ঢাকা, রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ৭:০০:৩০

Ekushey Television Ltd.

সালমানের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ছিল গভীর : মৌসুমী

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১২:৩৯ পিএম, ২৭ মার্চ ২০১৮ মঙ্গলবার | আপডেট: ০৩:৩৫ পিএম, ২৭ মার্চ ২০১৮ মঙ্গলবার

বাংলা সিনেমার অমর জুটি সালমান-মৌসুমী। চলচ্চিত্রে দু’জনেরই অভিষেক হয়েছিল কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবি দিয়ে। এই ছবি দাগ কাটে দর্শক মনে। দু’জনকে নিয়ে যায় অনন্য এক উচ্চতায়। ১৯৯৩ সালের ২৫ মার্চ ছবিটি মুক্তি পায়। ছবিটি মুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে দুদিন আগে। আজও এই ছবিতে মৌসুমী-সালমান রসায়ন মনে রেখেছে ভক্ত।
২২ বছর আগে সালমান শাহ মারা যান। চলচ্চিত্র অঙ্গনে সৃষ্টি হয় এক বিশাল শূন্যতার। সালমান-মৌসুমীর কেয়ামত থেকে কেয়ামত ছবির ২৫ মৌসুমীর মৌসুমী ফ্যান ক্লাব রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় ম্যারি মন্টানা রেস্তোরাঁয় এক অনুষ্ঠান আয়োজন করে। সেখানে মৌসুমী বলেছেন এই ছবি নিয়ে অনেক অজানা গল্প। সালমানের সঙ্গে রসায়ন, বলেছেন পরিবার, স্বামী আর চলচ্চিত্রের আরও অনেক বিষয় নিয়ে।
মৌসুমীর ভাষ্য, সালমান আর আমার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। তবে সালমান আর আমার সম্পর্ক গভীর ছিল। অনেক খুঁটিনাটি বিষয় আমরা শেয়ার করতাম, যা কাউকে বলতে পারতাম না। আমার জ্বর হলে ওর ভালো লাগত না, ওর কোনো অসুখ হলে আমার না। আমাদের আত্মার একটা টান ছিল। দেখা গেল, জ্বরের কারণে আমি শুটিংয়ে যেতে পারিনি, পরিচালকের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে দেখা করতে চলে আসত। ওর কোনো ভালো হলে আমার ভালো লাগত, ওর খারাপ হলে আমার খারাপ লাগত। এমনই ছিল আমাদের অনুভূতি।
মৌসুমী জানান, সালমানের সঙ্গে তার পরিচয় অভিনয়ের সুবাধেই নয়। বরং ছোটবেলার বন্ধু ছিল সালমান। মৌসুমীর ভাষায়, আমরা তখন খুলনায় থাকতাম। ছোটবেলায় ইমন (সালমান শাহ ডাকনাম) আর আমি প্লে গ্রুপ ও নার্সারিতে একসঙ্গে পড়েছি। বাবার চাকরির কারণে ইমনের পরিবার খুলনা সার্কিট হাউসে থাকত। ওই স্কুলে আমার ফুফু ছিলেন টিচার। ফুফুর ছুটি হওয়া পর্যন্ত ইমনদের বাসায় আড্ডা দিতাম। সেও আমাদের বাসায় যাওয়া-আসা করত। ভালো বন্ধুত্ব হয়। এরপর হঠাৎ ওরা ঢাকায় চলে আসে।
সালমান ঢাকায় চলে এলে সম্পর্কে একটা ছেদ পরে দুজনের। পরে ছোট বেলার বন্ধুর সঙ্গে অভিনয় করার গল্পটা এভাবেই বলেন মৌসুমী,বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর দেখা হওয়ার যে আকাঙ্ক্ষা থাকে, তা ছবিটি করতে গিয়ে নতুন করে টের পাই। ছবির কাজ করার সময় আমাদের দেখা হয়। আবেগাপ্লুত হলাম। অল্প কদিনেই আমাদের সম্পর্ক আবার আগের রূপ নেয়। নিজেদের সবকিছুই একজন আরেকজনের সঙ্গে শেয়ার করতাম। আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্ক নিয়ে তো ছবির পরিচালক সোহান ভাই একপর্যায়ে ভুল বুঝতে শুরু করলেন। তিনি ভাবলেন, আমরা একজোট হয়ে গেছি।
/ এআর /



© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি