দেশের পর্যটনশিল্প ও হসপিটালিটি খাতে ছুটির পরিকল্পনা
প্রকাশিত : ১৮:০৮, ২৭ জুন ২০২৬
দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে ছুটি গ্রুপ দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পর্যটন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে।
করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ছুটি গ্রুপ বিভিন্ন সামাজিক, পরিবেশগত ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ম্যারাথন, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম এবং অন্যান্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করে আসছে।
গত ১৪ বছরের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় ছুটি শুধু একটি হসপিটালিটি ব্র্যান্ড নয়, বরং পর্যটনভিত্তিক বিনিয়োগের একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পূর্বাচল, পূবাইল, কক্সবাজার, শ্রীমঙ্গল এবং ঢাকা-খুলনা মহাসড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছুটির সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে।
এসব প্রকল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদী আয়, সম্পদের মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং ছুটির বিদ্যমান রিসোর্টসমূহে অবকাশ যাপনের সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন।
ছুটি গ্রুপের পরিকল্পনা
ছুটির লক্ষ্য শুধুই রিসোর্ট নির্মাণ নয়। বরং বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প ও হসপিটালিটি খাতে বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা তৈরি করা। পর্যটনশিল্পকে সাস্টেইনেবল শিল্পে রুপান্তরের জন্য কাজকরা। নতুন প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি করতে ছুটি গ্রুপ কাজ করে যাচ্ছে।
ভিশন ২০৩০ এর লক্ষ্য হলো প্রতিদিন হস্পিটালিটি শিল্পে ১,০০০ রুম সংযুক্ত করা। যার মাধ্যমে এই শিল্পের বিকাশ ও বিস্তার লাভ করবে। মানুষের কাছে হস্পিটালিটি সেবা সহজলভ্য হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। সেই লক্ষ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে ছুটি গ্রুপ।
যান্ত্রিক নগরজীবনের ক্লান্তি থেকে মানুষকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে স্বস্তি ও আনন্দময় সময় উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১২ সালে শুরু হয় ছুটির সপ্নযাত্রা। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “ছুটি” কবিতার দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে শুরু হয় এই উদ্যোগ। ছুটি আজ বাংলাদেশের অন্যতম আস্থার ঠিকানা। যা এখন সুপরিচিত ব্র্যান্ড।
ছুটি রিসোর্ট, গাজীপুরের সুকুন্দী থেকে যাত্রা শুরু করে গত ১৪ বছরে দেশের বিভিন্ন পর্যটনবান্ধব স্থানে সফলভাবে বিস্তৃতি লাভ করেছে।
এএইচ
আরও পড়ুন










