ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১৮ ২০:২২:৪৫

‘সরি’ বলার ৮ কায়দা

‘সরি’ বলার ৮ কায়দা

‘সরি’। ছোট্ট এ শব্দটি অনেক বড় সমস্যার সমাধান করতে পারে। বিশেষ করে প্রেম বা সংসার জীবনে। টুকটাক ঝগড়া বা বড়সড় অশান্তি অনেকটাই এক টানে নামিয়ে আনতে পারে প্রোটো-জার্মানিক ‘সাইরিগা’ থেকে উদ্ভূত এই শব্দ। এই অস্ত্রেই ঘায়েল করা যায় সঙ্গীর বেজার মুখ। তবে জানতে হবে ‘সরি’ বলার ঠিক কায়দা। নইলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না কিন্তু। সরি নেগেটিভ শব্দ নয় আগে এটা বুঝুন। ‘ভালবাসায় আবার সরি কিসের?’— আগে এই বোকা ধারণা থেকে বেরোন। রাস্তাঘাটে কারও পা মাড়ানোর পর ফর্মাল সরির চেয়ে এ ‘সরি’ অনেক আলাদা। তাই ভালবাসায় এটা প্রয়োজন। এই দু’টিকে মিলিয়ে ফেলবেন না। মন থকে বলুন দায়সারা গোছের ‘সরি’ শোনালে কিন্তু ধরা পড়ে যাবেন। এ এমন এক শব্দ যা আপনার গলার স্বর, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ— সবেতেই প্রতিফলিত হয়। তাই মন থেকে ‘সরি’ বলছেন কি-না, তা বুঝতে পারেন কাছের জন। তাই ‘সরি’ বলুন ইগো ঝেড়ে, দ্বিধা সরিয়ে। আন্তরিকতার ‘ফেদার টাচ’ যেন মিশে থাকে আপনার ‘সরি’-তে। দেরি করবেন না সমস্যা বাসি করবেন না। এটাই সুখী সম্পর্কের অন্যতম চাবিকাঠি। খুচখাচ ঝগড়া জীবনের সঙ্গেই স্বাভাবিক হয়ে যায় ঠিকই। কিন্তু কিছু মুশকিল বেয়াড়া। তা সরাতে খাটতে হয়। আর এই খাটনিতে দেরি করলে তার আর দাম থাকে না। তাই আপনার তরফেও কিছু ভুল হয়েছে বুঝলে সঙ্গীর এগোনোর অপেক্ষা না করে আগে সরি বলুন। ইগো ঝাড়ুন ইগো— এই মারাত্মক বোধ অকারণে স্থান-কাল-পাত্র ভুলে আমাদের পথ আগলে দাঁড়ায়। তাই সরি বলতে যাওয়ার আগে রাস্তা আটকে দিন ইগোর। ভালবাসলে কখনও নত হতেই হয়। তাতে লজ্জা থাকে না, বরং কাছের মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে হয়ে ওঠা যায় আরও প্রিয়। না বুঝলে বুঝবেন, ভালবাসায় গলদ আছে। মেসেজে নয় না। একেবারেই মেসেজ বা হোয়াটস অ্যাপে ‘সরি’ বলা উচিত নয়। তবে ডিসট্যান্স রিলেশনশিপ বা ব্যস্ত জীবনে এ ছাড়া উপায়ও অনেক সময় থাকে না। তবে চেষ্টা করুন, দেখা করে ‘সরি’ বলতে। দেখা করা যেভাবে সম্পর্ককে প্রভাবিত করে, সে ভাবে আর কেউ নয়। ও-ও তো দোষী আপনিও দোষী তো? ব্যস, এটাই ‘সরি’ বলার জন্য যথেষ্ট। অন্যকে দোষী, কার দোষ সিকি ভাগ আর কার পর্বতপ্রমাণ সে ভাবনা ছেড়ে আঘাত করে ফেলেছেন বুঝলেই, ‘সরি’ বলুন। আঘাত যদি আপনার তরফেই কড়া হয়, তা হলে ‘সরি’-র দায়ও কিন্তু আপনার। শর্ত বাদ বলবেন ‘সরি’, তার আবার শর্ত কীসের অ্যাঁ? যদি তুমি এমন বলো... বা যদি আমি এমন করি... এ সব মূর্খামি বাদ দিন। শর্ত চাপিয়ে যেমন ভালবাসা যায় না, তেমন সে সবের শিকল পরিয়ে ‘সরি’ জানানোর মানে নেই কোনও। ভালবাসুন সব সময় কেবল ‘সরি’-তে মন না উঠলে, ঝগড়া মেটাতে গিয়ে দেখা হলেই সরির বদলে চওড়া হাসুন। এতে আপনার আন্তরিকতা সামনে আসবে। ভালোবাসার প্রকাশ থাকুক আপনার আচরণে। চাইলে নিরালায় একান্তে সময় কাটান। দু’একটা কাছের ছোঁয়াচ থাকুক না, ক্ষতি কী! দেখবেন, ‘সরি’ না বলেও কেমন কাজ হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//
সৌভাগ্যকে কাছে পেতে মেনে চলুন ৮ বিষয়

মানুষের ভেতরের রসবোধ বা ঠাট্টাকে জাগিয়ে তুললে জীবনকে অনেক আনন্দময় করা সম্ভব৷ আর সেজন্য চাই শুধু প্রবল ইচ্ছাশক্তি৷ এমনটাই জানা যায় গবেষণার ফলাফল থেকে৷ পারিবারিক দ্বন্দ্বকে দূরে রাখতে সন্তান, মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন নিয়ে প্রতিটি পরিবারেই থাকে কোনও না কোনও সমস্যা৷ আর সেটাই স্বাভাবিক৷ তাই কোনও সমস্যা বা কথা কাটাকাটি হলে বিষয়টিকে হালকা করার জন্য মজার মজার গান শুনুন, শরীর দুলিয়ে একটু নাচুন অথবা একে-অপরকে জড়িয়ে ধরুন৷ দেখবেন, পরিবেশ অনেক হালকা হয়ে গেছে৷ এটা ছোটখাটো সমস্যা মেটানোর দ্রুততম কৌশল৷ আমেরিকায় সাম্প্রতিক করা এক গবেষণা থেকে এই কৌশলের কথা জানা গেছে৷ আরো বেশি আলিঙ্গন করুন স্বামী-স্ত্রী বা পার্টনারের মধ্যে মিল বেশি হলে আনন্দ এবং হাসির মাত্রাও বেশি থাকে৷ তাই কাছাকাছি থাকা এবং কথায় কথায় একে-অপরকে জড়িয়ে ধরলে দু’জনেই নিরাপদ বোধ করেন৷ তবে একসঙ্গে হাসাহাসি করলে ছোটখাটো দুঃখ-কষ্ট যেমন ভোলা যায়, তেমনি একে-অপরের অপছন্দের বিষয়গুলোও সহজে মেনে নেওয়া যায়৷ জগিং করার চেয়ে জোরে হাসা বেশি কার্যকর জানেন কি, দিনে মাত্র ২০ সেকেন্ড জোরে হাসলে শরীরের পেশিগুলো তিন মিনিট জগিং করার মতো কাজ করে? তাই প্রতিদিন কয়েক বার প্রাণ খুলে জোরে জোরে হাসলে আর জগিং করার প্রয়োজন হয় না! সুতরাং দিনে অন্তত একবার ২০ সেকেন্ড প্রাণ খুলে জোরে জোরে হাসুন! শিশুর হাসি একটি শিশু দিনে গড়ে ৪০০ বার হাসে আর একজন প্রাপ্তবয়স্ক হাসেন সেক্ষেত্রে মাত্র ১৫ বার৷ বিশেষজ্ঞদের ধারণা, হাসিখুশি থাকার মধ্য দিয়ে মানুষ তার আয়ু বাড়াতে পারে শতকরা ২০ ভাগ৷ কারণ হাসি-ঠাট্টার মধ্য দিয়ে শরীরের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে গিয়ে মানসিক চাপকে কমিয়ে দেয়৷ মানসিক চাপ বা স্ট্রেস স্ট্রেস বা মানসিক চাপই শতকরা ৭০ ভাগ অসুখের জন্য দায়ি৷ এ কথা আজ আর নতুন করে বলার তেমন প্রয়োজন নেই৷ তাই যতটা সম্ভব মানসিক চাপ এড়িয়ে চলার পরামর্শই দিয়েছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা৷ সমালোচনাকে দূরে রাখবেন যেভাবে কর্মক্ষেত্রেই মানুষ বেশি সমালোচিত হয়ে থাকে৷ এমন পরিস্থতিকে সহজ করতে একটু মিষ্টিভাবে, হাস্যরস মিশিয়ে সহকর্মীর সঙ্গে বলতে পারেন৷ যেমন, ‘আমি বেশি পারফেক্টভাবে কাজ করতে চাই বলেই হয়ত অনেকসময় বাড়াবাড়ি হয়ে যায়৷’ এতেই দেখবেন অপরপক্ষ সহজ হয়ে গেছেন৷ আনন্দ শেয়ার করুন যে কোনও আনন্দ বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করলে তার মাত্রা বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়৷ তাই বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যান কিংবা কোনও হাসির ছবি দেখুন৷ একসঙ্গে খেলাধুলা বা ব্যায়ামও করতে পারেন৷ কারণ ব্যায়াম করার সময় শরীরে সুখ হরমোন ছড়িয়ে যায়, মনও ভালো হয়ে ওঠে৷ ভুল করাকে সহজভাবে নিন জীবনে মানুষ প্রতিনিয়তই নানারকম ভুল করে থাকে৷ কাজেই ভুলকে বেশি গুরুত্ব না দিয়ে নিজের কথা ভাবুন৷ রাগ করে কোনও লাভ নেই, বরং ভুলকে সহজভাবে নিন৷ কারণ মানুষ অনেকসময় পরিস্থিতির কারণেও ভুল করে থাকে৷ হিউমার বা ঠাট্টা জীবন তো এমনিতেই কঠিন৷ এর সঙ্গে খানিকটা হিউমার বা হাস্যরস মিশিয়ে নিলে মনের দ্বিধা বা সন্দেহ দূর হয়ে সবকিছু অনেক সহজ হতে পারে৷ তাছাড়া জোরে জোরে হাসার সময় সুখ হরমোন ‘ডোপামিন’ শরীরে ছড়িয়ে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ডিপ্রশনের ওষুধ হিসেবেও কাজ করে৷ কাজেই সবসময় আনন্দের কথাটি মাথায় রাখুন৷ দেখবেন একসময় গোমরাভাব কোথায় পালিয়ে গেছে! সূত্র: ডয়চে ভেলে একে//

রাগের সময় মাথা ঠাণ্ডা রাখবেন যেভাবে

মতের অমিল হোক বা বিরূপ পরিস্থিতির শিকার— রগ বেয়ে দগদগে রাগ সটান মাথায় চড়ে বসে হরদম। কোনও ভাবেই সামলানো যাচ্ছে না নিজের মেজাজকে। তার প্রভাব পড়ছে কাছের মানুষদের সঙ্গে ব্যবহারে। ফলে কথায় কথায় অশান্তি, ভুল বোঝাবুঝির শেষ নেই। এমন যদি আপনারও দশা হয়, তবে তার সমাধান রইল আপনার হাতের মুঠোয়। কথা বলার আগে ভাবুন দুমদাম কথা বলার অভ্যাস ছাড়ুন। এতে ভুল বার্তা যায়। তার চেয়ে কী বলবেন, আর কীভাবে বললে বিষয়টা আয়ত্তে থাকে, তা ভেবে নিন। হ্যাঁ, রাগের মাথায় কিছু বললেও তা ভেবে বলতে হবে। রাগ কমলে কথা বলুন রাগ হলে অ্যাড্রিনালিন হরমোনের প্রকোপে কিছুক্ষণের জন্য মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। তাই রাগের মাথায় ভেবে কথা বলা একান্তই না আয়ত্তে আনতে পারলে, রাগের পরিস্থিতি তৈরি হলে চুপ করে থাকা অভ্যাস করুন। রাগ কমলে গুছিয়ে বলুন নিজের খারাপ লাগা ও আপত্তি। দরকারে কড়া হয়েই বলুন। কিন্তু শালীনতা ছাড়িয়ে নয়। শরীরচর্চা করুন খুব সাধারণ সমাধান। যে কোনও মন বা শরীর সংক্রান্ত সমস্যাকে কব্জা করার সহজ উপায়। কাজেই পালন করুন সেই বিষয়টি। ব্যায়াম বা শারীরিক কসরত চাপ কমায়, ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ সবের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে মনেও। মন ভাল থাকলেই রাগ কমতে বাধ্য। ব্রেক নিন দিনের মধ্যে নির্দিষ্ট কোনও সময় কাজের চাপ বাড়ে কি? আর তখনই মেজাজের পারদ হু হু? তা হলে এক কাজ করুন, ঠিক যে সময়টা এমন হয়, তার আগেই কেটে পড়ুন অকুস্থল থেকে। অন্তত অল্প কিছুক্ষণের জন্য। হেঁটে আসুন, বা মোবাইলে পছন্দের সাইট সার্ফ করুন। মনকে বিরাম দিলে স্নায়ুও শান্ত হবে। ভাবনার নতুন দিক কাজকে করে তুলবে উপভোগ্য। মজার কথা মনে করুন জীবনে কোনও মজার ঘটনা আজও হাসায়? তা হলে রাগলে আপনার সমাধান হয়ে উঠবে মজার জোকস। কাজের ফাঁকে সে সবে চোখ রাখলে স্ট্রেশ কমবে। হোয়াটসঅ্যাপে পাওয়া জোকসও কাজে লাগাতে পারেন এ ক্ষেত্রে। রাগ পুষে রাখবেন না কারও মুখোমুখি হলে অতীতে তার সঙ্গে আপনার ইকুয়েশন কেমন ছিল, কোন ব্যবহারে দুঃখ পেয়েছিলেন, এ সব ভাবা বন্ধ করুন। হাসিমুখে কথা বলুন। একান্তই তা না পারলে, এড়িয়ে চলুন সে সঙ্গ, কিন্তু সৌজন্য বজায় রেখেই। অতীতের রাগকে পুষে রেখে আদতে ক্ষতি আপনার মনেরই। প্রতিশোধ প্রবণতা আসলে অসুখ। সেটা ডেকে আনবেন না প্লিজ। শান্ত থাকার কৌশল ভাবুন ‘থ্রি ইডিয়টস’-এ ‘আল ইজ ওয়েল’ মনে আছে? বেগতিক বুঝলে মনকে শান্ত রাখুন তেমনই কিছু ‘টনিক’ দিয়ে। রেগে যাওয়ার অভ্যাস ছেড়ে বরং কিছু ‘রিল্যাক্স স্কিল’ ভাবুন রোজ। যে ভাবনায় আনন্দ পান, চাপ কমে তেমন কিছু উবাচ ভেবে ফেলতে পারলে কাজে আসবে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

দুশ্চিন্তা  থেকে হাড়ক্ষয়!

আধুনিক ব্যস্ত ও শহুরে জীবনে দুশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি সাধারণত একাকিত্ব, ক্লান্তিবোধ এবং মানসিক ভারসাম্যহীনতা থেকে হয়ে থাকে। তবে যারা দুশ্চিন্তায় ভোগেন তাদের দুঃসংবাদ দিয়েছে ইতালিত একদল গবেষক। গবেষণায় পুরুষের চাইতে নারীদের বেশি ক্ষতি হয় বলে উছে এসেছে। ইতালির গবেষক দল জানায়, দুশ্চিন্তার কারণে নারীর হাড়ের ঘনত্ব কমা, ভাঙা বা ফেটে যাওয়ার আশঙ্কা সবচাইতে বেশি। একজন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত পুরুষের তুলনায় নারীর নিতম্বের হাড় ফাঁটার আশঙ্কা তিন শতাংশ বেশি। আর অন্যান্য হাড় ফাঁটার আশঙ্কা চার শতাংশ বেশি। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে ভিটামিন ডি’র মাত্রা কমে যায়। ফলে হাড়ক্ষয় রোগের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। দুশ্চিন্তা দূর করতে দুশ্চিন্তা গ্রস্তদের পরামর্শ দিতে গিয়ে ইতালির গবেষক দলের প্রধান ডা. অ্যান্টোনিও কাতালানো তাদেরকে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট, তেলযুক্ত মাছ, ডিমের কুসুম ইত্যাদি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। ভারতীয় মনোবিজ্ঞানী সাগর মান্ডালা জানান, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তার ফলে শরীরে অনেক পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে হাড় ও হাড়ের জোড়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। মানসিক চাপ ভিটামিন ডি’র ওপরেও প্রভাব ফেলে। এক্ষেত্রে তিনি ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করার পরামর্শ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা উন্নত হয় এবং দুশ্চিন্তার পরিমাণ কমে।   এমএইচ/ এসএইচ/

ট্রেনের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়ার ছয় উপায়

ঘুম মানুষের খুব দরকার। ঘুম ছাড়া সুস্থভাবে বাঁচা কোনোভাবে সম্ভব নয় বলে সিংহভাগ মানুষ বিশ্বাস করেন। কিন্তু এই ঘুম অনেকেই খুব সহজেই ঘুমাতে পারেন। আবার অনকে অনেক চেষ্টা করেও ভালোভাবে ঘুমাতে পারেন না। বিশেষ করে দূরে কোথাও যাওয়ার পথে অনেকেই ট্রেনে বা বাসে চড়ে ঘুমিয়ে পড়েন সহজেই। আবার অনেকেই অনেক চেষ্টা করেও ঘুমাতে পারেন না। ট্রেনে চড়ে খুব সহজে ঘুমিয়ে পড়ার ছয়টি উপায় নিম্নে তুলে ধরা হলো- ১। জমিয়ে ঘুমোতে চাইলে শুরুতেই জানালার ধার দখলের চেষ্টা করুন। কিন্তু কোন দিকে বসবেন, সেটা নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। ডেলি প্যাসেঞ্জার মাত্রেই জানেন, গরমের সময় এমনভাবে বসতে হয় যাতে ট্রেন যেদিকে যাচ্ছে, আপনার মুখও সেদিকে থাকে। কিন্তু শীত বা বর্ষায় এর উল্টোটা করুন। সমস্যাহীন নিদ্রার জন্য অতি আবশ্যক। অবাঞ্ছিত বাতাস বা জলের ছাঁট বিরক্ত করবে না। ২। জানলার ধারে বসার সুযোগ পেলে হাতটা মুড়ে কনুই সংলগ্ন বাহুর অংশটি জানালার ধাপে তুলে দিন। তার ওপর মাথা রাখুন। এতে ট্রেনের দুলুনি বা ঝাঁকুনিতেও ঘুম ভাঙার সম্ভাবনা কম। ৩। জানলার ধারে না হয়ে যদি মাঝে বসার সুযোগ পান, তাহলে অন্য টেকনিক নিতে হবে। শিরদাঁড়া সোজা রেখে বা সামান্য হেলিয়ে মাথাটা কোথাও ঠেকিয়ে ঘুমোনোর বিপদ আছে। আকস্মিক ঝাঁকুনিতে মাথায় আঘাত লাগতে পারে। ঘাড়ের ব্যথাও হতে পারে। বরং এক্ষেত্রে কাজে লাগান আপনার হাতের ব্যাগটি। ঊরুর ওপর ব্যাগটি রেখে তার উপর হাত রাখুন। এবার হাতে ভর দিয়ে ঘুমোন। ট্রেনের ঝাঁকুনিতে শক অ্যাবসর্বারের কাজ করবে পায়ের উপর রাখা ব্যাগটি। ৪। যদি বসার জায়গাটিও না জোটে, সেক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েও ঘুমোনোর উপায় হতে পারে। কীভাবে? আবশ্যিক শর্ত হল, হাত ওপরে তুলে শক্ত করে ধরে রাখতে হবে ট্রেনের ঝুলন্ত হাতল। ঘুমের মধ্যে কোনওভাবেই যাতে হাত ছেড়ে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এই বার হাতের কাঁধ সংলগ্ন অংশে আলতো করে ঘাড় বেঁকিয়ে মাথা ঠেকিয়ে ঘুম! ব্যাস, নো টেনশন! ৫। ঘুমের চেষ্টা করার সময় কোনওভাবেই হাতে মোবাইল রাখবেন না। ঘুমের ঘোরে হাত থেকে মোবাইল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা যেমন থাকবে, তেমনই মোবাইলের দিকে মন থাকলে চট করে ঘুম আসতেও সমস্যা হতে পারে। ৬। তবে ট্রেনে বা বাসে ঘুমোনোর জন্য সেরা উপায় হল বন্ধুর উপর ভরসা রাখা। নিজের ভার বন্ধুর কাঁধে রাখুন।অতএব, অফিস যাওয়ার পথে ছোট্ট করে একটা ন্যাপ নিয়ে নিন, একদম নিশ্চিন্তে। তথ্যসূত্র: এবেলা। এসএইচ/

আত্মবিশ্বাস বাড়াতে চাইলে এড়িয়ে চলুন ৫ কথা

আত্মবিশ্বাস শব্দটা ছোট হলেও জীবনে এর গুরুত্ব অনেক। আত্মবিশ্বাস না থাকলে জীবনে উন্নতি অসম্ভব। নিজের উপর ভরসাই যদি না থাকে, তা হলে কখনও কারও ভরসার যোগ্যও হয়ে ওঠা যায় না। ব্যক্তি বিশেষের ক্ষেত্রেও যেমন প্রযোজ্য, তেমনই এ কথা প্রযোজ্য আপনার কর্মক্ষেত্রেও। কথা বলার সময় বিশেষ সতর্ক থাকুন। আপনার ডিকশনারি থেকে বাদ দিয়ে দিন এই শব্দগুলো। করতে পারবো না সবচেয়ে আগে এই শব্দটা বাদ দিয়ে দিন আপনার ডিকশনারি থেকে। এতে আপনার আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং অনিচ্ছা প্রকাশ পায়। আমি কি বোঝাতে পারলাম? সামনের জনকে এটা বলার অর্থ আপনার নিজের দক্ষতার প্রতি কোনও আস্থা নেই। আর তাই আপনি বক্তব্যের মাঝে নিজেকেই যাচাই করে নিচ্ছেন। কথায় কথায় ‘জাস্ট’ ব্যবহার আমি জাস্ট এটা যাচাই করতে চেয়েছিলাম। আমি জাস্ট পৌঁছলাম। আমি জাস্ট...। কথায় কথায় বড্ড বেশি ‘জাস্ট’ ব্যবহার করে ফেলেন? তা হলে আজ থেকে গুডবাই বলুন জাস্টকে। কারণ বিষয়টা অনেকটা এরকম দাঁড়ায় যে, আপনি কোনও বিষয়ে নিজেকে রক্ষা করতে চাইছেন বা বোঝাতে চাইছেন যে, আপনার কোনও দোষ নেই। অযথা কথায় বিষ্ময় প্রকাশ করা থ্যাঙ্কস জানাবেন, আবার বিস্ময়ও রাখবেন। অফিসিয়াল মেল বা চিঠিতে লিখলেন ‘থ্যাঙ্কস!’ বা যেমন ধরুন কোনও কিছুতে খুশি বোঝাতে ‘দারুণ ব্যাপার!’ বললেন। মাথায় রাখবেন এটাও কিন্তু আপনার আত্মবিশ্বাসের উপরে দাগ কাটে। যা কিছু বলার ছোট এবং অ্যাক্টিভ বাক্যে বলুন। অযথা কথায় বিষ্ময় প্রকাশ করবেন না। নিশ্চিত হয়ে বলে দেওয়া এমন অনেকেই আছেন যারা কথার প্রথমেই বলে থাকেন, ‘আমি খুব নিশ্চিত নই, তবে...’। কথা এভাবে শুরু করার অর্থ তারা ভুল হওয়ার ভয় পান। যদি নিশ্চিত হয়ে বলে দেন অথচ পরে ঘটে ঠিক উল্টো তাই, আগে থেকে একটা জায়গা তৈরি করে রাখেন নিজের বাঁচার জন্য। সূত্র: আনন্দবাজার একে//  

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কী কী ক্ষতি হতে পারে?

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে শরীরে মারত্মক ক্ষতি সাধিত হতে পারে। বেশিরভাগ পুরুষই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন। প্রস্রাব করার সময় পুরুষের এই অভ্যাস অতি পরিচিত। কিন্তু জানেন কী, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে,দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করার ফলে শরীরে মারত্মক ক্ষতি হয়ে থাকে। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় আসুন তা জেনে নেওয়া যাক। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো মূত্রথলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে মূত্রথলিতে চাপ লাগে, ফলে সহজেই এসব দূষিত পদার্থ শরীর থেকে তা বেরিয়ে যায়। • দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ ধীরে ধীরে কমতে থাকে। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপরের অংশে কোনও চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারে না। উল্টো তা শরীরের উপর দিকে উঠে যায়। এর ফলে শরীরের অস্থিরতা, রক্তচাপ, হৃদস্পন্দনের গতি বৃদ্ধি পায়। দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো শরীর থেকে ঠিক বেরিয়ে যেতে পারে না। সেগুলো মূত্রথলির নীচে গিয়ে জমা হয়। দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে এই দূষিত পদার্থগুলো জমতে জমতে কিডনিতে পাথর সৃ্ষ্টি করে। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে,যাঁরা নিয়মিত দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করেন, তাঁরা শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস বা মারাত্মক কিডনির অসুখে আক্রান্ত হন। সুতরাং, বদলে নিন অভ্যাস, সুস্থ শরীরে বাঁচুন দীর্ঘদিন। (সূত্রঃ জি২৪) কেআই/

ঘরের দেওয়ালে যে ৬ ছবি ভুলেও টাঙাবেন না    

নিজের ঘরটাকে মনের মতো করে সাজিয়ে তুলতে অনেকেই বিভিন্ন শিল্পির পেইন্টিং দেওয়ালে লাগিয়ে ঘরের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলেন। দেখতেও বেশ অপূর্ব লাগে। কিন্তু অজানার বিষয় হচ্ছে কিছু ছবি আছে যেগুলো লাগালে জীবনের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই কিছু কিছু ছবি দেওয়ালে না লাগানোই ভালো। জেনে নিন কোন কোন ছবি দেওয়ালে লাগাবেন না-   শিশুর কান্নার ছবি    শিশুর কান্নার ছবি ঘরের দেওয়ালে টাঙানো মোটেও উচিত নয়। কারণ, শিশুরা সৌভাগ্যের প্রতীক। শিশুদের কান্নার ছবি ঘরে বা দোকানে লাগানে দুর্ভাগ্য গ্রাস করে। ঝরনা বা বইতে থাকা পানির ছবি পানি বয়ে যাচ্ছে, এমন কোনও ছবি বাড়ির দেওয়ালে লাগালে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। বাস্তু মতে, বয়ে যাওয়া পানির ছবি ঘরে লাগালে সেখানে অর্থ স্থায়ী হয় না।   হিংস্র জন্তুর ছবি হিংস্র কোনও প্রাণীর ছবি ঘরের দেওয়ালে লাগালে বা এই ধরনের কোনও শো-পিস ঘরে রাখলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ক্রোধের মাত্রা বাড়ে, পরিবারে মনোমালিন্য, হিংসা বাড়ে। ডুবতে থাকা জাহাজ বা নৌকার ছবি এমন ছবি ঘরের দেওয়ালে লাগালে নিজের ভাগ্যও ডুবে যেতে পারে। বাস্তুমতে বিশ্বাস এমনই। এমন ছবি বা শো-পিস ঘরে থাকলে পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কের উপরেও কুপ্রভাব পড়ে। যুদ্ধের ছবি ঘরের দেওয়ালে যুদ্ধের কোনও ছবি না লাগানোই ভাল। এর ফলে পরিবারের শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ বাড়তে পারে।   বড় ধরনের স্থাপত্যশিল্প স্থাপত্যশিল্প যেমন মুঘল সাম্রাজ্যের আকর্ষণীয় নিদর্শন তাজমহলের ছবি দেওয়ালে না টাঙানোই ভালো। অবশ্যই এই টাইপের ছবিগুলো দেখতে অসাধারণ কিন্তু এই ধরনের ছবি মৃত্যু এবং ধ্বংসের সূত্রপাত হতে পারে। সূত্র : এই সময়। কেএনইউ/এসি     

বিত্তবান হতে চাইলে ছাড়ুন ৪ অভ্যাস  

পৃথিবীতে সুন্দরভাবে বেচেঁ থাকতে হলে যে উপাদানগুলো প্রয়োজন এর মধ্যে টাকা অন্যতম একটি উপাদান। তাই টাকা উপার্জনের জন্য মানুষ তাদের সর্বোচ্চ সময় ব্যয় করে। কিন্তু মানুষের মাঝে থাকা কিছু বদঅভ্যাস তাকে অর্থ উপার্জনের ক্ষেত্রে বাধাঁ প্রদান করে। আমাদের এই আয়োজনে থাকছে এরকমই কিছু বদ অভ্যাস যা পরিহারের মাধ্যমে আপনি সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারেন।     ১) সময় অপচয়       আমরা সাধারণত বন্ধুদের সাথে আড্ডা, গল্পগুজব এবং অসার আলাপের মধ্য দিয়ে সময় অপচয় করি। বর্তমান সময়ে ফেইসবুক এবং ইউটিউবে আমরা অনেক সময় অপচয় করি। কিন্তু এ সময়কে অনেক মনীষী অর্থের সাথে তুলনা করেছেন। তাই আপনি যদি নিজেকে অর্থবৃত্তের মালিক বানাতে চান তাহলে সময়ের সঠিক ব্যবহার করুন।    ২) অলসতা   আমরা ছোট বেলায় পড়েছিলাম ‘আলস্য দোষের আকড়’ অর্থ্যাৎ অলসতাই সকল দোষের মূল। তাই নিজেকে সাফল্য মন্ডিত করতে চাইলে অলসতা দূর করতে হবে। পৃথিবীতে যারাই সফল হয়েছেন তারা কঠোর পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে নিজেদের পার করেছেন।    ৩) দায়িত্ব পালনে অবহেলা প্রত্যেক মানুষ তার লেভেল অনুযায়ী দায়িত্ব পালন না করলে সফল হওয়া সম্ভব নয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং কর্মকর্তা-কর্মচারি যেটাই বলিনা কেন যার যার জায়গায় সফল হতে চাইলে দায়িত্ব অবহেলা করা যাবে না। ৪) অপচয়  আমাদের সমাজে প্রচলিত প্রবাদের মধ্যে, ‘অপচয়কারী শয়তানের ভাই’ এবং ‘আয় বুঝে ব্যয় কর’ হচ্ছে অন্যতম। এই দুটি প্রবাদের মর্মবানী হলো-অপচয় না করা এবং আয় অনুযায়ী ব্যয় করা। তাই আপনি যদি সফল হতে চান তাহলে অযথা অর্থ অপচয় থেকে বিরত থাকুন। এমএইচ/এসি        

প্রথম দেখায় নিজের ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরবেন যেভাবে

আপনি কারও সঙ্গে প্রথম দেখা করতে যাবেন ঠিক এ সময় মাথায় ঘুরপাক খায় কী করবেন, কেমনভাবে কথা বলবেন, কেমন পোশাক নির্বচন করবেন। মোট কথা প্রথম দেখায় তার কাছে আপনার সুন্দর ব্যক্তিত্বকে ফুটে তুলবেন কিভাবে এই বিষয়ে চিন্তায় পড়ে যান। প্রথম দেখায় নিজের ব্যক্তিত্ব সঠিকভাবে প্রকাশ করতে না পারলে তো নিজের কাছেই খারাপ লাগবে। ১) কথা বলার ভাব-ভঙ্গি কথা বলার সময় সুন্দর সুন্দর শব্দ চয়ন করুন, এছাড়াও নিজের মাতৃভাষাকে ভালোভাবে জেনে শব্দভাণ্ডার দিয়ে সমৃদ্ধ করুন আপনার কথাকে। এছাড়া কথা বলার সময় আই কন্টাক্ট করার চেষ্টা করবেন এবং হাসি মুখে কথা বলার চেষ্টা করবেন। আপনার কথার বলার মাধ্যমেই আপনার সম্পর্কে ভালো ধারণা পাবে। ২) পোশাক নির্বাচন প্রথম দেখা করতে যাচ্ছেন তাই অবশ্যই মনে রাখবেন কোন পোশাকটি আপনি পরে যাচ্ছেন। আপনার পোশাক নির্বাচন যদি সঠিক না হয় তবে আপনার রুচি সম্পর্কে নেতিবাচক কিছু ভাবনা হতে পারে। পোশাক নির্বাচন আপনার রুচির বিষয়ে অনেক কথাই বলে দেবে। ৩) নিজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করুন জীবনে চলার পথে কত ধরনের নেগেটিভ চিন্তাই না মনের মাঝে আসে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যখন কারও সঙ্গে প্রথম দেখা করতে যাচ্ছেন তখন মনের মাঝে নেতিবাচক চিন্তাকে জায়গা না দিয়ে আত্মবিশ্বাসী হোন। নিজেকে জানার চেষ্টা করুন। দেখবেন ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠবে উজ্জ্বল। ৪) স্থির ও ইতিবাচক থাকা প্রথম দেখা করতে যাচ্ছেন সুতরাং তার সঙ্গে ইতিবাচক কথা বলার চেষ্টা করুন। ইতিবাচক কথা কিংবা ভাবনা অন্যের কাছে আপনাকে ভিন্ন রূপে ফুটিয়ে তুলবে। কথা বলার সময় কিংবা শরীরের ভাব-ভঙ্গি স্থির রাখবেন। যার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন এবং যে জন্য দেখা করতে গিয়েছেন সেই দিকেই মনযোগ দিন। অর্থাৎ দেখা করতে গিয়ে আপনি এখন বাড়ির কথা ভাবছেন, এ কারণে তার কথা মনোযোগ দিতে পারছেন না এতে আপনার ব্যক্তিত্ব কমে যাবে। ৫) অতিরিক্ত আনুষঙ্গিক কথা নয় প্র্যাক্টিকাল কথা অর্থাৎ অতিরিক্ত আনুষঙ্গিক কথা যেমন- আপনার চাকরি, বস, বাড়ি, বাবা-মা, দেশের কথা এসব কখনই বলা উচিত নয়। সারাক্ষণ পরিবারের কথা বললে, চাকরির কথা বললে কখনো কারো বেশিক্ষণ ভালো লাগার কথা নয়। গুরু গম্ভীর আলোচনা বাদ দিয়ে বরং কথা বলুন হালকা মেজাজে। কেএনইউ/এসএ  

প্রেম না করার ৫ সুফল  

যারা প্রেম করেনি তারা হয়তো ভাবছে পৃথিবীর সবচেয়ে হতভাগ্য তারাই। কিন্তু ধারণাটা একেবারেই ভুল। বরং প্রেম না করেই অনেকটা উপকার পাওয়া গেছে। প্রেম না করা ব্যক্তিরাই সবচেয়ে সুখি ব্যক্তি। অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি।   দেখে নেওয়া যাক প্রেম না করার কিছু সুফল ধারণা- ১) প্রেমের সম্পর্ক থাকলে প্রতিনিয়তই ঝগড়াঝাটি, পারিবারিক কলহে মানুষদের হৃদপিণ্ডের অনেক ক্ষতি হয়। যা পরবর্তীতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু একা থাকলে অধিকাংশ সময়েই এই ধরণের ঝামেলা থাকে না। ফলে হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্য ভালো থাকে।   ২) সম্পর্কে জড়িয়ে গেলেই বিভিন্ন রকম অশান্তি আর মানসিক চাপ ভর করে আমাদের এই মাথায়। অতিরিক্ত মানসিক চাপ মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। বরং একা থাকাই মস্তিষ্কের জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো। কারণ একা থাকলে যখন খুশি যা ইচ্ছে করা যায়। আর তাই মন থাকে ফুরফুরে। ৩) যারা প্রেম শুরু করেছে তারা কখনই পড়া-লেখার জগতে মনোযোগ দিতে পারে না। ফলে রেজাল্টও ভালো হয় না, এমনকি বড় হওয়ার কোন স্বপ্নও থাকে না তাদের। কিন্তু যারা প্রেমের ফাঁদে পা দেয় নি তারা দিব্যি মনোযোগ দিয়ে পড়াশুনা করছে। পড়ার সময় কোন রকমের বাজে চিন্তায় তাদের করতে হচ্ছে না। এর ফলে তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে।  ৪) প্রেমে পড়েছেন যারা তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলতে হয়। ফোনে কথা না বললে সঙ্গীর চেঁচামেচি, উফ! এতে ফোনের পিছনে যেমন টাকা খরচ হচ্ছে, তেমনি শরীরেও ক্ষতির প্রভাব পড়ছে। কিন্তু যারা প্রেম করছে না তাদের এই ধরনের কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না। এমনকি ফোনের পিছনে যে টাকা খরচ হয় সেটা দিয়ে নিজের পছন্দ মতো জিনিস কিনে ফেলছেন। ৫) যারা প্রেম করছেন না তাদের চোখে সেই ঘুম। কেননা যারা প্রেম করে তারা রাতে ঠিকমত ঘুমাতে পারে না। হয় সঙ্গীর কথা মনে পড়ে আর না হয় ফোনে কথা বলতে হয়। আর যদি প্রেম না থাকে তাহলে এই বাড়তি চিন্তা মাথায় থাকে না। ফলে ঘুম হয় নিশ্চিন্তে।    কেএনইউ/এসি    

অফিস পলিটিক্স থেকে বাঁচার ৫ উপায়

কর্মক্ষেত্রে আমরা সবাই একটি নির্ঝঞ্ছাট আর বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ চাই। কিন্তু আমাদের জীবনের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকবেই এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই অফিস পলিটিক্সের শিকার হতে পারেন আপনি। জেনে নিন ৫টি উপায় যা দিয়ে এই ঝামেলা থেকে নিজেকে রাখতে পারবেন অনেক দূরে। ১) খেলার ধরনটা বুঝুন আগে আপনি শত চেষ্টা করলেও অফিস পলিটিক্সের শিকার হতেই পারেন। তিনি নিজেকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে আপনাকেই। আর তাই আগে খেলার ধরনটা বোঝার চেষ্টা করুন। কারা কারা আপনাকে নিয়ে ভাবছে বা বলছে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। অফিসে খুব কঠোর থাকবেন না আবার খুব নরমও না। আপনি যে কাজ করছেন তার যথাযথ মূল্যায়ন পাচ্ছেন কি না সেদিকে খেয়াল রাখুন। আপনার ভালো কাজের ক্রেডিট অন্য কেউ নিয়ে যাচ্ছে কি না সেদিকেও নজর দিন। আপনার ভালো কাজ আপনার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছাচ্ছে তাও নিশ্চিত করুন। ২) কাউকে ভরসা করবে না অফিসে এক সাথে কাজ করার সুবাদে অনেকের সাথেই আপনার সুসম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। দাপ্তরিক সম্পর্ক ব্যক্তিগত পর্যায়েও যেতে পারে। তবে অফিসিয়াল কাজের বিষয়ে কারও ওপর ভরসা করবেন না। বিশ্বাস করবেন না কাউকে। কারণ যদি কোথাও কোন গলদ থেকে যায় তাহলে দিন শেষে তার দায়ভার নিতে হবে আপনাকে একাই। তাই অফিসিয়াল কাজে এই ধরনের গোপনীয়তা বজায় রাখুন। নিজের কাজ নিজে করুন। অন্যের ভরসায় থাকবেন না। ৩) আপনার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো করুন যোগাযোগ এমন একটি বিষয় যা ক্যারিয়ারে আপনাকে অনেক উপরে নিয়ে যেতে পারে। তাই ভালো যোগাযোগ রক্ষা করুন। পাশাপাশি যোগাযোগ স্থাপনেও হোন দক্ষ। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ থাকলেই যে আপনি তাদের দ্বারা উপক্রৃত হবে বিষয়টা কিন্তু এমন না। আপনার লৈখিক ও মৌখিক কথাবার্তা হতে হবে বেশ স্মার্ট। অন্যদের মাঝে একটি ভীতি থাকতে হবে যে, যদি আপনি মুখ খোলেন বা কিছু লেখেন তাহলে তা চুপ করিয়ে দিতে পারে অনেককেই। ৪) একজন গডফাদারের অধীনে থাকুন অফিস পলিটিক্স সাধারণ তাদেরই ক্ষতি করে যারা অন্যদের তুলনায় দুর্বল। এখানে দূর্বলতা মানে শারীরিক দূর্বলতা নয়। এখানে কূটনৈতিক জনিত দূর্বলতাই বোঝানো হচ্ছে। অফিসে ব্যাপক প্রভাব আছে এমন কোন ‘গডফাদার’ এর শিবিরে আপনি যোগ দিতে পারেন। এতে করে কয়েকজন সমর্থনকারী পাবেন আপনি। একটি বড় ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর সাথে থাকলে আপনাকে সহজে কেউ ঘাটাতে আসবে না। তারপরেও যদি কেউ আসে তাহলেও নিজ দলের থেকে সাহায্যও পেতে পারেন। তবে সেই আশা খুব একটা না রাখাই ভালো। ৫) নিজের কাজে সেরা হোন আর নির্ভয় থাকুন একটা বিষয় সত্য্ যে, যে যাই করুক না কেন, কর্মক্ষেত্রে একজনের পারফরমেন্সই তাকে অফিসে টিকিয়ে রাখে। তাই আপনি আপনার নিজের কাজে হয়ে উঠুন সেরা। যেন কেউ শত রাজনৈতিক আর কূটনৈতিক মারপ্যাচে ফেললেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যেন আপনার সাথে থাকে। কারণ তারা জানে যে, ঐ কাজে আপনি সেরা। তাই নিজের প্রতি আস্থা রাখুন। নিজের কাজ দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করার চেষ্টা করুন। কর্মক্ষেত্রে থাকুন আত্মবিশ্বাসী আর নির্ভয়। সূত্র: ইন্ডিয়ান টাইমস //এস এইচ এস//টিকে

অবিবাহিত নারীরা যে ৫ কথায় বিরক্ত

অনেক নারীই আছেন যারা দেরিতে বিয়ে করেন, তাদের অনেক বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরতে হয়। বিশেষ করে আশেপাশের মানুষদের বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, যা খুব বিরক্তকর ও অসহ্য মনে হয়। অবিবাহিত নারীরা যেসব কথায় বেশি বিরক্ত হয় এরকম ৫ কথা উল্লেখ করা হলো- ১) বয়স হয়ে গেছে, বিয়ে করবে কবে? বয়স হয়ে গেছে বিয়ে করবে কবে- যারা বিয়ে করে নি তাদেরকে এই কথাটা প্রায়শই শুনতে হয়। এই কথাটা যখনই কানে আসে তখনই খুব বিরক্ত লাগে। বিরক্ত তো বটেই। হয়তো কোন কারণেই বিয়ে করতে দেরি হচ্ছে, তাই বলে এসব কথা! মোটেও নারীরা এসব শুনতে চান না। ২) তোমার জন্য ছোট বোনের বিয়ে হচ্ছে না যাদের বিয়ে করতে দেরি হচ্ছে বা করছে না তাদেরকে পরিবার কিংবা আশেপাশের মানুষ বলে দেয় যে তার জন্যই তার ছোট বোনের বিয়ে হচ্ছে না। কথাটা শুনতে খুবই খারাপ লাগে। এমন কথার উত্তরে সে বলবে, তার বোনকে বিয়ে দিচ্ছে না কেন, আর তারই জন্য বা বিয়েটা থেমে আছে কেন? বিয়েটা দিয়ে দিলেই হয়। ৩) ভবিষ্যতে তুমি খুব ভালো মা হতে পারবে যার এখনো বিয়েই হয় নি তাকে এমন কথা শুনতে হচ্ছে- ভবিষ্যতে তুমি খুব ভালো মা হতে পারবে, এ সময় কেমনটা লাগে! এই কথাটা সত্যিই খুব বিরক্তিকর কথা। শুধু বিরক্তিকর নয় যেন মেজাজের উপরে গিয়ে পড়ে। ৪) তোমাকে কোন ছেলেই বিয়ে করবে না অবিবাহিত নারীরা যখন কোন বিষয়ে সাফল্য লাভ করে তখন অনেকে হিংসায় তাকে শোনায় যে, কোন ছেলেই তাকে বিয়ে করবে না বা তোমার কখনই বিয়ে হবে না। এই কথাগুলো সত্যিই মাথায় নেওয়া অসম্ভব। ৫) বিয়ের পর সংসার সামলাতে হবে এখনও পড়াশুনা চলছে কিংবা চাকরি চলছে এমন অবিবাহিতদের সামনে যদি বলে বিয়ের পর সংসার সামলাতে হবে, এমন কথা শুনতে কে না বিরক্ত হয় বলুন। তখন তার উত্তরে এমন হবে- বিয়ের পর আমি কি করবো কি করবো না সেটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কেএনইউ/টিকে

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি