আছে কিনা পরীক্ষা করতে উৎসবে ছিলেন গিনেস বুক অব রেকর্ডের বিচারক ক্রিস্টিনা কোনলোন। তার পরীক্ষার পরেই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। গিনেস বুক অব রেকর্ডের বিশেষ সম্মাননার পর ঘটনা উপস্থিত প্রায় চার হাজার মানুষ এর স্বাদ উপভোগ করেন। মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে উৎসবে উপস্থিত ওই ৪ হাজার মানুষ সেই আইসক্রিম চেটে-পুটে সাফ করে দেন।সূত্র : ডেইলি হান্ট।/ এআর /

সরীসৃপের পূর্বপুরুষ মেগাচিরিলা

সম্প্রতি এক বড় আকারের টিকটিকির ফসিল খুঁজে পাওয়া গেছে ইতালিতে। এটি বর্তমান যুগের সব টিকটিকি, সাপসহ এই জাতীয় অন্তত ১০ হাজার সরীসৃপের পূর্বপুরুষ বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, ২৪ কোটি বছর আগে জঙ্গলাকীর্ণ অংশে মেগাচিরিলা ওয়াচটলিরি নামে গিরগিটি জাতীয় পোকামাকড়ভুক এই সরীসৃপ গাছে গাছে চরে বেড়াত। সে সময় প্রাণীদের মধ্যে খাদ্যশৃঙ্খলে শক্তিশালী অবস্থানে ছিল কেবল ডাইনোসর। ইতালীয় গবেষকরা বলছেন, মেগাচিরিলার ফসিল প্রমাণ করছে পৃথিবীতে প্রথম সরীসৃপদের সঙ্গে তাদের বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য ছিল। তারা ধারণা করচ্ছে, ২৫ কোটি ২০ লাখ বছর আগে মেসোজোয়িক যুগের ট্রায়াসিক পর্ব শুরুর সময়ই প্রাচীন সরীসৃপদের সঙ্গে মেগাচিরিলা ভাগ হয়ে যায়। এ সময়ই তারা স্বতন্ত্র প্রজাতি হিসেবে আবির্ভূত হয়। ২০০৩ সালে ইতালির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকা দলোমাইটসে বালু ও কাদামাটির নিচে পাথরের খুঁজে পাওয়া যায় এর ফসিল। চলতি বছরের মে মাসে ফসিলটি এক্স-রে করে এটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়। পরে এটির থ্রিডি মডেলও তৈরি করা হয়। এটি নিয়ে সম্প্রতি এক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে সায়েন্স জার্নাল নেচারে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান একে//

অপারেশন থিয়েটারে অচেতন রোগীর সামনেই নাচে মত্ত চিকিৎসক!

অস্ত্রোপচারের কাজটা যেকোনও চিকিৎসকের কাছেই চ্যালেঞ্জিং। রোগীকে সুস্থ, স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে কঠিন লড়াই করেন চিকিৎসক। আর সে কারণে অনেক সময়ই অস্ত্রোপচারের আগে রোগীকে সাহস জোগাতে তার সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন চিকিৎসক। কিন্তু চাপ কাটাতে ডক্টর উইন্ডেল বউট যা করেন, তাতে তাকে বারবারই বিতর্কের মুখে পড়তে হয়। ডাক্তারের পোশাক গায়ে চাপিয়ে তার অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানার জন্য ইতিমধ্যেই তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আর এবার নিজেকে আরও একবার ছাপিয়ে গেলেন তিনি। এই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের ভিডিওগুলো চমকে দেওয়ার মতোই। তেমনই একটি নতুন ভিডিও নিজের ইউটিউব চ্যানেলে পোস্ট করেছিলেন ডক্টর উইন্ডেল। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। সেই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, অপারেশন টেবিলে অচেতন অবস্থায় শুয়ে রয়েছেন রোগী। আর তার সামনেই গান চালিয়ে অস্ত্রোপচারের সরঞ্জাম হাতে নিয়ে দেদার নাচানাচি করে চলেছেন চিকিৎসক ও তার সহকারীরা। আবার নাচের ফাঁকেই মাঝে মধ্যে অস্ত্রোপচারের কাজও সেরে নিচ্ছেন তারা। ভিডিওতে চিকিৎসকের সহকর্মীরা মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরে থাকলেও চিকিৎসকের সেসব বালাই নেই। আর অপারেশন থিয়েটারের ভিতরের এই দৃশ্য দেখে চক্ষু চড়কগাছ আম আদমির। একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই সোশ্যাল সাইট থেকে তার সমস্ত ভিডিও মুছে ফেলা হয়েছে। এর আগে রোগীরা অভিযোগ জানিয়েছিলেন, এই চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করিয়ে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হয়েছে তাদের। এমনকী মস্তিষ্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার বিরুদ্ধে যেন কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এমনই আবেদন জানিয়েছেন রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। ভিডিওটি দেখুন: সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

৯১ বছর বয়সি দাদির ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

৯১ বছর দাদি আর তাঁর ২৫ বছর বয়সি নাতির ঘরোয়া একটি প্রতিযোগিতার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে অনলাইনে। আর এ ভিডিও দেখতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে দর্শকরা। দাদিকে দেখে আপনার চোখও নির্ঘাত কপালে উঠবে! রস স্মিথ ৫ বছর আগে একটি ভিডিও করতে শুরু করে৷ সেই ভিডিওর একটি বাস্কেটবল শটের জন্যই তিনি দাদির দ্বারস্থ হন৷ দাদি পলিনের তখন থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় যাত্রা শুরু৷ তারপর থেকে তাঁর খ্যাতি তো আকাশচুম্বী৷ নাতি স্মিথ বলেন, ‘‘আমাদের মজা বিশ্বব্যাপী৷ সকলেই জানেন গ্র্যানি মজাদার৷’’ প্রথমদিকের ভিডিওগুলি ভাইরাল হলেও বাণিজ্যিকভাবে সেগুলো লাভজনক হচ্ছিল না৷ কারণ, তখন স্মিথ এমবিএ এবং ফুটবল খেলা নিয়ে ব্যস্ততার জন্য ভিডিওতে মনোনিবেশ করতে পারছিলেন না৷ এরপর তাঁর মনে হয় দাদির সঙ্গে ভিডিও করলেই তিনি ভালো কাজ করতে পারবেন৷ তারপরই তিনি পাকাপাকিভাবে দাদির সঙ্গে কাজ শুরু করেন৷ কখনও দাদি আর নাতি ছোট্ট বল লক্ষ্যে ছুঁড়তে সফল, তো কখনও তারা পোষ্যদের খোঁজে দোকানে গিয়েছেন, এমনি মজাদার সব ভিডিও থেকেই ‘গ্র্যানি’ আজ দারুণ জনপ্রিয়৷ ৯০টি বসন্তের রঙ তিনি দেখেছেন৷ ৯১ বছর বয়সে পৌঁছেও তাঁর মন এখনও তরুণ৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি তাঁর জনপ্রিয়তার আস্বাদ নেন চুটিয়ে৷ পথেঘাটে-দোকানে তাঁকে নিয়ে হইচই শুরু হয়৷ তাঁর বেশ মজাই হয় এটা দেখে৷ একটি বাণিজ্যিক সংস্থার কর্মকর্তা রাসেল স্কিনিডার এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘আসলে এখনকার দিনে দাদি আর নাতির মধ্যে এমন সম্পর্ক দেখাই যায় না৷ এ জন্যই তাঁদের ভিডিও লোকে এত পছন্দ করেন৷’’ কথাটা সত্যি৷ নাতি স্মিথও বলেন, ‘‘আজকাল অনেকেই বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের যথাযোগ্য সম্মান দেয় না৷ তখন আমিও সে দলেই পড়তাম৷ বৃদ্ধ হয়ে যাওয়া মানেই ফুরিয়ে যাওয়া, একা থাকা নইলে নার্সিংহোমে থাকা৷ কিন্তু দাদির সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি বৃদ্ধদের জীবনটাও খুব রঙিন৷ তাঁরা ছোট ছোট জিনিসে খুব আনন্দ পায়, আমরা ব্যস্ততার জন্য যেগুলো দেখতেই পাই না, সেগুলো তাঁরা দেখেন ভালো করে৷’’ তাঁদের ভিডিওর জনপ্রিয়তা দেখে স্মিথ অবাক হয়ে যান৷ তাঁরা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় কাজ করছেন এবং ভবিষ্যতে তাঁরা টেলিভিশনেও কাজ করবেন৷ নিউক্লিয়ার পরিবার, ইঁদুর দৌড়ের ভিড়েও যে সম্পর্ক হারিয়ে যায়নি, তারই প্রমাণ এই দাদি-নাতির ভাইরাল ভিডিও৷ ভাইরাল ভিডিওটি সমাজে সম্পর্কের উষ্ণতা ছড়িয়ে দিচ্ছে৷ এমজে/  

বিয়ের মণ্ডপে বাস চালিয়ে হাজির কনে

ঘোড়ায় চড়ে বিয়ে করতে চলেছে বর। সঙ্গে ব্যান্ডপার্টি, বেশ কয়েক জন বন্ধু, পরিজন। দৃশ্যটা এ দেশে যথেষ্টই পরিচিত। কিন্তু বিয়ের মণ্ডপে সটান বাস চালিয়ে হাজির হলেন কনে, এরকম কি দেখেছেন বা শুনেছেন কখনও? চমকে দেওয়া এই ঘটনাটিই ঘটেছে চীনে। মঙ্গলবার চীনা গণমাধ্যম পিপলস ডেইলি একটি ভিডিও শেয়ার করেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে বেলুন, ফুল দিয়ে সুসজ্জিত বাসের স্টিয়ারিংয়ে বসে রয়েছেন কনে। পাশে বসে রয়েছেন বর। কেন এরকম অভিনব সিদ্ধান্ত? ওই তরুণী আসলে পেশায় এক জন বাস চালক। তাই বিয়ের জন্য বাসকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, “মানুষ গ্রিন ট্রাভেল পছন্দ করেন। তাই আমি আমার বিয়ের জন্য বাসকেই বেছে নিয়েছি। পরিবহনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম কার্বন ছড়ায় বাসের মাধ্যমেই। আর তা ছাড়া আমি নিজে বাসচালক।” সূত্র: পিপলস ডেইলি এমজে/

পরিবেশ সুরক্ষায় ঘাস থেকে কাগজ

পেপারলেস অফিস ম্যানেজমেন্টের কথা দীর্ঘদিন ধরে বলা হলেও কাগজ ছাড়া চলে না। বরং কাগজের কাগজের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। আর কাগজের জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ। কাটতে হচ্ছে গাছ। বিষয়টি মাথায় রেখে ঘাস থেকে কাগজ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন জার্মানির এক বিজ্ঞানী। উভে দাগনোন নামে ওই বিজ্ঞানী বলছেন, সাধারণত যে সাদা কাগজ ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে কাঠ ও বাঁশের উপাদান থাকে। তবে তিনি যে কাগজ তৈরি করেছেন তার উপাদান কাঠ নয়, শুকনো ঘাস। কাগজ তৈরিতে ঘাস থেকে ফাইবার বা তন্তু বের করতে অনেক কম পানি, জ্বালানি ও রাসায়নিকের প্রয়োজন হয়। দাগনোন বলেন, কিছুদিন আগে আমি কাগজ নিয়ে অনেক ঘাঁটাঘাঁটি করে ভাবলাম, কীভাবে কম কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে আরও টেকসই পদ্ধতিতে কাগজ তৈরি করা যায়। লক্ষ্য করলাম, ওপর দিকে বাড়ার কারণে গাছের মধ্যে অনেক আঠার সৃষ্টি হয়। লিগনিন নামের সেই আঠা রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় আলাদা করতে হয়। অন্যদিকে যেসব ঘাস সমতলে বেড়ে ওঠে, তাদের অনেক কম লিগনিন লাগে। সেগুলোর তন্তু অনেক দ্রুত আলাদা করা যায়। তাই আমি কাগজ তৈরিতে শুকনো ঘাসকেই বেছে নিয়েছি।দাগনোন জানান, তার উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে কাগজ উৎপাদনে টনপ্রতি প্রায় ৬০০০ লিটার পানি সাশ্রয় হয়। এই পদ্ধতিতে শুকনো ঘাস প্রথমে ভালোভাবে পেষা হয়। তারপর প্রয়োজন অনুযায়ী স্থির করা হয় মান। পরে সাধারণ কাগজ তৈরির প্রক্রিয়া প্রয়োগ করা হয়।ইতিমধ্যে উভে দাগনোন তার কাগজ দিয়ে নানা ধরনের মোড়ক তৈরি করেছেন। ডাকে পাঠানোর জন্য সহজ ও হালকা মোড়ক থেকে শুরু করে শক্ত ও মজবুত পিচবোর্ডের বাক্সও এর মধ্যে রয়েছে। এ ছাড়া বাজারের ব্যাগ, ফল ও ডিম রাখার বাক্সও তৈরি হয়েছে। সূত্র : ডয়চে ভেলে।/ এআর /

অ্যান্টার্কটিকায় বরফের নিচে পর্বতশ্রেণীর সন্ধান

অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ ঘিরে রহস্যের শেষ নেই। আকারে তেমন বড় নয়। মোটামুটি হিসেব করে বলা যায়, অস্ট্রেলিয়ার দ্বিগুণ। যার বেশির ভাগটাই বরফের চাদরে ঢাকা। সেই বরফের নিচে বহু কিছু লুকিয়ে আছে। সেগুলোর সন্ধানে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা।   সাম্প্রতিক আবিষ্কারের ভিত্তিতে ব্রিটেনের এক দল গবেষক জানিয়েছেন, পশ্চিম অ্যান্টার্কটিকার বিস্তীর্ণ বরফস্তরের নিচে রয়েছে আস্ত একটা পর্বতশ্রেণী। তাদের মাঝে গা-ঢাকা দিয়ে রয়েছে কয়েকশ’মাইল ছড়ানো তিনটি উপত্যকাও। এই অনুসন্ধান নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে ‘জিয়োফিজ়িক্যাল রিসার্চ লেটার্স’পত্রিকায়।কত দিন চলছে এই লুকোচুরি? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বরফ-তল্লাশি চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। ভূপৃষ্ঠের ছবি তুলে চলেছে বেশ কয়েকটি কৃত্রিম উপগ্রহ। মাটির গভীরে কোথায় কী রয়েছে, তার ছবিও ধরা পড়ে তাতে। কিন্তু সেগুলির প্রায় সবই এমন ভাবে পৃথিবীকে পাক খাচ্ছে যে, দক্ষিণ মেরুর  ওই অংশ এত দিন ধরা পড়েনি সেগুলির ক্যামেরা বা রাডারে। তাই বরফ ভেদ করে দেখতে পায় এমন বিশেষ রাডারের সাহায্যে এই মহাদেশের মানচিত্র নতুন ভাবে তৈরি করতে চেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। আর তাতেই উঠল পর্দা।‘পোলার গ্যাপ’ নামে গবেষকদের বিশেষ এই অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে, পশ্চিম এবং পূর্ব আন্টার্কটিকার বরফের আস্তরণকে জুড়ে রেখেছে ওই তিন উপত্যকা। কিন্তু এতে একটা সমস্যাও আছে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ওই বরফ ঢাকা পাহাড় ও উপত্যকার কারণে  সমুদ্রতলের উচ্চতা বা়ড়তে পারে অচিরেই। সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন  গবেষকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, উষ্ণায়নে বিশ্বের সর্বত্র বরফ গলছে। ব্যতিক্রম নয়, আন্টার্কটিকার ওই বরফের চাদরও। বরফ গলে স্বাভাবিক নিয়মেই তা ছড়িয়ে পড়ার কথা। কিন্তু এখানে বাগড়া দিচ্ছে তলায় লুকিয়ে থাকা ওই পর্বতশ্রেণি আর উপত্যকা তিনটি। বরফ গলে দ্রুত আন্টার্কটিকার মাঝের অংশ থেকে সরে যাচ্ছে কিনারার দিকে। আর এই কারণেই আগামী দিনে সমুদ্রের পানিস্তর আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।সূত্র : আনন্দবাজার।/ এআর /

তাক লাগানো `ফ্লাওয়ার মুন` ঘিরে অজানা ৪ তথ্য

মে মাসের পূর্ণিমাকে অনেক সময়েই `ফ্লাওয়ার মুন` হিসাবে সম্বোধন করা হয়। এই সময়ের চাঁদনি রাতে জঙলি ফুল ফোটে বলে অনেক সময়েই এই পূর্ণিমাকে `ফ্লাওয়ার মুন` বলা হয় পশ্চিমী দেশগুলোতে। এবছরে এই পূর্ণিমা কবে পড়বে, তার সম্পর্কে কিছু বিস্তারিত তথ্য জেনে নেওয়া যাক। কবে দেখা যাবে `ফ্লাওয়ার মুন` জানা যাচ্ছে, ২৯ মে সকাল ৭ টা ১৯ মিনিটে পড়তে চলেছে পূর্ণিমা। মে মাসের এই পূর্ণিমার নামকরণ করা হয়েছে `ফ্লাওয়ার মুন` হিসাবে। এছাড়াও অনেকে একে হান্টার্স মুন, মিল্ক মুন, ফ্রস্ট মুনও বলে থাকেন। এই সময়ের চাঁদ এতটাই উজ্জ্বল আর মোহময়ী হয় যে, বিশ্বের সমস্ত প্রান্তের মানুষই চাঁদের রূপে মুগ্ধ হয়ে পড়েন। নামকরণের সার্থকতা ইউরোপীয় ও আমেরিকার একাংশ চাঁদের বিভিন্ন নাম নিয়ে বহুবার নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়েছে ভাষাগতভাবে। নামকরণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে স্থানীয় খাদ্য ও আবহাওয়া। সব মিলিয়ে ভাষাগত ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায় পূর্ণিমা বিভিন্ন নামে খ্যাত হয়েছে। কেনও ফ্লাওয়ার মুন নাম সময়ের হিসেবে পশ্চিমী দেশগুলোর বিভিন্ন জায়গায় মে মাসের পূর্ণিমায় খুব সুন্দর জঙলি ফুল ফোটে। পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধের এই মোহময় দৃশ্য চাঁদনি রাতে দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। আর সেই থেকেই এই পূর্ণিমা নাম পেয়েছে ফ্লাওয়ার মুনের। পূর্ণিমা সম্পর্কে কিছু তথ্য পূর্ণিমা তখনই ঘটে যখন চাঁদ, পৃথিবীর যে পাশে সূর্য অবস্থিত তার ঠিক উল্টো পাশে অবস্থান করে। পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান চাঁদ এসময় সূর্য দ্বারা পূর্ণভাবে আলোকিত হয় যার ফলে একে একটি পূর্ণ গোলাকার চাকতি রূপে দেখা যায়। এবছর ২৯ তারিখের পূর্ণিমার আভাস ২৮ তারিখের রাত থেকেই পাওয়া যাবে। সূত্র: ওয়ানইন্ডিয়া একে//  

বিষধর সাপের ২০০ ছোবল খেয়েও বেঁচে আছেন

মাত্র চার দিন আগে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে ফেসবুকে। এর মধ্যেই সেটি শেয়ার হয়েছে ২৬ হাজারেরও বেশি! আসলে এমনই বিচিত্র এই ভিডিও-এর বিষয়বস্তু যে, দেখলেই চমকে উঠতে হয়। এক ব্যক্তি নিজের শরীরে নিয়ে চলেছেন একের পর এক বিষাক্ত সাপের কামড়! এমন দুঃসাহসী ভিডিও দেখে নেটিজেনরা যে হাঁ হয়ে যাবেন, তা তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু কেনও ওই ব্যক্তি এমন আশ্চর্য বিপজ্জনক কাণ্ড ঘটাচ্ছেন, বা বলা ভাল ঘটিয়ে চলেছেন? তিনি কি কোনও নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়তে চলেছেন? না, তা নয়। নিছক বাহাদুরি দেখাতে এমন কাজ করেন না অপেশাদার বিজ্ঞানী টিম ফ্রিডি। মার্কিন মুলুকের উইসকনসিন-এর বাসিন্দা টিমের উদ্দেশ্য অত্যন্ত মহৎ। তার বক্তব্য— পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সাপগুলোর দংশনের চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণার খাতিরেই তিনি এমন ঝুঁকিবহুল কাজ করছেন। ৩৯ বছরের টিমের যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সেটি কিন্তু নতুন নয়। ‘বিস্ট বাডিজ’ নামের ওই পেজে ২৩ মে ভিডিওটি শেয়ার করা হলেও আসলে এটি প্রায় আড়াই বছরের পুরনো। ওই ভিডিওতে বলা হয়েছে, টিম প্রায় ১৬০ বার স্বেচ্ছায় সাপের ছোবল খেয়েছেন শরীরে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘মিরর’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি সংখ্যাটা ১৬০ থেকে বেড়ে হয়েছে ২০০। গত প্রায় দু’দশক ধরে এই নিয়ে গভীর গবেষণায় মত্ত টিম। এখানেই শেষ নয়, বিষধর সাপের চিকিৎসার জন্য নিরলস নিজের শরীরে ‘বিষ’ ধারণের অন্য খেসারতও দিতে হয়েছে তাকে। স্ত্রী বেথের সঙ্গে ডিভোর্সও হয়ে গেছে তার। স্ত্রীর বক্তব্য— টিম নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের কখনই প্রাধান্য দেননি। তাই তিনি চলে গেছেন টিমকে ছেড়ে। টিম অবশ্য এর পরেও বদলাননি। নিজের গবেষণায় মত্ত টিমের লক্ষ্য একটাই। সমস্ত বিষধর সাপের কবল থেকে যেন বাঁচানো যায় পৃথিবীর মানুষকে।  সূত্র: এবেলা একে//

বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ মুক্তা নিলামে উঠছে

স্বচ্ছ পানির মুক্তাখ্যাত পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ মুক্তাটি নিলামে উঠছে। আগামী সপ্তাহেই নেদারল্যান্ডে মুক্তাটি নিলামে উঠার কথা রয়েছে। ‘দ্য স্লিপিং লায়ন’ নামের ওই মুক্তাটি পৃথিবীর অন্যসব মুক্তা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এটার ওজন ১২০ গ্রাম এবং এর দৈর্ঘ ২ দশমিক ৭ ইঞ্চি। এর আকৃতি এবং প্রাণীর মতো গঠনশৈলির জন্য গত ৩০০ বছর ধরে মুক্তাটি জনপ্রিয় হয়ে আছে। প্রথমদিকে এটি ব্যবসায়ীদের হাতে থাকলেও পরবর্তীতে এটি বিখ্যাত জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছায়। এরপর নানা হাত হয়ে ইউরোপীয় রয়েল পরিবারের কাছে এসে পৌঁছায় মুক্তাটি। আগামী ৩১মে হেগের ভেনজুয়েচিস নিলাম হাউজে এটি বিক্রির জন্য তোলা হবে বলে জানা গেছে। এর সর্বোচ্চ দর হাঁকা হবে ৬ লাখ ৩২ হাজার ডলার। মুক্তাটি চীন থেকে পাওয়া বলে মনে করা হচ্ছে। ১৭০০ সাল থেকে ১৭৬০ সালের মধ্যে এটি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। মুক্তাটি পাওয়ার পরই ডাচ ব্যবসায়ীরা এটা জাকার্তাতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপরই এটি ইউরোপে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৭৭৮ সালে মুক্তাটির তৎকালীন মালিকের মৃত্যুর পর আমস্টারডামে এটি প্রথম নিলামে উঠে। ওই ব্যবসায়ী ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একজন বিখ্যাত ব্যবসায়ী ছিলেন। সূত্র: সিএনএনএমজে/

যে হৃদের পানির রঙ বদলায় নিয়মিত (ভিডিও)

কয়েক মাস আগে যেখানে পানির রঙ সাদা, ফিরোজা নীল ও লাল ছিল, কয়েক মাস পরে তা দাঁড়ায় কালো, ফিরোজা নীল ও কোকাকোলা ব্রাউন রঙে। বলছি ইন্দোনেশিয়ার কেলিমুতু আগ্নেয়গিরির তিনটি হ্রদের কথা। হৃদ তিনটির পানির রঙ বদলানোর এ খেলা নিয়ে পর্যটকদের কৌতহলের শেষ নেই। তবে আজও ভেদ হয়নি এর রহস্য।কেলিমুতুর পশ্চিম প্রান্তের হ্রদ তিওউ আতা ম্‌বুপু-র রঙ সাধারণত নীল। আর দু’টি হ্রদ তিওউ নুওয়া মুরি কু ফাই ও তিওউ আতা পোলো-র রঙ যথাক্রমে সবুজ এবং লাল। কিন্তু এই রঙ সর্বদা এক থাকে না। প্রায়শই এরা রঙ বদলায়। বদলাতে বদলাতে মাঝে মাঝে কালোও হয়ে য়ায় হ্রদের পানি। কয়েক মাস আগে যেখানে জলের রঙ সাদা, ফিরোজা নীল ও লাল ছিল, কয়েক মাস পরে তা দাঁড়ায় কালো, ফিরোজা নীল ও কোকাকোলা ব্রাউন। এই ঘটনা ২০০৯-এর। আবার ২০১০ এ তিনটি হ্রদের পানির রঙই সবুজের তিন রকম শেড হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, জলাশয়ের পানির রঙয়ের জন্য দায়ী থাকে ওই জলে অবস্থানরত ব্যাকটেরিয়া, শ্যওলা ইত্যাদি। কিলিমুতুর হ্রদগুলির রং-রহস্য কিন্তু সেদিকে হাঁটে না। অনেকে মনে করেন এই রং-বাহারের পিছনে আগ্নেয়গিরির গ্যাসের কিছু ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে কিছু নিশ্চিত ভাবে বলা যায় না। হ্রদগুলির স্থানীয় নামগুলি বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। এগুলি যথাক্রমে— বৃ্দ্ধের হ্রদ, যুবকদের হ্রদ এবং মন্ত্রঃপূত হ্রদ। স্থানীয় বিশ্বাস হচ্ছে- পরলোকের সঙ্গে এই হ্রদগুলির যোগ রয়েছে। লোকবিশ্বাস অনুসারে, পরলোকের দেবতা মায়ে বিগত আত্মাদের কৃতকর্ম অনুযায়ী এক একটি হ্রদে প্রেরণ করেন। কিন্তু গল্পকথা আর কিংবদন্তিকে সরিয়ে এই হ্রদগুলির রহস্য উদ্ঘাটন আজও হয়নি।  সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া। ভিডিও দেখুন... / এআর /

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি