ঢাকা, মঙ্গলবার   ০৫ মে ২০২৬

পোল্ট্রি শিল্পের জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নসহ ১১ দফা দাবি

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ২২:০২, ৯ অক্টোবর ২০২১

Ekushey Television Ltd.

দেশের সিংহভাগ মাংসের চাহিদা পূরণ করছে পোল্ট্রি শিল্প। এ শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় সোয়া কোটি মানুষ নিয়োজিত। কিন্তু এ শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল সয়ামিলের দাম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বাচ্চার দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। কিন্তু ডিম ও মাংসের দাম খামারী পরযায়ে সেভাবে বাড়েনি। একারণে দেশের লাখ লাখ প্রান্তিক খামারিরা কোটি কোটি টাকা লোকসানে পড়েছেন। এর থেকে মুক্তি পেতে সরকােিরর কাছে ১১ টি জাতীয় দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ খামারীরা। গতকাল (আজ ৯ অক্টোবর ২০২১) শনিবার রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ ইকোনমিক রিপোটার্স ফোরামের (ইআরএফ) হলরুমে বাংলাদেশ এসএমই ফোরামের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি শিল্প ফোরাম আয়োজিত প্রান্তিক খামারী সভায় পোল্ট্রি শিল্পের উদ্যোক্তার ১১ দফা জাতীয় দাবি জানান।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি শিল্প ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা এবং বাংলাদেশ এসএমই ফোরাম এর সভাপতি চাষী মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ সরকাওে অতিরিক্ত সচিব কৃষিবিদ  ড. শেখ মহ. রেজাউল ইসলাম, প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের মূখ্য বিজ্ঞানী ড. মো. লতিফুল বারী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম। এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত শত শত ক্ষতিগ্রস্ত খামারীরা।  

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের পোল্ট্রি শিল্প সম্ভাবনাময় একটি খাত। এ খাতের মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষের মাংসের যোগান দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু যারা এ খাতের পিছনে থেকে কাজটি করে যাচ্ছেন, আজ তারাই চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এমনকি লোকসান দিতে দিতে অনেক উদ্যোক্তারা খামার বন্ধ করে বিপথে চলে যাচ্ছেন। বক্তারা বলেন, অতিদ্রুত লোকসান কমানোর পাশাপাশি এ খাতের উন্নয়নে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। একই সঙ্গে সুস্থ ও সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য এখাতের জন্য একটি নীতিমালা প্রনয়নের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সভায় উত্থাপিত ১১ টি দাবি হলো- পোল্ট্রি ফিড ও বাচ্চার অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করতে হবে। উৎপাদিৎ মুরগি ও তার ডিমের মূল্য নির্ধারনে খামারীদের সুযোগ দিতে হবে। সহজ শর্তে ব্যাংক লোন ও প্রনোদনার ব্যবস্থা করতে হবে। পোল্ট্রি শিল্পের কাঁচামাল, ঔষধ, ভ্যকসিন এবং খামারীদের ভ্যাট/ট্যাক্স মওকুফ করতে হবে। পোল্ট্রি বান্ধব বাজাটে ও এ খাতের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে। এ শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল সয়ামিল রপ্তানি বন্ধ করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি নীতিমাল প্রনয়ন ও তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এখাতকে সিন্ডিকেট মুক্ত করতে হবে। খামারীদের আর্থিক ও জীবনের নিরাপত্তায় সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশনা দিতে হবে। দেশের আট বিভাবে পোল্ট্রি শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং খামারীদের জন্য বিশেষ বীমা চালু করতে হবে।

পোল্ট্রি শিল্প ফোরাম এর দপ্তর সমন্বয়কারী আমিনুর রহমান এর সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সর্ব খামারী বোরহানউদ্দীন, আব্দুর রহিম, লোটাস পারভেস, মানিক শেখ, সুজন সরকার, তাহমিদ হাসান, মাসুমা খানম প্রমূখ।

আরকে//
 


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি