ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৮ ৫:১৬:১১

সারাদিনের কাজের পর ক্লান্তি দূর করুন ৭ উপায়ে

সারাদিনের কাজের পর ক্লান্তি দূর করুন ৭ উপায়ে

দিনভর পরিশ্রমের পর ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফেরাই আমাদের প্রতিদিনের নিয়ম। আর এই ধরাবাঁধার রুটিনে চলতে চলতে মন ও শরীরকে গ্রাস করে মানসিক চাপ। পরিবর্তিত জীবনযাত্রার প্রভাবে সেই চাপের শিকার কমবেশি আমরা প্রত্যেকেই। বাড়ি ফিরে কিছু উপায় অবলম্বন করলে কিন্তু রোজের চাপ নিমেষে গায়েব! জানেন, সে সব কী কী? মিউজিক সিস্টেম বাড়ি ফিরে নিজের প্রিয় বিছানা আমাদের সবার প্রিয়। বেশ তো, গা এলিয়ে দিন বিছানায়। এ বার হাতের কাছে থাকা মিউজিক সিস্টেমে চালিয়ে দিন আপনার পছন্দের কোনও হালকা গান। মস্তিষ্কের কোষ এতে আরাম পায়। হালকা গানের ছন্দ হাইপোথ্যালামাসে এক সুখের আমেজ তৈরি করে। সহজেই পিছু সরে মানসিক চাপ। মজাদার ভিডিও সারা দিনের ক্লান্তি কিন্তু ভুলিয়ে দিতে পারে মিষ্টি কিছু ভিডিও। সোশ্যাল সাইট ঘাঁটলেই রোজই মেলে এমন কিছু মজাদার ভিডিও, যা আপনাকে আনন্দ দেয়। মনোবিদদের মতে, হাসলে বা ছোট ছোট বিষয়ে আনন্দ খুঁজে পেলে তা সহজেই মনকে হালকা করে। বাড়ির শিশুদের সঙ্গে মিশুন বাড়িতে শিশু আছে? তাহলে চাপ মুক্ত করতে এর চেয়ে ভাল উপায় আর নেই। বাড়ি ফিরেই কিছুটা সময় তাদের সঙ্গে কাটান। তাদের মতো করে মিশুন। তাদের সঙ্গ আপনাকে সারা দিনের কাজের ক্লান্তি সরিয়ে দিতে সাহায্য করবে। শিশুদের হাসি-আবদার-বায়নার মধ্যেই জীবনের অন্য সুর লেগে থাকে। ভালো খাবার আপনি কি ভোজনরসিক? মনোবিদদের মতে, খেতে ভালবাসেন যে সব মানুষ, তাদের সারা দিনের ক্লান্তি অনেকটাই কমে যায় ভালো খাবারের সন্ধান পেলে। এমনিতেই খিদে পেলে মস্তিষ্কের থ্যালামাসে এই সময় এক ধরনের হরমোন ক্ষরিত হয়, যা প্রশমিত করে সারা দিনের ক্লান্তি। আর তাতে পছন্দের খাবার হলে তো আর কথাই নেই! প্রিয়জনকে কাছে ডেকে নিন সবচেয়ে সেরা উপায়ে মনের চাপ কমাতে বরং প্রিয়জনকে কাছে ডেকে নিন। এক কাপ চা বা কফির সঙ্গেই গল্পগাছায় জমে যাক আপনাদের সন্ধে। দু’জনের সারা দিনের কাজ, ইচ্ছে- এ সব নিয়েই না হয় কথা হল। দেখবেন, মনের ভার অনেক হালকা হচ্ছে। যদি বাড়িতে একা থাকেন, তাহলে বরং কিছুটা সময় কাটান পছন্দের কোনও বন্ধুর সঙ্গে। নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু করুন নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখছেন কি সারা দিনে? না রাখলে আজ থেকেই তা রাখুন। এই সময়টায় নিজের পছন্দ অনুযায়ী কিছু করুন। ঘর সাজানো, বাগান করা- যা খুশি। বই পড়তে ভাল লাগে সেটার চর্চাও করুন এই সময়টা। পোষ্য থাকলে তার সঙ্গে সময় কাটালেও চাপ মুক্ত হবে মন। মেডিটেশান মনকে ভারমুক্ত রাখতে বা মনের চাপ কমাতে প্রতি দিনই ঘুম থেকে উঠে কিছুটা সময় দিন মেডিটেশানে। মনঃসংযোগ বাড়াতে এর চেয়ে উত্তম উপায় আর হয় না। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, একাগ্রতার মধ্যেই লুকিয়ে আছে চাপমুক্তির দাওয়াই। যত কাজে মন বসাতে পারবেন, ততই মনে আজেবাজে চাপ থাবা বসাতে পারবে না। সূত্র: আনন্দবাজার একে//
সফল হতে চাইলে ৭টি বিষয় গোপন রাখুন  

মানুষ সফল হতে চায়। কেউ ব্যর্থতার খাতায় নাম লিখাতে চায় না। আমাদের এ যুগেও চাণক্য নীতি প্রাসঙ্গিক। অনেকের মতে আধুনিক এই যুগেও চাণক্য নীতি মেনে চললে সাফল্যের দিকে সহজেই এগিয়ে যাওয়া যায়। তবে সফল হতে গেলে জীবনের কয়েকটি বিষয় অন্যদের থেকে গোপন রাখতে হয়। যেনে নিন সফল হতে হলে কী কী বিষয় গোপন রাখতে হয়-   ১. আপনি কত টাকা রোজগার করেন বা আপনার কত টাকা সম্পত্তি, তা কখনোই অন্যদের জানাবেন না। ২. প্রত্যেকের জীবনেই একজন করে গুরু বা পথপ্রদর্শক থাকেন। তিনি আপনাকে কী পরামর্শ দিয়েছেন তা অন্যকে বলবেন না।  ৩. পরিবারে বা আত্মীয়দের সঙ্গে কী চলছে- তা কখনোই বাইরের লোকের কাছে প্রকাশ করবেন না। ৪. অনেকে দান করে বলে বেড়ায়, ভিক্ষুককে কত টাকা দান করছেন- তা গোপনে রাখুন।   ৫. আপনার বয়স কত, তা পেশাগত জায়গায় জানান। কিন্তু সবার কাছে তা প্রকাশ করবেন না। ৬. নিজের যৌনজীবনের কথা অন্যদের বলবেন না। ৭. কী অসুখে আপনি ভুগছেন তা-ও গোপন রাখুন। সূত্র: এবেলা এসি  

সন্তানকে বুদ্ধিমান করতে চাইলে মেনে চলুন ৮ বিষয়

সন্তানের জন্মের পর থেকেই তাকে ঠিক উপায়ে এবং ইতিবাচকভাবে বড় করে তোলাই হচ্ছে বাবা-মায়ের মূল লক্ষ্য। কিন্তু অনেক সময় সন্তান পালনে এমন কিছু ঘাটতি থেকে যায়, যার কারণে সন্তান ভালো মনের মানুষ হয়ে উঠতে পারে না। অথচ, তার বেড়ে ওঠার সময় কিছু উপায় মানলেই সন্তান হয়ে উঠবে বুদ্ধিমান ও চটপটে। চলুন জেনে নিই সেগুলো- টেলিভিশন থেকে দূরে রাখুন সন্তানের মধ্যে সৃজনশীলতা বাড়াতে তাকে যতটা সম্ভব টেলিভিশন থেকে দূরে রাখুন। শিশুরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুরা টিভি দেখতে পছন্দ করে বলে আমরাও তাদের সে দিকে ঠেলে দিই। কিন্তু এর চেয়ে যে কোনও ছড়ার বা গল্পের বই তাদের মনে অনেক প্রভাব ফেলে। কল্পনাশক্তি বাড়ায়। নতুন শব্দ শিখতে সাহায্য করে। সঙ্গ দেওয়া চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, শিশুর মানসিক বিকাশে সবচেয়ে বেশি কার্যকর মা-বাবার সঙ্গ। তাকে সক্রিয় ও চটপটে করে তুলতে ঘন ঘন তার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ান। তাকে পর্যাপ্ত সময় দিন। ছোট থেকেই খেলার ছলে মজার ছড়া, নামতা, প্রচলিত গল্প, গান ইত্যাদি শোনাতে থাকুন। এতে মস্তিষ্ক সক্রিয় হয়ে তার স্মৃতিশক্তি বাড়বে। দু’বছর পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াতে হবে মাতৃদুগ্ধ শিশুর বিকাশ ও উন্নয়নের চাবিকাঠি। তাই জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব তাকে ঘন হলুদ দুধ পান করান। এ ছাড়াও অন্তত দু’বছর মাতৃদুগ্ধকে তার খাদ্যতালিকায় সবচেয়ে উপরের সারিতে রাখুন। শরীরে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়াতে, শিশুর বুদ্ধির বিকাশে মাতৃদুগ্ধের ভূমিকা অপরিসীম। মাঝে মধ্যে গান শুনতে দিন দিনের একটা সময় শিশুকে হালকা গান শোনান। যে কোনও হালকা গান শিশুর হাইপোথ্যালামাসকে শান্ত করে, তাকে ভাবুক করে তোলে। চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, গান শিশুর মনঃসংযোগ বাড়ায়। স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখে। তাই সন্তানকে ছোট থেকেই গান বা বাদ্যযন্ত্রের তালিম দিন। তাতে তার সৃজনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। দাবা খেলায় আগ্রহী করুন সন্তানের যদি আগ্রহ থাকে, তবে বছর চারেক বয়স হলেই তাকে দাবা শিখতে ভর্তি করে দিন। দাবা এমন এক খেলা, যা শিখতে হলে ধীর-স্থির ও বুদ্ধিমান হতে হয়। এই খেলার সংস্পর্শে এলে শিশুর মনের বিকাশ হয়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায় ও একাগ্রতা আসে। নতুন নতুন শব্দ সংগ্রহের আগ্রহী করে তুলুন সন্তানের শব্দের সংগ্রহ বাড়ানোর দিকে নজর দিন ছেলেবেলা থেকেই। ইংরেজির সঙ্গে তার মাতৃভাষার প্রতিও আগ্রহ তৈরি করুন। ওয়ার্ড বুক সে ক্ষেত্রে কাজে আসবে। পড়তে না শেখা অবধি আপনিই তার সামনে সঠিক উচ্চারণে সে সব পড়ুন। এতে শিশুর কান নতুন নতুন শব্দ শিখতে আগ্রহী প্রকৃতির সঙ্গে মিশতে দিন শিশুর বিকাশে কিন্তু অত্যন্ত জরুরি ভূমিকা পালন করে তার চারপাশের প্রকৃতি। মানুষ ছাডা়ও গাছপালা, পশু-পাখির সঙ্গে মিশতে দিন তাকে। বাড়িতে যদি পোষ্য না-ও থাকে, সন্তানকে নির্ভয়ে মিশতে দিন চারপাশের পশু-পাখির সঙ্গে। পশু-পাখিদের প্রতি মমত্ব, তাদের সঙ্গে খেলা— এসব তাকে সুন্দর মনের অধিকারী করবে। উপকারী হতে শিখান আত্মকেন্দ্রিকতা নয়, সন্তানকে ছোট থেকেই উপকারী হয়ে উঠতে শেখান। পাড়া-প্রতিবেশী থেকে বন্ধুবান্ধব— সকলের প্রতিই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিক সে। আর এই বিষয়ে আপনিই হয়ে উঠতে পারেন ওর দৃষ্টান্ত। নিঃস্বার্থভাবে অন্যের উপকারের সুফল ওকে শেখান ছোট থেকেই। এতে শিশু বড় মনের অধিকারী হবে সহজেই। সূত্র : আনন্দবাজার কেএনইউ/একে/ 

পায়ের চুলকানি-দুর্গন্ধ দূর করুন ৬ উপায়ে

প্রখর তাপ থেকে মুক্তি পাওয়া গেলেও বর্ষার ঝক্কি-ঝামেলা কিছু কম নয়। তার উপরে রাস্তায় পানি জমলে তো সমস্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। সেই পানি কাদার মধ্যে দিয়ে প্রায়ই যাতায়াত করতে গিয়ে পায়ে ফাংগাল ইনফেকশনের শিকার হতে হয়। এক বার এই ফাংগাল ইনফেকশন হলে পায়ে চুলকানি বা দুর্গন্ধ হয়। কিন্তু এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ারও বেশ কয়েকটি ঘরোয়া টোটকা রয়েছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো- ১. হেনা বা মেহেদি শুধু চুলের জন্যই ভাল নয়। হেনার পেস্ট যদি পায়ের ইনফেকশনে লাগান, তাহলে তা তাড়াতাড়ি শুকায়। ২. কাঁচা হলুদ বাটাও পায়ের ইনফেকটেড জায়গায় লাগালে সহজে ও শীঘ্রই রেহাই পাওয়া যায়। ৩. পায়ের পাতায় খুব বেশি চুলকানি হলে লেবুর রস ও ভিনিগার  মিশিয়ে তা লাগান। ৪. কাঁচা পেঁয়াজের রস ভাল করে পায়ে মালিশ করুন। এতে ক্ষত তাড়াতাড়ি শুকাবে। ৫. পুদিনা পাতা ও তুলসী পাতা বেটে তা পায়ের পাতায় লাগালেও উপকার পাবেন। ৬. ইনফেকশন থেকে পায়ে দুর্গন্ধ হলে পেপারমিন্ট অয়েল পায়ের পাতায় লাগান। শীঘ্রই উপকার পাওয়া যায় এই টোটকাতেও। সর্বপরি, এই সব টোটকার আগেও বর্ষায় হাত পায়ের বিশেষ যত্ন নেওয়া উচিত। নোংরা পানি বা কাদা লাগলে অবশ্যই বাড়িতে গিয়ে ভাল করে পা ধুয়ে নিন। সূত্র: এবেলা একে//

শিশুকে ঘুম পাড়ানোর সহজ উপায়

শিশুর ঘুম নিয়ে নাজেহাল প্রায় সব বাবা-মা। বেশির ভাগ অভিভাবকের অভিযোগ, তার সন্তানকে ঘুম পাড়ানো খুবই কঠিন কাজ! সে নাকি রাতে মোটে ঘুমোতেই চায় না। এর প্রভাব পড়ে বাবা-মায়ের উপরেও। তারাও জেগে থাকতে বাধ্য হন। কিন্তু কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করলেই শিশু ঘুমোয় ঠিক সময়ে এবং পর্যাপ্ত। দেখে নিন সে সব। শিশুর ঘুমনোর একটা নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন প্রথমেই। নিজেদের যত কাজই থাক, শিশুর ঘুমের সেই সময়ের হেরফের করবেন না। তাতে শিশুর বায়োলজিক্যাল ক্লক ঠিক থাকে। কিছু দিন অভ্যাসের পর ওই নির্দিষ্ট সময় মেনেই তার ঘুম আসবে। মনোবিদদের মতে, অনেক অভিভাবকই শিশুকে ঘুমের উপযুক্ত পরিবেশ দেন না। ঘরে চড়া আলো বা টিভি, সাউন্ড সিস্টেমের আওয়াজ তাদের ঘুমের দফারফা করে। শিশুও না ঘুমিয়ে সে সবে মন দিতে শুরু করে। কাজেই সন্তানকে ঘুম পাড়ানোর আগে তার ঘুমের পরিবেশ আনুন ঘরে। রাতে খাওয়া দাওয়ার পর সন্তানকে ঘুম পাড়াতে গান বা গল্পের আশ্রয় নিন। গানের সুর, গল্পের গতি এসব শিশুর মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস ও থ্যালামাসকে প্রভাবিত করে। তাকে শান্ত করে। গান বা গল্প শুনতে শুনতে তাই ঘুমিয়ে পড়া অনেক শিশুরই অভ্যাস। সন্তানকে ঘুম পাড়াতে গিয়ে আপনি মোবাইল ঘাঁটতে শুরু করেন কি? তাহলে সেই অভ্যাসে রাশ টানুন আজই। শিশুকেও ঘুমনোর আগে মোবাইলে হাত দিতে দেবেন না। অনেক বাবা-মা সন্তানকে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মোবাইলে গেম খেলতে দেন। এতে তার মস্তিষ্কের স্নায়ু উদ্দীপ্ত হয় এবং ঘুম বাধা পায়। শিশুকে তো নির্দিষ্ট সময় ঘুম পাড়াতেই হবে, সঙ্গে ঘুমনোর সময় যদি তার হাতের কাছে প্রিয় কোনও খেলনা বা বস্তু দেন, তার সংস্পর্শে এসে শিশু ঘুমোয় অনেক তাড়াতাড়ি। মনোবিদদের মতে, শিশু ঘুমোনোর সময় পছন্দের বস্তু পেলে তার গন্ধে, স্পর্শে শিশুর মস্তিষ্কে চাপমুক্তির হরমোন ক্ষরণ করে, শিশু দ্রুত ঘুমোয়। সন্তান একটু বড় হলে, তার সারা দিনের রুটিনে কিছুটা সময় রাখুন শরীরচর্চার জন্যও। ডায়েট মেনে খাওয়া ও শরীরচর্চার মধ্যে থাকলে শরীরের সমস্যা দূরে তাকে, মানসিক চাপ কমে ও শিশু পর্যাপ্ত ঘুমোয়। সাঁতার, জিমন্যাস্টিক বা দৌড়োদৌড়ি করে খেলা যায় এমন কিছু তার রুটিনে থাকলে সে অনেক সুস্থও থাকে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

মেকাপ ব্রাশের যত্নের উপায়

মুখের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলে মেকআপ। আর মেকআপে দরকার লাগে নানান ধরনের ব্রাশ। তবে সেই দরকারি ব্রাশগুলো কি পরিষ্কার করে রাখছেন? হয়তো ভাবতে পারেন ব্রাশের আবার পরিষ্কার-অপরিষ্কার কি! কিন্তু একটি অপরিষ্কার মেকআপ ব্রাশে থাকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া। আর সেই ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া পরবর্তী মেকাআপের সময় আপনার ত্বকে লেগে যাচ্ছে। তাই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচতে মেকআপ ব্রাশের যত্ন নিন। মেকআপ ব্রাশের পরিষ্কারের কাজটি তেমন কঠিন নয়। খুব সহজেই এবং কম সময়ে কাজটি করতে পারবেন। ব্রাশ পরিষ্কার করতে যা লাগবে- ১) হালকা গরম পানি, ২) বেবি শ্যাম্পু, ৩) ছোট বাটি ও রোয়াহীন কাপড়। যেভাবে করবেন- প্রথমে ব্রাশটিকে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। মনোযোগ দিন ব্রাশের মাথায়। এটি বাইরে লেগে থাকা মেকআপের কণাকে ধুয়ে ফেলবে। এবার বাটিতে হালকা গরম পানি নিয়ে তাতে সামান্য শ্যাম্পু মেশান। এবার ব্রাশটি শ্যাম্পু পানিতে রাখুন। হাত দিয়ে শ্যাম্পু ভালো করে মাখিয়ে নিন। কিছুক্ষণ এভাবে রেখে পানি দিয়ে পরিষ্কার করুন। এতে ভেতরের ময়লা ও ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া দূর হবে। এবার কাপড়ের উপর রেখে ব্রাশটি শুকিয়ে নিন। দেখবেন ব্রাশটি নতুনের মতো লাগছে এবং মেকআপ করতেও আপনার ভালো লাগবে। কেএনইউ/একে/

চুলের যত্নে ৬টি হারবাল চা

চুলের যত্নে রাসায়নিকযুক্ত দ্রব্যের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার বাড়ানো উচিত। অসংখ্য প্রাকৃতিক উপাদান আছে, যেগুলো চুলের যত্নে কার্যকর। তেমনি একটি হচ্ছে হারবাল চা, যা দিয়ে চুল পরিষ্কার করলে মাথার ত্বক এবং চুলের গ্রন্থিগুলো আপনার চুলকে আরও লম্বা এবং শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। আর এর সর্বোচ্চ ফলাফল পেতে আপনাকে এই ধরনের হারবাল চা দিয়েই চুল পরিষ্কার করতে হবে। এখানে আমরা কিছু উপকারি হারবাল চা-এর তালিকা দিয়েছি- ১) ব্ল্যাক টি উচ্চমাত্রায় ক্যাফেইনে ঠাসা ব্ল্যাক টি একটি অবিশ্বাস্য হারবাল টি। যা আপনার চুলকে আরও লম্বা এবং শক্তিশালী করতে আপনার প্রতিদিনের চুলের যত্নের উপাদানগুলোর তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্য। যেভাবে ব্যবহার করবেন এক কাপ তাজা ব্ল্যাক টি বানিয়ে তা পাখার বাতাসে জুড়িয়ে নিন। এরপর তা মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান এবং আধা ঘণ্টা ধরে রেখে দিন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) রোজমেরি টি রোজমেরি টি স্বভাবে একটু কষাটে। এই হারবাল টি-তে আছে প্রচুর পরিমাণে চুল-শক্তিশালীকরন উপাদান, যা চুলের ভেঙ্গে যাওয়া ঠেকাতে কার্যকর। যেভাবে ব্যবহার করবেন এক কাপ রোজমেরি টি বানানোর পর তা ঠাণ্ডা করে মাথার ত্বকে লাগান। এর এক ঘণ্টা পর নিয়মিত ব্যবহারের শ্যাম্পু এবং হালকা গরম পানি দিয়ে মাথা ও চুল ধুয়ে ফেলুন। ৩) কম্বুচা টি চুলের জন্য উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ এই চা চুলের বংশবৃদ্ধিতে সহায়ক এবং চুলকে লম্বা এবং শক্তিশালী করে। যেভাবে ব্যবহার করবেন এক কাপ কম্বুচা টি বানিয়ে পাখার নিচে কয়েক মিনিট রেখে দিয়ে ঠাণ্ডা করুন। এরপর এতে ৫-৬ ড্রপ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে তা মাথার ত্বকে হালকা ঘষে লাগান। এর আধা ঘণ্টা পর ঠাণ্ডা পানি এবং শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন। ৪) তুলসী চা শুকনো তুলসী পাতা দিয়ে বানানো চা নতুন চুল গজানো এবং আপনার চুলের গ্রন্থিগুলোকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান করতে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদান এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার চুলের অবস্থার রুপান্তরে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে। যেভাবে ব্যবহার করবেন এক পাত্র ফুটন্ত পানিতে কয়েকটি তুলসী পাতা ছেড়ে দিন। এরপর ৫-১০ মিনিট তা সেদ্ধ হতে দিন। পাতাগুলো তুলে ফেলে দিন। এরপর চা-টুকু ঠাণ্ডা করে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৫) রুবিওস টি এই চা-ও নতুন চুল গজানোতে এবং চুল শক্তিশালী করতে সহায়ক। কারণ এতে আছে চুলকে সমৃদ্ধকারী এমন সব উপাদান যা চুলের সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। যেভাবে ব্যবহার করবেন এক কাপ রুবিওস টি বানিয়ে আধা ঘণ্টা ধরে ঠাণ্ডা করে নিন। এর সঙ্গে আধা চা চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে মাথায় আলতো করে ঘষে ঘষে লাগান। এরপর তা একঘন্টা রেখে দিন এবং হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৬) গ্রিন টি মাথার ত্বকে গ্রিন টি প্রয়োগ করলে চুল লম্বা ও শক্তিশালী হয়। এই চা-তে থাকা শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আপনার চুলের জন্য বিস্ময়করভাবে উপকারিতা নিয়ে আসবে। যেভাবে ব্যবহার করবেন এক কাপ ঠাণ্ডা গ্রিন টি-র সঙ্গে আধা চা চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে তা মাথার ত্বকে হালকা করে ঘষে ঘষে লাগান। এরপর আধা ঘণ্টা রেখে দিয়ে হালকা গরম পানি এবং নিয়মিত ব্যবহারের শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সূত্র : আজকাল কেএনইউ/

দাম্পত্য জীবনে সফলতা আনে ৭ অভ্যাস

দাম্পত্য সম্পর্কে সবাই সফল্য নিয়ে আসতে পারে না। এই সফলতা আনাটা আপনার নিজের উপরই নির্ভর করছে। আপনি প্রতিদিন আপনার সঙ্গীর সঙ্গে কী আচরণ করছেন কিংবা আপনার অভ্যাসের উপর নির্ভর করে আপনার দাম্পত্য জীবনে সফলতা আসবে। যারা দাম্পত্য জীবনে সফলতা আনতে পেরেছে তাদের ৭ অভ্যাসের কথা উল্লেখ করা হলো- ১) বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের দম্পতিরা একে অপরের সঙ্গে সব ধরণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। যে কোনও কিছু নিয়ে কথা বলতে পারেন। এই অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে আপনি আপনার দাম্পত্য জীবনে সফলতা আনতে পারবেন। ২) একই সঙ্গে ভবিষ্যত পরিকল্পনা করা দাম্পত্য জীবনে সব চাইতে বড় বিষয় হচ্ছে ভবিষ্যতের কথা কল্পনা করা। ভবিষ্যতের কোনও পরিকল্পনা দুজনে একসঙ্গে তৈরি করা। এতে করেই সম্পর্কে গভীরতা বাড়ে এবং দাম্পত্য জীবনে একজন অপরজনের গুরুত্ব বুঝতে পারেন। ৩) পরস্পরের কাছে সহযোগী চাওয়া দাম্পত্য জীবনে সফলতা আনতে সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে একে অপরের কাছে সহযোগিতা চাওয়া। দু’জনের বিপদে একে অপরকে সাহায্য করবে। যাদের এই মনোভাব থাকবে তাদের দাম্পত্য জীবন সুখের হবে। ৪) একজন  অপরজনের পছন্দের কথা শেয়ার করা রাজনীতিতে কে কাকে পছন্দ করেন, খেলাধুলায় কে কোন দল কিংবা নাটক সিনেমায় কাকে কার বেশি পছন্দ এই নিয়ে আলোচনা করেন তারাই যাদের দাম্পত্য জীবন সুখের। ৫) মজবুত প্রেম সুখী দাম্পতিরা জানেন শক্ত বা মজবুত প্রেমই হয় শ্রেষ্ঠ প্রেম। একে অপরের প্রতি ভালোবাসা কম দেখালে দাম্পত্য জীবন সুখের হবে না। তাই সম্পর্কে সফলতা আনতে একই ভালোবাসা বজায় রাখতে হবে। ৬) পরস্পরের প্রতি আন্তরিকতা যাদের দাম্পত্য জীবনে সফলতার অধিকারী তারা পরস্পরের প্রতি আন্তরিকতা ও অকৃত্রিম মনোভাব সম্পন্ন হন। ৭) ধৈর্য ধারণ দাম্পত্য জীবনে সফলতা আনতে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হচ্ছে ধৈর্যশীল হওয়া। ধৈর্য না থাকলে সম্পর্কে কখনই সুখের হয় না। তাই ধৈর্য ধরার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কেএনইউ/একে/

সফল লোকেরা যে ৭ শৃঙ্খলা মেনে চলেন

ক্যারিয়ারে যারা সাফল্য লাভ করেছেন তারা সবসময় শৃঙ্খলিত কাজ করেন। তাদের সঠিক পদক্ষেপের জন্যই দিনটি তারা সঠিকভাবে শুরু করতে পারেন এবং শৃঙ্খলার মধ্যে দিয়েই দিন শেষ করেন। সফল লোকেরা মেনে চলেন এমস ৭ শৃঙ্খলা: ১) কর্মস্থলে যাওয়ার পোশাক তৈরি থাকে সফল লোকরা সকালে অফিসে যাওয়ার পোশাক আগের রাতেই বাছাই করে রাখেন। অনেক সফল সিইও সময় বাঁচানোর জন্য প্রায় প্রতিদিনই একইরকম পোশাক পরে অফিসে যান। উদাহরণস্বরূপ, সিমন কাওয়েল এবং মার্ক জুকারবার্গ প্রতিদিন একই রকম পোশাক পরে অফিসে যান। ২) ইতিবাচক কথন ক্যারিয়ার ও জীবনে সফল হতে হলে আপনার নিজেকেই নিজের কথা ও কাজ সবার আগে বিশ্বাস করতে হবে। আপনি যাই করতে চান না কেন তাতে আপনার চিন্তা খুবই ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলবে। একবার যদি আপনি আপনার নিজের চিন্তার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারেন তাহলে আপনি আপনার স্বপ্নের একটা চিত্র এঁকে ফেলতে পারবেন। ৩) সারাদিনের পরিকল্পনা সকালেই তৈরি করা সফল লোকরা দিনের শুরুতেই পুরো দিনের পরিকল্পনা তৈরি করে নেন। যাতে কোনো কিছুই তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং পরেরদিন প্রস্তুতি নিতে আর কোনো সমস্যা যেনো না হয়। ৪) সকালে ঠিকমতো ব্রেকফাস্ট করা সফল লোকেরা সকালে ঠিকমতো ব্রেকফাস্ট করেই দিনটি শুরু করেন। যদি ঠিকঠাক মতো ব্রেকফাস্ট না হয় তাহলে নিজের ক্ষতি হবে বেশি। কারণ এতে দুপুরে আপনি বেশি খাবার খেয়ে ফেলবেন। যে কারণে শরীর ভারি হয়ে আসার ফলে এরপর আর আপনি স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারবেন না। সুতরাং সকালে একটু বেশি সময় নিয়ে হলেও সফল লোকেরা ভালোভাবে নাশতা করে নেন। ৫) সফল লোকরা দেরিতে মেইল চেক করেন সকাল সকাল ইমেইল চেক করে সেই ইমেইলের উত্তর দিতে দিতেই ক্লান্ত হয়ে পড়তে হয়। সুতরাং দিন শুরু করার ভালো কোনো পদ্ধতি নয় এটি। তাই সফল লোকেরা একটু দেরিতেই মেইল চেক করেন। ৬) শরীরচর্চা দেহ ও মনকে চাঙ্গা করে তোলার জন্য শরীরচর্চার বিকল্প নেই বললেই চলে। গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, শরীরচর্চা মনোযোগকে তীক্ষ্ণ করতে এবং আরো ভালো সিদ্ধান্তগ্রহণে সহায়তা করে। তাই সফল লোকেরা সকালে প্রতিদিন ৪৫ মিনিট করে শরীরচর্চা করেন। ৭) প্রার্থনা বা মেডিটেশন করা সফল লোকরা স্ট্রেস থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা বা মেডিটেশন করেন। এর মাধ্যমে সহজেই নিজের দেহ ও মনের সঙ্গে পুনরায় পূর্ণসংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়। অভিনেত্রী জেনিফার অ্যানিস্টোন বলেছেন, তিনি তার দিন শুরু ও শেষ করেন মেডিটেশন দিয়ে। সূত্র : কলকাতা টুয়েন্টিফোর। কেএনইউ/

পিঁপড়া থেকে ঘর-বাড়ি বাঁচানোর ৪ উপায়

বৃষ্টি আসার সময় ঘনালে পিঁপড়ের সারি কম-বেশি সবার বাড়িতেই দেখা যায়। বৃষ্টির আভাস বুঝে আগেভাগেই খাবার সংগ্রহ করে রাখতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে পিঁপড়ার দল। তাই বর্ষাকালে পিঁপড়ার উপদ্রবে ব্যতিব্যস্ত হয়ে ওঠে গৃহস্থ। পিঁপড়ার হাত থেকে নিষ্কৃতি পেতে নানা রাসায়নিক ও কীটনাশকে ভরসা করতে হয়। এতে অকারণে মারাও পড়ে পিঁপড়া, আবার রাসায়নিকের কারণে বাড়ির সদস্যদের শারীরিক সমস্যাও হয়। অনেকের এই সব রাসায়নিক থেকে নানা অসুখও ছড়ায়। তার চেয়ে এমন কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতেই পারেন যেখানে অকারণ পিঁপড়াদের না মেরে, তাদের তাড়াতে পারেন বাড়ি থেকে। এ দিকে আপনিও মুক্ত থাকবেন রাসায়নিকের বাড়বাড়ন্ত থেকে। ১. যে রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে পিঁপড়ারা একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ চালায়, নিজেদের রাস্তা ঠিক করে, সেই রাসায়নিককে নষ্ট করে ঝাল জাতীয় উপাদান। তাই মরিচের গুঁড়ার গন্ধ সহ্য করতে পারে না পিঁপড়ারা। বর্ষায় বাড়ির উঁচু জায়গাগুলোয় (যেখানে শিশুদের হাত পৌঁছবে না) ছড়িয়ে রাখুন অল্প মরিচের গুঁড়া। পিঁপড়ারা আর বাসাই বাঁধবে না ওখানে। ২. ভিনিগারের অম্ল পিঁপড়া তাড়াতে খুব কার্যকর। এক কাপ পানিতে কিছুটা ভিনিগার মিশিয়ে তা ছড়িয়ে দিন পিঁপড়া উপদ্রুত এলাকায়। পিঁপড়ারা ওই এলাকার ধারেকাছে ঘেঁষবে না। ৩. পিঁপড়ের অবাধ যাতায়াত যে সব জায়গায়, সেখানে দারুচিনির গুঁড়া ছড়িয়ে রাখুন। দারুচিনির গন্ধ পিঁপড়াদের ঘ্রাণশক্তিকে কিছুটা দুর্বল করে দেয়। পিঁপড়ার দিক নির্দেশ ক্ষমতা লোপ পায়। ৪. লেবুর রসের অ্যাসিটিক অ্যাসিড পিঁপড়াদের গন্ধ চিনতে বাধা দেয়। তাই পানির মধ্যে খানিকটা লেবুর রস মিশিয়ে তা স্প্রে করতে পারেন ঘরের কোণায়। সহজেই পিঁপড়ামুক্ত হবে ঘর-বাড়ি। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

ভুঁড়ি কমানোর ঘরোয়া পাঁচ উপায়

অনিয়মিত জীবনযাপন, পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা এক জায়গায় বসে থেকে কাজ- এই তিন বিষয়ই মানুষকে করে তুলছে নানা রোগের শিকার। চেহারাতেও তার ছাপ পড়ছে। কম বয়সেই ভারী তলপেট ও ভুঁড়ির সমস্যায় ভুগছেন বেশির ভাগ মানুষ। কিন্তু সহজ কিছু ব্যায়াম অভ্যাস করলেই কমবে ভুঁড়ি, শরীর থাকবে স্লিম। জেনে নিন আর শুরু করুন আজ থেকেই। ১. চেয়ারে বসুন। দুই পা ফাঁক করুন যতটা পারেন। এবার হাত দু’টি দু’দিকে সোজা করে মেলে দিন। ডান হাত দিয়ে বাঁ পায়ের পাতা ও বাঁ হাত দিয়ে ডান হাতের পাতা ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। দিনে দিনে এর সংখ্যা বাড়ান। এতে পেটে চাপ পড়বে। দিন কয়েকেই বুঝবেন পেটের অতিরিক্ত চর্বি গলছে। ২. একটি পোক্ত চেয়ারে বসুন। কাঠের চেয়ার হওয়াই ভাল। এর পর চেয়ারের উপর দু’ হাতের তালু রেখে তাতে ভর দিন। পুরো শরীরটাকেই দুই হাতের তালুর ভরে উপরের দিকে তোলার চেষ্টা করুন। যতটা পারছেন, ততটাই। প্রথমেই জোর করে অনেকটা তুলবেন না। এতে পেশীতে খিঁচ লাগতে পারে। বার কয়েক এমন করলে কোমর ও তলপেটের চর্বি ঝরবে সহজে। ৩. একটি শক্ত কাঠের চেয়ারে বসে চেয়ারের হেলান দেওয়ার জায়গাটি দু’হাতে ভর দিন। এর পর চেয়ারে বসেই দুই পা হাঁটু পর্যন্ত ভাঁজ করে যতটা পারেন বুকের কাছে আনুন আর সামনের দিকে শূন্যে ভাসিয়ে দিন। এমন করে বার পাঁচেক করুন। ধীরে ধীরে বার ও সময় বাড়ান। এতে পেট ও কোমরের পেশী টান পড়ে ও মেদ ঝরে সহজে। ৪. চেয়ারে বসে দু’হাত ভাঁজ করে মাথার পিছনে দিন। এবার এক এক করে হাঁটু ভাঁজ করা অবস্থায় মাটি থেকে পা তুলুন। ডান হাতের কনুই দিয়ে বাঁ হাঁটু ও বাঁ হাতের কনুই দিয়ে ডান হাঁটু ছোঁয়ার চেষ্টা করুন। বার পনেরো করুন। এতে আপনার কোমরের মেদ তো ঝরাবেই, সঙ্গে শরীরের একাংশ কিছুটা ভাঁজ হওয়ার দরুন পেটের অতিরিক্ত চর্বিও গলবে সহজে। ৫. একটা চেয়ারের কোণা এক হাতে ধরে দাঁড়ান। এর পর একটি পা ভাঁজ করে পিছন দিক দিয়ে কোমরের কাছ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন। গোড়ালির কাছটা ধরে থাকুন অন্য হাত দিয়ে। জঙ্ঘা ও পেটের জন্য এই ব্যায়াম খুব উপকারী। অনেকের পা ভারী হয়। তাদের জন্যও এই ব্যায়াম কার্যকর। প্রতি পায়ে দশ বার করে করুন এই ব্যায়াম। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

চোখকে সুস্থ রাখতে চার ব্যায়াম

আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়র অন্যতম ইন্দ্রিয় হল চোখ। অথচ, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই চোখের উপযুক্ত যত্ন নিতে আমরা ভুলে যাই। চোখের নানা খুঁটিনাটি সমস্যাকে আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তেমন গুরুত্ব দিই না। বর্তমান যুগে বাড়তে থাকা দূষণ, কাজের পরিবর্তিত ধরন, পরিবেশগত পরিবর্তন- এ রকম নানা কারণে চোখের নানা রকম সমস্যা দেখা দেয়। অনেকটা সময় কম্পিউটার, টিভি বা মোবাইলফোন ব্যবহারের পর চোখের কিনারে হালকা চিনচিনে ব্যথা অনুভূত হওয়া, চোখ চুলকানোর ফলে চোখ ব্যথা হয়ে যাওয়া এবং নানা ধরণের চোখের ছোটোখাটো সমস্যা নিয়ে অনেকেই ভুগে থাকেন। কিন্তু এই সব সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া এবং দৃষ্টিশক্তির সুরক্ষা খুব সহজেই করা সম্ভব। খুবই সহজে মাত্র ৪টি ছোট্ট ব্যায়াম চোখের এবং দৃষ্টিশক্তির সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারে। চলুন শিখে নেওয়া যাক চোখের ৪টি সহজ ব্যায়াম। হাতের তালুর ব্যবহার প্রায় ১০-১৫ মিনিট দু’হাতের তালু একটির সঙ্গে অপরটি ঘষে নিন। এতে হাতের তালুতে যে হালকা উষ্ণতা সৃষ্টি হবে তা নিয়ে হাত দুটো চোখ বন্ধ করে চোখের উপরে রাখুন। চোখের মনির অংশে জোরে চাপ দেবেন না। শুধু আলতো করে হাত রাখুন চোখের উপর। এভাবে দিনে ৩-৪ বার করবেন। ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা সাধারণত প্রতি ৩-৪ সেকেন্ড পরপর চোখের পাতা ফেলা চোখের ছোটোখাটো সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। বিশেষ করে যখন আমরা একটানা কম্পিউটার বা টিভির দিকে তাকিয়ে থাকি তখন ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা, চোখের জন্য ভাল। এছাড়াও টানা ১ মিনিট ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা, একটি ব্যায়ামের মতো কাজ করে। এতে দৃষ্টিশক্তি ভাল থাকে। দূরের কোনও বস্তুর প্রতি দৃষ্টি নিবন্ধন করা প্রায় ৬ থেকে ১০ মিটার দুরের কোনও একটি নির্দিষ্ট বস্তুর দিকে এক দৃষ্টিতে মাথা বেশি না নরিয়ে খানিকক্ষণ তাকিয়ে থাকার চেষ্টা করুন। এটিও চোখের একটি ভাল ব্যায়াম। এতে দৃষ্টিশক্তির প্রখরতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়াও নিজের হাত মুঠ করে বুড়ো আঙুল সোজা করে তুলে ধরে সামনের দিকে ছড়িয়ে আঙুলের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার ব্যায়ামটিও করতে পারেন। চোখ ঘোরানো চোখের সামনে একটি বড় গোলাকৃতি কল্পনা করে নিন। এরপর এই আকৃতি অনুযায়ী চোখ ঘোরাতে থাকুন, ঘড়ির কাঁটার অভিমুখে এবং ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ৪ বার করে। এরপর চোখ বন্ধ করে রাখুন ২ সেকেন্ড। বড় করে শ্বাস নিন। দিনে ২ বার করে এই ব্যায়াম করুন। এটি চোখের পেশি ভাল রাখতে সহায়তা করে। সুতরাং, এই চারটি ব্যায়াম নিয়মিত করুন আর সুস্থ রাখুন আমাদের পঞ্চ ইন্দ্রিয়র অন্যতম ইন্দ্রিয়টিকে। সূত্র: জিনিউজ একে//

সৌভাগ্য ফেরাতে ৯ সংখ্যার ব্যক্তিত্বদের জন্য ৭টি টিপস

সৌভাগ্য সঙ্গে থাকলে, বিপদ আসলেও তা কেটে যায়। আর কথায় বলে, যারা সাহসী তাদের সঙ্গে সৌভাগ্য সর্বদা সঙ্গে থাকে। তবে অনেকেই এই সৌভাগ্যের খোঁজে নানান পন্থা অবলম্বন করেও উপযুক্ত ফল পান না। জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে, জন্ম তারিখ দেখে বলা যেতে পারে কোন ব্যক্তি কোন ধরনের জিনিস সঙ্গে রাখলে তা তার জন্য সৌভাগ্য ফিরিয়ে আনতে পারে। এ জন্য জানতে হবে জন্ম তারিখের মূলাঙ্ক। জন্ম তারিখের ভিত্তিতে কীভাবে এই গণনা হয়,তা আগে দেখে নিতে হবে, যে সমস্ত ব্যক্তিত্বরা মাসের ১, ১০, ১৯, ২৮ তারিখে জন্মেছেন তারা ১ সংখ্যার আওতায় আসেন। জন্মতারিখ গণনার এই প্রক্রিয়া মূলাঙ্ক গণনা নামে খ্যাত। কোনও ব্যক্তি শুধুমাত্র কোন তারিখটিতে জন্মেছেন তাই দিয়েই বোঝা যাবে তার চরিত্র। এই মূলাঙ্ক ১ থেকে ৯ পর্যন্ত হয়। যেমন কেউ ১ তারিখ জন্ম নিলে তার মূলাঙ্ক হবে ১+০=১। কেউ ২৬ তারিখ জন্ম নিলে তার মুলাঙ্ক হবে, ২+৬=৮, সেরকম কেউ যদি ৩১ তারিখ জন্ম নেন তাহলে তার মূলাঙ্ক হবে ৩+১=৪। দেখে নেওয়া যাক ৯ সংখ্যায় যারা জন্মগ্রহণ করেন তাদের পয়মন্তর কয়েকটি বিষয়। কারা থাকছেন ৯ সংখ্যার আওতায়? যাদের জন্ম একটি মাসের ০৯, ১৮, ২৭ তারিখে, তারা ৯ সংখ্যার অধীনে থাকেন। এই ধরনের ব্যক্তিত্বরা নিজেদের চেয়ে অন্যদের খেয়াল বেশি রাখেন। মুখ ফুটেও নিজের স্বার্থের জন্য কোনও কাজ করেন না এরা। ব্যবসার ক্ষেত্রে পয়া সংখ্যা ৯ সংখ্যার ব্যক্তিত্বদের ব্যবসার ক্ষেত্রে পয়া সংখ্যা ১,৩,৬, ৯ এই দিনগুলোতে ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও কাজ করলে, তা থেকে এরা সাফল্য পান। এছাড়াও ক্যারিয়ারের দিক থেকেও এই দিনগুলো বেশ শুভফলদায়ক। প্রেমের জন্য সেরা দিন কোনটি? প্রেমের জন্য সেরা দিন ১,৩, ৭, ৯। প্রেম সংক্রান্ত যে কোনও কাজের জন্য এই দিনগুলো বেশ পয়মন্তর। ফলে কাউকে প্রেমের প্রস্তাব দিতে চাইলে এই দিনগুলোই সেরা। পয়া ধাতু এদের জন্য পয়মন্তর ধাতু হল সোনা। ফলে সৌভাগ্যের উন্নতিতে যদি এরা সঙ্গে সোনা রাখেন, তাহলে তা সুফল দেবে। পয়া রঙ ৯ সংখ্যার ব্যক্তিত্বদের জন্য পয়া রঙ লাল। এরা লাল রঙের যে কোনও জিনিস পড়ে বেরোলে তা উন্নতি সাধন করতে বাধ্য। তাই পলার রঙের যাবতীয় জিনিস এরা সঙ্গে রাখলে সৌভাগ্য উত্তরোত্তর বাড়বে। পয়মন্তর মাস এই ব্যক্তিত্বদের পয়মন্তর মাস হল জানুয়ারি, মে, জুলাই, অক্টোবর। এই মাসগুলোতে কোনও রকমের ভালো কাজে যোগ দিলে তা শুভ ফল দেবে বলে দাবি জ্যোতিষশাস্ত্রবিদদের। শুভফলদায়ী দিক ৯ সংখ্যার ব্যক্তিত্বরা যদি দক্ষিণমুখী হয়ে কোনও কাজ করেন,বা দক্ষিণদিক সংক্রান্ত কোনও কাজ করে, তাহলে তা সুফল দেবে। এমনই দাবি জ্যোতিষবিদদের। সূত্র: ওয়ানইন্ডিয়া একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি