ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:৫৬:০৭

যে কারণে অধিকাংশ মিউজিয়ামে ছবি তোলা নিষিদ্ধ

যে কারণে অধিকাংশ মিউজিয়ামে ছবি তোলা নিষিদ্ধ

প্রায় সব কিছুই ক্যামেরায় ধরে রাখতে চায় মানুষ। কোথাও বেড়াতে গেলে ক্যামেরা থাকাটা মাস্ট। আর এখন মোবাইলে ক্যামেরা তো রীতিমতো বিপ্লব এনে দিয়েছে। কিন্তু ছবি তোলার বিশেষ ইচ্ছা থাকলেও বিশ্বে বেশির ভাগ মিউজিয়ামের ভিতরে আপনি ক্যামেরা নিয়ে ঢুকতেই পারবে না। কেন জানেন? পেশাদার আলোকচিত্রীরা ছবি তোলার জন্য যা খুশি সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে মিউজিয়ামের সামগ্রীর ক্ষতি হতে পারে। তাই বিশেষ অনুমতি ছাড়া বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মিউজিয়ামে পেশাদার আলোকচিত্রীদের ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। বেশির ভাগ মিউজিয়ামে থাকে মহামূল্যবান ছবি। ক্যামেরার ফ্লাশে আলো বেশ ‘ইনটেন্স’। ছবি তুলতে দিলেই ছবির সামনে ছবি দেখার চেয়ে তোলার জন্য ভিড় বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ছবি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কোনও ক্ষেত্রে বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়। তবে তা নগণ্য। ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফ যত কমবে, দর্শকদের অভিজ্ঞতা ততই সমৃদ্ধ হবে, এমনটাই বলছেন মিউজিয়াম বিশেষজ্ঞরা। মিউজিয়ামে গিয়ে ছবি তুলে তা শেযার করলে, মিউজিয়ামে যাওয়ার আগ্রহ অনেক কমে যাবে বলে মনে করেন বেশির ভাগ মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ।যদিও কোনও কোনও ক্ষেত্রে আগ্রহ তৈরি করে ডিজিট্যাল মাধ্যম। কিন্তু এতে শিল্পের মান কমে যেতে পারে বলে মনে করেন বেশির ভাগ শিল্প রসিক। সেই কারণেই ছবি তোলায় নিষেধাজ্ঞা থাকে, অনেক ক্ষেত্রেই। যে কোনও শিল্পের ক্ষেত্রে কপিরাইট একটা বড় ইস্যু। তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ছবি বা ভাস্কর্যের ক্ষেত্রে ছবি তোলা যায় না। যেমন সিনেমা হলে প্রবেশ করে ছবি বা ভিডিয়ো তোলায় বিধিনিষেধ থাকে।
রাস্তার মাঝে কেন হলুদ বা সাদা দাগ?

নিয়ম মেনে হোক বা নিয়ম না মেনে, রাস্তা তো পার হতেই হয় সকলকে৷ আর ব্যস্ত রাস্তায় পারাপার মানেই জেব্রা ক্রসিং ধরে পার হতে হয়৷ আর জেব্রা ক্রসিং দিয়ে কেন পার হতে হয় তা সকলেরই কমবেশি জানা৷ তবে চলার পথে রাস্তায় টানা হলুদ ও সাদা লাইন খেয়াল করেছেন কখনও? এর অর্থ জানা রয়েছে আপনার? আমাদের মনে হয় পুলিশের জরিমানা এড়াতে এটা জেনে রাখাই ভাল৷ তার চেয়েও বড় কথা, এই অজ্ঞতার চড়া মাশুল হয়তো আপনাকেই গুনতে হতে পারে কোনও সময়। দুর্ঘটনা যে হারে বাড়ছে, তাতে এমন আশঙ্কা থেকেই যায়। এক কথায়, আপনি কোথায় ওভারটেক করতে পারবেন, আর কোথায় পারবেন না, তা এই লাইনেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ভাঙা ভাঙা সাদা লাইন যদি দেখেন, তার অর্থ, ওই রাস্তায় আপনি লেন বদলাতে পারেন, কিন্তু, তা সাবধানে, সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। আর রাস্তায় টানা হলুদ লাইনের অর্থ, আপনাকে ওই রাস্তায় ওভারটেক করার অনুমতি রয়েছে৷ কিন্তু, হলুদ লাইন ক্রস করে বেরোতে পারবেন না। আর যদি সেটাই দুটো হলুদ লাইন পাশাপাশি সমান্তরাল ভাবে যায়, তার অর্থ আপনি কোনও ভাবেই লাইনের বাইরে বেরোতে পারবেন না৷ এই তথ্য জানার পর এবার আরও সচেতন হয়ে যান৷ যাতে কোনও ভাবেই আর এই ভুলটা না হয়৷ টিআর/  

যে কূপের পানিতে সবকিছু হয়ে যায় পাথর!

রূপকথার গল্পের কোনো চরিত্র যেন নেমে এসেছে কূপের পানিতে। পানির ছোঁয়ায় সবকিছু হয়ে যায় পাথর! কিন্তু আমরা এগুলো কথা সব সময় রূপকথার গল্পেই শুনে এসেছি। শুনলে অবাক হবেন যে এমনটা এখন বাস্তবেই হচ্ছে। তবে মানুষ বা যাদুর কাঠির ছোঁয়ায় না, কুপের পানির ছোঁয়ায়! ইংল্যান্ডের নেয়ার্সবরো টাউনে আছে রহস্যময় একটি কূপ। নাম ‘মাদার শিপটন গুহা’যার পানি সব কিছুকে পাথর করে দেয়। আশ্চর্য এ ক্ষমতার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত এই কূপ। এর মধ্যে গাছের পাতা, কাঠের টুকরো পড়ার কিছু পরেই জমে পাথর হয়ে যায়। এর থেকেই ছড়িয়েছে আতঙ্ক। ভয়ে অনেকেই কূপের ধারে-কাছে যেতে চান না। যদি একবার কেউ পড়ে যায় তাহলে আর রক্ষা নেই। কৌতূহলী অনেকে উপর থেকে টুপি, জুতো রুমালসহ বিভিন্ন বস্তু কূপের পানিতে ফেলেছেন। কিছুক্ষণ পরেই সে সব পাথর হয়ে গেছে। কেউ দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছিলেন টেডি বিয়ার, সাইকেল, কেটলি। দড়ির কিছু অংশসহ ঝুলন্ত বস্তুগুলি সম্পূর্ণ পাথরে পরিণত হয়েছে। কূপের ধারে এখনো ঝুলছে অষ্টাদশ শতকের টুপি, চেইন। দুইশো থেকে দুইশো পঞ্চাশ বছর ধরে একই রকম অবস্থা চলছে। কৌতূহলী অনেকে সাহস নিয়ে ভয়ঙ্কর এই কূপের ধারে যান। কোনোরকমে কূপের গা দিয়ে কিছু একটা ঝুলিয়ে দেন। পানির স্পর্শ লাগতেই ওই সব বস্তু পাথর হতে থাকে। ধারণা করা হচ্ছে, এই কূপের পানিতে এমন কিছু রয়েছে যার রাসায়নিক মাত্রা সবকিছু পাথরে পরিণত করে দেয়। সূত্র: ডয়েচে ভেলে। / এআর /

হ্রদের পানি রঙ বদলায় ক্ষণে ক্ষণে

হৃদের পানি রঙ বদলায় ক্ষণে ক্ষণে। মাস খানেক আগে যেখানে পানির রঙ ছিল সাদা, এখন তা নীল ও লাল, কয়েক মাস পরে আবার তা হবে  কোলো ও ফিরোজায়। এর রহস্য নিয়ে বহু গবেষণা হচ্ছে। কিন্তু তা ভেদ হয় নি আজও। বলছি ইন্দোনেশিয়ার কেলিমুতু আগ্নেয়গিরির তিনটি হ্রদের কথা। কেলিমুতুর পশ্চিম প্রান্তের হ্রদ তিওউ আতা ম্বুপু-র রঙ সাধারণত নীল। আর দু’টি হ্রদ তিওউ নুওয়া মুরি কু ফাই ও তিওউ আতা পোলো-র রঙ যথাক্রমে সবুজ এবং লাল। কিন্তু এই রঙ সর্বদা এক থাকে না। প্রায়শই এরা রঙ বদলায়। বদলাতে বদলাতে হ্রদের পানি মাঝে মাঝে কালোও হয়ে যায়। কয়েক মাস আগে যেখানে পানির রঙ সাদা, ফিরোজা নীল ও লাল ছিল, কয়েক মাস পরে তা দাঁড়ায় কালো, ফিরোজা নীল ও কোকাকোলা ব্রাউন। এই ঘটনা ২০০৯-এর। আবার ২০১০ এ তিনটি হ্রদের পানির রঙই সবুজের তিন রকম শেড হয়ে দাঁড়ায়। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরা জানান, জলাশয়ের পানির রঙয়ের জন্য দায়ী থাকে ওই জলে অবস্থানরত ব্যাকটেরিয়া, শ্যওলা ইত্যাদি। কিলিমুতুর হ্রদগুলোর রং-রহস্য কিন্তু সেদিকে হাঁটে না। অনেকে মনে করেন এই রং-বাহারের পিছনে আগ্নেয়গিরির গ্যাসের কিছু ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু এই বিষয়ে কিছু নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। সূত্র: ডেইলি মেইল / এআর /

১০৬ বছরের চির তরুণ ডাক্তার!

ইংল্যান্ডের একজন ডাক্তার ১০৬ বছর বয়সেও চিকিৎসা সেবা চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য ডা. এ. উইলিয়াম ফ্র্যাংকল্যান্ড নামের ওই ডাক্তারকে চির তরুণ ডাক্তার হিসেবে উল্লেখ করা হয়।  তিনি ১৯১২ সালে জন্ম গ্রহণ করেছেন। ১৯৩০ সালে তিনি মেডিকেল স্কুলে পড়াশুণা শুরু করেন। পরে তাকে তিন বছরের জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপর থেকে পুনরায় তিনি ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন। এরপর পেনিসিলিনের আবিস্কারক আলেক্সজেন্ডার ফ্লেমিং-এর অধীনে পড়াশুণা করেন।    এরপর তিনি এলার্জি বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। পরে ১৯৫০ সালে লন্ডনে তার নামে একটি এলার্জি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা হয়।  এ দীর্ঘ সময় ধরে মানব সেবা করে আসা উইলিয়াম ফ্র্যাংকল্যান্ডকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, আপনি কিভাবে এখনো মানব সেবা করে আসছেন? অথবা কিভাবে আপনি এত দীর্ঘ জীবন লাভ করলেন? এ প্রশ্নের উত্তরে ফ্র্যাংকল্যান্ড বলেন, আমি মনে করি এটা আমার ভাগ্য। বিধাতা আমাকে সুযোগ দেওয়ার কারণেই আমার পক্ষে তা সম্ভব হয়েছে। আর অন্য কিছুই নয়। তথ্যসূত্র: সিএনএন এমএইচ/  

এক বোতল হুইস্কির দাম সাড়ে নয় কোটি টাকা!

হুইস্কি! নামটা শুনলে অনেক রসিকের মন একটু অন্য রকম হতেও পারে। তবে এক বোতল হুইস্কির দামে যদি হয় সোয়া আট কোটি টাকা! স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গে নিলামে এই বিপুল দামেই বিক্রি হল বিরল হুইস্কির এই বোতল। এই বিপুল দামের কারণ জানেন? বিশ্বের অন্যতম সেরা স্বাদের বিরল একটি হুইস্কির বোতল ছিল এটি। চলতি বছরের মে মাসে এই একই সংস্থার একটি হুইস্কির বোতল বিক্রি হয় প্রায় ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকায়। তাকেও ছাপিয়ে গেল এটি। বিক্রি হল প্রায় ৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকায়। তবে এই বোতলটি কে কিনেছেন, তা জানানো হয়নি। তবে রিচার্ড হার্ভে নামে এক হুইস্কি বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, এশিয়ার এক ব্যক্তি নিলামে কিনেছেন এটি। ১৯২৬ সালে প্রথম এই হুইস্কি তৈরি হয়। তারপর ম্যাককালান ডিস্টেলারিতে এটি রাখা ছিল কাস্কেই। বোতলে ভরা হয় ১৯৮৬ সালে। মোট ২৪টি বোতলে ভরা হয়েছিল এটি। এর মধ্যে ১২টিতে পপ আর্টিস্ট পিটার ব্লেক ও ১২টিতে ভালেরিও আদেমি লেবেল লাগানো হয়েছিল। সেই ভালেরিও আদেমির বয়স এখন ৮৩। ছবি ও কমিক আর্ট তার সবচেয়ে পছন্দের। এক ভেন্ডর ম্যাককালান ডিস্টেলারি থেকে বোতলগুলো সরাসরি কেনেন। মালিকই নাকি বিক্রি করেছিলেন এগুলো। এই মুহূর্তে কতগুলো বোতল অবশিষ্ট রয়েছে তা অবশ্য জানা নেই। ২০১১ সালে জাপানের সুনামিতে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল একটি। একটি বোতল কেউ নাকি পান করেও ফেলেছিলেন। বোনহামস সংস্থার কাছে এখনও এই হুইস্কির তিনটি বোতল রয়েছে। বোনহামসের হুইস্কি স্পেশালিস্ট বলেন, ‘নয়া রেকর্ড গড়ে আমরা খুশি।’ সূত্র: জিনিউজ একে//

পানির নিচে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেস্টুরেন্ট

প্রিয় মানুষটির সঙ্গে একটু বেড়াতে যাওয়া, গল্প করা বা একান্তে কিছু সময় কাটানোর জন্য যে জায়গাটি মানুষ সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে সেটি হচ্ছে রেস্টুরেন্ট। আগের তুলনায় রেস্টুরেন্টগুলোতে ভিড় বাড়ছে প্রেমিক যুগলদের। রেস্টুরেন্টের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ক্রেতাদেরকে আকর্ষণ করার জন্য রেস্টুরেন্ট মালিকরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছেন। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি নরওয়েতে প্রায় সাড়ে ১৬ ফুট পানির নিচে তৈরি হচ্ছে রেস্টুরেন্ট। এটাকে ‘আন্ডার’নামে ডাকা হবে। এটির নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বলা হচ্ছে পানির নিচে এটিই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেস্টুরেন্ট। এটিতে একসাথে ১০০ জন অতিথি বসতে পারবে। রেস্টুরেন্টটি ৫ হাজার ৩০০ স্কয়ার ফিট জায়গার ওপর নির্মিত হয়েছে। এতে রয়েছে ৩টি ফ্লোর।রেস্টুরেট থেকে ৩৬ ফিট গভীর সমুদ্রতলের পরিবেশ উপভোগ করা যাবে। ইউরোপের প্রথম সমুদ্রতলের এই রেস্টুরেন্ট লম্বায় ১১০ ফুট। অতিথিরা রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করবেন কাঁচের তৈরি একটি রাস্তা দিয়ে। ২০১৯ সালের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রেস্টুরেন্ট সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। তথ্যসূত্র: সিএনএন এমএইচ/

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা মসজিদুল হারামে

মক্কায় মসজিদুল হারামে প্রচন্ড রোদ থেকে মুসল্লিদের রক্ষায় বড় বড় ছাতা লাগানো হয়েছে। প্রতিটি ছাতার উচ্চতা ৩০ মিটার এবং দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমানভাবে ৫৩ মিটার। প্রতিটি ছাতার নিচে আড়াই হাজার মানুষ ঠাঁই নিতে পারবে। এগুলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা। জানা গেছে, ছাতাগুলো শুধু ছায়াই দেবে না, আরও কিছু সুযোগ-সুবিধা যুক্ত হয়েছে এতে। এর মধ্যে পানীয় ও ওজুর ব্যবস্থা, শীতাতপ ব্যবস্থা, বায়ু চলাচল যন্ত্র, দিক-নির্দেশিকা ও পরামর্শমূলক বোর্ড-লিফলেট, অডিও সিস্টেম, সিসি ক্যামেরার নজরদারিও থাকছে। এর আগে পূর্ব চীনের জিইয়াংঝি প্রদেশের ২৩ মিটার বিস্তৃত একটি ছাতা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ছাতা হিসেবে গিনেস বুক অব রেকর্ডসে স্থান করে নিয়েছিল। এবার সে রেকর্ড ভাঙতে চলেছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের নতুন স্থাপিত ছাতাগুলো স্থাপন করা হয়েছে মসজিদুল হারামের সম্প্রসারিত ও বর্ধিত উত্তর-পশ্চিম আঙ্গিনায়। বাদশাহ আবদুল্লাহর ব্যক্তিগত খরচে সম্প্রসারিত মসজিদুল হারামের দক্ষিণ পাশের সুবিশাল অংশের বহিরাঙ্গিনায় মোট সাতটি ছাতা বসানো হয়েছে। সে হিসেবে মসজিদের দক্ষিণ পাশের অংশের প্রতিটি দরজার সামনে একটি করে এ বিশালাকার ছাতা থাকছে। বৃহদাকার ছাতাগুলোর প্রতিটির ছায়াতলে কমপক্ষে আড়াই হাজার মুসল্লি অনায়াসে নামাজ পড়তে পারবেন। সূত্র : আরব নিউজ / এআর /

চীনে মাটির নিচে বিশাল হোটেল

১৮ তলা একটি হোটেলের ১৬ তলাই মাটির নিচে। কল্পনা করা যায়! হুম, সত্যিই তাই। চীনের সাংহাই শহরের কাছে সংজিয়াং জেলার খনি অঞ্চলে নির্মাণ করা হচ্ছে ১৮ তলা একটি হোটেল। হোটেলটির ১৬ তলাই থাকবে মাটির নিচে। উপরে থাকবে মাত্র দুটি তলা। ৫০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের পরিত্যক্ত একটি পাথর কোয়ারির ওপর এটা নির্মাণ করা হচ্ছে। হোটেলটির কক্ষ সংখ্যা ৩৩৬টি। সব কক্ষ নিয়ে করা হবে আন্তর্জাতিক মানের ফাইভ স্টার হোটেল। নির্মাণাধীন এ হোটেলটির কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। মজার বিষয় হচ্ছে, নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার আগেই কক্ষ বুকিং শুরু হয়ে গেছে। ২০১৯ সালের মধ্যে সব কক্ষই বুকিং হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। হোটেলটির সাইনবোর্ডে নাম ‘শিমাও ওয়ান্ডারল্যান্ড ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল’। ডাক নাম ‘ডিপ পিট হোটেল’। আর এই নামেই তার বৈশিষ্ট্যের আভাস পাওয়া যায়। ২০১৮ সালের মে মাসে এটি উদ্বোধন করার কথা ছিল। নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় এর উদ্বোধন পিছিয়ে দেয়া হয়। আশা করা হচ্ছে, চলতি বছরের মধ্যেই এর কাজ শেষ হবে। সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের প্রথম দিকেই চালু হতে পারে দৃষ্টিনন্দন হোটেলটি। সূত্র : চীন ডেইলি এসএ/

লেকের মধ্যে পাওয়া গেলো দেড় হাজার বছরের পুরোনো তরবারি

সুইডেনের ইয়াওনোসোপিং কাউন্টির একটি লেকের পানিতে পাওয়া গেছে দেড় হাজার বছরের পুরোনো তরবারি। ৩৩ ইঞ্চি লম্বা এই তরবারি ভাইকিং যুগেরও কয়েক বছর আগের বলে ধারণা করছেন গবেষকরা। আট বছর বয়সী শিশু সগা বনেচেক সেখানকার ভিজেস্তান লেকে সাঁতার কাটার সময় এ তরবারি পায়। শিশুটি সুইডিশ বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। সে মা-বাবার সঙ্গে ছুটি কাটাতে সুইডেনে গিয়েছিল। তরবারিটি চলতি বছরের ১৫ জুলাই পাওয়া যায়। পরবর্তীতে এটি স্থানীয় জাদুঘরে জমা দেওয়া হয়। জানা গেছে, ভিজেস্তান লেকটির পানি বেশ কমে গিয়েছিল। তাই সাঁতার কাটার সময় সগার পা লেকের তলদেশের মাটি ছুঁয়ে যায়। একপর্যায়ে তার পা ওই তরবারিতে লাগে। প্রথমে সে এটিকে লাঠি বা গাছের ডাল ভেবেছিল। ঘটনার সময় সগার বাবা অ্যান্ডি বনেচেকও লেকের মধ্যে ছিলেন। তিনি প্রথমে এটিকে অব্যবহৃত লোহার পাত–জাতীয় কিছু ভেবেছিলেন। অ্যান্ডি বনেচেক বলেন, তিনি এমনিতেই বিষয়টি নিয়ে তার এক বন্ধুর সঙ্গে আলোচনা করেন। সেই বন্ধু জিনিসটি দেখে এটিকে প্রাচীন কোনো জিনিসের খণ্ডিত অংশ বলে ধারণা দেন। পরে তারা বিষয়টি ইয়াওনোসোপিং কাউন্টি জাদুঘর কর্তৃপক্ষকে জানান। আর এতেই মেলে নতুন চমক। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে বলছে, এ তরবারি যে–সে তরবারি নয়, এটি ভাইকিং যুগেরও কয়েক বছর আগের। সূত্র : বিবিসি এসএ/

যে কারণে এই মাছটির দাম আড়াই কোটি টাকা

ড্রাগন ফিশ। কোটিপতিদের অন্যতম শখ এখন এই মাছকে ঘিরে। এটাই নাকি স্ট্যাটাস সিম্বল! দাম প্রায় তিন কোটি ষাট লাখ টাকা। এশিয়ান অ্যারোয়ানা, বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান জলজ প্রাণী এটি। এশিয়ার এলিটদের মধ্যে এই মাছটিকে ঘিরে ক্রমেই উৎসাহ বাড়ছে। এই মাছগুলোকে বলা হচ্ছে ড্রাগন ফিশ। আশির দশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রায় তিন ফুট লম্বা মাছগুলোর প্রজনন শুরু হয়েছিল। আগে এগুলো ঠিক পোষ্য মাছ ছিল না। তার পর আচমকাই রটে গেল, মাছগুলো বাড়িতে রাখলে নাকি সমৃদ্ধি বাড়ে, বাড়ে ধনসম্পদ। তার পরই মাছগুলোকে অ্যাকোয়ারিয়ামে রাখা শুরু হল। বেশ কয়েকজন এতটাই ভালবেসে ফেলেন মাছগুলোকে যে, তাদের প্লাস্টিক সার্জারিও করা হচ্ছে। মাছগুলোর চোখ বাঁকা হলে কিংবা, মাছের মুখ মালিকের পছন্দ না হলে মোটামুটি পাঁচ থেকে ছয় হাজারের মধ্যে সার্জারি করার ব্যবস্থাও রয়েছে। ড্রাগন ফিশ বিশেষজ্ঞ এমিলে ভোগেট বলেন, মাছটিকে নিজের বাড়ির অ্যাকোয়ারিয়ামে রাখার জন্য উৎসাহ প্রবল বেড়ে যাওয়ার, এর দাম এক বার পৌঁছায় প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকায়। তবে একটা পূর্ণবয়স্ক এশিয়ান অ্যারোয়ানার ন্যূনতম দাম সিঙ্গাপুরের বাজারে প্রায় ৫২ লাখ টাকা। বিরল প্রজাতির এই মাছটি পৃথিবী থেকে হারিয়েই যেতে বসেছিল। ১৯৭৫ সালে ১৮৩টি দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে মাছটির বেচাকেনা বন্ধ হয়। এই মাছকে ঘিরে অপরাধও সংঘটিত হতে শুরু করে এর পর। সিঙ্গাপুরের বাজারে চারটি মাছ চুরি নিয়ে বড়সড় তদন্ত হয়েছিল। মালয়েশিয়ায় একজন অ্যাকোরিয়ামের মালিককে খুন পর্যন্ত করা হয়েছিল। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, চীনে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে এই মাছটিকে ঘিরে। মাছটি আন্তর্জাতিক বাজারে কেনাবেচা সংক্রান্ত আইনে পরবর্তীতে খানিকটা শিথিলতা এসেছে। সূত্র: আনন্দবাজার একে//

৬০০০ নারীর সঙ্গে যৌন মিলন, মৃত্যুও হলো একই অবস্থায়

ইতালির ‘সফল প্রেমিক’খ্যাত মাউরিজিও জানফান্তি আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি এমন একজন পুরুষ যার সঙ্গে যে মহিলা একবার ঘুমিয়েছে তিনি পৃথিবীর দ্বিতীয় কোনও পুরুষে তৃপ্ত হননি। তার রেকর্ড তেমনটাই বলছে। তবে এই জীবনে একজন-দু’জন নন, প্রায় ৬০০০ মহিলার সঙ্গে যৌনমিলন করেছেন তিনি এবং প্রত্যেককেই চূড়ান্ত যৌনতৃপ্তি দিয়েছেন। এহেন প্লে-বয় মাউরিজিও জানফান্তি মারা গেলেন। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে- তিনি মারাও গেলেন সেই নিজস্ব স্টাইলে। গাড়ির পেছনের সিটে ২৩ বছর বয়সি এক রোমানীয় যুবতী পর্যটকের সঙ্গে সঙ্গমরত অবস্থাতেই তিনি মারা যান। ওই অবস্থাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হন মাউরিজিও জানফান্তি। এ সময় রোমানীয় যুবতী চিকিৎসককেও ডাকেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসক আসার আগেই মৃত্যু হয় ইতালীয় প্লে-বয়ের। উল্লেখ্য, ইতালীর মিডিয়া ১৯৮০ সালে জানফান্তিকে খবরের শিরোনামে নিয়ে আসে। তাতেই ইতালীয় প্লে বয় জানফান্তিকে মানুষ চিনতে শুরু করেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে ১৯৭২ সালে তিনি বিদেশি নারী টুরিস্টদের রিমিনি সৈকতের পাশের একটি নাইট ক্লাবে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে কর্মজীবন প্রবেশ করেন। ক্লাবটির নাম ‘ব্লো আপ’। সৈকতে বিদেশি নারী পর্যটকদের সঙ্গে ভাব জমিয়ে ‘ব্লো আপ’ নাইট ক্লাবে আনার জন্য কমিশন তো পেতেনই, একা আসা নারী পর্যটকদের শহর ঘুরিয়ে দেখাতেন এবং পাশাপাশি তাদের যৌন আনন্দও দিতেন। আর এই সব কিছুই জানফান্তিকে সফলতা এনে দেয়। তবে সম্প্রতি জানফান্তি নিজেই স্বীকার করছিলেন তার বাজার পড়তে শুরু করেছে। সে কারণে শীতকালে স্ক্যান্ডিনেভিয়ার টুরিস্ট এজেন্সিতে গাইড হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন। তবে নারী মহলে তার জনপ্রিয়তা এতটাই ছিল যে একটি সুইডিশ শহরের এক মিউজিয়াম তার মোমের মূর্তি পর্যন্ত বানিয়ে ফেলেছে। ১৯৮৬ সালে ইতালীয় এক দৈনিক পত্রিকা জানফান্তিকে ‘ইতালির সবচেয়ে সফল প্রেমিক‘ শিরোপা দিয়েছিল। সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন এসএ/

পুরো গ্রামই যখন হোটেল

‘ভূতের গ্রাম’ কোরিপ্পো! সুইজারল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের ভেরজাসকা উপত্যকার গ্রামটিতে জনসংখ্যা কমতে কমতে ‘ভূতের গ্রামে’ পরিণত হতে যাচ্ছে। ৭০টি ঘর নিয়ে এ গ্রামে লোকসংখ্যা মাত্র ১২! এদের ১১ জনেরই বয়স আবার ৬৫ বছরের উর্ধ্বে। সাধে কি আর ‘ভূতের গ্রাম’ বলা! জানা যায়, এক সময় এই গ্রামের বাসিন্দা ছিল ৩০০-এর বেশি। কিন্তু জনশূন্য হওয়ার জোয়ার গ্রামটিতে বাসিন্দাদের উপার্জনের একমাত্র পথ এখন গ্রাম্য রেস্তোরাঁ চালানো। ইতালীয় ভাষাভাষী–অধ্যুষিত গ্রামটির বাড়িগুলোর বিশেষত্ব হলো, দুই শ বছরে এগুলোয় কেউ হাত দেয়নি। একেবারে দুই শ বছর আগের গ্রামীণ আবহ এখনও অবিকৃত রয়েছে গ্রামটিতে। বাড়িগুলোর ছাদ স্লেটের টাইলসে গড়া। আর দেয়াল থেকে বাকি সবকিছু পাথরের। তবে বাস্তবতা হলো, গ্রামটি এখন বিলুপ্তির পথে। তবে এ থেকে বাঁচাতে এবার এগিয়ে এসেছে একটি স্থানীয় সংগঠন ফোন্দাৎসিওনে কোরিপ্পো ১৯৭৫। সংগঠনটি এক অভিনব প্রকল্প নিয়ে এসেছে গ্রামটির শত বছরের ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করতে। পুরো গ্রামটি একটি হোটেলে পরিণত করবে তারা। ফলে পর্যটকদের আনাগোনায় একই সঙ্গে জনারণ্য আর অর্থনীতি চাঙা-দুটোই হলো। ইতালির শত বছরের ঐতিহ্যে জড়ানো গ্রামগুলোতে গত শতকের ৮০-র দশকে গড়ে তোলা হয় আলব্যার্গো ডিফুজো হোটেল ব্যবস্থা। এই হোটেল গড়ে তোলার ভাবনা ধার করা হয়েছে সেখান থেকেই। এই ব্যবস্থায় পর্যটকেরা গ্রামের সত্যিকারের বাসিন্দাদের আতিথেয়তা লাভ করে। তাদেরই বাড়িঘরে হোটেলের সুযোগ-সুবিধায় থাকে। আধুনিক পর্যটন হোটেলের সঙ্গে এর বড় পার্থক্য হলো, সুউচ্চ ভবনে হোটেলের কক্ষগুলো এখানে পুরো গ্রামে ছড়ানো থাকে। তাই নাগরিক জীবন থেকে অনেক দূরে সত্যিকারের গ্রামীণ লোকজনের সঙ্গে কাটানোর সুযোগ ঘটে এতে। গ্রামটিতে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সুইজারল্যান্ডের প্রথম আলব্যার্গো হোটেল হবে এটি। সংগঠনটি জানিয়েছে, কোরিপ্পোর ৭০টি বাড়ির মধ্যে ৩০টিতে এই মডেলের হোটেল গড়ে তোলা হবে। চলতি বছরের জুলাইয়ে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম কটেজ কাজা আরকদি অতিথিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে পুরো হোটেলটি চালু হবে ২০২০ সালে। একে//

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি