ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৮ ২০:১৯:০০

চুক্তি থেকে বের হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘ক্ষতিকর’ হবে: পুতিন

চুক্তি থেকে বের হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘ক্ষতিকর’ হবে: পুতিন

রাশিয়ার সঙ্গে করা পরমাণু চু্ক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে দাঁড়াবে বলে যে ঘোষণা দিয়েছেন সেটির জবাবে রুশ প্রেসিডেন্ট ব্লাদিমির পুতিন বলেছেন, এটি ওয়াশিংটনের জন্য ক্ষতিকর হবে। পুতিন ট্রাম্পকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ১৯৮৭ সালের করা ওই পারমানবিক চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়াটা হবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পদক্ষেপ।  সম্প্রতি রাশিয়ার সঙ্গে ১৯৮৭ সালে করা পারমাণবিক চুক্তি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার নাভাদায় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।  ওই সময় ট্রাম্প রাশিয়াকে অভিযোগ করে বলেন, আমরা নিউক্লিয়ারের ওই চুক্তিকে যথাযথভাবে রক্ষা করেছি এবং সম্মান করেছি।  কন্তিু রাশিয়া এ চুক্তির শর্তগুলোকে ভঙ্গ করেছে। তাই আমরা এই চুক্তি থেকে বের হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। এর আগে ১৯৮৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ‘ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস’ নামক এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন যথাক্রমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান এবং সুভিয়েত জেনারেল সেক্রেটারি মিখাইল গর্বাচেভ। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ওয়াশিংটনে। তথ্যসূত্র: ডন এমএইচ/
খাশোগির পরিবারের প্রতি সমবেদনা সৌদি সরকারের

এবার সৌদি  সরকার বিরোধী সাংবাদিক জামাল খাশোগির হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সমবেদনা জানিয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। খাশোগির ছেলে সালাহকে ডেকে এনে এই সমবেদনা জানান তারা। সৌদি প্রেস এজেন্সি এই খবর দিয়েছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, খাশোগির ছেলে সালাহ সৌদির রাজা এবং ক্রাউন প্রিন্সকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এদিকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের বলেন, এটা ছিল মারাত্মক ভুল। আমারা তাদের ব্যথা বুঝি। তাই খাশোগির পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। নিহত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগি মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্টে নিয়মিত কলাম লিখতেন। গত ২ অক্টোবরে ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পর তিনি আর বেরিয়ে আসেননি। সৌদি আরব প্রথমে দাবি করেছিল, খাশোগি কাজ শেষে কনস্যুলেট থেকে বের হয়ে গেছেন। এরপর শুক্রবার সৌদি আরব স্বীকার করেছে,  কনস্যুলেটের ভেতরেই নিহত হয়েছেন খাশোগি। হাতাহাতির ঘটনায় তিনি নিহত  হয়েছেন বলে দাবি করা হয়। তারা বলেছে,কনস্যুলেট ভবনের ভেতরে খাসোগির সঙ্গে যারা সাক্ষাৎ করেছিলেন, তাদের সঙ্গে তার মারামারি শুরু হয়। আর তা শেষ হয় খাসোগির মৃত্যুর মাধ্যমে। মরদেহ কোথায় রয়েছে তা এখনও জানায় নি রিয়াদ। কিন্তু সৌদির এ বক্তব্য নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। তথ্যসূত্র: আল জাজিরা এমএইচ/

তাইওয়ানে ট্রেন দুর্ঘটনা : প্রাণ গেল ১৮ জনের

তাইওয়ানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এক যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ১৪৮ জন।  স্থানীয় সময় রোববার বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বলছে, সব মিলে আটটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ জানতে পারেনি তারা। এ ঘটনার পর পরই উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ট্রেনটি তাইপে থেকে  ৩৬৬ জন যাত্রী নিয়ে টাইটুংগ শহরে যাচ্ছিল। পথেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। কেন এই ট্রেনটিতে লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটল তা তদন্ত করে দেখছে বলে জানিয়েছে দেশটির রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তথ্যসূত্র : বিবিসি এমএইচ/

ইসরাইলকে সতর্ক করল হামাস

ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন নামে পরিচিত ফিলিস্তিনের অন্যতম রাজনৈতিক দল হামাস দখলদার ইসরাইলকে হুঁশিয়ার করেছেন। অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ওপর নতুন করে যেকোনো আগ্রাসন চালানোর ব্যাপারে তাদেরকে এ হুঁশিয়ার করেন।   রোববার এক বিবৃতিতে আন্দোলনের নেতা ইসমাইল হানিয়ার গণমাধ্যম বিষয়ক উপদেষ্টা তাহির নুনু তাদেরকে এ শতর্ক করেন। তিনি বলেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল যদি গাজায় আগ্রাসন চালানোর মতো কাপুরুষতা দেখায় তাহলে ফিলিস্তিনিদের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিরোধের সম্মুখীন হবে। বিশেষ করে হামাসের সামরিক শাখা শহীদ ইজ্জাদ্দিন কাসসাম ব্রিগেড ইহুদিবাদী বাহিনীকে উপযুক্ত শিক্ষা দেবে বলে তাহির নুনু সতর্ক করে দেন। তিনি বলেন, নিজেদের মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার জন্য ফিলিস্তিনি জনগণ যে আন্দোলন করছে তা দমন করার লক্ষ্যে ইসরাইল গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন চালাতে চায়। কিন্তু তা হতে দেওয়া হবে না এবং ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতিবাদ বিক্ষোভও থামানো যাবে না। গাজা উপত্যকার ওপর গত ১১ বছর ধরে আরোপিত অবরোধ ভাঙা এবং ইহুদিবাদীদের দখলে থাকা ফিলিস্তিনি মাতৃভূমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে গত ২৮ মার্চ থেকে গাজায় বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন ফিলিস্তিনি জনগণ। প্রথমদিকে প্রতিদিন এ বিক্ষোভ হলেও বর্তমানে প্রতি শুক্রবার এ বিক্ষোভ হচ্ছে। বিক্ষোভ দমনে ইহুদিবাদী ইসরাইলি সেনাদের পাশবিক হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ২৮ মার্চ প্রথম দিনের বিক্ষোভেই অন্তত ৫০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে মানবতার শত্রু ইসরাইল। তথ্যসূত্র : পার্সটুডে এমএইচ/  

ভেঙ্গে পড়ল মার্কিন হেলিকপ্টার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমএইচ-৬০আর সিহক হেলিকপ্টার ভেঙে যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস রোনাল্ড রিগ্যানের ওপর পড়েছে। এ ঘটনায় ১২ জন নাবিক আহত হয়েছেন। শুক্রবার ফিলিপাইন সাগরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মার্কিন সপ্তম নৌবহরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জো কেইলি জানিয়েছেন, আহত নাবিকদের দেহের চামড়া ছিলে যাওয়া থেকে শুরু করে কেটেকুটে গেছে, কারো কারো হাড় ভেঙে গেছে। সামরিক বিষয়ক পত্রিকা টাস্ক অ্যান্ড পারপাজ এ খবর দিয়েছে। বেশি আহত সেনাদেরকে ফিলিপাইনের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা ও সেনাদের আহত হওয়ার খবর দিলেও সেনা মুখপাত্র ওই দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে কিছু বলেন নি। তিনি বলেন, আহত সেনাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানোর ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। পত্রিকাটির খবর অনুসারে, জাহাজ থেকে হেলিকপ্টারটি ওড়ার পরপরই জরুরিভিত্তিতে নামতে গেলে দুর্ঘটনায় পড়ে। তথ্যসূত্র : পার্সটুডে এমএইচ/  

জামাল খাসোগজি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে সর্বশেষ সৌদি ভাষ্য

জামাল খাসোগজির হত্যকাণ্ড সম্পর্কে আরেকটি নতুন ভাষ্য হাজির করেছে সৌদি আরব ।ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসের ভেতরেই যে জামাল খাসোগজি নিহত হয়েছেন তা স্বীকার করে নিয়ে গতকাল একটি বিবৃতি দিয়েছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এখন একজন ঊর্ধ্বতন সৌদি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ সম্পর্কে যে সর্বশেষ ভাষ্য দিয়েছেন, তা আগের বিবৃতির সঙ্গে মিলছে না। সৌদি আরবের আগের বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, জামাল খাসোগজি সৌদি কনস্যুলেটে ঢোকার পরপরই সেখানে উপস্থিত সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার ঘুষোঘুষি শুরু হয়। সেসময় পেছন থেকে গলার ওপর দিয়ে হাত দিয়ে জাপটে ধরে নিরস্ত করার সময় তিনি শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান। কিন্তু ঊর্ধ্বতন একজন সৌদি কর্মকর্তা রয়টার্সকে যে ভাষ্য এখন জানিয়েছেন তা একটু ভিন্ন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই কর্মকর্তার বর্ণনা অনুযায়ী, যে পনের সদস্যের দল সৌদি আরব থেকে গিয়েছিল, তারা জামাল খাসোগজিকে ওষুধ দিয়ে অচেতন করে অপহরণের হুমকি দেয়। কিন্তু খাসোগজি তাতে বাধা দিলে তখন তাকে জাপট ধরলে তিনি শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান। এরপর এই সৌদি দলের একজন সদস্য জামাল খাসোগজির কাপড় খুলে তা পরেন এবং কনস্যুলেট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ভান করেন যেন মনে হয় জামাল খাসোগজি আসলেই বেরিয়ে গেছেন। উল্লেখ্য, এ নিয়ে জামাল খাসোগজির ঘটনা সম্পর্কে সৌদি ভাষ্য বেশ কয়েকবার পরিবর্তিত হলো। সৌদি আরব প্রথমে জোর গলায় এই খবর অস্বীকার করেছিল যে কনস্যুলেটের ভেতর থেকে জামাল খাসোগজি নিখোঁজ হয়েছেন। তারা দাবি করেছিলেন খাসোগজি কনস্যুলেট ভবন থেকে বেরিয়ে যান। ঘটনার ১৮ দিন পর সৌদি আরব স্বীকার করে যে জামাল খাসোগজি কনস্যুলেটের ভেতরেই মারা যান। অপহরণের পরিকল্পনা- ঊর্ধ্বতন এক সৌদি কর্মকর্তা এখন এই ঘটনা সম্পর্কে এখন যে সর্বশেষ ভাষ্য দিচ্ছেন তা এরকম: কনস্যুলেটের বাইরে অপেক্ষায় ছিলেন জামাল খাসোগজির তুর্কি বান্ধবী হেতিস।"পনের সদস্যের সৌদি দলটি ইস্তাম্বুলে এসেছিল জামাল খাসোগজিকে অপহরণের উদ্দেশ্যে। তারা মিস্টার খাসোগজিকে কনস্যুলেট থেকে তুলে নিয়ে ইস্তাম্বুলের বাইরে একটি `সেফ হাউজে` আটকে রাখবেন এমনই পরিকল্পনা ছিল। খাসোগজি যদি সৌদি আরবে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানান, তখন তাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল।""কিন্তু শুরু থেকে তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে শুরু করে। কারণ তারা উপরের নির্দেশ অমান্য করে গায়ের জোর খাটাতে শুরু করে। কনস্যুলেটে ঢোকার পর জামাল খাসোগজিকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কনসাল জেনারেলের কক্ষে। সেখানে মাহের মুতরেব নামে একজন তার সঙ্গে কথা বলেন এবং তাকে সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। খাসোগজি এতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি মাহের মুতরেবকে বলেন, তার প্রেমিকা বাইরে অপেক্ষা করছেন এবং এক ঘণ্টার মধ্যে যদি তিনি ফিরে না আসেন তাহলে তুর্কি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের কথা বলে এসেছেন তাকে।" "কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাহের মুতরেব যখন অপহরণের হুমকি দেন, তখন জামাল খাসোগজি তার গলা চড়াতে থাকেন। তখন সৌদি দলটি আতংকিত হয়ে তাকে থামানোর চেষ্টা করেন। তাকে জাপটে ধরা হয়, তার মুখের ওপর হাত চেপে ধরে চিৎকার বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়। তখন তিনি শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান। তাকে মেরে ফেলার কোন ইচ্ছে ছিল না।" "এরপর জামাল খাসোগজির কাপড়, সানগ্লাস, অ্যাপল ওয়াচ খুলে তা পরেন মুস্তাফা মাদানি। কনস্যুলেটের পেছনের দরোজা দিয়ে তিনি এমনভাবে বের হন, যেন মনে হয় যে জামাল খাসোগজিই কনস্যুলেট থেকে বেরিয়ে গেছেন।" এই সৌদি কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার পর জামাল খাসোগজির মৃতদেহ একটি কম্বলে মুড়িয়ে কনস্যুলেটের একটি গাড়িতে তোলা হয়। এরপর একজন `স্থানীয় সহযোগী`কে দায়িত্ব দেওয়া হয় এই মৃতদেহ গুম করার। আর সৌদি দলের ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ সালাহ তুবাইগি এই ঘটনার সমস্ত চিহ্ন মুছে ফেলার কাজ শুরু করেন। তুরস্কের কর্মকর্তাদের সন্দেহ জামাল খাসোগজির দেহাবশেষ হয়তো ইস্তাম্বুলের কাছের বেলগ্রাড জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এটি খুঁজে পেলে অনেক রহস্যের জট খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে। জামাল খাসোগজিকে সৌদি আরবে ফিরে যেতে রাজী করানোই যদি এই পুরো মিশনটির উদ্দেশ্য হয়ে থাকবে, তাহলে সেই দলে কেন এত এত সামরিক কর্মকর্তা আর ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, সেই প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। তথ্যসূত্র: বিবিসি। এসএইচ/

প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়বো আপনারা চাইলে আজই : মাহাথির

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ বলেছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রিত্ব চান না বরং সবাই চেয়েছে বলেই তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। রোববার মালয়েশিয়ার লংকাউয়িতে ট্যাক্সি ড্রাইভারদের এসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এমন কথা বলেন। মাহাথির বলেন, তিনি সমাজের সবার সুবিধার জন্য সবচেয়ে ভালো সমাধান বের করতে চান। আর এরপরই প্রায় ২০০ জন ট্যাক্সি চালকের মধ্যে ১০ জনের একটি দল মাহাথিরের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক শব্দ ব্যবহার করেন এবং সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর মাহাথির বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি ট্যাক্সি চালকদের সাহায্য করার চেষ্টা করছিলেন। মাহাথির আরও বলেন, এমন না যে আমি প্রধানমন্ত্রী থাকতে চাই। আমি অবসর নিয়েছিলাম, কিন্তু মানুষজনই আবার আমাকে চেয়েছে, তাই আমি ফিরে এসেছি। যদি আপনারা আমাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে না চান, তাহলে আমি আজই পদত্যাগ করতে পারি, এটি আমার জন্য কোনও সমস্যা না। তথ্যসূত্র: দ্য স্টার অনলাইন। এসএইচ/

কংগ্রেসের সমালোচনায় মোদি

রাফায়েল ঝড় নিয়ে মোদী-রাহুলের রেষারেষি অব্যাহত রয়েছে ৷ এরিই মধ্যে ফের কংগ্রেস সভাপতির সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সাথে প্রশ্ন তুললেন কেন স্বাধীনতার ৭০ বছর পরও  নিহত পুলিশ কর্মীদের শ্রদ্ধা জানাতে নির্মিত হয়নি পুলিশ মেমোরিয়াল ও মিউজিয়াম ৷ এজন্য তিনি দায়ী করেন কংগ্রেস সরকারকে ৷ রোববার জাতীয় পুলিশ দিবস ৷ এদিন লালকেল্লা থেকে নিহত পুলিশ কর্মীদের শ্রদ্ধা নিবেদনে পুলিশ মেমোরিয়াল ও মিউজিয়ামের উদ্বাধন করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী ৷ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, ‘পুলিশ মেমোরিয়ালের উদ্বোধন করে আমি গর্বিত ৷ কিন্তু বেশ কয়েকটি প্রশ্ন না তুলে উপায় নেই। স্বাধীনতার ৭০ বছর পরও কেন এই মেমোরিয়াল তৈরি করতে কেন এত বেশি সময় লাগল ৷ কংগ্রেস সরকারের যদি ইচ্ছা ও উদ্যোগ থাকতো  তাহলে বহু আগেই মেমোরিয়ান ও মিউজিয়াম নির্মিত হতো৷’ রাফালে ঝর সামলাতে নাজেহাল অবস্থা বিজেপির ৷ একের পর এক অভিযোগ সামলাতে বিরোধীদের আক্রমণকেই সেরা অস্ত্র বলে মনে করছে গেরুয়া শিবির ৷ পাঁচ রাজ্যে ভোটের আগে তাই পড়ে পাওয়া চৌদ্দ আনার মতো পুলিশ মেমোরিয়াল ইস্যুতেও কংগ্রেসকে নিশানা করতে ছাড়ছে না মোদী শাহ জুটি ৷ পুলিশ মেমোরিয়াল ও মিউজিয়ামের উদ্বোধনের পাশাপাশি এদিন প্রধানমন্ত্রী ১৯৫৯-এক বারত চীন যুদ্ধে নিহত ১০ বীর জওয়ানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ৷ (সূত্রঃ কলকাতা ২৪ঘণ্টা) কেআই/

মার্কিন রাজনীতিতে কমছে নারী অংশগ্রহণ

শ কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসার ক্ষেত্রে নারীদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। নারী বসের সংখ্যাও খুব কম।  কেউ কেউ শতর্ক করে দিয়ে বলেন, অবস্থা আরো অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন কর্মক্ষেত্রে পুরুষরা নারী সহকর্মীদের ব্যাপারে অনিচ্ছা পোষণ করছে। ‘মি-টু’ আন্দোলন জোরদার হওয়ার পর নারীদের প্রতি পুরুষ সহকর্মীদের ধারণা পরিবর্তন হয়েছে। কেননা নারীদের সাথে আগের মতো খোলামেলাভাবে একে অপরের অনুভূতি শেয়ারের বিষয়গুলো কমে যাচ্ছে। এ কারণে তাদের মধ্যে এক প্রকার দূরত্ব তৈরি হচ্ছে।    তবে ব্যতিক্রম হচ্ছেন ইন্দ্রা নোয়া যিনি একজন ভারতীয় আমেরিকান ব্যবসায়ী। তিনি পেপসিকোর প্রধান নির্বাহী হিসাবে কাজ করে আসছেন। তিনি এ পদে ২০১৬ সাল থেকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে কাজ করে আসছেন। তিনি বিশ্বের ১০০ প্রবাশালী নারীর তালিকাতেও স্থান পেয়েছেন। তথ্যসূত্র: ডন এমএইচ/  

মাসুদা ভাট্টি চরিত্রহীন না হলে দুনিয়াতে চরিত্রহীন কে?: তসলিমা

আলোচিত ও সমালোচিত নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন বলেছেন, মাসুদা ভাট্টি ভীষণ রকম চরিত্রহীন। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, সে যদি চরিত্রহীন না হয় তহালে চরিত্রহীন কে?    রোববার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা লিখেন। নিম্নে তসলিমা নাসরিনের লেখাটি হুবুহু তুলে ধরা হলো-  কে মইনুল হোসেন, কী করেন, কী তাঁর চরিত্র, কী তাঁর আদর্শ আমি জানি না, তবে জানি মাসুদা ভাট্টি একটা ভীষণ রকম চরিত্রহীন মহিলা। চরিত্রহীন বলতে আমি কোনওদিন এর ওর সঙ্গে শুয়ে বেড়ানো বুঝি না। চরিত্রহীন বলতে বুঝি, অতি অসৎ, অতি লোভী, অতি কৃতঘ্ন, অতি নিষ্ঠুর, অতি স্বার্থান্ধ,অতি ছোট লোক। মাসুদা ভাট্টি এসবের সবই। মহিলাটির জন্য ১৯৯৬ বা ১৯৯৭ সালে আমার কাছে খুব করে আব্দার করেছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। লন্ডন থেকে স্টকহোমে আমাকে ফোন করে বলেছিলেন, `মাসুদা ভাট্টি বাংলাদেশের মেয়ে। এক পাকিস্তানি লোককে বিয়ে করে এখানে ছিল। পাকিস্তানির সঙ্গে তালাক হয়ে গেছে। এখন ব্রিটেন থেকে ওকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এখন তুমিই একমাত্র বাঁচাতে পারো ওকে। ওর জন্য ব্রিটিশ সরকারকে একটা চিঠি লিখে দাও। লিখে দাও মাসুদা ভাট্টি বাংলাদেশে তোমার পাব্লিশার ছিল, তোমার জন্য আন্দোলন করেছে। ও যদি এখন দেশে ফিরে যায়, ওকে মেরে ফেলবে মৌলবাদিরা`। আমি বললাম, `মহিলাকে আমি চিনিই না। আর আপনি বলছেন ও আমার পাবলিশার ছিল? আমি মিথ্যে বলি না। আমি মিথ্যে কথা বলতে পারবো না।` এরপর ওই মহিলা আমাকে ফোন করে কান্নাকাটি, আমাকে বাঁচান। আপনি না বাঁচালে আমি মরে যাবো জাতীয় কান্না। কাউকে কাঁদতে দেখলে নিজের চোখেও জল চলে আসে। ব্রিটিশ সরকারের কাছে মাসুদা ভাট্টিকে না তাড়ানোর জন্য অনুরোধ করলাম। মহিলার জন্য মিথ্যে কথা আমাকে লিখতে হলো, লিখতে হলো, আমার পাবলিশার ছিল সে, দেশে ফিরলে তাকে মেরে ফেলবে মৌলবাদিরা। তখন আমার খুব নাম ডাক। আমার চিঠির কারণে মাসুদা ভাট্টির পলিটিক্যাল এসাইলাম হয়ে গেল, ব্রিটেনের নাগরিকত্বও হয়ে গেল। তারপর কী হলো? তারপর ২০০৩ সালে আমার আত্মজীবনীর তৃতীয় খণ্ড `ক` যখন বাংলাদেশে বেরোলো,আমি কেন নারী হয়ে দেশের এক বিখ্যাত পুরুষের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ করেছি, আমি কেন নারী হয়ে নিজের যৌনতার কথা লিখেছি, সারা দেশের নারী-বিদ্বেষী আর ধর্মান্ধ মৌলবাদি গোষ্ঠি উন্মাদ হয়ে উঠলো আমাকে অপমান আর অপদস্থ করার জন্য, আমাকে অবিরাম অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালি তো দিতেই লাগলো, আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে শুরু করলো, সেই মিছিলে সামিল হলো মাসুদা ভাট্টি।   আমার বিরুদ্ধে এ যাবৎ প্রচুর কুৎসিত লেখা লিখেছে লোকে, সর্বকালের সর্বকুৎসিত লেখাটি লিখেছে মাসুদা ভাট্টি। সবচেয়ে জঘন্য, সবচেয়ে অবিশ্বাস্য, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর, সবচেয়ে বীভৎস সে লেখা। এত ভয়াবহ আক্রমণ আমার চরমতম শত্রুও আমাকে কোনওদিন করেনি। ক বইটি নাকি ল্যাম্পপোস্টের নিচে বসে শরীরে ঘিনঘিনে ঘা ওলা রাস্তায় পড়ে থাকা এক বুড়ি বেশ্যার আত্মকথন। মাসুদাভাট্টি আমার উপকারের জবাব ওভাবেই দিয়েছিল। ও যদি চরিত্রহীন না হয়, দুনিয়াতে চরিত্রহীন কে? আজ দেশের ৫৫ জন বিশিষ্ট সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির পক্ষে লড়ছেন কারণ কেউ তাকে চরিত্রহীন বলেছে। যত অশ্লীল শব্দ বাক্য পৃথিবীতে আছে, তার সবই আমার বিরুদ্ধে উচ্চারিত হচ্ছে নব্বই দশকের শুরু থেকে। আমি তো জনপ্রিয় কলাম লেখক ছিলাম তখন, জনপ্রিয় লেখক ছিলাম, কই কোনও বিশিষ্ট সম্পাদক আর কোনও সিনিয়র সাংবাদিককে তো আমার বিরুদ্ধে হওয়া লাগাতার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিবাদ করতে কোনওদিন দেখিনি। আমার মাথার দাম ঘোষণা করা হলো, আমার বিরুদ্ধে লক্ষ লোকের লং মার্চ হলো, আমার ফাঁসির দাবিতে সারাদেশে দিনের পর দিন মিছিল হলো, সরকার একের পর এক আমার বই নিষিদ্ধ করলো, আমার মত প্রকাশের বিরুদ্ধে মামলা করলো, আমাকে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিল, কই দেশের কোনও সম্পাদক বা সাংবাদিক কেউ তো টুঁ শব্দ করেনি। এই যে আজ ২৪ বছর আমাকে অন্যায়ভাবে কোনও সরকারই দেশে ফিরতে দিচ্ছে না, কোনও বিশিষ্ট জন তো মুখ খোলেন না। একজনের বেলায় বোবা, আরেকজনের বেলায় বিপ্লবী, এ খেলার নাম কী?  এসি  

রাশিয়ার সঙ্গে করা পারমাণবিক চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসবে যুক্তরাষ্ট্র

রাশিয়ার সঙ্গে ১৯৮৭ সালে করা এক পারমাণবিক চুক্তি থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার নাভাদায় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ কথা জানানন।  ট্রাম্প বলেন, রাশিয়া চুক্তির শর্ত পালন করতে আন্তরিক নয়। তাই আমরা এই চুক্তি থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে যাচ্ছি। এর আগে ১৯৮৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ‘ইন্টারমিডিয়েট-রেঞ্জ নিউক্লিয়ার ফোর্সেস’ নামক এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন যথাক্রমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান এবং সুভিয়েত জেনারেল সেক্রেটারি মিখাইল গর্বাচেভ। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ওয়াশিংটনে।  তথ্যসূত্র: আল জাজিরা এমএইচ/  

চীনে বিপুল তেল মজুদ ইরানের

নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের আগে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান বিপুল পরিমাণ তেল মজুদ করেছে চীনে। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পর এসব তেল চীনের কাছে অথবা অন্য কোনো দেশের কাছে বিক্রি করবে দেশটি। ইরানের জাতীয় ট্যাংকার কোম্পানির একটি সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, ইরান থেকে সম্প্রতি বিশাল একটি তেলবাহী কার্গোজাহাজ চীনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে। ওই সূত্র বলেছে, ইরান এ পর্যন্ত দুই কোটি ব্যারেল তেল পাঠিয়েছে চীনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় ডালিয়ান বন্দরে। সেখান থেকে কোন দেশের কাছে তেল বিক্রি করা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেন নি ওই সূত্র। সূত্রটি বলেছেন, ‘ইরানের তেল বিক্রি বন্ধ করা অসম্ভব হবে সে কারণে আমরা তেল বিক্রির জন্য নানা পথ খুঁজে বের করছি। যখন আমাদের ট্যাংকার ডালিয়ান বন্দরে পৌঁছাবে তখন আমরা সিদ্ধান্ত নেব এ তেল চীনরে কাছে নাকি অন্য কোনো দেশের কাছে বিক্রি করব।’ চীনের ডালিয়ান বন্দরে বেশ কয়েকটি বড় আকারের তেল শোধনাগার রয়েছে। প্রতি মাসে সেখানে দশ লাখ থেকে ৩০ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল সরবরাহ করা হয়।  তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও পার্সটুডে। এমএইচ/

এই বিভাগের জনপ্রিয়

© ২০১৮ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি