ঢাকা, মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০, || শ্রাবণ ২৭ ১৪২৭

Ekushey Television Ltd.

চীনা স্পন্সর থাকায় পুরস্কার ফিরিয়ে দিলেন জিৎ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৮:০৭ ৫ জুলাই ২০২০ | আপডেট: ১৮:০৯ ৫ জুলাই ২০২০

লাদাখের গালওয়ান সীমান্তে বসে আছে চীনা ফৌজ। ভারত-চীনের সম্পর্কের অবনতির আঁচ টলি পাড়াতেও লাগল। ডিজিটাল অ্যাওয়ার্ডে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন জিৎ। কারণটা হল, সেই পুরস্কার অনুষ্ঠানের সঙ্গে চীনা সংস্থার স্পনশরশিপ জড়িয়ে রয়েছে। অভিনেতা একথা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিয়েছেন।

জিৎ জানায়, সম্প্রতি ভোটের মাধ্যমে একটি ডিজিটাল অ্যাওয়ার্ডে তাকে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা নির্বাচিত করা হয়েছে। যাঁরা নিজেদের অমুল্য সময়ের কিছুটা ব্যবহার করে ভোট দিয়েছেন, তার সেই সমস্ত ভক্ত ও অন্যান্য লোকজনকে ধন্যবাদ জানান। পুরস্কার পেলে কার না ভালো লাগে। আত্মীয়স্বজন, বন্ধু সকলেই খুশি হন। তবে অনেকেই হয়ত জানেন না, এই পুরস্কারের সঙ্গে একটি চীনা কোম্পানি জুড়ে রয়েছেন। কারোর বিরুদ্ধে তার কোনও অভিযোগ নেই। তবে যেহেতু ওই দেশের সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ক এই মুহূর্তে ভালো নয়। চীনের আগ্রাসনে তাদের সেনাদের জীবন যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে এই পুরস্কার গ্রহণের জন্য তার মন সায় দিচ্ছে না।

জিৎ আরও জানায়, ''সীমান্তে গিয়ে সৈনিকদের মতো লড়াই করতে না পারলেও নিজের দেশের জন্য এইটুকু করতেই পারেন। যতদিন পর্যন্ত ওই দেশের সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ক ঠিক হচ্ছে ততদিন এই পুরস্কার গ্রহণ করবেন না। তিনি কারোর ভাবনাকে ছোট করতে চাইছেন না। তার বিশ্বাস মানুষ তার কথা বুঝবেন। সকলের ভালোবাসাই তার কাছে পুরস্কার। অবশেষে জয় জয় হিন্দ বলে তার কথা শেষ করেন। 

প্রসঙ্গত, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কারণে কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি টিকটক সহ বহু জনপ্রিয় চীনা অ্যাপ এদেশে নিষিদ্ধ করেছে। চীনা অ্যাপ বন্ধ করা প্রসঙ্গে টলি অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরত জাহানের বক্তব্য অবশ্য কিছুটা আলাদা। তিনি দেশের স্বার্থে এই অ্যাপ গুলি বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছেন ঠিকই, তবে এগুলি বন্ধে যাঁরা কাজ হারিয়েছেন তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অ্যাপ বন্ধে সৈনিকদের প্রাণ ফিরবে কিনা প্রশ্ন তুলেছেন সোহম চক্রবর্তী।

এসইউএ/এসি

 


New Bangla Dubbing TV Series Mu
New Bangla Dubbing TV Series Mu

© ২০২০ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি