ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ১৫ অক্টোবর ২০২৬

টিসিবির যাচাইয়ে বাদ ৫৯ লাখ আবেদন, সঠিক উপকারভোগী বাছাইয়ে জোর সিপিডির

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ১৬:০৬, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১৬:০৮, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যক্রমে ডিজিটাল রূপান্তরের অংশ হিসেবে ই-কেওয়াইসি ও জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাইয়ে প্রায় ৫৯ লাখ ভুয়া ও অযোগ্য আবেদন বাদ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। পাশাপাশি ব্যাংক এপিআই ব্যবহার এবং সরাসরি গুদাম থেকে পণ্য সরবরাহের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৮০ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে বলে দাবি করেছে টিসিবি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবে আয়োজিত ‘ট্রেড উইথ টিসিবি’ শীর্ষক বিজনেস টকে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। টিসিবির সেবা সহজীকরণ এবং ক্রয় কার্যক্রমে দরদাতা ও সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চলতি অর্থবছরে টিসিবির সংগ্রহ কর্মসূচির আকার ৮ হাজার কোটি টাকা। নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে প্রায় ৯ হাজার অনুমোদিত ডিলারের পাশাপাশি বিভিন্ন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা কমাতে উপকারভোগীর তথ্য যাচাই থেকে পণ্য সরবরাহ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

টিসিবি চেয়ারম্যানের দাবি, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা চালুর ফলে সংস্থাটির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বেড়েছে। উপকারভোগীর পরিচয় যাচাই এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় পরিবর্তনের মাধ্যমে অনিয়ম প্রতিরোধ ও ব্যয় সাশ্রয় সম্ভব হচ্ছে।

তবে শুধু ডিজিটাল কার্ড চালু করলেই কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলবে না বলে মন্তব্য করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক নাজনীন আহমেদ। তিনি বলেন, প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন নিশ্চিত করা জরুরি।

টিসিবির কার্যক্রমে রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের বাড়তি সুবিধা নেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি। কারা বাড়তি সুবিধা নিচ্ছেন, তাঁদের মনিটরিংয়ের আওতায় আনা এবং অনিয়ম ঠেকাতে তদারকি জোরদারের পরামর্শ দেন এই অর্থনীতিবিদ।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি