ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, || আশ্বিন ৪ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

কে এই ‘রিকশা গার্ল’ নভেরা?

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৩:২৩ ২৭ আগস্ট ২০১৯

সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে নির্মাতা অমিতাভ রেজার নতুন সিনেমা ‘রিকশা গার্ল’র পোস্টার। রঙিন ক্যানভাসে যেন দুরন্ত এক কিশোরীর মুখ ফুটে উঠেছে। শ্যাম বর্ণের সেই মুখে আর চোখে যেন না বলা অনেক গল্প লুকিয়ে আছে। মায়াবী মুখটায় ভেসে আছে এক রিকশা কণ্যার উপাখ্যান।

যাকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে ‘রিকশা গার্ল’ সিনেমার গল্প, সেই ‘নাঈমা’র চরিত্রে অভিনয় করেছেন উঠতি অভিনয়শিল্পী নভেরা রহমান। কিন্তু কে এই নভেরা রহমান? এমন প্রশ্ন অনেকেরই।

তিনি আর কেউ নন, মঞ্চ ও টেলিভিশনের গুণী অভিনয়শিল্পী মোমেনা চৌধুরীর মেয়ে। এর আগে বেশকিছু চলচ্চিত্র ও তথ্যচিত্রে ক্যামেরার পেছনে কাজ করেছেন নভেরা। অভিনয় করেছেন রুবাইয়াত হোসেনের ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ চলচ্চিত্রে। এবার ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের লেখিকা মিতালি পারকিনসের লেখা ‘রিকশা গার্ল’ অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটিতে তার অভিনয় দেখবে দর্শক।

‘রিকশা গার্ল’ সিনেমার গল্পে দেখা যাবে, মুখ্য চরিত্র ‘নাঈমা’ পরিবারকে সাহায্য করার জন্য কিছু বাড়তি আয়ের আশায় পুরুষের ছদ্মবেশে অসুস্থ বাবার রিকশা চালাতে শুরু করে। রিকশাটিকে তার বাবা নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসেন। কিন্তু রাস্তায় নেমে সেই রিকশাটিকেই কিছু একটার সঙ্গে ধাক্কা লাগিয়ে নষ্ট করে ফেলে নাইমা।

মফস্বলে বেড়ে ওঠা স্বাধীনচেতা নাঈমার জীবন তার রঙ-তুলির মতোই বর্ণিল। সে আলপনা আঁকে। আর তা থেকে আয় করে। এঁকে যা উপার্জন করে, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। অভাবের ভেতর দিয়ে চলতে থাকা পরিবারটির দুর্দশা শেষ হয় না ওই আয়ে।

তবে জীবনের হরেক রকমের রঙ মিলেমিশে নাঈমার তুলির আঁচড়ে আঁকা হয় সুন্দর সুন্দর আলপনা। একদিন চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়ে সে। নাঈমার জীবনে আসে নতুন বাঁক। নতুন সব অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়ে সাহসী পথচলা শুরু হয় তার।

উল্লেখ্য, উপন্যাস থেকে চলচ্চিত্রের উপযোগী চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন শর্বরী জোহরা আহমেদ। তিনি প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অভিনীত যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘কোয়ান্টিকো’র অন্যতম চিত্রনাট্যকার। পরিচালকের পাশাপাশি ছবিটি প্রযোজনা করবেন মার্কিন প্রযোজক এরিক জে অ্যাডামস।

এসএ/

 

 

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি