হাসমতউল্লাহকে ফিরিয়ে জয়ের সম্ভাবনা বাড়ালেন মিরাজ
প্রকাশিত : ১৭:৫৪, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
আবুধাবি টেস্টে আফগানিস্তানের সামনে জয়ের জন্য ৪৭৯ রানের বিশাল ও রেকর্ড গড়ার লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে আফগানরা দারুণ লড়াই চালালেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে।
ইনিংসের একপ্রান্ত আগলে রেখে সেদিকুল্লাহ অটল দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে দলের স্বপ্ন জিইয়ে রাখলেও, অপর প্রান্তে আঘাত হানছেন বাংলাদেশি বোলাররা। সর্বশেষ আফগান অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহিদিকে আউট করে বাংলাদেশের জয়ের আশা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ।
পঞ্চম দিন সকালে ব্যাট করতে নেমে দিনের তৃতীয় ওভারেই এক রান নেওয়ার সময় ফিল্ডারের থ্রো করা বল প্যাডে লেগে প্রচণ্ড আঘাত পান হাসমতউল্লাহ শহিদি। ব্যথায় মাঠে লুটিয়ে পড়ার পর ফিজিওর সাহায্যেও সুস্থ বোধ না করায় ২০ রান থাকা অবস্থায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। পরে দলের প্রয়োজনে আহত অবস্থা থেকেই আবারও মাঠে ফেরেন তিনি। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৬৯ বলে ৩৬ রান করার পর মিরাজের বলে মিড অনে হাসান মাহমুদের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন আফগান অধিনায়ক। এটি ছিল আফগানিস্তানের ষষ্ঠ উইকেটের পতন।
ম্যাচের চতুর্থ দিন বিকেলে ৩ উইকেটে ১৩২ রান নিয়ে দিন শেষ করেছিল আফগানিস্তান। পঞ্চম দিনে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ একাই ধরে রাখেন সেদিকুল্লাহ অটল। তিনি ধৈর্যশীল ব্যাটিংয়ের পরিচয় দিয়ে ১৬৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি এবং পরবর্তীতে ২৭৭ বলে নিজের লড়াকু সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।
ইনিংসের মাঝামাঝি সময়ে আফগান শিবিরে প্রথম বড় ভাঙন ধরান পেসার এবাদত হোসেন। ৩৩ রান করা ইকরাম আলিখিলকে আউট করতে বড় ভূমিকা রাখেন উইকেটরক্ষক লিটন দাস। এবাদতের করা একটি শর্ট বল পুল করতে গিয়ে ইকরাম গ্লাভসে লাগিয়ে ফেললে, লিটন ডান দিকে ঝাঁপিয়ে মাটির সমান্তরাল থেকে এক অসাধারণ ক্যাচ লুফে নেন। এরপর ক্রিজে আসা ইসমত আলমের (৪) সাথে সেদিকুল্লাহর ৪০ রানের প্রতিরোধ ভাঙেন মিরাজ।
সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তান ১০৬.৪ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৬৫ রান সংগ্রহ করেছে। সেদিকুল্লাহ অটল ১০৫ রান নিয়ে ক্রিজে অপরাজিত আছেন এবং তাঁর সাথে নতুন ব্যাটার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন শূন্য রানে থাকা ইয়ামিন আহমদজাই। ম্যাচ জিততে আফগানদের এখনও প্রয়োজন ২১৪ রান, আর ঐতিহাসিক এই জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার মাত্র ৪টি উইকেট।
এমএইচ










