ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৮ ২১:৫৩:৩৮

বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের হাজার বছরের রহস্য ভেদ!

বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের হাজার বছরের রহস্য ভেদ!

রহস্য ঘেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। মানুষের বিশ্বাস এটি এমন এক জায়গা, যেখানে একবার প্রবেশ করলে বের হওয়ার বা কোনো তথ্য বের করে আনার সুযোগ থাকে না। তবে সেই রহস্য উন্মোচন হয়েছে বলে দাবি উঠেছে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের সবচেয়ে বড় চরিত্র হচ্ছে এটি মুহূর্তেই ভয়াহ হয়ে উঠে। আর এর মধ্যে পড়ে নৌযান ও আকাশযানের বহু যাত্রীর প্রাণহানি ঘটে। এই রহস্যঘেরা স্থানে কত মানুষের যে প্রাণ গেছে তার যথাযথ কোনো পরিসংখ্যান নেই। ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, ওই অঞ্চলে অসংখ্য দুর্ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে তারা সক্ষম হয়েছেন। তারা বলছেন, বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে অনেকটা ভৌতিকভাবে জাহাজ অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার বড় কারণ প্রকৃতির খামখেয়ালি। মূলত ঝড়ের কবলে পড়ে এবং দৈত্যাকার ঢেউয়ের মধ্যেই হারিয়ে যায় এসব উড়োজাহাজ ও জাহাজ। ইউনিভার্সিটি অব সাউদাম্পটনের একটি দল বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ওই অঞ্চলে গবেষণা করেন। তাদের ধারণা, এখানকার কোনো কোনো ঢেউ ১০০ ফুট পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। ফলে কোনো জাহাজ এই ঢেউয়ের মুখে পড়লে কোনোভাবেই রক্ষা পাওয়ার উপায় থাকে না। গবেষণার অংশ হিসেবে ১৯১৮ সালে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে নিখোঁজ হওয়া ৫৪২ ফুট লম্বা কয়লাবাহী ইউএসএস সাইক্লোপস জাহাজের একটি মডেল তৈরি করা হয়। এরপর বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের মতো সৃষ্টি করা হয় কৃত্রিম ঢেউ। সেই ঢেউয়ের মাঝে মডেল জাহাজটিকে ফেলে দেখা যায় তা ডুবে গেছে। ইউনিভার্সিটি অব সাউদাম্পটনের সমুদ্র ও মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ড. সিমোন বোক্সাল বলেন, ওই ত্রিভুজাকৃতির অঞ্চলটিতে মূলত বারমুডা, ফ্লোরিডা ও পুয়ের্তো রিকোর প্রত্যেকটি দিক থেকে আসা স্রোত এক জায়গায় মিলিত হয়ে বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি করে। এর মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ দিক থেকে ঝড় এলে ঢেউগুলো আরও ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। আর তাতে পড়েই অতীতে সেখানে অসংখ্য প্রাণ ও সম্পদহানি হয়েছে। মূলত পশ্চিম আটলান্টিক মহাসাগরের মাঝে একপাশে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা, অন্যদিকে বারমুডা আর সান জুয়ান, পুয়ের্তো রিকো নিয়ে ত্রিভুজাকৃতির এ অঞ্চলকেই বারমুডা ট্রায়াঙ্গল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এটিকে শয়তানের ত্রিভুজও বলা হয়। সূত্র : লাইভ সায়েন্স ও ফক্স নিউজ। / এআর /
গুপ্তধনের আশায় ঘরের ভেতর কুয়ো খনন

সুনসান পরিপাটি বাড়ি থেকে উঠেছিলেন ব্রিটেনের এক দম্পতি কলিন স্টিয়ার ও তার স্ত্রী ভেনেসা। ১৯৮০ সালে বাড়িতে উঠার পরই দেখতে পান, বাড়ির নিচের গ্রাউন্ডে ছোটো একটি গর্ত। সে সময় থেকেই গর্তটি নিয়ে আগ্রহ জন্মে কলিনের। তবে চাকরির জন্য এতদিন গর্তের রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হয়নি। ২০১১ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেয়ার পর কলিন স্টিয়ার তার সেই কক্ষটিকে নতুন করে সাজানো শুরু করেন। তখনই তিনি লক্ষ করেন গর্তটা তিনি যেমনটা ধারনা করেছিলেন তার চেয়েও বড়। এরপর গুপ্তধনের আশায় কলিন স্টিয়ার গর্তটি খোঁড়া শুরু করেন। গত ৭ বছর ধরে প্রায় ১৭ ফুট খনন করেছেন তিনি। গর্তটি খোঁড়ার পর ৩ ফুট প্রশস্ত পাথরের দেয়াল ঘেরা কুয়ার নিচে পানির নাগাল পেয়েছেন তিনি। কলিন স্টিয়ারের ধারণা শেষ প্রান্তে কুয়া আরও বেশি প্রশস্ত। এ বিষয়ে কলিন জানান, গর্তটি কত বড় সে বিষয়ে এখনো ধারণা করতে পারছি না। তবে গর্ত খোঁড়ার কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কলিন। এও বলেছেন তাদের সঙ্গে আছেন প্রতিবেশি এক লোকও। শেষ বয়সে গুপ্তধন পেয়ে বাকি জীবনটা যদি আরাম আয়েশে কাটিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে আর খারাপ হয় না। এমজে/

জিনগতভাবে দুর্বল হচ্ছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। কমছে প্রজনন শক্তিও। প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা ক্রমে হারিয়ে ফেলছে এই বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীটি। একটি গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য। সুন্দরবনের একটি বড় অংশ বাংলাদেশের মধ্যে। এ অঞ্চলেই সম্প্রতি গবেষণা চালায় বাংলাদেশি ও বিদেশি বিজ্ঞানীদের একটি যৌথ দল। গভীর জঙ্গলে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা জানতে পারেন, সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বাঘেদের চারণভূমি। সুন্দরবনের অভ্যন্তরে বয়ে যাওয়া পাঁচটি নদী বাঘেদের নির্দিষ্ট সীমানায় আবদ্ধ করে ফেলেছে। ফলে অন্য এলাকার বাঘিনীদের সঙ্গে সঙ্গম করতে পারছে না বাঘেরা। ফলে তাদের সংখ্যা লাগাতার কমছে। এমনটাই চলতে থাকলে পৃথিবী থেকে হারিয়ে যাবে আরও একটি বিরল প্রাণী। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, নদীগুলোতে নৌকা চলাচল ও জঙ্গলে মানুষের গতিবিধিই রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের এই দশার জন্য দায়ি। ক্রমাগত একই অঞ্চলে আবদ্ধ থেকে পরিবর্তিত স্থান বা পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষমতা হারাচ্ছে বাঘেরা। তাদের জিনেও এই পরিবর্তন ধরা পড়েছে। ‘সুন্দরবনের বাঘের জিন কি নদীর মাধ্যমে প্রভাবিত হচ্ছে?’ শীর্ষক গবেষণা প্রবন্ধটি চলতি বছর স্প্রিংগার প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল আজিজের নেতৃত্বে এই গবেষণা চালানো হয়। ওই দলে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম, ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের শিক্ষক অ্যাডাম বার্লো ও ইউনাইটেড কিংডমের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন গবেষক। অধ্যাপক আবদুল আজিজ বলেন, চোরাশিকারসহ নানা অবৈধ গতিবিধি বাড়ছে সুন্দরবনে। ফলে বাঘেদের অস্তিত্ব সংকটে। সুন্দরবনের চারপাশে যেভাবে শিল্পকারখানা হচ্ছে, তাতে নৌ পরিবহণ আরও বাড়বে। নৌ চলাচল নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে বাঘেদের বিচরণ আরও সীমিত হবে ও প্রাণীটি জিনগতভাবে আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। সরকারি হিসাবে বর্তমানে বাঘের সংখ্যা ১০৬ টি। ২০১৪ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিচালিত ওই গবেষণায় বাঘের মলের ৫১২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।   সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন একে//

১৬টি সাপ নিয়ে তরুণীর সংসার!  

সাপের সঙ্গে বন্ধুত্ব! এমন কথা কেউ কি শুনেছেন? পোষ্য হিসেবে সাপকে ঘরে নিয়ে আসার মত কাণ্ড দেখেছেন? এমনই ঘটেছে লন্ডনে। ২১ বছরের তরুণী বাড়িতে রেখেছেন ১৬ সাপ! সাপই তার পোষ্য। জি আদরে করে মানুষ করছে সাপকে। এদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসেন তিনি। আপাতত পশু চিকিৎসা তার পড়ারও বিষয়। ভবিষ্যতের পশু চিকিৎসক জি-র পছন্দ অবশ্য বার্মিজ পাইথন। ১৬টি সাপের মধ্যে এই পাইথনকে নিয়ে বেশি সময় কাটান তিনি। এমনকি নিজের মেয়ে বলেই পরিচয় দেয় ১৬ ফুট বার্মিজ পাইথনের। তবে এই আদুরে পোষ্যদের কামড়ও খেতে হয় জিকে। তাতে অবশ্য তিনি বিন্দুমাত্র চিন্তিত নন। তার তো ভালোই লাগে! হাল্কা কামড়কে তো তিনি আদরের স্পর্শ বলেই মনে করেন। জি দাবি করছেন, সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণিরা অপেক্ষাকৃত ভীতু তাই এমন সাপ কখনই জোর করে কামড়ায় না। দিনে নয়, সপ্তাহে একদিন খেতে দিতে হয় এদের। বড় সাপের জন্য ৩-৬ কেজির খরগোশ ও ছোট সাপের জন্য মুরগিই বরাদ্দ। আপাতত ২১ বছরের জি মহানন্দে ১৬টি সাপের সঙ্গে দিন কাটাচ্ছেন আর অপেক্ষা করছেন পোষ্যের সংখ্যা বৃদ্ধির।   সূত্র : ডয়েচে ভেলে এসি       

তিন দিন মৃত সন্তান আগলে রাখল মা তিমি

দীর্ঘ সতেরোটা মাস, ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছিল সে। কবে মা হবে, কবে সন্তানের মুখ দেখবে! গত মঙ্গলবার সকালে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার ভিক্টোরিয়ার কাছে সন্তানের জন্ম দেয় ‘জে৩৫’ নামে বিপন্নপ্রায় ‘কিলার হোয়েল’টি। মেয়ে হয়েছিল। গত তিন বছরে ওই তিমি পরিবারে প্রথম জীবিত সন্তানের জন্ম দিয়েছিল জে৩৫ (সংরক্ষণবিদরা তাই বলছেন)। তাই আনন্দের সীমা ছিল না। জে৩৫ ও তার সদ্যোজাত সন্তানকে ঘিরে ছিল পরিবারের সবাই। সব কিছু একদম ঠিক ছিল। কিন্তু হঠাৎই নড়াচড়া বন্ধ করে দেয় জে৩৫-এর সন্তান। এক জন মাকে সব চেয়ে ভয়াবহ যে পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হতে পারে, সেটাই হয়েছিল। তৈরি ছিল না জে৩৫। মাত্র কয়েকটা ঘণ্টা চোখের সামনে মারা গিয়েছিল তার সদ্যোজাত সন্তান। কিছু করতে পারেনি সে। ‘সেন্টার ফর হোয়েল রিসার্চ অন স্যান জুয়ান আইল্যান্ড’-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা বিজ্ঞানী কেন ব্যালকোম্ব বলেন, ‘এর পরের দৃশ্যগুলো চোখে দেখা যায় না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে গেছে, সন্তানকে মুখে নিয়ে সাঁতরে যাচ্ছে জে৩৫।’ ঘণ্টার হিসেব ক্রমে দিন ছুঁয়েছে। বৃহস্পতিবারও দেখা গেছে, মৃত সন্তানকে কিছুতেই কাছ ছাড়া করছে না সে। ব্যালকোম্বের কথায়, ‘এমন নয় যে এ ঘটনা আগে দেখা যায়নি। কিন্তু এত দীর্ঘ সময়, এই প্রথম দেখলাম।’ সমুদ্রবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, মঙ্গলবার থেকে তিন দিনে নিজের দলের সঙ্গে ভ্যাঙ্কুভার গিয়ে, সেখান থেকে স্যান জুয়ান আইল্যান্ড ফিরেছে জে৩৫। প্রতি দিন গড়ে ৬০-৭০ মাইল সাঁতরে পার করেছে। আর গোটা সময়টা তার সন্তানের ৪০০ পাউন্ডের দেহটা ভাসিয়ে রেখেছে সে। ‘ব্যাপারটা সামলানো জে৩৫-এর জন্য খুব একটা সহজ নয়,’ বলেন ‘ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন সেন্টার ফর কনজ়ারভেশন বায়োলজি’র তিমি বিশেষজ্ঞ ডেবরা গিলস। বৃহস্পতিবার একটি নৌকা থেকে জে৩৫-এর উপর নজর রেখে গিয়েছেন ডেবরা। তার কথায়, ‘সন্তানের মৃতদেহ যত বার ডুবে যাচ্ছে, ওকে দেহটা তুলে আনতে হচ্ছে। মাথার উপর সন্তানের দেহটা নিয়ে সাঁতরে চলেছে সে। এইভাবে তিন তিনটা দিন! সন্তান হারানোর শোক সব প্রাণীদেরই ক্ষেত্রেই একই রকম।’ সূত্র: আনন্দবাজার একে//

চোখ দেখেই ব্যক্তিত্ব বলে দেবে রোবট

কথায় আছে, চোখ যে মনের কথা বলে…। চোখ দেখেই মানুষ চেনা যায়। চোখ দেখে এবার মানুষের ব্যাক্তিত্ব নির্ণয় করবে রোবট। এমনটাই দাবি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষকরা। গবেষকরা বলেন, মিনিটখানেকের নড়াচড়ায় রোবট আপনার ব্যক্তিত্বের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য বলে দিতে পারবে। তা হল, বিষণ্ণতা, বাইরের জগত সম্পর্কে কৌতূহল, আনন্দ-বিনোদন ও বিচারবুদ্ধি। গবেষক দলটি বলেন, এই কাজের ফলে আমরা জানতে পারব, কীভাবে যন্ত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। এটাকে একটা বিল্পবী উদ্ভাবন বলে তারা আখ্যায়িত করেন। গবেষক দলের প্রধান দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. তবিয়াস লয়েস্টার বলেন, মানব ও যন্ত্রের মধ্যে মিথষ্ক্রিয়ার উন্নয়নে যারা কাজ করতে চান, এটি তাদের জন্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, মানুষ সবসময়ই নিজের ব্যক্তিত্বের উন্নতি চায়। বর্তমানে আমরা যেসব রোবট ও কম্পিউটার ব্যবহার করছি, সেগুলো সামাজিকভাবে সচেতন নয়। তারা মানুষের শব্দহীন হাবভাবের সঙ্গে খাপ খেয়ে নিতে পারেনা। কিন্তু নতুন এই গবেষণার ফলে কম্পিউটার ও রোবটের উন্নয়নে নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। এসব যন্ত্রকে আরও প্রাকৃতিকভাবে উদ্ভাবন করা যাবে। তারা মানুষের সামাজিক আভাসগুলো অনেক ভালো বুঝতে পারবে। সূত্র : ডেইলি মেইল / এআর /

বাড়ি কিনলে নারী ফ্রি!

বিভিন্ন হাউজিং প্রকল্পের মালিকেরা নির্মিত ফ্ল্যাট বিক্রিতে অভিনব অফার নিয়ে হাজির হন নানান সময়ে। তাই বলে বাড়ি কিনলে, নারী ফ্রি টাইপের বিজ্ঞাপন। হ্যা, এমনটা ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। অদ্ভুত ভাবে এক নারী নিজেই এই বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। ইন্দোনেশিয়ার ওই নারী নিজের বাড়ি বিক্রির জন্য এই বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন ৷ চল্লিশ বছর বয়সের ওই নারী নিজের বাড়ি বিক্রি করতে নিজেকেই অফার (ছাড়) হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। জানা গেছে, জাভা দ্বীপে ৭৬ হাজার ৫০০ ডলারের বিনিময়ে বাড়িটি বিক্রির কথা জানিয়েছেন বাড়ির মালিক ৪০ বছরের বিধবা উইনা লিয়া। তার এ অভিনব বিজ্ঞাপন সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল হয়ে যায় নেট দুনিয়ায়। এদিকে বাড়ি বিক্রির সঙ্গে সঙ্গে নিজেও ওই বাড়ির মালিককে বিয়ে করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি জানান, কেউ আমার বাড়ি ক্রয় করলে, আমি তাকে স্বামী হিসেবে গ্রহণ করবো। তার এই অভিনব বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল সমালোচনার জন্ম দেয়। সূত্র: টাইমএমজে/

অজগর সাপ দিয়ে শরীর ম্যাসাজ!   

নিজের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য মানুষ কত কিই না করে। কেউ পার্লারে গিয়ে স্পা, নানা ধরনের প্রসাধন, ত্বককে আরাম দিতে বিভিন্ন ধরনের ম্যাসাজ করে থাকে। কিন্তু কখনো কি শুনেছেন, অজগর সাপ দিয়ে শরীর ম্যাসাজ করতে? ঠিক এমনই এক কাণ্ড ঘটেছে ফিলিপাইনের একটি চিড়িয়াখানায়। সেখানে ‘রিল্যাক্সেশন সেশনে’ আসা পর্যটকদের সঙ্গ দিচ্ছে ৫০ কেজি ওজনের বার্মিজ অজগর!   ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির দাভাও শহরের ওই চিড়িয়াখানাটির সরীসৃপ বিভাগ কর্তৃপক্ষ অজগর দিয়ে পর্যটকদের শরীর ম্যাসাজের ব্যাবস্থা করেছে। আর এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতে মোটেও সময় লাগেনি।       পর্যটকরা ভয়তো দূরের কথা, বরং অজগরের ম্যাসেজে আরাম বোধ করছেন। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, বার্মিজ অজগর খুবই শান্ত স্বভাবের ও বন্ধুসুলভ। কেবল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এ প্রজাতির অজগরের বাস। তারই গুটিকয়েক এই চিড়িয়াখানায় রয়েছে। ম্যাসাজের সময় হুলুদ রঙের এই অজগরের ঠাণ্ডা শরীর এবং ওজন পর্যটকদের পেশি ও স্নায়ুকে উজ্জীবিত করছে। তবে হার্টের রোগী, দুর্বল চিত্তের লোকজনদের এই সেবা না নিতে বলা হয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, সেবাটি পেয়ে পর্যটকরা বেশ রোমাঞ্চিত। তাদের কেউ কেউ প্রথমে ভয় পেলেও, অনেকেই শেষ পর্যন্ত এই ম্যাসাজ নেন এবং আরাম পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। এসি      

ইভটিজিং থেকে বাঁচাবে চুলের ক্লিপ!

একটি চুলের ক্লিপ নিয়ে সোস্যাল মিডিয়ায় কিছুদিন ধরে হইচই চলছে। চুলে ক্লিপে একটি বার্তা দেওয়া আছে। ইভটিজিং বিরোধী ওই বার্তাটি বর্তমান সময়ে বেশ প্রাসঙ্গিক।   নারীদের খোঁপায় লাগানোর জন্য একটি বিশেষ ক্লিপ তৈরি করা হয়েছে। এই ক্লিপই তাঁদের অযাচিত পুরুষ স্পর্শ থেকে বাঁচাবে। বাস, ট্রেনসহ যানবাহনে এমন স্পর্শ মেয়েদের সহ্য করতে হয়। অনেক সময় ভিড়ের দোহাই দিয়ে অশালীন আচরণে উদ্যত হয় কিছু মানুষ। কিছু বললেই ভিড়ের অজুহাত দেওয়া হয়। এমনটা আর হবে না। কারণ, বিশেষ এই ক্লিপেই লেখা রয়েছে- ‘গা ঘেঁষে দাড়াবেন না’। এই বার্তাই পুরুষদের বিবেককে সচেতন করবে বলে দাবি করা হয়েছে ভাইরাল বার্তায়। জানা গেছে, ভারতের বিভিন্ন শহরে দোকানে এমন ক্লিপের খোঁজ করছেন অনেকে। কিন্তু ভার্চুয়াল জগতের বস্তুর দেখা তো অ্যাকচুয়াল জগতে মিলবে না। হ্যাঁ, জানা গেছে, ক্লিপের ঘটনাটি পুরোটাই কল্পনার ফসল। বাস্তব জীবনে এমন কোনো ক্লিপের অস্তিত্ব্ নেই। যদিও অনেকের মতে, এমন ক্লিপ বাস্তবে হলে মোটেও মন্দ হত না। ভাল মানুষের মুখোশ নিয়ে অনেকেই রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। তাঁদের যদি আগে থেকেই সতর্ক করে দেওয়া যায়। তাহলে ক্ষতি তো কিছু নেই। ভাইরাল এই পোস্ট যাঁরই মস্তিষ্কপ্রসূত হোক না কেন, তাঁর একটু হলেও প্রশংসা প্রাপ্য। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন। / এআর /

নিজেই করলেন নিজের অপারেশন

কাটাছেঁড়ার ভয়ে অনেকেই অপারেশন থিয়েটারের বেডে শুতে চান না। কিন্তু বিশ্বকে তাক লাগানো দুই সার্জন নিজের অপারেশন নিজেই করেছেন। সার্জন ইভান ও নেইল: ১৯২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি। ৬০ বছর বয়সী আমেরিকার সার্জন ইভান ও’নেইল কেইন তার অ্যাপেনডিক্স অপসারণের জন্য অপারেশন থিযয়েটারের বেডে শুয়েছিলেন।কোনোরকম পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ সিদ্ধান্ত নিলেন, তিনি নিজের অ্যাপেনডিক্স অপারেশন করবেন। যেই ভাবা সেই কাজ। ইভান হাসপাতালের প্রধান সার্জন হওয়ায় তাকে কেউ বাধা দেননি। ইভান একটি বালিশ নিয়ে পিঠের পেছনে রেখে এমনভাবে বসলেন যাতে তিনি তার পেট দেখতে পান।এরপর তিনি তার পেটে কোকেন আর এড্রেনালিন প্রয়োগ করলেন। দ্রুততার সঙ্গে তিনি তার পেটের ওপরের টিস্যু কেটে ফেললেন। পেটের ভেতরে তিনি ফুলে যাওয়া অ্যাপেনডিক্স দেখতে পেলেন এবং নিজেই সেটা অপসারণ করলেন। অপারেশন শেষ হতে সময় লাগে মাত্র ৩০ মিনিট।এর মাঝে বিপত্তি বাঁধল যখন তার অন্ত্র বের হওয়ার উপক্রম হল। ইভান ধীরস্থিরভাবে পেটের বাইরে বের হয়ে আসা অন্ত্রকে হাত দিয়ে সজোরে ধাক্কা দিয়ে আবার যথাস্থানে নিয়ে আসেন। অপারেশনের ১৪ দিনের মাথায় ইভান সুস্থ হয়ে কাজে যোগদান করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বলেছিলেন, এ কাজের উদ্দেশ্য ছিল, অপারেশন থিয়েটারে একজন রোগী কেমন অনুভব করে সেটা জানা। এছাড়া অপারেশনের সময় শরীরের কোনো বিশেষ অংশ সাময়িকভাবে অবশ (লোকাল এনেস্থেসিয়া) করে দেয়ার উপযোগিতা কতটুকু তা যাচাই করা। নিজের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে ইভান আরও একবার নিজেই নিজের হার্নিয়া অপারেশনে নামেন। তখন তার বয়স ৭১ বছর। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এবারের অপারেশন সফল হননি। ইভান পুরোপুরিভাবে সুস্থ হতে পারেননি। তিনি নিউমোনিয়াতে আক্রান্ত হয়ে অপারেশনের তিন মাস পর মৃত্যুবরণ করেন। লিওনিদ রগোজভ: সার্জন লিওনিদ রগোজভ। ১৯৬১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের ষষ্ঠ অ্যান্টার্কটিক অভিযানের ১২ জনের দলের সদস্য ছিলেন তিনি। ওই অভিযানে তারা সেখানে নভোলেজারেভস্কায়া গবেষণা ঘাঁটি তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন। এসময় সার্জন লিওনিদ অ্যাপেনডিসাইটিসের যন্ত্রণায় নিজের মৃত্যুর আশঙ্কা করেন। তার জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন দেখা দেয়। কিন্তু ওই দলে তিনিই ছিলেন একমাত্র চিকিৎসক। ২৭ বছর বয়সী লিওনিদ তখন নিজেই নিজের অপারেশন করতে বাধ্য হন। অপারেশনের কাজে সহযোগিতার জন্য দু’জনকে বাছাই করেন। তারা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, লাইট সরবরাহ ও আয়না স্থাপনে সহায়তা করেন, যাতে লিওনিদ তাতে নিজেকে দেখে কাজ করতে পারেন। তিনি ভালোভাবেই পেট কেটে প্রয়োজনীয় কাজ করতে সমর্থ হন। কিন্তু হঠাৎ তার জ্ঞান হারানোর উপক্রম হয়। প্রচুর রক্তপাতের কারণে লিওনিদ দুর্বল হয়ে পড়েন। তিনি তখন নিজের মনকে শক্ত করার চেষ্টা করেন। পরে তিনি অ্যাপেনডিক্সের সন্ধান পান। লিওনিদ দেখেন, একদিন পরই সেটি ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। পরে তিনি অ্যাপেনডিক্স অপসারণ করেন। দুই ঘণ্টার এ অপারেশনে তার কাছে ছিল জীবন-মৃত্যুর লড়াই। তার সাহসিকতার এ ঘটনা তখন বেশ আলোড়ন তুলেছিল। টিআর/

ইঞ্জিন ছাড়াই চলবে ট্রেন

এই প্রথম ইঞ্জিনবিহীন ট্রেন চালু করতে যাচ্ছে ভারত। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই দেশটির রেলপথে দেখা যাবে বিশেষ এই ট্রেন। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এ ট্রেনের নাম ‘ট্রেন এইটটিন’। দেখতে মেট্রোরেলের মতো। আবার অন্য ট্রেনের তুলনায় গতি বেশি। ট্রেনটির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার।  ঠিক যেভাবে লোকাল ট্রেন বা মেট্রোর কামরাগুলো ‘সেলফ প্রোপেলড’প্রযুক্তিতে ইঞ্জিন ছাড়াই চলতে পারে, সেই একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলবে এই নতুন ট্রেন। এটি তৈরিতে বিদেশি কোনো প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হয়নি। শুধু প্রযুক্তির দিক থেকেই নয়, যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের দিক থেকেও ‘এইটটিন’ অন্য ট্রেনকে টেক্কা দেবে। ১৬ কামরার ট্রেনগুলো বড় বড় শহরগুলোর মধ্যে যাতায়াতে ব্যবহৃত হবে। তার মধ্যে দুটি থাকবে এক্সিকিউটিভ ক্লাস এবং ১৪টি নন-এক্সিকিউটিভ। এ কামরাগুলোতে যথাক্রমে ৫৬ এবং ৭৮টি করে আসন থাকবে। এছাড়া জিপিএস, ওয়াইফাই, এলইডি লাইটিং, স্বয়ংক্রিয় দরজা, মালপত্র রাখার জন্য প্রশস্ত জায়গা, সম্পূর্ণ রাবার ফ্লোরিংয়ের মতো সুযোগ-সুবিধা এ ট্রেনে থাকবে। কামরার ভেতরে বৃদ্ধ ও অসুস্থদের জন্য হুইলচেয়ার রাখার ব্যবস্থাও থাকবে। ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে এলে সিঁড়ির বদলে থাকবে স্লাইডিং ফুটস্টেপ। ট্রেনের ভেতরে যাত্রীরা কোনো ঝাঁকুনিও অনুভব করবেন না।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেহেতু এ ট্রেনের দুই দিকেই চালকের কেবিন থাকছে, তাই প্রান্তিক স্টেশনে পৌঁছার পরও ইঞ্জিন বদলের প্রয়োজন হবে না। এছাড়া ‘সেলফ প্রোপেলড’ প্রযুক্তিতে চলায় লোকাল ট্রেনের মতোই দ্রুত গতি বাড়াতে পারবে এই ট্রেন। ফলে যাত্রাপথ সম্পূর্ণ করতে অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় ট্রেন এইটটিনের অনেকটাই কম সময় লাগবে।চেন্নাইয়ের খ্যাতনামা ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (আইসিএফ) এ ট্রেনটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ট্রেনটি চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যেই তৈরির কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমগুলো।ট্রেন তৈরি হয়ে যাওয়ার পরে দু’তিন মাসের পরীক্ষামূলক চালুর পরে আরডিএসও (রিসার্চ ডিজাইন অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন) ট্রেনটিকে যাত্রী বহনে ছাড়পত্র দেবে বলেই আশাবাদী রেল মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে এ ধরনের মোট ছয়টি ট্রেন তৈরির জন্য রেল মন্ত্রণালয় থেকে আইসিএফকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া/ এআর /

বেঙ্গালুরুর ক্লাবে মিলল ৫৫০ কোটি টাকার গুপ্তধন

বেঙ্গালুরুর সেন্ট মার্কস রোড।শহরের অভিজাত এলাকার এই রাস্তাতেই ধনীদের ক্লাব বোরিং ইনস্টিটিউট অবস্থিত। প্রায় দেড়’শো বছর পুরনো এই ক্লাবের বন্ধ থাকা লকারগুলো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিব্রত ছিলেন কর্মকর্তারা। বারবার নোটিস দেওয়া সত্ত্বেও কোন সদস্যই লকার পরিস্কার করতে রাজি হচ্ছিলেন না। ই-মেল পাঠানো, মোবাইলে এসএমএস, ক্লাব চত্বরে নোটিস সাঁটানো, বাকি ছিল না কিছুই। শুক্রবার বাধ্য হয়েই ক্লাবের লকার ভাঙতে শুরু করেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ।তারপরই চোখ কপালে উঠে সবার।খুলে দেখা মিলল গুপ্তধনের সন্ধান।  ক্লাবের ব্যাডমিন্টন কোর্টের তিনটি লকার ভেঙে বেরিয়েছে ৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তির দলিল,আট কোটি টাকার সোনা ও হিরা, চার কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রা ও দু’কোটি ভারতীয় টাকা।সব মিলিয়ে সম্পদের পরিমান ৫৫০ কোটি টাকা। কে ক্লাবের লকারে লুকিয়ে রেখেছিলেন এই গুপ্তধন? ৬৯, ৭১ আর ৭৮।এই তিনটি লকার কারও নামেই নথিবদ্ধ  ছিল না। পরে অবশ্য এই গুপ্তধনের মালিক নিজেই এসে ক্লাবে যোগাযোগ করেন।তিনি শহরেরই রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী অবিনাশ অমরলাল কুকরেজা। যদিও তিনি নিয়মিত ক্লাবে আসেন না।তাঁর মা অবশ্য ক্লাবে নিয়মিত এসে তাস খেলেন। সমস্ত সম্পত্তিই বাজেয়াপ্ত করে আয়কর বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে।পাশাপাশি, কোথা থেকে পেলেন এই সম্পত্তি, তা নিয়ে চলছে জেরাও।আর এখন থেকে ক্লাব চত্বরে সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।যাতে করে ভবিষ্যতে কেউ বেনামি সম্পদ জমা না করতে পারেন। (সুত্রঃআনন্দবাজার) কেআই/  

শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ আগামী শুক্রবার

এই শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ দেখবে বিশ্ববাসী। আগামী শুক্রবার টানা দু’ঘন্টা ধরে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখতে পাওয়া যাবে। ওই দিন সম্পূর্ণ লাল রঙের চাঁদের দেখা মিলবে। কেমনভাবে সাদা চাঁদ লাল হয়ে যাবে? যখন চাঁদ ও সূর্যের মাঝে পৃথিবী এসে পড়বে তখন পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়বে। আরও একটু ব্যখ্যা দেওয়া যাক। সূর্যের সাদা আলো যখনই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের মধ্যে এসে পড়বে তখন পৃথিবীর নীল রঙের সঙ্গে মিশবে সূর্যের সাদা আলো। আলোক বিচ্ছুরণ হবে। সৃষ্টি হবে লাল আলোর। এতেই রঙেই রাঙা হবে চাঁদ। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, টানা ১০৩ মিনিট ধরে ঘটবে এই মহাজাগতিক ঘটনা, যা দীর্ঘতম চন্দ্র গ্রহণের থেকে চার মিনিট কম। পূর্ব আফ্রিকা, মধ্য প্রাচ্য, মধ্য এশিয়ায় সবথেকে পরিষ্কার দেখা যাবে গ্রহণ। আমেরিকায় ৮৩ মিনিট দেখা গেলেও ওই সমস্ত অঞ্চলে পুরো ১০৩ মিনিট ধরেই উপভোগ করা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। তবে আবহাওয়া ভালো থাকাটাও গ্রহণ দর্শনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ব্রিটেনের সময় অনুযায়ী, রাত সাড়ে আটটায় গ্রহণ শুরু হবে। চলবে রাত ১০টা১৩ পর্যন্ত। তারপর থেকে রাত সাড়ে বারোটা পর্যন্ত আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। কোনও উঁচু জায়গা অথবা কোনও গ্রামাঞ্চল থেকে গ্রহণ সব থেকে ভালো দেখা যাবে বলে অভিমত জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। সূত্র: কলকাতা ২৪x৭ একে// 

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি