ঢাকা, শনিবার   ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, || অগ্রাহায়ণ ৩০ ১৪২৬

Ekushey Television Ltd.

যেভাবে ঘটে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৮:১৮ ১২ নভেম্বর ২০১৯ | আপডেট: ০৯:৩৭ ১২ নভেম্বর ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগ এলাকায় তুর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ ১৫ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (১১ নভেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। 

ঘটনার পর থেকে চট্টগ্রামের সঙ্গে সিলেট ও ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। 

জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খাঁন জানান, নিহত বেড়ে এখন ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। সিগন্যাল না মানায় এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

ইউএনও মাসুদ উল আলম বলেন, ‘ঘটনাস্থলে ৯টি লাশ রয়েছে, এরমধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও চার জন নারী। কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৮ জন ভর্তি হন, তারমধ্যে দুজন মারা গেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে দুজন মারা গেছেন। কুমিল্লায় ৯ জন ভর্তি হন, তারমধ্যে একজন মারা গেছেন, তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। উদ্ধার কাজ চলছে। আমরা কন্ট্রোল রুমও খুলেছি। স্থানীয়রা আমাদের জানিয়েছেন, প্রায় ১০০ লোক আহত হতে পারেন।’

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ জানিয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে থাকা সিলেট রেলওয়ে থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ইকবাল হোসেন জানান, উদয়ন ট্রেনটি তুর্না নীশিতা ট্রেনটিকে সাইড দিচ্ছিল। উদয়নের অর্ধেক বগি অন্য লাইনে ঢোকার পর বাকি বগিগুলোতে তুর্না নীশিতা ধাক্কা দিলে দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

এছাড়া মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি এক নম্বর লাইনে ঢুকছিল। তুর্ণা নিশীথাকে আউটারে থাকার সিগনাল দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সিগনাল অমান্য করে মূল লাইনে ঢুকে পড়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আমার কোনো দোষ নেই।

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি